খুলনাঞ্চল ডেস্ক
আট দশকেরও বেশি সময় পর ইস্তাম্বুলের হায়া সোফিয়াতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুমার নামাজ। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান শুক্রবার জুমার নামাজের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করবেন। ইস্তাম্বুল বিজয়ের আগে প্রায় ৯০০ বছর হায়া সোফিয়া গির্জা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তুর্কি সুলতান মাহমুদ ফাতাহ ইস্তাম্বুলে প্রবেশের পর এটি খ্রিস্টানদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে মসজিদে রূপ দেন। ১৪৫৩ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত ব্যবহার হয়েছে মসজিদ হিসেবে। ১৯৩৪ সালে আধুনিক তুরস্কের জনক কামাল পাশা একে জাদুঘরে পরিণত করেন। আশির দশকে একে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
১০ জুলাই তুরস্কের আদালত হায়া সোফিয়াকে জাদুঘর বানানোর ডিক্রি বাতিল করে মসজিদে ফিরিয়ে আনার পক্ষে রায় দেয়। তবে খ্রিস্টান পাদ্রিরা এর সমালোচনা করে বলেছেন, এর মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট হবে। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন বলেছেন, ‘হায়া সোফিয়া জাদুঘরকে মসজিদে রূপান্তরের দাবি বহুদিনের এবং এটি অধিকাংশ তুর্কির চাওয়া। আমাদের বিশ্বাস একে প্রার্থণাগৃহ হিসেবে ব্যবহার করাই অনেক বেশি বিবেচনাপ্রসূত।’ মসজিদে রূপান্তর হলেও হায়া সোফিয়াতে থাকা খ্রিস্টীয় কারুকার্য ও প্রাচীর চিত্রগুলো সংরক্ষণ করা হবে। নামাজের সময় এগুলো ঢেকে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন কালিন।










































