Home আঞ্চলিক ছবিতে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা

ছবিতে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা

7

খুলনাঞ্চল ডেস্ক:

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতিনিয়ত এভাবেই নিজেদের কাঁধে করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছিন্নমূল, অসহায়, হত দরিদ্র, পঙ্গু এবং মধ্যবিত্তদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে চলেছেন যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আজও অসহায় এবং সত্যিকারের দুস্থ মানুষের বাড়ী বাড়ী খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

চলমান করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় ঘরহীন ভ্রাম্যমান দুস্থ মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা পরিস্থিতিতে থমকে যাওয়া পঙ্গু, অসহায় এবং সত্যিকারের দুস্থ মানুষের মাঝে নিয়মিত খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় আজও দেশের বিভিন্ন স্থানে অসহায় এবং সত্যিকারের দুস্থ মানুষদের খুঁজে খুঁজে তাদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছেন যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

সরকারী আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা প্রদান করেন জেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। সাথে রয়েছেন যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে রমজান মাসে নিত্যপন্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটারিং এবং ব্যবসায়ীদেরকে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও মাস্ক পরিধান না করায় এক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং উপদেশ প্রদান করছেন যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে রমজান মাসে নিত্যপন্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটারিং এবং ব্যবসায়ীদেরকে সচেতনতামূলক উপদেশ প্রদান অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা সংক্রমন রোধে ‘ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন’ প্রচারণায় এখনও ব্যস্ত সময় পার করছেন যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা সংক্রমন ঠেঁকাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এখনও স্থানীয় কাঁচা বাজারগুলোতে নিয়মিত মাইকিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা সংক্রমনের ভয়াবহতা সম্পর্কে স্থানীয় বাজারে এক ফল ব্যবসায়ীকে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করছেন যশোর সেনানিবাসের এক সেনা কর্মকর্তা।

করোনা পরিস্থিতিতে আজও বিভিন্ন স্থান হতে দরিদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সবজি ক্রয় করে আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা পরিস্থিতিতে আজও প্রত্যন্ত গ্রাম-অঞ্চলের অসহায় কৃষকদের ক্ষেত হতে বিভিন্ন ধরনের সবজি ক্রয় করে আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা ভাইরাস রোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম অব্যাহত

খবর বিজ্ঞপ্তি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে খুলনা-যশোর অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় চলছে লকডাউন। সরকারের ৩১ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা গত ২৪ মার্চ থেকে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। খুলনা-যশোর অঞ্চলের মোট ১০ টি জেলা করোনা মুক্ত রাখতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা।

শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি করোনার কারণে চরম বিপাকে পড়া কর্মহীন, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দিতে সেনা সদস্যরা বাড়ি বাড়ি ছুটছেন। জনসমাগম পরিহার করে নিজেদের রেশনের চাল, ডাল, আটা, আলু, পেঁয়াজ, তেল, লবণসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রীর একটি অংশ অসহায়দের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন তারা। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় উপস্থিত হয়ে যাদের হোম কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনে থাকার কথা তাদের বিষয়ে খোঁজখবর রাখছেন। সাধারণ মানুষকে মাইকিং করে নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিবিধ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ জানাচ্ছেন সেনা সদস্যরা।

খাবার সহায়তার সঙ্গে যশোর অঞ্চলের অনেক জায়গায় সেনাবাহিনীর মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেনা চিকিৎসক, নার্সসহ সেনা সদস্যরা করোনা মোকাবিলায় কাজ করছেন। পাশাপাশি তারা প্রত্যন্ত গ্রাম-অঞ্চলের অসহায় কৃষকদের ক্ষেত থেকে ন্যায্যমূল্যে  সবজি ক্রয় করে চাষীদের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। দেখা গেছে, সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে সড়কে জনসাধারণের চলাচল অনেকটা সীমিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যেও বিভিন্ন প্রয়োজনে যারা বাইরে বের হচ্ছেন তাদের প্রায় সবাইকে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পাড়া-মহল্লায় প্রয়োজনীয় দোকানের বাইরে যেসব দোকান-পাট খোলা হয়েছে সেসব দোকানদারকে বুঝিয়ে সেনা সদস্যরা তা বন্ধ করে দিচ্ছেন।

রমজান মাসে প্রচণ্ড গরম আর রোদ-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে সেনা সদস্যরা নিরলসভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন। ইফতারির সময় তারা রাস্তার কোনো এক ফাঁকা স্থানে নিজেদের ইফতার ও নামাজ সেরে নিয়ে আবার বেরিয়ে পড়ছেন দায়িত্বে। এছাড়াও তারাবিহ নামাজ উপলক্ষে যেন বিশৃঙ্খলা এবং অতিরিক্ত জনসমাগম না হয় সে লক্ষ্যে সেনা সদস্যরা তাদের কর্মপরিধি আরও বৃদ্ধি করেছেন।

যশোর সেনানিবাস সূত্রে জানা যায়, লকডাউনে অসহায় হয়ে পড়াদের মধ্যে সমাজের একটা বড় অংশ খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তাদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা। পাশাপাশি সেনাবাহিনীও তাদের বরাদ্দকৃত রেশনের একটি অংশ এসব হতদরিদ্র মানুষদের ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, কিছু দুর্গম এলাকাতেও হেঁটে কাঁধে করে রেশন বয়ে নিয়ে দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। জাতির যে কোনো দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে সেনাবাহিনী সার্বক্ষণিক জনগণের পাশে ছিল এবং আগামীতেও থাকবে। এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।