খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।
সোনা হলো আজীবনের বিনিয়োগ। সম্প্রতি সোনার দাম ক্রমাগত বেড়েই চলছে। ফলে শুধু অলংকার হিসেবেই নয়, বিপদের সময়ও ত্রাতা হয়ে উঠতে পারে এটি।
সোনার দোকানে গেলে নানা ধরনের স্বর্ণালংকার দেখা যায়। সেখানে ১৪, ১৮, ২২ ও ২৪ ক্যারেটের স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। জেনে নিন এগুলোর মধ্যে পার্থক্য-
২৪ ক্যারেট
এটি ১০০ শতাংশ খাঁটি। এতে অন্য কোনো ধাতু মেশানো থাকে না। এটিই সবচেয়ে বিশুদ্ধ সোনা। স্বাভাবিকভাবেই এর দাম সবচেয়ে বেশি। এই ধরনের সোনা নমনীয়। তাই স্বর্ণালংকার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় না। মূলত, বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে এতে টাকা ঢালা হয়। তবে কখনো কখনো কয়েন, বার, ইলেকট্রনিক্স ও মেডিকেল ডিভাইস তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়।
২২ ক্যারেট
প্রধানত স্বর্ণালংকার তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। এই সোনা ৯১ দশমিক ৬৭ শতাংশ খাঁটি। এতে সামান্য পরিমাণে রূপা, দস্তা, নিকেল এবং অন্যান্য মিশ্র ধাতু মেশানো থাকে। যে কারণে বেশি শক্ত হয়। এই ধরনের সোনা দিয়ে তৈরি স্বর্ণালংকার অধিক টেকসই হয়।
১৮ ক্যারেট
এতে ৭৫ শতাংশ সোনা এবং ২৫ শতাংশ অন্যান্য ধাতু যেমন- তামা, রুপা মেশানো থাকে। পাথরখচিত ও হীরার অলংকার তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের অলংকার তুলনামূলক সস্তা হয়। এর রঙ হালকা হলুদ থাকে। এটি ২২ বা ২৪ ক্যারেটের চেয়ে শক্তিশালী। ওজন কম হওয়ায় প্রচলিত স্বর্ণালংকার এবং সাধারণ নকশা তৈরিতে যা ব্যবহৃত হয়।
১৪ ক্যারেট
এটি ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ খাঁটি। বাকিটা অন্যান্য ধাতুর মিশ্রণ। এ ধরনের সোনা সবচেয়ে কঠিন, টেকসই এবং দামেও সস্তা। এটি দিয়ে দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য স্বর্ণালংকার বানানো ভালো। তবে পরার জন্য ১৮ ও ২২ ক্যারেটের সোনা সবচেয়ে উপযুক্ত।










































