Home আঞ্চলিক গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াইকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: মনা

গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াইকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: মনা

13


খবর বিজ্ঞপ্তি।।


খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, গণতন্ত্র মুক্তির সংগ্রামের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। ফ্যাসিবাদী শাসক তাকে হত্যা করে অবৈধভাবে দখল করা ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করতে চায়। এই দু:শাসনকে হঠিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াইকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি।
সদ্য ঘোষিত খুলনা মহানগর জেলা বিএনপির যৌথ সাংগঠনিক সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। রবিবার ১২ ডিসেম্বর দুপুরে নগরীর কে ডি ঘোষ রোড দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় মনা আরও বলেন, আমাদের সামনে এখন তিনটি লক্ষ্য রয়েছে। গুরুতর অসুস্থ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি তার বিদেশে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং গণতন্ত্র জনগনের হারানো অধিকার পুনরুদ্ধারের লড়াইকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। যার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সারা দেশে দল পুর্নগঠন করা হচ্ছে। নবীন প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে আহবায়ক কমিটি গঠিত হচ্ছে। আন্দোলন সংগ্রামের ত্যাগী পরীক্ষিত নির্যাতিত কর্মীদেরকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কাউকে বাদ দেয়া কিংবা মাইনাস করে নয়, সবাইকে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বিএনপি। খুলনা মহানগর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সে লক্ষ্য নিয়েই কাজ শুরু করেছে এবং অচিরেই স্থবির হয়ে পড়া ওয়ার্ড, থানা ইউনিয়ন কমিটি পুনর্গঠনের কাজ শুরু করা হবে।
তিনি বলেন, নতুন আহবায়ক কমিটি ঘোষণার পর তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আশা উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় কার্যালয় দিনভর মুখরিত থাকছে বর্তমান সাবেক নেতাদের পদভারে। এই অবস্থা ধরে রেখে দ্রæততম সময়ের মধ্যে বিএনপি সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। তিনি মান অভিমান ভুলে মূল ¯্রােতধারার সাথে সম্পৃক্ত হতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের সঞ্চালনায় যৌথ সাংগঠনিক সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আহবায়ক আমির এজাজ খান, সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, যুগ্ম আহবায়কদ্বয় তরিকুল ইসলাম জহির আবু হোসেন বাবু।

সভায় বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রস্তাবনামূলক বক্তব্য রাখেন   আব্দুর রহমান, জাহিদুর রহমান, কাজী মো: রাশেদ, মুর্শিদ কামাল, কামরুজ্জামান টুকু, মেজবাউল আলম, আজিজা খানম এলিজা, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ সাদী, কে এম হুমায়ুন কবির, মুর্শিদুর রহমান লিটন, সুলতান মাহমুদ, কাজী মিজানুর রহমান, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, শেখ ইমাম হোসেন, মো: মাসুদ পারভেজ বাবু, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, ডা. এম মজিদ, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আব্দুস সালাম, রফিকুল ইসলাম বাবু, জসীমউদ্দিন লাবু, শামসুল বারিক পান্না, নিঘাত সীমা, হাবিবুর রহমান বিশ^সা, শেখ আনসার আলী, মতলেবুর রহমান মিতুল, কাজী শাহনেওয়াজ নীরু, ইকবাল হোসেন মিজান, মোল্লা সোহাগ, শেখ জামাল হোসেন, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, হাসানউল্লাহ বুলবুল, আব্দুর রহমান ডিনো, মশিউর রহমান খোকন, খোদবক্স কোরাইশী কাল্লু, মো: এমদাদুল হক, রুম্মান আযম, জাভেদ মল্লিক, হাবিবুর রহমান, রকিবুল ইসলাম, মশিউর রহমান লিটন।
অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব হাসান পিয়ারু, তৈয়েবুর রহমান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, নুরুল হুদা খান বাবু।
যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, কাজী নেহিমুল হাসান নেহিম, আব্দুল আজিজ সুমন, জাহিদুর রহমান রিপন, মেহেদী মাসুদ সেন্টু, আসাদুজ্জামান আসাদ, মোল্লা সোহেল, হারুনর রশিদ মাসুম, মনিরুজ্জামান মনি, মাহমুদ হাসান বিপ্লব, এম এম জসীম, কামাল হোসেন, মাশকুর হাসান ফ্রান্স, সাকারুল ইসলাম সুমন, নাজমুল হোসেন বাবু, শরিফুল ইসলাম অসীম, খায়রুজ্জামান শামীম, মাহবুবুর রহমান, সোহেল রানা, শহিদুল ইসলাম সোহেল, মাসুম খান, বেল্লাল হোসেন।
সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আল জামাল ভূঁইয়া, তারিকুল ইসলাম তারেক, আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, রিয়াজ শাহেদ, মাহমুদ হাসান শান্ত।
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো: ফারুক হিল্টন, আতাউর রহমান রুনু, শফিকুল ইসলাম শাহিন, ইউসুফ মোল্লা, মুনতাসির আল মামুন, শেখ জাকির হোসেন, শরিফুল ইসলাম টিপু, অহেদুজ্জামান হাওলাদার, ইয়াজুল ইসলাম অ্যাপোলো, খায়রুজ্জামান সজীব, সাইফুল ইসলাম মল্লিক, মহিদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু।
মহিলা দলের শাহানাজ সরোয়ার। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সজীব তালুকদার। জাসাস নেতা শহিদুল ইসলাম।
ছাত্রদল নেতা আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, মো: তাজিম বিশ^াস, গোলাম মোস্তফা তুহিন।

সভা থেকে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি পালনের প্রস্ততি কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৩ ডিসেম্বর রাত ১০.৩০ মিনিটে গল্লামারী বদ্ধভূমি স্মৃতিসৌধে জমায়েত শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন, ১৪ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা দোয়া। ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে গল্লামারীতে জমায়েত শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন এবং দুপুর .৩০ মিনিটে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গণজমায়েত বিকাল টায় বিজয় দিবসের বর্ণাঢ্য ্যালী।
মহানগর জেলা বিএনপির যৌথ সাংগঠনিক সভার পূর্বে ছাত্রদল স্বেচ্ছাসেবক দলের সাথে পৃথক পৃথক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।