Home আঞ্চলিক খুলনায় সংরক্ষিত আসনের এমপি হওয়ার দৌড়ে আ. লীগের ৪ নেত্রী

খুলনায় সংরক্ষিত আসনের এমপি হওয়ার দৌড়ে আ. লীগের ৪ নেত্রী

301

স্টাফ রিপোর্টার
সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণের পর এবার আলোচনা শুরু হয়েছে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে। খুলনা-বাগেরহাটের একটি আসন থেকে সংসদ সদস্য হতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের ৪ জন নেত্রী। ইতোমধ্যে তারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ৬টি ও বাগেরহাটের ৪টি আসনের সবগুলোতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে খুলনা ও বাগেরহাট জেলা মিলে ১১ নম্বর আসন গঠিত। সবশেষ এ আসনে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার।
জাতীয় সংসদে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য হতে বর্তমানে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের ৪ জন নেত্রী। এরমধ্যে আসনের সদ্য বিদায়ী সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এবারও মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাড়া মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন আরও ৩ জন। তারা হলেন- বর্তমান সেনাবাহিনী প্রধানের বোন ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যাপক রুনু ইকবাল বিথার, খুলনা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজনীন নাহার কনা ও মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আফসানা ফেরদাউস কেকা।
তাদের মধ্যে রুনু ইকবাল বিথার সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে বঞ্চিত হন। তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রয়াত কাউন্সিলর ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শহীদ ইকবাল বিথারের স্ত্রী। স্থানীয় রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান রয়েছেন। অন্যদিকে, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার আবারও সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন।

রুনু ইকবাল বিথার বলেন, আমি খুলনা-৩ আসনে নির্বাচন করার উদ্দেশ্যে অনেকদিন গণসংযোগসহ নির্বাচনী কর্মকাণ্ড করেছিলাম। দল অন্য একজনকে মনোনয়ন দিয়েছে। দলের জন্য নিবেদিত হয়ে অনেকদিন ধরে কাজ করছি। আমি সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হতে আগ্রহী এবং দলের কাছে আগ্রহের কথা জানিয়েছি।
আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার বলেন, খুলনা-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম, কিন্তু দল আমাকে দেয়নি। আমি সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ছিলাম। এবারও মনোনয়নপত্র কিনবো।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেত্রী নাজনীন নাহার কনা বলেন, নেতাকর্মীরা চাইছে আমি প্রার্থী হই। আমি নিজেও আগ্রহী। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবো।

এছাড়া আওয়ামী লীগ নেত্রী আফসানা ফেরদাউস কেকা জানান, তিনি দুইবার খুলনার সরকারি মহিলা কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস এবং দুইবার যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। এবার সংরক্ষিত সংসদ সদস্য পদে দায়িত্ব পালনে আগ্রহী তিনি।