Home আঞ্চলিক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ মামালা

পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ মামালা

20

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি।।

ফেসবুকে পরিচয় পরে বন্ধুত্ব এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে কয়েক দফা ধর্ষণের অভিযোগে মো. হাফিজুর রহমান নামের এক পুলিশ কন্সটেবলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে(মামলা নং- তাং—)।অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য বর্তমানে পটুয়াখালী পুলিশ লাইনে কর্মরত রয়েছে (কনস্টেবল নং বিপি-৯৮১৮২১৮৪৮২)। তার বিরুদ্ধে প্রথম বিবাহের কথা গোপন রেখে একাধিক বিবাহের অভিযোগও রয়েছে। ভুক্তোভোগী দরিদ্র পরিবারের ১৬ বছর বয়েসি ঐ নারী বাদী হয়ে খুলনা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে-২‘ এর আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিযে তদন্তের জন্যে খুলনা পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে।

মামলার অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, দৌলতপুর থানাধিন কার্ত্তিককুল এলাকার কাশেম শেখের পুত্র পটুয়াখালী পুলিশ লাইনের পুলিশ কনস্টেবল মো. হাফিজুরের সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয় আড়ংঘাটা থানাধিন তেলিগাতী গ্রামের এক কিশোরীর সাথে। ফেসবুকে পরিচয় রুপ নেয় বন্ধুত্বের এক পর্যায়ে ঐ কিশোরীকে ফুসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার তাকে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে বলে ভিকটিম ঐ কিশোরী মামলায় উল্লেখ করে। বিষয়টি এ কিশোরী পরিবারের কাছে জানালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কিশোরীকে বিবাহের আশ্বাস দিয়ে কর্মস্থল পটুয়াখালী চলে যায়। পর কিশোরীর পরিবার এ বিষয়ে পটুয়াখালী পুলিশ লাইনে লিখিত ভাবে জানালে চাকুরী চলে যাওয়ার ভয়ে ঐ মেয়েকে বিবাহ করতে রাজি হয়। অভিযুক্ত হাফিজুর ছুটিতে এসে গত ১০ ফেব্রয়ারী ২০২৩ বিবাহ করে। বিবাহের কিছু দিন পরেই তাকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে এক পর্যায়ে যৌতুকের টাকা দরিদ্র পরিবার দিতে না পারায় তাকে তালাক দিয়েছে বলে ভুক্তোভোগী পরিবার জানায়। অভিযুক্ত হাফিজুর ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ সালে মোসা. কানিজ সুর্বণা নামের একটি মেয়েকে বিবাহ করে। প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন রেখে দ্বিতীয় বিবাহের অভিযোগ রযেছে তার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালতে ৭৮/২৩ তাং ১৩/৭/২৩ পিটিশন রুজু করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত হাফিজুর ও তার মা জোসনা বেগমের নামে সিআর ৬৬/২৩ যৌতুক আইনের ৩ ধারায় মামলা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলাটি আমলে নিয়ে খুলনা পিবিআইকে দতন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হাফিজুর ধর্ষণের কথা অস্বীকার করে বলেন ফেসবুকে পরিচয় হলে তাকে আমি বিবাহ করি । পরে তার সাথে আমার ফ্যামিলী এবং আমার বনিবনা না হওয়ায় আমি তাকে তালাক দিয়েছি।

মামলার বিষয়ে পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে আমি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছি। দুই তিন দিন হলো আমি হাতে কাগজ পেয়েছি। অসুস্থতার কারনে আমি তদন্ত কার্যক্রম এখন শুরু করেনি তবে আজ কালের মধ্যে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম এবং অন্যান্যা সকলের সাথে কথা বলবো।