ঢাকা অফিস
রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে জনবহুল বাহন রিকশা। এবার পরিবেশবান্ধব বাহনটি ‘রিকশাচিত্রের’ জন্য জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
বুধবার (৬ নভেম্বর) ইউনেসকোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকারি কমিটির ১৮তম অধিবেশনে এ ঘোষণা দেয়া হয়। ফলে ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ বৈশ্বিক বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেল।
ইউনেসকোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে প্রথমবারের মতো ২০০৮ স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশের বাউলগান, এরপর জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) এই স্বীকৃতি পায়। সবশেষ পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।
গত সোমবার (৪ ডিসেম্বর) আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানার কাসান শহরে শুরু হয় ইউনেসকোর আন্তসরকারি কমিটির ওই অধিবেশন। প্রায় তিন ঘণ্টার অধিবেশনে উপস্থাপন করা হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিমূর্ত ঐতিহ্য। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের পর উপস্থাপন করা হয় তাদের নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য।
বাংলাদেশ সময় বেলা দেড়টায় শুরু হয় অধিবেশন। এতে বাংলাদেশের রিকশা ও রিকশা শিল্প নিয়ে তথ্যচিত্র উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, ঢাকা শহরের তিন চাকার এই বাহনে থাকে নানা রঙের বৈচিত্র্য। বাহন হিসেবে শহরের মানুষের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে রিকশা। একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়, রিকশাচিত্র শুধু একটি শিল্প নয়, এটি মানুষের সমকালীন জীবনের গল্প বলার চলমান ক্যানভাস। রিকশাচিত্রের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রকৃতি থেকে শুরু করে নানা বিষয়ের মধ্যে চলচ্চিত্রের অভিনেতাদের মুখচ্ছবিও উঠে আসে।









































