তরিকুল ইসলাম, নলতা থেকে।।
অবিভক্ত বাংলা ও আসামের শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারক, সাহিত্যিক, দার্শনিক, মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত, ‘স্্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টের সেবা’ এ মহান ব্রতকে সামনে রেখে চলা নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশন সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নেপথ্যের কারিগর, সুফি-সাধক,পীরে কামেল হজরত শাহ্ছুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এঁর তিন দিন ব্যাপি ৬০ তম বার্ষিক ওরছ শরীফ গতকাল ৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাদ ফজর মিলাদের মাধ্য দিয়ে শুরু হয়ে আজ শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম উদযাপিত হচ্ছে। আগামীকাল ১১ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ৮ টা থেকে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ঐতিহ্যবাহী এই পাক রওজা শরীফের ৬০ তম বার্ষিকী ওরছ শরীফ।
উক্ত ওরছ শরীফকে কেন্দ্র করে পাক রওজা শরীফ, মসজিদ তথা নলতা শরীফ ও আশে-পাশের এলাকা নতুন সাজে সেজেছে। অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ, মিশন অফিসের সামনে অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র সৌজন্যে বিগত সময়ের ন্যায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে প্রধান তোরণ সহ এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অসংখ্য তোরণ, প্যান্ডেল, লাইটিং, রন্ধনশালা, খানা মাঠ, বিভিন্ন স্টল, হৃদয়ে আহ্ছান, তথ্য অনুসন্ধান ও প্রচার কেন্দ্র, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কন্ট্রোল রুম, প্রেস বক্স ও স্কাউট-রোভার স্কাউট কন্ট্রোল রুম, রাস্তা-ঘাট সহ নানা ধরনের প্রস্তুতি।
নলতা শরীফে ৬০ তম বার্ষিক ওরছ শরীফ উপলক্ষে আজ ২য় দিনে যে সমস্ত প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরামগণ পবিত্র কোরআন ও হাদীসের আলোকে নবী রাসুল (স.) এবং ওলি-আউলিয়াদের জীবনাদর্শ সম্পর্কে আলোচনা করবেন।
আগামীকাল ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ৮ টায় আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপি ৬০ তম বার্ষিক ওরছ শরীফ সমাপ্ত ঘটবে। আখেরী মোনাজাতের পূর্বে পাক রওজা শরীফে বিশেষ চাঁদর পেশ করা হবে।
উল্লেখ্য, আজ ১০ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশন অফিসের সামনে খানা মাঠে মিশনের পক্ষ থেকে সর্ব সাধারণের মাঝে তাবারুক বিতরণ করা হবে।
পীর কেবলার ৬০ তম বার্ষিক ওরছ শরীফ সফল করতে মিশনের পক্ষ থেকে সকলকে যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখা সহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।










































