নওয়াপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি
নিখোঁজের তিন দিন পর যশোরের বসুন্দিয়ার সদুল্লাপুর ভৈরব নদ থেকে ইজিবাইকচালক ইমনের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার অজ্ঞাত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের পর পিবিআই তাঁর পরিচয় শনাক্ত করে। পুলিশের ধারণা, ইমনকে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে নদে ফেলে দেয়।
ইমন অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের আবুল কালামের ছেলে। তিনি বলেন, গত রোববার ভোরে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় ইমন। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়। ইজিবাইক স্ট্যান্ডে খোঁজ নিলে অন্য চালকরা জানান, তাকে সবশেষ বসুন্দিয়ার দিকে ভাড়া নিয়ে যেতে দেখেছেন তারা।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা অভয়নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। গতকাল পুলিশের কাছ থেকে ইমনের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তারা। স্থানীয়রা জানান, এ দিন সকালে নদের পাড় থেকে তারা দুর্গন্ধ পান। পরে বস্তায় ভরা মরদেহ ভাসতে দেখেন। পুলিশকে খবর দিলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে। পিবিআই সদস্যরা ফিঙ্গার প্রিন্ট ও ইমনের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করেন।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক বলেন, ইমনের পরিবারের সদস্যরা এসে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইজিবাইক ছিনতাই করতে তাঁকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়েছে নদে।











































