Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা-খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা-খবর

109

রামপালে ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২০ পিস ইয়াবাসহ মঞ্জু শেখ (৩০) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মঞ্জু শেখ উপজেলার মানিকনগর গ্রামের আরিফ শেখের ছেলে। আটক মঞ্জুকে শনিবার বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছে রামপাল থানা পুলিশ। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফয়লা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শেখ মো. আজগর আলী শুক্রবার রাত পৌনে ১০ টায় উপজেলার মানিকনগর বেলালের বসতবাড়ির সামনে ফাঁকা রাস্তায় অভিযান পরিচালনা করেন। ওই সময় মঞ্জু ও তার সহযোগীরা ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করছিল। এসআই আসগর আলী মঞ্জুকে ২০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক করেন।
সূত্র জানায়, ওই সময় মঞ্জুর গডফাদার ও একাধিক মামলার আসামি সোনাকুড়ের দাউদ ও মানিকনগরের বিল্লাল পালিয়ে যায়। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকার মাদক কারবারিদের তালিকা হালনাগাদ করে অভিযান পরিচালনা করছেন বলে ওই সূত্র নিশ্চিত করেছে।

 

রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিনারী ও ইলেকট্রিক্যাল মালামাল নিয়ে মোংলা বন্দরে দুই জাহাজ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিনারী ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য নিয়ে মোংলা বন্দরে ভিড়েছে একসাথে দুই জাহাজ। এরমধ্যে এম,ভি মিলেনা শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বন্দরের ৮নম্বর জেটিতে আর এম,ভি আন্কা স্কাই দুপুর ১টায় বন্দরের ৭নম্বর জেটিতে ভিড়ে। এই জাহাজ দুইটি থেকে দুপুর ২টায় একসাথে পণ্য খালাসের কাজ শুরু হয়। পরে খালাসকৃত এ পণ্য সড়ক পথে নেয়া হবে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিপোতে।

বিদেশী এই জাহাজ দুইটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট কনভেয়ার শিপিং লাইন্সের খুলনার ম্যানেজার (অপারেশন) সাধন কুমার চক্রবর্তী জানান, ৯৩১প্যাকেজের ১৫১৯মেট্টিক টন ওজনের মেশিনারী ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য নিয়ে গত ৮অক্টোবর রাশিয়ার নভোরোসিয়েস্ক বন্দর থেকে মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে রাশিয়ান পতাকাবাহী জাহাজ এম,ভি মিলেনা। এরপর মিলেনা জাহাজটি শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় মোংলা বন্দরের ৭নম্বর জেটিতে ভিড়ে।

অপরদিকে ৪৪১প্যাকেজের ১৪৫৩মেট্টিক টন মেশিনারী ও ইলেকট্রিক্যাল মালামাল নিয়ে গত ৩অক্টোবর রাশিয়ার একই বন্দর (নভোরোসিয়েস্ক) থেকে মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে ভানুয়াতু পতাকাবাহী জাহাজ এম,ভি আন্কা স্কাই। আন্কা স্কাই শনিবার দুপুর ১টায় মোংলা বন্দরের ৮নম্বর জেটিতে ভিড়ে।

রুপপুরের মালামাল নিয়ে আসা এই জাহাজ দুইটি থেকে শনিবার দুপুর ২টায় একসাথেই পণ্য খালাসের কাজ শুরু করা হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শিপিং এজেন্ট প্রতিনিধি সাধন কুমার চক্রবর্তী। তিনি আরো বলেন, জাহাজ থেকে খালাস করে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান এ মেশিনারী এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্য বন্দর জেটি নামিয়ে রাখা হচ্ছে। পরে এ পণ্য সড়ক পথে নেয়া হবে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিপোতে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ৩অক্টোবর এম,ভি ইয়ামাল অরলান আর তারও আগে গত ১৬সেপ্টেম্বর এম,ভি স্যাপোডিলা রাশিয়া থেকে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে মোংলা বন্দরে আসে।

চুয়াডাঙ্গায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৪ শিশুরই মৃত্যু
মাহমুদ হাসান রনি দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এক সঙ্গে জন্ম নেওয়া ৪ শিশু পদ্মা,মেঘনা,যমুনার ৩৬ ঘন্টার মাথায় মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যে তাসলিমা খাতুন(২৬)র তিন মেয়ে শিশু মারা গিয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আকলিমা খাতুন সফল নরমাল ডেলিভারি করেন। জন্মের আধা ঘণ্টা পর ছেলে সন্তানটি মারা গিয়েছিল। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুবুর রহমান মিলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শিশুদের বাবা ইমরান হোসেন বলেন, আমার তিন মেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সুস্থই ছিল। হটাৎ এক জনের নাক দিয়ে রক্ত বের হয়ে কিছুক্ষণ পর মারা যায়। তার কিছুক্ষণ পর আরো এক মেয়ে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। মৃত ২ মেয়েকে নিয়ে বাড়ি এসে দাফন করার প্রস্তুতি নিতে নিতে আরও একজন মারা যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুবুর রহমান মিলন বলেন, সাধারণত কোনো শিশু যদি ৩৭ সপ্তাহের পর জন্ম গ্রহণ করে ও তার ওজন ২-২.৫০ কেজি হয় তাকে আমরা পুষ্ট বাচ্চা বলি। এর চেয়ে কম হলে সেগুলো অপুষ্ট বাচ্চা। এক সঙ্গে যে চারটা বাচ্চা জন্ম নিয়েছে তারা সময়ের ২ মাস আগেই জন্ম গ্রহণ করেছে। তাদের এক এক জনের ওজন ১.৫ কেজির মত বা তারও কিছু কম ছিল। যার কারণে তাদের ফুসফুসসহ অনেক অঙ্গ পরিপক্ব হয়নি। নিজে থেকেও শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারছিলো না। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্যে ও আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়ার জন্যে বাইরে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। আমরা কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যবস্থাও করেছি। যতটা সম্ভব আমরা চিকিৎসা প্রদান করেছি। আপ্রাণ চেষ্টা করেও তাদের বাঁচানো সম্ভব হলো না।

বিশ্বের শীর্ষ নারী নেত্রীদের তালিকায় শেখ হাসিনা
খুলনাঞ্চল ডেস্ক
চলমান বিভিন্ন সংকটের মধ্যেও শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করায় বিশ্বে নারী নেত্রীদের তালিকায় শীর্ষে ওঠে এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডনের সংবাদ মাধ্যম গ্লোব ইকো নারী নেত্রীদের তালিকা প্রকাশ করেছে।
গ্লোব ইকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন সংকটের মধ্যে দেশে তিনি একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাঙালি জাতির প্রতি তার সবচেয়ে বড় অবদান হলো, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জনগণকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেয়া। গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য পৃথিবীর অন্যতম অনুপ্রেরণাদায়ক নারী নেত্রী হিসেবে বিবেচিত হন তিনি।

তিনি ২০১৭ সালের ফোর্বস ম্যাগাজিনে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী নারীদের তালিকায় ৩০তম স্থানে রয়েছেন। বাংলাদেশের সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে তার নিরঙ্কুশ বিজয় তাকে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘকালীন প্রধানমন্ত্রী করে তুলেছে।

এ তালিকায় সিঙ্গাপুরের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মালয়েশিয়ান বংশোদ্ভূত হালিমা ইয়াকবকে গ্লোব ইকোর প্রতিবেদনে দ্বিতীয় স্থানে রাখা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি তাকে সদালাপী উল্লেখ করে বলেছে, তিনি বয়স্কদের মানবাধিকারের জন্য কাজ করা একজন অ্যাকটিভিস্ট। সবসময় দেশের মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি অনেক বেশি মনোযোগ দেন তিনি।

এছাড়ও তানজানিয়ার প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি সামিয়া হাসানকে রাখা হয়েছে তালিকার তৃতীয় নম্বরে। তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়া আফ্রিকান বংশোদ্ভূত পঞ্চম নারী। ৬১ বছর বয়সী এই নারী নেত্রী তানজানিয়ায় ‘মামা সামিয়া’ নামে পরিচিত, জানিয়েছে গ্লোব ইকো।

সংবাদ মাধ্যমটি বলেছে, কোভিড-১৯ সংকট মোকাবেলায় তার কঠোর পন্থা পৃথিবীজুড়ে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে বিশেষত এশিয়া-আফ্রিকার রাজনীতিতে পুরুষদের আধিপত্য বেশি চোখে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে সমাজে বিদ্যমান পশ্চাৎপদতা আর কুসংস্কারকে মোকাবেলা করে নারীরা যখন একটি দেশের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হন, তখন হয়ে ওঠে আসল চ্যালেঞ্জ জয়ের গল্প।

মহাসড়কের পাশে-সড়ক বিভাজনে বসে সুপারির হাট, ভোগান্তি চরমে
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলার দরগার মোড় এলাকার খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের পাশে এবং সড়ক বিভাজনে সপ্তাহে দুদিন (শুক্র ও মঙ্গলবার) বসে সুপারির হাট। এ হাটের জন্য নির্ধারিত স্থান না থাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখানেই সুপারির বেচাকেনা করেন। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মহাসড়কে চলাচলরত দ্রুতগতির যানবাহন, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের।

সরেজমিনে বাগেরহাটের দরগা হাট গিয়ে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন স্থানে উৎপাদিত সুপারি ভ্যান, নসিমন ও অটোরিকশা যোগে বিক্রির জন্য এ হাটে নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তারা মহাসড়কের দুপাশসহ সড়ক বিভাজনে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে সুপারি বেচাকেনা করছেন। দোকানগুলোর দুপাশ দিয়েই চলাচল করছে বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন। কেউ কেউ মহাসড়কের ওপর দাঁড়িয়ে বস্তায় সুপারি ভরছেন। ক্রেতারাও ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়কের ওপর দাঁড়িয়ে সুপারি কিনছেন। অন্যদিকে সুপারি পরিবহনের জন্য থামিয়ে রাখা যানবাহনের জন্য দেখা দিয়েছে যানজট। ব্যবসায়ীরা বলছেন সুপারি ব্যবসায়ীদের জন্য নির্ধারিত কোনো স্থান না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে সড়কের মাঝখানে বসে সুপারি বিক্রি করছেন।
কচুয়ার মঘিয়া থেকে সুপারি বিক্রি করতে আসা রবিউল বলেন, এই হাটে সুপারি ক্রয়-বিক্রয় করতে কোনো খাজনা দিতে হয় না। তাই এখানে সুপারি বিক্রি করলে বেশি লাভ হয়। যখন সুপারির সিজন থাকে তখন প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫০-৬০ জন ব্যবসায়ী রাস্তার পাশে ও সড়ক বিভাজনে বসে সুপারি বেচাকেনা করেন। একটু লাভের আশায় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার ওপর বসে বেচাকেনা করছি। সব সময় ভয়ে থাকি কখন যে গাড়ি উঠে যায় গায়ের ওপর।

সুপারি বিক্রি করতে আসা আরেক বিক্রেতা রবিউল বলেন, বিভিন্ন বাগান থেকে সুপারি সংগ্রহ করে এখানে বিক্রি করতে এসেছি। এই হাটে সুপারির দাম মোটামুটি ভালো পাওয়া যায়। এছাড়া পরিবহন ব্যবস্থা ভালো থাকায় এ হাটে ক্রেতারা বেশি আসেন। কিন্তু আমাদের জন্য নির্ধারিত কোনো স্থান না থাকায় বাধ্য হয়ে রাস্তার মাঝখানে সড়ক বিভাজনের ফাঁকা জায়গায় বসে সুপারি বিক্রি করছি। এতে বেশ ভোগান্তিও পোহাতে হচ্ছে। যখন ক্রেতারা সুপারি কিনতে আসে তখন তারা সড়কের ওপরে দাঁড়িয়ে সুপারি দেখেন। এসময় এখান থেকে বাস ট্রাক চলাচলে অসুবিধা হয়। যদি সুপারি বিক্রেতাদের জন্য নির্ধারিত স্থান করে দেওয়া হয়, তাহলে এই ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে মহাসড়কে স্বাচ্ছন্দ্যে যানবাহন যাতায়াত করতে পারবে। আমরাও নিশ্চিন্তে বেচাকেনা করতে পারবো।
সুপারি কিনতে আসা পলক দেবনাথ বলেন, শহর থেকে এখানে খুব সহজে আসা যায় তাই দোকানের জন্য সুপারি কিনতে এসেছি। সপ্তাহে দুদিন এখানে সুপারি কিনতে আসি। কিন্তু সুপারি কেনার সময় মহাসড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সুপারি পছন্দ করে কিনতে হয় এ সময় দুর্ঘটনার বেশ ঝুঁকি থাকে। হাটের জন্য যদি নির্ধারিত স্থান ঠিক করে দেওয়া হলে আমাদের এই ভোগান্তি কমবে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহা. খালিদ হোসেন বলেন, মহাসড়কের ওপর ব্যবসায়ীদের দোকান নিয়ে বসার ফলে জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। এবিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সমাধান করা হবে।
বাগেরহাটের তালুকদার পরিবহনের ড্রাইভার রাকিবুল রাজ বলেন, বাগেরহাটের দরগার হাট এলাকায় মঙ্গলবার ও শুক্রবার সাপ্তাহিক হাট হওয়ায় অন্যান্য দিনের তুলনায় ভিড় একটু বেশি থাকে। বর্তমানে আবার রাস্তার পাশে প্রচুর ব্যবসায়ী সুপারি বেচাকেনা করছে। এতে আমাদের যানবাহন নিয়ে চলাচল করতে ব্যপক সমস্যা হচ্ছে। প্রায় সব সময়ই এখানে যানজট লেগে থাকে। এছাড়া রাস্তার পাশে ও সড়ক বিভাজনের মধ্যে সুপারি বাজার বসায় অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যেই পরিবহন চলাচল করতে হয়।

বাগেরহাট ষাট গম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, দরগার হাটটি মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত। হাটের দক্ষিণ পাশে সবজি, মাছ ও হাঁস-মুরগি বিক্রির জন্য নির্ধারিত স্থান থাকলেও জায়গা সংকটের কারণে সুপারি ব্যবসায়ীদের জন্য নির্ধারিত কোনো স্থানের ব্যবস্থা করতে পারিনি। তাই বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই সড়কের পাশে বসে তাদের সুপারি বিক্রি করতে হচ্ছে। আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সুপারি ও নারকেল বিক্রির জন্য স্থান নির্ধারণ করতে পারবো।

নড়াইলে ইটভাটা ভেঙে ড্রাগন চাষে সফল ৬ ভাই
নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার মাউলি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে নবগঙ্গা নদীর পাড়ে গড়ে উঠেছে ড্রাগন বাগান। মকছেদ মোল্যা অ্যান্ড মহুরন নেছা এগ্রো ড্রাগন গার্ডেনটি ইটভাটার মধ্যে ২৩ একর জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে। এতে ১৩ হাজার ৬৫০টি পিলারে শোভা পাচ্ছে ৫৬ হাজার ড্রাগন গাছ।

সরেজমিনে জানা যায়, এখানে রেড ভেলভেট, আমেরিকান বিউটি, ইসরায়েল ইয়োলো, ভিয়েতনাম রেড, ভিয়েতনাম হোয়াইট এবং পলোরা জাতের ড্রাগন গাছ আছে। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ২.৫ একর জমিতে ১৭০০ পিলারে ৭ হাজার চারা দিয়ে শুরু হয় ড্রাগন চাষ।

মুন্সী মানিক মিয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক মরফুদুল হাসান পলাশ বলেন, ‘প্রথমে ২ ভাইয়ের সহযোগিতায় শুরু হয় চাষ। তবে শুরুটা ভালো ছিল না। প্রতিবেশীরা বলতেন, ‘কী গাছ লাগাইছো, এতে কী হবে?’ পরে নতুন উদ্যমে আমরা ৬ ভাই ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ইটভাটা ভেঙে দিয়ে ২৩ একর জমিতে ড্রাগন বাগান করেছি। এখানে ২০ জন শ্রমিক কাজ করছেন।’
বাগানের শ্রমিক সুমন মোল্যা বলেন, ‘খুব সহজে বাগান তৈরি করা যায়। খুব বেশি পরিশ্রমের কাজ না। সব সময় খেয়াল রাখতে হয় যেন পোকামাকড় বা রোগবালাই কোনো ক্ষতি করতে না পারে। জেলার সবচেয়ে বড় এ বাগান দেখতে আসে দূরের মানুষ। তারা ড্রাগন চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। অনেকেই চারা কিনে নিচ্ছেন।’

মরফুদুল হাসান পলাশ বলেন, ‘শিক্ষক হিসেবে ইটভাটার কারণে পরিবেশের ক্ষতি হবে, এটা আমি মেনে নিতে পারিনি। পরে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় গড়ে তুলি ড্রাগন বাগান। এ বছর এরই মধ্যে ১৬ লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছি। আগামীতে কয়েকগুণ বাড়বে বলে আশা করি। অনেকেই চারা নিয়ে ছোট ছোট বাগান করছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাকৃতিকভাবে এ ফলের চাষ করি। এতে ওষুধ বা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। বছরে ১-২ বার সার প্রয়োগ করতে হয়। মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা ফল সংগ্রহ করা যায়। ফলের আকারভেদে প্রতি কেজি ১৫০-২৮০ টাকা পাইকারি বিক্রি হয়। কালিয়া বাজার, লোহাগড়া, নড়াইল সদর এবং যশোর সদরে বিক্রি করছি।’

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফিরোজ মাহামুদ বলেন, ‘কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি। কম সময়ে বাগানে ফল আসতে শুরু করে। তাই এটি লাভজনক। নতুন কেউ চাষ করতে চাইলে সব ধরনের সহযোগিতা করবো।’

ঔধমড়হবংি২৪ এড়ড়মষব ঘবংি ঈযধহহবষজাগোনিউজের খবর পেতে ফলো করুন আমাদের গুগল নিউজ চ্যানেল।
নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায় বলেন, ‘জেলায় ৩৬ একর জমিতে ছোট-বড় ১৩টি ড্রাগন বাগান আছে। পরিবেশের কথা ভেবে ইটভাটা ভেঙে শিক্ষক যে মহৎ উদ্যোগ নিয়েছেন; এটি প্রশংসার দাবিদার। কৃষি বিভাগ এতে সব রকমের সহযোগিতা করছে, ভবিষ্যতেও করবে।’

১২ স্বজন হারানোর পরদিনই কাজে সেই সাংবাদিক
অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলের নির্বিচারে বিমান হামলায় নিহত পরিবারের ১২ সদস্যকে সমাহিত করার এক দিন পরই কাজে ফিরেছেন গাজায় আলজাজিরার ব্যুরো প্রধান ওয়ায়েল আল-দাহদুহ। বৃহস্পতিবার হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আলজাজিরার ডিজিটাল চ্যানেল এজে প্লাসে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ওয়ায়েল আল-দাহদুহ জানান, তাঁর পরিবারের সদস্যরা মারা গেলেও দ্রুত কাজে ফেরা তাঁর ‘দায়িত্ব’ ছিল। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, এখনও সর্বত্র হামলা চলছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কাছাকাছি একটি জায়গা থেকে ধোঁয়া উড়ছে। সেদিকে আঙুল দেখিয়ে ওয়ায়েল যোগ করেন, এটা হচ্ছে বিমান হামলা ও কামানের গোলাবর্ষণের পরবর্তী দৃশ্য এবং হামলা থামছে না।

বুধবার ইসরায়েল দক্ষিণ গাজার নুসিরাত শরণার্থী শিবিরে বিমান হামলা চালায়। এ হামলায় নিহত হন ওয়ায়েলের স্ত্রী আমনা (৪৪), ছেলে মাহমুদ (১৬), মেয়ে শাম (৭) ও অপ্রাপ্তবয়স্ক নাতি অ্যাডাম। পরিবারের আরও আটজন সদস্যও এ হামলায় প্রাণ হারান, যাদের মধ্যে আছেন তাঁর চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে হাদির ও তাঁর চার সন্তান। তারা সবাই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নির্দেশ মেনে উত্তর গাজা ছেড়ে দক্ষিণে এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওয়ায়েলের বড় মেয়ে বিসান (২৭) সে সময় শিবিরে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। তাঁর আরও চার ভাইবোন– সোনদোস, খোলুদ, বাতুল ও ইয়াহিয়া আহত অবস্থায় আল-আকসা মার্টায়ার্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শাশুড়ি হানান (৮১) হামলায় বেঁচে গেলেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন।

এজে প্লাস নেটওয়ার্কের ভিডিওতে ওয়ায়েল জানান, তিনি অনেকের কাছ থেকে শোকবার্তা ও সান্ত্বনার বাণী পেয়েছেন, যার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।

মেয়েরা শুধু যৌনসুখের জন্য নয়, বিজেপি নেতাকে কঙ্গনা
বিনোদন ডেস্ক
দিল্লির লবকুশ রামলীলায় প্রথম মহিলা হিসেবে রাবণ দহন করার সুযোগ পান কঙ্গনা রনৌত। অনুষ্ঠানে তিনি ছিলেন প্রধান অতিথি। তাতেই আপত্তি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। ছাড়লেন না সমালোচনা করতে। ‘এক্স’ সাইটে ক্ষোভ প্রকাশ করে কঙ্গনার বিকিনি পরা ছবিও শেয়ার করেন তিনি। তাতেই পাল্টা জবাব দেন বলিউডের ‘কন্ট্রোভার্সি কুইন’।

কঙ্গনার বিকিনি পরা ছবির পোস্ট শেয়ার করে ‘এক্স’ সাইটে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী লিখেছেন, ‘এসপিজি গসিপ’ অনুযায়ী ইনি প্রায়শই উড়ে বেড়ান। শুধু এসপিজি গসিপ কেন? কারণ সংগঠনের মানুষজন একটু বেশিইমাত্রায় কাজ করে ফেলেছেন। এনাকে মুখ্য অতিথি করাটা মর্যাদা পুরুষোত্তমের প্রতি অশোভনীয় আচরণ।

 

এর জবাবে কঙ্গনা লেখেন, ‘বিকিনি পরা ছবির সঙ্গে নোংরা মন্তব্যের ছবি শেয়ার করে আপনি বলতে চাইছেন রাজনীতির পথে আমার শরীর ছাড়া আর কিছুই দেওয়ার নেই। হা হা, আমি একজন শিল্পী আর তর্কসাপেক্ষ হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো, একজন লেখিকা, পরিচালক, প্রযোজক আর বিপ্লবীমনের একজন দক্ষিণপন্থী ইনফ্লুয়েন্সার। যদি আমার বদলে কোনও পুরুষ হতেন তাহলে আর তার যদি ভবিষ্যতের মহান নেতা হওয়ার সম্ভাবনা থাকত তাহলেও কী আপনার মনে হত তিনি নিজের শরীরের বিনিময়ে রাজনীতিতে প্রবেশের চেষ্টা করছেন?
এর জবাবে কঙ্গনা লেখেন, ‘বিকিনি পরা ছবির সঙ্গে নোংরা মন্তব্যের ছবি শেয়ার করে আপনি বলতে চাইছেন রাজনীতির পথে আমার শরীর ছাড়া আর কিছুই দেওয়ার নেই। হা হা, আমি একজন শিল্পী আর তর্কসাপেক্ষ হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো, একজন লেখিকা, পরিচালক, প্রযোজক আর বিপ্লবীমনের একজন দক্ষিণপন্থী ইনফ্লুয়েন্সার। যদি আমার বদলে কোনও পুরুষ হতেন তাহলে আর তার যদি ভবিষ্যতের মহান নেতা হওয়ার সম্ভাবনা থাকত তাহলেও কী আপনার মনে হত তিনি নিজের শরীরের বিনিময়ে রাজনীতিতে প্রবেশের চেষ্টা করছেন?

 

এরপরই অভিনেত্রী লেখেন, ‘মনের ভেতরে গেঁথে থাকা লিঙ্গ-বৈষম্য আর নারীর শরীরের প্রতি সুপ্ত লালসার প্রতিফলনে আপনার কথা বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষের কথার মতো শুনতে লাগছে। মেয়েরা শুধুমাত্র যৌনলালসার জন্য নয়, তাদের মস্তিষ্ক, মন, হাত, পা-সহ আরও অনেক কিছু আছে যা পুরুষদের রয়েছে কিংবা কোনও মহান নেতা হওয়ার জন্য লাগে। তাই না মিস্টার সুব্রহ্মণ্যম?

বিগত কয়েক বছর ধরেই বলিউড ‘কুইন’ কঙ্গনার হাত ধরে আসছে না কোন হিট সিনেমা। ‘থালাইভি’ থেকে শুরু করে ‘পাঙ্গা’ কিংবা ‘ধাকড়’র মত একের পর এক ফ্লপ ছবি মুক্তি পেয়েছে তার। এরই মাঝে শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত ‘তেজস’ ছবিটি। মুক্তির প্রথম দিনে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি

বলিউড মুভি রিভিউজ বলছে, ভারতের আড়াই হাজার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি প্রাপ্ত ‘তেজস’ ছবি মুক্তির প্রথম দিনে আয় করেছে মাত্র দেড় কোটি রুপি! যার ভেতর পিভিআর, আইনক্স ও সিনেপলিস থেকে এসেছে ৮৫ লক্ষের কাছাকাছি। বাকি এসেছে সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলো থেকে। অথচ তারপরও প্রথমদিন হলে ৭% দর্শকাসনও ভর্তি হল না।

সকালে হালকা গরম পানি পানের যত উপকারিতা
অনলাইন ডেস্ক
অনেকেরই সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে । অনেকে আবার এর মধ্যে পাতিলেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে খান।সকালবেলা খালি পেটে হালকা গরম পানি পানে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. খালি পেটে হালকা গরম পানি খেলে শরীরের সমস্ত দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। ফলে শরীর সুস্থ থাকে।

২. হালকা গরম পানি পান সহজে খাবার হজম করতে সাহায্য করে। ফলে বদহজমের সমস্যা এড়ানো যায়। খাবার সঠিকভাবে হজম হলে অ্যাসিডিটি বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কম হয়। অনেকসময় বদহজমের সমস্যা দেখা দিলে হালকা গরম পানি খেলে তাৎক্ষণিক উপকার পাওয়া যায়।

৩. খালি পেটে হালকা গরম পানি দ্রুত ওজন কমতে পারে। অনেকেই সকালে খালি পেটে গরম পানি লেবু, মধু মিশিয়ে খেয়ে থাকেন। এই পানীয় দ্রুত মেদ ঝরায় এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

৪. হালকা গরম পানি খেলে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ভালোভাবে সম্পন্ন হয়। এছাড়াও কমতে পারে মাসল ক্র্যাম্প বা পেশি টানের ফলে যন্ত্রণা। এ কারণে এ ধরনের সমস্যায় টানা কয়েকদিন হালকা গরম পানি পান করলে অনেক উপকার পাবেন।

৫. ত্বকের খেয়ালও রাখে হালকা গরম পানি। রোজ সকালে হালকা গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ত্বকে অকালে বলিরেখা দেখা যাবে না। গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখতে সাহায্য করে। কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করে। এর ফলে চামড়া কুঁচকে যায় না, ত্বক টানটান থাকে।

পুলিশের প্রতি নির্দেশনা: একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একা চলাফেরা নয়
ঢাকা অফিস
রাজধানীর পল্টন, কাকরাইল, শান্তিনগর, মালিবাগসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় জাড়ো হওয়া বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের সংঘর্ষ হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীর ৫০টি থানার সবকটিতে বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে নিজেদের নিরাপত্তা, থানার নিরাপত্তা, সেইসঙ্গে থানার যানবাহনের নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপির বেতার বার্তায় এসব নির্দেশনার কথা সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেওয়া হয়।
ডিএমপি সূত্র বলছে, সংঘর্ষ ছাড়াও রবিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি। এছাড়া সমাবেশে আসাদের ব্যক্তিদের সরে যেতে পুলিশ সহায়তা করছে। সংশ্লিষ্ট সব বিষয় বিবেচনা করে ডিএমপি এরই মধ্যে ৫০টি থানার কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। একা মোবাইল পেট্রলিং এ না যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একটি মোটরসাইকেল বা একটি গাড়ি নিয়ে পেট্রলিং না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একাধিক গাড়ির সমন্বয়ে পেট্রলিং পরিচালনা করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া থানার স্থাপনা এবং থানার নিরাপত্তার বিষয়গুলো সম্পর্কে আরও সজাগ-সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কেউ যেন কোনও ধরনের হামলা কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে সে ব্যাপারে সব সদস্যদের সজাগ থাকতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি সূত্র বলছে, নয়া পল্টন ও আশপাশের এলাকায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এসব বিষয় যেন ভবিষ্যতে না ঘটে তার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়া সংঘর্ষ ঠেকাতে অনেক টিমের গুলি শেষ হয়ে যায়। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ হিমশিম খেতে হয়। নিজেদের নিরাপত্তাসহ ফোর্সের নিরাপত্তা, পাশাপাশি পুলিশের বিভিন্ন যানবাহনের নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিশ্চিতে আরও তৎপর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সার্বিক নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। থানা এলাকা ও থানার পুলিশ ফাঁড়ির টিমকে একাধিক গাড়ি নিয়ে পেট্রলিং করতে বলা হয়েছে। মোবাইল টিম একাধিক থাকতে হবে। একা কোনও মোবাইল টিম মুভ করবে না। একসঙ্গে মুভ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীতে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
ঢাকা অফিস
রাজধানীতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমাবেশকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবন ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর ওই এলাকায় বিজিবি সদস্যরা টহল দেওয়া শুরু করেছে। বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে বিজিবি সদস্যদের সেখানে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।

এর আগে ওই এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস এবং সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। অন্যদিকে বিএনপি কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এক পর্যায়ে বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীরা পেছনে হটে সমাবেশের দিকে সরে যায়।

বিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, কাকরাইলের সংঘর্ষের পর সেখানে ৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের সঙ্গে ৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। ১২ প্লাটুন বিজিবি সদস্যকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তারা রাস্তায় নামবে।

আলাল-বকুল-টুকু-ইশরাক-জুয়েল আহত
ঢাকা অফিস
পুলিশ ও বিএনপির সংঘর্ষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল আহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এই সংঘর্ষে বিএনপির আরেক যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সরোয়ার, বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এবং বিএনপির আন্তার্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আহত হয়েছেন।

এর আগে, দুপুরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয় কাকরাইলে। পরে এই সংঘর্ষের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নাইটিঙ্গেল মোড়সহ আশপাশের এলাকায়। এ অবস্থায় নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশে বক্তব্য স্থগিত করা হয়।

শনিবার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী মহাসমাবেশ করে বিএনপি। নির্ধারিত সময়ের সোয়া এক ঘণ্টা আগে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ মহাসমাবেশ শুরু হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এই মহাসমাবেশ হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে এবং উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব লিটন মাহমুদের যৌথ সঞ্চালনায় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অনুমতি না পেলেও আরামবাগে সমাবেশ করছে জামায়াতে ইসলামী। সেখানে দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মী যোগ দিয়েছেন।

অপরদিকে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও অব্যাহত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে’ ‘শান্তি ও উন্নয়ন’ সমাবেশ করছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে এ সমাবেশের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।
দমন পীড়ন ও হটকারিতার পথ ছেড়ে কালবিলম্ব না করে সরকারকে দ্রুত পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি ‘এবি পার্টি’। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ঘোষিত মহাসমাবেশ ও এবি পার্টি আহুত গণতন্ত্র সমাবেশ চলাকালে পুলিশের হামলা, গুলিবর্ষণ ও মুহুর্মুহু টিয়ারশেল নিক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি জোটের ডাকা আগামীকালের হরতালের প্রতিও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে দলটি।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এবি পার্টি আয়োজিত গণতন্ত্র সমাবেশ চলাকালে বেলা সোয়া দুইটার দিকে অতর্কিতে পুলিশ পল্টন মোড় থেকে একের পর এক সাউন্ড গ্রেনেড চার্জ করতে থাকে। তারা বিএনপি কর্মীদের উপর নির্বিচারে রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এসময় বিএনপি কর্মীদের পাশাপাশি এবি পার্টির নেতাকর্মীরাও অনেকে আহত ও রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়ে।

বিএনপির নৈরাজ্যে ও হরতালের প্রতিবাদে খুলনা জেলা যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যে, ভাংচুর পুলিশ হত্যা ও সাংবাদিকদের উপরে হামলা এবং রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সারা দেশে সকাল সন্ধ্যা হরতালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও অব¯’ান কর্মসূচী পালন করেছে খুলনা জেলা যুবলীগ।

গতকাল শনিবার বিকাল ৫ টায় দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল শুরু করে মিছিলটি ডাকবাংলো মোড় ফেরিঘাট ঘুরে পিকচার প্যালেস মোড় হয়ে দলীয় কার্যারয় এসে শেষ হয়।

 

এ সময় যুবলীগ নেতাকর্মীদের, ‘বিএনপি’র গুন্ডারা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘যুবদলের গুন্ডারা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘বিএনপির বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘শেখ হাসিনার কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

 

মিছিলে অংশ নেওয়া নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি আবারও দেশকে অ¯ি’তিশীল করার পাঁয়তারা করছে। তাদের সেই স্বপ্ন কোনোদিন বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না। যুবলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী সড়কে সরব অব¯’ান বজায় রাখবে। কোনোভাবেই বিএনপি জামায়াতকে সড়কে নেমে বিশৃংখলা ও মানুষ হত্যা এবং জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন করতে দেওয়া হবে না।

 

খুলনা জেলা যুবলীগের আয়োজনে এই বিক্ষোভ মিছিলে উপ¯ি’ত ছিলেন আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বর মৃনাল কান্তি জোদ্দার, খুলনা জেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. মাহফুজুর রহমান সোহাগ, যুবলীগ নেতা বিএম কামরুজ্জামান, এ্যাড. আশরাফুল আলম রাজুসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত বিভিন্ন পর্যায়ের শত শত নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, বিক্ষোভ মিছিল শেষে, জেলা যুবলীগের সভাপতি রায়হান ফরিদ ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. মাহফুজুর রহমান সোহাগ, আজ রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বিএনপি- জামায়াতের ডাকা সারা দেশে সকাল সন্ধ্যা হরতালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মসূচী পালন করা নির্দেশনা দিয়েছেন।

খুলনায় বিভাগীয় বইমেলার উদ্বোধন
নতুন প্রজন্মকে বইপড়ায় আগ্রহী করে তুলতে হবে
-সিটি মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনায় বিভাগীয় পর্যায়ের বইমেলার উদ্বোধন শনিবার বিকালে খুলনার বয়রাস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র বলেন, আলোকিত মানুষ তৈরিতে বইয়ের কোন বিকল্প নেই। বই ছাড়া জ্ঞান অর্জন সম্ভব নয়। বই হোক সকলের নিত্য সঙ্গী। নতুন প্রজন্মকে বইপড়ায় আগ্রহী করে তুলতে হবে। বইয়ের প্রতি সকলকে যত্নবান হতে হবে। ছেলেমেয়েরা যাতে বেশি করে বই পড়ে সেদিকে অভিভাবকদের নজর রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান আমলে দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর আমাদের ছেলেমেয়েরা জ্ঞান অর্জন করুক পাকিস্তানিরা তা চায়নি। এজন্য জ্ঞান অর্জন করার পথে তারা বাঁধাসৃষ্টি করেছিলো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বইমেলা শুরু করেছিলেন। তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের উন্নয়নের সকলক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর অবদান রয়েছে।

খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ আসাদুজ্জামান, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর ও বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির পরিচালক নেসার উদ্দীন আয়ুব। এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের উপপরিচালক মোহাম্মদ হামিদুর রহমান। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সহযোগিতায় ও খুলনা বিভাগীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বইমেলায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রশাসনের ১০টি স্টল, মিডিয়া কর্নার, মুক্তিযোদ্ধা কর্নারসহ প্রকাশনা সংস্থা, বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বই বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের ৯০টি স্টল রয়েছে। আট দিনব্যাপী এই বইমেলা সরকারি ছুটির দিনে সকাল ১০টি থেকে রাত নয়টা এবং অন্যান্য দিনগুলোতে বিকেল তিনটা থেকে রাত ন’টায় পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়া মেলা প্রাঙ্গণে প্রতিদিন আলোচনা সভা, সেমিনার, নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধপাঠ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শিশু-কিশোরদের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

কলারোয়ায় ৫ পিস স্বর্ণের বার সহ আটক ১
সোহাগ হোসেন সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পাঁচ পিস স্বর্ণের বার সহ এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকাল পাঁচটার দিকে কলারোয়া উপজেলার কেরালকতা ইউনিয়নের নাকিলা গ্রাম থেকে চোরাকারবারি আতিয়ার রহমান (৩২) কে আটক করা হয়। আটক আতিয়ার রহমান যশোর জেলার দাউদখালী গ্রামের শেখ সিরাজুল ইসলামের ছেলে। জিজ্ঞাসা আমাদের এক পর্যায়ে তার মানিব্যাগের মধ্যে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা স্বর্ণের বার উদ্ধার করে পুলিশ, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন মাদক ব্যবসায়ী সন্দেহে যুবক আতিয়ার কে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে তল্লাশি করে স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ৫০ লক্ষ টাকা।

ঢাকায় খুলনা বিএনপি’র বকুল-বাপ্পীসহ বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী আহত
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল ও খুলনা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীসহ খুলনা বিএনপি’র বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ঢাকায় আওয়ামী পুলিশের অতর্কিত হামলায় আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি’র পূর্বনির্ধারিত শান্তিপুর্ণ মহাসমাবেশে বিনাউস্কানীতে আকষ্মিক হামলা চালিয়ে টিয়ারশেল, রবার বুলেট বর্ষণ করে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে আওয়ামী পুলিশ। এঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন খুলনা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
একই সাথে জনগনের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার ও ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু ও অংশগ্রহনমুলক নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি’র মহাসমাবেশে অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে রবিবারের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সফলের আহবান জানিয়েছে খুলনা বিএনপি।
গতকাল এক বিবৃতিতে খুলনাবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাবার জন্যে নয়-বিএনপি’র আন্দোলন দেশের মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রত্যাবর্তন করা। জনগনের অর্থ সীমাহীন লুটপাটকারী ভোটডাকাত নিশিরাতের ফ্যাসিষ্ট সরকারের দুর্নীতির মূলোৎপাট করে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে বিএনপি গেল ১৪ বছর আওয়ামী সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হামলা-মামলা, জেল-জুলুমের শিকার। সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার থেকে কোটি কোটি তুলে নেয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্য-দ্রব্যের অগ্নিমূল্যে অসহায় মানুষের নাভিশ্বাস চলছে। কারণ ছাড়াই তেল-বিদ্যুৎ গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগনের মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ বসিয়েছে আওয়ামী সরকার। গেল ১৪ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ জানাতে খুলনার সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে রবিবারের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালনের উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন খুলনা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক এ্যাড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খান, নগর বিএনপি’র সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী প্রমুখ।।

কলারোয়ায় এলএসডি, মদসহ ৩ জন ভারতীয় আটক
সোহাগ হোসেন সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৩ বোতল মাদকদ্রব্য এলএসডি, ৯ বোতল ভারতীয় মদসহ ৩ জন ভারতের নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা সীমান্ত এলাকা থেকে শুক্রবার(২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ওই তিন ভারতীয় নাগরিককে মাদকদ্রব্য সহ আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থানার প্রমোদনগর গ্রামের মন্টু বিশ্বাসের পুত্র প্রসেনজিৎ বিশ্বাস (৩০) ও মৃত রাম ঢালীর পুত্র সাধণ ঢালী (৩৬), এবং গাইঘাটা থানার চাঁদপাড়া (ঢাকুরিয়া) গ্রামের মৃত পশুপতি কর্মকারের পুত্র দীপংকর কর্মকার (৩৫)।

থানা সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত পার হয়ে ভারতীয় ৩জন নাগরিক মাদকের চালান নিয়ে বালিয়াডাঙ্গা বাজার এলাকায় অবস্থান করছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ৩ বোতল এলএসডি ও ভারতীয় ৯ বোতল মদ সহ ওই ৩ জন ভারতীয়কে আটক করে। উদ্ধার হওয়া ৩ বোতল এলএসডির আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা এবং ৯ বোতল মদের মুল্য ২৭ হাজার টাকা। তাদের বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় মামলা হয়েছে। কলারোয়া থানার ওসি মোস্তফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মহাসমাবেশে ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা
সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সফল করতে খুলনাবাসির প্রতি বিএনপি’র আহবান
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বর্তমান অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একদফা দাবিতে ২৮ অক্টোবর ঢাকার নয়া পল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি আয়োজিত শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ন্যাক্কারজনক ও নির্মম হামলা এবং মহাসমাবেশ বানচালের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন খুলনা বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (২৮ অক্টোবর) প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিএনপি’র চলমান গণআন্দোলনে সরকার ভীত ও অস্বস্তিতে পড়েছে। এ অবস্থায় শনিবারের মহাসমাবেশে গণজোয়ার দেখে সরকার তার ভবিষ্যৎ পরিণতি উপলব্ধি করতে পেরেছে। তাই বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জনজোয়ার প্রতিহত করে আবারো ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের মতো আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকার অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে। শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশে ন্যাক্কারজন হামলাই তার বহিঃপ্রকাশ। হামলা, নিপীড়ন-নির্যাতন ও কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমেই সরকার গণতন্ত্রকামী দেশপ্রেমিক মানুষের আন্দোলনকে প্রতিরোধ করতে পারবে না। গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার পুনরুদ্ধার আন্দোলনের বিজয় অত্যাসন্ন। একই সাথে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশে হামলার প্রতিবাদে আজকের (২৯ অক্টোবর) সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সফল করতে খুলনাবাসির প্রতি আহবান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতা হলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, সদর থানা বিএনপির আহবায়ক কে এম হুমায়ুন কবীর (ভিপি হুমায়ুন), সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির আহবায়ক হাফিজুর রহমান মনি, খালিশপুর থানা বিএনপির আহবায়ক শেখ জাহিদুল ইসলাম, দৌলতপুর থানা বিএনপির আহবায়ক মুর্শিদ কামাল, খানজাহান আলী থানা বিএনপির আহবায়ক কাজী মিজানুর রহমান, সদর থানা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা ফরিদ আহমেদ, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, খালিশপুর থানা বিএনপির সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান বিশ^াস, দৌলতপুর থানা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ ইমাম হোসেন, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সদস্য সচিব আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস প্রমূখ। অনুরুপ বিবৃতি দিয়েছেন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিকদল, মহিলাদল, কৃষকদল, তাঁতীদলের প্রধানরা।

শারদীয় ‘দুর্গাপূজা’ এর ছুটি শেষে আজ কুয়েট খুলছে
খবর বিজ্ঞপ্তি
শারদীয় ‘দুর্গাপূজা’ এর ছুটি শেষে ২৯ অক্টোবর রবিবার খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) খুলছে। রবিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষাসমূহ নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শুরু হবে।
উল্লেখ্য, গত ২২ অক্টোবর রবিবার থেকে ২৮ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত শারদীয় ‘দুর্গাপূজা’ উপলক্ষ্যে কুয়েট এর ক্লাশ, পরীক্ষা ও অফিসসমূহ বন্ধ ছিলো।

পাইকগাছার লস্কর ইউপি’তে ১৩৬২’পরিবারের মাঝে টিসিবি পন্য বিতরণ করেন- চেয়ারম্যান তুহিন
গাজী মোঃ আব্দুল আলীম, পাইকগাছা
পাইকগাছা উপজেলার ৬নং লস্কর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার “টিসিবি’র পন্য, দামে সাশ্রয়ী, মানে অনন্য” লস্কর ইউনিয়নের ১৩৬২ পরিবারের মাঝে মাঝে ২ লিটার তেল,২ কেজি মুসরীর ডাল ও ৫ কেজি চাল, পরিবার প্রতি সর্বমোট ৪৭০/= টাকা দামে উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০ টায় লস্কর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে উক্ত কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান (তুহিন)।

এসময়ে অন্যান্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার জি এম জাকারিয়া হোসেন (কৃষি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন), ইউপি সদস্য টি এম হাসানুজ্জামান, জি এম তাজ উদ্দিন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সানা, মোঃ রফিকুল ইসলাম, পরমানন্দ কুমার সানা, অরবিন্দ কুমার মন্ডল, দিলীপ কুমার মন্ডল, অঞ্জলি রানী ঢালী ও মর্জিনা বেগম। টি সি বি পন্য বিতরণের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডিলার মোঃ আমিনুল ইসলাম বজলু, দফাদার মোঃ রবিউল ঢালী, ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা আওছাফুর রহমান, গ্রাম পুলিশ আব্দুল কাদের মোল্যা, মিঠুন কুমার মন্ডল, আবুল কালাম আজাদ, ফয়সাল আহমেদ, শংকর কুমার সানা, মোঃ মোস্তফা সানা, আশুতোষ কুমার সানা, দেবব্রত কুমার সানা ও মোঃ এবাদুল গাজী সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রদল নেতা, ফুটেজ আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা অফিস
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে ডিউটিরত অবস্থায় পুলিশ সদস্যকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক ছাত্রদল নেতা। তার ফুটেজ আমাদের কাছে আছে।

শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় হতাহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ দাবি করেন।

এ সময় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের একটি মিছিল যাচ্ছিল সেই মিছিলে বিএনপি অ্যাটাক (আক্রমণ) করেছে। ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের সামনে গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। একজন পুলিশ সদস্যকে নৃশংসভাবে ছাত্রদলের এক নেতা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তাদের আগে থেকেই এইসব পরিকল্পনা ছিল ২০১৪ সালের মতো। পুলিশ খুব শান্তভাবে সব মোকাবিলা করেছে। কাল তারা (বিএনপি) হরতাল ডেকেছে গাড়িতে ভাঙচুর করবে, আগুন ধরাবে। তাদের শক্ত হাতে দমন করা হবে।

পুলিশ মহাসমাবেশ পণ্ড করেছে বলে বিএনপির দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সমাবেশ কোথায় পণ্ড করা হলো? আমরা তো দেখলাম প্রধান বিচারপতির বাসায় তারা হামলা চালিয়েছে। এরপর তাদের ওখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওরা ঘোষণা করেছিল— নাইটিঙ্গেল ও আরেকটি এলাকার কথা বলেছিল। এর বাইরে তারা আসবে না বলেছিল। পুলিশ তো সেই নাইটিঙ্গেলের ভেতরে ঢোকেনি। এখানে পণ্ড হলো কী করে? ওরা হামলা করেছে।

‘টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড মেরে মহাসমাবেশ পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ’- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা তো এটা বলবে। তারা পুলিশ মেরে ফেলেছে, এখন এটা বলবে না? তারা আরও কতকিছু বলবে। এইটা তো স্বাভাবিক।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আপনারা দেখেছেন বিএনপি আগামীকাল হরতাল ডেকেছে। তারা গাড়ি পোড়াচ্ছে। যারাই রাস্তায় গাড়ি পোড়াবে, অবরোধ করবে, ভাঙচুর করবে অগ্নিসংযোগ করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

রাজধানীর বিজয়নগর-কাকরাইল-রমনা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের জেরে দলটির মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে গেছে। দুপুরে সংঘর্ষের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশের ওপর। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বিভিন্ন অলিগলি ও রাস্তায় ক্রমাগত রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে দেখা যায় পুলিশকে। এতে নয়াপল্টন-বিজয়নগর-কাকরাইল এলাকা পুরো ফাঁকা হয়ে যায়। বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে একজন পুলিশ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। বিকাল ৪টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত পুলিশ সদস্যের নাম জানা যায়নি। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মারধরে তার ইউনিফর্ম ছিঁড়ে গেছে।

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, নিহত ওই পুলিশ সদস্য দৈনিক বাংলা মোড় এলাকায় দায়িত্বরত ছিলেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনি আহত হয়েছিলেন।

ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) ফারুক হোসেন বলেন, ‘ওই পুলিশ সদস্যের মাথায় কোপানো হয়েছে।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, মৃত অবস্থাতেই ওই পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তার মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। আমরা ইসিজি করার পর নিশ্চিত হয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করেছি।’

এক ঘণ্টায় রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন
ঢাকা অফিস
রাজধানীর কাকরাইল, মালিবাগ ও কমলাপুরে এক ঘণ্টার মধ্যে তিনটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে।

প্রথমে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মালিবাগ-মৌচাক ফ্লাইওভারে বলাকা পরিবহণের একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। একই সময়ে কমলাপুরে বিআরটিসির একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, বিকালে মৌচাক ফ্লাইওভারে বলাকা বাসে ও কমলাপুরে বিআরটিসি বাসে আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে। আগুনে বাস দুটি পুড়ে গেছে।

তবে কিভাবে আগুন লেগেছে, তাৎক্ষণিকভাবে সেই তথ্য দিতে পারেননি এই কর্মকর্তা।

অন্যদিকে বিকাল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে কাকরাইল মোড়ে একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ডিএমপির রমনা থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, কাকরাইল মোড়ে একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা শুনেছি। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, সেই তথ্য জানা যায়নি।পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর বিজয়নগর-কাকরাইল-রমনা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের জেরে দলটির মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে গেছে। দুপুরে সংঘর্ষের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশের ওপর। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বিভিন্ন অলিগলি ও রাস্তায় ক্রমাগত রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে দেখা যায় পুলিশকে। এতে নয়াপল্টন-বিজয়নগর-কাকরাইল এলাকা পুরো ফাঁকা হয়ে যায়। বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে একজন পুলিশ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।

জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তারা বিশৃঙ্খলা করেনি: ডিবির হারুন
ঢাকা অফিস
রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় সমাবেশের জন্য জড়ো হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা এখন পর্যন্ত কোনো বিশৃঙ্খলা করেনি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
অনুমতি না থাকলেও জামায়াতের নেতাকর্মীরা মতিঝিল শাপলা চত্বর এলাকায় সমাবেশের জন্য জড়ো হয়। এ বিষয়ে ডিবির হারুন বলেন, জামায়াতের সঙ্গে পরবর্তীতে যে আলোচনা হয়েছে, সমাবেশে বক্তব্য রেখে তারা চলে যাবে। এ পর্যন্তই আমি জানি। তারা এখন পর্যন্ত কোনো বিশৃঙ্খলা করেনি।

কাকরাইল এলাকায় পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের বিষয়ে ডিবিপ্রধান বলেন, অনুমতি নিয়ে তারা আগেও সমাবেশ করেছেন। কিন্তু আজকে কেন তারা এমন বেপরোয়া হয়ে গেলেন!তারা প্রধান বিচারপতির বাড়ির গেটে হামলা করেছেন, বিচারপতিদের বাসভবনের গেটে হামলা করেছেন, আইডিবি ভবনের সামনে অনেকগুলো গাড়িতে আগুন দিয়েছেন, পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ করেছেন, ঢিল ছুড়েছেন। অনেক পুলিশ আহত হয়েছে।

হামলাকারীদের সম্পর্কে জানতে চাইলে হারুন বলেন, কারা হামলা করেছে জানি না। তবে আমাদের কাছে সব রেকর্ড আছে, সিসিটিভি ফুটেজ আছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে যারা এই হামলা করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পুরো এলাকা আমাদের নিয়ন্ত্রণেই আছে। পুলিশ তাদের কাজ করছে। কাকরাইল মোড় এলাকায় যারা হামলা করেছিল তারা এখান থেকে সরে গেছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ফাঁকা, নিরাপত্তা জোরদার
ঢাকা অফিস
ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে দলটির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় কার্যত ফাঁকা হয়ে গেছে। কার্যালয়ে সামনের এলাকাসহ আশপাশের সব মোড়ে রায়ট কার (দাঙ্গা দমনে ব্যবহৃত গাড়ি) নিয়ে অবস্থান করছে পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

শনিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দেখা যায়, পুলিশের একটি দল কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান করছে। সড়কের বিপরীত পাশে রয়েছে রায়ট কার। কার্যালয়ের মূল ফটকের একটি অংশ খোলা রয়েছে।

নয়াপল্টন ছাড়াও নাইটেঙ্গেল মোড় ও কাকরাইলের সড়কে র্যাব ও বিজিবির টহল চলছে। প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনেও বিজিবি অবস্থান করছে।

এদিকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, পুলিশের অনুমতি নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুমতির ভিত্তিতেই আইনসম্মতভাবে সমাবেশ করা হচ্ছিল। কিন্তু এতে পরিকল্পনা করে বেআইনিভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এই বেআইনি সরকার, অবৈধ সরকার সব জায়গায় এমন বেআইনি কাজ করছে।

সন্ধ্যা ৭টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৪/৫ জন নেতা অবস্থান করছিলেন।

সন্ধ্যার আগে কাকরাইল মোড় এলাকায় একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। অদূরেই ছিলেন পুলিশ সদস্যরা। বাসে আগুনের পর কাকরাইল মোড়, পল্টন মোড়, দৈনিক বাংলা মোড়, নটর ডেম কলেজের সামনের সড়কসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্যকে অবস্থান নিয়ে থাকতে দেখা যায়।

রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সসহ ৭ গাড়িতে আগুন
ঢাকা অফিস
রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতাল চত্বরে সাতটি গাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স, একটি মাইক্রোবাস ও পাঁচটি মোটরসাইকেল রয়েছে।
শনিবার বিকালে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ লাইনস হাসপাতালের অদূরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিকালে সমাবেশ করার কথা ছিল বিএনপির। এ উপলক্ষে হাজার হাজার নেতাকর্মী সমবেত হয়েছিলেন। তবে দুপুরে ওই এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে বিএনপির সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

এর পরপরই রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতাল চত্বরে ঢুকে গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা রাফি আল ফারুক বলেন, হাসপাতালের ফটকে ও হাসপাতাল চত্বরে রাখা পাঁচটি মোটরসাইকেল, একটি বাইসাইকেল, অ্যাম্বুলেন্সসহ দুটি মাইক্রোবাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ সময় দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের দুটি ও খিলগাঁওয়ের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা হাসপাতাল চত্বরে ঢুকে গাড়িতে আগুন দেয়। এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ সময় রোগী ভর্তিতে বিঘ্ন ঘটে।

পাইকগাছায় পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে পানীয়র বোতলে ঘুমের বড়ি খাওয়ে সর্বস্ব লুট
পাইকগাছা প্রতিনিধি:
পাইকগাছায় স্বামী-স্ত্রী পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে পানীয়র বোতলে ঘুমের বড়ি খাওয়ে সর্বস্ব লুটে নিয়েছে এক প্রতারক চক্র। ঘটনাটি শুক্রবার রাতে পৌর সদরে ৫ নং ওয়ার্ডে আব্দুল লতিফের বাড়িতে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বাড়ি মালিক আব্দুল লতিফ জানান, শুক্রবার আমি গ্রামের বাড়ি গজালিয়াতে ছিলাম। আমার স্ত্রী জলি বেগম পৌর সদরেরর ৫ নং ওয়ার্ডের বাড়িতে ছিলো। এ সময় একজন পুরুষ একজন মহিলা পুলিশ ও স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে আমাদের বাড়িতে ঢোকে। তাৎক্ষনিক তাদের নাস্তার ব্যবস্তা করে আমার স্ত্রী। পুলিশ পরিচয়ে ওই ব্যক্তির সাথে একজন মহিলা ছিলো। তখন ওই মহিলা আমাকে পানীয়(ইস্প্রাট) একটি বোতল বের করে আমার স্ত্রীকে খেতে দেয়। তখন সে ওই স্প্রাইট পান করে ঘুমিয়ে পড়ে। শনিবার সকালে আমি পার্শবর্তি লোকের ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি বাড়িতে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার নিয়ে প্রতারকরা পালিয়ে গেছে। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, থানায় মামলা হয়েছে, মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।

খাল থেকে কুমির উদ্ধার
নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাইগ্রাম খাল থেকে কুমির উদ্ধার করেছেন এলাকাবাসী। শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কুমিরটি উদ্ধার করা হয়। কুমিরটি প্রায় সাড়ে ৭ ফুট লম্বা। শত শত মানুষ কুমিরটি এক নজর দেখার জন্য ভিড় করে।

জানা যায়, কয়েকদিন আগে উপজেলার মাইগ্রাম খালে কুমির দেখে এলাকাবাসী আতঙ্কে ছিলেন। শনিবার সকালে ওই গ্রামের ইয়ামিন চৌধুরী নামে এক যুবক মাছ ধরতে গিয়ে অল্প পানিতে কুমিরটি দেখতে পান। পরে তিনি রশি দিয়ে ফাঁদ তৈরি করে কুমিরটি ধরেন। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় কুমিরটি ডাঙ্গায় নিয়ে যান। খুলনা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে বিকালে কুমিরটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান আল মামুদ বলেন, খুলনা বন বিভাগের প্রতিনিধি দল কুমিরটি শনিবার বিকালে গাড়িতে করে খুলনায় নিয়ে গেছে।

শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি শেষে খুবি খুলছে আজ
খবর ডিবজ্ঞপ্তি
শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি শেষে আজ ২৯ অক্টোবর (রবিবার) থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে। এদিন সকাল ৯টা থেকে যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
উল্লেখ্য, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে গত ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর ২০২৩ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া দুর্গাপূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি (২৭-২৮ অক্টোবর) শেষে আগামীকাল ২৯ অক্টোবর ২০২৩ খ্রি. তারিখ রবিবার যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

কাটাখালী হাইওয়ে থানা পুলিশের আয়োজনে ওপেন হাউজ-ডে
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানা পুলিশের আয়োজনে ওপেন হাউজ-ডে-২০২৩ অনুষ্ঠান শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় থানা অভ্যান্তর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ মিজানুর রহমান এর সভাপতিতত্বে সভায় বক্তৃতা করেন, লখপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম,ডি সেলিম রেজা ও পিলজংগ ইউপি চেয়ারম্যান মোড়ল জাহিদুল ইসলাম। সহকারী উপ পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) শেখ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন, ৫টি কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি যথাক্রমে শেখ মুস্তাফিজুর রহমান বুলু, আনন্দ কুমার দাশ, উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ আছাবুর রহমান, উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন, চুলকাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি পি কে অলোক, সাংবাদিক এইচ এম নাসির উদ্দিন ও ইউপি সদস্য সঞ্জয় ধর সুমন। সভায় সড়ক মহাসড়কে শৃংখলা ফিরিয়ে আনা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধ কল্পে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহনের উপর বিস্তারিত আলোচনা করে একটি খসড়া রেজুলেশন করা হয়। এসময় বিপুল সংখ্যাক চালক শ্রমিক কর্মকর্তা ও সর্বসাধারনরা উপস্থিত ছিলেন।

ফকিরহাটে জাতীয় ক্লাব ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতা শুরু
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ব্যপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দুইদিন ব্যাপি বঙ্গবন্ধু ১২তম নারী ও ১৬তম পুরুষ জাতীয় ক্লাব ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ফকিরহাট উপজেলা অডিটোরিয়ামে শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু করে এ প্রতিযোগিতা রোববার (২৯ অক্টোবর) বিকেল পর্যন্ত চলবে । সাতশৈয়া ভারোত্তোলন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক আনিচুর রহমান বিপ্লব জানান, প্রতিযোগিতায় দেশের ১৬টি জেলার ১৬টি ভারোত্তোলন ক্লাবের মোট ৭০জন খেলোয়ার অংশগ্রহন করছে। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি উইং কমান্ডার মহিউদ্দিন আহমেদ (অব:)। এতে সভাপতিত্ব করেন ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্যরা। ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতা দেখতে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রীড়ামোদী মানুষ সহ অসংখ্য দর্শকদের উপস্থিতি ঘটে। এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশন ও ফকিরহাটের সাতশৈয়া ভারোত্তোলন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। #

 

ঢাকা মহাসমাবেশে খুলনা বিএনপির সাবেক নেতাকর্মিদের বিশাল মিছিল সহকারে যোগদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ বিলুপ্ত নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির লক্ষ্যে একদফা দাবি আদায়ে শনিবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর নয়া পল্টনে আয়োজিত ‘মহাসমাবেশে’ যোগদান করেন খুলনা বিএনপির সাবেক বিপুল পরিমান নেতাকর্মি। নেতাকর্মিরা খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র নেতৃত্বে মহাসমাবেশে সকলে দলে দলে যোগ দেন।
মহাসমাবেশে খুলনা বিএনপির সাবেক নেতাকর্মিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মহিবুজ্জামান কচি, নিজাম উর রহমান লালু, ইউসুফ হারুন মজনু, শমশের আলী মিন্টু, শরিফুল আনাম, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, এড. সরফরাজ হিরো, ইশহাক তালুকদার, মোস্তফা কামাল, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, রফিকুল ইসলাম শুকুর, আব্দুল জব্বার, মহিউদ্দিন টারজান, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, আব্দুল জলিল হাওলাদার, আব্দুর রব মুন্সি, মোহাম্মাদ আলী, কাজী ফজলুল কবির টিটো, নূরে আব্দুল্লাহ, হুমায়ুন কবির, শামীম আশরাফ, আব্দুস সালাম, সাখাওয়াত হোসেন, আলমগীর হোসেন, শামীম খান, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, মিজানুর রহমান মিজান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, মাহিম আহমেদ রুবেল, আরিফুর রহমান আরিফ, কামরুল বিশ^াস, রাজিবুল আলম বাপ্পি, এ আর রহমান, এরশাদ হোসেন, মেহেদী হোসেন, ইলিয়াস হোসেন, সুলতান মাহমুদ সুমন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, মাহমুদুল হাসান মুন্না, সালাউদ্দিন সান্নু, আবু তালেব, লিটন কুন্ডু, শামীম কাজী, আলম হোসেন, ঈশা শেখ, মো. জুয়েল, টিপু হাওলাদার, মিজানুর রহমান লিটন, সাথী বেগম, আল মামুন, ইউনুচ শেখ, হারুন মোল্লা, মো. মুন্নাসহ খুলনা মহানগর, থানা, ওয়ার্ড, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠণের হাজার হাজার সাবেক নেতাকর্মি।
এদিকে শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশে আওয়ামী পুলিশের হামলার প্রতিবাদে রবিবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালনে সকল নেতাকর্মিদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে অংশগ্রহণের আহবান জানিয়েছন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

উপ-সম্পাদকীয়===============
স্মার্ট বাংলাদেশের পথে আমরা
এম জসীম উদ্দিন

ইলা- ইরা দুইবোন রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী । করোনার সময়ে তারা প্রায় ঘরবন্দি ছিলো। সেই সময় তাদের পড়ালেখা যেমন থেমে ছিলোনা, তেমনি ছিলো কলেজ এবং বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগও। প্রতিদিনই নিয়ম করে অনলাইন ক্লাস করতো তারা। ডিজিটাল সেবার কারণে করোনা মহামারির মতো পরিস্থিতিতেও দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর প্রযুক্তির যে বিকাশ হয়েছে, তার সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন পরিস্থিতি সহজেই মোকাবিলা করতে পেরেছে নতুন প্রজন্মসহ দেশের প্রায় সব বয়সী মানুষ।
করোনা মহামারির কারণে মানুষের ইন্টারনেট নির্ভরতা বেড়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি। বিশেষ করে লকডাউন শুরুর পর থেকে। অনেক মানুষ ঘরে বসেই অনলাইনে অর্ডার দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করেছে। স্বাস্থ্যসেবাও নিয়েছে অনলাইনে। এখনও টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের ডাক্তারি পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে। এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশের সফলতা বা অর্জন। এখন আমরা এগিয়ে যাচ্ছি স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে।
২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং অনুপ্রেরণাদায়ী একটি ঘোষণা। এই ঘোষণা সমাজের সকল শ্রেণির বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট ও প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে বেশি। সে ঘোষণার প্রায় ১৩ বছর পর ৭ এপ্রিল ২০২২ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্স এর তৃতীয় সভায় দিলেন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ রূপকল্প বাস্তবায়নের ধারণা। ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন, আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে তিনি বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবেন।
স্মার্ট বাংলাদেশ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রতিশ্রুতি ও স্লোগান যা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের পরিকল্পনা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম এই প্রতিশ্রুতি ও স্লোগান দেন। ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়ন হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ পর্ব শেষে আবারও নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের লক্ষ্যের নাম ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১’। আপাতদৃষ্টিতে ডিজিটাল বাংলাদেশ ও স্মার্ট বাংলাদেশ একই প্রকৃতির রূপকল্প মনে হলেও ব্যবহারিক ও ধারণাগত দৃষ্টিকোণ থেকে তা বেশ ভিন্ন। ডিজিটাল বাংলাদেশ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যম। অপরদিকে স্মার্ট বাংলাদেশ হলো ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী সুসংহত পরিমার্জিত রূপ, যা মূলত সরকারি সেবা থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ স্মার্ট ভাবে উপস্থাপনের প্রয়াস, যেখানে সকল ধরনের ন্যায্য জনঅধিকার পূর্বের তুলনায় অধিকতর সক্ষমতার সঙ্গে নিশ্চিত করার মহাপরিকল্পনা করা হয়েছে। মূলত চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার প্রয়াসই হলো স্মার্ট বাংলাদেশ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিকতম পদক্ষেপ হলো স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন। স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য চারটা ভিত্তি ঠিক করা হয়েছে (১)স্মার্ট সিটিজেন (২)স্মার্ট ইকোনোমি (৩)স্মার্ট গভর্মেন্ট (৪)স্মার্ট সোসাইটি।

স্মার্ট সিটিজেনঃ এই স্তম্ভটির লক্ষ্য থাকবে বাংলাদেশের জনগণকে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে মননে ও মেধায় ক্ষমতায়িত করা। ২০৪১ সালের বাংলাদেশের নাগরিককে সরকারের সকল কর্মকান্ডের এবং অর্থনীতির প্রাণশক্তি হিসেবে গড়ে তোলাই হলো স্মার্ট সিটিজেন ধারণার বাস্তবায়নের অন্যতম উদ্দেশ্য।

স্মার্ট ইকোনমিঃ বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে উদ্ভাবনীমূলক, যেখানে বাংলাদেশ শিল্পপ্রযুক্তি বিপ্লবের অগ্রভাগে নেতৃত্ব দেবে, বিশেষ করে বস্ত্র, তৈরি পোশাক, হালকা প্রকৌশল সহ কৃষি খাতসমূহে। এই খাতসমূহে একটি স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি শক্তিশালী তথ্য ও প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তুলবে।
স্মার্ট গভর্নমেন্টঃ ২০৪১ সালের সরকার ব্যবস্থা হবে অনেকটা ‘অদৃশ্য সরকার ব্যবস্থা’। মানুষ যে-কোনো ধরনের সেবা পাবে কোন ধরনের মানুষের প্রত্যক্ষ সহায়তা ব্যতীত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, জননিরাপত্তা, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি একান্ত ব্যক্তিগত সেবাসমূহ হবে সম্পূর্ণ পেপারলেস।

স্মার্ট সোসাইটিঃ স্মার্ট সোসাইটি বলতে মূলত অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থাকে বুঝাবে যেখানে সমাজের সকল শ্রেণির নাগরিক ও টেকসই জীবনযাত্রা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রযুক্তিগত সহনশীলতা, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ইত্যাদি মানবিক বিষয়াদি নাগরিকদের মধ্যে প্রোথিত থাকবে। স্মার্ট সোসাইটির জীবনযাত্রা হবে স্থিতিশীল, প্রাণোচ্ছল যার চালিকাশক্তি আসবে একটি সমন্বিত প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম হতে।

এ বিবেচনায় ২০২১ থেকে ৪১ প্রেক্ষিত পরিকল্পনাও প্রণয়ন শুরু হয়ে গেছে, অর্থাৎ ’২১ থেকে ’৪১ পর্যন্ত সময়ে কীভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে, তার একটা কাঠামো পরিকল্পনা বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই প্রণয়ন করে ফেলেছে, যা জনগণের জন্য অন্যতম আশীর্বাদ বয়ে আনবে। অন্যদিকে ২০৪১ সালেই শেষ নয়, ২১০০ সালেও এ বঙ্গীয় বদ্বীপ যেন জলবায়ুর অভিঘাত থেকে রক্ষা পায়, দেশ উন্নত হয়, দেশের মানুষ যাতে ‘সুন্দর, সুস্থ ও স্মার্টলি’ বাঁচতে পারে, সেজন্য ডেল্টা প্ল্যান করে দেওয়ার কথা বলেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ডিজিটাল বাংলাদেশের বদৌলতে সরকার দেশের সব নাগরিকের জন্য ন্যাশনাল আইডি (এনআইডি) চালু করেছে, যেহেতু এনআইডি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর একটি ডকুমেন্ট, তাই এর গ্রহণযোগ্যতা শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, দেশের বাইরেও অনেক বেশি। অথচ বিদেশিরা আগে আমাদের দেশের কাগজপত্র খুব সহজে বিশ্বাস করতে চাইত না। এখানেই দৃশ্যমান হয় ডিজিটাল বাংলাদেশের গুরুত্ব ও সুবিধা।

ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ গঠনের পাশাপাশি একটি নির্বাহী কমিটিও গঠিত হয়েছে, যারা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা তৈরি করবেন। টাস্কফোর্সের নির্বাহী কমিটির কর্মপরিধিতে বলা হয়েছে, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ কার্যকর রূপান্তরে স্বল্প-মধ্য-দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে আবশ্যকীয় ব্যবস্থা নেওয়া, আইন ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো সৃষ্টি এবং সকল পর্যায়ে তা কার্যকর কারার দিকনির্দেশনা দেবে এ কমিটি। বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দেশে ৩৯ টি হাইটেক পার্ক করা হয়েছে। গবেষণা-উদ্বোধনী কাজে উৎসাহ দেওয়া এবং ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমির মধ্যে নেটওয়ার্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর ‘শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর’ গত ৬ জুলাই, ২০২২ তারিখে উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বর্তমানে সারাদেশে ৯২ টি হাইটেক পার্ক/সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক/আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউভেশন সেন্টার’ স্থাপনের কাজ চলছে। দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য ৬৪ জেলায় ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ স্থাপন করা হচ্ছে, যার মধ্যে তিনটি প্রকল্প অনুমোদিত এবং আরো ৩৪টি জেলায় এটি স্থাপনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী প্রজন্মকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে এবং ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি শিক্ষা দিতে ৩০০টি স্কুল অভ ফিউচার প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিদীপ্ত ও উদ্ভাবনী। এককথায় সব কাজই হবে স্মার্ট। যেমন স্মার্ট শহর ও স্মার্ট গ্রাম বাস্তবায়নের জন্য স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা, স্মার্ট পরিবহণ, স্মার্ট ইউটিলিটিজ, নগর প্রশাসন, জননিরাপত্তা, কৃষি, ইন্টারনেট সংযোগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শন হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশ। তাঁর ২০২১ সালের রূপকল্প ছিলো ডিজিটাল বাংলাদেশ, সকলের সাম্মলিত প্রচেষ্টায় যা অর্জন করে অমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ যেমন সফল হয়েছে, তেমনি দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রুপান্তরের ক্ষেত্রেও আমরা সফল হবো, এই আমাদের প্রত্যাশা। লেখক: তথ্য অফিসার, তথ্য অধিদফতর/ পিআইডি ফিচার

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কেইউজে
খবর বিজ্ঞপ্তি
রাজধানীতে সহিংসতার তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করতে গিয়ে বিএনপি কর্মীদের হামলায় অন্তত ১০ জন গণমাধ্যম কর্মী আহত হয়েছে। এসময় তাদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। আহত পাঁচ সাংবাদিককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার সময় ভাংচুর করা হয়েছে ক্যামেরা, ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে মোবাইল ফোন। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদতারা হলেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ, সহ-সভাপতি মো: জাহিদুল ইসলাম, আলমগীর হান্নান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিয়াজ, যুগ্মসম্পাদক নেয়ামুল হোসেন কচি, কোষাধ্যক্ষ দিলীপ বর্মন, দপ্তর সম্পাদক শেখ আব্দুল হামিদ, প্রচার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম মানিরুজ্জামান, সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, মিলন হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম।
বিবৃতিদাতারা জানান, বিএনপি’র ডাকা সমাবেশে যোগদেয়া নেতাকর্মীরা বিভিন্ন বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর অগ্নি সংযোগ চালাতে গেলে সেই দৃশ্য ধারণ করেন সাংবাদিকরা। তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীরা। তারা হামলে পড়েন সাংবাদিকদেও ওপর। হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্ট্রিমিডিয়া জার্নালিষ্ট শেখ নাসির, একুশে টেলিভিশনের গাড়িতে হামলা চালিয়ে ক্যামেরা ভাংচুর করে। এসময় আহত হন সাংবাদিক তৌহিদুর রহমান ও ক্যামেরা পার্সন আরিফুর রহমান। এসময় যমুনা টেলিভিশনের একটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়। লাঞ্চিত হন ভোরের কাগজের ফটো সাংবাদিক মাছুদ পারভেজ আনিস, সময় টিভির সাংবাদিক মারুফ, আহত হয়েছেন কালবেলার সাংবাদিক রাফসানজানি। নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীরা কোন ভাবে যেন ছাড় না পায় তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মহেশপুরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫২তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত
শামীম খান জনী,মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি,
ঝিনাইদহের মহেশপুরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫২তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার সকালে সরকারী শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ডিগ্রী কলেজে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহেশপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ, সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন, অধ্যক্ষ রফিউদ্দিন, আমরা মুক্তি যোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি রাজেদুল ইসলাম রাজা, ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল হোসেন, জাহাঙ্গির হোসেন, শাওন সহ অনেকে। পরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান এর রুহের শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্যঃ ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসের শেষদিকে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ধলাই সীমান্ত এলাকায় প্রাণপণ লঢ়াই করে সম্মুখ সমরে দেশের জন্য শহীদ হন সিপাহি হামিদুর রহমান।
২০০৭ সালের ১০ ডিসে¤॥^র বীরশেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আমবাসা গ্রাম থেকে বাংলাদেশে এনে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

বিএনপি কার্যালয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উপদেষ্টা মিয়ান আরাফি
ঢাকা অফিস
মহাসমাবেশকে ঘিরে সংঘর্ষের পর হঠাৎ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা মিয়ান আরাফি।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন মিয়ান আরাফিকে নিয়ে নয়াপল্টনে আসেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাপী রঙের শার্ট পরিহিত এক ব্যক্তি ইংরেজিতে কথা বলছেন। পাশে বসে আছেন ইশরাকসহ কয়েকজন।

ওই ব্যক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্বাচনী উপদেষ্টা বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে তার নাম মিয়ান আরাফি বলে দাবি করা হয়। তবে তার এই পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২৮ অক্টোবরের সব সহিংস ঘটনা পর্যালোচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র
ঢাকা অফিস
ঢাকায় শনিবার সংঘটিত রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাত ৯টায় এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানায় ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৮ অক্টোবর ঢাকায় যে রাজনৈতিক সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তার নিন্দা জানায়। একজন পুলিশ কর্মকর্তা, একজন রাজনৈতিক কর্মী হত্যা এবং একটি হাসপাতাল পোড়ানোর ঘটনা অগ্রহণযোগ্য। সাংবাদিকসহ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতাও তেমনই। আমরা সব পক্ষকে শান্তি ও সংযমের আহ্বান জানাই।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্ভাব্য ভিসা নিষেধাজ্ঞার জন্য আমরা সব সহিংস ঘটনা পর্যালোচনা করব।

শনিবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমাবেশ করার কথা ছিল বিএনপির। তাদের সমাবেশস্থলের দুই কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে কাকরাইল মোড় এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিএনপি নেতাকর্মীদের। বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

পরবর্তীতে নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকেও সমাবেশের জন্য জড়ো হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ।

এ সংঘর্ষের সময় একজন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। শামীম মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন; যাকে যুবদলের নেতা বলে দাবি করছে বিএনপি।এছাড়া বিএনপির বহু নেতাকর্মীর পাশাপাশি পুলিশ ও সাংবাদিকরা আহত হয়েছেন। পুলিশ দাবি করেছে, তাদের ৪১ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

নয়াপল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

একইদিন সারা দেশে ‘শান্তি সমাবেশ’ করবে আওয়ামী লীগ। শনিবার বিকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটকে আওয়ামী লীগের ‘শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ’ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশি বাধার মুখে বিএনপির নয়াপল্টনের সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। ধাওয়া খেয়ে নেতাকর্মীরা চারদিকে ছড়িয়ে পড়েন। পরে নয়াপল্টন এবং আশপাশের অন্যান্য স্থানে বিএনপি-পুলিশ-আওয়ামী লীগ ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়।

 

 

বিএনপি সন্ত্রাস নৈরাজ্য করছে: আ.লীগ
ঢাকা অফিস
বিএনপির ডাকা হরতাল প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। হরতাল কর্মসূচির নামে বিএনপি নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে তৎপর। এর বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের রাজপথে সতর্ক পাহারায় থাকার আহ্বান জানান দলের নেতারা। তারা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত। তাদের হরতালের ভয় দেখিয়ে কাবু করা যাবে না। বিএনপি হরতালের নামে অশান্তি সৃষ্টি করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বরং তাদের প্রতিহত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

শনিবার বিকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। এ সময় বিএনপি মহাসমাবেশের নামে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি পালন করেছে অভিযোগ করে নেতারা বলেন, আমরা শান্তি সমাবেশ করেছি। আর বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য করছে। তাদের মোকাবিলা করা হবে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, বিএনপি নিজেরা নিজেরা মারামারি করে, পুলিশের ওপর হামলা করে; ১৫ মিনিটে নয়াপল্টন সাফ। এই ধরনের নেতাকর্মী নিয়ে আওয়ামী লীগকে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। ছাত্রলীগ ছেড়ে দিলেই তো তারা পালানোর পথ পাবে না। বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, বিএনপি নিজেরাই মারামারি করে অনুষ্ঠান থেকে পালিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, তারা হরতালের ভয় দেখিয়ে আমাদের কাবু করার চেষ্টা করছে। এই হরতাল আমরা মানি না। এ সময় নেতাকর্মীদের হরতালের বিরুদ্ধে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, আজকের হামলার মধ্য দিয়ে বিএনপি প্রমাণ করেছে, তারা আবার সন্ত্রাসী চরিত্রে ফিরে গেছে। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতকে মোকাবিলা করতে হবে। সেজন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

সমাবেশে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, যাদের পায়ের তলায় মাটি নেই, তারাই সকালে-বিকালে বলে ‘ঈদের পরে, রোজার পরে, বৃষ্টির পরে, শীতের পরে সরকার পতনের আন্দোলন হবে।’ আজ পর্যন্ত তারা শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে পারেনি এবং পারবেও না।

বিএনপি ঘোষিত হরতাল প্রত্যাখ্যান করে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে। সমাবেশ শেষে বাসায় যাওয়ার সময় কর্মীরা ‘হরতাল মানি না, মানব না’ স্লোগান দিতে থাকে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বলেন, বিএনপি পরবর্তী কর্মসূচি আনার জন্য আমেরিকার ক্লাবে ঢুকেছে, ‘ডিম পাড়ে হাঁসে খায় বাগডাসে।’ এ হাঁস শুধু ধান খায় না, শামুকও খায়। ওরা যাদের বন্ধু হয়, তাদের শত্রু প্রয়োজন নেই।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আপনারা খবর পেয়েছেন- বিএনপি পালিয়ে গেছে। জামায়াত পালিয়ে গেছে। তারা প্রধান বিচারপতির বাড়ি ও পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালিয়েছিল। পুলিশের ওপর হামলা করে একজনকে হত্যা করেছে। এরপর পুলিশ এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছিল। এখন সেখানে শুধু কাক আছে কাক। আর আকাশে কিছু চিল উড়ছে, আর কিছু নেই।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি আবারও প্রমাণ করেছে তারা সন্ত্রাসী দল। এরা কখনো শান্তি চায় না। আজকে পরিষ্কারভাবেই ঘোষণা করতে চাই- তারা দেশের শান্তি নষ্ট করে অশান্তি করতে চায়, তাদের রাজপথেই মোকাবিলা করা হবে।

নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি হরতাল দিয়েছে। সেটি শান্তিপূর্ণ হলে আপত্তি নেই। কিন্তু অশান্তি সৃষ্টি করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা তাদের প্রতিহত করব। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকব। সেজন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, বিএনপি-জামায়াত আজ আমাদের আঘাত করেছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরা রাজপথে নেমেছে। আমরা রোববার পাড়া-মহল্লায় দুর্গ গড়ে তুলব। হরতাল প্রতিহত করা হবে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, গত ১৫ বছরে আজকের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি আমরা পালন করিনি। আজকে বিএনপি ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি পালন করেছে। আমরা শান্তি সমাবেশ করছি।

সংঘাত করলে যুবলীগ ঘরে বসে থাকবে না মন্তব্য করে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, বাংলাদেশের যুব সমাজ কোনো অনির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় বসতে দেবে না। তরুণ সমাজ কোনো অনির্বাচিত সরকার চায় না। তাই বিএনপিকে আহ্বান করব নির্বাচনে আসুন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচির পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আবদুস সবুর, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, কেন্দ্রীয় সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, আনিসুর রহমান, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, গোলাম কবির রাব্বানী চিনু, তারানা হালিম, সানজিদা খানম, মোহাম্মদ এ আরাফাত, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দ্র, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শবনম পারভীন শিলা, যুব মহিলা লীগের সভাপতি ডেইজী সরোয়ার, সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণের নেতাদের মধ্যে নুরুল আমিন রুহুল এমপি, ডা. দিলীপ রায়, হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, আবদুস সাত্তার মাসুদ, মিরাজ হোসেন, আক্তার হোসেন, হাবিব হাসান এমপি, মিজানুর রহমান মিজান, খসরু চৌধুরী প্রমুখ।

হরতাল অস্ত্র ভোতা হয়ে গেছে, কাজ হবে না: বিএনপিকে কাদের
ঢাকা অফিস
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি সন্ত্রাসী দল। তারা তাদের পুরনো চেহারা জাতির সামনে তুলে ধরেছে। এদের বিরুদ্ধে খেলা হবে। এদের অপরাধের বিচার হবে। এদের নৈরাজ্যের হরতাল কেই মানবে না। এই অস্ত্র ভোতা হয়ে গেছে। ভোতা অস্ত্রে কাজ হবে না।
শনিবার রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির মহাযাত্রা এখন মরণযাত্রায় রূপান্তরিত হয়েছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, খেলা হবে। খেলা হবে? প্রস্তুত? ফখরুল-বিএনপি কোথায়? মহাযাত্রা এখন মহাপতন যাত্রা। বিএনপির মহাযাত্রা এখন মরণযাত্রা। খেলা হবে? সেমি ফাইনালে আমরা গেছি। তারপরে ফাইনাল নির্বাচনে।

বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, জবাব দিতে হবে- প্রধান বিচারপতির বাড়িতে কারা হামলা করেছে? পুলিশের গায়ে যারা হাত তুলেছে। তাদের বিরুদ্ধে খেলা হবে৷ তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।

এর আগে সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন উপলক্ষে কর্ণফুলীর কেইপিজেড মাঠে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে। আজকে চট্টগ্রামেও খেলা, ঢাকায়ও খেলা। খেলা হবে তাহলে, সব রেডি। ঢাকায় ফখরুল সাহেব অপশক্তিকে নিয়ে ফাউল করা শুরু করেছেন।’

আজ সারা দেশে শান্তি সমাবেশ ডেকেছে আ.লীগ
ঢাকা অফিস
আজ সারা দেশে শান্তি সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার বিকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জবাব দিতে হবে, প্রধান বিচারপতির বাড়িতে কারা হামলা করেছে? পুলিশের গায়ে যারা হাত তুলেছে। তাদের বিরুদ্ধে খেলা হবে৷ তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। বিএনপি সন্ত্রাসী দল৷ তারা তাদের পুরনো চেহারা জাতির সামনে তুলে ধরেছে। এদের বিরুদ্ধে খেলা হবে। এদের অপরাধের বিচার হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এদের (বিএনপি) নৈরাজ্যের হরতাল কেই মানবে না। এই অস্ত্র ভোতা হয়ে গেছে। ভোতা অস্ত্রে কাজ হবে না। আগামীকাল (রোববার) মহানগর, জেলা, থানা ও উপজেলাসহ সারা দেশে শান্তি সমাবেশের ঘোষণা দেন তিনি।

এদিকে রোববার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুগান্তরকে জানান, ‘শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলা, গুলিবর্ষণ এবং অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হওয়ার প্রতিবাদে দেশব্যাপী রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হবে।

দলের নয়, এলাকার সব মানুষের এমপি হওয়ার চেষ্টা করেছি: তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা অফিস
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, এলাকায় কে কোন দল করে সেটা বিবেচনা কখনো করিনি। পর পর তিনবার এমপি হয়েছি। সব সময় রাঙ্গুনিয়ার মানুষের এমপি হওয়ার চেষ্টা করেছি, কোনো দলের নয়।

শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়নে উপকারভোগীদের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্য খালেদ মাহমুদ।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু তাহেরের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহিম, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বাদশা, উপদেষ্টা সদস্য নুরুল আজিম, সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবুল হাশেম, সিরাজুল করিম সিকদার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বদিউল খায়ের লিটন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউনুচ, কোদালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক ইসহাক সওদাগর, সিনিয়র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম, বেলজিয়াম যুবলীগের ধর্ম সম্পাদক শোয়েব হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুল জব্বার, ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি জহির আহামদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কুসুম, ইউপি সদস্য ফজল করিম প্রমুখ।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ বদলে গেছে। তিনি ক্ষমতায় আছেন বলে সাধারণ মানুষ নানারকম ভাতা পাচ্ছে। তাই দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা রক্ষায় আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই।’

তিনি বলেন, ‘দুই মাস পর নির্বাচন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না এলে এই ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে। ভোটের পর তাহলে আওয়ামী লীগ সরকারই লাগবে। সব সময় দলমত নির্বিশেষ আমার দরজা খোলা রাখার চেষ্টা করেছি। কে আমাকে ভোট দিয়েছে কিংবা দেবে, সেটা দেখিনি। ভোট এলে আমার জন্য আপনাদের দরজাও খোলা রাখবেন।’

তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন নয়: জামায়াত
ঢাকা অফিস
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। জীবন দিয়ে হলেও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর আরামবাগে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শুরুতে কিছুটা সংঘাত হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সমাবেশ ছিল মোটামুটি শান্তিপূর্ণ। বেলা ২টায় মূল সমাবেশ শুরু হয়। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ শেষ হয়।

জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির বলেন, আজ ২৮ অক্টোবর সেই ঐতিহাসিক দিন, যেদিন লগি-বৈঠা নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের হায়েনার মতো পিটিয়ে হত্যা করেছিল আওয়ামী লীগ। সাপের মতো মেরেছিল। আমরা সেই ২৮ অক্টোবরের প্রতিশোধ নিতে চাই। তবে হত্যার বদলে হত্যা নয়। আমরা কুরআন ও সুন্নাহর আইন চালু করে প্রতিশোধ নেব ইনশাআল্লাহ। আমাদের কোনো শহিদ ভাইয়ের এক ফোঁটা রক্তও বৃথা যেতে দেব না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জামায়াতে ইসলামী অবশ্যই নির্বাচনে যাবে। তবে তা কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নয়। নির্বাচন অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল গণতান্ত্রিক দল। আমরা অনেক লড়াই-সংগ্রাম করেছি। আমরা আওয়ামী লীগ-বিএনপির সঙ্গে আন্দোলন করেছি। আমরা কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংগ্রাম করেছি। অথচ আজ আওয়ামী লীগের সুর ভিন্ন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক সংসদ-সদস্য এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ।

টপলিড============
সাফল্যের মুকুটে নয়া পালক: স্বাধীনতার ৫২ বছরে টানেলযুগে বাংলাদেশ
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম যোগাযোগের সুড়ঙ্গ পথ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বেলা পৌনে ১২টায় চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা প্রান্তে টানেলের ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে টোল দিয়ে গাড়িতে করে টানেল পার হন সরকার প্রধান।

এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাগর উপকূল ঘিরে শিল্পের নতুন দুয়ার খুলে গেল।

রোববার সকাল ৬টা থেকে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে এই টানেল। দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশে প্রথম সুড়ঙ্গপথ এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।

উদ্বোধন শেষে আনোয়ারা উপজেলার কেইপিজেড মাঠে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা মাঠে শনিবার সকাল থেকেই ভরে উঠে কানায় কানায়। সকাল নয়টার দিকে জনসভা শুরু হয়। সভায় আনোয়ারা, কর্ণফুলী, পটিয়া, বাঁশখালীসহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরের বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে যোগ দেন।

কর্ণফুলীর টানেল শুধু চট্টগ্রাম শহরের দুই প্রান্তকে যুক্ত করবে না, হবে শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের যোগসূত্র। মাটির প্রায় ১৪০ ফুট গভীরে নির্মিত ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের টানেলটি গাড়িতে পাড়ি দিতে সময় লাগবে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট। টানেলে দুটি টিউব রয়েছে। এই টিউবগুলো কর্ণফুলী নদীর তলদেশ থেকে ১০৫ ফুট গভীরে নির্মাণ করা হয়েছে। গাড়ির জট যেন না হয়, সে জন্য রয়েছে ২০টি টোল বুথ।

কর্ণফুলী নদীতে বিভক্ত চট্টগ্রাম শহরকে সাংহাইয়ের মতো ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ হিসেবে গড়তে টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর টানেল নির্মাণে প্রকল্পটি তার সরকারের অনুমোদন পায়। পরের বছরের ১৪ অক্টোবর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাত বছর পর বাস্তবে রূপ নিয়েছে টানেল। স্বাধীনতার ৫২ বছরে টানেলযুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। আনন্দের এই ক্ষণ উদযাপনে বর্ণিল সাজে সাজে কর্ণফুলীর দুই তীর।

সেতু কর্তৃপক্ষের নির্মাণ করা টানেলে গাড়ি চলাচলের কারণে শুধু দূরত্বই কমবে না, বাঁচবে সময় ও খরচ। কক্সবাজারের সঙ্গে চট্টগ্রামের দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার। মহেশখালীতে চলমান ৭২টি প্রকল্পের সুফল সারাদেশ পাবে আরো কম সময়ে।

ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮০০
ঢাকা অফিস
দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ১৮০০ জন।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০৭ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩৯৩ জন।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৭ হাজার ৯১ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ১ হাজার ৯৭৫ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ১১৬ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৯৮ হাজার ২৭ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৪৪ জন। ঢাকায় ৯৫ হাজার ২৫০ এবং ঢাকার বাইরে ১ লাখ ৬২ হাজার ১৯৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৩২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২৫নং ওয়ার্ডে মহিলা কর্মীসভায় সিটি মেয়র
বিএনপি নারী ধর্ষণসহ মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারে এদের কাছে দেশ ও জাতির নিরাপদ নয়
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বিএনপি তাদের আসল চেহারায় ফিরে এসেছে। তারা ২০১৪ সালের মত আবার অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার ঢাকায় সমাবেশের নামে পুলিশকে অগ্নিদগ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি ’৭১-এর মত নারী ধর্ষণ এবং মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারছে। ওদের কাছে দেশ ও জাতির নিরাপদ নয়। এরা দেশ ও জাতির শত্রু, এদের প্রতিহত করে দেশ ও জাতিকে নিরাপত্তা দিতে হবে। সেজন্যে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ’৭১-এর প্রেতাত্মাতের চিরতরে দাফন করিয়ে দিতে হবে।
গতকাল শনিবার বাদ মাগরিব ২৫নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কোহিনুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাবিহা ইসলাম আঙ্গুরের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. শাহাজাদা, দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, নির্বাহী সদস্য এস এম আকিল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আইয়ুব আলী শেখ, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জেসমিন সুলতানা শম্পা, সোনাডাঙ্গা থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, সদর থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরীনা রহমান বিউটি, সোনাডাঙ্গা থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরজাহান রুমিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা সরদার আব্দুল হালিম, আঞ্জুমানোয়ারা বেগম, খাদিজা কবির তুলি, পারভীন ইলিয়াছ, মেহজাবিন খান, নাজমুন নাহার সাথীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ সকলকে বিএনপি-জামায়াতের সকল ধরণের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

নগরীতে আ’লীগের শান্তি সমাবেশ সকাল থেকে
খবর বিজ্ঞপ্তি
ব্এিনপির অগ্নিসন্ত্রাস ও দেশব্যাপী নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শান্তি সমাবেশ করবে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ। মহানগরী আওয়ামী লীগ কার্যালয় চত্বর সহ নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় কার্যালয় চত্বরে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে। এখানে ২১ ও ২৩নং ওয়ার্ড এবং মহানগরের সকল সহযোগী সংগঠন অংশগ্রহণ করবে। এছাড়া ৩১নং ওয়ার্ড রূপসা ব্রিজ এলাকায়, ৩০ নং ওয়ার্ড রূপসা ট্রাফিক মোড়ে এলাকায়, ২২নং ওয়ার্ড নতুন বাজার মোড়ে, ২৯নং ওয়ার্ড হাজী মহাসিন রোডস্থ টোলের মোড়ে, ২৮নং ওয়ার্ড পিটিআই মোড়ে, ২৭নং ওয়ার্ড সাতরাস্তা মোড়ে, ২৬নং ওয়ার্ড নিরালা মোড়ে, ২৫নং ওয়ার্ড গল্লামারী মোড়ে, ২৪নং ওয়ার্ড ময়লাপোতা মোড়ে, ২০নং ওয়ার্ড স্টার হল মোড়ে, ১৯নং ওয়ার্ড খলিল চেম্বারের মোড়ে, ১৮নং ওয়ার্ড সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে, ১৭ নং ওয়ার্ড শীববাড়ি মোড় ও নিউমার্কেট এলাকায়, ১৬ নং ওয়ার্ড বয়রা বাজার মোড়ে, ০৯, ১৪ ও ১২ নং ওয়ার্ড বৈকালী মোড়ে, ১৩ ও ১৫ নংওয়ার্ড জোড়াগেট মোড়ে, ৮ ও ১০ নং ওয়ার্ড পিপলস মোড়ে, ১১ নং ওয়ার্ড প্লাটিনাম মোড়ে, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড নতুন রাস্তা মোড়ে, ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড দৌলতপুর বেবী স্ট্যান্ড মোড়ে, ৩নং ওয়ার্ড রেলিগেট মোড়ে, ১নং ওয়ার্ড মানিকতলা সিএসডি মোড়ে, ৩৩ ও ২নং ওয়ার্ড ফুলবাড়িগেট মোড়ে, ৩৪ ও ৩৫নং ওয়ার্ড শিরোমনি মোড়ে, ৩৬ নং ওয়ার্ড আফিল গেট এলাকা এবং ৩২নং ওয়ার্ড আড়ংঘাটা বাজার এলাকায় শান্তি সমাবেশ করবে। কেউ এ সকল শান্তি সমাবেশে বাধা দিলে অথবা অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর অথবা কোন যান চলাচলে বাধা দিলে তাকে প্রতিহত করা হবে। একই তাকে ধরে আইন-শৃংখলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে হবে। সকাল ৮টা হতে এসকল স্থানে শান্তি সমাবেশ চলতে থাকবে।

নগর যুবলীগের বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগ নেতা এমডিএ বাবুল রানা
খবর বিজ্ঞপ্তি
হরতালের নামে হত্যা, অগ্নি সন্ত্রাস ও ভাংচুরে লিপ্ত হলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। গতকাল যখন প্রধানমন্ত্রী কর্নফুলী টানেল উদ্বোধন করে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরেছেন। তখন বিএনপি, জামায়াত ও তাদের দোসররা স্বরূপে ফিরে জ্বালাও, পোড়াও ও হত্যায় লিপ্ত হয়েছে। এটাই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে পার্থক্য। আওয়ামী লীগ দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজ করে আর বিএনপি জামায়াত ও তাদের দোসররা দেশ ধ্বংসের কাজে লিপ্ত থাকে। তাই হরতালের নামে হত্যা, অগ্নি সন্ত্রাস ও ভাংচুরে লিপ্ত হলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।
খুলনা মহানগর যুবলীগ এর বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ০৬ টায় দলীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনায় আগমন ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এই বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ধিত সভায় নগর যুবলীগের সভাপতি সফিকুর রহমান পলাশ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন এর পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জি: মৃণাল কান্তি জোয়ার্দার, নগর আওয়ামী লীগ নেতা আকীল উদ্দীন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর রোজী ইসলাম নদী, আব্দুল কাদের শেখ, এ্যাড: আল আমীন উকিল, আবুল হোসেন, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম, মোস্তফা শিকদার, কাজী ইব্রাহিম মার্শাল, জুয়েল হাসান দিপু, মহিদুল ইসলাম মিলন, মশিউর রহমান সুমন, ইয়াসিন আরাফাত, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সুলতান মাহামুদ পিন্টু, থানা যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন,
সাবেক ছাত্রনেতা মাসুদ পারভেজ বাবু, বাচ্চু মোড়ল, বিপুল মজুমদার, সবুজ হাজরা, পলাশ মন্ডল, অভিজিৎ পাল, মেহেদী হাসান রাসেল, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা,
ইলিয়াস হোসেন লাবু, আরীফুল ইসলাম আরীফ, সরদার জাকির হোসেন, হাসান শেখ, কাঞ্চন শিকদার, এজাজ আহম্মেদ, ইমরুল ইসলাম রিপন, মাসুম উর রশীদ, ইব্রাহিম হেসেন তপু, হারুন উর রশীদ, জামিল আহমেদ সোহাগ, মহিদুল হক শান্ত, আব্দুর রহিম, লাবু আহমেদ, আনিসুর রহমান, আরীফুর রহমান জিয়ন, মো: ইউসুফ মোল্লা, ফাত্তাহ উল ইসলাম (ফাহিদ), মো: সাকিব হাওলাদার, ছাত্রলীগ নেতা জহির আব্বাস, জনি বসু, রাকিব মোড়ল, নিশাত ফেরদৌস হোসেন অনিসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।