ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেফতার দুই, অস্ত্রগুলি উদ্ধারের দাবি
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
মণিরামপুরের শ্যামকুড়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ইব্রাহিম খলিল এবং রিপন সরদার নামে দুই জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বুধবার (১৭ জুন) গভীর রাতে উপজেলার চিনাটোলা গ্রামের জনৈক আসাদের বাড়ির পাশের একটি বাগান থেকে র্যাব-৬ খুলনার স্পেশাল শাখার সদস্যরা তাদের গ্রেফতার করে।
র্যাবের দাবি, তারা সেখানে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, এক রাউন্ড গুলি ও একটি রামদা উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি র্যাবের।
গ্রেফতারকৃত ইব্রাহিম ও রিপনকে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় মণিরামপুর থানায় সোপর্দ করেছে র্যাব। রাতেই এই ঘটনায় র্যাব-৬ খুলনা কোম্পানীর ষ্পেশাল কমান্ডের ডিএডি রিপন শিকদার বাদী হয়ে মণিরামপুর থানায় পৃথক দুইটি মামলা করেছেন।
ইব্রাহিম যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। সে তেঘরি গ্রামের মাহাবুর রহমানের ছেলে এবং রিপন বড়মেঘলা গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে। তারা দু’জনে বন্ধু।
মামলার বরাত দিয়ে মণিরামপুর থানার ডিউটি অফিসার এসআই আজাদ জানান, বুধবার রাতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ইব্রাহিম ও রিপন র্যাবের হাতে অস্ত্রগুলিসহ গ্রেফতার হয়েছে।
মণিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান বলেন, ইব্রাহিম এবং রিপনের বিরুদ্ধে র্যাব ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে দুইটি মামলা করেছে। শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করা হবে।
এদিকে ইব্রাহিমের স্বজন ও সদর উপজেলা ছাত্রদলের দাবি গত ১৩ জুন রাতে ঝিকরগাছা উপজেলার লাউজানি বাজার থেকে ইব্রাহিম ও রিপনকে র্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় তারা বাজারের একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে গল্প করছিল। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিল তারা। এই ঘটনার পরের দিন যশোর র্যাব অফিস, কোতোয়ালি থানাসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে তাদের সন্ধান মেলাতে পারেননি স্বজনরা। পরে ১৬ জুন দুপুরে ইব্রাহিমের মা নূরজাহান বেগম ঝিকরগাছা থানায় একটি জিডি করেন।সর্বশেষ ইব্রাহিমের সন্ধান চেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেয় ছাত্রদল। এরপর বিকেল চারটায় প্রেসকাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। পরে অবশ্য প্রেসকাবে ঢুকে পুলিশ সাংবাদিক সম্মেলনে বাধা দেয়।
শরণখোলায় মাথাসহ ১০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রাম থেকে ১০ কেজি হরিণের মাংস ও একটি মাথা উদ্ধার করেছে বনরক্ষীরা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে হাবিব তালুকদারের বাড়ি থেকে এ মাংস উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি তারা।
বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ জয়নাল আবেদীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শরণখোলা ষ্টেশনের বনরক্ষীরা সোনাতলা গ্রামে তল্লাশি চালায়। এক পর্যায়ে ওই গ্রামের হাবিব তালুকদারের বাড়ির পাশে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পচে যাওয়া ১০ কেজি হরিণের মাংস ও একটি মাথা উদ্ধার করে তারা। তবে এসময় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা মাংস কমিউনিটি পেট্রোলিং গ্রুপ (সিপিজি) ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বন বিভাগের ভোলা টহল ফাড়ি সংলগ্ন বনে কেরোসিন দিয়ে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে বন আইনে মামলা দেয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার দেবহাটায় রুবিনা আক্তার (২৮) নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার দক্ষিণপারুলিয়া গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর স্বামী রেজাউল ইসলাম বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূর বাবা সদর উপজেলার আলীপুর ঢালীপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলীসহ স্থানীয়রা জানান, বিগত গ্রায় ৮/১০ বছর আগে রুবিনার সাথে বিয়ে হয় দক্ষিন পারুলিয়া গ্রামের নৈশপ্রহরী শহীদুল ইসলামের ছেলে রেজাউল ইসলাম বাবুর সাথে। বাবু একজন মাদকাসক্ত। সে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকের কাজ করতো। পারিবারিক কলহের জের ধরে বাবু তার স্ত্রীকে প্রায়ই মারপিটও করতো। এরই জের ধরে বাবু রাতের কোন এক সময় তার স্ত্রীকে শ^াসরোধ করে হত্যা করে বলে তারা জানান। এরপর সকালে তার স্বামী বাবুসহ শ^শুর বাড়ির লোকজন প্রথমে স্ট্রোক জনিত কারনে ও পরে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে রুবিনা আতœহত্যা করেছে বলে প্রচার দেয়। তাদের সংসারে ৬ বছরের একটি ছেলে ও ৭ মাস বয়সের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে বলে তারা জানান। এদিকে, তার মৃত্যু নিয়ে ধু¤্রজালের সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে রুবিনার লাশ উদ্ধারসহ তার স্বামী মাদকাসক্ত রেজাউল ইসলাম বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত গৃহবধূর স্বামী রেজাউল ইসলাম বাবুকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, নিহতের লাশ ময়না ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে তার মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।
খুলনা ও মংলায় নৌবাহিনী কর্তৃক ১২’শ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস এর ভয়াবহ সংক্রমণ পরিস্থিতি রোধকল্পে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ নৌবাহিনী দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় সাধারণ জনগণের জন্য অকান্ত পরিশ্রম করে আসছে। দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের সচেতনতার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবে স্থবির বাংলাদেশের কর্মহীন, ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়া এর তত্ত্বাবধানে খুলনা ও মংলায় একযোগে ১২’শ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আটা ও লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি অন্তর্ভূক্ত ছিল। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলা সদর, আমতলী ও তালতলী এলাকায় নিয়মিত টহলে প্রদান করে। পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে। সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। বিকাল চার ঘটিকার পর সকল দোকানপাট বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ রাখতে ব্যবসায়ীদের বোঝানো হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, আপাবাড়ি, মংলা বাজার, মংলা বন্দর, হাসপাতাল চত্ত্বর ও ফেরিঘাট এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সর্ম্পকিত বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ এবং রাস্তা ও যানবাহনে ১০% কোরিনযুক্ত জীবাণুনাশক পানি ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানসহ নিয়মিত টহল ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ।
বটিয়াঘাটায় খাদ্য উপকরন বিতরণ
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
বটিয়াঘাটার এইচকে বিশেষ শিক্ষা প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ের উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় স্থানীয় প্রেম কানন রোডসহ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ৬৩ জন প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে করোনা সংক্রমনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে খাদ্য উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সুব্রত কুমার রায় প্রধান অতিথি থেকে উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক অম্লান রায়, সহকারী শিক্ষক যথাক্রমে সীমা ঢালী, পিয়ালী রায়, মুক্তা সরকার, সেতু গাইন, সুব্রত মন্ডল, নিপা বালা প্রমুখ। বিতরণ কালে ৬৩ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে জনপ্রতি ৬ কেজি চাউল, ১ কেজি ডাউল, কেজি সয়াবিন তেল, ১ কেজি আলু, ১ কেজি লবন ও ১টি করে সাবান প্রদান করা হয়।
ধান রোপন করে প্রতিবাদের পরও সংস্কার হয়নি সেই সড়ক
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দীর্ঘ সংস্কারের অভাবে ২০ কিলো মিটার একটি সড়ক মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোড়ামারা শহর থেকে জুনিয়াদহ গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘ পাঁচ বছর কোন সংস্কার হয়নি। সড়কের বেহাল দশার কারণে ধান রোপন করে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করে সারাদেশে আলোচনার জন্ম দেয়। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য ৬ মাস আগেই দরপত্র ও ঠিকাদার নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাজ শেষ হলেও শুরু হয়নি রাস্তা সংস্কারের কাজ।
জানা যায়, এলজিইডি আওতাধীন ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়কে উপজেলার বাহাদুরপুর, মোকারিমপুর ও জুনিয়াদহ ইউনিয়নের প্রায় দেড়লাখ মানুষ এ সড়কে উপজেলা সদরে আসা যাওয়া করে। গত বছর বর্ষাকালে সড়ক সংস্কারের দাবিতে স্থানীয়রা রাস্তায় ধান রোপন করে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
সিএনজি চালক রবিউল ইসলাম জানান, “২০ কিলোমিটার পথ যেতে ৪৫-৫০ মিনিট সময় লাগে। আর গাড়ি প্রতিনিয়িত ভাংতেই আছে। যাত্রীরাও অতিষ্ট হয়ে পড়ে। এই বর্ষায় রাস্তাটি একেবারের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।” অটো রিক্সা চালক রুবেল আলী জানান, “মাসের মধ্যে দুই তিন বার গাড়ী ভেঙ্গে যায়। অটো নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ায় দায়। পুরো রাস্তায় ছোট বড় গর্তে ভাঙ্গা।”
দেলোয়ার হোসেন নামের একটি কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, “কোম্পানীর কাজে প্রতিদিন আমাকে এই রাস্তা দিয়ে ভেড়ামারায় যাওয়া লাগে। এই রাস্তাটি একদমই চলাচলের মতো নাই। এছাড়া ভাঙ্গার কারণে সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটছে।” এ ব্যপারে ভেড়ামারা উপজেলা প্রকৌশলী রাকিব হোসেন জানান, “সড়কটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার ও ঠিকাদার নিয়োগ শেষ হয়েছে। এই বর্ষার মধ্যে কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।”
শ্বশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধূর শ্লীলতাহানির অভিযোগ
বেনাপোল প্রতিনিধি
যশোরের শার্শার রামপুর গ্রামের নিজ শ্বশুরের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে শার্শা থানায় একটি নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন এক সন্তানের জননী ভুক্তভোগী পুত্রবধূ। এমন অভিযোগ দেওয়ায় পুত্র ও পুত্রবধূকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন অভিযুক্ত শ্বশুর রফিকুল ইসলাম বিশ্বাস ওরফে সুদখোর রফিকুল। সরেজমিন গিয়ে দেখা যাই অভিযুক্ত সুদখোর রফিকুল এর আগেও এমন অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এলাকাবাসী এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে জানা যায়।
এলাকাবাসী অভিযুক্ত বিত্তবান রফিকুলের ভয়ে মুখ খুলতে পারে না। সে রামপুর গ্রামের কদর উদ্দীন বিশ্বাসের পুত্র। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়,সুদখোর রফিকুল তার সুদের ব্যবসাতে অল্পদিনে কোটিপতি বনে গিয়েছে। অবৈধভাবে আয় করা কোটি টাকার বনিয়াদে সে যা ইচ্ছা তাই করে। তার নামে নারীঘটিত কেলেঙ্কারি শেষ নেই। এমনিতেই দুইটা বউ নিয়ে সংসার করে। এবার তার কু নজর পড়লো নিজের ছেলের বউয়ের দিকে! এলাকাবাসী এমন নিকৃষ্ট লজ্জাজনক কর্মকা- মেনে নিতে পারছে না। এলাকাজুড়ে ধিক্কার জানাচ্ছে আর তার উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।
শ্লীলতাহানি হওয়াতে শ্বশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এক সন্তানের জননী বলেন, বিয়ের পরপরই লম্পট শ্বশুর আমার দিকে তার কু নজর দিতে শুরু করে। এক পর্যায়ে আমার সাথে আপত্তিকর কথাবার্তা বলতে লাগে। আমি লজ্জায় কারোর সাথে কিছু বলতে পারি না।একদিন হঠাৎ করে আমার লম্পট শ্বশুর আমার হাত টেনে ধরে আর কু-প্রস্তাব দেয়। তখন আমি সহ্য না করতে পেরে আমার স্বামীর সাথে সব ঘটনা খুলে বলি। কিন্তু অভিযোগ স্বামীর জন্মদাতা লম্পট বাবার বিরুদ্ধে ছিলো বলে সে আমার শাশুড়িদের সাথে বলতে বলে। তাদের সাথে বলার পর হিতের বিপরীত হয়। শাশুড়িরাই তখন আমার ওপর নির্যাতন শুরু করে। সম্প্রতি আমার লম্পট শ্বশুর আমাকে আপত্তিকর কথা বলে। আর বিভিন্ন প্রলোভন দেখাতে থাকে। আমাকে কু-প্রস্তাব দেয়। আমি রাজি না হওয়ায়, লম্পটটা আমার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং জোর করে ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায়। আমি কোনোরকম প্রাণ নিয়ে পালিয়ে আসি। পরবর্তিতে আমি আর আমার স্বামী স্থানীয়ভাবে বিচার দিয়ে আসি।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এক পয়ার্যে আমাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়। এখন আমি স্বামী সন্তান নিয়ে পথে পথে ঘুরছি। আমি তার উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাই।
এ বিষয়ের সুদখোর রফিকুলের ছেলে অভিযোগ করে বলেন,আমার বাবার চরিত্রগত সমস্যা আছে। আমার বাবা এর আগেও অনেক বার এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। আমার স্ত্রীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য স্থানীভাবে বিচার দিলে সেখানে সে হাজির না হয়ে তার পক্ষ থেকে তার ভাই সাবেক মেম্বার বাদশাকে পাঠায়। পরে স্থানীয় শালিসি বিচারের রায় প্রত্যাখ্যান করে। এবং আমাকে ত্যাজ্যপুত্র করার ও মৃত্যুর হুমকি প্রদান করে।
এ বিষয়ে উলাশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আয়নাল হক বলেন, ঘটনাটি পারিবারিক সমস্যা বলে সুষ্ঠভাবে সমাধান করে দেওয়ার জন্য উক্ত ওয়ার্ডের মেম্বার কবির হোসেনকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। পরে শুনলাম শালিসি বৈঠকের রায় অভিযুক্ত সুদখোর রফিকুল প্রত্যাখ্যান করে পালিয়ে গেছে। আসলে সুদখোর রফিকুলের নামে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির শেষ নেই। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাটি আমি ভুক্তভোগী মেয়েটির কাছ থেকে শুনেছি। ঘটনাটি আসলেই খুবই লজ্জাজনক আপত্তিকর ঘটনা। তাদের আমি থানা পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম বলেন, অভিযুক্ত রফিকুলের বিরুদ্ধে তার পুত্র ও পুত্রবধূ বাদি হয়ে শার্শা থানায় একটি নারী নির্যানত আইনে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।
প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে কাদাপানিতে কম্বল গায়ে শুয়ে থাকেন এই বৃদ্ধ!
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
বছরের পর বছর রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে রাস্তায় বসবাস করে আসছেন অশীতিপর অজ্ঞাত পরিচয় এই বৃদ্ধ। গত দুই-তিন দিনের প্রচ- বৃষ্টিতে কাদাপানিতে ঢেকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছেন। তবুও তিনি বৃষ্টির মধ্যে শুয়ে আছেন কম্বল গায়ে। তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে প্রচ- বৃষ্টির মধ্যে তাকে দেখা গেছে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কে শৈলকুপার ভাটই বাজারের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে। কাদাপানিতে শুয়ে কম্বল গায়ে কাঁপছেন। তবুও কেউ ফিরেও তাকাচ্ছে না তার দিকে। বৃষ্টির কাদাপানিতে সারা শরীর একাকার। বৃষ্টির মধ্যে সড়কে যানবাহন চলাচলের ফলে কাদাপানি ছুটে তার মাথার লম্বা লম্বা চুল ও মুখম-লে ভরে গেছে। তবুও স্থান ত্যাগ করছেন না ওই বৃদ্ধ। তবে পাগল হিসেবে পরিচিত ওই বৃদ্ধ বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
ভাটই এলাকার অবসরপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জালাল বিশ্বাস জানান, তিনিও বেশ কয়েক বছর ধরে ওই বৃদ্ধাকে তাদের এলাকায় দেখছেন। সারাদিন ঘোরাঘুরি করে বাজারের যে কোনো স্থানে শুয়ে থাকেন। গত এক সপ্তাহ ধরে ওই বৃদ্ধা ভাটই পুলিশ ফাঁড়ির সামনে মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে একটি কম্বল গায়ে শুয়ে আছেন। বৃষ্টিতে কাদাপানিতে প্রায় ঢেকে যাওয়ার উপক্রম। তার এ অবস্থা হলেও এখন পর্যন্ত তাকে উদ্ধারের জন্য কেউ এগিয়ে আসেননি।
ভাটই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই রেজওয়ানুল হক বলেন, পুলিশ ফাঁড়ির সামনে মহাসড়কে এক অজ্ঞাত পরিচয় বৃদ্ধকে প্রচ- বৃষ্টির মধ্যে কাদাপানিতে কম্বল গায়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি। তাকে মাঝে মধ্যে খাবার দিলে খাবার নেন। আমি এখানে নতুন এসেছি। তবে শুনেছি বৃদ্ধ লোকটি এ এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে রয়েছেন।
শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠান স্ব-স্ব মন্দিরে পুরোহিত দ্বারা পূজার মাধ্যমে সম্পান্ন করার সিদ্ধান্তÑরথ মাসির বাড়ি যাবে না
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার এক বিশেষ জরুরী সভা শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ মন্দির মিলনায়তনে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখা’র সাবেক সভাপতি ও শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ মন্দিরের ট্রাস্টি পোপী কিষাণ মুন্ধড়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। গত ০৪ জুন তারিখের সভায় শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠানÑ২০২০ পালনের যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল বর্তমান বাস্তবতায় আজকের সভায় তা বাতিল করে পুনঃ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে খুলনা মহানগরীতে করোনা ভাইরাসে ব্যাপক সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সভায় পুনঃ সিদ্ধান্ত হয় যে, কোনো রূপ ঝুঁকির মধ্যে না গিয়ে স্ব-স্ব মন্দিরে শুধুমাত্র পুরোহিত দ্বারা শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের পূজার কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। কাজেই এ বছর শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথ টান হবে না এবং মাসির বাড়ি জোড়াগেটস্থ প্রেমকাননে রথ যাবে না। ভয়াবহ করোনার কারণে সরকারি নির্দেশনা মান্য করে এবং বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা মোতাবেক সকল পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কাজেই সভায় নেতৃবৃন্দ এ বছর শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রার দিনে সকল সনাতন ভক্তবৃন্দকে যার যার ঘরে বসে পূজা-পার্বণ ও দেশবাসীসহ বিশ্ববাসীর মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করার অনুরোধ জানান। সভায় অপর এক প্রস্তাবে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠান এ বছর শুধুমাত্র মন্দিরেই মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে বিধায় শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ মন্দিরের পক্ষ থেকে যে পরিমাণ অর্থ উৎসব উপলক্ষে খরচ করে সেই টাকার সঙ্গে আরো কিছু যোগ করে করোনায় গৃহবন্দী অসহায় মানুষদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ু, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ মন্দিরের ট্রাস্টি’র শরৎ কুমার মুন্ধড়া, শ্যামল সিংহ রায়, প্রকৌঃ পরিমল দাস, এ্যাড. অলোকানন্দা দাস, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর কণিকা সাহা, সাংবাদিক মহেন্দ্র নাথ সেন, ইসকন-খুলনা শাখার সভাপতি গৌড়েশ্বর নিমাই দাস ব্রহ্মচারী, সাধারণ সম্পাদক ঈশ গৌরাঙ্গ দাস ব্রহ্মচারী, টুটপাড়া গাছতলা মন্দিরের পক্ষে পরিতোশ হালদার, শরৎ কুমার আগরওয়ালা, সুরেশ কুমার আগরওয়ালা, সঞ্জয় আগরওয়ালা, পূজা উদযাপন পরিষদের উজ্জ্বল ব্যানার্জী, সুরেশ কুমার রাম, রাজ কুমার শীল, ধনঞ্জয় সাহা বাপ্পী, মুকেশ কুমার রাম, মানিক ভৌমিক, লিটন চক্রবর্ত্তী, বিধান চন্দ্র রায় প্রমুখ।
করোনা আক্রান্ত পরিবার ও অসহায় শিশুকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন সালাম মূর্শেদী এমপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিজেএমইএ’র সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মূর্শেদী দিঘলিয়া উপজেলায় করোনা আক্রান্ত পরিবারগুলোতে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছেন। সাংসদের প্রতিনিধিরা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব সামগ্রী পৌঁছে দেন।
জানা গেছে, করোনা ভাইরাস আক্রমণের শুরু থেকে সাংসদের নির্বাচনী এলাকায় প্রথমে কার্ড ছাড়া ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করেন। পরবর্তীতে খাদ্য সহায়তা কার্ডের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এবার দিঘলিয়া উপজেলায় করোনা আক্রান্ত পরিবারের বাড়ি গিয়ে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। একইসাথে মৌসুমী ফল ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এমন ফলফলাদিও প্রদান করা হয়েছে। এর আগে রূপসায় প্রথমবারের মতো নিজস্ব অর্থায়নে করোনা পরীক্ষা করানো হয় রোগীদেরকে। দিঘলিয়া উপজেলায় সদর, বারাসাত ও সেনহাটি ইউনিয়নের আক্রান্তদের মাঝে এই সামগ্রী প্রদান করা হয়। এদিকে দুধের অভাবে পিতৃহারা শিশু সন্তানকে আলু সিদ্ধ করে খাওয়াচ্ছেন এক মা এমন খবর জানতে পেরে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী শিশু আয়শা সিদ্দিকীর বাড়িতে প্রতিনিধির মাধ্যমে দুধসহ এক মাসের খাদ্য সামগ্রী পাঠান। সাংসদ নিজেই মোবাইল ফোনে ওই শিশুর মা বিধবা বিথি আকতারের পিতার সাথে কথা বলেন। তিনি বিথি আকতারকে জমি আছে ঘর নেই প্রধানমন্ত্রীর গৃহ নির্মাণ প্রকল্প থেকে একটি ঘর ও একটি বিধাব ভাতার কার্ড করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
সাংসদ আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রথম থেকেই এলাকার জনগণের পাশে আছি। এখনও থাকবো। করোনার কারণে কেউ যাতে না খেয়ে থাকে সেজন্য প্রথম থেকে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। করোনা পরীক্ষা করানো থেকে শুরু করে তাদের যেকোন সাহায্যে ঢাল স্বরূপ পাশে আছেন বলেও জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ আক্তার হোসেন, নোমান ওসমানী রিচি, মোঃ আফজাল হোসেন, মোঃ মঞ্জুর হোসেন, মোঃ রানা গাজী, মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, মোঃ জামিল মোর্শেদ মাসুম, মোঃ সাহাবুদ্দিন শেখ, শেখ রিয়াজ হোসেন, মোঃ পরাগ পারভেজ রুবেল, মোঃ শামিম হোসেন, শেখ আনিসুর রহমান, মোঃ রাকিব মোড়ল, লিটন শেখ প্রমূখ।
ডাঃ রকিব হত্যায় সিপিবি’র প্রতিবাদ সভা: এভাবে আইন হাতে তুলে নেয়ার প্রবণতা ভয়ঙ্কর ও হতাশাজনক
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীতে রোগীরা স্বজনদের হামলায় নিহত ডাঃ মোঃ আব্দুর রকিব খানকে হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা শুক্রবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। দলের মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদৎএর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদারের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেনÑদলের কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. রুহুল আমিন, সিপিবি নেতা সুতপা বেদজ্ঞ, মিজানুর রহমান বাবু, মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, যুব ইউনিয়ন নেতা সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ প্রমুখ। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, ডাঃ রকিব খানকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো, এভাবে আইন হাতে তুলে নেয়ার প্রবণতা মারাত্মকভাবে ভয়ঙ্কর, হতাশাব্যাঞ্জক, ন্যাক্করজনক। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ ভুল চিকিৎসার বিষয়টি যদি সত্যিও হয়ে থাকে, সেজন্য আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের পথ খোলা ছিল। তা না করে আইন হাতে তুলে নিয়ে যেভাবে হত্য করা হলো, তা মধ্যযুগীয় বর্বরতার সামিল। নেতৃবৃন্দ বলেন, ডাঃ রকিবকে হত্যা এটি কোনো অসাবধনতাবশত হত্যা নয়। পুরে ঘটনা প্রমাণ করে এটি ঠা-া মাথায় পরিকল্পিত হত্যাকা-। বৈশ্বিক মহামারী করোনার সময় ফ্রন্টে থাকা চিকিৎসক হত্যা আমাদেরকে হতাশ করেছে। মামলা পরিচালনা ও তদন্তকারীদের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে যাবতীয় প্রক্রিয়া আন্তরিকতার সাথে সম্পন্ন করে সঠিক বিচার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ। বক্তারা কোনো ক্ষেত্রেই এহেন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকলসহ জনসাধারণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
৩০নং ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা তারু’র ইন্তেকালে নেতৃবৃন্দের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের বন্ধু এবং ৩০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ফিরোজ আহমেদ তারু (৭০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ….. রাজেউন)। শুক্রবার টুটপাড়া সরকারপাড়া লেনের নিজবাসভবনে জ্বর, শ্বাসকষ্ট জনিত কারনে অসুস্থ হলে তাকে বিকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ১ মেয়ে ও আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের তার টুটপাড়া সরকারপাড়া লেনের বাসভবনে আনা হয়েছে।
অপরদিকে ফিরোজ আহমেদ তারু’র মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা শোকাহতদের বাড়িতে যান। নেতৃবৃন্দ সেখানে কিছুক্ষন অবস্থান করেন এবং শোকাহতদের ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, এ্যাড. ফারুক হোসেন, মো. শিহাব উদ্দিন সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে ফিরোজ আহমেদ তারু’র মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী সহ আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ।
অনুরুপ শোক বিবৃতি দিয়েছেন, সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম।
শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি’র শোক: ৩০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ তারু’র মৃতুতে গভীর শোক, সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন।
সংসদ সদস্যের শোক: ৩০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ তারু’র মৃতুতে গভীর শোক, সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।
এস এম কামাল হোসেনের শোক: ৩০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ তারু’র মৃতুতে গভীর শোক, সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।
শেখ সোহেলের শোক: ৩০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ তারু’র মৃতুতে গভীর শোক, সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল। নেতৃবৃন্দ অপর এক বিবৃতিতে ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিবুর রশীদের বড় ভাই মো. আরিফুর রশীদ (৫৮) ইন্তেকালে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
২৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাবেক সভাপতি’র সহধর্মিনীর কুলখানি
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী বেলায়েত হোসেনের সহধর্মিনী এবং মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাহিদুল ইসলাম ও যুবলীগ নেতা কাজী কামাল হোসেনের মা আবেদা বেগমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বাদ জুম্মা নগরীর ইকবাল নগর জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অংশগ্রহণ করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, কাজী এনায়েত হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, আলী আকবর শেখ, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, এ্যাড. কে এম ইকবাল, শফিকুর রহমান পলাশ, শেখ মো. আবু হানিফ, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, মঈনুল ইসলাম নাসির, আতাউর রহমান রাজু, এস এম জাকির হোসেন, এস এম জাহিদ হোসেন, কাজী জাকির হোসেন,, ইমতিয়াজ হোসেন বুলু, নজরুল ইসলাম দুলু সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা আ’লীগের বিশেষ জরুরি সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহামারি করোনা ভাইরাসকে সামাজিক ভাবে প্রতিরোধে প্রত্যেক ওয়ার্ডে সর্বসাধারণকে নিয়ে কমিটি গঠনের লক্ষ্যে বিশেষ জরুরি সভা করেছে সোনাডাঙ্গা ও সদর থানা আওয়ামী লীগ। গতকাল শুক্রবার বিকাল ৫টায় সোনাডাঙ্গা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সদর থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে পৃথক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সোনাডাঙ্গা থানার সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস এবং সদর থানার সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে পৃথক এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু। কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম ও তসলিম আহমেদ আশার পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বিকু কাজী, কাউন্সিলর আলহাজ্ব ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, কাউন্সিলর মো. আরিফ হোসেন মিঠু, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, শফিকুর রহমান পলাশ, জিয়াউল ইসলাম মন্টু, মুন্সি আইয়ুব আলী, ফেরদৌস হোসেন লাবু, চ. ম. মুজিবর রহমান, চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান সজল, শেখ আব্দুল আজিজ, শেখ জাহিদুল ইসলাম, শেখ আবিদ উল্লাহ, মো. নুর ইসলাম, সরদার আব্দুল হালিম, হাসান ইফতেখার চালু, এমরানুল হক বাবু, মো. জাকির হোসেন হাওলাদার, আলহাজ্ব শেখ এশারুল হক, শেখ মো. রুহুল আমিন, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, ইউসুফ আলী খান, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মো. নজরুল ইসলাম, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, হাবিবুর রহমান দুলাল।
সভায় প্রত্যেক ওয়ার্ডে “করোনা প্রতিরোধে সামাজিক স্বেচ্ছাসেবক কমিটি” গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কমিটিতে কাউন্সিলর, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, ১৪ দলের সদস্য, স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মসজিদের ইমাম, স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষক, এলাকার গ্রহণযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরকে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। ওয়ার্ডের প্রত্যেক রোড থেকে এসকল সদস্যকে কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। অকারনে কেউ ঘরের বাইরে ঘোরাফেরা বা অবস্থান করলে এই কমিটির সদস্যরা তাকে ঘরে যেয়ে নিরাপদে থাকতে অনুরোধ করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় মাস্ক ব্যবহারে বাধ্য করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় প্রত্যেক ওয়ার্ডে বিকাল ৪টার মধ্যে সকল প্রকার দোকান বন্ধ রাখতে অনুরোধ করার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় জোন ভিত্তিক নয়; যে বাড়ি করোনা আক্রান্ত শুধুমাত্র ওই বাড়ি, ওই সড়কের একাধিক বাড়িতে করোনা আক্রান্ত হলে ওই সড়ক লকডাউন করার সিদ্ধান্ত হয়।
সাংবাদিক হিমালয় ও তার স্ত্রীর সুস্থতা কামনায় খুলনা নাগরিক সমাজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনায় আক্রান্ত দৈনিক পূর্বাঞ্চল ও দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার, অনুসন্ধানী সাংবাদিক হাসান হিমালয় ও তার স্ত্রীর আশু সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি প্রদান করেছেন খুলনা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেনÑখুলনা নাগরিক সমাজের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ্যাড. আ ফ ম মহসীন ওসদস্য সচিব এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বাগেরহাটে আরো ২ জন করোনায় আক্রান্ত
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলায় নতুন করে আরো ২ জনের করোনা শনাক্তের মধ্যদিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা সেঞ্চুরী পূর্ণ করেছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ফকিরহাট উপজেলায়ই ২ জন। এ নিয়ে জেলায় ১০২ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে ২৪ জন সুস্থ ও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নতুন আক্রান্ত ২ জনের সবাইকে হোম আইসোলেশন নিশ্চিত করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যাক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
দেবহাটা নাংলায় সরকারি গাছ কেটে আত্মসাতের বিষয়ে থানায় অভিযোগ
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহাটার নাংলায় সরকারি গাছ বিক্রয় করে আত্মসাতের বিষয়ে দেবহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগটি দায়ের করেছেন করেছেন উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ইউপি সদস্য মুজিবর রহমান। তবে গাছ কাটার শেষ পর্যায়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পন্ড হয়ে যায় বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টার দিকে ৪ নং নওয়াপাড়া ইউনিয়নের নাংলা বাজার এলাকায়। এঘটনায় নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবর রহমান বাদি হয়ে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয়রা জানান ও অভিযোগ মতে জানা গেছে , স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী মৃত আজিজার গাজীর পুত্র হামিদ গাজী লোকজন নিয়ে নাংলা বাজার সংলগ্ন মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সামনে থেকে প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা মুল্যের একটি মেহগনি গাছ কাটছিল। সরকারি গাছ কাটার বিষয় তার কাছে জানতে চাইলে তিনি গাছটি সাবেক ইউপি সদস্য ও এক আওয়ামীলীগ নেতার কাছ থেকে ক্রয় করেছেন বলে জানান। তাৎক্ষনিকভাবে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীনকে জানালে বিষয়টি তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছেন বলে জানিয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি শোনা মাত্রই তাদেরকে দেবহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নাংলা বাজারের পাশে অবস্থিত একটি মেহগনি গাছ নাংলা গ্রামের এমদাদ বিশ্বাসের পুত্র আওয়ামীলীগ নেতা মাহমুদুল হক লাভলু ও একই এলাকার মৃত কালাম গাজীর পুত্র মামলার শওকত আলী গাজী স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী মৃত আজিজার গাজীর পুত্র হামিদ গাজীর নিকট ৩৭ হাজার টাকায় বিক্রয় করে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গাছটি কর্তন করার সময় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীনের কাছে জানালে তিনি থানায় অভিযোগ দেওয়ার কথা বলেন। পরে ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মুজিবর রহমান বাদি হয়ে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এব্যাপারে মাহমুদুল হক লাভলুর কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গাছটি আমাদের এলাকার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আদর্শ স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যান সমিতি” এর উন্নয়ন কাজের জন্য বিক্রয় করা হয়েছে। এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) উজ্জ্বল কুমার মৈত্র জানান, ইউপি সদস্যের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং গাছের প্রকৃত মালিক কে এ ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে ওসি (তদন্ত) জানান।
মহেশপুরে আরো ২জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুরে আরো ২জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এনিয়ে এ উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৯ জনে। নতুন করে আক্রান্ত ১ জনের বাড়ি উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউপির ভৈরবা বিদ্যুৎ পাড়ার অপর জন এসবিকে ইউপির খালিশপুর বাসস্টান্ড পাড়ার। তারা ২জনেই এখন নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসাধীন আছেন। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আঞ্জুমানার বেগম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরো জানান, গত ১৭ই জুন তারা ঢাকা থেকে শরীরে করোনা উপসর্গ নিয়ে বাড়িতে আসে। তাদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হলে সেখানে পরীক্ষার পর শুক্রবার সকালে জানা যায় তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। উল্লেখ্য ১৭ই জুন ঝিনাইদহ জেলায় ১৫ জনের করোনা ভাইরাস পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এরমধ্যে মহেশপুরে একজন। মহেশপুরে ৯জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৪জন সুস্থ হয়েছেন এবং ৫জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
মোড়েলগঞ্জে ৩৬০ পরিবারে ১১ লাখ টাকা দিল ওয়ার্ল্ডভিশন
মোড়েলগঞ্জ(বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে ৩৬০টি অসচ্ছল পরিবারের অর্থ সহায়তা দিয়েছে বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন। সংস্থাটি বৃহস্পতি ও শুক্রবার তাদের কর্ম এলাকার রেজিষ্টার্ড পরিবারগুলোর একটি অংশের ৩৬০টি পরিবারে ৩ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা মোবাইল বিকাশের মাধ্যমে দেয়। ওয়ার্ল্ড ভিশন মোড়েলগঞ্জ এপি ম্যানেজার লাভলী লাকী বিশ্বাস জানান, মহামারি করোনা রেসপঞ্জ কর্মসূচীর আওতায় কর্মহীন মানুষের খাদ্য সংকট কাটাতে ওয়ার্ল্ডভিশন ৩৬০টি পরিবারে এ সহযোগীতা দিয়েছে।
মহেশপুরে কাদা-পানি সরিয়ে গ্রাম বাসীর চলাচলের জন্য রাস্তা তৈরী করে দিলেন জিন্টু
শামীম খান.মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
কাদা আর পানির কারনে যখন গ্রামের লোকজন চলা চল করতে পারছে না ঠিক সেই সময় গ্রামের মানুষের কথা ভেবে কাদা আর পানি সরিয়ে গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মান করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হুদা জিন্টু। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বিশ্বাসপাড়া থেকে সদ্দারপাড়া পর্যন্ত ৫০০ মিটারের এই রাস্তাটি ইট-বালি আর খোয়া দিয়ে নির্মান করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান,দীর্ঘ দিন ধরে মহেশপুরের বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নর বিশ্বাস পাড়া থেকে সদ্দারপাড়া পর্যন্ত রাস্তাটি একটু বৃষ্টি হলেই কাদার সৃষ্টি হয়। তখন ঐ রাস্তা দিয়ে আর গ্রামের মানুষেরা আর চলা চল করতে পারেনা। এই রাস্তাটি নির্মানের জন্য আমরা অনেকের কাছে গিয়েছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি।
বিশ্বাস পাড়া গ্রামের হারুন বিশ্বাস জানান, মাত্র ৫০০ মিটার রাস্তার জন্য আমরা পানি আর কাদার কারনে চলা ফেরা করতে কষ্ট করে আসছি র্দর্ঘ দিন ধরে। কিন্তু কারও চেখে বিষয়টি বাধেনি। তাই এলাকার সন্তান ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগনের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হুদা জিন্টু আমাদের এই রাস্তাটি নির্মান করে দিলেন। এখন আর আমাদের এ রাস্তা বৃষ্টির পানিও জনে না আর কাদাও হয়না। তাই আর আমাদের চলাচলের কোন কষ্টও হয়না।
ভৈরবার সদ্দারপাড়া গ্রামের জুলফিকার আলী ভুট্্র জানান, আমাদের গ্রামের মাত্র ৫০০ মিটার রাস্তার জন্য আমরা অনেক নেতার কাছে গিয়েছি লাভ হয়নি। আমাদের এ রাস্তায় একটু বৃষ্টি হলেই কাদার সৃষ্টি হতো। যার কারনে আমরা আর চলাচল করতে পারতাম না। অবশেষে আমাদের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হুদা জিন্টু নিজ উদ্যোগে আর এলাকাবাসীর সহযোগিতার এই রাস্তাটি নির্মান করে দিয়েছেন। এখন আর আমাদের কোন কষ্ট নেই।
নাজমুল হুদা জিন্টু বলেন, আসনেই বিশ্বাসপাড়া ও সদ্দারপাড়ার লোকজন বাজার ঘাটে আসতে অনেক করতে হতো। আর পানি হলেই ঐরাস্তায় কাদার সৃষ্টি হতো। ফলে দু’গ্রামের মানুষের ভোগান্তির আর শেষ নেই। যার কারনেই আমি এলাকাবাসীকে নিয়ে রাস্তাটি নির্মান করে দিয়েছি। তিনি আরো জানান,ঔই রাস্তা দিয়ে তো আমারই এলাকার জনগনই চলবে।
উল্লেখ্যঃ এবারের হাড় কাপানো শীতে কম্বল,চাদড় ও ঈদুল আজাহার সময় প্রতিটা অসহায় পরিবারের মধ্যে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রীর সাথে সেমাই ও চিনি আর করোনা বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের তিন হাজার পরিবারের মধ্যে চল-ডাল থেকে শুরু করে তেল-লবন পর্যন্ত দিয়েছেন বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের জনগনের এ চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হুদা জিন্টু।
রামপালে ২জন করোনাসনাক্তের পর বাজার বন্ধ ঘোষনা
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রামপাল উপজেলার ফয়লাবাজার আগামী ঘোষনা না দেওয়া পর্যন্ত সিমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা তুষার কুমার পাল। শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে স্থানিয় ইউপি সদস্য শেখ মাছুম বিল্লাহ রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এ নির্দেশনা মাইকে ঘোষনা দেন, ফয়লাবাজারের সন্নিকটে সন্তোষপুর গ্রামে এক ব্যাক্তির করোনা পজেটিভ হওয়ার পর দিনই এ নির্দেনা দেওয়া হলো।
ইউএনও তুষার কুমার পাল মুঠোফোনে জানান, ফয়লাবাজারের পাশেই সন্তোষপুর গ্রামে এক ব্যাক্তির করোনা পজেটিভ হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে পরামর্শ করে এবং এলাকার জনসাধারণের স্বাস্থের কথা বিবেচনা করে এই নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আগামী ঘোষনা না দেওয়া পর্যন্ত শুধুমাত্র, ঔষধ, মুদি মনোহরী, কাঁচামাল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী দোকান সিমীত আকারে খোলা থাকবে। অন্য সকল দোকান আপাতত বন্ধ থাকবে। কত দিন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা আপাতত ১৪ দিনের কথা চিন্তা করছি, তবে অবস্থা অনুযায়ী এর কম বেশি হতে পারে।
বাজারের পোনা মাছের বাজার বন্ধের আওতায় থাকবে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, গতকাল পোনা মাছের গাড়ী যথারিতি ফয়লা মোকামের পথে থাকায় আজ বেচা-বিক্রি করবে, তবে আগামীকাল থেকে সিমীত আকারে বাজার পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মোড়েলগঞ্জের জিউধরায় দশ লাখ টাকার মাছসহ ঘের বেদখলের আশংকা!
এম.পলাশ শরীফ,মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে একটি মৎস্য ঘের বেদখল হওয়ার আশংকা করছেন এর মালিক। মৎস্য ঘের অধ্যুষত জিউধরা ইউনিয়নের ডেউয়াতলা গ্রামের মহর আলী গাজী শুক্রবার দুপুরে মোড়েলগঞ্জ প্রেস কাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমন আশংকার কথা প্রকাশ করেন। ঘেরটিতে এখন প্রায় দশ লাখ টাকার মাছ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে ‘আওয়ামী লীগের প্রবীন নেতা’ মহর আলী গাজী বলেন, ২০১৩ সাল থেকে ৬১ বিঘা জমিতে ঘের করছেন তিনি। সম্প্রতি একটি মহল ঘেরটি দখলে উদ্দেশে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২১ মে থেকে শুরু করে পরপর ৩ দফায় থানায় শালিস বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কাগজপত্র যাচাই করে থানা পুলিশ আমাকে ঘেরে থাকার নির্দেশ দেয়। বর্তমানে ঘেরের মাছ বড় হওয়ায় ডেউয়াতলা গ্রামের রিয়াজ হাওলাদার ও তার লোকজন ঘেরটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
অপরদিকে এই ঘেরটি সম্পর্কে রিয়াজ হাওলাদার বলেন, ২০১৩ সালে মহর আলী গাজী আমাদের এই ঘেরটি জোরপূর্বক দখলে নেয়। আমরা ঘেরটি পুনরুদ্ধারের জন্য স্থানীয় এমপিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছি।
করোনা আক্রান্তরোগিদের সুস্থতা কামনায় গিলাতলা যুব সংঘের দোয়া অনুষ্ঠান
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি
করোনা আক্রান্তরোগিদের সুস্থতা কামনা করে ঐতিহ্যবাহি গিলাতলা যুব সংঘের উদ্যোগে শুক্রবার বাদ জুম্মা গিলাতলা র বিভিন্ন মসজিদে, মসজিদে সামাজিক দুর ত বজায় রেখে দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় । দোয়্ াঅনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গিলাতলা যুব সংঘের সভাপতি সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেক , সাধারন সম্পাদক মোঃ মাসুম বিল্লাহ , মোঃ ইসমাইল হোসেন , মোঃ মনিরুল ইসলাম , তুরান মোল্লা ,আমিরুল ইসলাম ,শরিফ হোসেন , মোঃ আসরাফ হোসেন ,মুজিবর রহমান , মোঃ আনোয়ার হোসেন, প্রমুখ। দোয়া অনুষ্ঠানে হঠাৎ করে গিলাতলা ,শিরোমনি এলাকায় করোনা রুগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় করোনা আক্রান্ত রুগী সহ সকলের সুস্থুতা কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয় ।
গিলাতলায় করোনা পজিটিভ রোগির মুদি দোকান খুলে ব্যাবসা আতংকে এলাকাবাসি
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি
নগরির খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা পশ্চিমপাড়া গোলামনগর এলাকায় আইডিয়াল প্রি ক্যাডেট স্কুলের সামনে করোনা পজিটিভ হওয়া রোগি মুদি দোকানি ইন্তাজ শেখ (৬৫) করোনা পজিটিভ হওয়ার পরও দোকান খোলা রেখে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন । প্রায় ২ সপ্তাহ আগে তিনি শারিরিক অসুস্থতা বোধ করলে তিনি ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নমুনা পরিক্ষা করতে দিয়ে আসেন । স্থানিয় বাসিন্দা শেখ কামাল হোসেন বলেন ১৮ জুন তার রিপোট পজিটিভ হয় । রাতে খবর পাওয়ার পর ও তিনি শুক্রবার সকালে দোকান খুলে বেচাকেনা চালিয়ে যান ।খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন খবর পাওয়া মাত্র ইন্তাজ শেখের দোকান বন্ধ করে তাকে নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইন পাঠানো হয়েছে । স্থানিয় বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন নমুনা পরীক্ষা করার পর সকলের রিপোট না আসা পর্যন্ত ঘরে থাকা উচিত কিন্তু মুদি দোকানি ইন্তাজ তা না করে দোকানে ব্যাবসা চালিয়ে গেছে, এতে করে অনেকেই তার সংস্পর্শে চলে এসেছে এবং এলাকায় আতকং বিরাজ করছে ।
খানজাহান আলী থানা যুবদলের শোক ও দোয়া অনুষ্ঠান
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি
আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন এর মশিয়ালিতে ওয়ার্ড যুবদল নেতা মোঃ মিঠুন শেখ এর পিতা মোঃ গোলাম মোস্তফা (৬৫) ব্যার্ধকজনিত কারনে গত ১৫ জুন নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন, যুবদল নেতার পিতার মৃত্যুতে খানজাহান আলী থানা যুবদল নেতৃবৃন্দ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভির সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন যথাক্রমে খুলনা মহানগর যুবদল সহ সভাপতি মোল্লা সোলায়মান, সাহাদাত হোসেন সাজু, এনামুল , আহসান রনি, সলেমান, মোঃ রবিউল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম সুজা, শেখ জিয়াউর রহমান, মহাসিন, বিল্লাল হোসেন, ইমরান হোসেন প্রমুখ । এদিকে গতকাল বাদ জুম্মা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মশিয়ালি মদিনা জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
দৈনিক পত্রদূত’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা স.ম আলাউদ্দীনের শাহাদাত বার্ষিকী পালন
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
বিন¤্র শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসায় পালন করা হয়েছে সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরার দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক স ম আলাউদ্দীনের ২৪ তম শাহাদাত বার্ষিকী। শুক্রবার সকাল ৯টায় শহীদ স ম আলাউদ্দীনের স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান, সাতক্ষীরা প্রেসকাব, দৈনিক পত্রদূত পরিবার, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া কবর জিয়ারতের মাধ্যমে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। আলোচনা সভায় স ম আলাউদ্দীন হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করে খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। একই সাথে স ম আলাউদ্দীদের খুনীদের সামাজিকভাবে বয়কট করার আহ্বান জানান বক্তারা। কবর জিয়ারতে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা লীগ নেতা আনছার আলী।
এরআগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থি ছিলেন তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারি, দৈনিক পত্রদূতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স.ম আলাউদ্দিনকে ১৯৯৬ সালের ১৯ জুন রাতে সাতক্ষীরার কালোবাজারী গডফাদার চক্র খুন করেছিল। ২৪ বছর অতিবাহিত হলেও চাঞ্চল্যকর এ হত্যার বিচার আজও সম্পন্ন হয়নি। বক্তারা বলেন, স ম আলাউদ্দিন হত্যার বিচার এ মাটিতে হতেই হবে। খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। তিনি ছিলেন, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আধুনিক সাতক্ষীরার স্বপ্নদ্রষ্টা, ভোমরা স্থল বন্দরের প্রতিষ্ঠাতা, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা, সাতক্ষীরা ট্রাক টার্মিনালের প্রতিষ্ঠাতা, বঙ্গবন্ধু পেশা ভিত্তিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ গণমানুষের নেতা।
সাতক্ষীরার তালায় এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী কর্তৃক পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা ও মারপিট করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার তালায় এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী কর্তৃক পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এক ব্যক্তির পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা ও মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ১২ দিনেও পুলিশ মামলা রেকড করেনি। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসকাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তালা উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের ইছাক আলী মোড়লের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, আমার পিতার স্বত্বদখলীয় জমিজমা নিয়ে তেতুলিয়া গ্রামের মৃত শওকত মোড়লের ছেলে লতিফ মোড়লের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ৭ জুন বেলা ১০টার দিকে মৃত শওকত মোড়লের ছেলে লতিফ মোড়ল, আতিয়ার মোড়ল ও রহিম মোড়ল, লতিফ মোড়লের ছেলে নয়ন মোড়ল, শামছুর মোড়লের ছেলে সোহেল মোড়ল এবং মতিয়ার মোড়লের ছেলে সোলাইমান মোড়ল আমাদের ভোগ দখলীয় জমিতে থাকা নার্সারীতে ঢুকে নার্সারীর চারা তুলতে থাকে। একপর্যায় আমার পিতা ইছাক আলী মোড়ল, মাতা জোহরা বেগম, চাচাতো বোন ফারহানা ইয়াসমিন ও বড় বোন আশরাফুন নাহার বাধা দিলে উল্লেখিতরা বাঁশের লাঠি, লোহার রড এবং হাতুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে তাদেরকে গুরুতর ফোলা জখম করে।
তিনি অভিযোগ মকরে বলেন, হামলার সময় লতিফ মোড়ল আমার মায়ের তলপেটে লাথি মারে। আতিয়ার আমার বোন ফারহানার গলায় থাক এক ভরি ওজনের সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয় এবং পরনের কাপড় ধরে টানাটানি করে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা ও রহিম মোড়ল হত্যার উদ্দেশ্যে তার গলাচেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় আমার বড় বোন আশরাফুন নাহার উক্ত সন্ত্রাসীদের হাত ছোট বোন ফারহানাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সোলাইমান মোড়ল বড় বোনের সালোয়ার কামিজ ধরে টানাটানি করে তার শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে ও গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। নয়ন মোড়ল ও সোহেল মোড়ল হত্যার উদ্দেশ্যে আমার পিতার মাথায় গাছ কাটা দা দিয়ে কোপ মারলে তিনি ডান হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এসময় দায়ের কোপে তার হাতের আঙ্গুলে হাড় কাটা জখম হয়। আমার পিতা-মাতা ও বোনদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে। পরে আমি তাদেরকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করাই।
আব্দুল্লাহ আল মামুন আরো বলেন,এঘটনায় আমি নিজে বাদী হয়ে ৭ জুন রাতে তালা থানায় উল্লেখিতদের নামে একটি এজাহার দায়ের করি। কিন্তু ঘটনার ১২দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ মামলা নিতে তালবাহানা করছে। ফলে আসামীরা আমার পরিবারের সদস্যদেরকে প্রকাশ্যে জীবন নাশ ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আসামীদের হুমকিতে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
তিনি উল্লেখিতদের বিরুদ্ধে তালা থানায় দেয়া এজাহারটি তদন্ত পূর্বক নিয়মিত মামলা হিসাবে রেকড করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
রূপসায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর, লুটপাট ও জীবন নাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
রূপসা প্রতিনিধি:
রূপসায় ঘের দখল,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর,জীবন নাশের হুমকি ও নগত টাকা লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ওসিকার খান নামে এক ব্যবসায়ী রূপসা উপজেলা প্রেসকাবে গতকাল বিকালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামের মুনসুর খানের ছেলে। লিখিত অভিযোগে ওসমান বলেন, একই এলাকার একিম শিকদারের ছেলে আমিন শিকদার, বাসের শিকার, ইয়াকুব শিকদারের ছেলে ডালিম শিকদার, ইসলাম শিকদার,তারেক শিকদার ও আলামিন যৌথ ভাবে সাদা মাছের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। যশোর ও সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সাদা মাছ এনে রূপসায় বিক্রয় করেন তারা। পথিমধ্য তার অন্য ব্যবসায়ীরা জানায় তারা আর ব্যবসা করিবে না বলে সকল কিছু হিসাব করা হয়। তার মধ্যে যৌথ ঘেরের মাছ ধার্য করা হয় ৭৫হাজার টাকা। এর মধ্যে ওসিকারের পাওনা রয়েছে ৩৭হাজার পাচ শত টাকা। এছাড়া ওসমানের পার্টনাররা তার নিকট নগত টাকা, মাছ ও মালামাল ক্রয় বাবদ মোট ১ লাখ ২০ হাজার ৪২০ টাকা পাইবে মর্মে লেখা পড়া করা হয়। উক্ত টাকা ১৫/৭/২০ইং তারিখে পরিশোধ করার কথা থাকলেও তার নিকট ১লাখ৫৭হাজার ৯২০ টাকা দাবি করে ওসমানের নিকট থেকে জোর পূর্বক ২লাখ ১০হাজার টাকা নিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে রূপসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওসমান। গত ১৫ জুন সকালে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাসেরসহ অন্য পার্টনার ও লোকজন নিয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট করে ক্যাশে থাকা নগত টাকা,মোবাইল ফোন ও ব্যবসায়ী সকল মালামাল ভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। যার মূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া ওসিকার ও রবিউল আলাদা ব্যবসা করার সুবাদে সাদা মাছ ছিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকার তাও তারা নিয়ে যায়। এসময় ওসিকার বাধা দিলে মোশারেফ শিকদার ধারালো দা নিয়ে কোপাতে আসে এবং জীবনে শেষ করে দিবে বলে। এছাড়া আলাইপুর ব্রীজের নিচেই তার ও পিতার মাছের ঘের জোর পূর্বক দখল করে আছেন বাসের গং এবং পায় ৫লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে গেছে তারা। এই বাসের গংদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারে না।কারন তারা ভয়ংকর প্রকৃতির লোক। এই বাসের সুন্দরবনের নিহত রাজুবাহিনীর সদস্য ছিলেন। সে অস্ত্র জমা দিয়ে সর্মথন করেন। বর্তমানে ওসমান জীবন বাচানোর জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছে। প্রশাসনের সহযোগিতায় সকল কিছুর সঠিক বিচার পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
ঝিনাইদহে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
‘স্বাস্থ্য সেবা অধিকার, শেখ হাসিনার অঙ্গিকার’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের উজির আলী স্কুলে ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু ও জেলা ঔষধ প্রশাসন এর সহযোগিতায় এ ক্যাম্পের আয়োজন করে ঝিনুকদহ ভাষা পরিষদ ও নবগঙ্গা রক্ষা পরিষদ নামের ২ টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শুরুতে ক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র আলহাজ সাইদুল করিম মিন্টু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদরুদ্দোজা শুভ, জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ সঞ্জু, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার জাহান বাদশা, ওয়াজির আলী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান। এছাড়াও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক খানজাহান আলী, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অমিয় মজুমদার অপু, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল ইমরানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন নবগঙ্গা রক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক কে এম সাইফুজ্জামান শিমুল ও ঝিনুকদহ ভাষা পরিষদের সভাপতি গাউস গোর্কি। পরে শহরের বিভিন্ন এলাকার ৩’শ দুস্থ ও অসহায় মানুষের স্বাস্থ্য সেবা প্রদাণ ও বিনামুল্যে ঔষধ বিতরণ করা হয়। ঝিনাইদহে ২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মেডিকেল ক্যাম্পে ও ২ জন অনলাইনে আগতদের সেবা প্রদাণ করেন।
শৈলকুপায় আফতাব উদ্দিন স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকুপার পীড়াগাতি আফতাব উদ্দিন স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার দিনব্যাপী এ উপকরণ বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন আফতাব উদ্দিন স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়্রাম্যান আসাদুজ্জামান, সহ-সভাপতি ওবাইদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মতিয়ার রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা সমাজ সেবক আলমগীর হোসেন, দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার ঝিনাইদহ প্রতিনিধি এম সেলিম। এসময় ওই এলাকার অর্ধশত মানুষের মাঝে বিনামুল্যে চশমা, হ্যান্ডস্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ করা হয়।
ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর মৃত্যুতে ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযাদ্ধা আলহাজ এ্যাডভোকেট শেখ মো: আব্দুল্লাহ এর রুহের মাগফিরাত কামনা ও সাবেক মন্ত্রীসহ করোনা আক্রান্ত হয়ে যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের জন্য এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে করোনা থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। শুক্রবার বাদ জুম্মা ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। আনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো: আব্দুল হামিদ খানসহ মসজিদের মুসল্লিগণ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব আলহাজ্জ মাওলানা মুহাম্মদউল্লাহ।
শৈলকুপায় ইসলামীক ফাউন্ডেশনের তত্বাবধানে করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যাক্তির দাফন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ইসলামীক ফাউন্ডেশনের তত্বাবধানে করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যাক্তির দাফন করা হয়েছে। গেল রাতে উপজেলার উলুবাড়িয়া গ্রামের ছানার উদ্দিনের ছেলে আব্দুস শুকুর (৪৯) এর মরদেহ দাফন করা হয়। করোনা আক্রান্ত হয়ে আনোয়ার খান মর্ডাণ হাসপাতাল ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। তিনি সোনালী ব্যাংক লি: আগারগাঁও শাখা ঢাকায় এ জি এম পদে কর্মরত ছিলেন। ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ এর অনুমতিক্রমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো:আব্দুল হামিদ খান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শৈলকুপা উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মো: আব্দুর রাজ্জাক এর নেতৃত্ব ইসলামিক ফাউন্ডেশন শৈলকুপা গঠিত কমিটির সদস্য ও মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষার শিক্ষকগণ কর্তৃক জানাযা শেষে গ্রামের গোরস্থানে দাফন করা হয়। ঝিনাইদহ জেলায় এ পর্যন্ত১৩ জন করোনা আক্রান্ত ও করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন সম্পন্ন করলো ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠিত লাশ দাফন কমিটি।
ঝিনাইদহে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের জিয়ালা গ্রামে বজ্রপাতে লিটন (৩০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লিটন জিয়ালা গ্রামের ইসলাম হোসেনের ছেলে। ওই গ্রামের হায়দার আলী জানান, কৃষক লিটন দুপুরে নিজের জমিতে ধানের বীজ বোপন করছিলেন। এ সময় হঠাত বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।
কোটচাঁদপুরে ডিবি পুলিশের ধাওয়ায় চোরাচালানির পলায়ন: ৬ কেজি রূপা উদ্ধার
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় মোটরসাইকেলসহ ফেলে যাওয়া ৬ কেজি রুপা উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কাগমারী বাওড় সংলগ্ন বারোমাসী এলাকা থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। খবরের সত্যতা নিশ্চত করে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে কালীগঞ্জ-জীবননগর সড়কের বারোমাস এলাকার একটি ব্রীজে চেকপোষ্ট বসিয়ে সব মোটরসাইকেল তল্লাাশি করছিলেন। পুলিশ দেখে দুই চোরাকারবারি মোটরসাইকেল ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ ওই মোটরসাইকেলের সিটের নিচ থেকে একটি প্যাকেটে রাখা ৬ কেজি রুপা উদ্ধার করে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, চোরাচালানিরা চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত এলাকা থেকে রুপার চালান নিয়ে আসছিল। এ সময় ডিবি পুলিশের এসআই ইউনুসের নেতৃত্বে একদল গোয়েন্দা পুলিশ চোরাচালানিদের ধরতে বারোমেসে ব্রীজের কাছে চেকপোষ্ট বসিয়ে তল্লাশি করে। উল্লেখ্য বুধবার দুপরে সদর উপজেলার হলিধানী এলাকা থেকে পাচারের সময় ৫ কেজি ৭’শ গ্রাম রুপা ও ২২ লাখ টাকাসহ ২ জনকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
ঝিনাইদহে সাপের দংশনে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাঁইশেরদাইড় গ্রামে বিষধর সাপের দংশনে সোহেল রানা (২০) নামে এক ছাত্র মারা গেছেন। রামচন্দ্রপুর স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র রানা বাঁইশেরদাড় গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। স্থানীয় ইউপি মেম্বর আমির হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামের বেড়াশুলা মোড়ের মাঠে তিনি পুকুর পাহারা দিতে যান। এ সময় তাকে বিষধর সাপে দংশন করলেও তিনি বুঝতে পারেননি। রাত ৩টার দিকে বাড়িতে এসে শোবার পর যন্ত্রনা শুরু হয়। এরপর পরিবারের লোকজন স্থানীয় খোকন কবিরাজের কাছে নিয়ে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ঝাড়ফুক করে। অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রথমে রানাকে ঝিনাইদহ ও পরে ঢাকার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফেরিঘাটে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন সোহালে রানা।
অনাপত্তি বিজ্ঞপ্তি
আমি তারিক রায়হান পিতাঃ আব্দুস সাত্তার, গ্রাম- কাটিয়া, সাতক্ষীরা। পলাশপোল মৌজায় এসএ ২০৭৮ নং খতিয়ানে সাবেক ১০৩০,১০৩১, ১০৩২ দাগের সম্পত্তির মধ্যে মরহুম নুর আলী সরদার এর সম্পত্তি থেকে তার এক পুত্র সন্তান যাহার নাম- মোঃ আলতাফ হোসেন এর অংশ থেকে ১৩.২২ শতক জমি ক্রয় করিতেছি। এই সম্পত্তির উপরে কারও কোন অভিযোগ বা আপত্তি থাকলে আগামী ১০ দিনের মধ্যে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হইলো, তারপরে কোন অভিযোগ গ্রহণ যোগ্য হইবে না। অরেশ গোনের মধ্যে বন্টন নিয়ে যদি কারও কোন আপত্তি থাকে তাহলে তারাও যোগাযোগ করতে পারে।
মোবাইল: ০১৭১১৯০৮৪৭০, ০১৯১৭৯৫০১৪৭।
খুলনায় করোনা উপসর্গে ৭জনের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় করোনার উপসর্গ নিয়ে দুই নারীসহ ৭জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ও করোনা ওয়ার্ডের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় কার্ত্তিক নামের একজন মারা যান। মৃত. কার্ত্তিক নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের মৃত. নিতাইয়ের ছেলে।
রাত সাড়ে ৮টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ফিরোজ আহমেদ (৫৯) নামের আরও একজন মারা গেছেন। তিনি মহানগরীর টুটপাড়া এলাকার মৃত. মৌলভী আহমেদ হোসেনের ছেলে। তিনি সকাল ৭টায় হাসপাতালে ভর্তি হন। জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে কার্ত্তিক (৪০) নামে এক যুবক গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌঁনে ৭টায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। অপরদিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে জামসেদ আলম (৬০) নামে একজন শুক্রবার দুপুর সোয় ২টায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় তিনি মারা যান। মৃত. জামসেদ আলম খুলনা মহানগরীর ৫ নম্বর ঘাট এলাকার মো. আহমদের ছেলে। এছাড়া জ্বর ও শ্বসকষ্ট নিয়ে রুমা বেগম (৩৫) নামে এক নারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌঁনে ৭টায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টায় তিনি মারা যান। মৃত. রুমা খাতুন যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার বাবুল ফারাজীর স্ত্রী। এছাড়া, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নাসিম আহমেদ (৬০) দুপুর ৩টায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল পৌঁনে ৪টায় তিনি মারা যান। মৃত. নাসিম আহমেদ নগরীর মহম্মদনগর এলাকার মফিজউদ্দিন আহমেদের ছেলে। এর আগে শুক্রবার সকালে জরিনা বেগম (৬০) নামে এক নারী এবং মো. আলী (৬০) নামে অপর আরেকজন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
করোনাভাইরাস পরীা করার জন্য তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ নিয়ে খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হলো।
দারোগার ভিটায় মোহাম্মাদিয়া বাইতুন নাজাত জামে মসজিদ পরিদর্শনে সুজিত অধিকারী
স্টাফ রিপোর্টার
বটিয়াঘাটার দারোগার ভিটাস্থ মোহাম্মাদিয়া বাইতুন নাজাত জামে মসজিদ পরিদর্শন করলেন খুলনা জেলা আওয়ামীলেিগর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সুজিত অধিকারী। গতকাল শুক্রবার মসজিদের দোতলার ছাদ নির্মণারে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন তিনি।
এসময় তিনি নির্মাণ কাজের খোঁজ-খবর নেন। মসজিদ কমিটির সদস্যগণ এলাকার মুসাল্লীদের পক্ষে মসজিদের নামাজ আদায়ের জন্য জায়গার স্বল্পতার কথা তুলে ধরে দোতলার ছাদ নির্মণারে প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। অর্থের অভাবে চলমান নির্মাণ কাজ থেমে আছে জানালে তিনি তার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এসময় মসজিদ কমিটির সভাপতি সরদার মো. ইলিয়াস, সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম লিটন, সাধারণ সম্পাদক মো. কাইয়ুম শেখ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিঠু, সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলি, সহ-কোষাধ্যক্ষ দীন ইসলাম নিলু, সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা, সাবেক সভাপতি মো. ইলিয়াস, মসজিদের ইমাম মাও. সরদার আমিন, মো. বাবুলসহ স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন










































