
১৭ মে নগর আ’লীগের আলোচনা সভা ও ১৮ মে কর্মীসভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
১৭ মে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভা এবং ১৮ মে শনিবার কর্মীসভার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ। ১৭ মে শুক্রবার বাদ মাগরিব আলোচনা সভা এবং ১৮ মে শনিবার বাদ মাগরিব কর্মীসভা দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম মেম্বর এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবীর নানক এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এমপি। উল্লেখিত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভা এবং কর্মী সভায় মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নির্বাচিত দলীয় কাউন্সিলরদের মিছিল সহকারে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ আহবান জানিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক এবং সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা।
অভিনন্দন বিবৃতিতে আ’লীগ নেতৃবৃন্দ
মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন করে এ অঞ্চলের মানুষের
প্রত্যাশা পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনায় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণসহ অবকাঠামো উন্নয়নে ১৮৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন করে এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এই মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল তথা বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম নানা ধরনের জটিল রোগ নিয়ে গবেষণা করতে পারবে। সেই লক্ষ্যে বিশে^র সাথে প্রতিযোগিতায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ চিকিৎসা ক্ষেত্রে আরো একধাপ এগিয়ে গেল। এই বিশ^বিদ্যালয়ের যাবতীয় উন্নয়ন কাজ যথাসময়ে শেষ করে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গরুপে চলবে এটাই এই অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা। অবিলম্বে বরাদ্দকৃত অর্থ ছাড় করে অধিগ্রহণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ঠদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন, সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এমপি, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী।
নগর আ’লীগের সহ-সভাপতি কাজি আমিনুল হকের সুস্থতা কামনা নেতৃবৃন্দের
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কাজি আমিনুল হক অসুস্থ্য হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এমপি, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী।
ভৈরব সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি উন্নয়ন কমিটির
খবর বিজ্ঞপ্তি
বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ এক যুক্তবিবৃতিতে খুলনার ভৈরব নদীর উপর সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার জোর দাবি জানিয়ে বলেছেন, খুলনার মানুষের দীর্ঘ প্রত্যাশিত এই সেতু নির্মিত হলে অত্র অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ত্বরান্বিত হবে। একই সাথে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত সহজ হবে এবং অর্থনীতি ও শিল্প বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। বিবৃতি দাতারা হলেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, সহ-সভাপতি মোঃ নিজামউর রহমান লালু, শাহীন জামাল পন, অধ্যাপক মোঃ আবুল বাসার, এ্যাড. কুদরত-ই-খুদা, মিজানুর রহমান বাবু, জেড এ মাহমুদ ডন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, জোবায়ের আহমদ খান জবা, চৌধুরী মোঃ রায়হান ফরিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিয়ার রহমান, মামনুরা জাকির খুকুমনি, সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, মীর বরকত আলী, মিজানুর রহমান জিয়া, অর্থ সম্পাদক মিনা আজিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম মাস্টার, প্রচার সম্পাদক মফিদুল ইসলাম টুটুল, বাণিজ্য সম্পাদক এস এম আকতার উদ্দিন পান্নু, শ্রম সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আবিদ উল্লাহ্, দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোল্লা মারুফ রশীদ, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ আযম খান, সমাজসেবা সম্পাদক মোঃ আব্দুস সালাম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ইঞ্জিঃ রফিকুল আলম সরদার, এ্যাড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, অধ্যক্ষ রেহানা আখতার, রসু আক্তার, শেখ আব্দুস সালাম, শেখ গোলাম সরোয়ার, শেখ আবুল কাসেম, আফজাল হোসেন রাজু, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সরদার রবিউল ইসলাম রবি, কৃষি সম্পাদক রকিব উদ্দিন ফারাজী, এস এম আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনিসুর রহমান বিশ্বাস, মতলুবুর রহমান মিতুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হায়দার আলী, মোঃ ইলিয়াস মোল্লা, মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী, নুরুজ্জামান খান বাচ্চু, আলহাজ্ব মোঃ মিজানুর রহমান টিংকু, শিকদার আব্দুল খালেক এবং প্রমিতি দফাদার প্রমুখ।
নওয়াপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মোটরসাইকেল চালকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা
স্টাফ রিপোর্টার:
যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া স্বাধীনতা চত্বর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুই মোটিরসাইকেল চালকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করা হয় । বুধবার বিকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার(ভূমি) মো:শামীম হোসাইন এ অভিযান চালায়। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন মনিরামপুর উপজেলা হরিদাশকাঠি গ্রামের একতার মোল্যার ছেলে সাব্বির হোসেন (১৯)কে বিশ হাজার টাকা ও অভয়নগর উপজেলার ধোপদী গ্রামের ফসিয়ার রহমানের ছেরে সুমন হোসেন কে (২৩) পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বুধবার বিকালে নওয়াপাড়া স্বাধীনতা চত্বরে যানবাহনের ওপর অভিযান চালানো হয়। এসময় দুই জন মোটরসাইকেল চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির কোন কাগজ পত্র না থাকা, মটরসাইকেলে তিনজন চড়া ও হেলমেট না থাকায় তাদের মটরসাইকেল জব্দ করে উক্ত জরিমানা করে তা আদায় করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার(ভূমি) মো:শামীম হোসাইন বলেন. ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যাতীত মোটরযান ও গণপরিবহণ চালানার (সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮ এর (৬৬) ধারা মোতাবেক এ দন্ডাদেশ প্রদান করা হয়। তিনি আরো বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ
কেশবপুরের পাঁজিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা এন্তাজ আলী গাজী মৃত্যুবরণ করেছেন
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুরের পাঁজিয়া ইউনিয়নের দু বারের সফল চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এন্তাজ আলী গাজী (৮২) মঙ্গলবার রাত সাড়ে দশটার দিকে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন (ইন্না —-রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি দু ছেলে দু মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজে জানাজা বুধবার নুড়িতলা কওমি মাদ্রাসা মাঠে জোহরের নামাজ বাদ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। তার মৃত্যুর খবরে ছুটে যান বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ, কেশবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, সদ্য নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোক্তার আলী, চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলা, পাঁজিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন সহ সকল রাজনৈতিক দল,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মরহুম এন্তাজ আলী গাজী পাঁজিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠা কালীন সভাপতি ছিলেন। তিনি দু দুবার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসাবে সুখ্যাতি অর্জন করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ উজ জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্তী সহ প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক বৃন্দ
চুয়াডাঙ্গায় ২ দিন ব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় ২ দিন ব্যাপী ৪৫তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা ২০২৪ এর উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টায় চুয়াডাঙ্গার ডিসি সাহিত্য মঞ্চে “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবনেই সমৃদ্ধি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসন কর্তৃক এ বিজ্ঞান মেলার
সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কবীর হোসেন।এ মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, পিপিএম-সেবা। এ মেলায় ২৫ টি স্টলে মাধ্যমিক (জুনিয়র গ্রুপ) ও উচ্চ মাধ্যমিক (সিনিয়র গ্রুপ) পর্যায়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ তাদের উদ্ভাবিত বিজ্ঞান বিষয়ক প্রকল্প উপস্থাপন করে।
টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিং
ইয়াং ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দেশসেরা খুবি
খবর বিজ্ঞপ্তি
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ (টিএইচই)-এর গ্লোবাল র্যাঙ্কিংয়ে টানা দ্বিতীয়বার স্থান পাওয়ার পর এবার টাইমস হায়ার এডুকেশনের বৈশ্বিক ইয়াং ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)। সম্প্রতি এই র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে টাইমস হায়ার এডুকেশন কর্তৃপক্ষ। র্যাঙ্কিংয়ে বৈশ্বিক তালিকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ৪০১-৫০০ এর মধ্যে রয়েছে। যা বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সবার আগে।
এবারের প্রকাশিত ইয়াং ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। গবেষণার মান, শিল্প, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি, গবেষণার পরিবেশ এবং শিক্ষাদান মোট ৫টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে করা ইয়াং ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অর্জন করছে যথাক্রমে ৪৫.২%, ১৭.১%, ৪৩.৭%, ১৪.৫%, ২২.৭%।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ও র্যাঙ্কিং কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর সেহরীশ খান বলেন, বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন নিজেই একজন গবেষক। তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব নেওয়ার পর গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দেন। গবেষণার জন্য যথোপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতেও উদ্যোগ নেন। এ ছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে নিয়ে যেতে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন। যার ফলশ্রুতিতে টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিং, কিউএস র্যাঙ্কিংয়ের পর ইয়াং ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবক্ষেত্রে পরিবর্তনের ছোঁয়া এখন দৃশ্যমান। বর্তমান উপাচার্যের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্নের পথে ডানা মেলেছে। একের পর অর্জনে দেশে সুনাম ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে। উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা, প্রকাশনা, অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অতিদ্রুত বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, টানা দুইবার টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিং এবং কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে স্থান পাওয়ার পর এবার টাইমস হায়ার এডুকেশনের ইয়াং ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান পাওয়ায় গর্বিত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। গবেষণার প্রতি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মনোনিবেশ ও আন্তরিকতার ফলে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় উৎকর্ষ সাধনে সকলের অবদান রয়েছে। একাডেমিক ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন। আমি আশা করি, অতিদ্রুত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে।
উল্লেখ্য, ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ বিগত ২০১৯ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড ইয়াং ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং প্রকাশ শুরু করে। এতে যে সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স ৫০ বছর কিংবা তার চেয়ে কম, শুধুমাত্র তাদের মধ্যে গুণগত মান বিবেচনায় ধরে এই র্যাঙ্কিং করা হয়। এবার সব মিলিয়ে বিশ্বের ৬৭৩টি বিশ্ববিদ্যালয় এই র্যাঙ্কিংয়ে স্থান করতে পেরেছে, যা বিগত বছর ছিল ৬০৫টি।
র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাদান, গবেষণা, জ্ঞান স্থানান্তর ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির ১৮টি সূচক মানদণ্ড হিসেবে গণনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মৌলিক লক্ষ্য, পাঠদান ও গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও বিবেচনায় করেছে তারা।
খুবির সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলভুক্ত ৪টি ডিসিপ্লিনের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও মাস্টার্স প্রোগ্রামের ৯ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং ডিনস স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠান ১৫ মে (বুধবার) বিকাল ৩টায় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে ফুল, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ডিনস অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষেত্রে অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতি। এটি তাদের ভবিষ্যৎ পথচলা ও কর্মজীবনে পাথেয় হিসেবে কাজ করবে। এই গ্র্যাজুয়েটরা ভবিষ্যতে সারা বিশ্বে নেতৃত্বের স্থানে আসবে। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে গবেষণার প্রতি। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী ও দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকরা নিরলস প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন। নবীন প্রজন্মকে যোগ্য করে তোলার মহান ব্রত নিয়ে কাজ করছেন। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। উপাচার্য ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তির এই অনুপ্রেরণা নিয়ে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ জীবন আলোকিত করতে পারেন এবং তাদের কাছ থেকে দেশ ও জাতি আলোকিত হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সাথে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান চালু রাখায় সংশ্লিষ্ট স্কুলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। সংশ্লিষ্ট স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আবুসাঈদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. সেলিনা আহমেদ। অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের মায়মুনা জামান আলভি।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ও প্রধান সারা মনামী হোসেন এবং সহকারী অধ্যাপক মো. মাহদী-আল-মুহতাসিম নিবিড়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, সংশ্লিষ্ট স্কুলভুক্ত ডিসিপ্লিনসমূহের প্রধানবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাওয়া ’১৯ ব্যাচের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা হলেন- অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের নাফিসা আবেদীন (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮১), সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের আশিক মন্ডল (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৭৮), ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের সায়ীদা জামান (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯২) এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের মায়মুনা জামান আলভি (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৬)।
ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাওয়া ’২১ ব্যাচের মাস্টার্স প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা হলেন- অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের সজীব চৌধুরী (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৮), একই ডিসিপ্লিনৈর শারমিন আক্তার কেয়া (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৮), সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের জান্নাতুল ফেরদৌস নিশাত (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯১), ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের মর্তুজা মাহামুদ তোহান (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৬) এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের মো. গিয়াস উদ্দিন বাবু (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯২)।
একই অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলভুক্ত ৪টি ডিসিপ্লিনের ১০ জনকে ডিনস স্কলারশিপ প্রদান করা হয়। স্কলারশিপপ্রাপ্তরা হলেন- অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের ’২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান, আশিয়া খাতুন সুখী, ’২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী রুমি জান্নাত, চন্দ্র কিশোর রায়, সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের ’২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোসা. শাহারিয়া খাতুন রুমি, ’২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী শেখ মোহাম্মদ ইশতিয়াক অর্ণব, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ’২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ক মন্ডল, নুসরাত সুলতানা, ’২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. নাঈমুর রহমান খান এবং তনয় রায়।
খুবি সম্পূর্ণ আর্থিক নীতিমালা মেনেই পরিচালিত হচ্ছে : উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) উদ্যোগে ‘আর্থিক সমন্বয় ও নিরীক্ষা’ শীর্ষক কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষণ ১৫ মে (বুধবার) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯.১৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনাতনে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।
তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মানোন্নয়নের সাথে সামগ্রিক বিষয় জড়িত। শিক্ষা-গবেষণার ক্ষেত্রে শিক্ষকরা যেমন ভূমিকা রাখছেন, তেমনি দাপ্তরিক ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কর্মদক্ষতা দিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, আর্থিক ক্ষেত্রে সরল বিশ্বাস বলে কোনো কিছু নেই। এখানে প্রতিটি অর্থের হিসাব যথাযথভাবে দিতে হবে। একাডেমিক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও আর্থিক ক্ষেত্রে সরকারের নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ও সম্পূর্ণ আর্থিক নীতিমালা মেনে পরিচালিত হচ্ছে।
উপাচার্য বলেন, আর্থিক সমন্বয় ও নিরীক্ষা বিষয়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। আর্থিক সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও নিরীক্ষার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের যদি কোনো বিষয়ে ঘাটতি থাকে তা এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দূর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সাথে এ ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য তিনি আইকিউএসির পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী। আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. জগদীশ চন্দ্র জোয়ারদার। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামরুল আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইকিউএসির উপ-রেজিস্ট্রার মো. নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর রিসোর্স পারসন হিসেবে টেকনিক্যাল সেশন পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামরুল আলম, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-পরিচালক এইচ এস শাহরিয়ার কামাল ও আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. জগদীশ চন্দ্র জোয়ারদার। এ প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের ৮৮ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
দামুড়হুদায় স্কুল শিশুদের মাঝে খাবার সামগ্রি বিতরণ
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
দামুড়হুদার ডুগডুগি সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ে শিশু কল্যাণ সমিতির আয়োজনে ২০০ ছাত্র ছাত্রীর মাঝে শিশু খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০ টায় দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মাঝে চুয়াডাঙ্গা শিশু কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীদের মাঝে ১ বোতল পানি,১ টি ওরস্যালাইন, ১ পোয়া চিনি ও ১ টি ইম্পি অরেঞ্জ উপহার বিতরন করা হয়।এসময় চুয়াডাঙ্গা শিশু কল্যাণ সমিতির সহ- সভাপতি অমর দীপ আগরওয়ালা,সাধারণ সম্পাদক এম,এম মনোয়ার হোসেন ও এম, এম, আলা উদ্দীনসহ সদস্যরা উপস্তিত ছিলেন।তারা বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আকবর আলীর প্রচেষ্টায় এই গরমে ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাড়াতে পেরেছি।আমরা প্রতিটি এলাকার শিশুদের বিনামূল্যে সেবা দিয়ে তাদের পাশে থাকতে চাই।
পয়ঃনিস্কাশন খাতের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও করণীয়’ শীর্ষক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরিকল্পনা, বাজেট মনিটরিং এবং গণশুনানীতে নাগরিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং যথাযথ সমন্বয় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৬ অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে, নিরাপদ ও স্বল্পমূল্যের খাবার পানিতে সকলের সার্বজনীন ও সমতাভিত্তিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন খাতে শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুপেয় পানি ব্যবস্থাপনাকে একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বমূলক করতে হবে, যা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রার অগ্রগতির পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করবে এবং কাংখিত ফলাফলকে প্রতিফলিত করবে। এই লক্ষ্য অর্জনে ওয়েভ ফাউন্ডেশন জানুয়ারি ২০২৪ থেকে ‘পানি, পয়ঃনিষ্কাশন এবং স্বাস্থ্যবিধি এর ঝুঁকি মোকাবেলায় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন খাতে জবাবদিহিতা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা’ শীর্ষক প্রকল্পটি রাজশাহী ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের একটি অন্যতম কাজ হিসাবে খুলনা ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ‘পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে শুদ্ধাচার ও সুশাসন বাস্তবায়নের অবস্থা, চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও করণীয়’ শীর্ষক একটি গবেষণা পরিচালনা করা হয়।
এদিকে, বুধবার (১৫ মে) দুপুরে খুলনা ওয়াসার সভাকক্ষে উক্ত গবেষণাপ্রাপ্ত তথ্য, বিশ্লেষণ এবং সুপারিশসমূহের আলোকে ‘খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সুপেয় পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও করণীয়’ শীর্ষক এক অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করা হয়। অ্যাডভাকেসি সভায় উপস্থিত ছিলেন মোঃ আবদুল্লাহ, পি ইঞ্জ. ব্যবস্থাপনা পরিচালক, খুলনা ওয়াসা, সানজিদা বেগম, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খুলনা সিটি কর্পোরেশন। সভার শুরুতে আয়োজকের পক্ষে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের পরিচিতি এবং ওয়াস প্রকল্প সম্পর্কে উপস্থাপনা করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক কানিজ ফাতেমা। সভায় গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনাসহ সভাটি সঞ্চালনা করেন লিপি আমেনা, প্রকল্প সমন্বয়কারী, উইন ওয়াস প্রকল্প, ওয়েভ ফাউন্ডেশন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক সহকারি প্রকৌশলী, খুলনা ওয়াসা, মোঃ আব্দুর রাকিব, সহকারি পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা, খুলনা সিটি কর্পোরেশন, মোঃ লুৎফর রহমান, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক, এনজিও ফোরাম খুলনা। নুরুজ্জামান, সিনিয়র সাংবাদিক, স্থানীয় লোকমোর্চার সদস্য এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ।
আলোচনা সভায় খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবদুল্লাহ, পিইঞ্জ. বলেন, ওয়েভ ফাউন্ডেশন পরিচালিত গবেষণার সুপারিশের আলোকে ওয়াসা সমস্যা সমূহের সমাধান বের করবে। খুলনা ওয়াসা শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২০০৯ সাল থেকে কাজ করছে এবং এ লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাচ্ছে। ২০০৯ সালে যেখানে ওয়াসার বিলিং সিস্টেম ছিল এনালগ ভিত্তিক। কিন্তু এখন ওয়েব সাইটের মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার বিল সম্পর্কে জানতে পারছেন এবং ব্যাংক এর মাধ্যমে পানির বিল প্রদান করছে। গ্রাহকসেবা নিশ্চিতে খুলনা ওয়াসা নিয়মিত গণশুনানীর আয়োজন করে। তিনি আরও বলেন, ওয়াসার সেবার মূল্য তালিকা সকল ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের লিখিত আকারে প্রেরণ করা হবে যাতে করে গ্রাহকরা ওয়াসার সেবা সম্পর্কে জানতে পারেন।
সিটি কর্পোরেশনের সচিব সানজিদা বেগম বলেন, গবেষণার সুপারিশের আলোকে সকলকে পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতের সমস্যা সমাধানে একসাথে কাজ করতে হবে। জনগণ ওয়াসার সেবাসমূহ সম্পর্কে জানলে তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
এসডিজি লক্ষ্য ৬ অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ দূরীকরণে প্রত্যেক মানুষের কাছে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন পৌঁছাতে সরকার অনেক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। তা সত্বেও এখনও পানি পরিষেবা ও ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অনেক ঘাটতি রয়েছে। তাই সকলের জন্য মানসম্মত সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিভিন্ন সামাজিক জবাবদিহিতার পদ্ধতি অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা, বাজেট মনিটরিং এবং গণশুনানী সম্পর্কে নাগরিকদের জানানো এবং অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় দরকার বলে এই অ্যাডভোকেসি সভায় অংশগ্রহণকারীরা মতামত তুলে ধরেন।
ওয়েভ ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত গবেষণায় সুপেয় পানি এবং পয়ঃনিস্কাশন খাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে তথা সুশাসন ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কিছু সুপারিশ প্রদান করে। যার মধ্যে সুপেয় পানি ও পয়ঃনিস্কাশন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা; সেবার মূল্য তালিকা সকল ওয়ার্ডে প্রেরণ করা; নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করতে ব্যাপকভাবে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা; প্রয়োজনে সিটিজেন চার্টার হালনাগাদ, সচেতনতামূলক তথ্য সম্বলিত বিলবোর্ড স্থাপন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা; পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিভিন্ন সামাজিক জবাবদিহিতার পদ্ধতি অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা, বাজেট মনিটরিং এবং গণশুনানীতে নাগরিকদের জানানো এবং অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা; ব্যবহারযোগ্য সহজে অভিযোগ দায়ের এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রিড্রেস ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে হবে। সাধারণ মানুষের জন্য অনলাইনে অভিযোগ করার পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযোগ বক্স স্থাপন করা; জরুরী পরিস্থিতিতে যেমন: প্রচন্ড তাপদাহে ও দুর্যোাগকালীন সময়ে পানি ও পয়ঃনিস্কাশন কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা ইত্যাদি।
ডুমুরিয়ার প্রতিটি গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেবার অঙ্গীকার আজগর বিশ^াস তারার
খবর বিজ্ঞপ্তি
ডুমুরিয়ায় গণসংযোগকালে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আজগর বিশ^াস তারা বলেছেন, মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে আমিই ডুমুরিয়াবাসীর দ্বোর গড়ায় নাগরিক সেবা পৌঁছে দেবো। নির্বাচিত হলে জনপ্রতিনিধি ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটে; আর আমি কথা দিচ্ছি- মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে আমি ডুমুরিয়াবাসীর ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাবো ইনশাআল্লাহ্। সকল সম্প্রদায়ের মিলিত শক্তি দেশ গড়ার হাতিয়ার। তাই আমি নির্বাচিত হলে অসম্প্রদায়িক চেতনায় সৌহার্দ্যরে প্রতীক হিসেবে ডুমুরিয়া উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে বাংলাদেশের সামনে উপস্থাপন করবো। তাই সাবেকদের কথায় আবেগে না পড়ে বিবেক কাজে লাগিয়ে খুলনার শষ্য ভান্ডারখ্যাত ডুমুরিয়ার কৃষকদের উৎপাদিত খাদ্য-শষ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, সুলভ মূল্যে সার-বীজ সহজপ্রাপ্তি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন বুঝে নিতে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দিন।’ বুধবার (১৫ মে) ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরা ইউনিয়নে গোলগাতিয়া, রাজবংশিপাড়ায় পথসভা ও উঠান বৈঠকে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আজগর বিশ^াস তারা এসব কথা বলেন।
বুধবার বিকেল থেকে রাত অবধি তার মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটারদের দ্বারেদ্বারে যান তিনি। খুলনা জেলা আ’লীগের প্রভাবশালী সদস্য আজগর বিশ^াস তারা দীর্ঘদিন ডুমুরিয়া উপজেলাবাসীর ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সে কারণে তার পথসভা, উঠান বৈঠক ও ছোট্ট ছোট্ট লিফলেট বিতরণের পথযাত্রাগুলোতে স্থানীয়দের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহন বিশাল জনসমুদ্রে রূপ নিচ্ছে। মোটরসাইকেল প্রতীকে গণসংযোগকালে আ’লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।।
বাঘের পর এবার কুমিরের মুখ থেকে ফিরলেন আবদুল কুদ্দুস
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
গভীর সুন্দরবনে ঢুকে মধু কাটার পর নদীতে গোসল করতে নামেন আবদুল কুদ্দুসসহ ছয় মৌয়াল। হাঁটু থেকে সামান্য উঁচু পানিতে গোসল করছিলেন। হঠাৎ আবদুল কুদ্দুসকে পানির মধ্যে ঘুরপাক খেতে দেখেন অন্যরা। ঘটনার আকস্মিকতায় সবাই হতবিহ্বল। আবদুল কুদ্দুস পানিতে ঘুরপাক খাচ্ছেন, আর পানিতে ভেসে উঠছে রক্ত। হঠাৎ পানির ওপরে উঠে এলো কুমিরের লেজ। এর আগে ২০১৫ সালে মধু কাটতে গিয়ে সুন্দরবনের তালপট্টি এলাকায় বাঘের কবলে পড়েন আবদুল কুদ্দুসসহ ৭ জনের একটি দল।
বাকিদের বুঝতে আর কিছু বাকি রইল না। আবদুল কুদ্দুসকে কুমিরে ধরেছে। সঙ্গে সঙ্গে হাতে থাকা মগ ও পাতিল নিয়ে সজোরে পানিতে আঘাত করতে লাগলেন বাকি পাঁচজন। তারা আবদুল কুদ্দুসের দুই পা ধরে টানাটানি শুরু করলেন। এভাবে চলতে থাকল তিন থেকে চার মিনিট। হঠাৎ শিকার ছেড়ে নদীর গভীরে চলে যায় কুমিরটি।
আবদুল কুদ্দুসকে (৫৫) কুমিরের হাত থেকে জীবিত উদ্ধারের এ ঘটনায় নেতৃত্ব দেন তাঁরই ছোট ভাই আবদুল হালিম। ঘটনাটি ঘটে গত ১১ মে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কলাগাছিয়া নদীতে।
আবদুল কুদ্দুস জেলার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের মৃত মোকছেদ সানার ছেলে। গত সোমবার লোকালয়ে ফেরার পর গতকাল মঙ্গলবার তাঁকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মৌয়ালদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ৭-৮ দিন আগে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে মধু সংগ্রহের পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে সুন্দরবনে ঢোকেন ছয় মৌয়াল। তাদের দলে ছিলেন দুই ভাই আবদুল কুদ্দুস ও আবদুল হালিম। ঘটনার দিন অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি চাক পাওয়ায় সবাই খোশমেজাজে ছিলেন। এক পর্যায়ে দুপুর আড়াইটার দিকে কলাগাছিয়া নদীর চরে হাঁটুপানিতে নেমে গোসল করার সময় এ ঘটনা ঘটে।
ভয়াবহ এ অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘কুমির যখন আমার হাত কামড়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল, আমি কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলি। কুমির ঘুরপাক খেতে থাকায় আমিও সমানতালে পানিতে ডুবে গিয়ে আবার ভেসে উঠি। নিঃশ্বাস নিতে না পারায় দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলায় আর কিছু মনে নেই।’
আবদুল হালিম বলছিলেন, শুরুতে তারা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। ফলে খুবই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। তবে কুমিরের লেজ আছড়ে পড়া দেখে তিনি জীবনের মায়া ভুলে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ভাইকে বাঁচাতে চিৎকার করে দলের অন্য চার সদস্য বক্স গাজী, শহিদুল, সিরাজুল ও এলাই বক্সের সহযোগিতা চান। এক পর্যায়ে সবাই মিলে আবদুল কুদ্দুসের দুই পা ধরে টানাটানি এবং পানিতে প্রচণ্ড শব্দ তৈরি করলে কুমিরটি শিকার ছেড়ে চলে যায়।
মৌয়াল সিরাজুল ইসলাম জানান, কুমির চলে যাওয়ার পর আবদুল কুদ্দুসকে ডাঙায় নিয়ে সরিষার তেল ও আগাছা ক্ষতস্থানে লাগিয়ে রক্ত বন্ধ করেন।
ঝড়ের কারণে দেরিতে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন মৌয়ালরা। তাই সোমবার রাতে তারা লোকালয়ে পৌঁছান।
আবদুল কুদ্দুসের বাঁ হাত গুরুতর জখম হয়েছে জানিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, কামড়ের চিহ্ন দেখে শিকারি কুমিরটি তুলনামূলক ছোট মনে হয়েছে।
আবদুল কুদ্দুস ও আবদুল হালিম গত ৩৫-৩৬ বছর ধরে মাছ, কাঁকড়া শিকারসহ মধু সংগ্রহে সুন্দরবনে যাতায়াত করেন। এর আগে ২০১৫ সালে মধু কাটতে গিয়ে সুন্দরবনের তালপট্টি এলাকায় বাঘের কবলে পড়েন তারা। তখন দলে ছিলেন সাতজন। লাফ দিয়ে আসার মুহূর্তে বাঘ দেখতে পেয়ে সহযোগী আবদুল আজিজ সরে গিয়ে বেঁচে যান। পরে তারা সমবেত হয়ে চিৎকার এবং লাঠিসোটা দিয়ে গাছে আঘাত করে এলাকা ছেড়ে নিজেদের রক্ষা করেন। ২০০৮ সালে মধু কাটতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে নিহত হন আবদুল কুদ্দুসের খালু দাতিনাখালী গ্রামের গোলাম মোস্তফা।
এ বিষয়ে সুন্দরবনের সহকারী বন সংরক্ষক এ কে এম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, গত পাঁচ বছরে সুন্দরবনে গিয়ে বাঘের আক্রমণে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে কুমির ও বাঘের আক্রমণে আহত হন দু’জন।
সুন্দরবনে গিয়ে বাঘ, কুমিরসহ হিংস্র প্রাণী থেকে নিরাপদে থাকার বিষয়ে যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে মৌয়ালদের সতর্ক করা হয় বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এ কে এম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী। তিনি বলেন, বৈধভাবে এসব ব্যক্তি মধু সংগ্রহে সুন্দরবনে যান। চিকিৎসা নিয়ে এলাকায় ফিরে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে সরকারি সহায়তার জন্য আহত মৌয়ালের নাম প্রস্তাব করা হবে।
পোল্ট্রির বিষ্ঠা ব্যবহার, মৎস্য চাষিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
যশোর অফিস
যশোরের অভয়নগরে পোল্ট্রি মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার করায় আজিজুর রহমান সরদার (৫০) নামে এক মৎস্য চাষিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকেলে উপজেলার ধোপদী গ্রামের উলু বটতলা নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। অভয়নগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসাইন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযুক্ত মৎস্য চাষি আজিজুর রহমান সরদার উলু বটতলা এলাকার মৃত ইউনুস সরদারের ছেলে।
এ বিষয়ে শামীম হোসাইন বলেন, মাছের খাবার হিসেবে পোলট্রির বিষ্ঠা ব্যবহার করা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালানো হয়। এসময় আজিজুর রহমান সরদারের ঘের থেকে ৩০ বস্তা পোল্ট্রির বিষ্ঠা জব্দ করা হয়। মৎস্য ও মৎস্যপণ্য আইনে ঘের মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে এলাকাবাসীর সামনে জব্দকৃত ৩০ বস্তা বিষ্ঠা বিনষ্ট করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল হক, স্থানীয় ইউপি মেম্বার আজিজুর গাজী, অভয়নগর থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন ।
খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি কাজি আমিনুল হক এর
সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজি আমিনুল হক অসুস্থ হয়ে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর সুস্থতা কামনা করে আদি কালীবাড়ী পাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির উদ্যোগে বুধবার বেলা ১২টায় আদি কালীবাড়ী পাড়া মন্দির প্রাঙ্গণে এক বিশেষ প্রার্থনা সভা মন্দির কমিটির সভাপতি পলাশ কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থনা সভায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র পরিচালক গোপী কিষণ মুন্ধড়া, খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু, খুলনা চেম্বার পরিচালক ও খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ দেওয়ান, খুলনা চেম্বার পরিচালক ও মহানগর পূজা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তিলক কুমার গোস্বামী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠু, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জল ব্যানার্জী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবলু কুমার বিশ্বাস, তরুণ রায় শিবু, প্রদীপ সাহা মদন, বিকাশ সাহা, সুব্রত হালদার তপা, সুশান্ত ব্যানার্জী, ইন্দ্রজিৎ কুণ্ডু গোপাল, প্রকাশ সাহা বাপ্পি, ভবেশ সাহা, রূপম দে, অলোক দে, রবীন দাস, দিলীপ সাহা, দিলীপ সাহানী, ফণীভূষণ সাহা, শ্যামল সাহা, আকাশ ব্যানার্জী, পলাশ রায়, রাজা কুণ্ডু, স্বপ্নীল কুণ্ডু, রাতুল দাস মিমো, দিপ্র দাস, নিলয় সাহা, রাজীব ঘোষ, উদয় মৃধা, কৌশিক দত্ত, অনীক ব্যানার্জী, সন্তু দে, সজীব দাস, শুভ সাহা, বিশাল সাহা, শঙ্কর ঘোষ, দিপ্ত বিশ্বাস, মিতুন ভদ্র প্রমুখ।
অপরদিকে রূপসা মহাশ্মশান ও শ্মশান কালী মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে কাজি আমিনুল হকের সুস্থতা কামনায় প্রার্থনা করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু, সহ-সভাপতি সমরেশ সাহা, শিবনাথ ভক্ত, বিশ্বজিৎ দে মিঠু, বাবলু বিশ্বাস, মেধস ব্যানার্জী, সুশান্ত ব্যানার্জী, উজ্জল ব্যানার্জী, ভবেশ সাহা, অলোক দে, রবীন দাস, মন্দির কমিটির সভাপতি বিজয় কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার নাথ, নারায়ণ দাস, অশোক ঘোষ, দুলাল সরকার, স্বপন মণ্ডল, সঞ্জু কর্মকার, পলাশ সাহা, ইন্দ্রজিৎ কুণ্ডু গোপাল, সুরেশ চক্রবর্ত্তী প্রমুখ।
ময়ূর নদ রক্ষায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বরাবর খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে বাপা’র স্মারকলিপি প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগরীর পশ্চিম-দক্ষিণ পাশ দিয়ে প্রবাহিত ময়ূর নদসহ এ নদ সংযুক্ত ক্ষেত্রখালী, হাতিয়া নদীর ২২ কিলোমিটার খননপূর্বক নদটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবীতে পরিবেশবাদী নাগরিক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) খুলনা শাখার উদ্যোগে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি বুধবার বেলা ১টায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার হেলাল মাহমুদ শরিফ এর নিকট প্রদান করা হয়। সংগঠনের জাতীয় পরিষদ সদস্য ও খুলনা শাখার সমন্বয়কারী অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার স্বাক্ষরিত এ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, সারা দেশের ন্যায় খুলনা অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিশেষত মনুষ্যসৃষ্ট নানা কারণে এ অঞ্চলের নদ-নদী, খাল-জলাশয় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে রুগ্ন-ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বলা চলে মৃত্যুর প্রহর গুণছে। অনেক নদী ইতোপূর্বে অস্তিত্ব হারিয়েছে। অনেক নদী বিশেষ করে নদীর সংযুক্ত খালসমূহ স্থায়ীভাবে মানুষের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। ভূমিদস্যু-জমিখেকো-লুটেরাদের প্রধান লক্ষ্য নদী-খাল-জলাশয়। যত্রতত্র, যথেচ্ছা অপরিকল্পিত নগরায়ন এ অমূল্য সম্পদ বিলীন হওয়ার একটি অন্যতম কারণ।
মহাত্মন, খুলনা মহানগরীর পশ্চিম-দক্ষিণ পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ময়ূর নদসহ এ নদ সংযুক্ত ক্ষেত্রখালী, হাতিয়া নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২২ কিলোমিটার, রয়েছে প্রায় ২২টি সংযুক্ত খাল। মূলত এখন আমরা এ নদটি খুলনা মহানগরীর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বললেও রূপসা-ভৈরব এবং এ ময়ূর নদকে কেন্দ্র করেই খুলনা মহানগরীর গোড়াপত্তন। বড় শহর হিসেবে গড়ে ওঠার নেপথ্যে একসময়কার প্রশস্ত-খরস্রোতা এ ময়ূর নদটির ভূমিকা ছিলো অনন্য। প্রচলিত আছে, সৌন্দর্যের কারণেই এ নদটির নাম ময়ূর হয়ে ওঠে। স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠদের নিকট আমরা এ নদটিতে লঞ্চ-স্টিমারসহ সবধরনের নৌযান চলাচলের কথা শুনতে পাই। ইতিহাসও তাই সাক্ষ্য দেয়। তৎকালীন খুলনা শহরে ধান, পাট, সুপারি, নারিকেল, কৃষিজাত পণ্য, খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলের কাঁচামাল গেঁওয়া, গোলপাতা, সুন্দরি, গরাণ, বাঁশ, মধু, মাছ প্রভৃতির একটা বড় অংশ এ নদের মাধ্যমে আসতো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অধিক জনসংখ্যা, মানুষের স্বার্থপরতা, লোলুপ লেলিহান দৃষ্টি, অসচেতনতা প্রভৃতির ফলশ্রুতিতে এ নদটি এখন দু’পাড়ের বিশেষ করে খুলনা নগরবাসীর বর্জ্যরে ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। নেই কোনো প্রবাহ, জোয়ার-ভাটার লেশমাত্র। রূপসা নদীর সাথে এ নদটির মিলনস্থল বটিয়াঘাটা উপজেলার তেঁতুলতলা মৌজার আলুতলা নামক স্থানে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত স্লুইসগেট (১০ গেট) এর যথাযথ পরিচালনার অভাবে এ নদটির করুণদশা সৃষ্টির কাজটি আরও বেশি ত্বরান্বিত হয়েছে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশন ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় ময়ূর নদ ও সংযুক্ত ক্ষেত্রখালী এবং হাতিয়া নদীর প্রায় ২২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে মধ্য হতে ‘ময়ূর নদ’ নামীয় অংশ অর্থাৎ সাড়ে ৫ কিলোমিটর খনন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। কিন্তু একটি নদ বা নদীর আংশিক খনন করে সেটি পুনরুদ্ধার বা রক্ষা মোটেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। এতে করে এ নদটি রক্ষা তো সম্ভবই নয়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসনেও তেমন কোনো কাজে আসবে না বরং রাষ্ট্র তথা জনগণের অর্থ অপচয়ই হবে; যা ইতোপূর্বে প্রমাণিত।
এ নদটি খুলনা-যশোরের বিল ডাকাতিয়া হতে উৎপত্তি হয়ে ক্ষেত্রখালী/খুদিয়া নাম ধারণ করে খুলনা মহানগরীর বয়রা শ্মশানঘাট এলাকায় এসে ময়ূর নদ নাম ধারণ করে বটিয়াঘাটার বুড়ো মৌলভীর দরগাঁহ সংলগ্ন ত্রিমোহনীতে পুনরায় নাম পরিবর্তিত হয়ে হাতিয়া নাম ধারণ করে আলুতলা এলাকায় রূপসা নদীতে মিশেছে।
এ নদটি রক্ষায় পুরো ২২ কিলোমিটার এবং সংযুক্ত খালসমূহ একটি সমন্বিত প্রকল্পের আওতায় এনে খনন করে প্রবাহ তথা স্বাভাবিক জোয়ার-ভাটা নিশ্চিত করে, সংরক্ষণ করতে পারলে এ অঞ্চলের পরিবেশ-প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাসহ অর্থনৈতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জাতীয় পরিষদ সদস্য ও খুলনা শাখার সমন্বয়কারী অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সংগঠনের সদস্য যথাক্রমে কবি, সংগঠক, পরিবেশবাদী কর্মী নাজমুল তারেক তুষার, কবি ও সংগঠক সৈয়দা তৈফুন নাহার, সমাজকর্মী শেখ নুরুল হুদা, মুক্তি আক্তার প্রমুখ।
দাকোপে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
দাকোপ প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) আর.এইচ.এল প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টার এ সভার আয়োজন করেন।
বুধবার (১৫ মে) বেলা ১১টায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভবনে আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের পরিচালক মোঃ ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম কুমার হালদার, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রণজিৎ কুমার, চালনা পৌর মেয়র সনত কুমার বিশ^াস, উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুরাইয়া সিদ্দীকা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রজিত রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, দাকোপ ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায়, সুতারখালী ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আলী ফকির, বানিশান্তা ইউপি চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায়, তিলডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জালাল উদ্দিন, কৈলাশগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মিহির কুমার মন্ডল, কামারখোলা ইউপি চেয়ারম্যান পঞ্চানন মন্ডল, বাজুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মানষ কুমার রায়, পানখালী ইউপি চেয়ারম্যান ছাব্বির আহম্মেদ শেখ, অধ্যক্ষ অসিম কুমার থান্দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা অহেদ আলী গাজী, প্রেসক্লাব সভাপতি গোবিন্দ বিশ^াস, আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের জোনাল ম্যানেজার অনুপ কুমার দে, প্রকল্প সমন্বয়কারি মনিরুল ইসলাম। অন্যানের মধ্যে বক্তৃতা করেন সাংবদিক আজগর হোসেন ছাব্বির, মোঃ মামুনুর রশিদ, দেবাশীষ ঢালী, সাগর সেন প্রমুখ।
দাকোপে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ
দাকোপ প্রতিনিধি
দাকোপ উপজেলায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মৎস্য অধিদপ্তরের “ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে’র আওতায় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উপকরণ সহায়তা হিসেবে বকনা বাছুর (গরু) বিতরন করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ মে) বিকাল ৩টায় দাকোপ উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কার্যালয় এর আয়োজনে উপজেলার ১৮ জন সুফল ভূগী জেলে পরিবারর কে বকনা বাছুর (গরু) বিতরন করা হয়। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রণজিৎ কুমারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বিতরণ করেন খুলনা ১ আসনের সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বঙ্কিম কুমার হালদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রজিত রায়, সমবায় কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, কৈলাশগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মিহির মন্ডল, বাজুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মানস রায়, তিলডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জালাল উদ্দীন গাজী, পানখালি ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহম্মেদ, সুতারখালি ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আলী ফকির, উপজেলা মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা বিপুল কুমার দাশ প্রমুখ।
ফকিরহাটে চেয়ারম্যান প্রার্থী স্বপন দাশ’র আনারস প্রতিকের তিনটি পথসভা
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী স্বপন দাশ’র আনারস প্রতিকের তিনটি নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লখপুর ইউনিয়নের জাড়িয়া ইসলামীয়া সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসা চত্তর, মিতালী ক্লাব চত্তর ও ৮নং ওর্য়াডের চেয়ারম্যান মোড়ে এই পথসভা বুধবার (১৫ মে) বিকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। ভোট কেন্দ্র কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সেলিম শেখ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, চেয়ারম্যান প্রাথী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, অধ্যক্ষ বটু গোপাল দাস, ডুমুরিয়্রা আ’লীগ নেতা প্রতাপ চন্দ্র রায় ও শেখর রঞ্জন দেবনাথ। কৃষকলীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনি’র সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন আ’লীগ নেতা শেখ আহম্মদ আলী, মাওলানা মোহম্মদ শামসুর রহমান, শ্রমিকলীগ নেতা মোঃ জিল্লুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এ শুকুর আলী খান ও মহিলা নেত্রী তাসলিমা বেগম লতা। এছাড়া ৬নং ওর্য়াডের জাড়িয়া মাইট কুমরা মিতালী ক্লাব চত্তর ও ৮নং ওর্য়াডের চেয়ারম্যান মোড়ে অনুরুপ বিশাল পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসময় শতশত নেতাকর্মি ও আনারস প্রতিকের সমর্থরা উপস্থিত ছিলেন। #
ফকিরহাটে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবসে সাইকেল র্যালি
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট বনফুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষে সাইকেল র্যালি ও কৈশোর মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ মে) দিনব্যাপি আরআরএফ ও পিকেএসএফ এর যৌথ আয়োজনে সাইকেল র্যালি ও কিশোর-কিশোরীদের কে নিয়ে ‘কৈশোর মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সাংস্কৃতি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কৈশোর কর্মসুচির আওতায় বিভিন্ন ইউনয়নে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়িদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে কাজী আজহার আলী কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রনয় কুমার ঘোষ, সহকারী অধ্যাপক হালিম শেখ, ফলতিতা শশধর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার মজুমদার, ধনপোতা মাসকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: ইকরাম শেখ, বনফুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মুজিবর রহমান, সহকারি শিক্ষক মো: আসর আলী সহ বিভিন্ন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন আরআরএফের শাখা ব্যবস্থাপক হিরেন্দ্রনাথ তরফদার ও প্রোগ্রাম অফিসার ইনচার্জ লাতিফা আক্তার। #
কয়রায় ১ শ প্রতিবন্ধি সদস্য পেলো বিনামুল্যে হুইল চেয়ার
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
কয়রায় ১ শ অসহায় প্রতিবন্ধি সদস্যদের মাঝে বিনামুল্যে হুইল চেয়ার বিতরন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৫ মে) বেলা ১১ টায় কপোতাক্ষ কলেজ মাঠে স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সোশ্যাল এজেন্সি ফর ওয়েলফেয়ার এ্যাডভেসমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সওয়াব) এর সহযোগিতায় এ সকল হুইল চেয়ার বিতরন করা হয়। হুইল চেয়ার বিতরনকালে উপস্থিত ছিলেন সওয়াবের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ লোকমান হুসাইন, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব সদর উদ্দিন আহমেদ, কপোতাক্ষ কলেজের সহকারি অধ্যাপক বিদেশ রঞ্জন মৃধা, সওয়াবের সহকারি ম্যানেজার আবু সাঈদ মোল্যা, সওয়াবের কয়রা উপজেলা প্রকল্প সম্বয়কারী ইউপি সদস্য আবু হাসান, সওয়াবের স্বেচ্ছাসেবী সদস্য জোবায়ের হোসেন, নাঈম বিল্যাহ,সাইফুল ইসলাম,ডাঃ জাহিদুল ইসলা, ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান, আজিজুল ইসলাম, মোঃ সবুজ,এস এম মনিরুল ইসলাম,আসমতউল্যাহ, বায়োজিদ হোসেন ওলিউল্যাহ প্রমুখ।
খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজি আমিনুল হকের সুস্থতা কামনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কাজি আমিনুল হক অসুস্থ্য হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজাসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ।









































