নগরীতে নকল মাস্ক-স্যানিটাইজারের গোডাউনে অভিযান
স্টাফ রিপোর্টার
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে নগরীতে নকল মাস্ক-স্যানিটাইজারের গোডাউনে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময়ে ওই গোডাউনটি সিলগালা করে দেওয়ার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরীর খালিশপুর থানার মুজগুন্নী বটতলা এলাকায় ‘তালহা এন্টারপ্রাইজ’ নামক নকল পণ্য সামগ্রীর গোডাউনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল। অভিযানে এনএসআই খুলনা মেট্রো ও খালিশপুর থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে ওই গোডাউন থেকে ৫০০পিস নকল মাস্ক, ২ বান্ডিল স্যানিটাইজারের লেভেল, ৫০০ বোতল নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ২৫০ প্যাকেট সোনালী নকল মশার কয়েল, ১৫০০ পিস নকল এলইডি ভাল্ব, ১৫০ প্যাকেট নকল ফাস্ট ওয়াশ ডিটারজেন্ট পাউডার ও ১৭ বস্তাসহ বিভিন্ন কোম্পানির নকল ডিটারজেন্ট পাউডার উদ্ধার করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. সোহরাব হোসেন শাওন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা থেকে নকল পণ্য সংগ্রহ করে নগরীতে বাজারজাত করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে নকল পণ্য পাওয়ায় ওই ব্যবসায়িকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে গোডাউনটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর কমিটি গঠণ : আরিফ সভাপতি ও খোকন সাধারণ সম্পাদক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর ৩ সদস্য’র নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত কমিটির সভাপতি হলেন মোহাম্মদ আরিফ, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ রাজা।
গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইমতিয়াজ আলি খোকনের সভাপতিত্বে সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সভাপতি পদে ৩জনের নাম প্রস্তাব হয়। সভায় উপস্থিত সকল সদস্য গোপন ভোটের মাধ্যমে মোহাম্মদ আরিফকে সভাপতি নির্বাচিত করেন। অপর দিকে সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কোন প্রার্থী না থাকায় সাধারণ সম্পাদক পদে এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শাকিল আহমেদ রাজাকে নির্বাচিত করা হয়। উক্ত কমিটি আগামী ৭দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করবেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক কমিটির সহ-সভাপতি জি এম মহিউদ্দিন, সংরক্ষীত আসনের কাউন্সিলর মাজেদা খাতুন, কবি সৈয়দ আলি হাকিম, আব্দুস সালাম আকন শিমুল, মো. সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ আলি, ডা. আব্দুস সালাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হিদু, মো. মনির হোসেন, এস এম মিজানুর রহমান, মুন্সি আহমেদ হোসেন, কামরুল ইসলাম ভুট্রো, সবুজুল ইসলাম সবুজ, ডা. আলি হাফিজ, ফিরোজ আহমেদ, মাকসুদুল হক, মিজু প্রমুখ।
নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬
স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৫৭০ গ্রাম গাঁজা ও ১২৬ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর নতুন বাজার ওয়াপদা খ্রীষ্টান গলির মৃত. মজিবর জোমাদ্দারের ছেলে মো. মিরাজ জোমাদ্দার (২৪), ৮নং শামসুর রহমান রোড, শিব মন্দিরের জায়গার মৃত. স্বপন কুমার সাহার ছেলে সৌরভ সাহা (২১), ৯৬, বয়রা আজিজের মোড়ের মৃত. ইউসুফ আলীর ছেলে শেখ তানভির হাসান (২১), পাবলা নতুন রাস্তার মোড়ের মৃত. সাহেব আলীর ছেলে মো. আসলাম শেখ (৩৮), পশ্চিম বানিয়াখামার কাবের মোড়ের বাগান বাড়ীর গলির মুকুল-বকুল এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া মোক্তার আলী ফকিরের ছেলে মো. সুজন ফকির (২৭) ও গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার দেওপুরা গ্রামের সরোয়ার হোসেনের ছেলে হামিদুল্লাহ খান (৩৩)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) কানাই লাল সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মহানগর পুলিশ। এসময় ৫৭০ গ্রাম গাঁজা ও ১২৬ পিস ইয়াবা ও নগদ ১২,০৫০ টাকাসহ ৬মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ৬টি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় র্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১
স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানাধীন মিনাজপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৯৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন ওই গ্রামের মো. কাউছারের ছেলে আকাশ (২১)।
র্যাব-৬ জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানাধীন মিনাজপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ওই গ্রামের ঈদগা এর সামনে থেকে ৯৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আকাশকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রান ও নুতন কাপড় বিতরন করা হচ্ছে: সিটি মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
সাবেক মন্ত্রী খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আ. খালেক বলেছেন দেশে যখন কোন দূর্যোগ দেখা দেয় তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাহসিকতার সাথে তা মোকাবেলা করেন। তিনি কখনও ভেঙ্গে পড়েন না। করোনায় সারা বিশ^ যখন অস্থির তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি যাতে ভয়াবহ না হয় তার জন্য তিনি ধৈর্য্যরে সাথে সবকিছু সামাল দিচ্ছেন। দেশে করোনা নিয়ে যারা মানুষকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিয়ে ফায়দা লুটেছে তাদের সরকার রেহাই দেবেনা। স্বাস্থ্য খাতকে যারা বিতর্কিত করেছে তাদেরও ছাড় দেয়া হবেনা। তিনি বলেন করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে না দিতেই বন্যায় দেশের প্রায় অর্ধেক জেলা ডুবে গেছে। লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সরকার গত মার্চ মাস থেকে করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষ যাতে তিন বেলা খাবার পায় তার ব্যবস্থা করেছে। সেই খাদ্য সহায়তা এখনও অব্যাহত রেখেছেন। এখন নুতন করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষকে ত্রান সহায়তা দিচ্ছেন। দেশের এই পরিস্থিতির মধ্যে আগামী ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পক্ষ থেকে দেশের সব অসহায় মানুষের মধ্যে নুতন কাপড় ও ত্রান সহায়তা বিতরন করা হচ্ছে। তিনি বলেন করোনা পরিস্থিতি যতদিন স্বাভাবিক না হবে ততদিন কর্মহীন অসহায় এসব মানুষকে খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। কোন মানুষ যাতে খাদ্যের অভাবে না খেয়ে থাকে তার জন্য সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে অসহায়দের তালিকা করার সময় কোন অনিয়মের আশ্রয় নেয়া যাবেনা। সতর্কতার সাথে প্রকৃত অসহায়দের তালিকা করতে হবে।
তিনি গতকাল ২৯ জুলাই বুধবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা, রাজনগর, হুড়কা, রামপাল সদর, বাঁশতলী, বাইনতলা ও উজলকুড় ইউনিয়নের অসহায় মানুষের মধ্যে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে শাড়ী, থ্রিপিছ ও ত্রান বিতরন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাধন চন্দ্র বিশ^াস, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ গাজী গিয়াস উদ্দিন, সরদার আ. হান্নান ডাবলু, তপন কুমার গোলদার, আলহাজ মোহাম্মাদ আলী, আব্দুল্লাহ ফকির, গাজী আকতারুজ্জামান, হাওলাদার জুলফিকার আলী, নিখিল রঞ্জন চৌধুরী, শেখ আক্কেল আলী, শেখ আলাউদ্দিন, আকরাম হোসেন, শেখ হারুনার রশিদ, হাওলাদার আবু তালেব, এনামুল বাশার বাচ্চু,আরাফাত হোসেন কঁিচ, জালাল উদ্দিন দুলাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কয়রায় ২টি গ্রামের পল্লীবিদ্যুৎ এর সংযোগ ও লঞ্চঘাটের পন্টুন উদ্বোধন করবেন বাবু এমপি
শাহজাহান সিরাজ, কয়রা
কয়রা উপজেলা সদরের মদিনাবাদ লঞ্চঘাটের পন্টুনের সাথে সড়কের সংযোগ না থাকায় ও ৬নং কয়রা গুড়িয়াবাড়ী এবং হরিহারপুর লঞ্চঘাটে পন্টুনের ব্যবস্থা গ্রহন করায় নদীপথে খুলনাগামী শত শত যাত্রীদের নিত্যদিনের দুর্ভোগ লাঘব হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু’ ৩০ জুলাই সকালে এ সকল কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। কয়রা সদরে লঞ্চঘাটের পন্টুনের সাথে সংযোগ পথ ও ৬নং কয়রা ও হরিয়ারপুর লঞ্চঘাটের পন্টুন সার্ভিসটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। এলাকবাসির সাথে কথা বলে জানা গেছে, কয়রা উপজেলার মদিনাবাদ লঞ্চঘাটের পন্টুনের সাথে সড়কের সংযোগ না থাকায় কয়রা থেকে নদীপথের খুলনাগামী শতাধিক যাত্রীদের দুর্ভোগ নিত্যদিনের ব্যাপার ছিলো। দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীরা এমন ভোগান্তির স্বীকার হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যবস্থা নিতেই দেখা যায়নি । প্রতিদিন ৪টি যাত্রীবাহী লঞ্চ এ নৌপথে যাতায়াত করে। কিন্তু মদিনাবাদ লঞ্চঘাটের পন্টুনে উঠার সিঁড়ি না থাকায় লঞ্চগুলো নদীর চরে ভিড়তে বাধ্য হয়। আর ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রীরা। ভাটার সময় হাঁটু কাদা পেরিয়ে লঞ্চে আরোহণ, আর জোয়ারের সময় সহায়ক হয় গামছা। মহিলা ও শিশুদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। বোরখা কাপড় ভিজিয়ে আদরের সন্তান কোলে কাঁধে নিয়ে বহু কষ্টে লঞ্চে উঠতে হয় তাদের । কয়রা-পাইকগাছার এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু’র প্রচেষ্টায় কয়রা সদরে পন্টুনের সাথে সড়কের সংযোগ পথ তৈরি ও ৬নং কয়রা এবং হরিয়াপুর ২ টি লঞ্চঘাটে নতুন পন্টুন স্থাপনে এমন জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রতিদিন লঞ্চে যাতায়াতকারী শত শত মানুষ উপকৃত হবে। দীর্ঘ দিনের দাবী পূরণ হওয়ায় পুরো এলাকায় রয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। জনগুরুত্বপূর্ণ লঞ্চঘাটের নতুন পন্টুন ও পন্টুনের সাথের সংযোগ পথের ব্যবস্থা কয়রায় এলাকাবাসী এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন। অপর দিকে একই দিন কয়রা সদরের ৫নং ও ৬নং কয়রা গ্রামের শতভাগ পল্লী বিদ্যুৎতের সংযোগ প্রদান করা হবে। আনুষ্ঠানিভাবে এমপি আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু এ কাজের উদ্বোধন করবেন। এটি উদ্বোধন করা হলে ২ টি গ্রামের মানুষ বিদ্যুৎতের আলো জালাতে পারবে ঐ দিন। সেই আশায় বুক বেধে আছে উপকুলীয় এ জনপদের মানুষ।
বাগেরহাটে সরকারি চাল সন্দেহে ৩৫ বস্তা চাল জব্দ
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি চাল সন্দেহে ৩৫ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বহরবুনিয়া ইউনিয়নের ফুলহাতা বাজারের মুদি ব্যাবসায়ী অলিয়ার রহমান কাজীর দোকান সংলগ্ন বসতঘর থেকে সহকারি কমিশনার(ভূমি) রঞ্জণ চন্দ্র দে এই চাল জব্দ করেন। এসময় অলিয়ার রহমান বাড়িতে ছিলেন না।
বহরবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, সকাল থেকে ইউনিয়ন পরিষদে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত গরীব অসহায় পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরন করা হয়। বিকালে বহরবুনিয়া ইউনিয়নের ০৪ নং ইউপি সদস্য মাসুম বিল্লাহ মাসুদ ও ০৫ নং ইউপি সদস্য কচি সরকারী বস্তা পরিবর্তন করে নরমাল প্লাস্টিকের বস্তায় চাল স্থানীয় অলিয়ার রহমানের দোকানে ৩৫ বস্তা ( প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) চাল বিক্রি করে। যা রাতে সহকারী কমিশনার ভূমি রঞ্জণ চন্দ্র দে চাল জব্দ করে। অপরদিকে এ্যাড হারুনুর রশিদ জানান, জব্দকৃত চাল স্থানীয় কচি মেম্বর ও মাসুদ মেম্বার বিক্রি করে বলে তিনি জানান। গরীব অসহায়দের চাল যারা আত্মসাত করেছে তাদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত পূর্বক দ্রুত বিচারের দাবি জানান। চাল আত্মসাতের ব্যাপারে ইউপি সদস্য কচি জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চাল ইউপি চেয়ারম্যান রিপন হোসেন তালুকদার ও ট্যাগ অফিসার উপস্থিত থেকে চাল বিতরন করেছেন। এখানে কোন অনিয়ম হয়নি বলে জানান। চাল আত্মসাতের ব্যাপারে ইউপি সদস্য মাসুম বিল্লাহ মাসুদ বলেন,পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এলাকার এক শ্রেনীর সার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমি কোন অনিয়ম করিনি।
এ বিষয়ে ঘটনাস্থল থেকে থানার ওসি(তদন্ত) ঠাকুর দাশ মন্ডল বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অলিয়ার কাজীর ঘরে পাওয়া ৩৫ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। অলিয়ার কাজীকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সহকারি কমিশনার(ভূমি) রঞ্জণ চন্দ্র দে বলেন, গণমাধ্যম কর্মী ও স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ফুলহাতা বাজারের মুদি ব্যাবসায়ী অলিয়ার রহমান কাজীর দোকান সংলগ্ন বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ৩৫টি বস্তায় ভরা চাল পাওয়া যায়। চাল গুলো নরমাল প্লাস্টিকের বস্তায় ছিল। কোন রকম সরকারি সিল ছিল না। তারপরও যেহেতু অভিযোগ এসেছে তাই আমরা চালগুলোকে জব্দ (ওই কক্ষ তালা দিয়েছি) করেছি। চালের মালিককে আসতে বলেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। যদি সরকারি চাল আত্ম সাতের কোন প্রমান পাওয়া যায় তাহলে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য গত সোমবার (২৭ জুলাই) বনগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ বস্তা চাল আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।
বাগেরহাটে ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশুর হাট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পুলিশের বিশেষ প্রচারাভিযান
বাগেরহাট প্রতিনিধি
চলমান করোনা মহামারী পরিস্থিতি ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাগেরহাটে কোরবানির পশুর হাট ও হাটে বর্জ্যব্যাবস্থাপনাসহ সর্বত্র স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের দুই দিনব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান শুরু করেছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় এই বিশেষ প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করেন। প্রচার অভিযানের উদ্ভোধণীতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাফিন মাহমুদ, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, জেলা যুব মহিলা লীগ আহ্বায়ক অ্যাড. লুনা সিদ্দিকী, বাগেরহাট ফাউ-েশনের সাধারণ সম্পাদক আহাদ উদ্দিন হায়দার, বাগেরহাট প্রেসকাবের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আজমল হোসেন প্রমূখসহ জেলা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম কর্মীরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
প্রচারে বাগেরহাট জেলা পুলিশের একটি সুসজ্জিত পিক আপ বহর মোটর সাইকেল শোভাযাত্রাসহ বাগেরহাট শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও পশুর হাট এলাকা প্রদক্ষিণ করে সচেতনতামূলক মাইকিং করে। উদ্বোধন শেষে পুলিশ সুপার তার কার্যালয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে এক প্রেস ব্রিফিং এ মিলিত হয়ে কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণনায় পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, ঈদুল আযহা উপলক্ষে জেলার মানুষের জান মালের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। উৎসব উপলক্ষে জাল টাকা ও মাদকের ছড়াছড়ি না হয় সেজন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও পশুর হাট চলাকালীন জাল টাকা শনাক্তকরণ ও অপ্রিতিকর অঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সর্বপরী ঈদুল আযহায় মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে এবং করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাগেরহাটে যৌনকর্মীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাগেরহাটে যৌনকর্মীদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বাগেরহাটের শহরে যৌনপল্লীর কার্যক্রম স্থগিত থাকার পর জেলা প্রশাসন চতুর্থবারের মত ওই পল্লীতে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। তবে এবার খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি পোলাও চাল, কেজি ডাল, ১ কেজি করে পেয়াজ, লবন, তেল, ৫টি সাবান, সেমাই, গুড়া দুধ রয়েছে। বুধবার দুপুরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ কামরুল ইসলাম।
ঈদুল আযহার দু’দিন আগে যৌনকর্মীরা খাদ্যসামগ্রী পেয়ে খুব খুশি হয়েছেন। এর আগে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বাগেরহাট পৌরসভা ও সদর উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তারা যৌথভাবে যৌন পল্লীর অর্ধশতকর্মীদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
৫০০ অসহায় পরিবারকে ঈদ উপহার দিল সোলাম
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা, ২৯ জুলাই ২০২০ বুধবার কোভিড-১৯ এর কারনে কর্মহীন, অসহায় ও দরিদ্র জনগণের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় নৌ ঘাঁটি সোলাম ঈদুল-আজহা উপলক্ষে লবনচরা ও মাথাভাঙ্গা এলাকায় ৫০০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাবার, ১২০টি শাড়ি, ৪০টি থ্রি পিস ও ৪০টি লুঙ্গি বিতরন করে। নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট মোংলা উপজেলার সোনাইতলা, সুন্দরবন, দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, আপাবাড়ি, চিলা ও ফেরিঘাট এলাকায় নিয়মিত সচেতনতামূলক টহল প্রদান করে। উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে কোভিড-১৯ প্রতিরোধমূলক লিফলেট বিতরণ করে। এছাড়া মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ও বুুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে ২৮৩৮ অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে। মোতায়েনকৃত নৌ কন্টিনজেন্ট বরগুনা বিভিন্ন উপজেলাসমূহে সচেতনতামূলক টহল পরিচালনা করে। এছাড়া বরগুনা সদর ও পাথরঘাটায় ২৮৩৮ অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে। উপজেলাসমূহের বিভিন্ন এলাকায় কোভিড-১৯ প্রতিরোধ সর্ম্পকিত ১৩৫টি লিফলেট বিতরণ করে। পাশাপাশি সকল বাজার, দোকান-পাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে ক্রেতা বিক্রেতা সকলকে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ ও নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতে এবং ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের জন্য নির্দেশনা প্রদান করে।
খুলনা-৬ সাবেক এমপি এ্যাড. নুরুল হক আর নেই
পাইকগাছা প্রতিনিধি
খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাড. শেখ মোঃ নুরুল হক (৮৬) আর নেই। বুধবার দুপুরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন করোনাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি খুলনা-৬ সংসদীয় আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন। তার বড় ছেলে আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার মৃতদেহ পাইকগাছায় আনা হবে। নিজ গ্রামে জানাযা নামাজ শেষে দাফনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু, সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. সোহরাব আলী সানা, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু, সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর ও যুগ্ম সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস সহ আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠণের নেতৃবৃন্দ।
পাইকগাছায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলীমের দাফন সম্পন্ন
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল আলীম (৭০) দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার মারা গেছেন। বুধবার সকাল ১০ টায় লস্কর-পাইকগাছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে জানাযা পূর্বে মরহুমের কফিনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করেন উপজেলা সহকরী কমিশনার (ভূমি) আরাফাতুল আলম ও ওসি তদন্ত আশরাফুল আলম। জানাযায় অংশ গ্রহণ করেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা কাজী তোকারেম হোসেন টুকু, রনজিৎ সরকার, মোঃ অনোয়ার হোসেন মোল্যা, মোঃ বজলুর রহমান, অব্দুল মজিদ সানা, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, আমির আলী সারদার, রহমত আলী, সৈয়দ অলী জোয়াদ্দার। মৃতুকালে তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র, ও ৩ কন্যাসহ অসংখ্যা গুনগ্রহী রেখেগেছেন।
পাইকগাছার দেলুটি ইউনিয়নে অবশেষে ৫৫.৩৫২ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন
পাইকগাছা প্রতিনিধি
মুজিব জন্মশতবর্ষ উৎযাপন উপলক্ষ্যে পাইকগাছা উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নে অবশেষে ৫৫.৩৫২ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করা হয়েছে। স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু বুধবার সকালে এর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোঃ আলতাপ হোসেন, বাউবো খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী আজিজুস সালাম। এ সময় বক্তব্য রাখেন, সাবেক খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মোহাঃ শেখ শহিদুল্লাহ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান গাজী। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী নেতৃবৃন্দ,ইউ পি সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ১ জন, উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১ ও নতুন আক্রান্ত ৯ জন
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আফসার উদ্দিন (৬০) নামে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে তিনি মারা গেছেন। এর আগে ভোরে করোনা উপসর্গ নিয়ে আকবর আলী নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়। এনিয়ে আজ করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে দুই জনের মৃত্যু হলো।
করোনা আক্রান্ত মৃত আফসার উদ্দিন কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের শহর আলীর ছেলে ও উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া কৃষক আকবর আলী (৬০) কালিগঞ্জ উপজেলার পানিয়া গ্রামের আহছান আলীর ছেলে।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ রফিকুল ইসলাম জানান, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ১৪ জুলাই হাসপাতালের আইসোলশেনে ভর্তি হন আফসার উদ্দিন। পরদিন তার নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। ২০ জুলাই তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বেলা আড়াই টার দিকে তিনি মারা যান।
এছাড়া আকবর আলী নামে এক কৃষক গত ২৮ জুলাই মঙ্গলবার জ্বর ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলশেনে ভর্তি হন । এরপর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোর চার টার দিকে তিনি মারা যান। মারা যাওয়ার পরপরই তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়।সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তাদের বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরায় নতুন করে দুই স্বাস্থ্য কর্মীসহ ৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় বুধবার পর্যন্ত ৬৮২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে পিসিআর ল্যাব থেকে পাওয়া নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে উক্ত ৯ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আজ পর্যন্ত এ জেলা থেকে মোট ৩ হাজার ৭৫৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। ইতিমধ্যে ২ হাজার ৮৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে পৌছেছে। এর মধ্যে ৬৮২ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ ও বাকী সব নেগেটিভ এসেছে। এছাড়া ৩৫৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে।
টিনের বেড়া দিয়ে গোয়ালখালী উত্তরপাড়া মেইন রাস্তা দখল!
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগরীর ৯ নং ওয়ার্ডে টিনের বেড়া দিয়ে গোয়ালখালী উত্তরপাড়া মেইন রাস্তা দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ১৮ জুলাই এলাকাবাসী খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
লিখিত অভিযোগে এলাকবাসী উল্লেখ করেন, গোয়ালখালী উত্তরপাড়া মেইন রাস্তাটি এলাকাবাসীর চলাচলে একমাত্র পথ কিন্তু অতি সম্প্রতি করোনা প্রাদুর্ভাব ব্যাধি মহামারী কালে, আফসার উদ্দীন, পিতাঃ মৃত মফিজুদ্দিন তার বাড়ীর সীমানা বাদেও রাস্তার প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি পরিমাণ অংশ টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে দখলে নিয়েছে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সাধারন জনগণ প্রতিবাদ করলে আফসার উদ্দিন কারও কথার তোয়াক্কা না করে তার বেড়া বহাল রেখেছেন। আফসার উদ্দিন একজন কুচক্রি, কুপ্রবৃত্তির প্রকৃতির প্রভাবশালী লোক। তিনি বলে, বেড়া সরাক দেখি, কার কত ক্ষমতা।
গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সার্ভেয়ার দ্বারা মাপামাপি করে সি.এস. ও এস.এ. ম্যাপ ও খতিয়ানের পার্থক্য অনুযায়ী প্রমাণিত হয় যে, উল্লেখিত আফসার উদ্দিন ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি রাস্তার জায়গা দখল করেছেন, এমনকি তার মূল সম্পত্তির সাথে আর.এস. রেকর্ড করিয়া নিয়েছেন। অবৈধভাবে আর.এস. রেকর্ডের ক্ষমতাবলে তিনি তার দখলকৃত রাস্তার জায়গা ছাড়তে অস্বীকার করছেন।
উক্ত রাস্তাটি আর.এস. বয়রা মৌজার ৪ ও ৬ ম্যাপ শীটের আর.এস দাগ-৬৫৯ নং সি.এস এর ১ নং শীটের ১৩৯, ১৩৯/১৪৪৬, ১৩৯/১৪৪৭ দাগ সমূহের মধ্যবর্তি। এমতাবস্থায় তার অবৈধ দখলের ফলে রাক্তাটি খুবই সংকীর্ণ হওয়ায় এলাকাবাসী চলাচলে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। ভবিষ্যতে যে কোন মুহূর্তে শান্তিভঙ্গ করে একটি দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। রাস্তাটি পূর্বের ন্যায় চওড়া থাকলে যানবাহন ও লোকজন চলাচলে উপশম হয়। উক্ত রাস্তায় এ্যাম্বুলেন্স যেতে পারে না, এমনকি একটি লাশের খাট কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কিছুদিন পূর্বে এলাকায় অন্ধ কল্যাণ সংস্থায় আগুন লাগলে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ করতে পারেনি। জনসার্থে বিষয়টি অতি জরুরী বিবেচনা করত রাস্তাটির অবৈধ দখলকৃত অংশটি সি.এস/এস.এ ম্যাপ অনুযায়ী পূণরুদ্ধার পূর্বক মেরামত ও সংস্কার করে এলাকাবাসির চলাচলের সুবিধা প্রদানে দাবি জানান তারা।
লিখিত আবেদনে স্বাক্ষর করেন- শেখ নূরুল আমিন,শেখ রুহুল আমিন, আঃ রাজ্জাক ও শেখ আমিরুল ইসলামসহ এলাকার ২৪ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি।
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরে ফেরার পথে বিষ, বিষ মিশ্রিত মাছ, জাল ও নৌকাসহ ৭ দুর্বৃত্ত আটক
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
সুন্দরবনে বিষ (কীটনাশক) দিয়ে মাছ ধরে ফেরার সময় ৪৮ কেজি বিষ মিশ্রিত মাছ, ২০ বোতল কীটনাশক, ১টি বেহুন্দি জাল ও ১টি নৌকাসহ ৭ দুর্বৃত্তকে আটক করেছে পুলিশ। মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, সুন্দরবনের জয়মনি, করমজল, হাড়বাড়িয়া ও তার আশপাশ এলাকায় বনদস্যু, বনের নদ-নদীতে বিষ প্রয়োগকারী ও চোরা হরিণ শিকারীদের গ্রেফতারে পুলিশের নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদীর সুন্দরতলা এলাকা থেকে বুধবার সকালে বিষ, মাছ, জাল ও নৌকাসহ ৭ দুর্বৃত্তকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো চিলা ইউনিয়নের সুন্দরতলা গ্রামের শিবপদ মন্ডল (৪২), গোবিন্দ রায় (৩৫), দুলাল শেখ (২৫), আরিজুল ফকির (৩৫), সুব্রত রায় (২৫), আমিন শেখ (১৯) ও আলআমিন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতে প্রেরণ করা হবে। উল্লেখ্য, সুন্দরবন কেন্দ্রীক সকল ধরণের অপরাধ দমনে বাগেরহাট পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে ৩ জুলাই থেকে বন এলাকা জুড়ে পুলিশের বিশেষ এ অভিযান শুরু হয়। যার ফলে এর আগেও বনের বিভিন্ন এলাকা এবং পশুর নদীতে অভিযান চালিয়ে জালসহ বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত আটক করে মোংলা থানা পুলিশ।
মোংলায় বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত, ‘বাঘের গল্প’ শীর্ষক বিশেষ ভার্চুয়াল সেমিনার
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
‘বাঘ আমাদের গর্ব, সুন্দরবন বাঁচলে বাঘ বাঁচবে’। তাই যে কোন মূল্যে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে। মানুষের অত্যাচারে সুন্দরবন আজ বিপর্যস্ত। এছাড়া পাচারকারী দলের শক্তিশালী সিন্ডিকেট’র মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বাঘ হত্যা করা হচ্ছে। সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদীকে শিল্প দূষণের কবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাঘসহ সুন্দরবন ও প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করা যাবে না। বুধবার সকালে বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), পশুর রিভার ওয়াটারকিপার এবং ওয়াটারকিপার বাংলাদেশ’র আয়োজনে ‘সুন্দরবন বাঁচাও, বাঘ বাঁচাও’ শীর্ষক মানববন্ধনে বক্তারা এ সব কথা বলেন।
বুধবার সকাল ১১টায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই সীমিত পরিসরে মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন’র (বাপা) বাগেরহাট জেলা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ নূর আলম শেখ। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাপা নেতা নাজমুল হক, কমলা সরকার, আব্দুর রশিদ হাওলাদার, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার মারুফ বিল্লাহ, শেখ রাফসান রানা।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ‘সুন্দরবন বাঁচলে বাঘ বাঁচবে’, ‘পশুর নদী বাঁচাও, সুন্দরবন বাঁচাও, বাঘ বাঁচাও’, ‘টাইম ফর ন্যাচার’ ‘কাইমেট জাসটিস নাউ’ ‘গ্রীণ রিকভারী’ ‘গ্রীণ জবস’ ‘স্টপ কোল, স্টপ নিউকিয়াির’ প্রভৃতি শ্লোগান লেখা প্লাকার্ড-ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করেন। এছাড়া বুধবার বিকেল ৪ টায় বাপা এবং পশুর রিভার ওয়াটারকিপার এর আয়োজনে ‘বাঘ দিবসে বাঘের গল্প’ শীর্ষক বিশেষ ভার্চুয়াল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ভার্চুয়াল সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাপা’র নির্বাহী সহ-সভাপতি ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন। সেমিনার সঞ্চালনা করেন বাপা’র সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল এবং পশুর রিভার ওয়ারটাকিপার মোঃ নূর আলম শেখ। বাঘ দিবসে বাঘের গল্প শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে প্যানেল আলোচক ছিলেন সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির, বাঘ বন্ধু মোঃ আলামীন মোছাল্লী, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিমের নান্টু গাজী, ডলফিন কনজারভেশন টিমের টিম লিডার ই¯্রাফিল বয়াতী, বাঘের আক্রমণের শিকার নুরুজ্জামান সানা, সুন্দরবন ট্যুরস গাইড মোঃ নাজমুল হক, দুবলা চরের জেলে নজরুল ইসলাম, শুদ্ধপ্রাণ কাবের সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র রায় প্রমূখ।
চিতলমারীতে স্কুল শিক্ষিকা আত্মহত্যার ঘটনায় সুদখোর গ্রেফতার
চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে সুদখোরদের চাপে স্কুল শিক্ষিকা হাসিকনা বিশ্বাসের আত্মহত্যা মামলায় আরেক আসামীকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ। এনিয়ে এমামলায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।গ্রেফতার কৃতদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায় মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার অন্যতম আসমী সুদখোর সুনিল বিশ্বাস (৫০) কে আটক করা হয়। এরআগে গত শুক্রবার আরেক আসমী রেফাজুল খান পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। চিতলমারী থানার ওসি মীর শরিফুল হক জানান সুদেব্যাবসায়ীদের গালিগালাজ,অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত (২০ জুলাই) দুপুরে স্কুল শিক্ষিকা হাসিকনা বিশ্বাস আত্মহত্যা করে।
মৃত্যুর দুই দিন পর ( ২২ জুলাই) বুধবার বিকেলে হাসিকনার স্বামী যুগল কান্তি ডাকুয়া বাদী হয়ে ৮জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামী করে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে চিতলমারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।
মণিরামপুরে নতুন চারজনসহ ৮৫ জনের করোনা সনাক্ত
আনোয়ার হোসেন,মণিরামপুর (যশোর)
মণিরামপুরে নতুন চার জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। আক্রান্তরা হলেন, যশোর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ মণিরামপুর সদর দপ্তরের দুই স্টাফ রিপন আলী (৩৭) ও সাজেদ হোসেন (২৬), মণিরামপুর হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত অ্যাম্বুলেন্স চালক হায়দার আলী (৬৫) এবং ঢাকুরিয়া গ্রামের ইমামুল হোসেন। বুধবার (২৯ জুলাই) যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে এই চারজনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। মণিরামপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অনুপ বসু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত শনি ও বরিবার মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে ১৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। সেখান থেকে বুধবার চার জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। আক্রান্তরা সবাই নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের বাড়ি লকডাউন করতে উপজেলা প্রশাসনকে তথ্য দেওয়া হয়েছে।
করোনা পরীক্ষার জন্য গত সাড়ে তিন মাসে মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে ৫০৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া এই অঞ্চলের অনেকে বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে নমুনা দিয়েছেন। ১১ এপ্রিল প্রথম মণিরামপুর হাসপাতালের এক স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা সনাক্ত হয়। যিনি ছিলেন যশোর জেলার প্রথম করোনা রোগী। এরপর এই অঞ্চলে বাড়তে থাকে করোনা রোগীর সংখ্যা। একে একে আক্রান্ত হয়েছেন হাসপাতালের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারসহ নার্স ও স্টাফ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, ছাত্র এবং কৃষক। এই পর্যন্ত সরকারিভাবে মণিরামপুরে ৮৫ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বাকি ১৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন, বলেন ডা. বসু।
ঝিনাইদহে স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পুড়াবেতাই গ্রামে রেকসোনা খাতুন (৩২) নামে এক স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দুপুরে গ্রামের একটি মেহগনি বাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে ধর্ষনের পর হত্যা করা হতে পারে বরে স্বজনরা মনে করছে। রেকসোনা পুড়াবেতাই গ্রামের নুর ইসলাম নুরোর মেয়ে। তিনি রাস্তায় মাটিকাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। গ্রামবাসি জানান, রেকসোনার একাধিক জায়গায় বিয়ে হয়। কিন্তু দাম্পত্য কলহে কোন স্বামীর বাড়িতে তার স্থায়ীভাবে ঠাঁই হয়নি। রাতের বেলা একলা বাজার ঘাটে চলাফেরা করতেন। মঙ্গলবার বিকাল থেকে রেকসোনা নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার দুপুরে বাড়ির কাছে একটি মেহগনি বাগানে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। লাশের শরীরে কোন আঘাতে চিহ্ন না থাকলেও তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিলো। রেকসোনা হত্যার মোটিভ ও কু উদ্ধারে তৎপর রয়েছে পুলিশ। তার সাবেক কোন স্বামী এই হত্যার সাথে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে গান্না ইউনিয়নের বেতাই পুলিশ ক্যাম্পের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রথমিক ভাবে আমরা মনে করছি রেকসোনাকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে বুধবার বিকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঝিনাইদহে অতর্কিত হামলায় ৩ ভাই জখম
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না গ্রামে ভাইয়ের দা এর কোপে ৩ ভাই গুরুতর যখম হয়েছে। বুধবার দুপুরে ওই গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো, গান্না গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের বিশ্বাসের ছেলে গোলাম মোস্তফা মজনু, কবির হোসেন ও জামির হোসেন।
আহত জামির হোসেন বলেন, তার ভাই গোলাম মোস্তফা মজনুর সাথে ভাই মোফাজ্জেল হোসেনের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রথমে ভাই গোলাম মোস্তফা মজনুকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্বক রক্তাক্ত যখম করে। পরে খবর পেয়ে ভাইকে উদ্ধার করতে গেলে আমার এবং আমার আরেক ভাই কবির হোসেনকে কুপিয়ে যখম করে। পরে স্থানীয়রা আমাদেরকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে ভাই মজনুকে ফরিদপুর হাসপাতালে রেফার্ড করে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিল্পী আবিদ সুদীর্ঘকাল মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন: উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
সঙ্গীত জগতের নতুন প্রজন্মের কিংবদন্তী শিল্পী মিনা আবিদ শাহরিয়ার বাপীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে শিল্পীর দৌলতপুর মহেশ্বরপাশায় ইসলামবাগ সমাধিস্থল প্রাঙ্গণে শিল্পীর প্রতি এক শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান গতকাল ২৯ জুলাই ’২০ সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়। শিল্পী আবিদ স্মৃতি পরিষদ-এর অন্যতম সহ-সভাপতি কবি দুখু বাঙালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শংকর কুমার মল্লিকের সঞ্চালনায় শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ জামান বলেন, দেশ ও মানুষের প্রতি প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ সঙ্গীতশিল্পী মিনা আবিদ শাহারিয়ার বাপী সুদীর্ঘকালব্যাপী এদেশের মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। সুস্থ বাঙ্গালি সংস্কৃতি চর্চায়র ধারায় আবিদ নিজেকে সংযুক্ত করেছিলেন অত্যন্ত সচেতনভাবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আমাদের এ সমাজের যুবকদের বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত হয়ে গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করা অত্যাবশ্যক। আবিদ তাঁর জীবৎকালে সচেতনভাবে এ কাজটি করে গেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেনÑবাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, বিএমএ-এর সদস্য ডাঃ আর কে নাথ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের কমরেড খলিলুর রহমান, দৌলতপুর একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির শাহীন জামাল পণ, অলক স্মৃতি পরিষদের অজয় কুমার দে, বাংলাদেশ যুব মৈত্রী-খুলনার এড. কামরুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, সাইফুল ইসলাম সাদ্দাম, সমাজকর্মী মিনা জিল্লুর রহমান, এমসিএসকে স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বিপ্লব, খুলনা বিভাগীয় ফুটবল উন্নয়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিনা মামুনুর রহমান, কমরেড আব্দুস সাত্তার, কমরেড আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। শিল্পী আবিদের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেনÑখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ জামান, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, শিল্পী আবিদ স্মৃতি পরিষদ, অলক স্মৃতি পরিষদ, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটি, বাংলাদেশ যুব মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিল্পী আবিদের স্মৃতি প্রতি দাঁড়িয়ে ১ মিনিট শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বেনাপোলে টাকার দাবিতে ভাইয়ের গুলিতে ভাই নিহত
বেনাপোল প্রতিনিধি
নেশার টাকার দাবিতে আপন ভাই ব্যাসায়ি রাছেল নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে একাধিক মামলার আসামি আমজাদ নামে এক কুখ্যাত সন্ত্রাসী। ঘটনাটি ঘটেছে বেনাপোল পোর্ট থানার কাগজপকুর গ্রামে। তবে গুলি করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আমজাদ হোসেন আটক হয়েছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে। বুধবার সকাল ১০ টার সময় এ ঘটনা ঘটে কাগজপুকুর গ্রামে তাদের নিজ বাড়িতে। নিহত রাছেল হোসেন (৩৭) ও হত্যাকারী আমজাদ (৩২) হোসেন কাগজপুকর গ্রামের ইদ্রিস আলী ইদুর ছেলে। নিহত চাচা আব্দুল কারিম বলেন মঙ্গলবার রাত্রে আমজাদ নেশার জন্য তার ভাই রাছেল এর কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এ নিয়ে দুই ভাই কথা কাটাকাটি হয়। বুধবার সকাল ১০ টার সময় আবার সে রাছেল এর কাছে টাকা দাবি করে। রাছেল টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমজাদ তার গলায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যা করে। পরে রাছেলকে বুরুজ বাগান হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষনা দেন।
স্থানীয়রা জানান, বেনাপোল শার্শার কুখ্যাত সন্ত্রাসী একাধিক মাদক ও হত্যা মামলার আসামি নিজের বোমায় নিজে নিহত আমিরুলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিল এই আমজাদ হোসেন। আমিরুল নিহত হওয়ার পর থেকে সে কাগজপুকুর বেনাপোল শার্শা এলাকায় ছিনতাই সহ নানা ধরনের অপরাধ কর্মকান্ডর সাথে জড়িত ছিল। নিহত রাছেল হোসেন বেনাপোল বাজারে ডাবলু মার্কেটে একজন কসমেটিক্স ব্যবসায়ি।
বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার আব্দুল ওহাব বলেন স্থানীয় লোক মারফত ওই যুবককে আমরা আটক করি। স্থানীয় লোক বলে সে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছে। পরে তাকে আটক করে নাম জানতে চাইলে সে তার নাম আলী হোসেন বলে জানায়। এসময় তার নিকট একটি ছোট চাকু পাওয়া যায়। আমরা নিশ্চিত হতে না পেরে ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়ার পর পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।
এঘটনায় নিহতর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। হাজার হাজার লোক আশ পাশ এর গ্রাম থেকে নিহতে একনজর দেখার জন্য বাড়িতে ভীড় জমাচ্ছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ডিউটি অফিসার এ এস আই রোকনুজ্জামান বলেন, আমজাদ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ওসি মামুম খানের নেতৃত্বে তাকে সীমান্তের সাদিপুর ইছামতি নদী থেকে আটক করা হয়। বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন আসামি এখন থানা হাজতে আছে ।
সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শেখ নুরুল হক চিকিৎসাধীর অবস্থায় হৃদ ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লা….. রাজিউন)। তার মৃত্যুতে সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগ শোকাহত।মরহুমের মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে শোক বিবৃতি প্রদান করেন সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা তসলিম আহম্মেদ আশা,শাহজাহান পারভেজ, মোঃ আমির হোসেন, মোঃ মোজাফফার হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস পিকুল, রফিকুল ইসলাম পিটু, জাহাঙ্গির আলী মন্টু, আঃ কাইয়ুম গোরা, এস এম রাজুল হাসান রাজু, এস এম কবির উদ্দিন বাবলু, টি এম আরিফ, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, শরীফ এনামুল কবীর, মোক্তার হোসেন, এজাজ পারভেজ বাপ্পি, কামরুজ্জামান, এড এনামুল হক, আলী আকবর, মোঃ রুহুল আমীন খান, এড শামীম আহম্মেদ পলাশ, আইয়ুব আলী, মেহেজাবিন খান, তোতা মিয়াঁ ব্যাপারী, ইঞ্জিনিয়ার আঃ জব্বার, খাজা মঈনুদ্দিন, শিপন চৌধুরী, খান হুমায়ুন কবীর, এড সোহেল পারভেজ, তৌহিদুর রহমান দিপু, শাহাদাৎ হোসেন, মঈন খান সেলিম, কাজী রকিবুল হক পলাশ, আসাদুজ্জামান মিলটন, নাসরিন ইসলাম, হায়দার আলী খোকন, মোঃ রাজ্জাক হোসেন, আরজুল ইসলাম আরজু, মুন্সি আইয়ুব আলী, চম মুজিবুর রহমান, শেখ নুর ইসলাম, শেখ জাহিদুল হক, শেখ আবিদউল্লাহ, শেখ আব্দুল আজিজ,মোঃ জাহিদুল ইসলাম,সরদার আঃ হালিম,শেখ হাসান ইফতেখার চালু, ইউসুফ আলী খান, হাজি মোতালেব মিয়াঁ, শেখ রুহুল আমিন, মীর মোঃ লিটন, জাকির হোসেন হাওলাদার,রেজাউল করিম, মোঃ সবুর হোসেন,শেখ কুদ্দুস হোসেন, মহাদেব সাহা, মোস্তাক আহম্মেদ টুটুল, সোহেল চৌধুরী, আলী রেজা হায়দার রনি, আনিসুর রহমান, মীর মাসুদ আলী, রকিবুল ইসলাম রকি, এম এম সিপার হায়দার, শেখ সিদ্দিকুর হক, মোঃ মামুন উকিল, মাহবুব মম, জিয়াউর রহমান বাবু সাহেব, এড রাকিবুল ইসলাম, এ এম আল মামুন চৌধুরী, এস এম মনির হোসেন, মশিউজ্জামান খান মশি, এড জসিমউদ্দিন খান লিটন প্রমুখ।
ইমামদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বুধবার বিকাল ৬টায় জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ খুলনা সদর থানা শাখার পক্ষ থেকে ইমামদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিতরণ কালে নেতৃবৃন্দ বলেন সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো জন্য বিত্তবান শ্রেণীর প্রতি আমাদের আহবান, এ করোনা সংক্রমণের মধ্যে সমাজের সাধারণ মানুষ বড় ধরনের সংকটের ভিতর দিয়ে জীবন জাপান করছেন, নিন্মবিত্তের প্রতি আমাদের আরও সদয় হওয়া দরকার। উপস্থিত ছিলেন থানা সভাপতি মুফতী ফখরুল হাসান কাসেমী, সাধারন সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাদের, মুফতী আজিজুল হক, মুফতী ইকরাম হোসেন, মাওলানা শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মুফতী আব্দুলাহ, মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম, মাওলানা ওবায়দুলাহ, মাওলানা আবু বকর, মাওলানা আব্দুল জব্বার, শামসুর রহমান বাবুল, কারী টিপু সুলতান প্রমূখ।
অবিলম্বে রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করুন: নাগরিক পরিষদ
খবর বিজ্ঞপ্তি
পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ, খুলনা’র আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই-খুদা, যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এড. আ ফ ম মহসীন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা ও ইষ্টার্ণ জুট মিলস সিবিএ মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলÑবাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ খুলনা জেলা সম্পাদকম-লীর সদস্য আনিসুর রহমান মিঠু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার এবং সদস্য সচিব ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরী ও ঈদ বোনাস ঈদের আগে পরিশোধ করার দাবী জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব সকল পাটকলে ২০১৯ সালের ৬ সপ্তাহের ও ২০২০ সালের ১ সপ্তাহের বিল বকেয়া। এছাড়া আলিম জুট মিল শ্রমিকদের ৬৪ সপ্তাহের মজুরি বকেয়া। আর বিগত দিনের শ্রমিকদের কর্মঘণ্টার ভিত্তিতে ঈদ বোনাস দেয়ার নিয়ম থাকলেও তা দেখা হচ্ছে না। ফলে চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় থাকা শ্রমিকদের দুর্দশা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের শুধুমাত্র জুলাই ’২০ মাসের ২৬ দিনের বেসিকের টাকা দেয়া হয়েছে। এই করোনা মহামারীকালে কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য পরিবার প্রতিপালনে তা খুবই অপ্রতুল। মজুরি ও বোনাস আইনত শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা। নেতৃবৃন্দ তাই সরকারের কাছে দাবী জানান, অবিলম্বে শ্রমিকদের এই পাওনা পরিশোধ করুন। পাশাপাশি দুর্নীতি-লুটপাট ও পাটকলসমূহ পরিচালনার ভুলনীতি বন্ধ করে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী আধুনিকায়ন করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় পাটকলসমূহ চালু করারও দাবী জানান নেতৃবৃন্দ।
ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগর শাখার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বুধবার বিকাল ৫ টায় ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগর শাখার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ মহানগর কার্যালয়ে। ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মেহেদি হাসান এর পরিচালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপস্থিত ছিলেন এইচ এম জুনাইদ মাহমুদ, মোঃ আব্দুর রশিদ, হাফেজ মোঃ হাসান, মোঃ ফেরদাউস গাজী সুমন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ টিপু সুলতান, মোঃ রেজওয়ান হোসেন রিপন, মোঃ লাভলু, মোঃ নাজমুল ইসলাম সহ ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেশের উন্নয়নের জন্য সকল কার্যক্রমে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হতে হবে: ডিসি খুলনা
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলায় কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার (ইএএলজি) প্রকল্পের বিগত ছয় মাসের সকল কার্যক্রমের ওপর পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সার্কিট হাউজ সম্মেলনকক্ষে বুধবার সকালে পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য সকল কার্যক্রমে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হতে হবে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। মাস্ক পরা এখন আইনী বাধ্যবাধকতা। জীবন ও জীবিকার তাগিদে স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে আমাদের স্বাভাবিক কাজ কর্ম চালিয়ে যেতে হবে। ইএএলজি প্রকল্প থেকে খুলনায় প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ এবং উপকারভোগীদের জিনিসপত্র জীবাণুমুক্তকরণ করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক এসময় প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো: ইকবাল হোসেন। স্টেলারাইড মেশিন ব্যবহার বিষয়ক ধারণা দেন ইএএলজি প্রকল্পের জেলা সমন্বয় মো: ইকবাল হাসান। পরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মাঝে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ইউভি-সি (আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি) জীবাণুমুক্তকরণ বক্স বিরতণ করেন।
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের করোনাকালীন সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের খুলনা অঞ্চলের সদস্যদের করোনাকালীন সময়ে করনীয় বিষয় নিয়ে এক আলোচনা সভায় আয়োজন করা হয়। গতকাল বুধবার বিকেল ৪ টায় নাইস ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সভা পরিচালিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী। সভা সঞ্চলনায় ঢাকা থেকে যুক্ত ছিলেন, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী প্রধান সাইদুর রহমান। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের খুলনা বিভাগীয় আহবায়ক ও নাইস ফাউন্ডেশনের পরিচালক এম মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে দৌলতপুরস্থ নাইস ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক আমার সংবাদের খুলনা ব্যুরো প্রধান মো. একরামুল কবির সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
বর্তমান করোনাকালীন অবস্থায় বিভিন্ন ধরনের নারী নির্যাতন ও সামাজিক অন্যায় অবিচার বেড়েই চলেছে। উপস্থিত সকলে এ বিষয়ে মতামত রাখেন। পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে করনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় তারা বলেন, একজন এইচ.আর.ডি হিসেবে আমরা এসব অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখে সরকারের নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। একজন মানবাধিকার কর্মীর দায়-দায়িত্ব কি হতে পারে তা নিয়ে উপস্থাপনা করেন সাইদুর রহমান।
করোনা মহামারীতে মানব কল্যাণের সহযোগিতায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে: মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মানবিক চিকিৎসা সেবায় খুলনা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠিত ‘কল সেন্টারে’ নগদ অর্থ প্রদান করেছেন মহানগর মহিলা দল নেত্রী রেহেনা ঈসা ও বিশিষ্ট সমাজসেবী রোজি রহমান। গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরীর ৫৭, রূপসা স্ট্যান্ড রোডস্থ ‘কল সেন্টারের’ অস্থায়ী কার্যালয়ে রেহেনা ঈসা ও রোজি রহমানের নিকটজনের কাছ থেকে সংগৃহিত অর্থ গ্রহণ করেন নগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি মানব কল্যাণ কাজে আরো সকলকে এগিয়ে আসা এবং করোনা ভাইরাস মহামারিতে দলের সকল নেতা-কর্মিদের আক্রান্ত পরিবারের পাশে সাধ্যমত সহযোগিতার আহবান জানান। যারা এই মহামারিতে মানুষের সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছে, তাদের সকলকে দলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান তিনি। আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থ রাখুন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, রেহেনা ঈশা, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মহিবুজ্জামান কচি, শেখ সাদী, সাজ্জাদ হোসেন পরাগ, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, নাজমুল হুদা সাগর, বদরুল আনাম খান, কামরান হাসান, এনামুল হাসান ডায়মন্ড, শরিফুল ইসলাম জলি, সিরাজুল ইসলাম লিটন, কে এম মাহবুব আলম, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, কাওসারী জাহান মঞ্জু, আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
বাবরের মৃত্যুবার্ষিকীতে সিপিবি’র স্মরণসভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
ছাত্র ইউনিয়নের মুক্তিযুদ্ধকালীন খুলনা জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ১৯৭১ সালে রাজাকার আলবদর বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার ’৭১ সালের ২৯ জুলাই নিহত কমরেড রওনকুল ইসলাম বাবরের হত্যাবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভা বুধবার সন্ধ্যায় সিপিবি খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেনÑজেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. এস এম রুহুল আমিন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. বাবুল হাওলাদার, সিপিবি নেতা সুতপা বেদজ্ঞ, যুব ইউনিয়ন জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, যুব ইউনিয়ন নেতা আফজাল হোসেন রাজু প্রমুখ। বক্তারা বলেন, কমরেড বাবরসহ তাঁর ভাই ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী জাকির, তপনকে রাজাকাররা ধরে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করে পকিস্তান জিন্দাবাদ বলার জন্য হীন অপচেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে টুকরো টুকরো করে জবাই করে হত্যা করেছিল।
এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার ২য় মৃত্যু বার্ষিকী পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ, খুলনা-৪ সংসদীয় আসনের বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য জননেতা এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণানুষ্ঠান, দোয়া, ও ” ভুলিতে পারিনা তাঁকে” শীর্ষক তথ্য চিত্র প্রদর্শন বুধবার বিকাল ৪টায় খুলনার রূপসা উপজেলার রাজাপুর ভ্রাতৃমঞ্চ যুব সংঘ মিলনায়তনে মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহবায়ক শেখ অলিউর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এ্যাড. কাজী আব্দুল আহাদ। পরে এস এম মোস্তফা রশিদী সুজাকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, খুলনা -৬ আসনের সংসদ সদস্য আকতারুজ্জামান বাবু, বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষকলীগ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি, আইচগাতি ইউনিয়নর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, আওয়ামী যুব লীগ খুলনা মহানগরের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরদার আবুল কাশেম ডাবলু, অধ্যাপক শ্যামল দাশ, মোঃ ইমদাদুল ইসলাম, এ্যডঃ মনি শংকর নাগ, শেখ মনিরুজ্জামান মনি, শেখ মোঃ মারুফ, মোঃ মিজানুর রহমান, শেখ কামরুজ্জামান, হারুনুর রশিদ মিনু, লিটন বিশ্বাস খোকন, মেজবাউর রহমান মেজবা, জামাল ফকির, উৎপল দাস, শেখ মনির হোসেন ও মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। প্রয়াত এ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বক্তারা বলেন , এস এম, মোস্তফা রশিদী সুজা ছিলেন একটি ইন্সটিটিউশন। তিনি শিখিয়েছেন কিভাবে সংগঠন করতে হয় কিভাবে নেতৃত্ব দিতে হয়। তার দেখানো পথ অনুসরণ করলে প্রয়াত নেতা মানুষের অন্তরে বেঁচে থাকবেন এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কর্মীদের মাঝে বেঁচে থাকবে।
কুষ্টিয়ায় অনলাইনে বিক্রি কম, কোরবানির পশু হাটে নিয়ে যাচ্ছেন খামারিরা
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
করোনার বিস্তার রোধে কুষ্টিয়ায় এ বছর অনলাইনে কোরবানির পশুর হাট চালু করেছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন। ঈদুল আজহার বাকি রয়েছে আর মাত্র দুদিন। তবে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রিতে সাড়া কম পাওয়ায় হাটের দিকে ঝুঁকছেন খামারিরা। অনলাইনে সাড়া না পেয়ে কেউ কেউ তাদের বিক্রয়যোগ্য গরু নিয়ে গেছেন ঢাকা অথবা চট্টগ্রামে। জেলা প্রশাসন সূত্র জানা যায়, এবার ‘কোরবানি পশুর হাট কুষ্টিয়া’ নামে ফেসবুকে একটি পেজ খোলা হয়েছে। সেখানে খামারিদের বিক্রয়যোগ্য পশুর ছবি, সম্ভাব্য ওজন, বিক্রেতার নাম-ঠিকানাসহ পোস্ট করার অনুরোধ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য মতে, কুষ্টিয়ার ৬ উপজেলায় ৩৮ হাজার গরু-ছাগলের খামার রয়েছে। চলতি বছর এসব খামারে এক লাখ ৫ হাজার গরু, ৭০ হাজার ছাগল এবং ভেড়াসহ অন্যান্য পশু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। এ জেলায় ১৫টি পশুর হাট রয়েছে। এসব হাট ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এসব পশু বিক্রি হয়ে থাকে। তবে করোনার কারণে এবার অনলাইনেও চলছে পশু বেচা-কেনা।
মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউপির কেউপুর গ্রামের মশিউর রহমান জানান, গত ২০ জুলাই ফেসবুকের ‘কোরবানি পশুর হাট কুষ্টিয়া’ নামে একটি পেজে ছবিসহ গরু বিক্রির জন্য পোস্ট করেছিলাম। তবে কোনও সাড়া না পাওয়ায় দুইদিন আগে গরু বিক্রির জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমার গরুটির ওজন আনুমানিক ৯ মণ। দাম চেয়েছিলাম সাড়ে ৩ লাখ টাকা।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আনিচুর রহমান নামে এক ছাগল বিক্রেতা জানান, গত ১৭ জুলাই আমাদের পালিত ৩৬ থেকে ৪০ কেজি ওজনের দুইটি ছাগল বিক্রির জন্য ফেজবুক পেজে পোস্ট করেছিলাম। তবে এখন পর্যন্ত কোনও ক্রেতা মেলেনি। ছাগল দুটি বিক্রির জন্য বাধ্য হয়ে হাটে নিয়ে যাচ্ছি।
কুষ্টিয়ায় অনলাইন পেজে গরুর ছবি দিয়েও ক্রেতাদের সাড়া মিলছে না। এক খামারির বাড়িতে পালা গরু। জাহিদ হোসেন নামে এক গরু খামারি জানান, অনলাইনে ক্রেতা না পাওয়ায় শেষে বাড়িতেই ব্যাপারির কাছে বিক্রি করেছি।
কুমারখালি উপজেলার জাহেদপুর গ্রামের গরু বিক্রেতা সোহেল সামাদ জানান, গত ১৮ জুলাই গরু বিক্রির জন্য ‘কোরবানি পশুর হাট কুষ্টিয়া’ ফেসবুক পেজে ছবিসহ পোস্ট দিয়েছিলাম। তবে এ পর্যন্ত কোনও ক্রেতা ফোন করেনি। আমাদের ইচ্ছা আছে গরুটি হাটে না নিয়ে বাড়ি থেকেই বিক্রি করবো। সে আশা পূরণ হবে কিনা জানি না।
কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, খামারিরা যাতে কোরবানির সময় তাদের গরুটা বিক্রি করতে পারেন এজন্য আমরা অনলাইন কোরবানির পশুর হাট খুলেছিলাম। যদিও সেটির সাড়া কম। তবে স্থানীয় পর্যায়ে বেশি গরু কেনেন না। মুলত ঢাকা, চট্টগ্রামের ব্যপারিরা এসব গরু কেনেন। স্থানীয়দের বেশিরভাগ হাটে গিয়েই গরু কিনতে অভ্যস্ত।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আরও বলেন, আমরা জেলার ৩ হাজার খামারিকে প্রাতিষ্ঠানিক এবং ৬ হাজার খামারিকে অপ্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রশিক্ষণ দিয়েছি যাতে তারা কিভাবে স্বল্প খাবারে গরুকে হৃষ্টপুষ্ট করতে পারেন। এ ছাড়াও খামারিদের কৃমিনাশক ট্যবলেট এবং ভিটামিন দেওয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি গরু পালনের উৎপাদন খরচ কমিয়ে কিভাবে কৃষককে লাভবান করা যায়। কিভাবে রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত রেখে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু হৃষ্টপুষ্ট করতে পারেন সে বিষয়ে তাদের দক্ষ করে তোলার চেষ্টা করছি।
ডাক্তার মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, হাটে যাতে অসুস্থ গরু ক্রয়-বিক্রয় না হয় সেদিকে নজরদারি করা হচ্ছে। এবার হাটে ১১টি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। গরু মোটাতাজা করেও সঠিক দাম মিলবে কিনা সে আশঙ্কা আছে খামারি ও ব্যাপারিদের।
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, কুষ্টিয়াতে কোরবানিকে টার্গেট করে ব্যাপক গবাদিপশু লালনপালন করা হয়ে থাকে। করোনার এই সময়ে হাটে না গিয়ে ঘরে বসে গরু কিনতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনলাইনে কোরবানির পশুর হাট নামে একটি পেজ খোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এই অনলাইন পেজে ক্রেতাদের এখনও সাড়া কম।
জেলা প্রশাসন সূত্র আরও জানায়, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের পরিচালিত ‘কোরবানি পশুর হাট কুষ্টিয়া’ নামক ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অনলাইনে এখন পর্যন্ত মোট ৩৯টি গরু বিক্রয় হয়েছে। এ ছাড়াও ৫টি ছাগল বিক্রয় হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট আর্থিক লেনদেন হয়েছে প্রায় ৩৯ লাখ ৪৫ হাজার ৫ শত টাকা। গত সপ্তাহে পশু ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশে পোস্ট হয়েছিল ২ হাজার ৯১৩টি এবং এ সপ্তাহে হয়েছে ১ হাজার ৯৫৩টি পোস্ট। পশু বিক্রয় হওয়া মাত্রই সেই পোস্টটি ডিলিট করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসন।
ঈদ উপলক্ষে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা খুলনা
শরীফা খাতুন শিউলী
ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগরীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গরুর হাট, ঈদের জামাত ও ঈদের পর ফাঁকা খুলনার জনগণের জানমাল রক্ষায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ছক তৈরি করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ(কেএমপি)।
কেএমপির পক্ষ থেকে এবারের ঈদ উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পবিত্র ঈদুল আযহায় জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার কথা জানতে পেরে কড়া সতর্কতা নিয়েছে কেএমপি। গোটা শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
করোনার এই দুর্যোগ মুহূর্তে ঈদুল আযহাকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এবারের ঈদের নামাজ ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে মসজিদে গিয়ে আদায় আদায় করতে হবে। সে ক্ষেত্রে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।
ঈদ ও পরবর্তী ছুটির দিনগুলোতে তিন ভাগে বিভক্ত করে পুলিশ নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পুলিশের ঈদের ছুটি ও সীমিত করা হয়েছে। কেএমপি সূত্র জানায়, নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঈদের দিন মহানগরীর ৮ থানা এলাকায় তিন সহস্রাধিক সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।
এরমধ্যে পোশাকধারী পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা (ডিবি) ও বিশেষ শাখা (সিটিএসবি) পুলিশের সমন্বয়ে টিম মাঠে নিরাপত্তায় কাজ করবে। মাঠে থাকবে র্যাবের টইল দলও। বিশেষ করে ঈদের দিন বড় জামাতগুলো, যেখানে বিশিষ্টজনেরা ঈদের নামাজ আদায় করে থাকেন, সে হিসেবে টাউন জামে মসজিদ ও বাইতুন নূর কমপ্লেক্স জামে মসজিদ সহ বড় বড় মসজিদগুলো ঘিরে থাকবে পুলিশের ফোর্স। ঈদ পরবর্তীতে বাসা-বাড়ি অলিগলিতে থাকবে পুলিশ। ঈদ পরবর্তী দিনে ও রাতে পুলিশের টহল টিম মহানগরী এলাকায় নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে জানিয়েছেন পুলিশের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার বলেন, ঈদ উৎসবকে সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ঈদের ছুটিতে মহানগরী অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায়। এ সময় বাসাবাড়ি ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় চুরির পরিমাণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় ছিনতাইকারীরা এ সময় তৎপর হয়ে ওঠে। এ জন্য ঈদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত মার্কেট কেন্দ্রিক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ঈদের দিন ঈদগাহ কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। ঈদের পরবর্তী বাসাবাড়ি, শপিং মল ও জুয়েলারি দোকানগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।
অনুরূপভাবে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে(কেএমপি)অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ইতিমধ্যেই সাদা পোশাকের পুলিশ র্যাব-পুলিশের গোয়েন্দা ইউনিট, মোবাইল টিম ও স্টাইকিং ফোর্স নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। ঈদের আগে, ঈদ ও ঈদ পরবর্তী সময়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কাজ করবে।
তিনি জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপনের জন্য পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যাব) ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে। মহানগরীর বিভিন্ন সড়কে পুলিশ নিয়মিত টহল দিচ্ছে এবং সন্দেহজনক মনে হলে চেকপোস্টে তল্লাশী চলবে। ঈদের জামাতে নিরাপত্তার স্বার্থে মুসল্লিদের জায়নামাজ ও টুপি ব্যতীত কোন প্রকারের ব্যাগ বহন করতে নিষেধ করা করা হয়েছে।
সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. নূরুল হকের ইন্তেকাল আ’লীগ, মেয়র, সংসদ সদস্য, বিসিবি’র শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য্য খুলনা-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. শেখ মো. নুরুল হক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ………… রাজিউন)। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার দুপুর ২ টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে ও এক মেয়ে, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে তার মৃতদেহ নিজ বাড়ি পাইকগাছায় আনা হবে। সেখানে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হবে।
উল্লেখ্য, তিনি গত ৯ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে ১০ জুলাই সন্ধ্যায় খুলনার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হলে ১২ জুলাই তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৩ জুলাই তার নমুনায় করোনা নেগেটিভ এসেছিল। তবে শারিরীক অবস্থান সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ্যাড. শেখ মো. নুরুল হক খুলনা-৬ থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
এদিকে ্এ্যাড. শেখ মো: নূরুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হরুনুর রশীদ, খুলনা মহাগনর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।
॥ শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি ॥
এ্যাড. শেখ মো: নূরুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাগেরহাট-১ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি।
॥ সেখ সালাহ্ উদ্দিন জুয়েল এমপি ॥
এ্যাড. শেখ মো: নূরুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল।
॥ এস এম কামাল হোসেন ॥
এ্যাড. শেখ মো: নূরুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কার্র্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।
॥ শেখ সোহেল ॥
এ্যাড. শেখ মো: নূরুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল ও তাঁর পরিবার বর্গ।
ছাত্রদলের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবু গত মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ফুসফুসের সমস্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিলল্লাহি.. ………..রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। শফিউল বারী বাবু জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন নির্ভিক সৈনিক ছিলেন। দলের ক্রান্তিকালে তিনি তাঁর উপর অর্পিত সকল দ্বায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। দল এবং দেশের সেবায় তিনি সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। এমন একজন যোগ্য, দক্ষ ও মেধাবী নেতার অকাল মৃত্যুতে খুলনা জেলা ছাত্রদল গভীরভাবে শোকাহত।
মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিনসহ খুলনা জেলা ছাত্রদলের সকল নেতৃবৃন্দ।
রামপালে কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে সবজির চারা বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাগেরহাটের রামপালে দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ ও কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে সবজির চারা বিতরণ করা হয়। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ- খুলনা- বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মাটির নমুনা সংগ্রহ পদ্ধতি, সুষম সার ব্যবহার ও ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ’র আয়োজন করা হয়। গতকাল বুধবার উপজেলার রামপাল ও রাজনগর ইউনিয়নের পিপুলবুনিয়া ও কালেখারবেড় গ্রামের ৬০ জন কৃষকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। কাদিরখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষক ছিলেন গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (এসআরডিআই অংগ) এর প্রকল্প পরিচালক শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস, মূল্যায়ন ও পরিবীক্ষণ কর্মকর্তা অমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শামসুন নাহার রতœা । কৃষকদের মাটির নমুনা সংগ্রহ পদ্ধতি, সুষম সার ব্যবহার ও ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হয় । বক্তারা বলেন, ফসলের খাদ্য ভান্ডার হলো মাটি । অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে মাটির উর্বরতা শক্তি ক্রমেই কমে যাচ্ছে। ফলে ফসলের ফলন ও উৎপাদন আশানুরূপ হচ্ছে না। এমতাবস্থায় প্রয়োজন মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ করা। এজন্য মাটির উর্বরতা সংরক্ষণসহ ফসলের কাঙ্কিত ফলন বৃদ্ধির জন্য মাটি পরীক্ষা করে সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বৈশ্বিক মহামারী করোনায় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষে এসআরডিআই এর মহাপরিচালক’র পরিকল্পনা ও নির্দেশনা মোতাবেক প্রশিক্ষণ পরবর্তী প্রত্যোকের মাঝে বিনামূল্যে ১০টি করে পেঁপে ও ১০টি করে বেগুন চারা বিতরণ করা হয়। নিরাপদ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে কৃষকদের মাঝে চারা বিতরণ করা হয়। কৃষক প্রশিক্ষণ ও বিনামূল্যে সবজির চারা বিতরণ কর্মসূচিতে কৃষকদের সংগঠিত করায় সহযোগিতা প্রদান করেন ইকো-কোঅপারেশন (দি সল্ট সল্যুশন প্রকল্প) এর প্রকল্প সমন্বয়কারী অরুন গাঙ্গুলী এবং মাঠ পর্যায়ে সহযোগিতা প্রদান করেন ইকো-কোঅপারেশন এর কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জয়নাল আবেদীন, এনজিও কোডেক এর অঞ্চল সমন্বয়কারী ফোরকান আহমেদ এবং প্রশিক্ষণটি আয়োজন করেন দি সল্ট সল্যুশন প্রকল্প-এর রামপাল ও বাগেরহাট সদর এর মাঠ কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান।
সুজা ছিলেন উন্নয়নের রূপকার ও প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন: এমপি বাবু
স্টাফ রিপোর্টার
জাতীয় সংসদ সদস্য ( খুলনা -৬) আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, এস এম মোস্তফা রশিদী ছিলেন উন্নয়নের রূপকার। তিনি রূপসা-তেরখাদ ও দিঘলিয়া থেকে একাধিক বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনগনের সেবা করেছেন। তিনি ছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এলাকার মানুষ তাকে ভালবাসতেন। সুজা ছিলেন দলের কান্ডারী। প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন ছিলেন। তিনি গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় রূপসা উপজেলার রাজাপুর ভ্রাতৃমঞ্চ যুব সংঘ চত্বরে আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক ও হুইপ এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা স্মরণ সভা, দোয়া মাহফিল ও ‘ভুলিতে পারিনা তাকে ’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শিত অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তৃতায় এ বলেন। রাজাপুর ভ্রাতৃমঞ্চ যুব সংঘ চত্বরে এর আয়োজন করা হয়। মোস্তফা রশিদী সুজা মৃত্যু বাষির্কী পালন কমিটি এর আয়োজন করে। এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার ২য় মৃত্যু বাষিকী উপলক্ষে এর আয়োজন করা হয়েছে।
সভাপত্বি করেন মৃত্যু বাষিকী পালন কমিটির আহবায়ক শেখ অলিউর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক লীগ জেলা শাখার সভাপতি ও আইচগাতী ইউপি চেয়ারম্যা অধ্যাপক আশরাফজ্জামান বাবুল ও যুবলীগ নগর শাখার আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ।
বক্তৃতা করেন পালন কমিটির সদস্য সচিব আডভোকেট কাজী আব্দুল আহাদ, আওয়ামী লীগ রূপসা উপজেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদুল ইমলাম, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মনিরুজ্জামান মনি, শামীম হাসান তুহিন, অধ্যাপক শ্যামল দাস,অধ্যাপক মনি শংকর নাগ, সরদার আবুল কাশেম ডাবলু, গোলাম মোস্তিফা দুলাল , আরাফাত হোসেন পল্টু ও শেখ মেজবাউর রহমান প্রমুখ।
সভা শুরুতেই প্রয়াত এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা, সাবেক সংসদ সদস্য নূরুল হক ও আওয়ামী লীগ নেতা তছলিম আহমেদ খানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ১মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। এ সময় দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শিরোমণি দিশারী যুব পর্ষদের উদ্যোগে ৪’শ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
শিরোমণির ঐতিহ্যবাহী দিশারী যুব পর্ষদের উদ্যোগে ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে এবং করোনাভাইরাসের প্রাদূর্ভাবে আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের চার শতাধিক অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ২৯ জুলাই বুধবার সকাল ১১টায় শিরোমণি দিশারী যুব পর্ষদের সামনে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খানজহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন। উদ্বোধক অতিথি ছিলেন আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ শেখ মনিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফুলতলা উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোহাম্মাদ শাহীন আলম, খানজাহান আলী থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুুক্তিযোদ্ধা স.ম রেজওয়ান আলী,৩৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খ.ম লিয়াকত আলী, ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম। দিশারী যুব পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আজাদুর রহমান হিরকের সার্বিক পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোল্যা কওছার আলী, গাজী হুমায়ুন কবির ইমলাক, শেখ জাকির হোসেন, কাজী হুমায়ুন কবির, মীর সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক শেখ মেজবাহ উদ্দীন জুয়েল, শেখ আফজাল হোসেন, মোল্যা এনামুল হক লিটন, সাংবাদিক গাজী মাকুল উদ্দীন, শেখ শাহিনুর রহমান, শেখ ওমর ফারুক মিন্টু, বাবুল আক্তার, মোল্যা নাজমুল ইসলাম রনি, এমদাদুল হক, মোড়ল আসাদুজ্জামান, জাহিদুর রহমান, রাকিব, রিয়াজ, বিপ্লবসহ দিশারী যুব পর্ষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের প্রায় চার শতাধিক পরিবারকে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
শিল্পী আবিদের ৯ম প্রয়াণ দিবসে ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলি
খবর বিজ্ঞপ্তি
সঙ্গীত জগতের রাজপুত্র, নন্দিত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, কোজ-আপ ওয়ান তারকা, নতুন প্রজন্মের উপমা, ওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা জেরা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমানের পুত্র, কিংবদন্তী শিল্পী মিনা আবিদ শাহরিয়ার বাপীর ৯ম প্রয়াণ দিবসে আজ সকাল ৯টায় দৌলতপুর মহেশ্বরপাশাস্থ পরিবারিক কবরস্থানে আবিদের সমাধিতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা জেলা ও মহানগরের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য প্রদান করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑপার্টির মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড খলিলুর রহমান, কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, কমরেড আমিরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য কমরেড অজয় দে, নির্বাহী সদস্য ও যুব মৈত্রীর জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড এড. কামরুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, পার্টির মহেশ্বরপাশা শাখার কমিটির নেতা কমরেড মোশাররফ খলিফা, যুবনেতা সুব্রত রুদ্র, ছাত্র মৈত্রীর খালিশপুর শাখা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
আলিম জুট মিলসকে সরকারি বরাদ্দ প্রদান করতে ওয়ার্কার্স পার্টির বিবৃতি
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহ সরকার যে বন্ধ ঘোষণা দিয়েছে তার সাথে আমরা একমত নই। এটা সম্পূর্ণ অমানবিক ও মুক্তিযুদ্ধের পরিপন্থী। পাটকলগুলো আধুনিকায়ন করে সরকারের দায়িত্বে পারিচালনা করতে হবে। একই সাথে নেতৃবৃন্দ বলেন, আলিম জুট মিলকে মালিকানার জটিলতায় ফেলে শ্রমিক-কর্মচারীদের জাতীয় মজুরী কমিশনসহ পাওনাদি থেকে বঞ্চিত করা চলবে না। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আলিম জুট মিলকেও সরকারি বরাদ্দ প্রদানের আহ্বান জানান। বিবৃতিদাতারা হলেনÑখুলনা জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, জেলা ও মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, কমরেড গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, কমরেড শেখ মিজানুর রহমান, কমরেড মনির আহমেদ, কমরেড খলিলুর রহমান, কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, কমরেড নারায়ণ সাহা, কমরেড আমিরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য শেখ সাহিদুর রহমান, কমরেড মনিরুজ্জামান, কমরেড সন্দীপন রায়, কমরেড রেজাউল করিম খোকন, কমরেড কৌশিক দে বাপী, কমরেড আঃ হামিদ মোড়ল, কমরেড মোঃ আলাউদ্দিন, কমরেড মনির হোসেন, কমরেড আরিফুর রহমান বিপ্লব, কমরেড এড. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, কমরেড অজয় দে, কমরেড বাবুল আখতার, কমরেড হাফিজুর রহমান, কমরেড গৌরী ম-ল প্রমুখ।
সাতক্ষীরায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা উপকরন সামগ্রী বিতরণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা উপকরন সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে সাতক্ষীরায়। বুধবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যান উপ কমিটির মাধ্যমে সাতক্ষীরার তিনটি উপজেলা হাসপাতালে এসব চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলা হাসপাতালের জন্য বরাদ্দকৃত এসব চিকিৎসা উপকরন সামগ্রী জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামালের নিকট হস্তান্তর করেন। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল সার্জেন্ট ডা. হুসাইন শাফায়াত, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ.বি.এম মোস্তাকিম, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুনুর রশিদ, পৌর আওয়ামীলীরগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেনসহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ও হাসপাতালের কর্মকর্তা গন।
দেবহাটায় প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা ইউপি সদস্য কর্তৃক আত্মসাতের অভিযোগ
দেবহাটা প্রতিনিধি
দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়ায় ১ প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা ইউপি সদস্য কর্তৃক আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঐ এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী যখন গরিব অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে বিভিন্ন প্রকার ভাতা বৃদ্ধি করে চলেছেন। ভাতা ভোগিদের প্রাপ্ত টাকা নিয়ে কেউ যাতে কোন প্রকার দূর্নীতি করতে না পারে সেদিকে নজরদারী বাড়াচ্ছেন। ঠিক সেই সময় এক মানষিক প্রতিবন্ধীর ভাতার প্রাপ্ত টাকা আতœসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোকারম শেখ ও এক মহিলার বিরুদ্ধে। জানা যায়, বুধবার সকালে উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের ২০১৯/২০ অর্থবছরের প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা বিতরন করেছে উপজেলা সমাজসেবা অফিস। এতে পারুলিয়া ইউনিয়নের জোয়ার গুচ্ছগ্রাম এলাকার মোকছেদ আলী গাজীর কন্যা মানষিক প্রতিবন্ধী নাছিমা ১ বছরের ৯ হাজার টাকা হাতে পায়। পরে নাছিমার ভাবী সম্পর্কের এক মহিলা একই গ্রামের মোস্তফার স্ত্রী সাহানারার যোগসাজসে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার সময়ে ইউপি সদস্য মোকরম শেখ ৫হাজার টাকা কেটে নিয়ে বাকী ৪ হাজার টাকা নাছিমার হাতে দেয়। এ ব্যাপারে পারুলিয়া ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোকারম শেখ টাকা আতœসাতের বিষয় এড়িয়ে যেয়ে বলেন, ভাতার টাকা পেয়েছে জানি কিন্তু কেউ টাকা কেটে নিয়েছে এমন বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে মোকরম শেখের ফোন থেকে অভিযুক্ত ভাবি সাহানারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হ্যাঁ আমি ৫ হাজার টাকা কেটে রেখেছি নাছিমার ভবিষ্যৎ করে দেওয়ার জন্য। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম জানান, এমন একটি অভিযোগ নিয়ে আমার কাছে এসেছিল। আমি চাই এর সঠিক বিচার হোক। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলে চেয়ারম্যান জানান। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অধির কুমার গাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোকরম শেখের নামে আগেও এমন অভিযোগ ওঠার পরে অনেকের টাকা ফেরৎ দিয়েছে সে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিতে বলেন। সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাতীয় পার্টি-জেপি খুলনা জেলা শাখার এক সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় পার্টি-জেপি খুলনা জেলা শাখার এক সভা বুধবার সকালে সংগঠনের জেলা শাখা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জেপি খুলনা জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি ডঃ এস এম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মোঃ মোশারেফ হোসেন হাওলাদারের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর জেপির সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ হায়দার আলী হাওলাদার, জেলা শাখার যুগ্ম- সম্পাদক এ্যাডঃ মাজহারুল ইসলাম মিলন, এ্যাডঃ নাসরিন আক্তার, মিনহাজুল হক, শাহজামাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভায় ১৪ দলের সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ জনাব আমির হোসেন আমুকে অভিনন্দন জানানো হয়। শফিকুল হামিদ চন্দন বর্তমান সংকটময় মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার এই সিন্ধান্তকে দূরদর্শী ও সময়োপযোগী বলে মনে করেন। তিনি সকল দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে এবং কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা- ৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট শেখ নুরুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোশাররফ হোসেন, মহাসচিব শেখ আশরাফ উজ জামান, সহ-সভাপতি নিজাম উর রহমান লালু, শাহিন জামান পন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম দাউদ আলী, মীনা আজিজুর রহমান, অধ্যাপক আবুল বাশার, শেখ আব্দুলাহ, মামুনুরা জাকির খুকুমনি, যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মো: মনিরুজ্জামান রহিম, মিজানুর রহমান বাবু, মিজানুর রহমান জিয়া, আফজাল হোসেন রাজু, রকিব উদ্দীন ফারাজি, এসএম ইকবাল হোসেন বিপব, আলহাজ্ব মিজানুর রহমান টিংকু, মতলেবুর রহমান মিতুল, এসএম আক্তারউদ্দিন পান্নু, শেখ মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, মো: খলিলুর রহমান, সরদার রবিউল ইসলাম, মো: মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক মো: আজম খান, এস এম দেলোয়ার হোসেন, রসু আক্তার, সরদার জিহাদুল ইসলাম প্রমুখ।
দেবহাটার পারুলিয়ায় আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর মিমাংসার নামে দফারফা
দেবহাটা (সাতক্ষিরা ) প্রতিনিধি
দেবহাটার পারুলিয়ায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর মিমাংসার নামে দফারফা। ধরা খাওয়ার পর কন্যাকে ক্ষতি পূরন দেওয়ার কথা বলে ২০হাজার টাকা ছেলে পক্ষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়ে ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে একটি দালাল চক্র। জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া এলাকার রফিকুল ইসলামের কন্যার সাথে সখিপুর বাজারে অবস্থিত নিউ টেইলার্স এন্ড সুমাইয়া গার্মেন্টস’র পরিচালক খেজুরবাড়িয়া গ্রামের শাহাজামালের পুত্র সাইফুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত শুক্রবার রাতে প্রেমিক সাইফুল দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে দেখা করতে যায়। সেখানে তাদের একঘরে অবস্থানের বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে তাদেরকে আটক করে। এসময় স্থানীয়রা প্রেমিক যুগলকে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে এক পর্যায়ে ভোর রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসে প্রেমিকের পিতা শাহাজামাল। পরে প্রেমিকের পিতা স্থানীয় কয়েকজন দালালের মাধ্যমে নিজের ছেলেকে ঐ মেয়ের সাথে বিয়ে না দিয়ে মেয়ের নানার সাথে গোপনে দর কষাকষির মাধ্যমে মেয়ে পক্ষকে ক্ষতি পূরণ হিসেবে ২০হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছেলেকে সেখান থেকে কৌশলে নিয়ে যায়। তবে ঐ দালাল চক্রটি প্রেমিকের পরিবারের নিকট থেকে ২০হাজার টাকা আদায় করে কন্যাকে না দিয়ে নিজেরা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে বলে অভিযোগ ভিক্টিমের পরিবারের । এবিষয়ে কন্যার নানা সেরাজুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে আমার নাতনির সাথে সাইফুলকে স্থানীয়রা আটক করে। দীর্ঘক্ষণ শেষে কন্যার ক্ষতি পূরন হিসেবে ২০হাজার টাকা দেওয়া কথা বলে সাইফুলকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় তার পরিবার সহ স্থানীয় দালালরা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমরা টাকা পায় নি। এছাড়া আমাদের কন্যা সন্তান আবার বিয়ে দিতে হবে তাই আতœসম্মানের ভয়ে আমরা কোন কিছু বলতে পারছি না।বিষয়টি নিয়ে প্রেমিক সাইফুলের পিতা নিউ টেইলার্স এন্ড সুমাইয়া গার্মেন্টস’র পরিচালক শাহাজামালের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার ছেলেকে এর আগে কেউ অভিযোগ করতে পারিনি। সে অতি সহজ সরল হওয়ায় তাকে ফুসলিয়ে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কথা বলার একপর্যায়ে টাকা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে কন্যার ক্ষতি পুরন হিসেবে ২০হাজার টাকা দাবি করে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। তারা আমার কাছ থেকে জরিমানা হিসেবে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। তবে, ঐ টাকা কন্যা পক্ষ পেয়েছে কিনা আমি জানি না।
রামপালে গরুর খামারিদের মাথায় হাত ৭০ ভাগ গরু অবিক্রিত
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
আসন্ন ঈদ-উল আজহায় কুরবানি উপলক্ষে এ উপজেলার পশু খামারীরা গরু বিক্রি করতে না পেরে মহা বিপাকে পড়েছেন। সামনে আজ মাত্র এক দিনের মধ্যে তাদের পশুগুলি বিক্রি করতে পারবেন না বলে হতাশায় পড়েছেন। উপজেলার এক মাত্র পশুর হাট ফয়লাহাটে গরু বিক্রি করতে না পারলে খামারিদের লাখ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে বলে তারা জানান। করোনার থাবায় মানুষের আয় রোজগার কমে যাওয়ায় এ বছর বেচা বিক্রি আশংকাজনক হারে কমে গেছে। বাজারে ক্রেতা দেখা গেলেও তারা কাংখিত মূল্যে গরু কিনতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন। রামপাল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জাহিদুর রহমান জানান, এ বছর প্রায় এক হাজার পশু খামারি কুরবানী উপলক্ষে ৫ হাজার ৬ শতটি গরু, ৩ শত মহিষ, ৩ হাজার ছাগল ও ও ৩ শত ভেড়া বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন। তিনি বলেন, করোনার কারনে ৭০ ভাগ পশু অবিক্রিত থেকে যাবে। এতে খামারিরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
চিতলমারীতে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মত বিনিময়
চিতলমারী প্রতিনিধি
চিতলমারী উপজেলা প্রেসকাবের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মীর শরিফুল হক। এসময় তিনি সাংবাদিকদের সহযোগীতা চেয়ে বলেন চিতলমারী থেকে জঙ্গী, মাদক সুদ ইফটিজিংসহ সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকান্ড নির্মুলের দৃড় প্রত্যায় ব্যাক্ত করেন। মঙ্গলবার বেলা ২ টায় অফিসার ইনচার্জের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিদর্শক ( তদন্ত) ইকরাম হোসেন, চিতলমারী উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি প্রদীপ ম-ল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাওহিদুর রহমান বাবু, সাবেক সভাপতি পংকজ ম-ল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাফা, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শেখর ভক্ত,প্রেসকাবের কোষাধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, সদস্য কপিল ঘোষ, টিটব বিশ্বাস, হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
গণসংহতি আন্দোলনের অভিনন্দন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার শ্রমিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক ও পাটশিল্প রক্ষা যুব কমিটির উপদেষ্টা মোঃ নূর ইসলাম এবং আহবায়ক মোঃ ওলিয়ার রহমান বুধবার দুপুর ২:৩০ মিনিটে জামিনে মুক্তি পান। গত ২৮ জুলাই খুলনার বিজ্ঞ জজ আদালত এই দুই শ্রমিকনেতাকে জামিনে মুক্তির আদেশ দেন। শ্রমিক নেতাদ্বয় মুক্তি পাওয়ায় ফুলের মালা দিয়ে অভিনন্দন জানানÑগণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা কমিটির আহবায়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল এবং খুলনায় সফররত বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা জাহিদ সুজন, খুলনা নগর আহবায়ক ছাত্রনেতা মেঃ আল আমিন শেখ, পাটশিল্প রক্ষায় যুব কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শামশেদ আলম শমশের, এস এম ফয়সাল আহমেদ, শ্রমিক-ছাত্র-জনতা ঐক্য পরিষদ-এর সংগঠক মোঃ রুহুল আমিন প্রমুখ। অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, নিবেদিতপ্রাণ এই শ্রমিকনেতাদ্বয়কে ২০১৯ সালের একটি পুরানো মামলায় অভিযুক্ত করে কারাগারে আটকিয়ে রাখে। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সরকার তাদের আটক করে। নেতৃবৃন্দ বলেন, শ্রমিকদের ন্যায়সংগত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। জনসমর্থনহীন সরকারের শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী ষড়যন্ত্র সফল হবে না।
ঝিনাইদহে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ ও দোয়া মাহফিল
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়’র ৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঝিনাইদহ জেলা সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদের (একটি সামাজিক সংগঠন) পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শহরের জামে মসজিদ ও পাগলাকানাই মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে সংগঠনটি। পরে শহরের পায়রাচত্তরসহ বিভিন্ন স্থানে পথ চারিদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়। সেসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোঃ আশরাফুল আলম, সহ সভাপতি মোঃজাকারিয়া হাবীব ও তারেক মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম নবী ও রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিদ হাসান ও তানভীর আলম, সদস্য রেজাউল, শাওন প্রমুখ। এসময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোঃ আশরাফুল আলম জানান, করোনা কালীন সময়ে কেক না কেটে ভিন্নধর্মী জন্মদিন উৎযাপন করা হলো।
ঝিনাইদহে কোরবানীর গরু কিনে যাওয়ার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
কোরবানীর গরু কিনে বাড়ি ফেরার পথে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় তাহাজ্জত হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। বুধবার সকালে কালীগঞ্জ-নলডাঙ্গা সড়কের কাদিপুর নামকস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হয়। তাহাজ্জত হোসেন যশোর আঞ্জুমান এতিমখানার শিক্ষক।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান মিয়া জানান, নলডাঙ্গা থেকে একটি গাড়ীতে গরু নিয়ে কালীগঞ্জের দিকে আসছিল। পথিমধ্যে কাদিপুর নামক স্থানে গাড়ীটি উল্টে গেলে তার নীচে চাপা পড়ে তাহাজ্জত হোসেনসহ আরো ২ জন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসক শিক্ষক তাহাজ্জতকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দু’জনকে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
শরণখোলায় বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
“বাঘ বাড়াতে করি পণ, রক্ষা করি সুন্দরবন” এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলায় পালিত হয়েছে বিশ্ব বাঘ দিবস’ ২০২০। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার সকাল ১০ টায় সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের আয়োজনে শরণখোলা বাজার সংলগ্ন প্রদীপন সাইকোন শেল্টারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত সভায় সিএমসির সহ-সভাপতি এম ওয়াদুদ আকনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ জয়নাল আবেদীন। সভায় বক্তব্য রাখেন, বগী ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান, শরণখোলা ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান, সিএমসি ফরিদ খাঁন মিন্টু, বিটিআরটি’র মোঃ সুমন, ডলফিন কনজারভেশন ফোরামের মোঃ ফয়সাল খাঁন, পিএফ সিএমসি শরণখোলার মোঃ জাহাঙ্গীর জোমাদ্দার ও ফিল্ড ওয়াইল্ড টিম সদস্য মোঃ আলম হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা সুন্দরবন সুরক্ষায় সকলকে এক হয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় এসিএফ জয়নাল আবেদীন জানান, শীঘ্রই সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শরণখোলায় ইকো ট্যুরিজমের কাজ শুরু হবে। আর ইকো ট্যুরিজমের কাজ বাস্তবায়ন হলে সুন্দরবনের উপর নির্ভশীল পরিবারগুলো তাদের কর্মসংস্থান খুঁজে পাবে।
ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান করেন ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম
ফুলবাড়ীগেট(প্রতিনিধি )প্রতিনিধি
নগরীর খানজাহান আলী থানার আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের মশিয়ালী গ্রামে গত ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় জাকারিয়া , মিল্টন, জাফরিন বাহিনীর গুলি বর্ষনে নিহত ৩ পরিবারকে আটরা গিলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম ২৯ জুলাই বুধবার বিকাল ৪ টায় নিজ অর্থায়নে প্রতি পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও ক্ষতিগ্রস্থ ১১ টি পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য বখতিয়ার পারভেজ, হুমায়ুন কবির, মাহমুদ হাসান, আঃ সত্তার মোল্লা , মোঃ আঃ সালাম গাজী , কাজী আজাদুর রহমান হিরোক, ইউপি সদস্য শেখ আব্দুস সালাম, শেখ শাহিনুর রহমান, মীর আব্দুর রউফ, তোফাজ্জেল হোসেন, আসাদ, মামুন, সাইফুল , বাবুল আকতার , হান্নান গাজী, আতিকুর রহমান বাবু, মিঠুন, বাবুল শেখ, সৈয়দ বনি আহম্মেদ, হেদায়েত, তপন, বাবু, রিপন, গাজী গিয়াসউদ্দিন, শেখ আল আমিন, রুম্মান, টিক্কা খান, হায়দার আলী, মনিরুল খান , মিন্টু খান, নাজমুল গাজী প্রমুখ ।
মশিয়ালীতে ট্রিপল মার্ডার ঘটনায় সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবীতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ীগেট(প্রতিনিধি)প্রতিনিধি
নগরীর মশিয়ালিতে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় জড়িত মুল হোতা জাকারিয়া , মিলটন সহ বাকি আসামীদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সহ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে ২৯ জুলাই বুধবার বিকাল ৫ টায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের হয় । মিছিলটি মশিয়ালী মাদ্রাসা থেকে শুরু হয়ে খুলনা-যশোর মহাসড়ক হয়ে ইষ্টার্ণ জুট মিলের সামনে সংক্ষিপ্ত পথ সভার মধ্যদিয়ে শেষ হয় । পথ সভায় আটরা গিলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ ¡শেখ মনিরুল ইসলাম বলেন মুল আসামী গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসুচী অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, জাকারিয়া, মিলটন ও তাদের সহযোগীদের আটক এবং অতিদ্রুত অস্ত্র উদ্ধার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে । তা না হলে ঈদের পর কঠিন কর্মসুচি ঘোষনা করা হবে বলেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সরদার আঃ হামিদ, ইউপি সদস্য বখতিয়ার পারভেজ, মাহমুদ হাসান, হুমায়ুন কবির, রেজওয়ান রাজা আকুন্জি, মুন্সি শামিম, ইউসুফ গাজী, নাজমুল গাজী প্রমুখ ।
মোড়েলগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জখম ৯
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক। আহতদেরকে মোড়েলগঞ্জ, মোংলা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১ টার দিকে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের পশ্চিম গুলিশাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিবাদমান ৬ বিঘা জমির দখল নিয়ে নুরুল আমীন সোমাদ্দার ও আফসার আলী ফরাজীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। আজ একটি পক্ষ ওই জমিতে দখল নিতে গেলে অপর পক্ষ বাধা দেয়। এ সময় দু’পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৯ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর জখমী মোস্তফা মোল্লা(৬০), নুরুল আমীন সোমাদ্দার(৬৫), শাহিন সোমাদ্দার(২২), শাওন সোমাদ্দারকে(২০) মোড়েলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর জখমী পান্না ফরাজী(৫৫) ও নান্না ফরাজীকে(৪৮) প্রথমে মোংলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদের মধ্যে মোস্তফা মোল্লা, নান্না ফরাজী ও পান্না ফরাজীকে আশংকাজনক অবস্থায় খুলনায় স্থানান্তর করা হয়েছে। অপর আহতরা মোড়েলগঞ্জ আরএম হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, উভয় পক্ষ ঘটনা সম্পর্কে থানাকে অবহিত করেছেন তবে, লিখিত অভিযোগ কেউ এখনো দেয়নি।
মোড়েলগঞ্জে দুটি ইউনিয়নে ৪৬ শ’ পরিবার পেলেন ভিজিএফ’র চাল
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে তেলিগাতি ও বলইবুনিয়া দুটি ইউনিয়নে বিনামূল্যে ৪৬শ’ ৯ পরিবার পেলেন বিশেষ ভিজিএফ’র চাল। বুধবার দুপুরে তেলিগাতি ইউনিয়নে ২৪শ’ ১০জন সুবিধাভোগীদের মাঝে এ চাল বিতরণ তেলিগাতি ইউপি চেয়ারম্যান মোর্শেদা আক্তার। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সমন্বয়কারি প্রভাষ চন্দ্র মন্ডল, ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ, সলেমান শেখ, এসএম ফজলুল হক, গাজী হেমায়েত হোসেন, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মাহাফুজা বেগম ও ফেরদৌসি বেগম প্রমুখ।
একই দিনে বলইবুনিয়া ইউনিয়নের জনপ্রতি ১০ কেজি করে ২১শ’ ৯৯ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. শাহাজাহান আলী খান। এ সময় ট্যাগ অফিসারসহ অন্যান্যে ইউপি সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এ বারে উপজেলায় ১৬টি ইউনিয়নসহ পৌরসভায় ৬০ হাজার পরিবার বিনামূল্যে জনপ্রতি ১০ কেজি করে এ বিশেষ ভিজিএফ’র চাল পাচ্ছেন।
মোড়েলগঞ্জে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করনে সচেতনতা মূলক প্রচার অভিযান
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন(নিসআ)২য় বর্ষপূতি উপলক্ষে সচেতনতামূলক প্রচার অভিযানে মাঠে নেমেছেন জেলা সমন্বয়ক সদস্যরা।
“সচেতন হয়ে চলি, নিরাপদে বাঁচি” এ স্লোগানকে সামনে রেখে বুধবার সকালে উপজেলার নব্বইরশি বাসষ্ট্রান্ড, সোলমবাড়িয়া বাসষ্ট্রান্ড, কর্মকার পট্টি সড়ক ও বারইখালী ব্রীজ সংলগ্ন ৪ স্থানে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করনে পথচারি, গাড়িচালক ও যাত্রীদের দায়িত্ব ও করনীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক লিপলেট বিতরণ করেন তারা। এ সময় বিভিন্ন পয়েন্টে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন জেলা সমন্বয়ক মুসাদ্দিক বিল্লাহ তামিম, হাসান মাহমুদ, মো. মারুফ হাসান, অন্যান্যের মধ্যে মিজানুর রহমানসহ এ কমিটির বিভিন্ন সদস্যরা।
মোড়েলগঞ্জে মৎস্যজীবী লীগের নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়ন কমিটি গঠন
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
মোড়েলগঞ্জে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে এ কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মো. মুনসুর আলী শেখ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন শেখের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন মোঃ হুমায়ুন কবির ফলি (সভাপতি), মোনাফছের হাওলাদার (সহ-সভাপতি), আঃ হাকিম শেখ (সাধারণ সম্পাদক), মোঃ মোশারেফ হোসেন (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) ও আঃ ছালাম খান(সাংগঠনিক সম্পাদক)সহ ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন।
মোড়েলগঞ্জে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে আবু বকর সিদ্দিক নামে ৪ বছরের এক শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যু বরণ করেছে। বুধবার বেলা ২টার দিকে নিজবাড়ির আবু বকর বড়বাদুরা গ্রামের দিনমজুর শাজাহান শেখের ছেলে। শিশুটির মা বিলকিস বেগম বলেন, দুপুরে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে আবু বকর খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে যায়। খোজাখুজি করে এক সময় তাকে পুকুরে পাওয়া যায়। ওই সময় আবু বকরকে উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎিসক শাওলিন আক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোড়েলগঞ্জে পৌরসভায় ঈদের চাল বিতরণ চলছে
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ পৌরসভায় এ পর্যন্ত ৫ হাজার লোককে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশেষ ভিজিএফ এর চাল দেওয়া হয়েছে। চাল বিতরণের ধারাবাহিকতায় বুধবার দেওয়া হয় ১৩শ’ ব্যাক্তিকে।
এ বিষয়ে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌরসভার মেয়র এ্যাডভোকেট মনিরুল হক তালুকদার জানান, পৌরসভায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার। প্রত্যেককে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদের উপহার ১০ কেজি করে চাল ঈদের পূর্বেই বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
শরণখোলায় প্রতিবন্ধীর বসতভিটা দখলে নিতে মরিয়া প্রভাবশালী চক্র!
শরনখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় প্রতিবন্ধীর বসতভিটা দখলের উদ্দেশ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। ওই চক্রের সদস্যরা প্রতিবন্ধী পরিবারটির বিরুদ্ধে কাল্পনিক নানান অভিযোগ উত্থাপন করে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দিয়ে অহেতুক হয়রানি করে যাচ্ছে। এমনকি ওই চক্রের নানান, হুমকি ধামকি সহ মারপিটের ভয়ে তিন মাস ধরে গৃহবন্দী অবস্থায় আছেন প্রতিবন্ধী পরিবারটির সদস্যরা।
ভূক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২নং খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পুর্ব খোন্তাকাটা গ্রামের বাসিন্দা মৃ. জয়নাল আবেদীনের ছেলে প্রভাবশালী মোঃ আবুল বাশার ফকির তার শ্যালক উপজেলার রাজৈর এলাকার বাসিন্দা মোঃ শাহ-আলম মোল্লা, মোঃ মোশারফ হোসেন মোল্লা ও মোঃ কামাল হোসেন মোল্লার ইন্ধনে একই এলাকার বাসিন্দা ও প্রতিবেশী শ্রবন প্রতিবন্দী বৃদ্ধা মোঃ আবুল কালাম ফকির ও তার পরিবারের সদস্যদের এলাকা থেকে তাড়ানো সহ একমাত্র সম্বল মাথাগোঁজার ঠাঁই (বসতভিটার) প্রায় ৮ শতক সম্পত্তি দখল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী আবুল কালাম (৬৫) ও তার স্ত্রী রাহিমা বেগম (৪২) আরও জানান, ছোট ভাই আবুল বাশার তার পরিবার বর্গ নিয়ে দীর্ঘ বছর ঢাকায় চাকুরী করে বহু টাকার মালিক হয়েছেন। সম্প্রতি তারা বাড়ীতে আসলে তার স্ত্রী নুরজাহান বেগমের ভাই উপজেলার রাজৈর এলাকার বাসিন্দা শাহ-আলম মোল্লা, মোশারফ হোসেন মোল্লা ও কামাল হোসেন মোল্লার ইন্ধনে আমাদের উপর নানা নির্যাতন শুরু করেন। এমনকি আমাদের বসতভিটার সম্পত্তি টুকু দখলের জন্য আমাদের ১০ বছর বয়সী ছেলেকেও তাদের দায়েরকৃত অভিযোগে বিবাদী করে। ইতিমধ্যে আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ রটিয়ে আবুল বাশার এবং তার ছেলে মিলন ফকির ইউনিয়ন পরিষদ সহ মানবাধিকার সংগঠনে ২টি অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান অযথা হয়রানি না করার জন্য প্রতিপক্ষদের নির্দেশ দেন। কিন্তু ৩/৪দিন পর বাশারের ছেলে মিলন ফকির উপজেলার একটা মানবাধিকার সংগঠনে আমাদের বিরুদ্ধে নুতন করে অভিযোগ করেন। সেখান থেকে একটা নোটিশ পাইয়া মানবাধিকার অফিসের যাই। ওই সময় প্রতিপক্ষ মিলন এবং তার মা নুরজাহান বলেন, আমরা না কি ওদের জমি দখল করে খাই এবং মদ, গাজা সহ ইয়াবার ব্যবসা করি। এছাড়া গতকাল (২৯ জুলাই) বিকালে মানবাধিকার পরিচয় একজন মহিলা সহ দুইজন পুরুষ আমাদের বাড়িতে আসেন। ওই সময় তারা আমাদের ঘরে ঢুকে বিভিন্ন ছবি করেন। পরবর্তীতে জোর করে সাদা কাগজে একটি স্বাক্ষর নিয়ে চলে যায়। বাশার ও তার নিকট আত্মীয়দের ভয়ে আমারা প্রায় তিন মাস ধরে এক রকম গৃহবন্দী অবস্থায় আছি। ওদের ভয়ে একমাত্র ছেলেটাকে ঠিকমতো মাদ্রাসায় পাঠাতে পারি না। অধিকাংশ সময়ে অন্যের বাড়িতে রাত কাটাই। বাশারের শ্যালক শাহ আলম মোল্লা আমাদের বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে গেছেন হাটে বাজারে কিংম্বা বাড়ির বাহিরে বের হলে মেরে হাত পা গুড়িয়ে দিবেন। শাহ-আলমের হাতে এ গ্রামের একাধিক ব্যক্তি বিগত দিনে লাঞ্চিত হয়েছেন। কিন্তু কেউ কোন বিচার পায়নি এবং বাশারের বড় ছেলে রাসেল ফকির ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুরে ঢাকা থেকে আমাদের মোবাইলে ফোন করে বলেন, ঈদে আমি বাড়িতে আসলে তোদের সকলের মাথা কেটে নেওয়া হবে। খেয়ে-দেয়ে রেডি হয়ে থাকিস। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আঃ হাকিম ফরাজী, আবু সাইয়েদ ফরাজী, আঃ ছালাম হাওলাদার, শহিদ হোসেন খান, আলমগীর ফরজী, মিজান ফরজী, জাহাঙ্গীর ফরাজী, মিজান কবিরাজ, আল আমিন হাওলাদার, হালিম মোল্লা, সবুজ ফরাজী সহ অনেকে বলেন, আবুল বাশার ও তার ছেলেরা খারাপ লোক উপজেলার রাজৈর এলাকায় তাদের কয়েকজন আত্মীয় আছে তাদের শেল্টারে বশার ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিবন্ধী আবুল কালামের বসত বাড়ির জমি টুকু দখলের জন্য নানা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে এলাকা থেকে তাড়াতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। বিষয়টি প্রসাশনিকভাবে তদন্ত করে প্রতারক বাশার সহ তার ইন্ধন দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিত। যাতে ভবিষ্যতে এই এলাকার কোন নিরীহ মানুষকে ওই চক্রের হাতে হয়রানি হতে না হয়। এছাড়া নাম গোপন রাখার শর্তে, স্থানীয় এক সমাজ সেবক বলেন, মানবাধিকার সংগঠনের পরিচয় দিয়ে বিচার শালিসের নামে আকন্দ পাড়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ মোতাসিম বিল্লাহ মাশুক সহ একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারন মানুষকে বিচার পাইয়ে দেয়ার নামে প্রসাশনের নাকের ডগায় এক প্রকার নিরব চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। যা সম্পুর্ন অনৈতিক। সাধারন মানুষকে যাতে কেউ বোঁকা সাজিয়ে ফাঁয়দা লুটতে না পারে সে জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানো খুবই জরুরী। অপরদিকে, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ নছির উদ্দিন বলেন, প্রতিবন্ধী আবুল কালাম একজন অসহায় মানুষ তাকে সহ তার পরিবারকে কোন চক্র হয়রানি করলে তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না। এ সকল বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল বাশারের ছেলে মিলন ফকির মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি মানবাধিকারের লোকজন দেখতেছেন। আপনারা (সাংবাদিকরা) কিছু জানতে চাইলে আমার সাথে দেখা করবেন। তবে, মানবাধিকার কমিশনের শরণখোলা উপজেলা (শাখার) সভাপতি মাওলানা এম. ডি. মোতাসিম বিল্লাহ মাশুক বলেন, আমার সংগঠন আর্ন্তজাতিক মানের সকল বিষয়ে শালিস বিচার করার অধিকার আমাদের আছে। যার প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র প্রসাশনের সকল দপ্তরে দেয়া আছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরর্দার মোস্তফা শাহিন জানান, প্রতিবন্ধীর জমি দখল চেষ্টার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে, মানবাধিকারের নামে শালিস বিচারের বৈধতা কারো নেই। এটা সম্পুর্ন আইন বর্হিভূত কাজ। মানবাধিকারের নাম ভাংঙ্গিয়ে কোন ব্যাক্তি বা চক্র সাধারন মানুষকে হয়রানি কিংম্বা ব্ল্যাকমেল করে অর্থ হাতিয়ে থাকলে সে যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনী পদক্ষেপ গ্রহন হবে।
উত্তরণ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ করোনায় খাদ্য সংকট রোধে তালায় গ্রাম ভিত্তিক “ফুড ব্যাংক” স্থাপিত
ইলিয়াস হোসেন, তালাঃ
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর খাদ্য সংকট মোকাবেলায় মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করে অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে স্থানীয় জনগণ। বে-সরকারী সংস্থা উত্তরণ’র সহযোগিতায়, তালা উপজেলার ৬টি ও পাশর্^বর্তী কেশবপুরের ১টি গ্রামের জনগণ নিজ উদ্যোগে আপদকালীন খাদ্য ভান্ডার (ফুড ব্যাংক) গড়ে তুলে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তালা উপজেলার জাতপুর গ্রামের হেদায়েত উল্লাহ মুকুল, তামজীদ বিশ^াস, গোপালপুরের তীর্থ কুমার দে, ডাংগানলতা গ্রামের কামাল হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, করোনা ভাইরাসের এই ভয়াবহ সময়ে বিশেষ করে দরিদ্র মানুষদের খাদ্য সংকট দূর করতে প্রাথমিকভাবে ৭টি গ্রাম ও দু’টি শহরকে মডেল হিসেবে নিয়ে একটি কর্মকৌশল গঠন করা হয়। গ্রামের উৎসাহী যুবকদের নিয়ে এজন্য শক্তিশালী একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি গ্রামবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ক্ষুধা নিবারণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার-প্রচারণা চালাবে। এছাড়া আপদকালীন সময়ের জন্য খাদ্য সংগ্রহ, মজুদ করা ও খাদ্য সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়া দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্য সরবারহ সহ স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ করবে এই কমিটি। কমিটির উপদেষ্টা তালা শহরের অচিন্ত্য সাহা, শেখ শফিকুল ইসলাম জানান, করোনার প্রাদূর্ভাব মোকাবেলায় গ্রামবাসী নিজেদের উপলদ্ধি থেকে সংগঠিত হয়ে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই লক্ষ্যে গ্রামের সাহসী যুব সমাজকে নিয়ে যুব কমিটি এবং অভিজ্ঞ-প্রজ্ঞাবান বয়স্ক ব্যক্তিদের নিয়ে উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয়েছে। এই উভয় কমিটির সদস্যরা উত্তরণ’র সাথে আলোচনা সাপেক্ষে স্ব-স্ব গ্রামের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং গ্রামের হতদরিদ্র ও কর্মহীন মানুষরাা যাতে খাদ্য সংকটের সম্মূখীন না হয় তার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করে। চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া উক্ত কার্যক্রমে এ পর্যন্ত ৭টি গ্রামের প্রায় ৮ হাজার ৭ শত ৫০ জনগণকে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়। এছাড়া, হতদরিদ্র কর্মহীন প্রতিবেশীরা যাতে খাদ্য সংকটের মুখোমুখী না হয় তার জন্য গ্রাম কমিটির উদ্যোগে স্ব-স্ব গ্রামের স্বচ্ছল ব্যক্তিদের কাছ থেকে খাদ্য ও অর্থ সংগ্রহ করে আপদকালীন গণ-খাদ্য ভান্ডার গড়ে তুলেছে। প্রতিটি খাদ্য ভান্ডারে বে-সরকারি সংস্থা উত্তরণ খাদ্য ক্রয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেছে। এই গণখাদ্যভান্ডারগুলো থেকে ইতিমধ্যে হতদরিদ্র ও কর্মহীন ২৭৭টি পরিবারের মধ্যে পরিবার প্রতি ১০-২০ কেজি চাল, ২-৪ কেজি ডালসহ কিছু কিছু গ্রামে ১ লিটার সোয়াবিন তেল ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এ কার্যক্রমে উপকারভোগী জাতপুর গ্রামের স্বামীহারা মাছুরা বেগম বলেন, “আমি একজন দুঃস্থ মানুষ। গ্রাম কমিটি থেকে খাবার পেয়ে আমি খুব খুশী। আমি জানি পর পর ৩/৪ মাস আমাকে খাবার দেয়া হবে। কমিটি যদি খাবার না দিত তাহলে মাঝে মাঝে আমাদের না খেয়ে থাকতে হতো।”
এই কার্যক্রমে উত্তরণ’র সমন্বয়ক জাহিদ আমিন শ^াশত বলেন, “আমাদের গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। পূর্বে গ্রামীণ সমাজ যখন বিভিন্ন ধরনের সংকটের সম্মুখীন হয়েছে তখন গ্রামবাসীরা পরস্পর সহযোগিতার মাধ্যমে সংকট মোকাবেলা করেছে। আমি বিশ^াস করি, করোনাকালীন এই মহাদুর্যোগের সময়ে প্রতি গ্রামের জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে তাহলে বাংলাদেশের সকল গ্রাম তথা আমাদের প্রিয় দেশ একদিন অবশ্যই করোনা মুক্ত হবে।”
এব্যপারে স্থানীয় জনগণের মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, সরকারের একার পক্ষে সকলকে সহযোগিতা করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। গ্রাম ভিত্তিক গড়ে তোলা এ কার্যক্রম থেকে স্থানীয় মানুষ অবশ্যই উপকৃত হবে।
বাগেরহাটে পশুর চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণ কৌশল প্রশিক্ষন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বিজ্ঞান সম্মত কোরবানির পশুর চামড়া ছাড়ানো ও চামড়া সংরক্ষন কৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে বারাকপুরস্থ যুব প্রশিক্ষন সেন্টারে দিন ব্যাপি এ প্রশিক্ষন কোর্সে ২৬ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশগ্রহন করেন। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ এই প্রশিক্ষন কোর্সের উদ্বোধন করেন। এসময় বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাফিন মাহমুদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বাগেরহাটের উপ-পরিচালক এমডি মোস্তাক উদ্দিন, পশু পালন বিষয়ক সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল হান্নানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
দিন ব্যাপি এই প্রশিক্ষন কোর্সে মসজিদের ইমাম, মাদরাসার শিক্ষক এবং একজন গবাদি পশুর মাংস ব্যবসায়ী অংশ নেয়। প্রশিক্ষনে গবাদি পশুর চামড়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব, পশু জবাইয়ের নিয়ম, জবাই করা পশুর চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষনের বিস্তারিত নিয়মাবলী শেখানো হয়। প্রশিক্ষনে অংশ নেওয়া প্রশিক্ষনার্থীরা যাতে তার নিজস্ব কর্মক্ষেত্র ও এলাকার মানুষের মধ্যে প্রশিক্ষন লব্ধ জ্ঞান জানিয়ে দেন সে নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক।
পানি প্রবাহে চরম বাধা: বাগেরহাটে হস্তান্তরের আগেই মধুমতি’র পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মান
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে খননকৃত পুরাতন মধুমতি নদী হস্তান্তরের আগেই স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মান করেছেন। ওই প্রভাবশালীরা নদী ও খালের ভিতর পাঁকা স্থাপনা নির্মান করায় পানি প্রবাহ চরম ভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সরকারের ২৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ টি নদী ও ৫৫ টি খাল খনন প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে খাল খনন এখনও শেষ হয়নি।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পানি প্রবাহ ও গতি ফিরিয়ে আনতে সরকার চিতলমারীর পুরাতন মধুমতি, হক ক্যানেল ও মরা চিত্রসহ ৩ টি নদী ও ৫৫টি খাল পুনঃ খননের উদ্যোগ নেয়। এ প্রকল্পে ২৫৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। গত বছরের (২০১৯ সাল) ২৩ ডিসেম্বর চিতলমারী সদর বাজারে মরা চিত্রা নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মধ্যে দিয়ে খাল ও নদী খনন শুরু হয়। ইতিমধ্যে বেশ কিছু খাল খনন হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এখনও হক ক্যানেলের দু’পাড়ে প্রভাবশালীদের গড়ে তোলা অবৈধ পাকা ইমারত উচ্ছেদ হয়নি। ‘তাতেই বেধেছে গন্ডগোল।’ ওই প্রভাবশালীদের দেখাদেখি পুরাতন মধুমতি নদী হস্তান্তরের আগেই আরও কয়েকজন প্রভাবশালী পাড় দখল করে নদীর ভিতর অবৈধ পাকা স্থাপনা নির্মান করেছেন। অনেকে আবার স্থাপনা নির্মান করে ভাড়া দিয়েছেন। খননকৃত পুরাতন মধুমতি নদীর পাড়ে দখলকারীরা হলেন, শান্তিপুর ব্রীজের গোড়ায় সুকেশ মন্ডল, বোয়ালিয়া গ্রামে ভক্ত মন্ডল, বিপুল বিশ্বাস, তপন রায়, বাপ্পী, কুড়ালতলা ব্রীজের গোড়ায় রাসেক মিয়া, মান্নান গাজী, অলি গাজী ও মিন্টু শেখ সহ ১৫-২০ জন। তাদের স্থাপনায় পানি প্রবাহ চরম ভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে তারা আরও জানান, এই অবৈধ দখলবাজদের কারণে সরকারের ২৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ টি নদী ও ৫৫ টি খাল খনন প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ছে। এ ব্যাপারে রাসেক মিয়া জানান, তিনি খালের পাড় দখল করলেও নদীর মধ্যে তো যাননি। এতে পানি প্রবাহের কোন ক্ষতি হবে না।
তপন রায় সাংবাদিকদের জানান, তিনি এক বিশেষ ব্যাক্তির সন্তান। সেই পরিচয়েই তিনি নদীর মধ্যে পাকা ইমারত নির্মান করেছেন। তাকে কেউ বাধা দেয়নি। তবে বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাহিদুজ্জামান জানান, খনন কাজ এখনও শেষ হয়নি। উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আছে।
বাগেরহাটে ঈদুল আযহা উপলক্ষে পুলিশের মহড়া, নিরাপত্তা জোরদার
বাগেরহাট প্রতিনিধি
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাগেরহাটে পুলিশের বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও বাগেরহাট জেলার সর্বত্র নিরাপত্তা জোরদার ও পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। র্যালী শতাধিক মটর সাইকেল ও পুলিশ ভ্যান সহযোগে পুলিশ সদস্যরা অংশ নেয়। পরে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ও মাদক নির্মূল বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায়। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাফিন মাহমুদ, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আহাদ উদ্দিন হায়দারসহ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাট পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, ঈদুল আযহা উপলক্ষে জেলার মানুষের জান মালের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। উৎসব উপলক্ষে জাল টাকা ও মাদকের ছড়াছড়ি না হয় সেজন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও পশুর হাট চলাকালীন জাল টাকা শনাক্তকরণ ও অপ্রিতিকর অঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সর্বপরী ঈদুল আযহায় মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে এবং করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মধুমতি পাওয়ার প্লান্টের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে খাদ্য সামগ্রী হস্তান্তর
বাগেরহাট প্রতিনিধি
করোনা পরিস্থিতি ও ঈদুল আযহা উপলক্ষে মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট এইচএফও চালিত পাওয়ার প্লান্টের পক্ষ থেকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে ৩‘শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদের কাছে প্লান্টের নির্বাহী প্রকৌশলী আফছানুল তানভীর এই খাদ্য সামগ্রী হস্তান্তর করেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল ইসলাম, প্লান্টের উপ-ব্যবস্থাপক আসাদুজ্জামান শাকিল, সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল হোসেন, কেএম মহি উদ্দিন আবীর, মোঃ তাওমীদ হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্লান্টের নির্বাহী প্রকৌশলী আফছানুল তানভীর বলেন করোনা পরিস্থিতি ও ঈদুল আযহা বাগেরহাট জেলার অসচ্ছল, কর্মহীন, দুঃস্থদের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিঃ এর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে ৩‘শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছি। প্রতি প্যাকেটে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি পোলাও চাল, কেজি ডাল, ১ কেজি করে পেয়াজ, লবন, তেল, ৫টি সাবান, সেমাই, গুড়া দুধ রয়েছে। এই খাদ্য সামগ্রী করোনা পরিস্থিতিতে বাগেরহাটের অস্বচ্ছল ও কর্মহীন মানুষদের ঈদ উদযাপনে সহায়তা করবে বলে দাবি করেন তিনি।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ বলেন, নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিঃ এর কাছ থেকে আমরা ৩‘শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী পেয়েছি। আজ এবং আগামীকালের মধ্যেই হতদরিদ্র ও কর্মহীনদের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
ঝিনাইদহে পান ব্যবসায়ী হত্যার আসামী গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার ভবানীপুর বাজারে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত পান ব্যবসায়ী মিলন আহমেদ এর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। বুধবার দুপুর ২ টার দিকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এক হয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ শুরু করে। এরপর বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ শেষে ভবানীপুর ক্যাম্পের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ কালে এলাকাবাসী জানান, হত্যাকান্ড ঘটানোর ৩ দিন পার হলেও পুলিশ হত্যাকারী জুয়েল সহ অন্যান্যদের গ্রেফতার করতে পারেনি। অবিলম্বে আসামীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত সোমবার মিলন ভবানীপুর বাজার মসজিদ থেকে আসরের নামাজ পড়ে বাইরে বের হওয়া মাত্রই কুষ্টিয়ার ইবি থানার অর্ন্তগত বলরামপুর গ্রামের মোতালেব ফকিরের ছেলে জুয়েল তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। এর পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে। হত্যাকান্ডের দিন রাতেই নিহত মিলনের পিতা খলিশাকুন্ডু গ্রামের বাসিন্দা ইসহাক আলী বাদী হয়ে হরিনাকুন্ডু থানায় জুয়েল সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনের নামে মামলা দায়ের করে।











































