সাংবাদিক মিলনের মায়ের ইন্তেকালে রাজপথের বিএনপির শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
সাংবাদিক মোহাম্মদ মিলনের মাতা আনজুমানয়ারা বেগম(৭১) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল¬াহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।তিনি মঙ্গলবার(১৫ আগস্ট) শেখ আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।মরহুমার জানাজা নামাজ বাদ যোহর খালিশপুর বঙ্গবাসী স্কুল রোড়ের খাদিমুল মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।মিলনের মায়ের ইন্তেকালে গভীর শোক,শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন খুলনার রাজপথের বিএনপির নেতৃবৃন্দ।নেতৃবৃন্দরা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনিরুজ্জামান মনি সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের রাজপথের বিএনপির সাবেক নেতৃবৃন্দ।
১৫ আগস্ট উপলক্ষে শার্শায় নানা কর্মসূচী পালিত : প্রধান অতিথি সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন
বেনাপোল প্রতিনিধি
আজ মংগলবার ১৫ আগস্ট উপলক্ষে বিকাল ৬টায় যশোরের শার্শা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩,৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কর্তৃক আয়োজিত স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮ তম শাহাদ্য বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা,দোয়া অনুষ্ঠান ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য, শার্শার মা মাটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন,বিশিষ্ট শিল্পপতি,জননন্দিত জননেতা শেখ আফিল উদ্দিন এমপি মহোদয়।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু,শার্শা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস,শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন আহমেদ তোতা,যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম, শার্শা উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান,শার্শা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম মন্টু সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শার্শা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাওছার আলী। অনুষ্টানে দুস্থ:দের মাঝে খাবার বিতরন করা হয়।
প্রধান অতিথি বলেন, বিএনপি জামায়াত জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ বন্ধ করেছিল। এ কাজটি যারা করেছিল বাঙালি জাতি তাদের ঘৃণা করে। খুনিদের পুরস্কৃত করেছে জিয়াউর রহমান। কাউকে এমপি, কাউকে মন্ত্রী আবার কাউকে বিদেশে রাষ্ট্রদূত করেছিলেন।
খালেদা জিয়ার ৭৯তম জন্মদিন: খুলনা বিএনপির দোয়া মাহফিল আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আড়ম্বরপূর্ণ কর্মসূচির বদলে দেশ নেত্রীর সুস্থতা কামনা করে আজ (১৬ আগস্ট) বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করবে খুলনা বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন।
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে মহানগর, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে আহবান জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন।
সাংবাদিক মিলনের মায়ের ইন্তেকাল: বিএনপির শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি।।
সময়ের খবরের নিজস্ব প্রতিবেদক ও খুলনা প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য মোহাম্মদ মিলনের মা আঞ্জুমানয়ারা বেগম (৭১) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৭টায় খুলনার শেখ আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। গত ৯ আগস্ট ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তাকে শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সোমবার দুপুরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সাংবাদিক মিলনের মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী।
শোক সভায় এ্যাড. সুজিত অধিকারী
বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে খুনিরা জাতিকে কলংকিত করেছে
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুজিত অধিকারী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালোরাতে ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি এবং সেনা বাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করে জাতিকে কলংকিত করেছে। তারা সেদিন জাতির পিতাকে স্ব- পরিবারে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল কিন্তু তাদের সেই ঘৃন্য চক্রাšত্ম সফল হয়নি। তিনি আরো, জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা বিশ্ব মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিনত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুশের্দী, জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম লাবু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা মোজাফফর হোসেন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম, এস এম গোলাম রহমান, মোসা. শামসুন্নাহার। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলী রেজা বাচা, মোল্যা ফিরোজ হোসেন, সেলিম মল্লিক সহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুরূপ তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত তেরখাদা চিত্রা মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে ১৫ আগস্ট বেলা দেড়টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুজিত অধিকারী।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এফ এম অহিদুজ্জামান অহিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন খুলনা -৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুশের্দী, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মো¯ত্মাফিজুর রহমান কালু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রকিবুল ইসলাম লাবু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোলস্না মোজাফফর হোসেন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ খায়রম্নল আলম, সদস্য ফ ম সালাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কে এম আলমগীর হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ##
ওয়ার্কার্স পার্টি উদ্যোগে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে বেলা ১১টায় পার্টির নেতৃবৃন্দরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। পরে দলীয় কার্যালয়ে পার্টির খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, আজ বাঙালী জাতির শোকের দিন, এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদ আমেরিকা ও তাদের দোসর বিএনপি-জামাতকে রুখতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৫ পলাতক খুনিকে খুঁজে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পার্টির কেন্দ্র কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড দিপংকর সাহা দিপু, খুলনা জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড মনির আহমেদ, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর জেলা কমিটির সভাপতি বিকাশ চন্দ্র মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার সকাল ৭.৩০ ঘটিকায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত করণ, কালো পতাকা উত্তোলন, ক্যালো ব্যাজ ধারণ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, সকাল ৯.০০ ঘটিকায় খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের শোক র্যালীতে অংশ গ্রহণ শেষে পর্যাক্রমে খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগ, খুলনা জেলা দর্জি কর্মচারী ইউনিয়ন ও খুলনা মহানগর যুব শ্রমিক লীগের উদ্যোগে অসহায় গরীবদের মাঝে খাদ্য বিতরন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এ্যাডঃ আইয়ুব আলী শেখ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মুন্সী মোঃ মাহবুব আলম সোহাগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম জাফর, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান রুনু ইকবাল বিথার, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডঃ সাইফুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফারুক হাসান হিটলু, খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, খুলনা মহানগর যুবলীগের সভাপতি মোঃ শফিকুর রহমান পলাশ, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর কনিকা সাহা, মল্লিক নওশের আলী, মোঃ বাবুল হোসেন, মোঃ মাহাবুবুর রহমান মোল্লা, মোঃ সেলিম, মাসুমা আক্তার রানী, কাজী আঃ ওহাব, আঃ রহিম খান, মোঃ জাকির হোসেন বিপ্লব, মোল্লা আজাদ আলী, কিংকর সাহা, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ আসাদুজ্জামান মুন্না, শরীফ মোর্ত্তজা আলী, খন্দকার রফিকুল ইসলাম, মোঃ শাহ আলম শেখ, মোঃ আনিসুর রহমান, শেখ মোঃ রমজান, মোঃ মঈনুল ইসলাম মোহন, মোঃ তাইজুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর মল্লিক, মোঃ রফিক, মোঃ শরীফুল ইসলাম, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ আকতার হোসেন, মোঃ আনিস, বিপ্লব কুমার দে, মোঃ হানিফ সরদার, মোঃ নূর ইসলাম, মোঃ আজিম উদ্দিন, খান মোঃ মিথুন রহমান, সঞ্জয় কর্মকার, বায়জিত সরদার, প্রশান্ত কুমার ঘোষ, মোঃ আসলাম হোসেন, মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, মোঃ মারুফ, মোঃ আরিফুর রহমান অনিক, মোঃ আলী আজগর ডালিম, বাবলু খলিফা, তৈয়ব আলী হাওলাদার, মোঃ লাভলু পাটোয়ারী, মোঃ সলেমান শিকদার, মোঃ মহারাজ, আঃ হাকিম, সঞ্জিত ঘোষ, মোঃ সেলিম, মোঃ শহিদ, মোঃ ছোট, মাজেদা বেগম, সোহেল গাজী, লাবনী, মনিরা, আঃ সত্তার, মোঃ ফারুক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
পরবর্তীতে খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ নেতৃত্বে খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের অন্তর্গত সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন নেতৃবৃন্দ।
বিছালী ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত
মো: তাহের, নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিকাল ৪টার দিকে, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল, দোয়া, আলোচনা সভা ও তাবারক বিতরণ করা হয়েছে। বিছালী ইউপির ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি এমদাদুল হক মোল্যার সভাপতিত্বে, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিছালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এস এম সোহেল রানা। এছাড়া এ সময় আরোও বক্তব্য রাখেন, ৭নং ওয়ার্ল্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ সিকদার, ৮নং কলোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস সর্দার, বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মারুফ হোসেন লিটন, প্রমুখ। এসয় ছাত্রলীগ নেতা সাগর হোসেন (সাদ্দাম), মেহেদী হাসান রিয়াজ, রাজিব, সবুজসহ অত্র ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
রূপসায় প্রশাসনের উদ্যোগ জাতীয় শোক দিবস পালিত
রূপসা প্রতিনিধি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, ঋণের চেক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ১৫ আগষ্ট’ সকাল ১০ টায়
রূপসা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে জুম কনফারেন্স বক্তৃতা করেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন বাদশা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল বাকি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শেখ শফিকুল ইসলাম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা
আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপী দাস, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফেরদৌস আহম্মেদ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, আরডিও তারেক ইকবাল আজিজ, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রানী পাল, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. রাসেল, সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা অসিত রায় চৌধুরী, সহকারী প্রোগ্রামার রেজাউল করিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হরসিত বিশ্বাস, মুনসুর বিশ্বাস, আব্দুর সবুর, আব্দুল মালেক, রূপসা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খান আব্দুল জব্বার শিবলী, সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা, চন্দন ভট্টাচার্য্য, চিত্ত রঞ্জন সেন প্রমূখ।
রূপসা প্রেসক্লাবে জাতীয় শোক দিবস পালিত
রূপসা প্রতিনিধি
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল রূপসা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয়। রূপসা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মাহবুবুর রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা মো. রফিকুর রহমান রিপন। প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তরুণ চক্রবর্তী বিষ্ণু’র সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদীন রশিদী সুকর্ন। এছাড়া আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চঞ্চল মিত্র, প্রচার সম্পাদক আব্দুল গফুর খাঁন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, রূপসা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খাঁন আব্দুল জব্বার শিবলী, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাবলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন, তরিকুল ইসলাম ডালিম, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম এ আজিম, কোষাধ্যক্ষ তৌহিদুল ইসলাম কচি, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, সদস্য গোলাম মোস্তফা, আবু হারুনার রশিদ, চন্দন ভট্টাচার্য্য, চিত্ত রঞ্জন সেন, যুবলীগ নেতা বাদশা মিয়া, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মৃনাল কান্তি বাছাড়, ইয়াসিন আরাফাত খাঁন, দপ্তর সম্পাদক বাধন হালদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক শিমুল দেবনাথ প্রমূখ।
রূপসায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জাতীয় শোক দিবস পালিত
রূপসা প্রতিনিধি
আলাইপুর ডিগ্রী কলেজের উদ্যোগে আলোচনা সভা গত ১৫ আগষ্ট সকাল ১০ টায় আলাইপুর ডিগ্রী কলেজের এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা, প্রধান বক্তা ছিলেন বিদ্যালয় এসএসসির সভাপতি এস এম হাবীব। কলেজের অধ্যক্ষ এস এম আবু সাইদ খানের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক বিশ্বজিৎ শীলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক অধ্যক্ষ আল মামুন সরকার। বক্তৃতা করেন প্রভাষক মনিশংকর নাগ, দীপক কুমার কর্মকার, সুভাষ চন্দ্র দাষ, নুরুন্নাহার, দীপংকর হালদার, সুজন কুমার বিশ্বাস, মনোরঞ্জন কুমার সরকার, পরিমল অধিকারী, মো: আ: রহিম শেখ, মো: আবুল বাশার, অজুফা খাতুন, সুলতানা রাজিয়া, লিপিকা রানী শীল, নিমাই চন্দ্র মন্ডল, তপন কুমার রায়, চম্পা রানী পাল, মিতা সরকার, মৌসুমী নাসরিন, বিধান চন্দ্র সরকার, সুবাদেশ সানা, ছাত্রলীগনেতা রাকিবুল ইসলাম রকি, মোঃ নাঈম শেখ, রিয়াজ শিকদার প্রমুখ।
এছাড়া গোয়াড়া হাফিজুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা প্রধান শিক্ষক অমল কুমার শিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তৃতা করেন শিক্ষক রুপক কুমার মৃধা, অর্জুন চন্দ্র মন্ডল, পঞ্চানন রায়, বিষ্ণুপদ বালা, সঞ্জয় কুমার মন্ডল, চিত্ত রঞ্জন রায়, চিত্ত রঞ্জন মজুমদার, সোনালী রানী রায়, বিউটি খাতুন, আলী আকবর মোল্লা, আরিফুল ইসলাম, গোপাল চন্দ্র কীর্ত্তুনীয়া, গুরুচাদ রায়, প্রভঞ্জন ধর, অশোক মহলী, মিহির মুখার্জী, কিরীটি মুখার্জী, কালীকান্ড হীরা প্রমুখ।
ডোবা নবারুন সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ক্লাবের সভাপতি চঞ্চল অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তৃতা করেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাধন অধিকারী, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অমিয় অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক সুজন দাশ, ইউপি সদস্য সমর মন্ডল, ব্রজেন দাস, অরুন মহলী, বরুন দাশ, প্রভাষ বাগচী, লিটন বাগচী, রাজীব মহলী, পরিতোষ অধিকারী, অজয় সরকার, শিমুল অধিকারী, বিপ্লব অধিকারী, গৌতম দাশ, নেপাল মহলী প্রমুখ।
এদিকে পিঠাভোগ ডিজিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণপদ রায়, পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, গোবিন্দ চন্দ্র রায়, ইদ্রীস আলী, বিশ্বজিৎ কুন্ডু, বাসুদেব পাল, লক্ষী রানী মজুমদার, শিপ্রা সরকার, আফরোজা নারগিস, সর্বানন্দ মন্ডল, হিমাংসু বিশ্বা, সোনালী মন্ডল, সির সিন্দু সরকার, বিপ্রজিৎ সাহা, গৌর চন্দ্র ঘোষ, শক্তিপদ বসু, নিপেন্দ্রনাথ রায় প্রমূখ।
এছাড়াও শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিদ্যালয় এস এমসির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান।প্রধান শিক্ষক মোঃ আহসান উল্লাহ এর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন বিদ্যালয় এস এমসির সদস্য মুরাদ মোল্লা, মিন্টু মোল্লা, শিক্ষক পিজুস কুমার পাল, সুদিত্ত কুমার রায়, শ্যামল কুমার কুন্ডু, আনন্দ কুমার গাইন, কনা রাণী বালা, প্রকাশ চন্দ্র বালা, শিপ্রা মন্ডল, বনানী মন্ডল, হিল্লোল কুমার মল্লিক, মোঃ কামাল হোসেন, মিঠুন কুমার দাস, মোঃ আহসান উল্লাহ, মোঃ মমিনুর ইসলাম, মোঃ কামরুজ্জামান, শোভন লাল মালাকার প্রমূখ।
৭৫ এর পরাজিত শত্রুরা ফের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র করছে’ দাকোপে – শেখ হারুন
দাকোপ প্রতিনিধি
মহান স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করে এ দেশ থেকে বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামীলীগকে চীরতরে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করেছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে জাতীর জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ভয়কে জয় করে আওয়ামী লীগ এবং বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে পৃথিবীর বুকে এ দেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। চলমান এই উন্নয়নের ধারা থামিয়ে দিতে সেই পরাজিত শত্রুরা ফের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র করছে। এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসীর রায় কার্যকর করতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দাকোপ উপজেলা শাখা আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ এ কথা বলেন। মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় স্থানীয় চালনা আরশাদ আলী এতিমখানা চত্বরে দাকোপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ রায়ের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শোক সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য এ্যাড. গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপি, জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, জেলা সহ-সভাপতি এ্যাড. নিমাই রায়, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. নব কুমার চক্রবর্তী, জেলা সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শ্রীমন্ত অধিকারী রাহুল, জেলা সদস্য সাবেক এমপি ননী গোপাল মন্ডল, জেলা সদস্য নান্টু রায়, বুলু রায় গাঙ্গুলী, শিউলী সরোয়ার, মোঃ জামিল খান। বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগনেতা সরোজিত কুমার রায়, রনজিত মন্ডল, শেখ আবদুল কাদের, পঞ্চানন মন্ডল, এবিএম রুহুলামিন, মিহির কুমার মন্ডল, সনত কুমার বিশ্বাস, শফিকুল ইসলাম আক্কেল, দুলাল রায়, জেলার সাবেক যুবনেতা জাকির হোসেন, জলিল তালুকদার, ছাত্রনেতা ইমরান হোসেন, যুবনেতা গৌরপদ বাছাড়, সুদেব রায়, মাসুম আলী ফকির, স্বপন সরকার, অপারাজিতা মন্ডল অপু, সরোজিত রায় কুঞ্জু, তপন রায়, অধ্যাপক সুপদ রায়, শেখ সাব্বির আহমেদ, পরিমাল কান্তি রপ্তান, মীর্জা সাইফুল ইসলাম টুটুল, জুলফিক্কার গাজী জুলু, নিত্যুরঞ্জন কবিরাজ, ক্ষিতিশ রায়, অরবিন্দু রায়, মৃনাল মল্লিক, জ্যোতি শংকর রায়, জিল্লুর রহমান ডলার, অলিউর রহমান সানি, রেজাউল ইসলাম, দ্বীন মন্ডল, তানভীর রহমান আকাশ, কাজী নাজিব, চিশতী নাজমুল, সুশংকর বাছাড় চিকন, আজগর হোসেন ছাব্বির, গোলাম হোসেন শেখ, বিজয় লক্ষি সাহা, গোবিন্দ বিশ্বাস, জি এম রেজা, শেখ মেহেদী হাসান বুলবুল, অমারেশ ঢালী, মুরারী মোহন রায়, উত্তম রায়, মাসুম শেখ, সঞ্জিব রায়, রতন মন্ডল, সৌম্য বিশ্বাস, ফয়সাল শরীফ, লিটন সরদার, রাহুল রায় প্রমুখ। এর আগে জোহর নামাজ বাদ চালনা আরশাদ আলী এতিমখানা মসজিদে ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দিবসের কর্মসূচীর অংশ হিসাবে গরীব দুঃখিদের মাঝে তাবারক বিতরন ও কালো ব্যাজ ধারন করা হয়।
বঙ্গবন্ধু’র শাহাদাৎবার্ষিকীতে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের পুষ্পমাল্য অর্পণ ও আলোচনা সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)’র উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু’র ভাষ্কর্যে পুষ্পামাল্য অর্পণ করা হয়েছে। পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিয়াজ’র পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা, ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী, সাবেক সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মল্লিক সুধাংশু, বিএফইউজে’র নির্বাহী সদস্য মোঃ হুমায়ুন কবির, ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হান্নান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নেয়ামুল হোসেন কচি, কোষাধ্যক্ষ দিলীপ বর্মন, নির্বাহী সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মিলন হোসেন, ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল হালিম, ওয়াহেদ উজ-জামান বুলু, সুনীল দাস, শেখ মোঃ সেলিম, তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, আল মাহমুদ প্রিন্স, দেবব্রত রায়, মেহদেী মাসুদ খান, বাপ্পী খান, রিতা রানী দাস, দিলীপ পাল, শশংক স্বর্ণকার, মোঃ আবুল বাশার, মনোজ বিশ^াস, রিংটন মন্ডল, পলাশ ঢালী, এসএম বাহাউদ্দিন, সাগর সরকার, তুফান গাইন, গোলাম রসুল, শামছুন্নাহার মেঘলা, দিলরুবা ইয়াসমিন, সাংবাদিক মেহেদী হাসান, রায়হান মোল্লা, বিধান বিশ^াস, ইকরাম হোসেন লিপু, এজাজ আহম্মেদ জুয়েল প্রমুখ।
সাংবাদিক মোহাম্মদ মিলনের মায়ের মৃত্যুতে দৈনিক খুলনার শোক বিবৃতি
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা গেজেটের প্রধান প্রতিবেদক মোহাম্মদ মিলনের মা আঞ্জুমানয়ারা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন দৈনিক খুলনার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম মাহাবুবুর রহমান, নির্বাহী সম্পাদক মো. শাহ আলম, বার্তা সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সহকারি সম্পাদক মো. মাকসুদুর রহমান, ব্যবস্থাপক মো. মোর্শেদুজ্জামান, মফস্বল সম্পাদক শেখ হেদায়েতুল্লাহ, চীফ রিপোর্টার প্রবীর কুমার বিশ^াস, সিনিয়র রিপোর্টার নূর ইসলাম রকি, আসাফুর রহমান কাজল, মেহেদী হাসান, ফটো সাংবাদিক শেখ শান্ত ইসলাম।
শোক বিবৃতিতে শোক সন্তোপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শিরোমনি বাজার বণিক সমিতির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শিরোমনি বাজার বণিক সমিতির উদ্যোগে ১৫ আগষ্ট জোহর বাদ কেডিএ মার্কেট চত্বরে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শিরোমনি বাজার বনিক সমিতির সভাপতি শেখ আক্তার হোসেন এর সভাপতিত্বে, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফুলতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ আকরাম হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সম রেজওয়ান আলী, আলহাজ¦ মোড়ল আনিছুর রহমান। বক্তৃতা করেন শেখ আঃ রাজ্জাক, শেখ মইনুল ইসলাম, শেখ আঃ জলিল, মোল্লা আরিফ হোসেন, এহিয়া খান, মুক্ত, বাবলু, আনিছ, চঞ্চল, দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি আঃ জব্বার। আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান শেষে তাবারক বিতরণ করা হয়।
বাগেরহাটের চুলকাটি প্রেসক্লাবে জাতীয় শোক দিবস পালিত
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের চুলকাটি প্রেসক্লাবের আয়োজনে ও প্রধান উপদেষ্টা শিল্পপতি লিটন শিকদার এর সার্বিক তত্তাবধানে ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস-২০২৩ পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে কালো ব্যাচ ধারন, শোক র্যালী, আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠান মঙ্গলবার (১৫ আগষ্ট) বিকেল ৫টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাব সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক পি কে অলোক এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাগেরহাট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক মুক্তিযোদ্ধা হৃষিকেশ কুমার দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুলকাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি ইন্সপেক্টর বিকাল চন্দ্র ঘোষ। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, ফকিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ¦ সিদ্দিক আলী, বাগেরহাট সদর উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি শক্তি নারায়ন দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক দিপংকর কুমার দাস, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শেখ আব্দুস সাত্তার ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ কামরুজ্জামান। প্রেসক্লাবের কোষাধক্ষ অমিত কর বিলাস এর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন, সাধারন সম্পাদক শেখ আনিছুর রহমান, সাবেক সভাপতি জিএম মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি চন্দন কুমার দেবনাথ, নির্বাহী কমিটির সদস্য শিশির শিকদার, বিপুল চন্দ্র দেবনাথ, সাধারন সদস্য শেখর কুমার ব্যানাজী, শেখ মাহাফুজুর রহমান ও যুবলীগ নেতা মোল্লা আলফাজ হোসেন। সভা শেষে চুলকাটির ভট্ট-কনকপুর সিদ্দিকীয়া আমিনিয়া মাদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা শেখ আনিছুর রহমান এর পরিচালনা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া মাহফিল শেষে তাবারক বিতরন করা হয়। এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, ডাক্তার, পেশ ইমাম, মোয়াজ্জেম সহ বিভিন্ন ব্যক্তিরা উপস্তিত ছিলেন। ##
খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টায় খুলনা দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারন, সকাল ৮টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে জাতির পিতার ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দুপুর ২টায় গল্লামারী এলাকায় দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়। এছাড়া সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের শোক সভায় অংশ নেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ। শোক দিবসের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক এম এম আজিজুর রহমান রাসেল, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোঃ সারোয়ার হোসেন গহন, এফ এম হাবিবুর রহমান, কুমারেশ মন্ডল, এস এম আসাদুজ্জামান নূর, এইচ এম কামাল হোসেন, মোঃ আব্দুল মান্নান শেখ, আবু সালেহ বাবু, মোঃ মাহমুদ্দুন্নবী মিল্টন, সুরজিৎ মন্ডল, মোঃ ওহিদুজ্জামান, মোঃ আবু সাঈদ খান, গাজী কামরুল ইসলাম, জাফর ইসলাম শান্ত, এড.শেখ ইকবাল মোর্শেদ, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, শেখ হেলাল বাবু, অনুপম মন্ডল, ইঞ্জি. মিঠুন কুমার ঘোষ, মোঃ রফিকুল ইসলাম রুবেল, শাহ্ নুর মোহাম্মদ, মোঃ আব্দুর রব, মোঃ কামরুল হাসান বাপ্পী, স্বপন কুমার রায়, আবুল হাসান পলাশ, জি এম তৈয়বুর রহমান, ইমরান হোসেন যুবরাজ, মোঃ শফিকুল ইসলাম সোহাগ, চিন্ময় রায়, মোঃ উজ্জ্বল হাওলাদার, শিশির বর, মোহন গাইন টমাস, দয়াল কৃষ্ণ সানা, কাজী মাহবুব প্রমুখ।#
দেবহাটায় আইডিয়ালে জাতীয় শোক দিবস পালন
দেবহাটা প্রতিনিধি
দেবহাটার পারুলিয়ায় বেসরকারি সংস্থা আইডিয়াল যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আইডিয়াল সংস্থা আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও কাঙ্গালি ভোজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলে আইডিয়াল সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আইডিয়াল সংস্থার পরিচালক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়কারী মাইক্রোফাইনান্স আবুল কালাম আজাদ, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব আলহাজ্জ্ব মোঃ আনছার হাজী ও হাফেজ মুফতি মাওলানা কামরুজ্জামান।
এমজেএফ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে শোক দিবস পালন
দেবহাটা প্রতিনিধি
এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ আগষ্ট) দিবসটি উপলক্ষে দোয়া মোনাজাত, আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন এমজেএফ’র নির্বাহী পরিচালক আজহারুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক এটিএম শাহ আলম সিদ্দিকী শাহিন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, জেনিয়া মেহেরুন, আরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ, আরিফ হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, রহিমা খাতুন, উম্মে শাখওয়া শারমিন রানী, শাহিনুর রহমান, আবুল হুসাইন, নারগিস পারভীন, মাহীদ হাসান প্রমুখ। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের স্টাফ হাফেজ মঈনুল ইসলাম।
দাকোপে শোক দিবসের সভায় – শেখ হারুন
৭৫ এর পরাজিত শত্রুরা ফের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র করছে
দাকোপ প্রতিনিধি
মহান স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করে এ দেশ থেকে বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামীলীগকে চীরতরে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করেছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে জাতীর জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ভয়কে জয় করে আওয়ামীলীগ এবং বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে পৃথিবীর বুকে এ দেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। চলমান এই উন্নয়নের ধারা থামিয়ে দিতে সেই পরাজিত শত্রুরা ফের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র করছে। এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসীর রায় কার্যকর করতে হবে।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দাকোপ উপজেলা শাখা আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ এ কথা বলেন। মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় স্থানীয় চালনা আরশাদ আলী এতিমখানা চত্বরে দাকোপ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ রায়ের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শোক সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন জেলা আ’লীগের সহসভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য এ্যাডঃ গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপি, জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ সুজিত অধিকারী, জেলা সহসভাপতি এ্যাডঃ নিমাই রায়, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ নব কুমার চক্রবর্তী, জেলা সদস্য সাবেক এমপি ননী গোপাল মন্ডল, জেলা সদস্য নান্টু রায়, বুলু রায় গাঙ্গুলী, শিউলী সরোয়ার, মোঃ জামিল খান। বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগনেতা সরোজিত কুমার রায়, রনজিত মন্ডল, শেখ আব্দুল কাদের, পঞ্চানন মন্ডল, এবিএম রুহুলামিন, মিহির মন্ডল, সনত কুমার বিশ্বাস, শফিকুল ইসলাম আক্কেল, দুলাল রায়, জেলার সাবেক যুবনেতা জাকির হোসেন, জলিল তালুকদার, ছাত্রনেতা ইমরান হোসেন, যুবনেতা গৌরপদ বাছাড়, সুদেব রায়, মাসুম আলী ফকির, স্বপন সরকার, অপারাজিতা মন্ডল অপু, সরোজিত রায় কুঞ্জু, তপন রায়, অধ্যাপক সুপদ রায়, শেখ সাব্বির আহমেদ, পরিমাল কান্তি রপ্তান, মীর্জা সাইফুল ইসলাম টুটুল, জুলফিক্কার গাজী জুলু, নিত্যুরঞ্জন কবিরাজ, ক্ষিতিশ রায়, অরবিন্দু রায়, মৃনাল মল্লিক, জ্যোতি শংকর রায়, জিল্লুর রহমান ডলার, অলিউর রহমান সানি, রেজাউল ইসলাম, দ্বীন মন্ডল, তানভীর রহমান আকাশ, কাজী নাজিব, চিশতী নাজমুল, সুশংকর বাছাড় চিকন, আজগর হোসেন ছাব্বির, গোলাম হোসেন শেখ, বিজয় লক্ষি সাহা, গোবিন্দ বিশ্বাস, জি এম রেজা, শেখ মেহেদী হাসান বুলবুল, অমারেশ ঢালী, মুরারী মোহন রায়, উত্তম রায়, মাসুম শেখ, সঞ্জিব রায়, রতন মন্ডল, সৌম্য বিশ্বাস, ফয়সাল শরীফ, লিটন সরদার, রাহুল রায় প্রমুখ। এর আগে জোহর নামাজ বাদ চালনা আরশাদ আলী এতিমখানা মসজিদে ১৫ আগষ্ট নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দিবসের কর্মসূচীর অংশ হিসাবে গরীব দুঃখিদের মাঝে তাবারক বিতরন ও কালো ব্যাজ ধারন করা হয়।
দাকোপে বিভিন্ন কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত
দাকোপ প্রতিনিধি
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস দাকোপে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি ভবন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় দাকোপ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভবন চত্বরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে উপজেলা প্রশাসন।
সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়দেব চক্রবর্তী’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সংরক্ষিত ৩০ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড ঃ গ্লোরিয়া ঝর্না সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন, চালান পৌরসভার মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ার চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া সুলতানা, থানা অফিসার ইনচার্জ উজ্জ্বল কুমার দক্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ রায়। অন্যানের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা প্রানীসম্পাদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম হালদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ সুদীপ বালা, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ সেলিম সুলতান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুরাইয়া সিদ্দীকা, সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রজিত রায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতিয়ার রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুমন্ত পোদ্দার, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিহির মন্ডল,পঞ্চানন মন্ডল, শেখ সাব্বির আহম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিত লাল রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী অহেদ আলী, দাকোপ প্রেসক্লাব সভাপতি গোবিন্দ বিশ^াস,সহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা, শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রী, ও সুশীল সমাজের ব্যাক্তি গন।
শরণখোলায় দুই দিনে দুই ছাত্রের গলায় ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যু
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ।।
শরণখোলায় ২২ ঘন্টার ব্যবধানে একই মাদরাসার দুই ছাত্রের গলায় ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরা হচ্ছে উপজেলার উত্তর কদমতলা গ্রামের মোঃ শফিকুল গাজীর পুত্র ইয়াসিন (১২) ও পার্শ্ববর্তী রাজেস্বর গ্রামের মোঃ হাবিব হাওলাদারের পুত্র ইসা হাওলাদার (১৩)। তারা কদমতলার মরহুম মোহসিনিয়া হাফিজিয়া ফোরকানিয়া মাদরাসার সহপাঠি।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১২ টার দিকে ইয়াসিনকে ঘরের অড়ার সাথে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ ইয়াসিনের লাশ উদ্ধার করেছে। এর আগে সোমবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ইসা হাওলাদারকে ছাগলের ঘরের আড়ায় ফাঁস লাগানো পাওয়া যায়। তাকে পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি করে দাফন করে।
রায়েন্দা ইউনিয়নের কদমতলা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শরিফ খায়রুল ইসলাম জানান, ইয়াসিন ও ইসা একই মাদরাসার সহপাঠি ও বন্ধু। সোমবার ইসার মৃত্যুতে ইয়াসিন চরম শোকাহত হয়ে আত্মহত্যা করে।
শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকরাম হোসেন বলেন, পরপর দুটি মৃত্যুর ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।##
খুলনা বেতারে জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্র প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার দুপুরে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা ও মহান স্বাধীনতার রূপকার। মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধিকারের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপসহীন। বাংলার মানুষের মুক্তিই ছিল জাতির পিতার জীবনের মূল লক্ষ্য। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বেতার স্বাধীনতার পর থেকে বলিষ্ঠ অবদান রেখে চলছে, ভবিষ্যতে তা অব্যাহত রাখবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আমরা কাজ করে যাবো।
বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক নিতাই কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক, আঞ্চলিক প্রকৌশলী তাজুন নাহার আক্তার ও আঞ্চলিক বার্তা নিয়ন্ত্রক মোঃ নূরুল ইসলাম । এসময় বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিল্পী-কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
সকালে বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিল্পী-কলাকুশলীরা পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বেতার প্রাঙ্গণ থেকে এক শোক র্যালি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোক র্যালিতে বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিল্পী-কলাকুশলী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশ নেননি আ’লীগ নেতারা ও ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বরা!
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস ও স্বাধীনতার স্থাপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেননি উপজেলা আ’লীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দরা। এমনকি উপজেলার ৬ ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলার অধিকাংশ মেম্বরাও আসেননি। এতে সাধারন নেতাকর্মী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর- কাঁঠালিয়া) আসনে আ’লীগের মনোনিত নৌকা প্রতীকের তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এমপি বিএইচ হারুন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা আক্তার লাইজু ও রাজাপুর থানার ওসি পুলক চন্দ্র রায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া কয়েকজন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা জানান, শোক দিবসের ব্যানারে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অ্যাড. এএইচএম খায়রুল আলম সরফরাজ ও উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক জিয়া হায়দার খান লিটনের নাম বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকলেও তারা অনুষ্ঠিানে অংশ নেননি। এছাড়া উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানগণ ও উপজেলার ৬ ইউনিয়নের মেম্বরাও দেখা যায়নি। হাতে ঘোনা কয়েকজন মেম্বর এসেছিলেন। স্বাধীনতার স্থাপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের মত একটা সরকারি অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান-মেম্বররাও আসবেন না এটা তো হতে পারে না বলেও অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মঠবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ জালাল হাওলাদার, সাতুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মাইনুল হায়দার নিপু ও শুক্তাগড় ইউপি চেয়ারম্যান বিউটি সিকদার জানান, সকালে উপজেলা আ’লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে সাড়ে ৯ টায় ডিসি অফিসের জুম মিটিং ছিল অংশ নিয়েছেন তারা কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের শোক সভায় দাওয়াত ছিল কিন্তু যাননি। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদেও শোক দিবসের অনুষ্ঠান করা বাধ্যতামূলক ছিল, তাতে অংশ নিয়েছি। সাতুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মাইনুল হায়দার নিপু জানান, মূলত এমপি অংশ নেয়ায় আমরা কেহই যাইনি। প্রায় ২ বছর ধরেই এমপি অংশ নিলে তাতে আমরা যাই না। জানতে চাইলে এ বিষয়ে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এএইচএম খায়রুল আলম সরফরাজ সাংবাদিকদের বলেন, উপজেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠানে দাওয়াত ছিল এবং আমাদের যাওয়ার প্রস্তুতিও ছিল। কিন্তু এমপি অনুষ্ঠানে থাকায় যাইনি। এমপির সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না, সামনে নির্বাচন। তাই দ্বন্দ্বে বা ভুল বোঝাবুঝিতে জড়াতে চাই না। তিনি বলেন, এমপি উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী দিয়েছেন। উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডেও পাল্টা কমিটি করেছে। তার অনুসারীদের সকল সরকারি সুবিধা প্রদান করে থাকেন। উপজেলা আ’লীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ ইউপি চেয়ারম্যানরা না আসার কারন জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা নুসরাত জাহান খান জানান, তাদের দাওয়াত দেয়া হয়েছিল, কেন আসেননি তা বলতে পারবো না। এ বিষয়ে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর- কাঁঠালিয়া) আসনে সংসদ সদস্য এমপি বিএইচ হারুন কোন মন্তব্য করেননি।
মহেশপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত
মহেশপুর,(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে মহেশপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনাভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহেশপুর সাবেক পৌর মুক্তিযোদ্ধা কমন্ডার কাজী আব্দুস সাত্তার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমন্ডার আবু তালেব। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহেশপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এসএম এনামুল হক দুলু প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি বিএম শামীম। এ ছাড়াও সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম,পলাশ রহমান ,কাসেম, আলমগীর হোসেন,শামীম খান জনি,আব্দুল হামিদ,বাবর আলী,হোসাইন আহম্মেদ, ওসমান গণি, রাজেদুল ইসলাম রাজাসহ সকল সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরন করা হয়।
সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত। সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও সহকারী অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন রিয়াজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের সুযোগ্য অধ্যক্ষ প্রফেসর নীতিশ বিশ্বাস স্যার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক এমদাদুল হক, গনিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন, প্রভাষক প্রবীর কুমার নাথ,মোঃ আবুল কালাম প্রমুখ। শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক আঃ ওয়াদুদ হাওলাদার এর উপস্থাপনায় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন কলেজ মসজিদের ইমাম মোঃ জাকির হোসেন।
শোক দিবস উপলক্ষে সকাল ৮.১৫ মিঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ,রক্তদান ও রক্তের গ্রুপ নির্নয়, পুকুরে মাছ অবমুক্তকরন, কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অতঃপর প্রধান অতিথি কলেজের বঙ্গবন্ধু কর্নার ও শেখ রাসেল কর্নার এর শুভ উদ্বোধন করেন।
১৫ই আগষ্ট মহান জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্প স্তবক অর্পণ
তামিম আহমেদ মনির
যশোরের অভয়নগরে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অভয়নগর উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে ১৫ই আগষ্ট মহান জাতীয় শোক দিবস ও জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্প স্তবক অর্পণ করা হয়েছে।
গতকাল (১৫ আগষ্ট) মঙ্গলবার বেলা ১২.৩০ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী স্বাধীনতার মহান স্থপতী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদৎ বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা সহিত বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্প স্তবক অর্পণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অভয়নগর উপজেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল আলম লিপু ও সাধারণ সম্পাদক তাওহীদ হাসান উসামা , সিনিয়র সহ- সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম বাবু, সহ- সভাপতি মোঃশেরিফুর রহমান ও রণজিত মল্লিক , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ- হান্নান শেখ ও রাজয় রাব্বি , সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নূরুল মিলন সরদার,দপ্তর সম্পাদক অনিক দাস ও নির্বাহী সদস্য মোঃ রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ।
সরকারি খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে জাতীয় শোক দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
গত ১৫ই আগস্ট ২০২৩ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকীতে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে “জাতীয় শোক দিবস -২০২৩” উদযাপন উপলক্ষে দক্ষিণ বাংলার শ্রেষ্ঠ কারিগরি মহিলা বিদ্যাপীঠ সরকারি খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট কর্তৃক আয়োজন করা হয় মাসব্যাপী নানাবিধ কর্মসূচি। কর্মসূচি সমূহের মধ্যে রয়েছে কালো ব্যাজধারণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন (অর্ধনমিত), জাতীয় শোক দিবসের পোস্টার স্থাপন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্থবকঅর্পণ, প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আলোচনাসভা, শিক্ষার্থীদের কবিতা আবৃতি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, জীবনভিত্তিক বক্তৃতা এবং রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, দোয়া মাহফিল এবং বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি। ১৫ ই আগস্ট এর জাতীয় শোক দিবস-২০২৩ এর অনুষ্ঠানে সভাপতির আসন অলংকৃত করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সুযোগ্য অধ্যক্ষ কাজী নেয়ামুল শাহীন। উপস্থিত ছিলেন ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও চীফ ইন্সট্রাক্টর জনাব পলি রানী দাস, নন-টেক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও চীফ ইন্সট্রাক্টর জনাব রেজাউল হক, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ইন্সট্রাক্টর জনাব গৌতম কুমার ধর, সিভিল ও আর্কিটেকচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ইন্সট্রাক্টর জনাব মৌসুমি আক্তার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সকল বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ। অত্র অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর উপর মূল্যবান আলোচনা করেন সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগন ও অন্যান্য আলোচকবৃন্দ। পরিশেষে অধ্যক্ষ মহোদয় “জাতীয় শোক দিবস- ২০২৩” সমাপনী বক্তৃতায় তিনি তুলে ধরেন খ্যাতিমান এই মহান পুরুষের কীতিময় জীবন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এরপর বঙ্গবন্ধু সহ সকল শহীদের রূহের মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরিশেষে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনব্যাপী কর্মসূচি।
ডুমুরিয়ায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি। শিক্ষক শফিকুল আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম আশীষ মোমতাজ, ভাইস চেয়ারম্যান শারমীনা পারভীন রুমা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল ইসলাম মানিক,চন্দ্রকান্ত মজুমদার, ওসি সেখ কনি মিয়া, সাংবাদিক এসএম জাহাঙ্গীর আলম, শিশু ফেরদৌসী খাতুন প্রমূখ। আলোচনা শেষে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে বিকেলে আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তফা কামাল খোকনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার, সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়ার্দার, সরদার আবু সাঈদ, শেখ ইকবাল হোসেন, জিএম ফারুক হোসেন, মোল্লা সোহেল রানা, জাহিদুল ইসলাম,খান আবু বক্কার, গোবিন্দ ঘোষ, আবুল বাশার খান প্রমুখ। অপরদিকে ডুমুরিয়া আওয়ামী মটর চালক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। ডুমুরিয়া বাজার¯’ অফিস কার্যালয়ে আব্দুল খবির শেখের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ, আলমগীর হোসেন,এসএম রিফাত হোসেন, শিহাব উদ্দিন, আঃ সালাম সরদার প্রমূখ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ আঃ গফুর। খুলনা বিভাগীয় ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং ৬২২) ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। বিকেলে সংগঠনের সভাপতি আব্দুল খবির শেখের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আব্দুস সালাম, কামরুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, রুহুল আমিন, সাগর হোসেন, সিরাজুল গাজী,আলম হোসেন প্রমুখ। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা এনায়েত খান।
এদিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পূবালী ব্যাংক খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদর ইউনিয়নে কাটাখালী ভেড়ীবাঁধের দুপাশে শতাধিক নারকেল গাছের চারা রোপণ করা হয়। বৃক্ষ রোপণ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান। এ সময় উপ¯ি’ত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, ¯’ানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ূন কবির বুলু, খুলনা অঞ্চলের উপ-মহাব্যব¯’াপক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, সহকারী মহাব্যব¯’াপক মোঃ ফরিদ আহমেদ, মোঃ শফিকুল ইসলাম, শেখ মারুফ হাসান, মুকুল চন্দ্র দাস, আনন্দ মোহন সাহা,অজিত কুমার সরকার, সমাজসেবক আব্দুল আজিজ গাজী প্রমূখ।
দাকোপে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
খুলার দাকোপ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস -২০২৩ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ ই আগস্ট মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টায় দাকোপ উপজেলা মুক্তি যোদ্ধা ভবন চত্বরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহীঅফিসার জয়দেব চক্রবর্তী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মহিলা আাসন- ৩০ সংসদ সদস্য এ্যাডঃ গ্লোরিয়া ঝর্না সরকার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দাকোপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন, চালান পৌরসভার মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা পরিষদ ভাইসচেয়ার চেয়ারম্যান গৌর পদ বাছাড়, সহকারী কমিশনার ভুমি পাপিয়া সুলতানা, দাকোপ থানা অফিসার ইনচার্জ উজ্জ্বল কুমার দক্ত, দাকোপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ রায়, প্রানীসম্পাদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম হালদার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ সুদীপ বালা, কৃষিঅফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ সেলিম সুলতান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতিয়ার রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুমন্ত পোদ্দার, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিহির কুমার মন্ডল, পঞ্চানন মন্ডল, শেখ সাব্বির আহম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিত লাল রায়, গাজী অহেদ আলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা কর্মচারী, শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রী, ও সুশীল সমাজের ব্যাক্তিগন উপস্থিত ছিলেন।
ইন্দুরকানীতে সাঈদীর মৃত্যুতে তার জন্মভূমিতে শোকের ছায়া
ইন্দুরকানী(পিরোজপুর) সংবাদদাতা ঃ
জামায়াত নেতা পিরোজপুর- ১ আসনের সাবেক এমপি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুতে তার জন্মস্থান ইন্দুরকানীতে শোকের ছায়া নেমে আসে । সোমবার রাত ৮.৪০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ ও সংবাদমাধ্যমে মৃত্যু খবর শুনে এলাকার সাধারন মানুষ নিঃস্তব্য হয়ে যায় । সাথে সাথে ইন্দুরকানী উপজেলায় বিভিন্ন বাজার দোকানপাট বন্ধ করে নিজ এলাকায় চলে যায় । শত শত লোক আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর গ্রামের বাড়ীতে সাঈদখালীতে ভিড় করেন এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করেন ।
তার স্বজনরা জানায়, আল্লামা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিনা অপরাধে ১৩বছর কারাবন্দী ছিল । তার মৃত্যু আমরা কোনরকম মেনে নিতে পারছি না । বিনাঅপরাধী জেলে আটকিয়ে রাখা হয়েছিল । এর বিচার আল্লাহ করবে ।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. আল মামুন জানান, দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর মৃত্যুর পর যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েনসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
তথ্য বিবরণী
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি ভবন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
সকাল আটটায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে ১৫ আগস্টে শাহাদত বরণকারী জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। খুলনা জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক, রেঞ্জ ডিআইজি মঈনুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসময় পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে খুলনা জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীন পতাকা ও স্বাধীন ভূখন্ড দিয়েছেন। ঘাতকরা তাঁকে হত্যা করে বাংলাদেশ থেকে জাতির পিতার আদর্শকে মুছে দিতে চেয়েছে। প্রকৃতপক্ষে জীবিত মুজিবের চেয়ে মৃত মুজিব অনেক বেশি শক্তিশালী।
খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ নিজামুল হক মোল্যা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহাবুবার রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম বিষয়ক আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার এ এস এম কবীরের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। খুলনাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সকালে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বিভাগীয় শ্রম দপ্তরে মুজিব কর্নারের উদ্বোধন করেন।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। জেলা ও মহানগরীর সকল মসজিদে দোয়া মাহফিলসহ বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। সকল সরকারি- বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় শোক দিবসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ আলোচনা সভা, আবৃত্তি, রচনা, চিত্রাংকন, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
জাতীয় শোক দিবসে স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো বিশেষ সংখ্যা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে।
খুলনার উপজেলাসমূহেও অনুরূপ কর্মসুচি পালিত হয়।
খুলনায় জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।
মঙ্গলবার সকালে শ্রম প্রতিমন্ত্রী খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এবং বীরমুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এবং পরে শ্রম মন্ত্রণালের পক্ষে আয়োজিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার ত্যাগ, জাতির পিতার স্বপ্ন বৃথা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণ করবো। এজন্য সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিষ্ঠার সাথে শ্রম দিয়ে যেতে হবে।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মঈনুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, বিভাগীয় পর্যায়ের সকল সরকারী বেসরকারী দপ্তর সংস্থা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে সাথে নিয়ে খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তর প্রাঙ্গনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং বিভাগীয় শ্রম দপ্তরে মুজিব কর্ণারের উদ্বোধন করেন। সুদৃশ্য মুজিব কর্ণারে জাতির পিতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের ইতিহাসসহ বাঙালির ঐতিহ্য সংক্রান্ত প্রায় তিন শতাধিক বই রয়েছে। মুজিব কর্ণারের উদ্বোধন করে তারা সেটি ঘুরে দেখেন, তারা জাতির পিতার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। এসময় বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক ডাক্তার নবীন কুমার হাওলাদারসহ দুটি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস এবং ভারতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দু‘দেশে সরকারি ছুটি থাকায় আজ মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ও ভারতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের সঙ্গে একদিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে।কাস্টমস হাউজ ও বন্দরে কোন কার্যক্রম চলবে না। আগামীকাল বুধবার থেকে পুনরায় এ পথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যসহ কাস্টমস ও বন্দর সচল থাকবে।
বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, উভয় দেশে সরকারি ছুটি থাকায় এ পথে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে আবারো যথানিয়মে চলবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবীব জানান, এ পথে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় এ পথে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যে আগ্রহ বেশি। দেশে স্থলপথে যে পণ্য আমদানি হয় তার ৭০ শতাংশ হয় বেনাপোল বন্দর দিয়ে। এছাড়া প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার পণ্য আমদানি হয়ে থাকে। যা থেকে সরকারের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়।
মোংলায় নানা আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। এরপর একে একে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাশন ও পুলিশসহ বিভিন্ন সংগঠন সেখানে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্যের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন উপমন্ত্রী।
পরে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের আয়োজনে বের হওয়া পৃথক শোক র্যালীতে অংশ নেন স্থানীয় সাংসদ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। র্যালীতে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপংকর দাশ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হাবিবুর রহমান, মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ শাহীনসহ অন্যান্যরা অংশ নেন।
এরপর বেলা ১১টায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জসিমসহ অন্যান্যরা। আলোচনা সভা শেষে শহীদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকলের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া শেষে গরীব ও দুঃস্থদের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণ করেন আওয়ামী লীগ। #
সাঈদীর গায়েবানা জানাজাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নিহত ১
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
কক্সবাজারের চকরিয়ায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর গায়েবানা জানাজাকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীর সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় মো. ফোরকান (৫৮) নামে এক ব্যক্তি গুলিতে নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি পুলিশ ভ্যান, স্বাস্থ্য বিভাগের গাড়িসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে চকরিয়া স্টেশনের বায়তুশ শরফ সড়কে এ ঘটনা ঘটে। জামায়াতে ইসলামীর দাবি, ওই ব্যক্তি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তবে পুলিশ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম সমকালকে বলেন, চকরিয়ায় জানাজা নিয়ে সংঘটিত ঘটনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, গায়েবানা জানাজা পড়তে বিকেল ৪টার দিকে মামা-ভাগিনার মাজারের দিকে যাচ্ছিলেন লোকজন। স্থান সংকুলানের কারণে সেখানে আগেই আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তাই কেউ কেউ নতুন করে জানাজা পড়তে যাচ্ছিলেন। আবার অনেকে জানাজা পড়ে ফেরত আসছিলেন। ওই সময় বায়তুশ শরফ সড়ক দিয়ে গাড়ি নিয়ে ঢোকেন চকরিয়া থানার ওসি জাবেদ মাহমুদ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শোভন দত্ত। ওই সড়ক দিয়ে তাদের যেতে দেখে জানাজায় অংশ নেওয়া জামায়াত-শিবির কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে ওসি ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাড়িতে হামলা করেন তারা। এ সময় উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে ২০-৩০ জন মুখোশ পরা ব্যক্তি ও অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। এতে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন।
চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা সৈয়দ ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগে ওই ব্যক্তি মারা যান। দেখে মনে হয়েছে, তাঁর মাথার পেছনে ছররা গুলির আঘাত লেগেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান বলেন, গায়েবানা জানাজা পড়তে কাউকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারা জোর করে জানাজা পড়েছেন। মিছিল নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করেছেন, গাড়ি ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমির আবদুল্লাহ আল ফারুক সমকালকে বলেন, পূর্ব নির্ধারিত সাঈদীর গায়েবানা জানাজা স্থগিত করা হলেও সাধারণ লোকজন এ নামাজের আয়োজন করেছেন।
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বাসস
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর স্বাধীনতার মহান স্থপতির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল এ সময় রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।
ছোট বোন শেখ রেহানা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞের শিকার শহীদদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন। এ ছাড়া দেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
পরে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারাও বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ প্রাঙ্গণে মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা, দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীও বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ধানমন্ডি থেকে তিনি বনানী কবরস্থানে যান। সেখানে তার মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্টের অন্য শহীদেরা চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি ১৫ আগস্টের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠা ও দোয়া করেন। বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে বঙ্গবন্ধুর পৈতৃক নিবাস টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান শেখ হাসিনা।
সুন্দরবন থেকে চার জেলে গ্রেপ্তার
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সাপখালী ও চরের খাল থেকে বিষের বোতলসহ চার জেলেকে গ্রেপ্তার করেছেন বনরক্ষীরা। সোমবার বিকেলে কোবাদক স্টেশন ইনচার্জ মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে টহলের সময় তাদের আটক করে পরে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ সময় কয়েকটি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
জানা গেছে, টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন জেলে বনের মধ্যে পালিয়ে যান। পরে তাদের ব্যবহৃত ১২টি ডিঙি নৌকাসহ ভেসালী জাল ও কাঁকড়া শিকারের এক হাজার আটল উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার জেলেরা হলেন– উপজেলার গাবুরা এলাকার ইমদাদুল হক (৪২), শাহীনুর (৪০), আব্দুল্লাহ (২৭) ও সিফাত উল্লাহ (২৭)।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ইকবাল হোসাইন চৌধুরী জানান, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলছে। এটি অমান্য করে সুন্দরবনে প্রবেশের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ সময় মাছ শিকারের কাজে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত বিষভর্তি বোতলসহ কাঁকড়া ধরার আটল উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্য জেলেরা বনের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের ফেলে যাওয়া নৌকাগুলো জব্দ করা হয়েছে।
ট্রান্সফরমারের যন্ত্রাংশ চুরি করে রেখে গেল খোলস
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পল্লী বিদ্যুতের একটি ট্রান্সফরমারের ভেতরের যন্ত্রাংশ চুরি করে খোলস ফেলে গেছে চোর চক্র।
সোমবার রাতে উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৭০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পল্লী বিদ্যুৎ সূত্র ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ১০ কেভিএ ধারণ ক্ষমতার ট্রান্সফরমারটির সাহায্যে গোবিন্দপুর মাঠে দুটি সেচ পাম্প চালানো হতো। রাতে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমার নিচে নামিয়ে ভেতরের কয়েলসহ যন্ত্রাংশ নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। তবে খোলস ও মূল্যবান তেল ফেলে গেছে তারা। এতে সেচ নিয়ে বিপদে পড়েছেন শতাধিক বিঘা জমির মালিকরা।
সেচ পাম্পের মালিক মো. আকরাম হোসেন বলেন, তিনি সকালে সেচ পাম্পে গিয়ে দেখেন মাটিতে ট্রান্সফরমারের খোলস পড়ে আছে। তবে ভেতরে কয়েল নেই। এর সাহায্যে মাঠের শতাধিক বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া হয়।
যদুবয়রা পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ট্রান্সফরমারের প্রায় ৭০ হাজার টাকার কয়েল চুরি হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভেঙে যাওয়া সেতুটি যেন মৃত্যুকূপ
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
সেতুর মাঝের কিছু অংশ ভেঙে পরিণত হয়েছে মৃত্যুকূপে। সেই ভাঙা অংশের দু’পাশ দিয়েই মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন ও পথচারীরা। সেতুটি পুন:নির্মাণে একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা জানালেও প্রাথমিকভাবে সংস্কার বা দুর্ঘটনা এড়াতে কোন পদক্ষেপই নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার থেকে মাঝদিয়া – লেবুতলা সড়কে এই সেতুর অবস্থান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে নির্মিত সেতুটি গত আড়াই মাস আগে ভেঙে পড়েছে। এতে যানবাহন চালক ও পথচারীদের মারাত্মক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সেতু সংলগ্ন মাঝদিয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেন জানায়, ব্রীজটির দু’পাশে কালীগঞ্জ উপজেলার মঙ্গলপৈতা, সুবর্ণসারা, ত্তত্বিপুর, বারপা, লাওখালি, ভোগলপুর নাটোপাড়া, ঝাউদিয়া, কেসমত, লেবুতলা গ্রামসহ যশোর ও মাগুরা জেলার হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু সেতুর কারণে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যে কোন মুহূর্তে ভারী যানবাহনের ভারে পুরো সেতুটি ভেঙ্গে প্রাণহানি ঘটতে পারে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর মাঝখানের কিছু অংশ ভেঙে বড় কূপের সৃষ্টি হয়েছে। মারাত্মক বিপদজনক সেই গর্তে একটি বাঁশে লাল রং দিয়ে সতর্কীকরণ চিহ্ন দেওয়া রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন হোসেন জানান, বারোবাজার একটি ব্যবসা প্রসিদ্ধ এলাকা। দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম পাইকারী মাছের বাজারসহ রয়েছে কাঁচামাল ও গরু ছাগলের বড় হাট। বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা বারোবাজারে এসে মালামাল কিনে দেশের বিভিন্ন জেলাতে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ঝিনাইদহ ও যশোর জেলার সংযোগস্থল বারবাজার – লেবুতলা সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপুর্ণ। সড়কের সেতুটি ভেঙে পড়াতে প্রতিনিয়ত ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রাতের বেলাতে যানবাহন চলাচল খুবই ঝুঁকিপুর্ণ। তাই সেতুটি সংস্কার বা নির্মাণ হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা শিপন মৃধা বলেন, কেউই সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে না। যার ফলে এলাকার বাসিন্দাদের দুর্ঘটনার শঙ্কার মধ্যে চলতে হচ্ছে। সেতুটি জরুরী ভিত্তিতে মেরামতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে বারবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, সেতুটি ভেঙে পড়ার পরই তিনি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এলজিইডি প্রকৌশলীকে অবহিত করেছেন। তারা বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
কালীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ওই সড়কের মাঝদিয়া স্থানের ভাঙা ব্রিজটির বিষয়ে তাঁরা অবগত হয়েছেন। ইতোমধ্যে ব্রিজটি নির্মাণে একটি প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।
খুলনা মেডিকেলে আরও এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ওই হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হলো।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) সকালে খুমেক হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে খুলনায় সর্বমোট ৫৯৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৮১ জন ডেঙ্গুরোগী।
হোটেলের মোরগ পোলাও খেয়ে একই স্কুলের ১৫ শিক্ষক-কর্মচারী অসুস্থ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গা শহরের শাহী নান্না বিরিয়ানি হাউজের মোরগ পোলাও খেয়ে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীসহ পরিবারের আরও ১০ সদস্য গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অসুস্থদের মধ্যে তিন শিক্ষককে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অসুস্থ শিক্ষক-কর্মচারীরা হলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাজিদ সেতু, স্নিগ্ধা রানী শীল, তুষার শুভ্র রায়, শামীম হোসেন ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, রাজু আহমেদ, রওশন সোনিয়া, মামুন মুন্সী, স্মৃতি শান্তি, শাকিল আরাফাত ও তার ছেলে, সেলিম রেজা, শিক্ষক শাহজাহান আলীর ছেলে এবং শিক্ষক মতিয়ার রহমানের মেয়ে মিথিলা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছেলেসন্তান হওয়ায় ‘ট্রিট’ হিসেবে রোববার (১৩ আগস্ট) সহকর্মীদের শহরের চুয়াডাঙ্গা শাহী নান্না বিরিয়ানি হাউজের মোরগ পোলাও খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রওশন আক্তার। ওইদিন দুপুরে ওই খাবার খেয়ে শিক্ষক-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ ২০ জনের বেশি মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থদের মধ্যে অনেকেই ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি আছেন এখনো তিনজন শিক্ষক।
সহকারী শিক্ষক শামীম হোসেন বলেন, ‘মোরগ পোলাও বাড়িতে নিয়ে এসে দুপুরে আমি ও আমার গর্ভবতী স্ত্রী খেয়েছিলাম। মধ্যরাতে আমারা দুজনই ডায়রিয়া আক্রান্ত হই। ওই রাতেই আমাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সকালে আমার স্ত্রীও চিকিৎসা নিয়েছেন। এ খাবার খাওয়ার পর থেকেই আমাদের ডায়রিয়া ও বমি শুরু হয়েছে। আমার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা হওয়ায় তাকে নিয়ে চিন্তিত আছি।’
শিক্ষিকা রওশন আক্তারের স্বামী ঢাকা তেঁজগাও মহিলা কলেজের অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘অনেকেই বিষয়টি জানিয়েছেন। এ খাবার খাওয়ার পর আমার স্ত্রীও পেট ব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমি শাহী নান্না বিরিয়ানি হাউজ থেকে খাবারগুলো নিয়ে এসেছিলাম।’
চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাজিদ আহমেদ সেতু বলেন, ‘আমরা রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহরের শাহী নান্না বিরিয়ানি হাউজ থেকে ৫০ প্যাকেট বিরিয়ানি এনে দুপুর ২টার মধ্যে খাওয়া-দাওয়া শেষ করি। পরে রাতে প্রায় সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ি।’
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মহসীন আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘ওই মোরগ পোলাও নিঃসন্দেহে বাসি ছিল। রাতের বাসি পোলাও নতুন পোলাওয়ের সঙ্গে বিক্রি করেছে, যা খেয়ে স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারী ও পরিবারের সদস্যসহ আমরা ২০ জনের বেশি মানুষ অসুস্থ হই। অসুস্থতার কারণে আটজন শিক্ষক সোমবার (১৪ আগস্ট) বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারেননি। এতে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে তিনজন শিক্ষক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমরা এ বিষয়ে কয়েকবার ওই বিরিয়ানি হাউজে গিয়েছি কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মালিক গা ঢাকা দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে শাহী নান্না বিরিয়ানি হাউজের স্বত্বাধিকারী মো. ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা তো ভালো বিরিয়ানিই দিয়েছি, এমনটি হওয়ার কথা নয়। বিরিয়ানি দুই ঘণ্টার মধ্যে খাওয়ার জন্য আমাদের প্যাকেটেই নির্দেশনা আছে। কেউ দেরি করে খেলে তো আমরা দায়ী হবো না।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ইবিতে ব্যাংক কর্মকর্তাকে নারীর ছুরিকাঘাত
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
অগ্রণী ব্যাংক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লোন শাখার কর্মকর্তা মইনুল হোসেনকে ছুরিকাঘাত করেছেন শামীমা নামের এক নারী। সোমবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রশাসন ভবন চত্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মইনুল হোসেনের বাড়ি কুষ্টিয়ার বড় আইলচারার দক্ষিণ পাড়ায়। অভিযুক্ত শামীমা কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার মধ্য বাজার এলাকার আবু বক্করের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাংক কর্মকর্তা অভিযুক্ত নারীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে ওই নারী ব্যাংক কর্মকর্তার গলায় ছুরিকাঘাত করে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় প্রধান ফটকের সামনে থাকা লোকজন তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন।
পরে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশের হাতে তুলে দেন। আহত ব্যাংক কর্মকর্তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওই কর্মকর্তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া নার্স মমতাজ বলেন, রক্তাক্ত অবস্থায় মইনুল হোসেনকে মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক গলায় ব্যান্ডেজ করে কুষ্টিয়া পাঠিয়ে দিয়েছি। তার শ্বাসনালী কাটেনি। ব্লেড দিয়ে গলা কাটা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।
ছুরিকাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে শামীমা দাবি করেন, ২০২১ সালের ৪ এপ্রিল মইনুল হোসেন ভালোবেসে তাকে বিয়ে করেন। পরে তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানান। এ দ্বন্দ্বের জেরে আজ দীর্ঘ সময় বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শামীমাকে হত্যার চেষ্টা করেন মইনুল। কিন্তু উল্টো নিজের গলায় লেগে কেটে যায়।
ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আন নূর যায়েদ বিপ্লব বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ক্যাম্পাসে চলে আসি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত নারীকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
ওষুধ ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ: খুমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওষুধ ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থী সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে খুমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দাবিতে এ কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।
সোমবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজের সামনে ওষুধ ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার দিকে কলেজের এক শিক্ষার্থী সহপাঠীসহ হাসপাতালে সামনে ওষুধ কিনতে যান। ওষুধ কিনে ওই ব্যবসায়ীকে কমিশন (১০ শতাংশ) বাদ দিতে বলেন। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী সেখানে জড়ো হন এবং তাদের মারধর করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে বিষয়টি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জানান।
পরে তারা এক হয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা ও দোকানপাট ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এতে উভয়পক্ষের ১৫ থেকে ১৬ জন আহত হন। ছাত্রদের হামলায় তিন দোকানি আহত হন। বেশ কয়েকটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানান, ওষুধ কেনা নিয়ে এক দোকানির সঙ্গে খুলনা মেডিক্যালের শিক্ষার্থীর বাগবিতণ্ডা ঘটে। একপর্যায়ে দোকানি তাকে মারধর করেন। বিষয়টি অন্য ছাত্ররা জেনে তারা ওষুধের দোকানে যায়। তখন ওষুধের দোকানিরা তাদেরকেও মারধর করেন। এতে ১৫ ছাত্র আহত হয়েছে। ঘটনার বিচার ও হামলাকারীদের গ্রেফতারে ছাত্ররা আল্টিমেটাম দিয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (দক্ষিণ) শেখ ইমরান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা চলছে। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম অন্তর ও সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুজ্জোহা সজীব বলেন, নিরাপত্তার দাবিতে তাদের ঘোষিত কর্মবিরতি চলছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলবে।










































