Home আন্তর্জাতিক কলকাতায় পি কে হালদারসহ ৬ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

কলকাতায় পি কে হালদারসহ ৬ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

22

ঢাকা অফিস
দীর্ঘ শুনানির পর কলকাতার আদালতে পি কে হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদারসহ বাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে (ব্যাংকশাল) ৬ অভিযুক্ত- পিকে হালদার, তার ভাই প্রাণেশ হালদার, স্বপন মিস্ত্রি ওরফে স্বপন মৈত্র, উত্তম মিস্ত্রি ওরফে উত্তম মৈত্র, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শর্মী হালদারের বিরুদ্ধে ‘অর্থ পাচার সংক্রান্ত আইন-২০০২’ (পিএমএলএ)-এ ৩ নম্বর ধারায় চার্জ গঠন করা হয়। সেই সঙ্গে এদিন থেকেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হলো। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সাক্ষী গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

এদিন ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত বাংলাদেশের পি কে হালদারসহ ছয় অভিযুক্তকে আদালতের স্পেশাল সিবিআই কোর্ট-৩ বিচারক শুভেন্দু সাহার এজলাসে তোলা হয়। এ সময় অভিযুক্তরা সকলেই নিজেদের নির্দোশ বলে দাবি করেন। এ অবস্থায় স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ার হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দেয় আদালত। এক্ষেত্রে অভিযুক্তরা যদি তাদের দোষ স্বীকার করতেন তবে সেক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর প্রয়োজন ছিল না।

তিনি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যেহেতু নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করেছেন, তাই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ওপর বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সাক্ষী গ্রহণের দিন ধার্য হয়েছে এবং বিচার প্রক্রিয়ার কাজ চলতে থাকবে এবং এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত পৃথ্বীশ হালদার (পি কে হালদারের ভাই) বর্তমানে কানাডায় আত্মগোপনে রয়েছেন। তিনি নিখোঁজ, তাই এই মামলায় এখনো পর্যন্ত তাকে সংযুক্ত করা যায়নি। যদিও ইডির পক্ষে তাকে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া এখনও চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের রাজারহাটের বৈদিক ভিলেজ, বোর্ড হাউস ১৫, গ্রিনটেক সিটি থেকে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করে ভারতের তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এছাড়াও রাজ্যটির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পি কে হালদারের আরও ৫ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর ওই বছরের ২১ মে ‘অর্থ পাচার সংক্রান্ত আইন-২০০২’ এ তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতের তরফে দুই দফায় মোট ১৩ দিন পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে কয়েক দফায় বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন অভিযুক্তরা।