Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

11

মশক নিধন, জীবাণুনাশক স্প্রে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর সিটি মেয়রের গুরুত্বারোপ

খবর বিজ্ঞপ্তি

পবিত্র রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা এবং নগরীর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরো জোরদার করতে কেসিসি’র কঞ্জারভেন্সী বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে এক সভা বৃহস্পতিবার বিকেলে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। সভায় সিটি মেয়র প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধসহ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া জ্বরের ঝুঁকি প্রশমনের লক্ষ্যে মশক নিধন, জীবাণুনাশক স্প্রে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া বর্ষা মৌসুমের পূর্বে নিয়মিত ড্রেন ও ঝোপঝাড় পরিস্কার করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। সিটি মেয়র করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ করে সকলকে সতর্কতা অবলম্বন ও প্রয়োজনীয় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং মাহে রমজানে এ রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে মহান আল্লাহ পাকের নিকট দোয়া কামনার জন্য আহবান জানান।

কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আব্দুল আজিজ, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মো: আনিসুর রহমান, সহকারী কঞ্জারভেন্সী কর্মকর্তা নুরুন্নাহার এ্যানী, মো: আব্দুর রকিব, এস এম আব্দুল ওয়াদুদ, মোল্লা মারুফ রশীদ ও মো: জিয়াউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসাতে হবে: সিটি মেয়র

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক করোনা ভাইরাসের সংকট মোকাবেলায় নগরবাসীকে আরো সতর্কতা অবলম্বন করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সুস্থ থাকার জন্য আমাদের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, সামান্য অসতর্কতার কারণে নিজে এবং নিজের পরিবার যেন বিপদের সম্মুখীন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা দরকার। সিটি মেয়র বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর ১৫নং ওয়ার্ড এলাকার কদমতলা থেকে গাবতলা পর্যন্ত রেললাইনের উভয় পাশে বসবাসকারী শ্রমজীবী পরিবারের ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে এ কথা বলেন। হ্যামকো গ্রুপের উদ্যোগে তিনি এ সময় ১ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। করোনার কারণে কর্মহীন পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদানে সরকার সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে উল্লেখ করে সিটি মেয়র সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও বিত্তবানদের এ কাজে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

এর আগে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বেসরকারি সংস্থা ‘কারিতাস’-এর প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত থেকে নগরীর ২৯ ও ৩১ নং ওয়ার্ডের সংস্থাটির সুবিধাভোগী ১’শ ২১টি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

পরে সিটি মেয়র নগরীর হাজী মহসীন রোডে খুলনা মহানগরীর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। ওরিয়েন্টাল গ্রুপের উদ্যোগে তিনি এ সময় ৩’শ ৫০টি শ্রমিক পরিবার এবং নগরীর মুন্সীপাড়ার ১’শ ৫০টি শ্রমিক পরিবারের মাঝে চাল, আলু, পেয়াজ, ডাল ও তেল বিতরণ করেন।

বিকেলে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ইউনাইটেড কাব চত্বরে অস্বচ্ছল ও কর্মহীন নাট্যশিল্পীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। খুলনা নাট্য নিকেতনের উদ্যোগে এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে কেসিসি’র প্যানেল মেয়র মো: আমিনুল ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর মো: আরিফ হোসেন মিঠু, জেলা পরিষদ-খুলনার সদস্য এস এম খালেদীন রশিদী সুকর্ণ, হ্যামকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তালুকদার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, কারিতাস-এর আঞ্চলিক পরিচালক দাউদ জীবন দাস ও প্রোগ্রাম অফিসার তাপস সরকার, আওয়ামীলীগ নেতা মো: শফিউল্লাহ, শেখ আসলাম, খুলনা নাট্য নিকেতনের সভাপতি অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান বাবলু, কন্ঠশিল্পী কামরুল ইসলাম বাবলু ও শেখ আব্দুস সালাম, কেসিসি’র কর নির্ধারক মো: শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হরিণ শিকারীরা তৎপর: শরণখোলায় ১০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে বন বিভাগ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে রেড এলার্টের মধ্যেও হরিন শিকারিরা তৎপর রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রাম থেকে ১০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। তবে এ সময় জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি তারা।

বন বিভাগের শরণখোলা ষ্টেশন কর্মকর্তা মো শামসুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে তিনি বন রক্ষীদের একটি দল নিয়ে শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন সোনাতলা গ্রামে অভিযান চালান। অভিযানে ওই গ্রামের বিভিন্ন এলাকা তল্লাশি চালিয়ে তারা জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন মাঠের একটি খাদের মধ্যে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ককশিটে ভরা প্রায় ১০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেন। তবে এ সময় জড়িত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ জয়নাল আবেদীন জানান, এ ব্যাপারে বন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাংস আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মাটি চাপা দেয়া হবে। পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, ইতিমধ্যে সুন্দরবন থেকে বেশ কিছু হরিণ ধরা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে শিকারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বুধবার থেকে সুন্দরবনে রেড এলার্ট জারি করে বন বিভাগের টহল জোরদার করা হয়েছে। মরনঘাতি এ করোনা ভাইরাসের মহামারির মধ্যেও বনরক্ষীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

কয়রায় দরিদ্রদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার তুলে দিলেন সংসদ সদস্য বাবু

কয়রা প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরবন্দি হয়ে আছে কয়রা উপজেলার মানুষেরা। যার কারণে সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে সুন্দরবন বেষ্টিত উপকূলীয় এই  উপজেলার খেটে খাওয়া, হতদরিদ্র মানুষেরা। টানাপোড়ন শুরু হয়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতেও। বৃহস্পতিবার সকালে কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উপহার চাল অসহায়, হতদরিদ্রদের হাতে তুলে দেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। এ সময় তিনি ১শ’ জন দিনমজুর, হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। এ সময় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু  বলেন, সবাইকে ধর্য্য ধারণ করে দেশের এই দুর্যোগ সময় মোকাবেলা করতে হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমন থেকে  রক্ষা পেতে সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। আমরা নিজেরা সচেতন হয়ে একে অন্যর সাহায্য সহযোগিতায় এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠবো, আল্লাহ আমাদের সহায় হবেন। এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজে ও দলীয় নেতা কর্মীর মাধ্যমে তিনি কর্মহীন দিনমজুর, অসহায়, বয়োবৃদ্ধ, কর্মহীন, প্রতিবন্ধী ও নতুন করে বেকার হয়ে পড়াদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগী পৌঁছে দিতে উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যেসকল ব্যক্তি করোনা দুর্যোগকালীন সময়ে সহযোগিতা পাবার যোগ্য আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছি  তাদের কাছে কিংবা ঘরে এই সহায়তা পৌছে দিতে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, দেশের একজন মানুষও অনাহারে থাকবেনা এবং না খেয়ে কষ্ট করবেনা। মানবিক দৃষ্টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উদ্যোগ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, প্রভাষক নজরুল ইসলাম, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান,  কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সহ সভাপতি তরিকুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল হক বাদল, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আছাফুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা রাজিবুল ইসলাম রাজু, মামুন কবির, রাজা প্রমুখ।

মণিরামপুরের স্বাস্থ্যকর্মী রবিউলের দ্বিতীয় পরীক্ষাও করোনা পজেটিভ, শ্যালকও আক্রান্ত

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মণিরামপুরের করোনা আক্রান্ত সেই স্বাস্থ্যকর্মী রবিউল ইসলামের (৩৫) দ্বিতীয় নমুনা পরীক্ষাও করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। একই সাথে তার একমাত্র শ্যালক শোয়াইব হোসেনের (২২) রিপোর্ট করোনা পজেটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টার থেকে যে দুইটি নমুনা পজেটিভ বলে সনাক্ত করা হয় তা এই শ্যালক-ভগ্নিপতির বলে জানা গেছে। এছাড়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ।

আর যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন বলছেন, তিনি বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছেন। তবে লিখিত কোন তথ্য পাননি। মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ বলেন, বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্যকর্মী রবিউল ইসলামের দ্বিতীয় বারেরমত নমুনা সংগ্রহ করা হয়। একইসাথে তার শ্বশুর, শাশুড়ি, নানিশাশুড়ি ও শ্যালকের নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। তারমধ্যে রবিউল ও তার শ্যালক শোয়াইব হোসেনের ফলাফল করোনা পজেটিভ এসেছে। বাকী তিনজনের ফলাফল করোনা নেগেটিভ। এরআগে রবিউলের স্ত্রী ও ছেলের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা নেগেটিভ পাওয়া গেছে। ডা. শুভ্রা দেবনাথ আরও বলেন, রবিউলকে কেশবপুরের ইমাননগরে তার শ্বশুরবাড়ি রেখে চিকিৎসা অব্যাহত রাখা হচ্ছে। তার শ্যালককে মণিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশনে রাখা হবে। তাকে আনতে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে।

গত ১২ এপ্রিল স্বাস্থ্যকর্মী রবিউলের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। তারপর থেকে কেশবপুরে শ্বশুরবাড়িতে রেখে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিনি এখনো সেখানে রয়েছেন। তবে দ্বিতীয় ফলাফল পজেটিভ আসলেও বরাবরই গণমাধ্যমকে নিজের শারীরিক অবস্থান ভাল বলে জানিয়ে আসছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রবিউল ইসলাম মোবাইল ফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে আমার শরীরে করোনার কোন উপসর্গ নেই। আমার শ্যালক সোয়াইবের দেহেও কোন করোনা উপসর্গ ছিলো না। তারপরও তার ফলাফল পজেটিভ এসেছে। আমি মানসিকভাবে দৃঢ় আছি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

করোনা মোকাবেলায় নৌবাহিনীর চিকিৎসা ও নিরাপত্তা সামগ্রী প্রদান, খাদ্য সহায়তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ হতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন চিকিৎসা ও নিরাপত্তা সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার খুলনা নৌ অঞ্চলের পক্ষ থেকে উক্ত হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার ও নার্সদের জন্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পোশাক (পিপিই), মাস্ক, গাভস, বিশেষ নিরাপত্তা চশমা, থার্মোমিটারসহ বিভিন্ন সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে কাপ্তাই এ নৌবাহিনী ঘাঁটি শহীদ মোয়াজ্জম এর উদ্যোগে দূর্গম পাহাড় এবং টিলায় বসবাসকারী স্থানীয় অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ খুলনা ও চট্টগ্রামের দ্বায়িত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নৌবাহিনী নিয়মিতভাবে জীবাণুনাশক ঔষধ ছিটানো, চিকিৎসা সহায়তা, অসহায় ও দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়াসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

উলেখ্য, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশব্যাপী বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবায় ডাক্তার, নার্সসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে খুলনা নৌ অঞ্চলের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালকের নিকট ২০০ পিস ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পোশাক (পিপিই), ১০০০ পিস মাস্ক, ১০০০ সেট গাভস, ২০০ পিস বিশেষ নিরাপত্তা চশমা, ৫ পিস আইআর থার্মোমিটার, ১টি থার্মাল আর্চওয়ে, ১টি অটোমেটিক শ্যু ডিস্পে›সার এবং ১০০০ পিস পলিব্যাগসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

অন্যদিকে কাপ্তাই এ নৌসদস্যরা দিনব্যাপী স্থানীয় অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে। এসময় তারা স্পিডবোটযোগে দূর্গম পাহাড়ী এবং টিলায় বসবাসকারী দুঃস্থ জনগনের নিকট ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেয়। উদ্ভূত এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় নৌবাহিনীর সহায়তা উক্ত জনগোষ্ঠীর দূর্দশা লাঘবে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

বটিয়াঘাটায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে পৌছে দিলো ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

দেশের বর্তমান করনা পরিস্থিতি করনে সারাদেশ লকডাউন এর জন্য শ্রমিক সংকট থাকায় খুলনায় কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ঝিনাইখালি গ্রামে অসহায় কৃষকের জমির ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দেন মহানগর ছাত্রদল নেতা কর্মীরা। স্থানীয় কৃষক মাসুদুল শেখ  বলেন,পরিবহন বন্ধ হওয়ায়  দিনমজুরের সংকট দেখা দেওয়ায় মজুরিও বেড়ে গেছে। আমার তিন বিঘা জমির ধান পেকেছে অথচ অতিরিক্ত খরচ বহন করে মজুরি দেওয়ার সামর্থ্য নেই। ছাত্রদলের ছেলেরা আমার জমির ধান কেটে দেওয়ায় খুব উপকার হল। সবাই যদি এভাবে আমাদের পাশে দাড়ায় তাহলে আমরা বড় রকমের ক্ষতির হাত হতে রক্ষা পাবো।

ছাত্রদল নেতা ইস্তি বলেন, এটা আহামরি কোন বিষয় নয়, আমরা আদর্শিক রাজনীতি করি।  শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভালবাসার প্রতিক বাংলাদেশের  পাকা ধান নষ্ট হবে কেবল শ্রমিক না পাওয়ার কারনে। এটা ছাত্রদল নেতৃবন্দ বেঁচে থাকতে হতে পারেনা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পায়ে হেটে গ্রাম থেকে গ্রামে খাল খনন তরে দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে অবদান রেখেছিলেন।ধানের  শীষের প্রতি তীব্র ভালবাসা আমাদের ফসলের জমিতে শ্রম দিতে আসতে বাধ্য করেছে। আমরা ধান কাটার পর মাড়াই করতে সাহায্য করব ও কৃষকের বাড়িতে ফসল পৌছে দিবো।

উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন থাকায় অসহায় কৃষকরা লোকবল না থাকায় বিপাকে পড়েছিলো। কিভাবে ধান কাটবে, বাড়ি নিবে, মাড়াই করবে কোথা হতে অর্থ । সংস্থান পাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলো। এমনই এক ক্রান্তিলগ্নে অসহায় হয়ে পড়া কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোয় গ্রামের কৃষকরা একটু হলেও আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন। ধান কাটার কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর ছাত্রদল এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি, রাজু আহমেদ, মিরাজ শাহীন শুভ,  ফজলে রাব্বি রাহুল, হাফিজুর রহমান, তামিম আহমেদ সহ অনেকে।

মোংলায় সাতশো পরিবারকে আমেরিকা প্রবাসী জাহাঙ্গীর আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন

খবর বিজ্ঞপ্তি

মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ মোংলার দক্ষিণ চাঁদপাই গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী মোঃ জাহাঙ্গীর গাজী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে ৭শতাধিক মানুষকে ১০ লক্ষাধিক টাকার নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় দক্ষিণ চাঁদপাই ফিডার স্কুল মাঠে আর্থিক সহায়তা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান, ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোঃ নূর আলম শেখ, আমেরিকা প্রবাসী মোঃ জাহাঙ্গীর গাজীর পিতা গাজী আবু বকর সিদ্দিক, ভাই আলমগীর গাজী, মোঃ হাসান গাজী, ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী হাওলাদার, মোড়ল মতিউর রহমান প্রমূখ। উল্ল্যেখ্য আমেরিকা প্রবাসী মোঃ জাহাঙ্গীর গাজী দক্ষিণ ও উত্তর চাঁদপাই গ্রামের ৭শো ৭জনকে ১হাজার টাকা করে মোট ৭লাখ ৭হাজার টাকার নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি মসজিদ-মাদ্রাসায়ও আর্থিক সহায়তা করেছেন বলে জানাগেছে। মোঃ জাহাঙ্গীর গাজী করোনাকালে সর্বমোট ১০ লক্ষাধিক টাকার নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। করোনাকালের দুঃসময়ে আর্থিক সহায়তা পেয়ে গ্রামবাসী আমেরিকা প্রবাসী মোঃ জাহাঙ্গীর গাজীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন।

কোভিড-১৯ চিকিৎসাসেবায় খুমেক হাসপাতালকে তিনটি এ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হলো

তথ্য বিবরণী

কোভিড-১৯ চিকিৎসাসেবায় খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালকে তিনটি এ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়েছে। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন গতকাল অধিগ্রহণ করা তিনটি এ্যাম্বুলেন্স খুমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর ঘোষণা দেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও প্রতিরোধসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জেলা কমিটির সভায় খুলনার জেলা প্রশাসক এই ঘোষণা দেন। সভাটি বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে তাঁর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।

অধিগ্রহণ করা এই এ্যাম্বুলেন্স তিনটি করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ, প্রয়োজনে লাশ পরিবহন ও সাধারণ রোগী আনা-নেওয়াসহ খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে অবস্থানরত চিকিৎসকদের সেবায়ও ব্যবহার করা হবে। এসকল এ্যাম্বুলেন্স খুলনা ডিসি পুলের চালকরা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে চালাবেন।

সভায় খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মোঃ রেজা সেকেন্দার, খুমেক-এর উপাধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ ও খুলনার সিভিল সার্জন ডা: সুজাত আহমেদ জানান, কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত কোন রোগী মারা যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর রোগীর দেহে করোনাভাইরাসের জীবাণু জীবিত থাকে না। তাই কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে কোন রোগী মারা যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর লাশ পরিবহনসহ দাফন-কাফনে কোন সমস্যা নেই।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ও আইসোলেশান সেন্টার হতে যাতে রোগীরা পালাতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে সার্বক্ষণিক পুলিশ পাহারা থাকবে। হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমানে চিকিৎসকদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা কিট মজুত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানাতে হবে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানান, খুলনায় করোনাভাইরাস প্রতিরোধ এবং ত্রাণ বিতরণসহ সার্বিক সমন্বয়ের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব ( সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিনি আগামী ২৬ এপ্রিল খুলনায় আসবেন। তিনি আরও জানান, কমিটির সকল সদস্য ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা যেন সাবধানে নিজেকে সুরক্ষিত রেখে সরকারের নির্দেশনা অনুয়ায়ী দায়িত্ব পালন করেন। কোন রকমের সমস্যা দেখা দিলে সাথে সাথে কমিটির প্রধানকে অবহিত করার পরামর্শ দেন তিনি।

সভায় অন্যানের মধ্যে পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, খুলনা মেট্রপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এহসান শাহ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আসাদুজ্জামান খান, জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার রুহুল আমীন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম সিরাজুদ্দোহা, খুলনা জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক গাজী জাকির হোসেন, জেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপপরিচালক মো. আব্দুল আলিম, জেলা সমাজসেবা দফতরের উপপরিচালক খান মোতাহার রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মহানগর আওয়মী লীগের ত্রাণ তহবিলে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ তহবিলে নগদ অর্থ প্রদান করেছেন ২নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এম মনিরুজ্জামান মুকুল এবং কেন্দ্রিয় যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি আফসানা হাসান ডেইজি। বৃহস্পতিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে মুকুল এবং ডেইজির পক্ষে খুলনা জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. সেলিনা আক্তার পিয়া মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানার কাছে এসব নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, শ্রমিক নেতা রনজিত কুমার ঘোষ, হাবিবুর রহমান দুলাল, যুব মহিলা লীগের আইরিন সুলতানা, নাসরিন ইসলাম, মাসুদুর রহমান, মো. আলমগীর হোসেন সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এর আগে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, আজগর আলী মিন্টু, শফিকুর রহমান পলাশ, ডা. তারিম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর শেখ মোশারফ হোসেন, কাউন্সিলর তালাত হোসেন কাউট, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর শেখ গাউসুল আযম, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, কাউন্সিলর আনিসুর রহমান বিশ্বাষ, সাবিহা বুরুজ, রমজান আলী, ইউসুফ আলী খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কন্ট্রাক্টর মো. আজাদ, গালিব কাবাডিয়া, মো. আব্দুল্লাহ, আলহাজ্ব মনির আহম্মেদ, এ্যাড. জেসমিন সুলতানা জলি, আইরিন সুলতানা, শ্রমিক নেতা জাকির হোসেন বিপ্লব মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ তহবিলে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেন।

নগর আ’লীগ সাধারণ সম্পাদকের ত্রাণ বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন খুলনা মহানগর আওয়মী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। বৃহস্পতিবার মৌলভীপাড়া সামাজিক কল্যান সমিতির উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. রেজাউল করিম, এস এম আবুল বাশার, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান, মো. হায়দার আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া সকালে তিনি ২৯নং ওয়ার্ডে ১০ টাকার চাউলের উদ্বোধন করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, জাসদ নেতা মো. খালিদ হোসেন, মাসুদুর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃুন্দ।

পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ এবং সকল শ্রমিক পরিবারকে ৬ মাসের রেশন দেয়ার দাবীতে প্রতিকী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

রাষ্ট্রায়ত্ব ২৬ পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া ১৪ সপ্তাহের বিল ও বৈশাখী ভাতা আগামী ২৬ এপ্রিল ২০২০ রবিবার পরিশোধ করা, বদলি পাটকল শ্রমিকদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেয়া, সকল শ্রমিক পরিবারকে ৬ মাসের রেশন দেয়া, ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও চুরির জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া প্রভৃতি দাবীতে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিকী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা শাখার সভাপতি শ্রমিক নেতা কমরেড জনার্দন দত্ত নান্টু’র সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় খুলনা প্রেসকাবের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিতি ছিলেন সংগঠনের খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আব্দুল করিম, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কণা, পাটকল শ্রমিক নেতা নূরুল ইসলাম, মনির হোসেন, মোঃ জসিম আলমগীর হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ জাকির হোসেন, আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল প্রমুখ। মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৫ মার্চ যখন রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল যখন করোনা মহামারী পরিস্থিতির কারণে বন্ধ ঘোষণা করা হয়, তখনও শ্রমিকদের ১০ সপ্তাহ মজুরি বকেয়া ছিল। তখন কোন মজুরি পরিশোধ না করেই কারখানা বন্ধ করা হয়। এরপর একমাস অতিবাহিত হয়েছে, এখনও কোন মজুরি পরিশোধ করা হয়নি। চলতি মাসে বৈশাখী ভাতাও শ্রমিকদের প্রাপ্য। কিন্তু বিজেএমসি যেন কুম্ভকর্ণের ঘুম দিয়েছে। ফলে পাটকল শ্রমিকরা চরম দুরাবস্থার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছে। বদলি পাটকল শ্রমিকদের অবস্থাও সঙ্গীন, তাদের তো এবছর জানুয়ারি মাস থেকে কাজে নিযুক্ত করা হচ্ছে না। নেতৃবৃন্দ বলেন, এতদিন পাটকল শ্রমিকরা সহ্য করে ছিল। কিন্তু আগামী ১৪ সপ্তাহের মজুরি ও বৈশাখী ভাতা এবং বদলি শ্রমিকদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ না দিলে আন্দোলন থেকে তাদের নিবৃত্ত করা যাবে না। একই সাথে নেতৃবৃন্দ বলেন, লকডাউনের কারণে কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য আগামী ৬ মাস রেশন না দিলে দেশে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরী হবে। সরকারের ত্রাণ একদিকে যেমন অপর্যাপ্ত অন্যদিকে তা বিতরণে সরকার দলীয় কর্মীরা স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ ও চুরি করছে। নেতৃবৃন্দ এই ত্রাণ চোরদের গ্রেফতার ও শাস্তি দাবী করেন এবং সংকীর্ণতা পরিহার করে সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল, ছাত্র-যুব সংগঠন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে গণকমিটি করে এই দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

কৃষক ও কৃষি বাঁচাতে উৎপাদিত বোরো ধান কিনতে সরকারের প্রতি নগর ওয়ার্কার্স পার্টির আহ্বান

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ কৃষি ও কৃষক বাঁচাতে সরকারের প্রতি ন্যায্য মূল্যে সরাসবি কৃষকের সকল উৎপাদিত বোরো ধান ক্রয়ের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, শুধু ত্রাণ বা ঋণ কৃষককে রক্ষা করতে পারবে না। তাঁদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনে নতুন নতুন মজুদাগার গড়ে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এক নগর নেতার বাসভবনে মহানগর কমিটির জরুরী সভায় এ দাবি তোলা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নগর সভাপতি শেখ মফিদুল ইসলাম।

সভায় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের ১২ সপ্তাহের মুজুরি দ্রুত বকেয়া পরিশোধ, করোনা দুযোর্গ মোকাবেলায় তৃণমূল পর্যন্ত জাতীয় দুযোর্গ ব্যবস্থা কমিটি গঠন, ত্রাণ ও সহায়তা প্রদানে সমন্বয় করা, শ্রমিক-কৃষকসহ স্বল্প ও মধ্যবিত্ত মানুষদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থার আনার দাবিও জানানো হয়।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপংকর সাহা দিপু, নগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফারুক উল ইসলাম, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নারায়ণ সাহা, কৌশিক দে বাপী, মনির হোসেন প্রমুখ।

করোনা পরিস্থিতির কারণে আমার ইউনিয়নে কর্মহীন একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না : চেয়ারম্যান এনামুল হক

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস,এম, এনামুল হক বলেছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে আমার ইউনিয়নে কর্মহীন একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না। নিজ ও সরকারি অর্থায়নে আমার ইউনিয়নে ৪০ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে আমার ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার পরিবারের মধ্যে ৪ হাজার ৮শ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছি। বাকীদের খাদ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই। আগামী ১০ দিনের মধ্যে যেকোন মাধ্যমে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হবে। তিনি করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আহবান জানান। বৃহস্পতিবার সকালে সোলাদানা ইউনিয়নের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের ভিলেজ পাইকগাছা গ্রামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিলের চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ট্যাগ অফিসার উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ দাশ, ইউপি সদস্য ঠাকুর দাস সরদার, সিদ্দিক শিকারী, কল্যাণী মন্ডল, আজিজুর রহমান লাভলু, আবুল কাশেম সরদার, ডাঃ শফিকুল ইসলাম, জনাব আলী সরদার, এস,এম, মোস্তাক আহমেদ, আব্দুল্লাহ মালী, হিরামন সরকার, মোক্তার হোসেন, একরামুল, আনারুল ইসলাম, আব্দুল মালেক।

কৃষকের পাশে নগর যুবলীগ ও ছাত্রলীগ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা সংক্রমন রোধে লক ডাউন চলছে বিভিন্ন জেলায়। ফলে মাঠে কৃষকের পাকা ধাঁন কাঁটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। মাঠের পর মাঠ রয়েছে পাকা সোনালী ধান। অপরদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে সামনে হতে পারে বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া। ফলে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে কৃষকের ধান। এই ধান নষ্ট হলে খাদ্য সংকটে পড়বে পুরো দেশ। তাই কৃষকের পাকা ফসল ঘরে তুলতে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা। বৃহষ্পতিবার সকালে নগরীর দৌলপুরের দেওয়ানা বিলে তারা এই কার্যক্রম শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উপজেলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা এই কার্যক্রম শুরু করবে। খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ জানান, সকালে আমরা তিন বিঘা জমির ধান কেঁ্েটছি। বিকালে আরো কাঁটা হবে। আমরা বিশ্বাস করি কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।

খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল জানান, ছাত্রলীগ বৃহস্পতিবার বটিয়াঘাটায় ও দৌলতপুরের ধান কেঁটেছি। পর্যায়ক্রমে তেরখাদাসহ বিভিন্ন উপজেলায় এই কাজ শুরু হবে। কৃষক আজহার মোড়ল জানান, তিনি ও কিছু শ্রমিক নিয়ে প্রতি বছর ৫ বিঘা জমি ছাষ করেন। এবার শ্রমিকের অভাবে ধান কাঁটতে পারছিলেন না। যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা এসে সাহায্য করেছেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মুহিদুল ইসলাম মিলন, মেহেদী হাসান মোড়ল, ছাত্রলীগ  নেতা আসাদুজ্জামান বাবু, জহির আব্বাস, মেহেদী হাসান রাসেল,আসাদুজ্জামান আসাদ,ইব্রাহিম মোড়ল,আরিফ মোড়ল,হাবিব মোড়ল,শেখ আব্দুল আহাদ, রাজা মিনা,ফরিদুল ইসলাম,জিহাদ শেখ, রহিম শেখ, রিপন মোড়ল,রেজওয়ান মোড়ল,নাজিম হোসেন ইমন, লিপু মোড়ল,আকাশ বন্দ।

সুন্দরবনের বিরল প্রজাতির বারকিং ডিয়ার সুন্দরবনে অবমুক্ত

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ

সুন্দরবনের বারকিং ডিয়ার নামের একটি বিরল প্রজাতির হরিণ শরণখোলার বলেশ্বর নদীতে সাঁতার কাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে এক জেলে। বুধবার সন্ধ্যায় হরিনটি সুন্দরবনে অবমুক্ত করে বনবিভাগ। শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ জয়নাল আবেদিন জানান,  বিরল প্রজাতির এ হরিনটি ওই দিন সকালে সুন্দরনের বগী এলাকা থেকে পথ ভুলে বলেশ্বর নদী সাঁতরে লোকালয়ে আসার চেষ্টা করছিল। এসময় পাশ্ববর্তী মঠবাড়িয়া উপজেলার শাপলেজা গ্রামের জেলে দুলাল মিস্ত্রি নদীতে মাছ ধরার সময় হরিণটি দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন। পরে তিনি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়ার মাধ্যমে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন। বুধবার সন্ধ্যায় সেটি শরণখোলা রেঞ্জ সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করা হয়।

২১৩৬টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদাণ: মোংলার অসহায় পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা ড. ফরিদ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

করোনার প্রার্দুভাবে কাজ হারিয়ে খাদ্য সংকটে পড়া মোংলার অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন বাগেরহাট জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। ফরিদুল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকালে পৌর শহরের মামার ঘাট এলাকায় দরিদ্র পথচারীদের মাঝে ও পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে এ খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। মোংলা পৌর এলাকার ১৬১ টি পরিবার ও উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৫৭৫টি পরিবারের মাঝে এ ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন বিএনপি নেতা শেখ ফরিদ। এছাড়া পাশ্ববর্তী রামপাল উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ১৪০০ পরিবারের মাঝেও এ ত্রাণ সহায়তা প্রদাণ করা হয়েছে। এদিকে এ পর্যন্ত তিনি ছাড়া অন্য কেউকে এভাবে ব্যক্তি উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি।

লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দলমত নির্বিশেষে করোনায় কর্মহীন হয়ে খাদ্য সংকটে পড়া মোংলা-রামপালের (বাগেরহাট-০৩ আসন) অসহায় মানুষের মাঝে আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা প্রদাণ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

সকল ভেদাভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়ান: মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি

এগিয়ে আসুন ক্ষুধার্ত মানুষের সেবায়। করোনা ভাইরাস নামক অদৃশ্য শত্রুর হাত থেকে বিশ্বের অধিকাংশ গ্রাম ও শহর মৃত্যুপুরিতে পরিণত হয়েছে। পৃথিবী যেন হঠাৎ করেই বদলে গেছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি ক্ষুধার্ত মানুষের একমাত্র বিএনপি নেতা-কর্মিরা নিজেদের অর্থ দিয়ে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে। বর্তমান সময়ে সরকার জনগণের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না, চাল, ডাল, তেল চোরদের ধরার কাজে ব্যস্ত থাকবে। সমাজে এই দুর্যোগময় মুহুর্তে যারা এসকল অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি। এ সরকারের সময় দলীয় লোকরা কি না চুরি করছে। লুটেরা সব কিছু লুট করে নিচ্ছে, যেমন নিয়েছে জনগণের গণতান্তিক ভোট। সেটি নিয়েছে গভীর রাতে। এই মহাদুর্যোগের সময় জনগণের পাশে থাকুন। তাদের সাহায্যে করে প্রমাণ করুন, আমরা জনগণের সেবক। আর মাত্র একদিন পরে পবিত্র মাহে রমজান। কিন্তু হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে খাবার নেই। সমাজের এই শ্রেণির মানুষগুলো কি দিয়ে সেহরী ও ইফতার করবে তার ব্যবস্থা নেই। আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিদিন সমাজের এসকল হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াই। সকল ভেদাভেদ ভুলে, হাতে হাত রেখে সাহায্য করি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মহানগর মৎসজীবী দল ও খুলনা আন্তঃজেলা বাস দোকান সমিতির  উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের কারণে গৃহবন্ধি মানুষের মাঝে ত্রাণ ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এময় উপস্থিত ছিলেন আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইউসুফ হারুন মজনু, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শরিফুল ইসলাম বাবু, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, মেহেদী হাসান সোহাগ, ইকবাল হোসেন, সাইফুল মল্লিক, মুশফিকুর রহমান অভি, সিরাজুল ইসলাম, মারুফ হোসেন, রিয়াজুল কবির, আব্দুল হাকিম, সিরাজ হাওলাদার. ফরিদ শেখ, মোহর আলি, আনিসুর রহমান, আসাদুর রহমান সানা, মো. হারুন, জামাল হোসেন, ওলি, উজ্জ্বল গাজী, আবু মুন্সি, সুলতান সরদার, সাবিনা ইয়াসমিন, জেসমিন, লিজা  প্রমুখ।

চার হাজার টন বোরো ধান কিনবে মণিরামপুর খাদ্যগুদাম

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

দ্বিতীয় বারেরমত যশোরের মণিরামপুরে লটারির মাধ্যমে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে চার হাজার এক মেট্রিকটন বোরো ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে সারা দেশের সাথে একযোগে মণিরামপুরে এই ধান সংগ্রহের নির্দেশনা রয়েছে। ক্রয় কাজ চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। চলতি মৌসুমে বোরো চাষ করেছেন কৃষি কার্ডধারী এমন চাষির কাছ থেকে ধান ক্রয়ের নির্দেশনা রয়েছে এবারো। মণপ্রতি এক হাজার ৪০ টাকায় ধান বিক্রি করতে পারবেন কৃষকেরা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুন হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে হাতে আর মাত্র দুই দিন সময় থাকলেও এই ব্যাপারে কোন তৎপরতা চোখে পড়েনি মণিরামপুরে। এখনো এই বিষয়ে কোন রেজুলেশন হয়নি। বসেটি ক্রয় কমিটির মিটিংও। যদিও কৃষি অফিস বলছেন, তারা কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে রেখেছেন।

মণিরামপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুন হোসেন খান বলেন, আমরা খাদ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা পেয়েছি। তবে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কোন নির্দেশনা এখনো পাইনি। জেলা অফিসে মিটিং হয়েছে শুনেছি। সেই ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানতে পারিনি। তাছাড়া এখনো কৃষকের ধান পুরোপুরি কাটা পড়েনি। আগামী সপ্তাহের প্রথমদিকে রেজুলেশন করে ক্রয় কমিটির মিটিং ডাকা হবে।

মণিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার বলেন, মৌখিক নির্দেশনা পেয়ে আমি কৃষকের তালিকা প্রস্তুত করে রেখেছি। কমিটি চাইলে তালিকা হস্তান্তর করা হবে।

গত আমন মৌসুমে দুই দফা লটারির মাধ্যমে দুই হাজার ৫৩১ মেট্রিকটক ধান ক্রয় করে মণিরামপুর খাদ্যগুদাম। সেই সময় দায়সারা তালিকা প্রস্তুতের অভিযোগ ওঠে কৃষি অফিসের বিরুদ্ধে। ফলে আমন চাষ করেননি বা চাষের জমিও নেই এমন অনেক কৃষকের নাম স্থান পায় সেই তালিকায়। যা নিয়ে একাধিকবার গণমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এছাড়া ধান বিক্রি করতে এসে খাদ্য গুদামে কৃষক নানারকম হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছিল তখন।

নওয়াপাড়া রেলওয়ে কবর স্থান কমিটির উদ্দ্যেগে কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ

অভয়নগর প্রতিনিধি

অভয়নগরে করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া ১৫০জন নিন্ম আয়ের পরিবারের হাতে খাদ্য সহায়তা তুলেদেন নওয়াপাড়া রেলওয়ে কবর স্থান কমিটি। ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে নওয়াপাড়া রেলওয়ে কবর স্থানের সামনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুসেইন খাঁন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে এম রফিকুল ইসলাম অসহায় পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী প্যাকেট বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নওয়াপাড়া রেলওয়ে কবর স্থান কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম, সধারণ সম্পাদক আজিম শেখ, সহ-সভাপতিমাহাবুর মোড়ল, যুগ্ম-সম্পাদক বশির উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ ইবাদুল ইসলাম, সদস্য মেহেদী হাচান প্রমুখ।

কেশবপুরে অলংকার শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

কেশবপুর  (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনে কর্মহীন অলংকার শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে নিজস্ব অর্থায়নে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনে কর্মহীন ৬০ জন অলংকার শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন সেনকো জুয়েলার্সের স্বত্তাধিকারী শ্যামল সেন।

কেশবপুরে সাংবাদিকদের প্রনোদনা দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

কেশবপুর  (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুর উপজেলা প্রেসকাবের সাংবাদিকদের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করে উপজেলাবাসীকে তথ্যসেবা প্রদান করায় তাঁদের প্রনোদনা হিসাবে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলা প্রেসকাবের সাংবাদিকদের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঝুঁকি নিয়ে তথ্যসেবা প্রদান করায় তাদের প্রনোদনা হিসাবে নগদ ১৫ হাজার টাকা প্রদান করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম। উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি এস আর সাঈদ-এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র দত্তের সঞ্চালনায় এসময় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাংবাদিকদের করনীয় শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম। এসময় সিনিয়র সাংবাদিক আজিজুর রহমান ও নিউজকাবের সভাপতি আশরাফুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

কেশবপুরে ১ যুবক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

কেশবপুর  (যশোর) প্রতিনিধি ॥

কেশবপুর পল্লীতে করোনা ভাইরাসে ১ যুবক আক্রান্ত হয়েছে। মণিরামপুর উপজেলার একজন স্বাস্থ্যকর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেশবপুর উপজেলার এক গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন। ঐ স্বাস্থ্যকর্মীর শ্যালক গতকাল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আলগমীর হোসেন করোনা ভাইরাসে ঐ যুবকের আক্রান্তের খবর নিশ্চিত করেছেন।

মোড়েলগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনার উদ্যোগে ৬৭ পিপিই প্রদান

 মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পরিবার কল্যাণ সহকারি এফডব্লিউএ ৬৭ জনকে পিপিই প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় পরিবার পরিকল্পনার কার্যালয়ে পিপিই তুলে দেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. দিলদার হোসেন। এ সময় মো. দিলদার হোসেন বলেন, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সকলকে কাজ করতে হবে।

শতাধিক শিক্ষার্থী পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সভাপতি আলমগীর

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

করোনায় গৃহবন্দি মণিরামপুরের সুন্দলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলমগীর হোসেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: সাইদ আলী ও মণিরামপুর প্রেসকাবের সম্পাদক মোতাহার হোসেন দুষ্টু উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠানের ১০৭ শিক্ষার্থী অভিভাবকের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন।

সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, আমার প্রতিষ্ঠান ১০৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সব পরিবারের মাঝে আমার উদ্যোগে চার কেজি চাল, চার কেজি আলু ও ৪০০ গ্রাম ডাল বিতরণ করা হয়েছে।

মোংলা থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়েছে ধান কাটা ও মাড়াই শ্রমিক

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য মোংলা থেকে কৃষি শ্রমিক পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সড়ক পথে প্রথম দফায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতায় বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটার জন্য এ শ্রমিকদের পাঠানো হয়। এ সকল শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেই ধান কাটার কাজে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া যাওয়ার সময় পুলিশের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের বাসটিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার পাশাপাশি শ্রমিকদেরকে দেয়া হয়েছে মাস্কও।

প্রতি বছরই এখানকার শ্রমিকেরা ধান কাটা ও মাড়াই মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় যেয়ে থাকেন। তবে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন স্থানীয় দিনমজুর শ্রমিকদের আগ্রহের কারণে এগিয়ে আসে স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটার শ্রমিক পাঠানোর কাজে সার্বিক সহযোগীতা করছেন প্রশাসন।

মোংলার চিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আকবর গাজী বলেন, সরকারী নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াও বাস, ট্রলার ও লঞ্চসহ যাতায়াতের সকল সুবিধাদির দায়িত্ব নিয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।

এদিকে বেকার শ্রমিকরা বলেন, ধান কাটা ও মাড়াই কাজে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগসহ খাদ্য সংকট দূর হবে। তারা বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটা ও মাড়াই কাজের যাওয়ার সুযোগ পেয়ে খুশি এবং যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি কতজ্ঞতা জানান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়ের উপস্থিতিতে মোংলার স্থায়ী বন্দর বাসষ্ট্যান্ড থেকে প্রথম দফায় ৫৬ জন শ্রমিক পাঠানো হয়েছে বরিশালের বিভিন্ন এলাকায়। এ সময় মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ইকবাল বাহার চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। পর্যায়ক্রমে এ অঞ্চলের সহ¯্রাধিক ধান কাটা ও  মাড়াই শ্রমিক পাঠানো হবে সিলেট, গোপালগঞ্জ ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

বাগেরহাটে সেচ্ছাশ্রমে দশ ইউনিয়নের কৃষকের  ধান কেটে দিচ্ছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ কৃষক খুশি

মাসুম হাওলাদার, বাগেরহাট 

বাগেরহাটে সেচ্ছাশ্রমে জমি মালিক ও বর্গা কৃষকদের মাঠে পেকে যাওয়া বোরো ধান কেটে দিচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে ধান কাটার শ্রমিক সংকট দেখা দেয়ায় বাগেরহাটের এসব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা জমি মালিকদের সহযোগিতা করতে সেচ্ছায় এগিয়ে আসেন। আজ বৃহসপতিবার  প্রতিদিন তারা জমি মালিকদের ধানের মাঠে যেয়ে ধান কাটছেন। শ্রমিক সংকটে জমি মালিক ও বর্গা চাষীদের পাশে দাঁড়ানোয় তারাও খুশি। বাগেরহাট জেলার নয়টি উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ৫২ হাজার ৯৩০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলায় যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা এই ধান কাটার কর্মসূচি শুরু করেছে।  প্রতিদিনই তারা কোন না কোন এলাকায় জমি মালিকদের ধান কেটে দিচ্ছে। জমি মালিক ও বর্গা চাষীরা বলছেন, ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছেনা। আমাদের দু:সময়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। তারা সেচ্ছাশ্রমে মাঠের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়ে যাচ্ছে। এদের এই উদ্যোগে আমরা খুশি হয়েছি। বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিফ উল ইসলাম পিয়াস বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে শ্রমিক সংকট দেখা দেয়ায় আমরা সদর উপজেলার দশ ইউনিয়নের জমি মালিক ও বর্গা চাষীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা সেচ্ছাশ্রমে তাদের জমির ধান কেটে দিচ্ছি। তাদের এই দু:সময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যতদিন মাঠে পাকা ধান থাকবে ততদিন আমরা সেচ্ছাশ্রমে তাদের ধান কেটে ঘরে তুলে দেব।

বাগেরহাটের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক রঘুনাথ কর বলেন, বাগেরহাট জেলায় চলতি মৌসুমে ৫২ হাজার ৯৩০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর আশি ভাগ ধান হচ্ছে হাইব্রিড। চলতি এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখ থেকে এই ধান পুরোদমে কাটা শুরু হবে। মাঠের পেকে যাওয়া বোরা ধান কেটে ঘরে তোলা আমাদের এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলবে মে মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত। ইতিমধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। ধান কাটার কাজে আমরা বিভিন্ন উপজেলা থেকে মোট ২২০০ শ্রমিকের তালিকা প্রস্তুত করেছি। এই শ্রমিকরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে মাঠের পাকা ধান কাটা শুরু করেছে।  এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সেচ্ছাশ্রমে জমি মালিক ও বর্গা কৃষকদের মাঠের পাকা ধান কেটে দিচ্ছে। সবার সহযোগিতায় জেলার মাঠের পাকা বোরো ধান কৃষকের ঘরে উঠে যাবে বলে মনে করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

 সাতক্ষীরায় কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দিলো যুবলীগ ও ছাত্র লীগের শতাধিক নেতা কর্মীরা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দিলো যুবলীগ ও ছাত্র লীগের শতাধিক নেতা কর্মীরা। বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার বকচরা, আলীপুরসহ বিভিন্ন বিলে তারা কৃষকের ধান কেটে কৃষকের বাড়িতে পৌছে দেন।

এ সময় সেখানে গিয়ে তাদের এ কাজে উদ্বুদ্ধ করেন, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল। তিনি এ সময় বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবের কারনে দেশে যখন ধান কাটা শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে, ঠিক তখনই যুবলীগ ও ছাত্রলীগের এই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয়। তিনি তাদেরকে এসময় সাধুবাদ জানান। ধান কাটা কার্যক্রমে এ সময় অংশ নেন, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি তানভির হোসেন সুজন, পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু প্রমুখ। জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শে এবং কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশনায় আসন্ন বোরো মৌসুমে চাষীদের মাঠ থেকে ধান কেটে বাড়িতে তুলে দেয়ার জন্য তারা এই কার্যক্রম শুরু করেছেন। এদিকে, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সদস্য জি.এম পারভেজের নেতৃত্বে সদর উপজেলার আলীপুরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের অপর একটি গ্রুপ কৃষক সোবহান গাজীর ১২  বিঘা জমির ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেন। এ সময় সেখানে আরো অংশ নেন, জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক জহুরুল হক নান্ট,ু সদর উপজেলা সভাপতি মিজানুর রহমান প্রমুখ।

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র অসহায় সাড়ে ৭ শত পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র অসহায় সাড়ে ৭ শত পরিবারের মাঝে রমজান মাসকে সামনে রেখে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উক্ত ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন রায়হান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শামীম মল্লিক।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা পৌর সভার প্যানেল মেয়র ও ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুস সেলিম, কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এফ.রহমান হলের ছাত্রলীগ নেতা রায়হানুল ইসলাম বাবু প্রমুখ আসন্ন রমজানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যাতে নিজ গৃহে থেকে ইফতারি করতে পারেন এ জন্য হতদরিদ্র অসহায় সাড়ে ৭ শত পরিবারের মাঝে সেমাই, চিনি, মুড়ি, ছোলাসহ বিভিন্নœ শুকনা ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান রায়হান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শামীম মল্লিক।

কপিলমুনিতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া খাদ্যসহায়তা বিতরণ

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি

করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন ও ২নং কপিলমুনি ইউনয়ন পরিষদের ব্যবস্থাপনায় বুধবার সন্ধ্যায় কপিলমুনি ইউনিয়নের ২‘শ টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত খাদ্য সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু, খুলনা জেলা প্রশাসক মো ঃ  হেলাল হোসেন উপস্থিত থেকে ঐ খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলী, নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়না, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আরাফাতুল আলম, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, ট্যাগ কর্মকর্তা (করোনা) মৃদুল কান্তি দাশ, কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সঞ্জয় কুমার দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান মো: কওছার অঅলী জোয়াদ্দার, কপিলমুনি ভূমি অফিসের ইউএলএও মোঃ জাকির হোসেন প্রমূখ।