Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা-খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা-খবর

54
সকালের মিষ্টি রোদে বিদ্যালয়ের মাঠে ইচিংবিচিং খেলছে একদল শিক্ষার্থী-সংগৃহীত

 

 

সাতক্ষীরায় পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে দোকানঘর ভাঙচুর পূর্বক দখলের চেষ্টায় থানায় এজাহার

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা পাথরঘাটায় পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে দোকানঘর ভাঙচুর পূর্বক জবর দখলের চেষ্টায় সদর থানায় একটি  এজাহার দায়ের হয়েছে।এজাহার সুত্রে জানাযায়, রবিবার ৩ই ডিসেম্বর দুপুর ২টার সময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা পাথরঘাটা মৌজার ৩৫৭ খতিয়ানের ২৯৭৫ দাগের ৬ শতক জমি পৈত্রিক সূত্রে ৩৫ বছর ধরে দখল করে আসছে পাথরঘাটা গ্রামের মৃত আফিল উদ্দিন এর ছেলে গোলাম ওদুদ ওরফে খোকন। তিনি নিজ জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন যাবত ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এক পর্যায়ে ওদুদ এর দোকান ঘরটি উচ্ছেদ পূর্বক দখলের চেষ্টা চালায় একই এলাকার মৃত রওশন আলীর ছেলে রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে তার আপন ভাই আজহারুল ইসলাম খোকন, আসাদুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, শাহিনুর ইসলামসহ, ইসাক আলির ছেলে বাবু, খোদাবক্সের ছেলে শহীদ, আনসার আলীর ছেলে রাজুসহ অজ্ঞাত পরিচয়ধারি আরও ৭/৮ জন ওদুদের ভোগ দখলিও পৈত্রিক  সম্পত্তির ওপর স্থাপিত দোকানে হামলা করে ভাঙচুর করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলা কারীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনায়

ভুক্তভোগী গোলাম ওদুদ বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এ ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে, পাথরঘাটা গ্রামের মৃত রথীকান্ত ঘোষের ছেলে সন্তোষ কুমার ঘোষ বলেন, ‘৩০-৩৫ বছর ধরেই দেখছি ওয়াদুদ এই জায়গার গর্তে মাটি ভরাট দিয়ে গাছ গাছালি লাগিয়ে ভোগ দখল করে আসছে।’সাবেক ইউপি মেম্বার আব্দুল গণি বলেন, আমি দীর্ঘদিন এই এলাকার জনপ্রতিনিধি ছিলাম। তখন থেকেই ওদুদকে এই জায়গার পেছনে ভোগ দখল করতে দেখছি। তখন এটি একটি মজা গর্ত ছিল, এখন জায়গার মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় রবিউলরা নতুন করে এই জায়গাটি দাবি করছে। তারা কয়েকবার এই জায়গাটি দখল করার অপচেষ্টা করেছে। সর্বশেষ ওদুদের একটি দোকান ঘর ছিল সেটি উচ্ছেদ করে আবারও দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

 ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পাথরঘাটা গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য জাহিদ হোসেন বলেন, ‘জায়গাটা নিয়েই তো পূর্বেই ইউনিয়ন পরিষদে শালিশ ছিল। এরই মধ্যে ওদুদের দোকান ঘরটি উচ্ছেদ করে রবিউলরা।

ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অমরেন্দ্রনাথ ঘোষ, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন, হাজীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আলী বক্স মন্ডল উপরোক্ত ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয় সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মহিদুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে আলাপের চেষ্টাকালে তিনি আলাপ কলটি গ্রহণ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

মিথ্যা ছড়িয়ে জাতিকে বিভ্রান্তিতে ফেলে দেশকে পিছিয়ে নেওয়ার পায়তারা হচ্ছে: সিটি মেয়র

খবর বিজ্ঞপ্তি

মিথ্যা ছড়িয়ে জাতিকে বিভ্রান্তিতে ফেলে দেশকে পিছিয়ে নেওয়ার পায়তারা হচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে দাবিয়ে রাখতে দেশ, গনতন্ত্র ও মানবতা বিরোধী চক্ররা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এই ষড়যন্ত্রকে রাজনৈতিক আদর্শ ও মানবিক গুনাবলি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা দ্বারা প্রতিহত করতে হবে। আগামী ০৭ই জানুয়ারীর নির্বাচনে দেশের আপামর জনসাধারনের উপস্থিতিই হবে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। এই লক্ষ্যেই আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শহীদ শেখ ফজলুল হক মনিরা যে আদর্শকে বুকে ধাঁরন করে  দেশ বিরোধী চক্রকে প্রতিহত করেছে। আজ সেই আদর্শ ধারন করে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির ৮৫তম জন্মদিন সোমবার বিকালে দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গনে খুলনা মহানগর যুবলীগ আয়োজিত  তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক। খুলনা মহানগর যুবলীগের সভাপতি সফিকুর রহমান পলাশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনের পরিচালনায় এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, নগর আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাাম আজাদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের শেখ, এ্যাডঃ আল আমীন উকিল, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কবীর পাঠান, কাজী ইব্রাহিম মার্শাল, মহিদুল ইসলাম মিলন, ইয়াসিন আরাফাত, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন মিলন, সাবেক ছাত্রনেতা মাসুদ পারভেজ, বাচ্চু মোড়ল, বিপুল মজুমদার, রিপন কবীর, সবুজ হাজরা, চিশতী মারুফ হোসেন সবুজ, রফিকুল ইসলাম রফিক, অভিজিৎ পাল, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম লিটন, শওকাত হাসান, জাকির সরদার, হাসানা শেখ, কাঞ্চন শিকদার, ইমরুল ইসলাম রিপন, বাদল সিপাহী, ইব্রাহিম হোসেন তপু, আব্দুর রহিম শেখ, লাবু আহমেদ, জামিল আহমেদ সোহাগ, আশরাফুল ইসলাম মুন, শাওন বাবু, ফাতাউল ইসলাম ফাইট, এনায়ে হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান বাবু, জব্বার আলী হীরা, জহির আব্বাস, ইমতিয়াজ রিপন, রাকিব মোড়ল, রফিকুল ইসলাম রফিক, জনি বসু, যুবলীগ নেতা নুপুর দাস, বিপ্লব ধর তত্ত্বী, রবি মোড়ল, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সাগর মজুমদার প্রমুখ।

সমাবেশের পূর্বে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

 

মোংলায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ঈমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

মোংলায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ঈমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশন’র মোংলা শাখার আয়োজনে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপংকর দাশ। আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলা শাখার ফিল্ড সুপারভাইজার আবু হুরায়রা, উপজেলা ঈমাম পরিষদের সহ-সভাপতি ও উপজেলা জামে মসজিদের ঈমাম এবং খতিব মাওলানা মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুসলিম পাড়া জামে মসজিদের ঈমাম এবং খতিব মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও ইসলামী ফাউন্ডেশনের মডেল কেয়ার্টিকার হাফেজ মাওলানা মহিববুল্লাহ। সম্মেলন শেষে দোয়া ও মোনাজাত করেন ইসলামী ফাউন্ডেশনের শিক্ষক সমিতি শিশু ও গণ শিক্ষা সভাপতি হাফেজ আব্দুর শুকুর আলী।

ইসলামী ফাউন্ডেশন’র মোংলা শাখা ফিল্ড সুপারভাইজার আবু হুরায়রা বলেন, এ উপজেলার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ঈমামেরা এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ ছাড়াও মোট ৮০জন ঈমাম অংশ নেন। এ সম্মেলন থেকে বাছাই করে ২০জন ঈমামকে বাগেরহাট জেলায় পাঠানো হবে। এরপর সেখান থেকে খুলনা বিভাগে, আর বিভাগ থেকে গিয়ে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল ঈমাম সম্মেলন। মোংলায় ২৮০জন ঈমামের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে দেড়শ জন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়েছেন। বাকীরাও প্রশিক্ষণের তালিকায় রয়েছেন বলেও জানান তিনি। 

 

পাইকগাছায় মৌখালী ইউনাইটেড একাডেমির অভিভাবক পদের নির্বাচন সম্পন্ন

পাইকগাছা প্রতিনিধি।।

পাইকগাছায় উৎসব মুখর পরিবেশে চাঁদখালীর কে,জি,এইচ,এফ মৌখালী ইউনাইটেড একাডেমি’র ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০ থেকে বিকেলে ৪ পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৫০ জন মোট ভোটারের মধ্যে ২৪৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জানাগেছে ৩ টি প্যানেলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতাপুর্ন ভোটা গ্রহন সম্পন্ন হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ফিরোজা খাতুন তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় শিরিনা আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে অভিভাবক সদস্যপদে নির্বাচিতরা হলো-হাফেজ মাওঃ আওছাফুর রহমান মোল্লা,মোঃ অহেদুজ্জামান গাজী,মোঃ,হাবিবুর রহমান সানা ও উদয় কুমার বিশ্বাস প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহাজাহান আলী শেখ। ভোট গননা পরবর্তীতে  থানা পুলিশসহ উপস্থিত ছিলেন চাঁদখালী ইউপি ‘চেয়ারম্যান শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস, সাবেক অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, বিদ্যালয়ের ভারঃ প্রধান শিক্ষক শ্যামল কুমার মন্ডলসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।

 

ডুমুরিয়ায় দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে অব্যহতি

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়ায় উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মোল্লা কে সংগঠনের শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে এক সাধারণ সভায় সকল সদস্যদের সর্ব সম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সমিতির সভাপতি ফাররুখ হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাসের পর মাস সমিতির লাইব্রেরী ফিস বকেয়া সহ সংগঠনের শৃংখলা ভঙ্গ করে আসছে। বিষয়টি সাধারণ সভায় উত্থাপনের পর তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে নিজেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং সেটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এছাড়া ওই পদে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সহ-সম্পাদক কামাল হোসেন গোলদার কে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

 

 

 

নলতায় সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশ ছাড়ার হুমকি দিলেন ভূমিদস্যু নজরুল

নিজস্ব প্রতিনিধি

 সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার বিলকাজলা গ্রামের মৃত বদিউল্যা গাজীর পুত্র ভূমিদস্যু ও বিএনপি নেতা নজরুল একটি ঘৃণার মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে এলাকায়। তার অত্যাচারে এখন অতিষ্ট এলাকাবাসী। এলাকায় কারোর জমির দলিলে ক্ষুদ পরিমাণ সমস্যার খবর পেলে ভূয়া দলিলপত্র বানিয়ে তারালী কাজী আলাউদ্দীন ডিগ্রী কলেজের ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএম) শাখার প্রভাষক ও বিএনপি নজরুল ইসলাম স্থানীয় আওয়ামীলীগ নামধারী কিছু ব্যক্তিদের ভাড়ায় চুক্তি নিয়ে লুটপাট ও দখল করে নিচ্ছে সেসব সম্পত্তি। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কথা বলাই যেন কাল হয়ে দাড়ালো একটি সংখ্যালঘু পরিবারের। মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশ ছাড়ার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ওই সংখ্যালঘু পরিবার।

 

ঘটনাটি ঘটেছে গত ১ ডিসেম্বর রাতে বিলকাজলা গ্রামের চিত্তরঞ্জন সরকারের ছেলে রবিন্দ্রনাথ সরকারের পাকা বসতভিটা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (চিংড়ী পোনা নার্সিংপয়েন্ট) ভাংচুর করে যবর দখল করে নিয়েছে ভূমিদস্যু নজরুল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এসময় রবিন্দ্রনাথ সরকার সন্ত্রাসীদের বাঁধা দিতে গেলে তারা রবিন্দ্রনাথের পরিবারের উপর আক্রমন করতে উদ্ধত হয় এবং জমি যায়গা ছেড়ে খুব দ্রুত পরিবার নিয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যেতে হুমকি প্রদান করে। দেশ না ছাড়লে মিথ্যা মামলা ও হামলা করিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করবেন বলে সে সহ তার ভাড়াটিয়া গুন্ডারা হুমকি দেন। এছাড়া ভাঙচুর করার সময় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে থাকা নগদ অর্থ নিয়ে যায় এই সন্ত্রাসী বাহিনী।

 

রবিন্দ্রনাথ সরকার এই প্রতিবেদককে জানান, আমি সংখ্যালঘু হওয়াই আমার বসত ভিটা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জোরপূর্বক দখল করে আমাকে বিতাড়িত করে পথে বসিয়েছে। আমি এখন মানবেতর জীবন-যাপন করছি। আমি একজন নিপিড়িত সংখ্যালঘু পরিবারের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার কামনা করছি।

 

বিলকাজলা গ্রামের আব্দুল হালিম অভিযোগ করে বলেন, ভূমিদস্যু নজরুল জাল দলিল বানিয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাদের জমিতেও দখলের চেষ্টা করেছিলো কিন্তু আমাদের সাথে টিকে থাকতে পারেনি।

 

একই গ্রামের মোসলেম উদ্দিন বলেন, নজরুল তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এলাকার বিভিন্ন মানুষের জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। তার সাথে স্থানীয় আওয়ামীলীগের নামধারী কিছু লোকদের টাকার বিনিময়ে সাথে রাখছে। নজরুল এই এলাকা থেকে লোকজন ভাড়া করে ঢাকায় বিএনপির মিছিলে লোকজন পাঠায়। তার বিরুদ্ধে নাশকতার নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগও তিনি করেন।

 

এব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

 

কেশবপুরে সরিষার ভালো ফলনের সম্ভাবনায় কৃষকের মুখে হাসি

আলমগীর হোসেন কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় হেমন্তের সকালে হালকা কুঁয়াশার চাঁদরে মোড়ানো  সোনালী রোদের উষ্ণতায় মৌমাছিরা মধু আহরণে গুঞ্জন তুলেছে সরিষা খেতে। বিস্তৃত ফসলে মাঠ জুড়ে হলুদের সমারোহ।নৈস্বর্গিক রূপের আবহাওয়ায় দিগন্ত ছুঁয়েছে, সরিষা ফুলের গন্ধে বিভোর সারা মাঠ। কেশবপুরের ১১ টি ইউনিয়নের বিস্তৃত মাঠ জুড়ে বারি সরিষা চাষের উৎসবে মেতেছেন কৃষকরা। সরিষার ভালো ফলনের সম্ভাবনায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে,সরকারিভাবে এ বছর ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে  বীজ ও স্যার বিতরণ করা হয়েছে। গত বছর এ উপজেলায় ১ হাজার ৫৭০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। চলতি বছর সরিষার আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে। সেই হিসেবে এ বছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৫৭ হেক্টর জমি । গত বছরের চেয়ে এ বছর বেড়ে ৫০৫  হেক্টর বেশি জমিতে সরিষা আবার করেছেন কৃষকরা। কৃষকের মাঠে আগাম জাতের বারি সরিষা চাষে ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কেশবপুরের কৃষকরা বোরো  আবাদের আগে একই জমিতে বারি-১৪,বারি-৯, বারি-১৮,বারি-১৭ ও টরি-৭ জাতের সরিষা চাষ করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে, আর সরিষার বাম্পার ফলন ঘরে তোলার সঙ্গে সঙ্গে কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত কৃষক লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত করতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি অধিক  ফলনশীল বারি-১৪,ও বারি -৯ জাতের এি সরিষা চাষ করে কৃষকেরা বোরো আবাদের খরচ উঠিয়ে নেয়। এ  বছর নতুন করে  টরি-৭ বারি- ৯,বারি বীনা- ৯, বারি-১৭ ও বারি -১৮ জাতের উচ্চ ফলনশীল সরিষা চাষ শুরুকরেছে।এ সব জাতের সরিষা ৭০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে কৃষকরা ঘরে তুলতে পারে। যার ফলে কৃষকরা সরিষা চাষের পর বোরো আবাদ করতে পারেন, যে কারণে উপজেলা ব্যাপী কৃষকরা সরিষা চাষে ঝুঁকছেন। উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের কৃষক হুমায়ুন কবির সাবু,আবুল কালমা আজাদ,আবুল কাসেম সরদার, মাহফুজুর রহমান আব্দুল মালেক সরদার, গোপসেনা গ্রামের কৃষক আজিবার রহমান সানা,জালাল সানা,ফতেপুর গ্রামের কৃষক আবুল সানা, ওজিযার সরদার, আব্দুল কাদের,আবুবকর সানা, বাগদাহ গ্রামের কৃষক আব্দুল জলিল,হাবিবুর রহমান,প্রতাপপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল কুদ্দুস, কাকিলাখালী গ্রামের কৃষক আফজাল হোসেন, দেউলি গ্রামের কৃষক আজিজুর রহমান, রেজাউল ইসলাম,মজিতপুর গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন প্রতিবছর সরিষা চাষ করা হয় । ইরি বোরো মৌসুমের আগেই সরিষা তুলে সেই জমিতে বোরো ধানের আবাদ করে থাকেন কৃষকরা। তবে চলতি বছরে সরিষার চাষে বাম্পার ফলন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। সাতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আলাউদ্দি, ময়েজ উদ্দিন , রামচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল সরদার, আজিজুর রহমান, ব্রহ্মকাটি গ্রামের কৃষক তরিকুল ইসলাম খাঁ,তপন বসু বলেন গত বছরের তুলনাই এ বছরে বৃষ্টির পানি কম থাকলেও সরিষা ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।বিঘা প্রতি জমিতে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ৬ থেকে ৭ মন সরিষা পাবো বলে তারা ধারণা করেছেন । বাজারের সরিষার দামও ভালো পাওয়া যাবে কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ অর্জিত হয়েছে । অধীর দাম ও বাম্পার ফলন হয় কৃষকরা সরিষা আবাদে ঝুঁকেছেন, এ বছর ৪ হাজার কৃষকের মাঝে সরকারিভাবে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ফুলের মুখে যদি ভারী বৃষ্টিপাত হয় সে ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষকরা। আমরা প্রতিনিয়ত এলাকায় গিয়ে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে চলেছি।

 

যশোর – ৬ কেশবপুর আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়ন বৈধ বাতিল ২ জন

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে  ৯০, যশোর-৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহনের লক্ষে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন রবিবার (৩ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সিনিয়র জেলা নিবর্রাচন  অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে’র তথ্য সুত্রে জানা যায় ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ২ জন প্রার্থীর  মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

 

বৈধ হিসেবে বিবেচিত প্রার্থীরা হলেন,  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন চাকলাদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা  আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এইচ এম আমির হোসেন, জাতীয় পর্টি মনোনীত প্রার্থী জি এম হাসান, জাকের পার্টি মনোনীত প্রার্থী সাইদুজ্জামান।

 

যে দুই জনের প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল ইসলাম ওরফে খন্দকার আব্দুল আজিজ ও উপজেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম। প্রার্থীতা বাতিলের কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে স্বতন্ত্র ১% তালিকায় সমস্যা হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম ও আয়কর ফরম বি ১০ জমা দেননি আজিজুল ইসলাম তবে তিনি আপিল করবেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

 

দাকোপ উপজেলা নারী সামাজিক এ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন- ২০২৩ অনুষ্ঠিত

বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি

খুলনার দাকোপ উপজেলা নারী সামাজিক এ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন- ২০২৩ অনুষ্ঠিত।  ০৪ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে দাকোপ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৮ শত জন। এই ১ হাজার ৮ শত জন ভোটার তাদের নিজ নিজ এলাকায় বসে ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচন করবে।  দাকোপ উপজেলায় মোট ৪ টি ইউনিয়নে ১৭ টা কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইউনিয়ন গুলো হচ্ছে  দাকোপ, কৈলাশগঞ্জ, কামারখোলা ও সুতারখালি ইউনিয়ন এই ৪ টি ইউনিয়নের ১৭ কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৮ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দের প্রার্থী বেঁচে নিবে যারা আগামী ১ বছর তাদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। জানা যায় নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী পদে নির্বাচন করছে ৩ জন তারা হলেন শামসুন্নাহার বেগম, ববিতা রায় ও মোসাঃ রওশনআরা বেগম।  সহ-সভাপতি পদে ৪ জন এদের মধ্যে ২ জন নির্বাচিত হবেন তারা হলেন  হিমাদ্রী মৃধা, শিবানী মন্ডল, নাসরিন আক্তার ও রত্না মৃধা। সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন তার হলেন রত্না সানা ও রেখা রায়।সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ২ জন শাহানাজ বেখম ও রেখা রায়। যুগ্ম সম্পাদক পদে ২ জন অর্পনা রায় ও অম্বিকা বিশ্বাস। দপ্তর সম্পাদক পদে ৩ জন দীপিকা মন্ডল, কাকন বালা মন্ডল ও ঝর্ণা বেগম। কোষাধ্যক্ষ পদে ৩ জন অনুরাধা চক্রবর্তী, ইতিকা মন্ডল ও নাসরিন আক্তার সাথী। সদস্য পদে প্রার্থী ৪ জন অসীমা মন্ডল, লতিকা মোড়ল, খাদিজা আক্তার ও আলেয়া খাতুন। উপজেলার সকল ইউনিয়নে ভোট গ্রহন শেষ হওয়ার সাথে সাথে ভোটের বাক্স নিয়ে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্য্যলয়ে নিয়ে আসা হয় সেখানে ভোট গণনা করে ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানা যায়। কথা হয় ভোট চলাকালীন সময়ে উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের বোর্টবাড়ি দিশারী অফিসের সেন্টারে দায়িত্বে থাকা প্রিজাইটিং অফিসার দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের দায়িত্বরত কৃষি কর্মকর্তা মেশকাতুল মেজবাহ ও সহযোগী সমাপ্তিকা বর্মণ নির্বাচনী এ্যাটাপ্টার কমিটির আহবায়ক এবং মালতী গাইন নারী সামাজিক এ্যাসোসিয়েশন ইউনিয়ন গ্রুপের সভানেত্রীর  সাথে তারা বলেন সকাল থেকেই খুব সুন্দর পরিবেশে এখানে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সেন্টারে মোট ভোটার ১২০ জন এদের মধ্যে ১১৭ জন ভোট দিয়েছে বাকি ৩ জন অনুপস্থিত তাই তারা ভোট প্রয়োগ করতে পারিনি। আমরা ভোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে নিয়ে যাচ্ছি ঐখানে সকল সেন্টারের ভোট আসবে এবং এক সাাথে গুণনা করে ঘোষণা দেওয়া হবে।

 

চুয়াডাঙ্গার দুটি’ আসনে ২০জন প্রার্থীর মধ্যে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থীসহ ৭ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল,

মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)

চুয়াডাঙ্গার দু’টি সংসদীয় আসন ৭৯ চুয়াডাঙ্গা ১ ও আসন ৮০ চুয়াডাঙ্গা ২ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই সম্পন্ন হয়েছে । ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জনের বৈধ ও ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে।

সোমবার  সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. কিসিঞ্জার চাকমার সভাকক্ষে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে সকলের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শুরু করা হয়। দু’টি আসনে জমাকৃত ২০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭ জনের মনোনয়নপত্র বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিলকৃত হলো  চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের ৩ জন। তারা হলেন তৃণমুল বিএনপির তাইজাল ইসালম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আফরোজা পারভীন ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ শাসমসুল আবেদীন খোকন। অন্যদিকে  চুয়াডাঙ্গা ২ আসনে বাতিলকৃত ৪ জন হলেন আওয়ামীলীগ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ (লন্টু), আওয়ামীলীগ নেতা স্বতন্ত্র  প্রার্থী মোঃ নুর হাকিম, মোঃ নজরুল মল্লিক ও আব্দুল মালেক মোল্লা।চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. কিসিঞ্জার চাকমা মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে সাংবাদিকদের বলেন,সংশ্লিষ্ট  ত্রুটির কারণে জমাকৃত ৭ জনের মনোনয়নেপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে বাতিলকৃত মনোনয়নপত্র দাখিল কারিরা আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার বরাবর আপিল শুনানীর জন্য আবেদন করার  সুযোগ পাবেন।

 

অভায়নগরে নৌকার প্রার্থী এনামুল হক বাবুলকে পৌর যুবলীগের ফুলের শুভেচ্ছা

তামিম আহমেদ মনির।।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮৮ যশোর-৪ আসনে (অভয়নগর-বাঘারপাড়া-বসুন্দিয়া) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক বাবুলকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে। নওয়াপাড়া পৌর যুবলীগের উদ্যোগে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নৌকার প্রার্থীর উপজেলার নিজ বাসায় এই ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর যুবলীগের আহবায়ক হাসান গাজী, যুগ্ম আহবায়ক বিল্লাল আহমেদ বাবু, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাড. রওশন কবীর টুটুল, পৌর যুবলীগের আহবায়ক সদস্য সোহেল আহমেদ, শেখ মশিয়ার রহমান, পৌর যুবলীগ নেতা মারুফ শেখ, সোহেল তালুকদার, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ ফকির, ইমান হাওলাদার আলিফ, ইমন আহমেদ, রনি হোসেন, ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আহাদুল শেখ, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী বিশ^াস, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওহিদুল খাঁ, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল সরদার, ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মতিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শহিদুজ্জামান সেলিম, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শামিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হৃদয়, ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি সোহাগ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাইজিদ বিশ^াস, ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ প্রিন্স, ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রনি হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ফিরোজ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক ইউনুস শেখসহ শতাধিক যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী, সমর্থক ও এলাকার সাধারণ মানুষ।

 

 

 

 

 

 

খুলনার ৬ আসনে ২৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

স্টাফ রিপোর্টার

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনার আরও ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনার তিনটি আসনের ২০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন। এই তিনটি আসনে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং একজনের অপেক্ষমান রয়েছে।

এর আগে, রোববার খুলনা-৪, ৫ ও ৬ এই তিনটি আসনের ১৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। ফলে দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে খুলনার ছয়টি আসনে ২৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

 

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে খুলনা-১ আসনের তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় জাকের পার্টির মো. আজিজুর রহমান, সমর্থনকারীদের জাল স্বাক্ষর ও নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর না করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রশান্ত কুমার রায় এবং নিজ আসনের মোট ভোটারের এক শতাংশ তালিকা পূর্ণাঙ্গ না দেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ আবেদ আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

 

 

খুলনা-২ আসনে ইসলামী ঐক্য জোটের প্রার্থী হিদায়েতুল্লাহর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। গণতন্ত্রী পার্টির মো. মতিয়ার রহমানের মনোনয়নপত্রটি অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।

 

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে খুলনা-৩ আসনের দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে সমর্থনকারীদের জাল স্বাক্ষর থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাইজার আহমেদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাতেমা জামান সাথীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

 

 

খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন জানান, খুলনার ছয়টি আসনের মধ্যে সোমবার তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। তিনটি আসনে ২০ প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একজনের মনোনয়নপত্র অপেক্ষমান রয়েছে। ১৩ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, খুলনার ছয়টি আসনে জমা দেওয়া ৫৩ জনের মনোনয়নপত্র দুই দিন যাচাই-বাছাই শেষে ২৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অপেক্ষমান একজন এবং ২৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৫ থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

 

 

 

 

 

 

সিটি নির্বাচনের আলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে সংসদ নির্বাচনে বিজয় অর্জন করতে হবে: সিটি মেয়র

খবর বিজ্ঞপ্তি

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশেষ বর্ধিত সভা করেছে খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ। গতকাল সোমবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. আইউব আলী শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, নির্বাহী সদস্য মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. ফারুক হোসেন, মো. ফায়েজুল ইসলাম টিটো।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র বলেন, সিটি নির্বাচনের আলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে সংসদ নির্বাচনে বিজয় অর্জন করতে হবে। নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠু করতে আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে তাই আমাদের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের সেন্টার কমিটির সদস্য ও ক্যাম্পেইনারদের নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের সেন্টার কমিটির সদস্য, নেতাকর্মী ও ক্যাম্পেইনারদের সাধারণ ভোটারদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোট চাইতে হবে। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও

প্রত্যেক বাড়ীতে গিয়ে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে শেখ হাসিনাকে ৫ম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. রজব আলী সরদার, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম চাঁন ফারাজী, শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, অধ্যা. রুনু ইকবাল বিথার, আলী আজগর মিন্টু, বাবুল সরদার বাদল, ফেরদৌস হোসেন লাবু, আব্দুল হাই পলাশ, মঈনুল ইসলাম নাসির, চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান সজল, জামিরুল হুদা জহর,

নজরুল ইসলাম তালুকদার, মুন্সি সেলিম হোসেন, শেখ এশারুল হক, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, ওয়াহিদুল ইসলাম পলাশ, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, সফিকুর রহমান পলাশ, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, পারভীন ইলিয়াছ, নূরীনা রহমান বিউটি, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর কনিকা সাহা, কাউন্সিলর জিয়াউল আহসান টিটো, কাউন্সিলর আরিফুর রহমান মিঠু, কাউন্সিলর এ্যাড. জেসমনি পারভিন জলি, এ্যাড. এনামুল হক, এ্যাড. কে এম ইকবাল হোসেন, এ্যাড. এম এম সাজ্জাদ আলী, আওয়াল হোসেন ছোটন, শরিফুল ইসলাম মুন্না, ফারুক হোসনে তুরান, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আব্দুর রহীম খান, সুপ্তি হাসান, রোকেয়া রহমান, রেখা খানম, মাকসুদা পারভীন পাখিসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

 

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকীতে আ’লীগের স্মরণ সভা আজ

খবর বিজ্ঞপ্তি

প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী কাল মঙ্গলবার। তিনি ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুতে একটি হোটেল কক্ষে নিঃসঙ্গ অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকার সুপ্রিমকোর্টের পাশে তিন নেতার মাজারে সমাধি রয়েছে তার। হোসেন শহীদ সোহারাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ। উক্ত অনুষ্ঠানে মহানগর আওয়ামী লীগ, থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠন ও নির্বাচিত দলীয় কাউন্সিলরসহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এবং সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা।

 

ফজলুল হক মনির ৮৫তম জন্মদিনে জেলা যুবলীগের উদ্যোগে দোয়া

খবর বিজ্ঞপ্তিঃ

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির ৮৫তম জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল খুলনা জেলা যুবলীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ের পাশে শঙ্খ মার্কেট মসজিদে বাদ মাগরিব দোয়ার আয়োজন করা হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মাহাবুবুল আলম সোহাগ, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মফিজুল ইসলাম টুটুল, মহানগর যুবলীগের সভাপতি সফিকুর রহমান পলাশ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাহাফুজুর রহমান সোহাগ, মোল্যা কামরুল ইসলাম, হারুন মোল্যা, কবির আহমেদ মনা, সাইদুর রহমান ছগির, শেখ ফরিদ, সরদার জসিম উদ্দিন, এ্যাড. আলমগীর, শফিকুর রহমান ইমন, শেখ সাগর, মোর্শেদ রিয়াদ, ওয়েজকুরুনি বাবু, মাহামুদুল হাসান গালিব, জামাল ফকির, মোঃ রিয়াদ, রাকিব হাসান, অনুপম মল্লিক, রাকিবুল বাবু, ফরিদ আহমেদ, সজিবুল হক, মহিউদ্দিন মানিক, মাছুম প্রমুখ।

 

ফকিরহাটে সহিংসতা প্রতিরোধে বিতর্ক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

‘নারীর জন্য বিনিয়োগ, সহিংসতা প্রতিরোধ’ এই প্রতিবাদ্য বিষয়কে সামনে তুলে ধরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে বাগেরহাটের ফকিরহাটে বিতর্ক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিতর্ক প্রতিযোগীতা বিষয় ছিল নারীদের উচ্চ শিক্ষাই বিবাহ বিচ্ছেদের প্রধান কারন নয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করেন। রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) এর আয়োজনে ও ইউএনএফপিএ বাংলাদেশে এর সহযোগিতায সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় আট্টাকা কেরামত আলী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্র্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আট্টাকা কেরামত আলী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দা আনোয়ারা বেগম। এসময় অন্যদের মধ্যে আারো উপস্থিত ছিলেন আরআরএফ এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নার্গিস আনিছা সুলতানা, মনিটরিং ডকুমেন্টেশন অফিসার বৈশাখী আফরিন সহ বিভিন্ন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন শিক্ষক শেখ সুমন হোসেন, শ্যামল চন্দ্র মন্ডল ও শিউলি আক্তার। #

 

ফকিরহাটের মূলঘর ইউনিয়নে দুটি ওয়ার্ডে উন্মুক্ত ওয়ার্ড সভা

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে জনঅংশীদারিত্বে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের ১ ও ২নং ওয়ার্ডে উন্মুক্ত ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্র ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন মূলঘর ইউপি চেয়ারম্যান  এ্যাডঃ হিটলার গোলদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ শেখ ছরোয়ার হোসেন, মূলঘর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মো. আবু বকর, সাধারন সম্পাদক সুনির্মল পাড়ই ভক্ত। উপদেষ্টা ছিলেন মহিলা ইউপি সদস্য কাজল বেগম। এতে সভাপতিত্ব করেন ১নং ইউপি সদস্য ফকির মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ২নং ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম।  এসময় ইউপি সচিব মো. সোহেল রানা, উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক ফকির দাউদ হায়দার বাবু, জাতীয় মৎস্যজীবি লীগ নেতা সহাদেব কুমারসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, উপকারভোগী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ওয়ার্ডবাসী বিভিন্ন প্রকল্প প্রস্তাব করেন এবং তাদের বিগত দিনের প্রকল্প বিষয়ে জানতে চান। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন। #

 

 

 

বটিয়াঘাটায় লোকজ’র কৃষক মাঠ দিবস পালন

১০৮ জাতের স্থানীয় আমন ধানের প্রায়োগিক গবেষণাধীন প্লট পরিদর্শন ২১টি এলাকা উপযোগী আমন ধানের জাত নির্বাচন

কাজী আতিক, বটিয়াঘাটা

এলাকা উপযোগী আমন ধানের জাত নির্বাচনের লক্ষ্যে বটিয়াঘাটায় অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী কৃষক মাঠ দিবস। মিজরিও-জার্মানীর সহায়তায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লোকজ এবং গঙ্গারামপুর কৃষক সংগঠনের আয়োজনে ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০৮ জাতের ধান গবেষণা প্লটে ধানের র‌্যাংকিং শেষে গঙ্গারামপুর স্টার ইউনিট ক্লাব মাঠে কৃষক মাঠ দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। লোকজ মৈত্রী কৃষক ফেডারেশনের সভাপতি রবীন্দ্র নাথ মণ্ডলের সভাপতিত্বে এবং লোকজ-এর  নির্বাহী পরিচালক দেবপ্রসাদ সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বটিয়াঘাটা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন, বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার মো: আবু বকর সিদ্দীক, সাংবাদিক শেখ আব্দুল হামিদ এবং সাংবাদিক রিংটন মণ্ডল বক্তব্য রাখেন।

মাঠ দিবসের আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কৃষক প্রতিনিধি দিপ্তী মণ্ডল, মো: ফজলুর রহমান লাভলু, আশালতা ঢালী, আরুণি সরকার, হিরণ¥য় মণ্ডল, সন্দীপ দাশ, আশিষ মণ্ডল, মৃন্ময় রায়, বন্দনা রায়, দিপক মণ্ডল, অপূর্ব মণ্ডল অপু, চন্দনা সরকার ও লোকজ-এর সমন্বয়কারী প্রমুখঃ। মাঠ দিবসের কর্মসূচিতে বটিয়াঘাটা সদর, গঙ্গারামপুর, সুরখালী ও ভান্ডারকোট ইউনিয়নের ৩০টি কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারীরা আমন ধানের জাত নির্বাচন, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে ১০৮ প্রজাতির স্থানীয় প্রজাতির ধানের পিভিএস প্লট পরিদর্শন করে র‌্যাংকিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন এলাকা উপযোগী ২১টি ধানের জাত নির্বাচন করেন। প্লটের ১০৮ জাতের আমন ধানের মধ্যে নির্বাচিত জাতগুলোর হলো: চরবলেশ্বর, স্বর্ণা, কালোজিরা, খেজুরছড়ি, বাঁশফুল বালাম, লিলি, হরিধান, রুপেশ্বর, আঁশফল, জেসমিন, বৌসোহাগী, ডাকশাইল, পঙ্খীরাজ, সাদা চিনিকানাই, হোগলা, সাগরফনা, রানী স্যালোট। এছাড়া নতুন উদ্ভাবিত জাতগুলোর মধ্যে লোকজ ধান, আলোধান, আরুণি ধান, গঙ্গাধান কৃষকরা বেশি পচ্ছন্দ করেছেন।

স্থানীয় ধানগুলোকে আমাদের বীজ নিরাপত্তার জন্য রাখতে হবে। স্থানীয় ধানবীজ বিতরণের মাধ্যমে সংরক্ষিত ১০৮ প্রজাতির ধান সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখায় স্থানীয় কৃষক ও অতিথিরা লোকজ’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার সহ চার জেলেকে অপহরণ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ চার জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। তিন দিনেও অপহৃত  জেলেদের সন্ধান মেলেনি।  শনিবার  দিবাগত রাতে সুন্দরবনের মান্দারবাড়িয়ার কাছে সাগরে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে।

সোমবার দুপুরে দুবলার আলোরকোল থেকে জেলে মহাজন মোদাচ্ছের সরদার জানান,  শনিবার (২ ডিসেম্বর) রাতে তার জেলেরা মান্দারবাডিয়ার কাছে সাগরে মাছ ধরছিল এ সময় অজ্ঞাত পরিচয় জলদস্যুরা একটি ট্রলারে করে এসে তার দুই জেলেকে তাদের ট্রলারে উঠিয়ে নিয়ে যায়। অপহৃত জেলেরা হচ্ছে বাগেরহাটের রামপালের রনজয়পুর গ্রামের আব্দুল হালিমের পুত্র রবিউল,  আকবর এর পুত্র সোহেল। একই সময় একই এলাকায়  জলদস্যুরা একটি ট্রলারসহ ট্রলার মালিক অহিদ শেখ ও তার আরেকজন জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এদের বাড়িও রামপালের রনজয়পুর গ্রামে।  অপহৃত জেলেদের মুক্তির ব্যাপারে পরে দস্যুরা যোগাযোগ করবে বলে জানিয়ে যায়।

দুবলার আলোরকোলের রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসীন ফরাজী বলেন, সাগরে  চারজন জেলে অপহরণের তিনদিনেও তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। নতুন করে জেলে অপহরণের ঘটনায় দুবলারচরে জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বলে মোতাসিন ফরাজী জানিয়েছেন । ##

 

 

 

 

খুলনা-৬ : আচরণবিধি ভঙ্গ করায় বিএনএম প্রার্থী ব্যারিস্টার নেওয়াজ মোরশেদকে শোকজ নোটিশ

কয়রা প্রতিনিধি

আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মিছিল ও মহড়া দেওয়ায় খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের (বিএনএম) মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নেওয়াজ মোরশেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। গত রোববার (৩ ডিসেম্বর) এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও কয়রা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম এই নোটিশ দেন। নোটিশে নেওয়াজ মোরশেদকে মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত শনিবার (২ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শতাধিক মোটরসাইকেল ও সহস্রাধিক লোকজন নিয়ে কয়রা বাজারে মিছিলসহকারে শোডাউন (মহড়া) করেছেন তিনি। এতে জনগণের চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে, যা বিভিন্ন মাধ্যমে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির নজরে আসে। প্রার্থীর এমন কর্মকাণ্ড জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০০৮ বিধি ৮ (ক) ও ১২ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ছাড়া আচরণ বিধি ভেঙে মতবিনিময় সভায় ভোট চাওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বিএনএমের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নেওয়াজ মোরশেদের প্রতিনিধি কয়রা উপজেলা বিএমএমের সভাপতি সিরাজুদ্দৌলা লিংকন জানান, নেওয়াজ মোরশেদের কয়রায় আসার খবরে তার সমর্থকেরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। কাউকে আহ্বান করা হয়নি। তবে যেটা হয়েছে, তার জন্য তারা দুঃখিত। আগামী যে অবশিষ্ট দিনগুলো আছে, তারা আচরণবিধি ভঙ্গ করবেন না বলেও জানান তিনি।

 

সাতক্ষীরায় ৩৭ জনের মধ্যে ৩৬টি মনোনয়নপত্র বৈধ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

যাচাইবাছাইয়ের শেষ দিনে সাতক্ষীরা ৩ ও ৪ সংসদীয় আসনে দাখিল হওয়া ১৪টি মনোনয়নপত্রের সবগুলোই বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার।

 

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে সাতক্ষীরার রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির মনোনয়পত্র যাচাইবাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন।

এর আগে রোববার (৩ ডিসেম্বর) সাতক্ষীরা ১ ও ২ আসনের ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে সাতক্ষীরার ৪টি আসনের মোট ৩৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হলো।

 

 

এম মধ্যে সাতক্ষীরা-১ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে ১২ জন প্রার্থী। প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত ফিরোজ আহমেদ স্বপন, বর্তমান সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনীত প্রার্থী মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এস এম মুজিবুর রহমান, জাতীয় পার্টি থেকে সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ দিদার বখত, তৃণমূল বিএনপির তুমি ইসলাম, মুক্তি জোটের মোহাম্মদ আলমগীর, জাসদের জেলা সভাপতি শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলু, সতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনোনয়নপত্র বৈধ বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে।

 

এদিকে, সাতক্ষীরা সদর-২ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে ১০ জন প্রার্থীর। প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত আসাদুজ্জামান বাবু, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর ভাই এনছান বাহার বুলবুল, জাতীয় পার্টির মনোনীত জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আনোয়ার হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসার আলী, জাকের পার্টির শেখ ইফতেখার আল মামুন সুমন, ওয়ার্কার্স পার্টির মো. তৌহিদুর রহমান, বিএনএম-এর কামরুজ্জামান বুলু, তৃণমূল বিএনপির মোস্তফা ফারহান মেহেদী। এদিকে, এই আসনে ঋণখেলাপি থাকায় মুক্তিজোটের প্রার্থী আব্দুল আজিজ এর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

 

এদিকে, সাতক্ষীরা-৩ মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে ছয়জন প্রার্থীর। প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ. ফ ম রুহুল হক-এমপি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের মনোনীত শেখ তরিকুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আব্দুল হামিদ, জাকের পার্টির মোহাম্মদ মঞ্জুর হাসান, তৃণমূল বিএনপির রুবেল হোসেন ও জাতীয় পার্টির আপিল হোসেন।

 

অপরদিকে, সাতক্ষীরা-৪ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে আটজন প্রার্থীর। প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত এস এম আতাউল হক দোলন, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মাকসুদা খানম মেধা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন মনোনীত এইচ এম গোলাম রেজা, তৃণমূল বিএনপির আসলাম আল মেহেদী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের শফিকুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির শেখ একরামুল, জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান।

 

জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, মনোনয়ন যাচাইবাছাইয়ের শেষে আজ সাতক্ষীরা-৩ আসনের ছয়জন এবং ৪ আসনের আটজনসহ মোট ১৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে, রোববার সাতক্ষীরা-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয় ১২টি। ১২টি মনোনয়নত্রের সবকটি বৈধ বলে বিবেচিত হয়। এ ছাড়া সাতক্ষীরা-২ আসনে ১১টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়। এর মধ্যে ঋণখেলাপি থাকায় মুক্তিজোটের প্রার্থী আব্দুল আজিজের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। অপর ১০টি মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়। এনিয়ে সাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনের মোট ৩৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হলো।

 

সাতক্ষীরার রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির আরও জানান, প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রার্থীদের কোনোরূপ প্রচার-প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির ৫ তারিখ পর্যন্ত চলবে আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

 

 

টানা ৪৮ ঘন্টা অবরোধের শেষ দিনে পথসভায় নেতৃবৃন্দ

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চেয়েও হিংস্র হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ

।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চেয়েও হিংস্র হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ উল্লেখ করে খুলনা বিএনপি নেতারা বলেছেন, রাতের আধারে হামলা চালিয়ে, আজ্ঞাবহ পুলিশ দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও বাড়ি ছাড়া করে আবারো অবৈধভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে তা কখনোই পুরণ হবে না। শীঘ্রই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পালাতে বাধ্য হবে। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) অবৈধ তফসিল বাতিল ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির আহুত টানা ৪৮ ঘন্টার অবরোধ সমর্থনে দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে পথসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা আরো বলেন, আওয়ামী দলদাস হানাদার বাহিনী হানা দিচ্ছে গণতন্ত্রকামী মানুষের বাড়ি বাড়ি। বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের না পেলে তাদের ছেলে সন্তান, স্ত্রী, মা-বোন-ভাই-বাবাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ভাংচুর লুটপাট করছে। মুক্তিপণ আদায় করছে। ১৯৭১ সালে রাজাকার, আল বদর, আল শামস, শান্তিবাহিনীর লোকজন পাকিস্তানী বাহিনীকে বিভৎস হত্যার মদদ দিত, ধরিয়ে দিত মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের পরিবারের লোকজনদেরকে। বাড়িঘর, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে আগুন দিত। আওয়ামী লীগ এখন নতুন করে সেই ভূমিকায় আবির্ভূত হয়েছে।

নগরীতে জিলাস্কুল এলাকা থেকে শুরু হওয়া মিছিল সার্কিকহাউজ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে স ম আব্দুর রহমান, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, তৈয়বুর রহমান, শফিকুল ইসলাম হোসেন, এস এম শামীম কবির, একরামুল হক হেলাল, আশরাফুল আলম নান্নু, মো: মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, শামসুল আলম পিন্টু, এনামুল হক সজল, থানা ও উপজেলা বিএনপির কে এম হুমায়ুন কবির (ভিপি হুমায়ুন), হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, খাইরুজ্জামান জনি, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, ইমাম হোসেন, মোল্লা সাইফুর রহমান, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সরদার আব্দুল মালেক, খন্দকার ফারুক হোসেন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, গাজী আফসার উদ্দিন মাস্টার, আনসার আলী, আব্দুস সালাম, মো: জাহিদ হোসেন, তারিকুল ইসলাম, আক্কাস আলী, ফারুক হোসেন, জাফরিন নেওয়াজ চন্দন, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন বিএনপি’র আসাদুজ্জামান আসাদ, সিরাজুল ইসলাম লিটন, মতলেবুর রহমান মিতুল, আব্দুল ওহাব, সালাউদ্দিন মোল্লা বুলবুল, জহুরুল ইসলাম খান জুয়েল, জাহিদুর রহমান রিপন,  জিএম মইনুদ্দিন, এইচ এম আসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, আবু সাঈদ, মাসুদ খান, মেশকাত আলি,খবির উদ্দিন , রকিবুল ইসলাম মিঠু, মোঃ দাউদ মোল্লা মাকসুদু হক হারুন, মঞ্জুরুল আলম,  আলতাব খান, হানিফ মনসুর, আমিন আহমেদ, গোলাম কিবরিয়া, সওগাতুল আলম সগীর, মাহবুব ইসলাম টুটুল, মেহেদী হাসান লিটন, আজাদ হোসেন, তরিকুল ইসলাম, মুরাদ হোসেন, আবুল হোসেন, আলী হোসেন, কালাম শিকদার  মন্টু, জাফর,  ছোট শহিদুল, আজিজুল হোসেন, ইয়াসিন সোনা কালাম হালিম সোনা  শফিকুল ইসলাম শাহীন, মোহাম্মদ আবু জাফর,  দেলোয়ার হোসেন, সাবেক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাঈদ হাসান লাভলু, যুবদলের নেহিবুল হাসান নেহিম, নাদিমুজ্জামান জনি, আব্দুল আজিজ সুমন, আব্দুল্লাহ আল কাফি শখা, জাবির আলী, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, এস এম জসিম, মো.হোসেন, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, হাবিবুর রহমান বেলাল, বাহাদুর মুন্সি, মাহমুদুল হাসান লোটাস, সামাদ বিশ্বাস, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাইদুর রহমান, আসলাম ঢালী, শফিকুল ইসলাম শফিক, মনির হোসেন মনির, ওমর ফারুক, আহসান আল বাকের, শহিদুল ইসলাম সোহেল, মামুন সরদার, মিজানুর রহমান মিজান, আজমাইন ইসলাম রাসেল, আবু সায়েম, তহিদুর রহমান তৌহিদ, মো.শহিদুল, মো.আজিজুল,  মো.ফারুক,  মো: জসিম,  সৈয়দ তানভীর আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আতাউর রহমান রুনু, সাইফুল ইসলাম মল্লিক, ইউসুফ মোল্লা, মুনতাসির আল মামুন, হেলাল ফরাজী, তৈয়বুর রহমান তপু ,জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু, লাবু বিশ্বাস, আলাউদ্দিন তালুকদার, এমদাদ মোড়ল, নুর হোসেন বাদল, মহিলা দল এর আজিজা খানম এলিজা, এ্যাড কানিজ ফাতেমা আমিন, সেতারা বেগম, শাহনাজ সরোয়ার,  সালমা বেগম, নিঘাত সীমা, মরিয়াম খাতুন মুন্নি, এ্যাড নুরুন্নাহার হেনা, রেহনা আক্তার, ইসমত আরা কাকন, সালমা বেগম, সনিয়া খান, মরিয়ম খাতুন, কাকলি রহমান, রোজা খানম পুতুল, ফাতেমা, চাদনী, শারমিন, কাওসারি জাহান মঞ্জু, কাজলি ইসলাম, শ্রমিক দলের শফিকুল ইসলাম শফি, খান ইসমাইল হোসেন, জাসাস-এর ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম বাচ্চু, শহিদুল ইসলাম, আজাদ আমিন, মিজানুর রহমান, আরিফ শেখ, কৃষক দলের মাহফুজ খান, সানাউল্লাহ সানি, জাহাঙ্গীর হোসেন, এজাজ শেখ, এম এ মান্নান, তাতি দলের মেহেদী আহসান মিন্টু, মাহমুদ হাসান লোটাস, ছাত্রদলের মাসুম বিল্লাহ, তাজিম বিশ্বাস, গাজী শহিদুল ইসলাম, হুমায়ূন কবির রুবেল, খান সাইফুল ইসলা, মোহাম্মদ হাসান ফকি, ইবাদুল ইসলাম, রিয়াজুল ইসলাম মুরাদ, সৈয়দ ইমরা, সাজ্জাদ হোসেন জিতু, মফিজুল ইসলাম, মশিউর রহমান শফিক, আনিচুর রহমান, হেলাল উদ্দীন, শেখ ফারুক আহমেদ, ফিরোজ মাহমুদ, নাজমুল হুদা মিন্টু, ইমরান খান, মিল্টন রয়, প্রসেন রয়, জাফর হাসান, মোহাম্মদ ইউসুফ, মোঃ শাকিল, আরিফুর রহমান টুক, মারজান হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মৃদুল, ইসমাইল খান, কাজী জাকারিয়া, ইজরাইল বাবু, আল আমিন, বিল্লাল হোসেন, ম্যাথিউস তালুকদার, সৈকত ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।

 

 

প্রেসক্লাব পাইকগাছা’র সাংবাদিকদের সাথে মির্জা গোলাম আযম এর মতবিনিময়

পাইকগাছা প্রতিনিধি।

খুলনার পাইকগাছায় আগামী দাদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন সম্মিলিত মহাজোট সমর্থিত বাংলাদেশ কংগ্রেস খুলনা- ৬, এ মনোনীত প্রার্থী মির্জা গোলাম আযম। সোমবার সকাল ১১ টায় প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর কার্যলয়ে প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, মির্জা গোলাম আযম। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আব্দুল মজিদ, সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীন। গাজী মোঃ আব্দুল আলীম, আজিজুল ইসলাম, শামীম আহমেদ, এম সম্রাট প্রমুখ।

আয়োজিত মতবিনিময় সভায় কংগ্রেস পার্টির মনোনীত প্রার্থী গোলাম আযম সফর সঙ্গী হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, শেখ আব্দুর রশিদ হান্নান, মোঃ আকবর হোসেন, দ্বীনমুহাম্মাদ আব্দুল হাই, মোঃ আব্দুল হোরাইরা লিমন, মোঃ শহিদুল্লাহ শেখ, মোঃ মতিয়ার রহমান, মোঃ আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।  মতবিনিময় সভায় মির্জা গোলাম আযম সাংবাদিকদের মাধ্যমে পাইকগাছা-কয়রার সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।