খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে খুলনা জিলা স্কুলের শিকসহ ৩জনের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
নগরীতে করোনা ভাইরাস উপসর্গ নিয়ে খুলনা জিলা স্কুলের শিক মাওলানা মো. জান্নাতুল ফেরদৌসসহ (৪০) তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দিনগত রাতের বিভিন্ন সময় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে তাদের মৃত্যু হয়। মৃত. বাকি দু’জন হলেন নগরীর বাগরামার সোহরাব শেখের ছেলে হারুন শেখ (৫৫) ও রায়েরমহল এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে বাবু (৪৫)।
খুমেক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ও করোনা ওয়ার্ডের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান জানান, নগরীর খালিশপুর এলাকার ফেরদৌসকে জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট সমস্যা নিয়ে বুধবার দিনগত রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে খুমেক হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। জ্বর, কাশির সমস্যা নিয়ে হারুন শেখ বুধবার বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১ টা ২০মিনিটে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে বাবু ম ২৩জুন রাত ৮টা ১০ মিনিটে খুমেক হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে রেফার্ড করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়। করোনা পরীার জন্য তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান ডা. মিজানুর রহমান।
নগরীর ১৭ ও ২৪নং ওয়ার্ড রেড জোন : ৪৮ সড়কে ব্যারিকেড
স্টাফ রিপোর্টর
খুলনায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের ১৭ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং রূপসার আইচগাতি ইউনিয়নকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১টা ৫৯ মিনিট থেকে ১৬ জুলাই দিবাগত রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ২১ দিন রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত থাকবে এবং বিধি-নিষেধ জারি থাকবে
এদিকে, নগরীর ১৭ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৪৮টি সড়কের প্রবেশ দ্বারে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে। এসব স্থানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় লকডাউন পালনে আরও কঠোর হওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, লকডাউন সফলভাবে পালন করতে গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। একাধিক এলাকায় পুলিশকে ব্যারিকেড করতে দেখা গেছে। লকডাউন ভেঙে যাতে কেউ বাইরে না বের হয় সে বিষয়ে সতর্কতামূলক প্রচারও চলছে।
কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম বলেন, রেড জোনে ঢোকা-বেরনোর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি হবে। লকডাউন সফল করতে ১৭ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৪৮টি সড়কের প্রবেশ দ্বারে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে। এসব স্থানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ মোতায়েন থাকবে। বাইরের লোককে ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এলাকা থেকেও যাতে বাইরে কেউ বেরোতে না পারেন সে ব্যাপারেও সজাগ দৃষ্টি রাখবে পুলিশ।
এদিকে, পুরোপুরি লকডাউন কার্যকর করতে বিধি-নিষেধ জারি করেছেন খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। এর মধ্যে রয়েছে রেড জোনে চাকরিজীবীরা বাসা থেকে অফিসের কাজ করবেন। জরুরি প্রয়োজনে অনুমতি সাপেক্ষে বাসা থেকে বের হওয়া যাবে। রিকশা, ভ্যান, সিএনজি, ট্যাক্সি, মোটরসাইকেল, নিজস্ব গাড়িসহ কোনও যানবাহন চলবে না। অ্যাম্বুলেন্স সেবা এই আদেশের আওতাবর্হিভূত থাকবে। এসব এলাকায় কলকারখানা বন্ধ থাকবে। অতি জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়ার ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। কোনও ধরনের জনসমাবেশ করা যাবে না। কেবলমাত্র অসুস্থ ব্যক্তি হাসপাতালে যেতে পারবেন। অন্য এলাকা হতে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। মুদি দোকান, ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। রেস্টুরেন্ট ও খাবার দোকানে কেবলমাত্র হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু থাকবে। শপিংমল, সিনেমা হল, জিম, স্পোর্টস কমপ্লেক্স বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। মসজিদ ও উপাসনালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ইবাদত করতে পারবেন। অন্যরা নিজ নিজ বাড়িতে ইবাদত করবেন। সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ও কাঁচাবাজার এর আওতামুক্ত থাকবে।
নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১১
স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে
৪০বোতল ফেন্সিডিল, ৯পিস ইয়াবা ও ৪৬৫ গ্রাম গাঁজাসহ ১১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর ময়লাপোতা বস্তির মৃত. কদম আলী ব্যাপারীর ছেলে ইউসুফ ব্যাপারী (৪৮), গোবরচাকা মোল্লা বাড়ীর মোড়ের শাহাজান এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া আব্দুর রবের ছেলে মো. সেকেন্দার আলী (৪১), খালিশপুর পিপলস্ গোলচত্তরের পূর্ব পাশের মতিন এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া মৃত. বাহার উদ্দিনের ছেলে মো. সাগর হোসেন ওরফে জয় (২১), মহেশ্বরপাশা পুলিশ ফাঁড়ীর পাশে মঞ্জু এর বাড়ীর মো. নুর ইসলামের ছেলে মো. মেহেদী হাসান সাগর (৩০), আড়ংঘাটা পোদ্দার পাড়া মোড়ের সৈয়দ জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. রায়হান উদ্দিন (২৮), খানজাহান আলী থানাধিন আলীম জুট মিল কলোনীর মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে মো. খায়রুল ইসলাম (২০), দাকোপ থানার গুনারী গ্রামের কালিপদ ঢালীর ছেলে মিঠুন ঢালী (৩০), দিঘলিয়া থানার সেনহাটি পুলিশ ক্যাম্পের সামনের বাসিন্দা মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. আব্দুলাহ (১৯), সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার থালনা গ্রামের মৃত. অন্যদা সরকারের ছেলে নিরান সরকার (৫৫), বাগেরহাট জেলা সদরের বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত. কাশেম শেখের ছেলে মো. মিলন শেখ (৩০) ও বৈটপুর গ্রামের
মোঃ এনাজ উদ্দিন শেখের ছেলে মো. রুহুল আমিন শেখ (২৫)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) কানাই লাল সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মহানগর পুলিশ। এসময় ৪০বোতল ফেন্সিডিল, ৯পিস ইয়াবা ও ৪৬৫ গ্রাম গাঁজাসহ ১১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ৯টি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
নগরীর আলোচিত ‘গাঁজা খোকন’ গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টর
নগরীর বহুল আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী খোকন শেখ ওরফে গাঁজা খোকন ওরফে কানা খোকনকে (৪৮) আবারো গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া বড়খাল পাড় এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। খোকন শেখ নগরীর লবণচরা স্লুইজগেটস্থ ইব্রাহিম মাদরাসা মসজিদ গলির নজরুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত. বাবর আলী শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে খুলনা ও লবণচরা থানায় ৭টি মাদক মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, দক্ষিণ টুটপাড়া বড়খাল পাড়ে বায়তুল আমান মহল্লার দ্বিতীয় গলিতে গাঁজা বিক্রিকালে বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে পুলিশ খোকনকে গাঁজাসহ হাতে-নাতে আটক করে। এসময় তার কাছে ১শ’ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন টুটপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আলতাফ হোসেন। তিনি বাদী হয়ে খোকনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ‘গাঁজা খোকন’ এর ছেলে, মেয়ে এবং জামাইয়ের বিরুদ্ধেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তার ছেলে সিনবাদ শেখ (২০) এর বিরুদ্ধে খুলনা ও লবণচরা থানায় ২টি, মেয়ে খুশি আক্তার (২৩) এর বিরুদ্ধে ৪টি এবং জামাই বাবু শেখ ওরফে ব্লেড বাবু ওরফে সুমন (২৭) এর বিরুদ্ধেও ৪টি মামলা রয়েছে।
খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুল আলম জানান, ‘গাঁজা খোকনের ফুল পরিবারই করাপ্টেড এবং চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা। খোকনের পরিবারের অন্য সদস্যরাও মাদক বিক্রির সাথে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। ‘
দিঘলিয়ায় র্যাবের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ এক সন্ত্রাসী গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানাধীন বামনডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি ওয়ান স্যুটার গান ও ২ রাউন্ড কার্তুজসহ এক অস্ত্রধারী সন্ত্রসীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অস্ত্রধারী হলেন নড়াইল জেলার কালিয়া থানার চালিতাতলা গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা।
র্যাব-৬ জানায়, বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানাধীন বামনডাঙ্গা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় বামনডাঙ্গা বাজারের বড় ব্রিজের পূর্ব পাড় থেকে একটি ওয়ান স্যুটার গান ও ২ রাউন্ড কার্তুজসহ রাজ্জাক মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দিঘলিয়া থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে
সাতক্ষীরায় র্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১
স্টাফ রিপোর্টার
সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন মাঝেরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৯৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। ২৪ জুন গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন সাতক্ষীরা জেলা সদরের বাঁশদহ গ্রামের মো. খলিল হোসেনের ছেলে মো. সাব্বির হোসেন শুভ (১৮)।
র্যাব-৬ জানায়, ২৪ জুন সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন বাঁশদহ মাঝেরপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় বাঁশদাহ বাজার থেকে ৯৫০ গ্রাম গাঁজাসহ শুভকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মাদকদ্রব্য বিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রূপসা উপজেলায় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে সভা
তথ্য বিবরণী
রূপসা উপজেলায় বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৯-২০২০ এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রতিবেদন প্রস্তুত বিষয়ে প্রাথমিক সভা বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন ধরণের উন্নয়ন এবং সমাজসেবামূলক কাজ বাস্তবায়ন করে থাকে। কিন্তু কিছু কাজের কোন প্রতিবেদন তৈরী করা হয় না। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কাজের মূল্যায়ন সঠিকভাবে করা সম্ভব হয় না। কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার প্রকল্পের সহায়তায় প্রথমবারের মত রূপসা উপজেলায় বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে। পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করার জন্য পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হবে। তিনি উপজেলার সকল কর্মকর্তাকে সার্বিক সহায়তা করা জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে আহবান জানান।
রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়ক মোঃ ইকবাল হাসান।
পরে খুলনার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন ইএএলজি প্রকল্প থেকে ২৫ জন উপজেলা কর্মকর্তাকে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গাউন, গামবুট, কেএন ৯৫ মাস্ক, সার্জিক্যাল মাস্ক, সাবান, স্যানিটাইজার এবং গ্লাভস বিতরণ করেন।
খানজাহান আলী থানার ১১ পুলিশ সদস্যসহ থানা এলাকায় একদিনে আক্রান্ত-১৩
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
খানজাহান আলী থানার ১১ পুলিশ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানাগেছে। একই দিনে ফুলবাড়ীগেট কুয়েট রোডের এক নারী এবং শিরোমণির এক যুবক আক্রান্তের খবর পাওয়াগেছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ জুন বুধবার নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনা পজেটিভ এসেছে বলে মেডিকেল কলেজ সুত্রে জানাগেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।
খানজাহান আলী থানার এস আই রোকনুজ্জামানের শরীরে গত ১৬ জুন করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। এই পুলিশ সদস্যের নমুনা দেওয়ার ১০দিন পর রেজাল্ট আসে তিনি করোনা পজেটিভে আক্রান্ত। থানা লকডাউন করে সকল সদস্যদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়। পরে ১৮ জুন থেকে কয়েক ধাপে থানার অফিসার্স ইনচার্জসহ পুলিশ ও তাদের পরিবারের ৭৫ সদস্যের করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হয়। কিন্তু এবারও রির্পোট পেতে বিলম্ব নমুনা দেয়ার ৬দিন পর গত ২৪ জুন পরীক্ষার রির্পোট দেওয়া হয়। রির্পোটে থানার হযরত আলী(৪৭), নাসির উদ্দিন(৪৫), আবু ফজল(৫২), মো. মাফিজুল(৪৭), সোহেল রানা(৪৫), লুৎফল হাসান(৪৫), আজিজুর রহমান(৪৪), আলীমুজ্জামান(২৯), শাহাদাৎ হোসেন(৪৯), শফিকুল ইসলাম(৪৫) এবং আজিজুর রহমান(৪৫) মোট ১১জনের করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। এছাড়াও গত ২৪ জুনের নমুনা পরীক্ষায় ফুলবাড়ীগেট কুয়েট রোডের কুয়েটের এক কর্মকর্তার মাতা মরিয়ম তালুকদার(সদ্য মৃত্যু বরণ করা) এবং শিরোমণির শেখ আ. রাজ্জাক(৩৩) নামের দুইজন রয়েছে।
খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কয়েক ধাপে মোট ৭৫ জনের নমুনা দেওয়া হয়েছে। গত ১৮ জুন দেওয়া ১৯জনের নমুনার মধ্যে ১১জনের করোনা পজেটিভ এসেছে এখনও বাকি ৫৬ জনের রির্পোট পাওয়াযায়নি। তিনি সকলকে সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা এবং হোম কোয়ারেন্টাইনে যারা থাকবেন তাদেরকে যথাযথ নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বিশেষ ভাবে আহবান জানিয়েছেন। দেশের এই পরিস্থিতে সকলকে নিজনিজ স্থান থেকে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহবান জানান।
ফুলবাড়ীগেট প্যাসেন্টস্ নার্সিং হোমের প্রধান ডাক্তার গিরীন্দ্রনাথ কুন্ডু বলেন আমরা করোনাভাইরাস সংক্রামণের বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে ইচছাকৃত ভাবে সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা না মানায় দ্রুত আমাদেরকে এর কঠিন পরিনতির সম্মুখিন হতে হবে। তিনি বলেন সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি না মানা, পরীক্ষার রির্পোট পেতে বিলম্ব এবং ল্যাবে নমুনা দিয়ে এসে স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টাইনে না গিয়ে স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করার কারণে করোনাভাইরাস সংক্রামণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচেছ। এটি এমন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে আমাদের উদাসিনতায় যে ভাবেই হোক প্রায় প্রতিটি মানুষের শরীরে এই ভাইরাস স্থান করে নিতে পারে, তবে যার শরীরে এন্টি প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং নিজে মনবল থাকবে তিনি করোনা জয় করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন।
নগরীতে মাদক বিরোধী অভিযানে ৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ গাজা উদ্ধার
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
কেএমপি খানজাহান আলী থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪০ বোতল ফেনসিডিল ২০০ গ্রাম গাজাসহ ৪ মাদক ব্যাবসায়িকে আটক করেছে । ২৫ জুন বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার সময় পথের বাজার চেক পোষ্ট এলাকায় দেহ তল্লাশি চালিয়ে যশোর আর এন রোড নতুন বাজার এলাকার এনায়েত প্রামানিক এর পুত্র রাসেল প্রামানিক (৩৫) কে ৪০ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক করেন পথের বাজার পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আনোয়ার হোসেন ও এ এসআই আনোয়ারুল হক সহ সঙ্গীয় ফোর্স । খানজাহান আলী থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন কেএমপি কমিশনার মহোদয়ের বিশেষ নির্দেশের পর গত ৩৬ ঘন্টায় থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৪০ বোতল ফেনসিডিল এবং ২০০ গ্রাম গাজা সহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে । আটককৃত দের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং থানা এলাকার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যাবসায়িদের বাড়ি ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে । তিনি বলেন করোনা ভাইরাস এর সময় পুলিশ সামাজিক দুরুত্ব ও নানা কর্মকান্ডে ব্যাস্ত থাকায় মাদক ব্যাবসায়িরা এ সুযোগে বিভিন্নভাবে মাদক বিকিকিনির কার্যক্রম করে যাচ্ছে । তিনি আরোও বলেন মাদক বিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।
কপিলমুনির করোনাযোদ্ধা পুলিশ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় দাশ অবশেষে আক্রান্ত!
পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি ঃ
একজন করোনাযোদ্ধা খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ী ইনচার্জ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় দাশ অবশেষে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি সরকারী বিধি মোতাবেক কপিলমুনির পুলিশ ব্যারাকের অধিনে কয়েক দিন হোম কোয়ারান্টাইনে চিকিৎসাধী থাকার পর বুধবার উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা পুলিশ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
জানাযায়, মহামারী করোনায় আক্রান্ত পুলিশের এ কর্মকর্তা শুরু থেকেই এলাকাকে নিরাপদ রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। সচেতনতার জন্য তিনি পথে পথে মাইকিং করে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন। জনসমাগম এড়াতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মানুষকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালিয়েছেন তিনি। সরকার ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে তার অবদান ছিল চোখে পড়ার মত। এক কথায় এলাকাটি করোনামুক্ত রাখতে এবং জন-সমাগম এড়াতে কান্তিহীন পথ চলা পুলিশের এই কর্মকর্তা অবশেষে মহামারী করোনায় আক্রান্ত হলেন। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
এদিকে হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রথমত উপজেলাটি শুন্যের কোটায় থাকলেও বে-রশিক মানুষের অবাধ চলাফেরায় প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। উপজেলাটি এক প্রকার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। হাট বাজার গুলিতে জনসমাগম যেন বেড়েই চলেছে। উপজেলা প্রশাসন প্রথম দিকে বিশেষ নজরদারী করলেও বর্তমানে কোন তদারকি নেই বলে জানান অনেকেই। এমতাবস্থায় আতংকিত সচেতন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে খোঁজ নিতে ইন্সপেক্টর সঞ্জয় দাশ মুঠোফোনে জানান, পাইকগাছা থানা ওসি এজাজ শফি সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এছাড়া আর বিশেষ কেউ তাকে খোঁজ খবর নেয়নি বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কোন বার্তা পেয়েছেন কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কেউ ফোন করেননি। বর্তমানে অনেকটা ভালো আছেন জানান তিনি।
মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের একাংশের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক মরহুম নুরুজ্জামান খোকোনের স্ত্রী, পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এম এ মতিন, নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দিলখোলা রোড নিবাসী ঠিকাদার ফারুক হোসেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন ২৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মুজিবুর রহমান লুলু-এর ইন্তেকাল গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের একাংশ। এছাড়া খুলনা মহানগর বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা মুরশীদ কামাল ও তার সহধর্মীনি করোনায় আক্রন্ত হওয়ায় তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতি দাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সহ-সভাপতি- খায়রুজ্জামান খোকা, যুগ্ম সম্পাদক- আমজাদ হোসেন, মহানগর বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হাসান দুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, সহ-প্রচার সম্পাদক কেএম হুমায়ুুন কবির, মহানগর যুবদলের সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আজিজা খানম এলিজা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শাহীন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হিল্টন, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নেহিবুল হাসান নেহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহম্মেদ সুমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাসির আল মামুন প্রমূখ।
ফুলতলায় একই দিনে সাবেক নারী ইউপি চেয়ারম্যানসহ ২০ ব্যক্তি করোনাক্রান্ত
ফুলতলা প্রতিনিধি
খুলনার ফুলতলায় একই দিনে সাবেক নারী ইউপি চেয়ারম্যান জাকিয়া হাসিন বিনা ও তার পরিবারের ৩ সদস্যসহ মোট ২০ ব্যক্তির কোভিট-১৯ রিপোর্ট পজেটিভ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে পুলিশ লকডাউন করে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বুধবার রাতে প্রদত্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ফুলতলা উপজেলায় ২০ ব্যক্তির কোভিট-১৯ রিপোর্ট পজেটিভ। এদের মধ্যে দামোদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার আবু সাঈদ বাদলের স্ত্রী ও সাবেক চেয়ারম্যান জাকিয়া হাসিন বিনা (৪২), তার কন্যা মেহেজাবিন বিথি (২৮), জামাই ওমর ফারুক (২৮) ও পুত্র আবু সালে আকাশ (২২), ফুলতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র নার্স মনিরা পারভীন (৪৮), ফুলতলা উপজেলার আফিল গেটের আসাদুজ্জামান (৬৫), আটরা গিলাতলার আজিজুর রহমান (৪৫), আলিমুজ্জামান (২৯), শাহাদাৎ হোসেন (৪৯), শফিকুল ইসলাম (৪৫), মি. আজিজুর রহমান (৪৪), মোঃ মজিদ (৪২), সোনা মিয়া (৪৫), এসকে এ রাজ্জাক (৩৩), মোঃ মফিজুল (৪৭), মি. সোহেল রানা (৪৫), মি. নাসির উদ্দিন (৪৫), আবু ফজল (৫২), মি. লুৎফুল হাসান (৪৫) এবং হযরত আলী (৩৪)। বৃহস্পতিবার ফুলতলা ও খানজাহান আলী থানা পুলিশ আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে পুলিশ লাল পতাকা টানিয়ে লকডাউন করে।
যশোরের ৩১টিসহ যশোরাঞ্চলে ৭৮ নমুনা পজেটিভ
যশোর অফিস
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টারে আজ ঘোষিত ফলাফলে ৭৮টি নমুনা পজেটিভ হয়েছে। এর মধ্যে যশোরের রয়েছে ৩১টি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এনএফটি বিভাগের চেয়ারম্যান ও চলমান পরীক্ষণ দলের সদস্য ড. শিরিন নিগার জানান, বুধবার তাদের ল্যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ জেলার ২৭১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে যশোরের নমুনা ছিল ১০৪টি। এতে ৩১টি পজেটিভ ফল দেয়।
এছাড়া মাগুরার ৪৫টির মধ্যে আটটি, ঝিনাইদহের ২৮টির মধ্যে দশটি, বাগেরহাটের ২৯টির মধ্যে সাতটি এবং সাতক্ষীরার ৬৫টির মধ্যে ১৯টি নমুনার পজেটিভ ফল আসে।
পরীক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনদের অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান, ড. শিরিন।
এদিকে, যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয় জেনোম সেন্টার থেকে পাওয়া ৩১টি পজেটিভ নমুনার মধ্যে ২৩টি নতুন। বাদবাকি আটটি ছিল ফলোআপ।
এর ফলে যশোর জেলায় এখন করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩৪-এ দাঁড়ালো।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নারী উন্নয়ন ফোরামের আলোচনা সভা
তথ্য বিবরণী
খুলনার রূপসা উপজেলায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে নারী উন্নয়ন ফোরামের করণীয় বিষয়ে আলোচনা সভা বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন। কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার প্রকল্প (ইএএলজি)-এর আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রতিটি মানুষকে সচেতন হতে হবে। তবে এক্ষেত্রে নারীদের সচেতনতার ওপর আরও বেশি গুরুত্বারোপ করা দরকার। সংসারে একজন মায়ের সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি পালনের ওপর গোটা পরিবার নিরাপদ থাকতে পারে।
আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, নারীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য পরিবারের পুরুষ সদস্যদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। নারী-পুরুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে করানোভাইসহ সকল ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব। রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়ক মোঃ ইকবাল হাসান।
রূপসায় জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার গঠনে আলোচনা সভা
তথ্য বিবরনী
খুলনার রূপসা উপজেলায় কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার গঠনে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ও দাতা সংস্থার অর্থায়নে প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও চলমান অবস্থা সম্পর্কে নিয়মিত প্রতিবেদন পাঠাতে হবে। তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাদের দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি করোনাভাইরাস সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে।
রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়ক মোঃ ইকবাল হাসান। পরে খুলনার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন কর্মকর্তাদের মাঝে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সুরক্ষা সামগ্রী বিরতণ করেন। সভায় উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
অফিস লগডাউন: ঝিনাইদহ এসিল্যান্ড অফিসের চার কর্মচারীসহ করোনায় আক্রান্ত ৯
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ভূমি (এসিল্যান্ড) অফিসের সাময়িক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করে নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই অফিসের চার কর্মচারীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় বুধবার থেকে অফিসের সব কার্যক্রম বন্ধ করে অফিসটি লগডাউন করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। খবরের সত্যতা নিশ্চত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান মোহাম্মদ আব্দুল্লা আল মামুন বৃহস্পতিবার জানান, অফিসের নাজির আয়নাল হোসেন, সার্ভেয়ার নজরুল ইসলাম, ঝাড়ুদার রতœা খাতুন ও অফিস সহায়ক জহুরা খাতুনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এ কারণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অফিসের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ করে নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না পর্যন্ত সব কাজ বন্ধ থাকবে। তিনি আরো জানান, অফিসের মোট ১৭ জন কর্মচারী রয়েছে। তাদেরকেও করোনা পরীক্ষা করা হবে। জানা গেছে উপজেলা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার নজরুল ও ঝাড়ুদার রতœার সর্দ্দি কাশির লক্ষন থেকে অফিসের কর্মচারীদের করোনা পরীক্ষার উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার অফিসের চারজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আক্রান্তরা সবাই সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন বলে চিকিৎসরা জানিয়েছেন। এদিকে বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহে নতুন করে আরো ৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই নিয়ে ঝিনাইদহে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ১৫৭ জন। করোনা হাসপাতালে (শিশু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন আছেন ১৩ জন। জেলায় মোট সুস্থ হয়েছেন ৬৪ জন। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের করোনা সেলের মুখপাত্র ডাঃ প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ এ তথ্য তার ফেসবুক ওয়ালে দিয়েছেন।
ঝিনাইদহে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সুরাট ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে লতাফত হোসেন (৫৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত লতাফত হোসেন ওই গ্রামের মৃত ছোরাপ হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, কৃষক লতাফত হোসেন সকালে ওই গ্রামের মাঠে কাজ করতে যায়। সেসময় একটু বিশ্রাম পেতে মাঠের মধ্যে অবস্থিত জাহিদ হাসানের পোল্ট্রির খামারে অবস্থান করে। সেসময় পোল্ট্রির খামারে বিদ্যুতের সংযোগ থাকায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ঝিনাইদহে ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক নিহত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের বিষয়খালী খড়িখালী নামক স্থানে বালু ভর্তি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে আক্তারুল ইসলাম (২১) নামের এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আক্তারুল যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের ইমারত হোসেনের ছেলে।
ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার দিলীপ কুমার জানান, বালু ভর্তি ট্রাকটি ঝিনাইদহ থেকে যশোরের উদ্যেশ্যে যাচ্ছিল। পতিমধ্যে সদর উপজেলার বিষয়খালী এলাকার খড়িখালী নামক স্থানে পৌছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি গাছে সজোরে ধাক্কা লাগে। এসময় ট্রাক চালক আক্তারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
এব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
খুলনা বিভাগে করোনা শনাক্তের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়াল
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা বিভাগে কোভিড–১৯ রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন হাজার। বিভাগে নতুন করে ২৮৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সংখ্যা এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত হওয়ার রেকর্ড। এর আগে ২৪ জুন এক দিনে সর্বোচ্চ ২১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন। এ নিয়ে এই বিভাগে করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হলেন ৩ হাজার ১৯১ জন। খুলনা বিভাগের মোট রোগীর প্রায় ৪৩ শতাংশ খুলনার। এ ছাড়া এ রোগে মৃত্যু হয়েছে আরও পাঁচজনের। এ নিয়ে বিভাগে ৪৮ জনের মৃত্যু হলো।
বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, বিভাগে নতুন করে ৬২ জন সুস্থ হওয়ায় মোট সুস্থ হয়েছেন ৭৬৮ জন। বিভাগে সুস্থ হওয়ার হার ২৪ শতাংশ।
স্বাস্থ্য বিভাগের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিভাগে এক দিনেই ১০০ রোগী শনাক্ত হওয়ার প্রথম ঘটনা ছিল ১৪ জুন। ২০ জুন প্রথম এক দিনে ২০২ রোগী শনাক্ত হয়। আজ সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সর্বোচ্চ ২৮৮। গত আট দিনে (১৮ জুন থেকে) বিভাগে ১ হাজার ৫৮৩ জন কোভিড রোগী শনাক্ত হন, যা মোট রোগীর প্রায় ৫০ শতাংশ। এই আট দিনে মারা গেছেন ২৫ জন, যা মোট মারা যাওয়া রোগীর ৫২ শতাংশ। খুলনা বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ১৯ মার্চ। পরবর্তী ৭৩ দিনে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০০। ১১ জুন ৮৫তম দিনে এখানে সংক্রমণের সংখ্যা হাজার ছাড়ায়। দেড় হাজার রোগী ছাড়ায় ১৬ জুন, অর্থাৎ ৯০তম দিনে। আর দুই হাজার রোগীর সংখ্যা ছাড়ায় ২০ জুন ৯৪তম দিনে। আড়াই হাজার ছাড়ায় ২২ জুন ৯৬তম দিনে। তিন হাজার ছাড়াল ২৫ জুন ৯৯তম দিনে।
বিভাগে নতুন সংক্রমিত ২৮৮ জনের মধ্যে খুলনা জেলায় ১৫২ জন, বাগেরহাটে ৯, সাতক্ষীরায় ২২, যশোরে ২৩, ঝিনাইদহে ৯, মাগুরায় ৮, নড়াইলে ২৫, কুষ্টিয়ায় ২৭, চুয়াডাঙ্গায় ৭ ও মেহেরপুরে ৬ জন।
সব মিলিয়ে বিভাগের মধ্যে খুলনায় মোট সংক্রমিত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫৮ জন, বাগেরহাটে ১৫৮ জন, সাতক্ষীরায় ১৩৬ জন, যশোরে ৪৩৯ জন, ঝিনাইদহে ১৫৭ জন, মাগুরায় ৯০ জন, নড়াইলে ১৩৩ জন, কুষ্টিয়ায় ৪৬১ জন, চুয়াডাঙ্গায় ২০৩ জন ও মেহেরপুরে ৫৬ জন।
বিভাগে এখন পর্যন্ত কোভিড–১৯–এ মৃত্যু হয়েছে ৪৮ জনের। মৃত ব্যক্তির তালিকায় খুলনায় দুজন ও যশোরে তিনজন যোগ হয়েছে। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনায় সবচেয়ে বেশি ১৮ জন; কুষ্টিয়ায় ৬ জন; যশোর, নড়াইল ও মেহেরপুরে ৫ জন করে। এ ছাড়া বাগেরহাটে তিনজন এবং ঝিনাইদহ, মাগুরা ও চুয়াডাঙ্গায় দুজন করে রোগী মারা গেছেন। সাতক্ষীরায় কোনো কোভিড–১৯ রোগী মারা যাননি।
বিভাগের মধ্যে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন খুলনায় ১৪৮ জন, বাগেরহাটে ৪৭ জন, সাতক্ষীরায় ২১, যশোরে ১৫৬ জন, ঝিনাইদহে ৬৪ জন, মাগুরায় ৩৯ জন, নড়াইলে ৩৩ জন, কুষ্টিয়ায় ১২৭ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১১১ জন ও মেহেরপুরে ২২ জন।
এ ব্যাপারে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশেদা সুলতানা বলেন, খুলনা বিভাগে করোনার সংক্রমণের গতি দ্রুত বাড়ছে। সবাইকে সচেতনতার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তাহলে সংক্রমণ কমে আসবে।
সীমান্তে বিজিবির গুলিতে মাদক ব্যবসায়ী আহত
বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ফেনসিডিল ব্যবসায়ী আহত। ঘটনাস্থল থেকে ৪৬ বোতল ফেনসিডিল ও ১ টি হাসুয়া উদ্ধার হয়।আহত মাদক ব্যবসায়িকে বিজিবি যশোর সদর হাসপাতালে নিজেদের তত্বাবধায়নে চিকিৎসা প্রদান করছেন। বৃহ্স্পতিবার ভোরে পুটখলী সীমান্তে এ ঘ্টনাটি ঘটে। আলামিন বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।
পুটখালী বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জাকির হোসেন জানান গোপন সংবাদে জানতে পারি একদল চোরাকারবারী ভারত থেকে ফেনসিডিল নিয়ে পুটখালী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে অভিযান চালালে চোরাচালানীরা বিজিবি উপর হামলা চালায়। বিজিবি আত্মরক্ষার্থে তাদের উপর ২ রাউন্ড গুলি চালায়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী আলামিনের ডান পায়ে গুলি লাগে। বিজিবি তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় সেখান থেকে যশোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য আলামিনকে গত এপ্রিল মাসে ২৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ পুটখালী বিজিবি আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করে। সে জামিনে এসে আবারও মাদক ব্যবসায়ী শুরু করে। সে একজন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও তার নামে ৪ টি মামলা আছে বলে বিজিবি জানিয়েছেন।
ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ৯ জন করোনায় আক্রান্ত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ১৫৭ জন। সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম জানান, বৃহস্পতিবার সকালে যশোর ল্যাব থেকে ঝিনাইদহে ২৮ টি রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে ৯ টি পজেটিভ। আক্রান্তরা হলেন, সদর উপজেলায় ৭ জন, কালীগঞ্জ উপজেলায় ২ জন, আক্রান্ত ১৫৭ জনের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৬৪ জন।
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে তৎপর বাংলাদেশ নৌবাহিনী
খবর বিজ্ঞপ্তি
কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়া এর তত্ত্বাবধানে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে মোতায়েনকৃত নৌ কন্টিনজেন্ট মংলার দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, মিঠাখালি, হাসপাতাল চত্ত্বর ও ফেরিঘাট এলাকায় টহল পরিচালনা করে। সাধারণ জনগণের মাঝে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় ও বর্জনীয় শীর্ষক লিফলেট বিতরণ করে।
এছাড়া মোংলা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় প্রশাসনের ৩০৭টি দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণে সহায়তা প্রদান এবং মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহায়তা প্রদান করে। পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চতকরণ, জরুরী প্রয়োজনে বাড়ীর বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য বোঝানো হয়। করোনা প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলা সদর, বামনা, বেতাগী ও তালতলী এলাকায় নিয়মিত সচেতনতামূলক টহল প্রদান করে। উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে। বেতাগী এলাকায় বিভিন্ন মসজিদে ০৮ কেজি বিচিং পাউডার বিতরণ করে। এছাড়াও ৬১৪ জন জেলের ভিজিএফ কার্ড রেজিস্ট্রেশনে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করে। এসময় সাধারণ জনগণকে গণপরিবহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। সরকার নির্ধারিত সময়ের পর সকল বাজার, দোকান-পাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ রাখতে ও নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতে এবং ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করার জন্য সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়।
করোনা আক্রান্ত সাংবাদিক মনি’র সুস্থতা কামনা কেসিআরএ’র
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের (কেসিআরএ) নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দৈনিক প্রবাহের স্টাফ রিপোর্টার কামরুল হোসেন মনি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় আইসোলেশনে আছেন। তার আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি প্রদান করেছেন কেসিআরএ নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন কেসিআরএ’র সভাপতি এইচএম আলাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী শামীম আহমেদ, সহ-সভাপতি ডিএম রেজা সোহাগ, এসএম কামাল হোসেন ও সুমন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ দেওয়ান, যুগ্ম-সম্পাদক বিমল কুমার সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক নূর হাসান জনি, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাকসুদ আলী, কোষাধ্যক্ষ এমএ জলিল, দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নূর, প্রচার সম্পাদক জয়নাল ফরাজী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল মাহমুদ প্রিন্স, পাঠাগার সম্পাদক শিশির রঞ্জন মল্লিক, কার্যনির্বাহী সদস্য হুমায়ুন কবীর, আসাদুজ্জামান রিয়াজ, আলমগীর হান্নান, আহমদ মুসা রঞ্জু ও মামুন খান।
২৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনারের মৃত্যুতে আ’লীগের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মো. মুজিবুর রহমান লুলু (৬৫) ইন্তেকাল করেছেন ইন্নালিল্লাহে ……… রাজেউন)। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজে জানাযা বাদ আসর মিয়াপাড়া কায়েমিয়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমকে টুটপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। মো. মুজিবুর রহমান লুলু’র মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা শোকাহতদের বাড়িতে যান, সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে এবং ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা কাউন্সিলর আজমল আহমেদ তপন, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, হাফেজ মো. শামীম, মো. ইকবাল হোসেন, আজম খান সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এদিকে সাবেক কমিশনার মো. মুজিবুর রহমান লুলু’র মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম স্বপন, মহাসিনুর রহমান আফরোজ।
॥ সংসদ সদস্যের শোক ॥
২৮নং ওয়ার্ড সাবেক কমিশনার মো. মুজিবুর রহমান লুলু’র মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।
॥ এস এম কামাল হোসেনের শোক ॥
২৮নং ওয়ার্ড সাবেক কমিশনার মো. মুজিবুর রহমান লুলু’র মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।
কেশবপুরে ভাসমান বেডে সবজি চাষ
কেশবপুর প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুর উপজেলার হরিহর নদীর বদ্ধ পানিতে ভাসমান বেডে (ধাপে) সবজি আবাদ করা হয়েছে। মধ্যকুল রাজবংশীপাড়ায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এলাকার কৃষকরা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছেন। মধ্যকুল রাজবংশীপাড়ায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এলাকার কৃষকরা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছেন। যাদের বসতভিটা ছাড়া জমি নেই এমন যুবকেরা ওই নদীর শেওলা দিয়ে ধাপ তৈরি করে তার ওপর বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করেছেন। এতে তাদের সংসারের প্রয়োজন মিটিয়েও অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হরিহর নদীতে নাব্যতা না থাকায় শেওলায় পরিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। ওই নদীর তীরবর্তী মধ্যকুল রাজবংশীপাড়ার জেলেরা নদীতে মাছ শিকার করতে ব্যর্থ হয়ে বেকার হয়ে পড়েন। এ সময় ওই নদীর শেওলাকে কাজে লাগিয়ে সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি বিভাগ একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। গত মার্চ মাসে কৃষি বিভাগ ভাসমান বেডে সবজি চাষের ওপর মধ্যকুল ব্লকের রাজবংশীপাড়ার ২২-২৪ জন কৃষক-কিষাণীকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।
মধ্যকুল ব্লকের দায়িত্বরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনাথবন্ধু দাস জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকরা নদীর শেওলা প্রথমে স্তুপ করে রাখেন। শেওলা পচে ধাপ তৈরি হলে তার ওপর দেওয়া হয় ভার্মি কম্পোস্ট। এরপর সবজির বীজ বপণ করা হয়। প্রতিজন কৃষক ৩-৪টি বেড তৈরি করে তার ওপর সবজি চাষ করেছেন। রাজবংশীপাড়ার গোরাচাঁদ সরকার জানান, তিনি ওই নদীতে পাঁচটি ভাসমান বেড করেছেন। তাতে লাল শাক, সবুজ শাক, গিমা কলমি, পুঁইশাক, ডাটা শাক এবং ভাসমান বেডের ওপর মাচা (বান) করে লাউ ও চালকুমড়ার চাষ করেছেন। কোনো রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগ ছাড়াই তিনি বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করছেন। এতে তিনি সংসারের প্রয়োজন মিটিয়ে অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তার দেখে ওই পাড়ার আরো ২০-২৫ জন কৃষক এ পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন শুরু করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেবচন্দ্র সানা বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগ ‘ভাসমান বেডে সবজি ও মশলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। যাদের কৃষি জমি নেই তারা এই পদ্ধতিতে সবজি আবাদ করলে লাভবান হবেন।
নড়াইলে ট্রিপল মার্ডার: আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার গন্ডব গ্রামে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন মুক্তিযোদ্ধারাসহ গন্ডব গ্রামবাসী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টায় লোহাগড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এমএম গোলাম কবীর, কাশিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. মতিয়ার রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মো. মোস্তফা মোল্যা, মুক্তিযোদ্ধা ডা. মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা মো. বাচ্চু মিয়া, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. ওমর মোল্যা ও নিহত হাবিলের ছেলে আব্দুর রহিম।
নিহত রফিকুল ইসলামের পিতা মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান বলেন, ‘তিন মাস আগে গন্ডব গ্রামের ইয়াবা ব্যবসায়ী শেখ সুলতান মাহমুদ বিপ্লব ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন রাতে আমার ছেলেকে কাঞ্চনপুর এলাকায় নিয়ে মারপিট করে। পরে সেখান থেকে রফিকুলকে সুলতান মাহমুদ বিপ্লবের ইটভাটায় নিয়ে যায় এবং দেশীয় অস্ত্রসহ পুলিশে ধরিয়ে দেয়। এরপর গত ১০ জুন পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
নিহত রফিকুল ইসলামের ভাই মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী শেখ সুলতান মাহমুদ বিপ্লব ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের এনে গন্ডবের তিনটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের তিন জন সদস্যকে হত্যা করেছে। আমি সঠিক তদন্তসহ আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসি চাই।’
সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন দুপুরে গন্ডব গ্রামের মোক্তার মোল্যা, আমিনুর রহমান ওরফে হাবিল রফিকুল ইসলামকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ
সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় গত ১২ জুন মোমরেজ মোল্যা বাদী হয়ে ৭৭ জনকে আসামি করে মোক্তার মোল্যা ও আমিনুর রহমান হাবিল মোল্যা হত্যার ঘটনায় লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এছাড়া গত ১৪ জুন নিহত রফিকুল ইসলামের পিতা সাইফুর রহমান শেখ বাদী হয়ে ৭৯ জনকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় অপর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গন্ডব গ্রামে পূর্ব শত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মিরাজ মোল্যার লোকজনের সঙ্গে শেখ সুলতান মাহমুদ বিপ্লবের লোকজনের সংঘাত চলে আসছে। এই বিরোধের জের ধরে শেখ সুলতান মাহমুদ বিপ্লব পক্ষের লোকজনের ধারালো অস্ত্রের কোপে গত ১০ জুন গন্ডব গ্রামের মোক্তার মোল্যা, আমিনুর রহমান ওরফে হাবিল মোল্যা ও রফিকুল ইসলাম নিহত হন।
এ ব্যাপারে সুলতান মাহমুদ বিপ্লবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, হত্যাকা-ের পর পুলিশ প্রথমে ১৩ জনকে আটক করে। পরে গত ২২ জুন দু’টি মামলার ৭২ জন আসামি থানায় আত্মসমর্পণ করলে পুলিশ তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চিকিৎসা সংকটে খুলনায় বাড়ছে মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় চিকিৎসা সংকটে করোনা ও উপসর্গের ভুগতে থাকা রোগীর পাশাপাশি অন্যান্য রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সরকারি হাসপাতালে করোনা ইউনিটে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক না থাকা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব, রোগী অনুপাতে চিকিৎসক কম থাকায় মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীর স্বজনরা। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালে করোনা সার্টিফিকেটের জটিলতা ও ব্যবসায়ীক মনোভাবকে দায়ি করছেন অনেকেই।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত পর্যন্ত একদিনে খুলনায় সাত জনের মৃত্যু হয়। এ পর্যন্ত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে ৬৪ জনের মৃত্যু হলো। এর আগে গত ১৯ জুনও একদিনে এই হাসপাতালে সাত জনের মৃত্যু হয়েছিল।
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকরা প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ করে দেওয়ায় অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি প্রায় বন্ধ। ঝামেলা এড়াতে খুলনা সিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যে কয়টি কিনিকে অপারেশন চালু আছে, সেখানে নানা সংকটের কথা জানিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
মহানগরীর শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা কামরুল হোসেন বলেন, ‘খুলনায় করোনা উপসর্গ জ্বর, সর্দি-কাশিতে ব্যবহৃত ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিকের দাম কয়েক গুন বেড়েছে। ওষুধের সরবরাহ নাই জানিয়ে ফার্মেসিগুলো বেশি দাম নিচ্ছে। রোগীর সিটি স্ক্যানসহ সব ধরনের টেস্টের ব্যয়ও বেড়েছে। উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীর স্বজনরা।’
অভিযোগ পাওয়া গেছে, ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত গৃহবধূ আবিদা বেগম (৪২) তিন দিন ধরে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। কিন্তু করোনার কারণে ওয়ার্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না আসায় স্বজনরা তাকে মঙ্গলবার বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে রোগীর গায়ে জ্বর থাকায় কেউ ভর্তি নিতে রাজি হয়নি। পরে ‘করোনা নেই’ সনদ দেওয়ার শর্তে খুলনার গাজি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি নেওয়া হয়। স্বজনদের অভিযোগ, তিন দিন আগে খুমেক হাসপাতালে এই রোগীর সিটি স্ক্যান করা হয়, কিন্তু রিপোর্ট হাতে পাননি তারা। সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এর জেলা সম্পাদক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই খুদা বলেন, ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং না থাকায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবায় এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর পেছনে বাণিজ্যিক মানসিকতা কাজ করছে। বেসরকারি হাসপাতাল কিনিকের চিত্রটা আরও ভয়াবহ। চিকিৎসকরা প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ করে দেওয়ায় করোনা আক্রান্ত না হয়েও অসংখ্য রোগী চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন।’
খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. শেখ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে অর্ধশতাধিক করোনা পজিটিভ রোগী ভর্তি রয়েছেন। অক্সিজেনের পরিমাণ যা আছে তা দিয়ে সামাল দেওয়া হচ্ছে। রোগী বেড়ে গেলে অক্সিজেন সংকট সৃষ্টি হতে পারে।’
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মো. রেজা সেকেন্দার জানান, বর্তমানে হাসপাতালে ৪৫০টি ছোট, ১৫টি বড় এবং সম্প্রতি অক্সিজেন সরবরাহকারীদের নিকট থেকে ২০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার লোন করা হয়েছে। এখন যা আছে তা যথেষ্ট নয়। রোগীর চাপ বাড়লেই সংকট সৃষ্টি হবে।
তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ৩৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই রোগীদের চিকিৎসা দিতে প্রতি শিফটে চার জন করে চিকিৎসক প্রয়োজন। কিন্তু আমরা সকালে দুই জন, বিকালে ও রাতে একজন করে চিকিৎসক দিয়ে কাজ চালাচ্ছি। কোনও শিফটে চিকিৎসক শুন্য থাকে না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও সুবিধা মতো সময়ে পরিদর্শনে যান। এখানে যারা আসেন তারা মরণাপন্ন অবস্থায় আসেন। তাই মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। একটু সুস্থ অবস্থায় আসলে তাদের বাঁচানো সম্ভব।’
এদিকে, খুলনা জেলা করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভায় নতুন করে খুলনায় ৪২ বেডের আরও একটি করোনা চিকিৎসাকেন্দ্র চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটি খুলনা জেনারেল হাসপাতালের চতুর্থ তলায় স্থাপন করা হবে।
মোড়েলগঞ্জে দুই ভাই বোনকে কুপিয়ে জখম
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুই ভাই-বোনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা। বৃহস্পতিবার বেলা ৮টার দিকে বারইখালী গ্রামের ফজলুর রহমান হাওলাদারের ছেলে রাজু হাওলাদার ও মেয়ে শাকিলা আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। আহত দুই ভাই-বোনকে বেলা ১০টার দিকে মোড়েলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. কামাল হোসেন মুফতি ওই দুজনের বিষয়ে বলেন, উভয়ের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধীক কোপের চিহ্ন রয়েছে। প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়েছে।
এ বিষয়ে থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝিনাইদহে জোরপুর্বক এক গৃহবধুর নগ্ন ছবি তুলে টাকা দাবী করার অভিযোগে ৪ জন গ্রেফতার
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে জোরপুর্বক এক গৃহবধুর নগ্ন ছবি তুলে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবী করার অভিযোগে ৪ জন গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান জানান, গত ১৮ জুন সন্ধ্যায় শহরের চাকলাপাড়ায় একগৃহবধুকে জোরপুবর্ক আপত্তিকর ছবি ধারণ করে সানি, শাওন, মারুফ ও সোহান নামের ৪ যুবক। তার আপত্তিকর ওই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগির কাছে টাকা দাবী করে আসছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগি পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দিলে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ভিডিও ধারণকারী মোবাইল ফোন।
মোড়েলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নের রাসেলের কর্মকান্ডে কয়েক গ্রামের সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ
এম.পলাশ শরীফ,মোড়েলগঞ্জ
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে চিংড়াখালী ইউনিয়নের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ কয়েক গ্রামবাসী। অভিযোগ রয়েছে এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের। প্রতিবাদ করলেই রাতের অন্ধকারে কখনো প্রকাশ্যে রাস্তার উপর হামলা চালিয়ে কেড়ে নেয় নগদ অথর্, স্বর্ণালঙ্কার, ব্যবহারিক মোবাইল, কুপিয়েÑপিটিয়ে আহত করে সাধারণ মানুষ। এ ঘটনায় মোড়েলগঞ্জ থানা ও পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী থানায় মোট ১০টি মামলা রাসেল মোল্লার নামে।
এলাকাবাসী ও মামলাসূত্রে জানাযায়, উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের সিংযোড় গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে রাসেল মোল্লাসহ ২০-২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল মাদক বিক্রি ও সেবন কাজে নিয়োজিত থাকাকালে তাদের এ কাজে প্রতিবাদ করলেই পিটিয়ে-কুপিয়ে আহত করে নগদ অর্থ স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল কেড়ে নেয়। এহেন কর্মকান্ড গত ২০১৫ সাল থেকে চালিয়ে যাচ্ছে এই রাসেল মোল্লা।
এদের নির্যাতনের স্বিকার এলাকাবাসী কুপিয়েÑপিটিয়ে জখম করার অপরাধে রাসেলের নামে মোড়েলগঞ্জ থানায় ৯টি মামলা দায়ের করেছে এলাকার ভুক্তভোগিরা।
কিছু মামলা আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল ও কিছু মামলা পুলিশের তদন্তধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। এ সকল মামলায় আদালত থেকে জামিনে বেড়িয়ে এসে ওই মামলার বাদীদের মামলা প্রত্যাহারের হুমকি প্রদানেরও অভিযোগ রয়েছে। মামলা করেও রেহাই মিলছে না এলাকা বাসীর।
একাধীক মামলা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রাসেল মোল্লা পুলিশের তাড়া খেয়ে পালিয়ে বেড়ালেও থামছে না তাদের এ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। গত ৩ জুন একই কর্মকান্ডের অভিযোগ এনে চন্ডিপুর গ্রামের মোকাম্মেল মোল্লার ছেলে মেহেদী হাসান রাসেল মোল্লাকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে মোড়েলগঞ্জ থানায় আরো একটি মামলা দায়ের হয়। যার মামলা নং-৫, তারিখ-৩.৬.২০২০। সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতা রাসেলের সাংঙ্গ পাঙ্গদের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে আইনশৃংখলা বাহিনীর কঠোর হস্থক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে রাসেল মোল্লা বলেন, এলাকায় আমার শক্রুপক্ষ কিছুলোককে সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুল ওই মামলাগুলো দায়ের করে, যা সঠিক নয়।
পাইকগাছার চাঁদখালী ও লস্কর ইউনিয়ন পরিষদে বিট পুলিশিং-এর সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছার চাঁদখালী ইউনিয়ন পরিষদে বিট পুলিশিং-এর সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আলহাজ্ব মুনছুর আলী গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলে ওসি এজাজ শফী। উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারম্যান জোয়াদুর রসুল বাবু, এস,আই জাহিদ, তনয়, আজিজুল ইসলাম, শেখ গোলাম রব্বানী, আঃ বারিক, দুরজান গাজী, রফিকুল ইসলাম, ইছার উদ্দীন, ¯েœহা খাতুন, সুব্রত মন্ডল, চিত্তরঞ্জন সানা, নজরুল গাজী, আব্দুল মজিদ সরদার ও ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান। অনুরূপভাবে, লস্কর ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি চেয়ারম্যান কে,এম, আরিফুজ্জামান তুহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ওসি এজাজ শফী। উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য অরবিন্দু মন্ডল, মোঃ তাজউদ্দীন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আসাফুর রহমান ও রমেছা বেগম।
পাইকগাছায় লস্কর ও চাঁদখালী ইউনিয়নে সরকারি চাল বিতরণ
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় লস্কর ইউনিয়ন পরিষদে সরকার প্রদত্ত ১ হাজার ৫শ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। বৃস্পতিবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন এ চাল বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ট্যাগ অফিসার সুজিত কুমার মন্ডল, ইউপি সচিব ফারুক হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান তাজউদ্দীন গাজী, রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মিনতী মন্ডল, রমেছা বেগম, গ্রাম আদালত সহকারী বাবুল হোসেন। অপরদিকে, চাঁদখালী ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি চাল ৪৫০ পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান জোয়াদুর রসুল বাবু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ট্যাগ অফিসার ঝংকর ঢালী, সচিব আব্বাস উদ্দীন, ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান, শফিকুল ইসলাম, মশিউর রহমান রাজু, নজরুল ইসলাম হিরা, সুষমা মন্ডল, গ্রাম আদালত সহকারী কৃষ্ণা রাণী সরকার।
বাগেরহাটে আঞ্চলিক মহা সড়কে চলছে ভাংঙ্গা-গড়ার খেলা
বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি
একদিকে সড়ক নির্মানের কাজ চলছে আবার অন্যদিকে তা ভেঙ্গে পড়ছে। নাম মাত্র বালু দেয়া আর কোন প্রকার কম্প্রেকশন ছাড়াই চলছে সড়কের পার্শ্ব প্রসস্তকরন হেরিংবোনের কাজ। সড়ক বিভাগের নাম মাত্র তদারকির কারনে বাগেরহাটের সাইনবোর্ড-শরণখোলা-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কে এভাবেই ইচ্ছা মাফিক কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।
জানাগেছে, বাগেরহাট সড়ক বিভাগ ছয় মাস আগে সাইনবোর্ড-শরণখোলা-বগীআঞ্চলিক মহাসড়কের আমড়াগাছিয়া কাঠেরপুল থেকে রায়েন্দা বাস স্টান্ড পর্যন্ত সড়ক প্রসস্ত করনের দরপত্র আহবান করে। সড়কের দুই পাশে তিন ফুট করে পাঁচ কিলোমিটার পার্শ্ব প্রসস্ত করনের জন্য হেরিংবোনের প্রাক্কলন করা হয়। বাগেরহাটের মোজাহার এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক কোটি ৩৯ লাখ টাকায় ওই কাজ নিয়ে শুরু থেকেইে অনিয়মের আশ্রয় নেয়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন সড়কটি ফেলে রেখে এখন জুন মাসে বিল উত্তোলনের জন্য রাতের অন্ধকারে তড়িঘড়ি করে যেনতেন ভাবে উক্ত প্রকল্পটি বাস্থবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছে ।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মান কাজে মাত্র আড়াই থেকে তিন ইঞ্চি বালু দেয়া হচ্ছে। কোন প্রকার কম্প্রেকশন ছাড়াই ইট বিছানোর কারনে গাড়ীর চাকা ওঠার সাথে সাথে তা ডেবে যাচ্ছে। এছাড়া পাশে কোন মাটি না দেয়ায় বিভিন্ন জায়গা থেকে ইতি মধ্যে ভেঙ্গে পড়ছে। সড়কটি জুড়ে যেন চলছে ভাংঙ্গা-গড়ার খেলা।
এসময় ধানসাগর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন ও তাফালবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, নুন্যতম বালু না দিয়ে এতো খারাপ ভাবে কাজ করছে তা বলে বুঝানো যাবে না। কাজ শেষ করার আগেই তা ভেঙ্গে পড়ছে। এই কাজের নামে সরকারি অর্থ লোপাট ছাড়া আর কিছুই হচ্ছে না বলে তারা মন্তর্য করেন। এই ঠিকাদার শরণখোলায় যতগুলি কাজ করেছে তা সবই নি¤œমানের। যার জন্য এখনো মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ধানসাগর ইউপি চেয়ারম্যান মাঈনুল ইসলাম টিপু, আমড়াগাছিয়া এলাকার মুক্তিযোদ্ধা অজিত কির্তনিয়া, মনিন্দ্রনাথ হালদার বলেন, দীর্ঘদিন কাজ ফেলে রাখার পর জুন মাসে বিল তুলে নেয়ার জন্য এখন যেনতেন ভাবে কাজ শেষ করছেন। এর চেয়ে কাজ না করাটাই অনেক ভাল ছিল। তারা বিষয়টি দেখার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাগেরহাট সড়ক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নির্মান কাজের তদারকি কর্মকর্তা মোঃ রিপন মিয়া বলেন, তার যোগদানের আগে ওই কাজের প্রাক্কলন করা হয়েছে। প্রাক্কলনে মাত্র তিন ইঞ্চি বালু ধরায় কাজটি ঠিকমতো হচ্ছে না। এলাকাবাসীর অভিযোগের কারনে বিষয়টি নিয়ে আমরাও বীব্রত। তবে যেসব স্থানে ডেবে বা ভেঙ্গে গেছে তা পুনঃরায় ঠিক করে দেয়া হবে।
বাগেরহাট সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফরিদ উদ্দিন বলেন, এ বিষয়টি আমিও দেখে এসেছি। কম্প্রেকশনের পরে মুলতঃ তিন ইঞ্চি বালু থাকার কথা। আসলে বৃষ্টির কারনে নির্মানাধীন সড়কটি ডেবে যাচ্ছে। তবে, সব কাজ ঠিক করে না দেয়া পর্যন্ত ঠিকাদারকে কোন বিল দেয়া হবে না।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজের পক্ষে মোঃ মশিউর রহমান সেন্টু বলেন, বৃষ্টির কারনে সড়কটির কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে, ভয়ের কিছুই নেই । ভেংঙ্গে যাওয়া স্থান গুলো ঠিক করা হবে।
২২ প্রজাতির দেশীয় মাছ প্রজননে নতুন প্রযুক্তি
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বিলুপ্ত প্রায় ২২টি প্রজাতির দেশীয় মাছ প্রজননের জন্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাছ চাষের উপর ৬৪টি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। যা এসব মাছের বিলুপ্তিরোধে কাজ করবে।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি ও গবেষণা প্রকল্প প্রণয়ন সংক্রান্ত আঞ্চলিক এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন- মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ, খুলনার উপ-পরিচালক মোহা. মজিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ, খুলনার সাবেক কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ম্যানেজার শেখ শফিকুর রহমান, লোনা পানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিলুফা বেগম।
বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এফ এম শফিকুজ্জোহার সভাপতিত্বে কর্মশালায় দশটি গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়।
গবেষণা কেন্দ্রের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম রাকিবুল ইসলাম, ড. এএসএম তানবিরুল হক, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এমডি শরিফুল ইসলাম গবেষণা প্রকল্পের ফলাফল ও সম্ভানা সম্পর্কে অবহিত করেন।
এসময় বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. খালেদ কনক, জেলা চিংড়ি চাষী সমিতির সভাপতি মহিতুর রহমান সুমন, চিংড়িচাষী ও গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাটে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও ডেঙ্গু মশার প্রজনন রোধে পাঁচদিনের সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও ডেঙ্গু মশার প্রজনন রোধে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে নেমেছে ১৫টি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগ কোভিড রেসপন্স ইউনিটি। বৃহষ্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের স্বাধীনতা উদ্যানে শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে এই প্রচারাভিযান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ।
২৫ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাগেরহাট পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে জীবানুনাশক ওষুধ ছিটানো, জনসচেতনতামূলক লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ করবে কোভিড রেসপন্স ইউনিটির সেচ্ছাসেবক দল।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর বাগেরহাটের এই ১৫টি সেচ্ছাসেবী সংগঠন সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জনসচেতনতামূলক প্রচারণা, অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তাসহ নানা প্রচারণামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। এই সংগঠনগুলো সম্প্রতি যৌথভাবে সভা করে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ বলেন, বাগেরহাটের সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো যে উদ্যোগ আজ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসনীয়। এমন উদ্যোগ মানুষকে সচেতন করতে দারুণভাবে কাজে দেবে। জনহিতকর কাজে প্রশাসন সব সময় আপনাদের পাশে থাকবে। এই ধরনের উদ্যোগ পরিকল্পনা অনুযায়ি করতে হবে। তাহলে এই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে। বাগেরহাটের অধিকাংশ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে বাগেরহাটের মানুষ যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তার জন্য সংগঠনগুলোর সেচ্ছাসেবকদের মাঠে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা।
বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক কোভিড রেসপন্স ইউনিটির মূখ্য সমন্বয়কারি আহাদ উদ্দিন হায়দার বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার থেকে বাগেরহাটের বিভিন্ন বেসরকারি সামাজিক সংগঠন নানা কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে করোনা নিয়ে কাজ করা ১৫টি সংগঠন যৌথভাবে বসে কোভিড রেসপন্স ইউনিটি গঠন করা হয়। আমরা সম্মিলিতভাবে বাগেরহাটে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও ডেঙ্গু মশার প্রজনন রোধে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে কাজ শুরু করছি। পৌরবাসিকে সচেতন করতে আমাদের ১৫টি সেচ্ছাসেবক দল পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডে কাজ করবে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আমাদের এই প্রচারাভিযান চলবে।
বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক কোভিড রেসপন্স ইউনিটির মূখ্য সমন্বয়কারি আহাদ উদ্দিন হায়দারের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন এবং সেচ্ছাসেবী সংগঠন ইচ্ছার সভাপতি কোভিড রেসপন্স ইউনিটি’র সমন্বয়কারি এ্যাডভোকেট শাহীন সিদ্দিকী ।
যুবদল নেতার মৃত্যুতে বাগেরহাট জেলা যুবদলের শোক
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলা যুবদলের সদস্য বেল্লাল হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাগেরহাট জেলা যুবদল। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে জেলা যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফোরকান আম্মেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয় জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বাগেরহাট জেলা যুবদলের সভাপতি মো. হারুন আল রশিদ ও সাধারনসম্পাদক মো. সুজন মোল্লাসহ দলের নেতৃবৃন্দ প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে তার এই অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
নেতারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে, তার শোক সন্তপ্ত পরিবার বর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
বাগেরহাটে আরো ৯ জনের করোনা পজেটিভ
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে ব্যাংক ম্যানেজার, সংবাদকর্মী ও স্বাস্থ্যসহকারীসহ আরো ৯ জন করোনা পজেটিভ হয়েছেন।
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা পর্যন্ত বাগেরহাট জেলায় মোট ১৫৮ জন ব্যাক্তি করোনা পজেটিভ হয়েছেন। জেলার শরনখোলা উপজেলায় জনতা ব্যাংক ম্যানেজার ও একজন স্বাস্থ্য সহকারী , আর চিতলমারী উপজেলায় একজন সংবাদ কর্মী রয়েছেন।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডাঃ কে এম হুমাউন কবির বৃহস্পতিবার দুপুরে জানান, খুলনা ল্যাব থেকে ২ জন ও যশোর থেকে ৭ জন মোট ৯ জনের পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। সব মিলিয়ে জেলায় মোট ১৫৮ জন করোনা পজেটিভ হয়েছেন।
শরণখোলায় শতাধিক প্রতিবন্ধী পরিবারকে অর্থ সহায়তা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় ১১৭টি প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জেজেএস ও জাপান ভিত্তিক আর্ন্তজাতিক উন্নয়ন সংস্থা শাপলানীড়ের সহযোগিতায় সিডর বিদ্ধস্থ শরণখোলা উপজেলার সাউথখালি ইউনিয়নের প্রতিবন্ধি পরিবারগুলোকে মাঝে খাদ্য ক্রয়ের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
এসময় সাউথখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, জেজেএস-এর প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, সেখ নাজমুলহুদাসহ স্থানীয় গন্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন। কোভিড-১৯ এর ঝুকি বিবেচনা করে সামাজিক দুরত্ত্ব নিশ্চিতসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপকারভোগীদের মধ্যে এই অর্থ বিতরণ করা হয়। অস্বচ্ছল প্রতিটি প্রতিবন্ধী পরিবারকে নগদ ২হাজার টাকা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠিানটি। কোভিড-১৯ মহামারির কারনে বিগত ২৬ মার্চ থেকে সারা বাংলাদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। চলমান লকডাউনের কারনে দেশের দরিদ্র অসচ্ছল পরিবারগুলি অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। এবিষয়টি বিবেচনা করে সংস্থাটি এই উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কয়রায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের প্রদীপনের নগত অর্থ বিতরণ
কয়রা প্রতিনিধি
ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রা উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের ৪১৭ টি পরিবারে শর্তবিহীন নগত অর্থ বিতরণ করেছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রদীপন। দাতা সংস্থা সেভ দ্যা চিলড্রেন এর অর্থায়নে প্রদীপন ৪ টি ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করেন এবং প্রতিটি পরিবারে নগত ৪,৫০০ টাকা বিতরণ করেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় কয়রা সদর ইউনিয়নে সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়ে ১৩০ টি পরিবারে স্থানীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক হুমায়ুন কবিরের উপস্থিতিেিত এই অর্ত বিতরণ করা হয়। এসময় সেভ দ্যা চিলড্রেনের প্রতিনিধি প্রজেক্ট অফিসার আব্দুল বাতেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রদীপনের মোঃ মনির হোসেন, মোঃ জেনারুল হক, দেবাশিষ মন্ডল, সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম,কয়রা প্রেস কাবের সভাপতি এসএম হারুন অর রশীদসহ সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে এর আগে ১৮ জুন বাগালী ইউনিয়নে ৫০ এবং ২০ জুন মহারাজপুর ইউনিয়নে ১৩৬ পরিবারে শর্তবিহীন নগত অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া শনিবার বেদকাশি ইউনিয়নে ১০১ টি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে নগত অর্থ দেওয়া হবে। বিভিন্ন ইউনিয়নে উক্ত অর্থ বিতরণকালে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বরগন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। প্রদীপনের প্রতিনিধি মোঃ জেনারুল হক জানান, প্রতিটি পরিবারে সাড়ে ৪ হাজার টাকার মধ্যে ৩ হজার টাকার খাবার ক্রয় এবং ১ হজার ৫ শ টাকার পরিবারের প্রয়োজনীয় মালামাল কেনার জন্য। তিনি বলেন, আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ সকল পরিবারে পর্যায়ক্রমে সংস্থার পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।
করোনা প্রতিরোধে ১০নং ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ তালুকদার আব্দুল খালেকের নির্দেশনায় ১০নং ওয়ার্ডে করোনা প্রতিরোধ ও সহায়তা স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী তালাত হোসেন কাউট আহবায়ক ও ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী তালাত হোসেন কাউটের সভাপতিত্তে ও ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, আ’লীগ নেতা মাষ্টার দেলোয়ার হোসেন, কাজী মারুফাত হোসেন ফাইট, যুবলীগ নেতা কাজী ইয়াসির আরাফাত হোয়াইট, সাংবাদিক নেতা এস এম নূর হাসান জনি, মহিলালীগ নেত্রী সালমা বেগম, ইলা রহমান, আ’লীগ নেতা ইমরান হোসেন পান্নু, কামাল মৃধা, জামাল হোসেন খোকন, ঈসমাইল হোসেন, মোঃ শামীম(সাংবাদিক). নয়া মিয়া আকন, মাহবুবুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, মনির হোসেন বাবু, রুমান শিকদার, মোঃ শাহজাহান, মিজানুর রহমান, মোঃ ওয়ারী, ডাঃ কামরুজ্জামান সেলিম, শহিদুল ইসলাম লিটন, শেখ জামাল হোসেন, মাসুম হোসেন বাবু, শাহাদাত হোসেন লিটন, অব্ধলী, জোছনা প্রমুখ। সভা শেষে নেত্রী বৃন্দ ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে জন সাধারণকে সচেতন করেন এবং মাস্ক বিতরণ করেন।
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেকুর রহমানের সঞ্চালনায় বাজেট সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, ডালিম কুমার ঘরামী, জেলা পরিষদের সদস্য আল-ফেরদাউস আলফা, ওবায়দুর রহমান লাল্টু, মীর জাকির হোসেন, মাহফুজা সুলতানা রুবি, এ্যাড. শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, মহিতুর রহমান, এম.এ হাকিম, কাজী নজরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, শিল্পী রাণী মহলদার, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম খলিলুর রহমান প্রমুখ।
বাজেট অনুষ্ঠান থেকে এ সময় জেলা পরিষদের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ৩০ কোটি ৮৬ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭শ’ ৫২ টাকা ৭১ পয়সা এবং ২৭ কোটি ৫৬ লক্ষ ১২ হাজার ১শ ’৫ টাকা ১২ পয়সা’র সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেট ঘোষণা করা হয়।
ফকিরহাটে ডাঃ উপেন্দ্রনাথ পালের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ফকিরহাট উপজেলা শাখার উপদেষ্টা, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও প্রাপ্তণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ উপেন্দ্রনাথ পালের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ফকিরহাট উপজেলা শাখার নের্তৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও কমিটির উপদেষ্টা স্বপন দাশ ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা শিরিনা আক্তার সহ কমিটির শক্তিপদ দে, ডাঃ অরবিন্দু পাল, নিমাই চন্দ্র পাল, সত্য রঞ্জন চক্রবর্তী, দাশ শিশির কুমার, মোরারী মোহন পাল, জীবন কৃষ্ণ ঘোষ, বিশ্বনাথ দে, তাপস কুমার বিশ্বাস, মনোতোষ রায় কেষ্ট, র্নিমল দাশ, গোবিন্দ্র চন্দ্র পাল, রতন রায় নরেন পাল, দেব প্রসাদ চক্রবর্তী, দুলাল সাহা, অসিম ঘোষ, শুভ রায় প্রমূখ। উল্লেখ্য, ডা: উপেন্দ্রনাথ পাল ২৩জুন রাতে করোনা ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
মহেশপুরে মসজিদ উন্নয়নের টাকা কমিটির পেটে
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সীমান্ত ঘেষা অবহেলিত একটি গ্রাম চাঁদরতনপুর। গ্রাম বাসীর উদ্যোগে গ্রামটিতে একটি মসজিদ নির্মান করা হয়। নাম দেওয়া হয় চাঁদরতনপুর সাতপাড়া জামে মসজিদ। মসজিদটি উন্নয়নের জন্য দু’বছর পুর্বে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ থেকে ৫০ হাজার টাকাও বরাদ্ধ দেওয়া হয়। কিন্তু চাঁদরতনপুর জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মাত্র ১৬ হাজার টাকার উন্নয়ন করে ৩৪ হাজার টাকা পেটে ভরেছে। ফলে মসজিদটির আর উন্নয়ন হয়নি। এভাবেই কথা গুলো বলেন মসজিদ এলাকার বাসিন্দারা।
তবে চাঁদরতনপুর সাতপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সাবেক এক সদস্য জানান,২০১৮ সালে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ সদস্য খবির উদ্দীন আমাদের মসজিদ উন্নয়নের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেন। কমিটির তৎকালীন সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দু’জনে মিলে টাকা উত্তোলন করেন। মাত্র ১৬ হাজার টাকার কাজ করে বাকি টাকা আতœসাৎ করেছেন। যা আজও আমাদের কোন হিসাব দেননি।
চাঁদরতনপুর সাতপাড়া জামে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান জানান, আমরা কমিটিতে আসার পর জেলা পরিষদ থেকে যে মসজিদ উন্নয়নের কাজের জন্য ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিলো সে কাটার কোন কাজ দেখিনি। সে টাকা গুলো মসজিদের কোথায় উন্নয়ন করেছেন তাও আমাদেরকে বলেনি। মসজিদ উন্নয়ন কমিটির সকলেই জানতে চাইলে তৎকালীন সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সাফ জানিয়ে দেন সে টাকার উন্নয়ন করা হয়েছে।
চাঁদরতনপুর সাতপাড়া জামে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান আরো জানান এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।
এব্যাপারে চাঁদরতনপুর সাতপাড়া জামে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির তৎকালীন সভাপতি শফিকুল ইসলামের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তবে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন মসজিদ ফা-ের টাকা আর জেলা পরিষদের টাকা দিয়ে আমরা মসজিদের ঘর,গ্রীল ও টাইলস লাগিয়েছি। বাকিটা সভাপতি বলতে পারবেন।
জেলা পরিষদের সদস্য খবির উদ্দীন জানান, চাঁদরতনপুর সাতপাড়া জামে মসজিদ উন্নয়নের জন্য জেলা পরিষদ থেকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু ঐ টাকা দিয়ে তারা কি কি কাজ করেছেন তা আমার জানা নেই। তবে আমি শুনেছি সব টাকার নাকি কাজ করা হয়নি।
এমইউজের সাবেক সহ-সভাপতি রাশিদুল ইসলামের খালাতো ভাইয়ের করোনায় মৃত্যু
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজের কাউন্সিলর, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার সাবেক সহ-সভাপতি, খুলনা প্রেসকাবের নির্বাহী সদস্য, দৈনিক মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার রাশিদুল ইসলামের খালাতো ভাই খুলনা জিলা স্কুলের শিক্ষক মো. জান্নাতুল ফেরদৌস (৪০) এর করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
খুমেক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ও করোনা ওয়ার্ডের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান জানান, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে খুলনা জিলা স্কুলের শিক্ষক মো. জান্নাতুল ফেরদৌস (৪০) বুধবার রাত ১১টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার বাড়ি নগরীর বয়রা পালপাড়া এলাকায়। তার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
এদিকে সাংবাদিক নেতা রাশিদুল ইসলামের খালাতো ভাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজে ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন- বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান, সহ-সভাপতি এহতেশামুল হক শাওন, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান হিমালয় ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক রানা, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি ড. মো. জাকির হোসেন, সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও এহতেশামুল হক শাওন।
শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজে অনিয়ম,ব্যাকডেটে নিয়োগ দিয়ে অর্ধকোটি টাকার বাণিজ্য
মহেশপুর(ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজ দূর্ণীতি ও অনিয়মে ভরপুর, ২০১৫ সালের নিয়োগ ২০২০ সালে দিয়ে অর্ধকোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত সূত্রে প্রকাশ, কলেজের সু-চতুর অধ্যক্ষ শওকত আলী(নিয়োগ আলী)পুরাতন কমিটির স্বাক্ষরে ৩জন কে নিয়োগ দিয়ে অর্ধকোটি টাকার বাণিজ্য করেছে বলে অভযোগ পাওয়া গেছে। একটি গোপন সূত্র থেকে জানা গেছে, ২০২০ সালে অর্ধকোটি টাকার বিনিময়ে ৩ জনকে ২১/১২/১৫ ইং তারিখে ব্যাক ডেটে নিয়োগ দেখিয়ে ঢাকায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম দিকে সরকার সারা দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভূক্তির ঘোষণা করলে ঐ ঘোষনায় শহীদ জিাউর রহমান কলেজ কারিগরি শাখা এমপিও ভূক্তিকরণ হয়। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কলেজের সূ-চতুর অধ্যক্ষ ব্যাক ডেটে নিয়োগের কৌশল করে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, একই ব্যক্তিকে দুইবার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ১১/১২/১৫ইং তারিখে নিয়োগ বোর্ড বসিয়ে ২০/১২/১৫ইং তারিখে রেজুলেশন করা হয় এবং ২১/১২/১৫ তারিখে ৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয় মর্মে কাগজপত্রে দেখানো হয়েছে যা প্রকৃতপক্ষে সবকিছুই সাজানো নাটক।
নিয়োগ প্রাপ্তরা হলেন-১) মাসুদ রানা পিতা সিরাজুল ইসলাম,সাং-সাড়াতলা-বিষয় সাচিবিক বিদ্যা,২) মোঃ আশরাফুল আলম, পিতা মৃত ইয়াদুল ইসলাম সাং খালিশপুর-বিষয় ব্যবসায়ী সংগঠন, ৩) মোঃ শাহিনুর রহমান পিতা সিরাজুল ইসলাম খাঁন সাং দূর্গাপুর,বিষয়-ইংরেজী। সর্ব উপজেলা মহেশপুর।
কাগজপত্র অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, সাচিবিক বিদ্যা ২০১৫ সালের পূর্বেই বিলুপ্ত হওয়ার কারণে মাসুদ রানাকে আবারো পিছনে ফিরে ২০১২ সালের ২৬শে ডিসেম্বর তৎকালীন সভাপতি গোলাম হায়দার লান্টুর স্বাক্ষরে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঐ সময় ২১/১২/১২ইং তারিখে নিয়োগ বোর্ড বসানো হয়েছে এবং ২৪/১২/১২ইং তারিখে রেজুলেশন করা হয়েছে এবং ২৬/১২/১২ তারিখে নিয়োগ দেখানো হয়েছে।
এ বিষয়ে তৎকালীন সভাপতি গোলাম হায়দার লান্টু বলেন, তার আমলে মাসুদ রানা নামে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যদি কাগজপত্রে হয়ে থাকে তাহলে জাল করা হয়েছে। তিনি বলেন, তার আমলে ইংরেজীতে মোর্শেদ ও বাণিজ্যে মিলন নামে ২জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বেতন না হওয়ায় মোর্শেদ খালিশপুর হাই স্কুলে চলে যায়। তিনি আরো বলেন, শুনেছি শাহিনুর নামে ইংরেজীতে একজনকে নিয়োগ দেখানো হয়েছে যা নিয়মানুযায়ী হয়নি। ২৩/১২/১৫ই তারিখে নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদান দেখানো হলেও ২০১৯ সালে বেনবেজের কলেজের জনবল কাঠামোতে ইংরেজীতে মোর্শেদ এবং ব্যবসায়ী সংগঠনে আব্দুল হান্নানের নাম রয়েছে। কিন্তু ২০২০ সালে জনবল কাঠামোতে ইংরেজীতে শাহিনুর ও ব্যবসায়ী সংগঠনে আশরাফুলের নাম দেখা যাচ্ছে। মাসুদ রানার নাম বিগত দিনে বেনবেজে পাওয়া যাচ্ছে না। একইভাবে বিগত দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কলেজের জনবলে যে তালিকা দেওয়া হয়েছে তাতে এই ৩ জনের নাম নেই।
এ সকল বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব মোঃ শওকত আলী(নিয়োগ আলী)বলেন, তারা এ নিয়োগগুলি মিজানুর রহমান সভাপতি থাকাকালীন সময়ে দিয়েছে, তখন বেতন না হওয়ায় জনবল কাঠামোতে নাম অন্তর্ভূক্তি করা হয়নি। ২০১৯ সালে বেনবেজে যাদের নাম আছে তাদের পরিবর্তে ২০২০ সালে নতুন লোক কিভাবে এলো তার কোন সদ-উত্তর তিনি দিতে পারেননি।
তৎকালীন সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, তার আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বেনবেজে তাদের নাম কেন আসেনি এ ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
খুলনা চেম্বারের উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শেখ আসাদুর রহমানসহ খুলনায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সকলের আশু সুস্থতা কামনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শেখ আসাদুর রহমানসহ খুলনায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সকলের আশু সুস্থতা কামনা করে খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হকসহ পরিচালনা পরিষদ মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে দোয়া করেন যাতে সকলে দ্রুত সুস্থ হয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হক, সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বুলু, সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তফা জেসান ভূট্টো, পরিচালকবৃন্দ গোপী কিষণ মুন্ধড়া, এম এ মতিন পান্না, জেড এ মাহামুদ ডন, এস এম ওবায়দুল্লাহ, আলহাজ্ব মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, ঠাকুর মোঃ শাহ্ আলম, জোবায়ের আহমেদ খান (জবা), মোঃ সিরাজুল হক, কাজী মাসুদুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসেন, শেখ আল্লামা ইকবাল তুহিন, মোঃ আবুল হাসান, দীপক কুমার দাস, মোঃ ইসলাম খান, উজ্জ¦ল কুমার গাঙ্গুলী, শেখ মোঃ গাউসুল আজম, খান সাইফুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম মাসুম, মোঃ মাহবুব আলম ও চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান।
শোক বার্তা: খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সম্মানিত সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেসার্স নাদিয়া গার্মেন্টস, ২/৩ রেলওয়ে হাসপাতাল রোড, রহমান চেম্বার, খুলনা বিপনী কেন্দ্র, খুলনা এর স্বত্তাধীকারী মোঃ নেছার উদ্দিন (৫৫) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনাস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ জুন, ২০২০ ইং তারিখ রোজ বুধবার আনুমানিক সকাল ০৬:০০ টায় ইন্তেকাল করেন, একই তারিখে খুলনা বিপনী বিতানের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেসার্স আমিন গার্মেন্টসের স্বত্তাধীকারী মোঃ আমিন (৮০) বার্ধক্যজনিত কারনে অসুস্থ হয়ে আনুমানিক সকাল ০৬:১০ টায় ইন্তেকাল করেন, আপরদিকে গত ২৩ জুন, ২০২০ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১০:০০ টায় ২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হোসেন সাকিল (৬২) মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ জনিত কারনে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। তারা প্রত্যেকেই অত্যন্ত সদালাপী, মিষ্টভাষী ও দানশীল ছিলেন। তাদের এ মৃত্যুতে খুলনার সর্বস্তরের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হক, উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শেখ আসাদুর রহমান, সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বুলু, সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তফা জেসান ভূট্টো, পরিচালকবৃন্দ গোপী কিষণ মুন্ধড়া, এম এ মতিন পান্না, জেড এ মাহামুদ ডন, এস এম ওবায়দুল্লাহ, আলহাজ্ব মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, ঠাকুর মোঃ শাহ্ আলম, জোবায়ের আহমেদ খান (জবা), মোঃ সিরাজুল হক, কাজী মাসুদুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসেন, শেখ আল্লামা ইকবাল তুহিন, মোঃ আবুল হাসান, দীপক কুমার দাস, মোঃ ইসলাম খান, উজ্জ¦ল কুমার গাঙ্গুলী, শেখ মোঃ গাউসুল আজম, খান সাইফুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম মাসুম, মোঃ মাহবুব আলম ও চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান এবং খুলনা চেম্বারের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
দাকোপে এসডিজি ফোরামের সাথে ভ্যার্চুয়াল মতবিনিময় সভা
দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
ইউকে এইড‘র অর্থায়নে দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় খুলনার দাকোপে উপজেলা এসডিজি ফোরামের সদস্যদের সাথে স্থানীয় পর্যায়ে করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে এক ভ্যার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলা এসডিজি ফোরামের আহবায়ক প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অংশ গ্রহন করেন প্রেসকাব সভাপতি ও উপজেলা এসডিজি ফোরামের সদস্য সচিব শচীন্দ্রনাথ মন্ডল, এসডিজি সদস্য সাংবাদিক বিধান চন্দ্র ঘোষ, মামুনুর রশিদ, সমাজসেবক দেবব্রত বিশ্বাস, সাবেক ইউপি সদস্য বুলু মন্ডল। এসময়ে সভায় উপস্থিত ছিলেন এনজিও রূপান্তরের প্রকল্প সমন্বয়কারী এস.এম মঞ্জুরুল ইসলাম, মনিটরিং ও ইভ্যালুশন অফিসার ফারাহ বি তাবাসুম, প্রজেক্ট অফিসার বিপুল রায় ও ধনঞ্জয় সাহা (বাপি)। সভাটি সঞ্চালনা করেন প্রজেক্ট অফিসার গোলাম মোস্তফা।
কেশবপুরে করোনা প্রতিরোধে এ্যাসিল্যান্ড ইরুফা সুলতানার কর্মক্রম অব্যাহত: ১৪টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা
আলমগীর হোসেন কেশবপুর
কেশবপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানার কর্মক্রম অব্যাহত রয়েছে। গত ২ দিনে তিনি ১৪টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করেছেন।
কেশবপুর উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহকারী রেজাউল করিম তারু জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনা না মানায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে অতিরিক্ত লোড দিয়ে ট্রলি চালানোর অভিযোগে মণিরামপুরের আগরহাটি গ্রামের আব্দুস সোবহান মোড়লের পূত্র টুটুলকে ৫ শত টাকা ও সাতক্ষীরার তজুলপুরের কায়রুল ইসলামের পূত্র সাইদুলকে ২ শত টাকা, নির্ধারিত সময়ের পরেও দোকার খেলা রাখায় চিংড়া গ্রামের শেখ মোসলেমের পূত্র আলামীনকে ৫ শত টাকা, শেখপুরা গ্রামের তোবারক আলীর পূত্র আব্দুল ওহাবকে ৫ শত টাকা ও বিষ্ণপুর গ্রামের মাহাতাবের পূত্র তজিম উদ্দীনকে ১ শত টাকা এবং অপরিচ্ছন ভাবে মুরগী বিক্রি করার বিষ্ণপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের পূত্র মিজানকে ৩ শত টাকা জরিমানা করেন।
অপরদিকে গতপরশু তিনি ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে হেলমেট না পরে মোটর সাইকেল চালানোর অপরাধে ভাল্যুকঘর গ্রমের মৃত জসিম উদ্দীনের পূত্র আক্তারকে ৫ শত টাকা, মণিরামপুরের নেহালপুরের আশরাফ আলীর পূত্র মইনুলকে ২ শত টাকা ও ভাল্যুকঘর গ্রামের ইকবালকে ৫ শত টাকা, নির্ধারিত সময়ের পরেও দোকার খেলা রাখায় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের খুদিরাম দাসের পূত্র শ্যাম দাসকে ৩ শত টাকা, রঘুরামপুর গ্রামের হাকিম আলীর পূত্র আরশাদকে ১ শত টাকা, বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল হকের পূত্র মেহেদিকে ২ শত টাকা, বাঁশবাড়িয়া বাজারের নূর ইসলামের পূত্র আমরানকে ৫ শত টাকা, মির্জাপুর গ্রামের তবিবর রহমানের পূত্র রায়হানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
ঝিনাইদহে ওয়েভ ফাউন্ডেশন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক আলোচনা সভা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ওয়েভ ফাউন্ডেশন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) থেকে প্রাপ্ত সংস্থার বুনিয়াদ ঋণ কর্মসুচির উপকারভোগীর সন্তানদের মধ্যে শিক্ষাবৃত্তির চেক ও মহামারী করোনায় স্বাস্থ্য সচেতনতামুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়েভ ফাউন্ডেশনের ঝিনাইদহ রিজিওন অফিসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ১০ জন শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা করে শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান করা হয় । তারা প্রত্যেকেই ২০১৯ সালে জিপিএ ৪.০০- ৫.০০ নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে এবং বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত আছে । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেব। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশন পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ক এ্যাকসেস প্রকল্পের কর্মকর্তা শাহেদ জামাল, এরিয়া সমন্বয়কারী মোঃ শেখ সাদী, মোঃ মহিবুল ইসলাম, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, অঞ্চলিক এ্যাডমিন অফিসার মোঃ শাহীনুর রহমান এবং ইউনিট ম্যানেজার মোঃ পলাশ উদ্দীন । প্রধান অতিথি বলেন, জীবনে সফল হতে গেলে অবশ্যই শিক্ষা অর্জন করতে হবে। তিনি নেপোলিয়নের উদ্বৃত্তি দিয়ে বলেন, আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতি দিব । তিনি বলেন শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে যতই বাধা-বিপত্তি, অভাব-অভিযোগে আসুক না কেন, নিজ লক্ষ্যের প্রতি অটুট থাকতে হবে। তিনি এই মহামারী করোনায় সকলকে স্বাস্থ্যসম্মত উপকরণ পরিধানসহ সচেতন ভাবে চলাফেরা করতে পরামর্শ দেন । আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশন ঝিনাইদহ রিজিওন এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী আল-মামুন । তিনি তার বক্তিতায় বলেন শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রী নয়, মানবিক গুণাবলীর বিকাশ এবং সু-নাগরিক হয়ে জাতি গঠনে অবদান রাখতে হবে এবং করোনা কালীন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলতে হবে ।
পাইকগাছায় মসজিদ কমিটির বিরোধকে কেন্দ্র করে সেক্রেটারীর বাড়ীতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি
খুলনার পাইকগাছায় মসজিদ কমিটির বিরোধকে কেন্দ্র করে সেক্রেটারীর বাড়ীতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানায় অভিযোগ হয়েছে।
অভিযোগে জানা য়ায়, দু’মাস আগে উপজেলার মটবাটী পুর্বপাড়া জামে মসজিদের কমিটি গঠন হয়। যার সভাপতি মোঃ লুৎফর রহমান মাল, সম্পাদক মোঃ মোবারেক সরদার, ক্যাশিয়ার মোঃ মিজানুর রহমান। সকলেই কমিটি মেনে নিলেও মেনে নেয়নি সাবেক সভাপতি আঃ আজিজ গাজী, মোস্তফা মোল্যা, মফিজ গাজী ও সোনা মোড়লরা। বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ালেও কোন সমাধান হয়নি। তারা ক্যাশিয়ার মিজানুরকে মারপিট করে জুম্মার দিনে আদায় হওয়া টাকা কেড়ে নেয়।
মোবারেক জানায় বুধবার রাত আনুঃ ৮টার দিকে স্থানীয় আজিজ গাজী, আজু মোল্যা ও মোস্তফা মোল্যার নেতৃত্বে ১৫-২০ জন লোক সম্পাদক মোবারেক সরদারের বাড়ীতে হামলা চালায়। মোবারেককে বাড়ী না পেয়ে এসময় তারা ভাংচুর করে বাড়ীর জিনিষপত্র, তার মায়ের মুদির দোকান, লুপাট করে টাকা ও মালামাল নিয়ে যায়। তার ছেলে অন্তরকে আছড়িয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ছাদ থেকে নীচে নেমে আসতে বলে। পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ইমাম বিল্লালকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে এবং অন্যরা পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে আজিজ গাজী জানায়, মনগড়া কমিটি গঠণ করায় অনেক মুসল্লীরা কমিটি মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে কারা কি ঘটিয়েছে তা আমার জানা নেই।
গিলাতলায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে আটরা ইউনিয়ন পরিষদের নগদ অথর্ ও খাদ্রসামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
গিলাতলা মোল্লাপাড়ায় করোনা আক্রান্ত নুরজাহানের পরিবারের মধ্যে আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ও সরকারি সহায়তায় নগদ অর্থ ও খাদ্রসামগ্রী বিতরন করা হয়েছে , বৃহস্পতিবার সকালে গিলাতলা ৫ নং ওয়ার্ডের মোল্লাপাড়ায় করোন আক্রান্ত নুরজাহানের বাড়িতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে নগদ ২ হাজার টাকা , ১৫ কেজি চাউল, ১ কেজি ডাউল, ১ লিটার তেল , ২ কেজি আলু, ১ কেজি লবন সহ বিভিন্ন খাদ্রসামগ্রী পৌছে দেয়া হয় । এ ছাড়া ইর্ষ্টানগেট গাবতলা এলাকায় করোনা পজিটিভ ইমনের বাড়িতেও একইভাবে নগদ অর্থ ও খাদ্রসামগ্রী বাড়ি গিয়ে পৌছে দেওয়া হয় । আটরা গিলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম জানান প্রধানমন্ত্রী করোনা শুরু থেকে এ ভয়াবহ দুর্যোগ মোকাবেলায় দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন । প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় , ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা সুলতানা করোনা আক্রান্ত রোগিদের সার্বিক বিষয়ে খোজ খবর নিচ্ছেন এবং করোনা পজিটিভ গিলাতলা মোল্লাপাড়া এলাকার নুরজাহান বেগম ও ইর্ষ্টাানগেট গাবতলা ইমনের বাড়িতে সরকারিভাবে নগদ অর্থ ও খাদ্রসামগ্রী বিতরনের ব্যাপারে অবগত আছেন। ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম সকলকে করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থবিধি মেনে চলার আহবান জানিয়েছেন । অপরদিকে গিলাতলা নজরুল থিয়েটার কাবের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় খাদ্রসামগ্রী পৌছে দেয়া হয়। খাদ্রসামগ্রীর মধ্যে ছিলো চাউল, ডাউল ,তেল, আলু, লবন ইত্যাদি ।










































