স্পোর্টস ডেস্ক।।
আকস্মিক এক ঘোষণায় টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ইংলিশ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড। চলতি অ্যাশেজের পর আর জাতীয় দলের হয়ে দেখা যাবে না এই পেসারকে। ২০০৭ সালে অভিষেকের পর বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন ব্রড। বল হাতে নিয়েছেন ৬০০-এর বেশি উইকেট। টেস্ট ইতিহাসের সেরা ৫ উইকেটশিকারীর তালিকায় নাম উঠে গেছে এই পেসাররের। ক্যারিয়ারজুড়ে তার কিছু বোলিং ফিগার ছিল চোখে লেগে থাকার মতো। সেরকম কয়েকটি ঘটনাই তুলে ধরা হলো আমাদের সময়ের পাঠকদের জন্য।
৮/১৫- অস্ট্রেলিয়া, ট্রেন্ট ব্রিজ, ২০১৫
২০১৫ সালের অ্যাশেজের চতুর্থ টেস্ট। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ট্রেন্ট ব্রিজে মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। ইনজুরি আক্রান্ত জেমস অ্যান্ডারসনের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব নিতে হয়েছিল ব্রডের। সেবার অজি ব্যাটসম্যানদের কাঁদিয়ে ছেড়েছিলেন ব্রড। একটি স্পেলেই ১৫ রানের বিনিময়ে তুলে নিয়েছিলেন ৮ উইকেট। সব ব্যাটসম্যানই ফিরে যান স্লিপে ক্যাচ উঠিয়ে দিয়ে। প্রথম ওভারেই তুলে নেন ক্রিস রজার্স এবং স্টিভেন স্মিথের উইকেট। এরপর একে একে বিদায় করেন শন মার্শ, মাইকেল ক্লার্ক, অ্যাডাম ভোজেস, মিচেল জনসন, মিচেল স্টার্ক এবং নাথান লায়নের উইকেট। তার বিধ্বংসী বোলিংয়েই মাত্র ৬০ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া।
৬/১৭- দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়ান্ডারার্স, ২০১৬
ইংল্যান্ডের বাইরে ব্রডের এই তালিকার একমাত্র বোলিং ফিগার। দক্ষিণ আফ্রিকার টপ অর্ডারের ৬ ব্যাটারের উইকেট তুলে নিয়ে দলকে সহজ জয় এনে দেন ব্রড।
৬/২২- অস্ট্রেলিয়া, চেস্টার-লি-স্ট্রিট
ট্রেন্ট ব্রিজে নিজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করলেও তার ২ বছর আগে চেস্টার-লি-স্ট্রিটে ব্রডের বোলিং ছিল আরও নজরকাড়া। এই টেস্টে ৯ ওভার তিন বলের স্পেলে ২২ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট নিয়ে অজিদের ধসিয়ে দেন ব্রড।
৫/৫- ভারত, ট্রেন্ট ব্রিজ, ২০১১
ট্রেন্ট ব্রিজ যে স্টুয়ার্ট ব্রডের জন্য পয়া মাঠ সেটি টের পাওয়া গিয়েছিল ২০১১ সালেও। সেবার ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতলেও দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাট করছিল। এক পর্যায়ে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৬৭ রান তুলে ফেলেছিল তারা। লিড ৪৬ রানের। দ্বিতীয় নতুন বল হাতে এরপর বোলিংয়ে আসেন ব্রড। তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক। ইনিংসে ব্রডের বোলিং ফিগার ৬/৪৬ হলেও ওই স্পেলে তার বোলিং ফিগার ছিল ৫/৫।
৬/৩১- ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ম্যানচেস্টার, ২০২০
করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ম্যানচেস্টারে সেবার মুখোমুখি হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। দীর্ঘদিন পর খেলতে নেমেই দারুণ ঝলক ব্রডের। ১৪ ওভারের ২ স্পেলে ৩১ রানের বিনিময়ে তুলে নেন সফরকারীদের ৬ উইকেট। তাতে ১৯৭ রানেই থামে ক্যারিবিয়ানরা।











































