যশোরে থেকে দূরপাল্লার বাস চালানোর ঘোষণা
যশোর অফিস
আজ সোমবার থেকে দূরপাল্লার যানবাহন চালানোর ঘোষণা দিয়েছে যশোর জেলা পরিবহন সংস্থা শ্রমিক ইউনিয়ন। যেখানে বাধা দেওয়া হবে সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় যশোরের পুরনো বাসটারমিনালে আয়োজিত শ্রমিক পথ সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ ঘোষণা দেন। অবশ্য এরই মধ্যে সরকার দূরপাল্লার বাস চলাচলের পথ উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
সংগঠনের সভাপতি আজিজুল আলম মিন্টুর সভাপতিত্বে সভায় নেতারা বলেন, সরকার দ্বিতীয় দফার সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা দিলে সারাদেশে বন্ধ হয়ে যায় গণপরিবহন। এরপর থেকে কাজ হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে শ্রমিকরা। ঈদের আগে আকস্মিক সরকার জেলাভিত্তিক গণপরিহন চালুর অনুমতি দেয়। কিন্তু এ ব্যবস্থায় গণপরিবহন চালাতে গিয়ে আরো ক্ষতির শিকার হয়েছেন মালিক ও শ্রমিকরা। লকডাউন ঘোষণা হলেও সরকার মানুষকে ঘরে রাখতে পারছে না, এমনকি বিমান পরিষেবা চালু রেখেছে। অথচ বন্ধ রাখা হয়েছে গণপরিবহন। এ বৈষম্যমূলক আচরণ আর শ্রমিকরা মানবে না। আজ রাত ১২টা পর্যন্ত লকডাউন। আগামীকাল থেকে লকডাউন থাকুক আর না থাকুক শ্রমিকরা দূরপাল্লার গণপরিবহন চালানো শুরু করবে। এতে প্রশাসন বাধা দিলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। এজন্য সকল শ্রমিককে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয় সমাবেশ থেকে।
সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা মিঠু, সহ-সভাপতি আবু হাসান, শাহেদ হোসেন জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন রশিদ ফুলু, প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজুসহ শ্রমিকনেতারা বক্তব্য রাখেন।
চৌগাছার আট ইউনিয়ন আ.লীগের কমিটি বিলুপ্ত
যশোর অফিস
চৌগাছার আটটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিলুপ্ত ঘোষিত কমিটিগুলো হলো ফুলসারা, পাশাপোল, সিংহঝুলী, ধুলিয়ানী, জগদীশপুর, পাতিবিলা, হাকিমপুর এবং নারায়ণপুর ইউনিয়ন।
শনিবার (২২ মে) সকাল থেকে একটানা সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা শেষে রাতে চৌগাছা উপজেলা পরিষদ হল রুমে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে একথা জানানো হয়।
মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী। একই সাথে আগামী পাঁচদিনের মধ্যে এসব ইউনিয়নে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা। এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এই সভায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। সিদ্ধান্তগুলো হলো (ক) উপজেলার সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমন্বয়ে সম্পন্ন করতে হবে। (খ) যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে সে সকল প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে সমন্বয় করে সংসদ সদস্য ডিও লেটার দেবেন। এক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানরা যেহেতু মাস্টার্স পাশ, এ বিষয়টি মাথায় রেখে সমন্বয় করে সভাপতি পদে মনোনয়ন দিতে হবে। (গ) উপজেলায় দলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে সমন্বয় করে পরিচালনা করবেন। (ঘ) দলের সকল সহযোগী সংগঠন (যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলালীগ, কৃষকলীগ, যুবমহিলালীগ, মৎসজীবীলীগসহ অন্যান্য) তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা ও কর্মসূচি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করে পালন করবেন।
এসময় ব্রিফিং মঞ্চে স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডাক্তার নাসির উদ্দিন, চৌগাছা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. মোস্তানিছুর রহমান, চৌগাছা পৌরসভার মেয়র নূর উদ্দিন আল মামুন হিমেল এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুল আলম রিংকু উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পদপ্রত্যাশী বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। তাদের দাবি, নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে যোগ্যদের কমিটিতে এনে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে হবে।
আটটি ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ও অন্য তিনটি কমিটি বিলুপ্ত না করার বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুল আলম রিংকু বলেন, পর্যায়ক্রমে সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি করা হবে। তিনি আরো বলেন, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বিলুপ্ত ঘোষিত ইউনিয়নগুলোর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হবে। এক্ষেত্রে পাঁচ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা হতে পারে বলেও তিনি জানান।
ঝিকরগাছায় মনিরামপুরের যুবক খুনের ঘটনায় ২ জন আটক
যশোর অফিস
যশোরের ঝিকরগাছার গদখালী এলাকায় মণিরামপুরের পিয়ার হোসেন আকাশ (২১) নামের যুবক খুনের ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ২ জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শনিবার রাতে তাদেরকে আটক করা হয়। আটকৃতরা হলো উপজেলার বেনেয়ালী গ্রামের সেলিম হোসেন বাবু ও শহিদুল ইসলাম।
গত শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের গদখালীর বেলতলা নামক এলাকা থেকে পুলিশ পিয়ার হোসেন আকাশের মরদেহটি উদ্ধার করে। সে মনিরামপুর উপজেলার মাহমুদকাটি গ্রামের আব্দুল মোতালেব ভুট্টোর ছেলে।
ঝিকরগাছা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, পিয়ার হোসেন আকাশকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রেমজ বা মেয়েলি কোন কারণে তাকে হত্যা করা হতে পারে। ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে খুনের পর লাশ যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশে ফেলে দেয়া হয়। তবে শনিবার সকালে সেলিম হোসেন বাবু, শহিদুল ইসলামসহ কিছু এলাকাবাসী প্রচার করেন গরু চুরি করতে এসে গণপিঠুনিতে মারা গেছে ‘গরুচোর’।
ওসি আব্দুর রাজ্জাক আরো জানান, সেলিম হোসেন বাবু ও শহিদুল ইসলামের বাড়িতে কোন গরু নেই। অথচ, তারা গরু চোর সন্দেহে পিয়ার হোসেন আকাশকে পিটিয়ে মেরেছে। তবুও আবার সন্ধ্যারাতে! ঘটনাটি রহস্যজনক। পুলিশি তদন্তে ঘটনা উৎঘাটনের চেষ্টা চলছে। সেলিম হোসেন বাবু ও শহিদুল ইসলামকে রবিবার আদালতে পাঠিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
যশোরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
যশোর অফিস
যশোরের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে মাহফুজুর রহমান (২০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুরে যশোর শহরের রেল রোডে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুর্নবাসন কেন্দ্র নামে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বিরুদ্ধে এই হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ রবিবার ভোররাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে থানায় নিয়েছে।
নিহত মাহফুজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মনিরুজ্জামানের ছেলে।
নিহতের বাবা মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মাহফুজ মাদকসেবন করতো। মাদকাসক্তি থেকে মুক্ত করতে গত ২৬ এপ্রিল তাকে যশোরের মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘শনিবার বিকালে খবর পাই, মাহফুজকে ওই প্রতিষ্ঠানের লোকজন মারপিট করে মেরে ফেলেছে। পরে তার মরদেহ অজ্ঞাত হিসেবে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেখে তারা চলে যায়। আমরা যশোরে এসে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাই।’
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার তন্ময় বিশ্বাস বলেন, ‘গতকাল দুপুরে মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে একটি মৃতদেহ জরুরি বিভাগে আনা হয়। মরদেহ বহনকারী ও নিহত ব্যক্তির কোনও নাম-ঠিকানা লিপিবদ্ধ না করে তারা কৌশলে হাসপাতাল ত্যাগ করে।’
যশোর কোতয়ালি থানার এসআই শংকর বিশ্বাস বলেন, ‘সুরতহাল রিপোর্ট করার সময় মৃতের পিঠ, ঘাড় ও পশ্চাৎদেশে বেশকিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।’
জানতে চাইলে কোতয়ালি থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘রাতে প্রতিষ্ঠানটির সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানা যায়, মাহফুজকে মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে। মারপিটের কারণে সে মলত্যাগ করে ফেলে। তখন তাকে দিয়েই ওই মল পরিষ্কার করানো হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশের পৃথক কয়েকটি টিম অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক পূর্ববারান্দীপাড়ার বাসিন্দা আবুল কাসেমের ছেলে মাসুম করিম ও অপর পরিচালক বারান্দীপাড়া বটতলা এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে আশরাফুল কবির, রেজাউল করিম, ওহেদুজ্জামান, ওহিদুল ইসলাম, আল শাহরিয়া, শাহিন, ইসমাইল হোসেন, শরিফুল ইসলাম, এএসএম সাগর আলী, অহেদুজ্জামান সাগর, নুর ইসলাম, হৃদয় ওরফে ফরহাদ ও আরিফুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে থানায় আনা হয়েছে।’
সাতক্ষীরায় ভারত ফেরত ৩৩৭ বাংলাদেশী, করোনা শনাক্ত ১৭ জন: ভেরিয়েন্ট সংক্রমন বৃদ্ধির আশংকা
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সাতক্ষীরায় আসা ৩৩৭ বাংলাদেশী নাগরিকের নমুনা পরিক্ষা শেষে ১৭ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় বর্তমানে মোট করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছে ৮৪ জন। এরমধ্যে ২৩ জন রয়েছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, একজন রয়েছে মেডিকেল আসিইউতে এবং বাকী ৬০ জন নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে সাতক্ষীরায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনার রোগীর সংখ্যা।
এদিকে, ভারতে মহামারি করোনার ভেরিয়েন্ট সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ার সে দেশ থেকে দেশে ফিরে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের মধ্যে ১৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ার খবরে আতংকিত হয়ে পড়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। যদিও স্বাস্থ্য বিভাগ বলছেন তাদের নমুনা আইইডিসিআর এ পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট আসার পর জানা যাবে তাদের শরীরে ভেরিয়েন্ট ভাইরাস আছে কিনা। অপরদিকে, ৩৩৭ জন বাংলাদেশী নাগরিকের মধ্যে ১৭ জন করোনা রুগিকে রেখে বাকি ৩২০ জনকে ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন সাফায়াত জানান, ভারত থেকে আসা ৩৩৭ জন বাংলাদেশী নাগরিকের মধ্যে ১৭ জন করোনা রুগিকে রেখে বাকি ৩২০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের সাতক্ষীরার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আলাদা ইউনিট করে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মোংলা বন্দরে ট্যাঙ্কারে আগুন, একজনের মৃত্যু, অপরজন খুমে বার্ণ ইউনিটে
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলা বন্দরে আসা এম,টি সী লিংক উৎসব’ নামক একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে আগুন লেগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম মোঃ লাল মিয়া (৫২)। সে ওই জাহাজের স্টাফ। আগুনে পুড়ে যাওয়া অপরজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তার শরীরের ৯০ শতাংশ আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হামিদ। তিনি বলেন, তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে মোংলা বন্দরে আসা তেলবাহী ট্যাঙ্কার ‘এমটি সী লিংক উৎসব’ এ আগুন লাগলে ইঞ্জিন রুমে থাকা মোঃ ইয়াছিন (৫০) ও মোঃ লাল মিয়া (৫২) অগ্নিদগ্ধ হন। এরপরই ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় বন্দর কর্তৃপক্ষের “সুন্দরবন” নামক একটি ট্যাগ বোট দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসও তাতে যোগ দেয়।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার শেখ ফখরউদ্দিন জানান, বন্দরের নিজস্ব সার্ভিস জেটিতে নোঙ্গর করার মূহুর্তেই তেলের ট্যাঙ্কার এমটি সি লিংক উৎসবে আগুন ধরে যায়। এ সময় ইঞ্জিন রুমে থাকা দুই নাবিক মোঃ ইয়াছিন (৫০) ও মোঃ লাল মিয়া (৫২) অগ্নিদগ্ধ হলে তাদেরকে বন্দর কর্তৃপক্ষের হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাদের শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে সঙ্গে সঙ্গে দুপুর পৌঁনে দুইটায় খুলনা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে পাঠানো হয় বলে জানান বন্দর কর্তৃপক্ষের হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক মোঃ আব্দুল হামিদ।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাছাকাছি পৌঁছানোর সময়ই মোঃ লাল মিয়ার (৫২) মৃত্যু হয়। অপরজন মোঃ ইয়াছিন (৫০) বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার অবস্থাও আশংকাজনক।
তেলের ট্যাঙ্কার ‘এমটি সী লিংক উৎসব’ জাহাজের মালিক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নুর তাপস বলে জানা গেছে।
রামপালে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ সন্ধান চাই পরিবার
স্টাফ রিপোর্টার
রামপালে এক মাদরাসা ছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে ছোটনবাবপুর হাফেজিয়া মাদরাসার উদ্দেশ্য শুক্রবার বিকেলে বেরিয়ে যায় ওই শিক্ষার্থী। এরপর থেকে মাদরাসাসহ তাদের কোন আত্মীয়ের বাড়ীতেও তার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে নিখোঁজের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে যার নং ৮৩৯, তারিখ ২৩.০৫.২০২১।
থানার ডায়েরী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা আশ্বাদ আলী খানের একমাত্র ছেলে আলামিন (১৫) গত ২৮ রমজানে মাদরাসা ছুটি হওয়ায় ওই দিন বাড়ীতে চলে আসে। এরপর গত শুক্রবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের সময় মাদরাসায় যাওয়ার জন্য বাড়ী থেকে বের হন। এরপর মাদরাসায় খোঁজ নিয়ে সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। তার আত্মীয়স্বজনদের বাড়ীতে খোঁজ নেয়ার পরও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মা ফাতেমা বেগম রবিবার দুপুরে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। হারিয়ে যাওয়া আলামিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে, ফলে পরিবারের দুঃশ্চিন্তার শেষ নেই।
রামপাল থানার এএসআই ইতিমা বিশ্বাস বলেন, জিডির বিষয়টি ইতিমধ্যে সারাদেশে বেতার বার্তায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সোমবার থেকে পিবিআইও নিখোঁজের সন্ধানে কার্যক্রম শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এনইউবিটি খুলনাতে সামার সেমিস্টার ২০২১- এর এ্যাডমিশন ফেয়ার
খবর বিজ্ঞপ্তি
নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেজ এন্ড টেকনোলজি খুলনাতে সামার সেমিস্টারের এ্যাডমিশন ফেয়ার শুরু হয়েছে। সোমবার ২৩মে, ২০২১ থেকে শুরু হওয়া এ ফেয়ার চলবে ৩১মে, ২০২১ পর্যন্ত। সরকারি ছুটির দিনসহ সপ্তাহে ৭দিন এ ফেয়ার চলবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যাডমিশন অফিস খোলা থাকবে।
এ্যাডমিশন ফেয়ার উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, ড. মো: শাহ আলম। এসময় আরো উপন্থিত ছিলেন সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিন, প্রফেসর ড. আনোয়ার হক জোয়াদ্দারসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানও কর্মকর্তাবৃন্দ। ফেয়ার চলাকালীন সময় টিউশন ফির উপর অতিরিক্ত ১০% ছাড়সহ ভর্তি ফির উপর ৬০% ছাড় থাকবে। উলে¬খ্য এনইউবিটি খুলনা এস এস সি ও এইচ এস সি সমমান পরীক্ষার্থীদের রেজাল্ট এর উপর মেধাবী শিক্ষার্থীদের ১০০% পর্যন্ত ছাড় দিয়ে থাকে।এছাড়া ডিপে¬ামা পাশ শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ছাড় এর ব্যবস্থা আছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ, ইংরেজী, সি.এস.ই, ই.ই.ই, সিভিল ,আর্কিটেকচার, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা,অর্থনীতি ও বাংলা বিষয়ে অর্নাস কোর্স চালু আছে। এছাড়া স্মাতকোত্তর পর্যায়ে এম.বি.এ (রেগুলার ও এক্সিকিউটিভ), এম.এ (ইংরেজী)ও এম.এস.এস (অর্থনীতি) কোর্স চালু আছে। ফেয়ার চলাকালীন ভর্তি ফির উপর ৬০% সহ টিউশনফির উপর ১০%-১০০% পর্যন্ত ছাড় থাকবে উলে¬খ করোনা কালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম অনলাইনে অব্যাহত রয়েছে।
স্বামীর দেওয়া পায়ের শিকলসহ মহিলা বিষয়ক অফিসে গৃহবধূ
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মণিরামপুরের ঢাকুরিয়ার চাপাকোনা গ্রামের গৃহবধূ সাবিনা খাতুন (৩০)। স্বামী বিল্লাল হোসেন নেশাখোর বদমেজাজি। নেশা করে বাড়ি ফিরে নির্যাতন করেন স্ত্রী সাবিনাকে। পায়ে শিকলি পরিয়ে রাখেন তালাবন্দি করে। আবার স্বাভাবিক হলে খুলে দেন সেই শিকলি। এভাবে থেমে থেমে চলে সাবিনার ওপর নির্যাতন।
রোববার (২৩ মে) সকালে একইভাবে সাবিনা খাতুনের পায়ে শিকলি পরান বিল্লাল হোসেন। কোন প্রকার ছাড়া পেয়ে দুপুরে পায়ে পরানো সেই শিকলিসহ উপজেলা মহিলা বিষায়ক অফিসে হাজির হন সাবিনা খাতুন।
এরপর সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ দেবনাথ ফায়ারসার্ভিসের সহায়তায় তালা ভেঙে শিকলমুক্ত করেন সাবিনাকে। পরে তাকে ঝিকরগাছা এলাকায় পিতার বাড়িতে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠিয়ে দেন এসিল্যান্ড।
মণিরামপুর মহিলা বিষয়ক অফিসের ক্রেডিট সুপারভাইজার শহিদুল ইসলাম বলেন, পায়ের শিকলি ও তালাসহ অফিসে এসে দুই সন্তানের জননী সাবিনা খাতুন জানান, তার স্বামী নেশাখোর। নেশা করে বাড়ি ফিরলে সাবিনা প্রতিবাদ করলে তাকে নির্যাতন করে শিকলবন্দি করে রাখেন। প্রায়ই এভাবে তাকে নির্যাতন করা হয়।
সাবিনাকে এসিল্যান্ডের অফিসে নেওয়ার পর আমি সরেজমিন চাপাকোনা গ্রামে ওই নারীর স্বামীর বাড়িতে গিয়েছি। কিন্তু সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। আশপাশের লোকজন যা বলেছেন তার সাথে সাবিনার অভিযোগের মিল রয়েছে।
মণিরামপুর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার বলেন, আমার অফিসে আসার পর সাবিনাকে এসিল্যান্ডের অফিসে নেওয়া হয়। সবশুনে এসিল্যান্ড ফায়ারসার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ারসার্ভিসের লোক এসে শিকলি কেটে সাবিনাকে মুক্ত করেন।
আমরা সাবিনাকে মামলা করতে বলেছি। তিনি রাজি হননি,বলেন মৌসুমী আক্তার।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ দেবনাথ বলেন, ওই নারীর পায়ের শিকলি কেটে তাকে ঝিকরগাছায় পিতার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই নারী চাইলে তাকে আইনগত সহায়তা দেওয়া হবে।
সুন্দরবনের নদী থেকে জব্দকৃত অবৈধ নেট জাল আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে বনবিভাগ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
অবৈধ নেট জাল দিয়ে রবিবার সকালে মোংলার সুন্দরবনের শেলা নদীতে মাছ শিকারের সময় তা জব্দ করেছে বনবিভাগ। বনবিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তাদের ফেলে যাওয়া ১০টি নিষিদ্ধ নেট জাল জব্দ করে অভিযানকারীরা। পরে তা আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জ’র (মোংলা) এসিএফ (সহকারী বন সংরক্ষক) মোঃ এনামুল হক জানান, নিষিদ্ধ নেট জাল দিয়ে মাছ শিকার করা বেআইনি। কারণ এ ধরণের জালে এক ইঞ্চিরও কম ফাঁস থাকে। যে কারণে এটি দিয়ে মাছ ধরলে অন্যান্য প্রজাতির বিপুল পরিমাণ মাছ ও পোনা মারা যায়। মাছের প্রজননেরও মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে। সেই ধরণে অবৈধ জাল দিয়ে কতিপয় অসাধু জেলে রবিবার সকালে মাছ শিকার করছে, এমন খবরের ভিত্তিতে বনের শেলা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১০টি জাল জব্দ করা হয়। তবে এ সময় জেলেরা পালিয়ে যাওয়ায় কেউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত জাল দুপুরে পুড়িয়ে ফেলা হয়ছে এবং এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে বন আইনে একটি ইউডিআর মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ মামলার বাদী চাঁদপাই ষ্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মোঃ ওবায়দুর রহমান।
মোংলায় করোনা সনাক্তের হার প্রায় ৪০ ভাগ, এক মাসে সনাক্ত হয়েছে ৪০ জন, মারা গেছে ১ জন
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রচন্ড তাপদাহের সাথে পাল্লা দিয়েই যেন মোংলায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার। হঠাৎ করে এখানে করোনা সনাক্তদের হার পৌঁছেছে শতকরা প্রায় ৪০ ভাগে। যা অত্যন্ত ঝুঁকি ও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২০ এপ্রিল থেকে এখানে শুরু হওয়া ‘র্যাপিড এন্টিজেন টেষ্ট’র মাধ্যমে ২০ মে পর্যন্ত করোনা পরীক্ষা করিয়েছেন ৯৭ জন, এরমধ্যে রিপোর্ট পজেটিভ হয়েছে ৪০ জনের। করোনা আক্রান্ত হয়ে এরইমধ্যে গত সপ্তাহে মোংলায় এক বৃদ্ধের মৃত্যুও হয়েছে। তারপরও কেন যেন এখানাকার মানুষের মধ্যে তেমন কোন ভীতি ও সতর্কতা নেই। মাস্ক বিহীনই হরহামেশা চলাফেরা করছেন সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। এক্ষেত্রে প্রশাসনের খুব বেশি নজরদারী না থাকায় মানুষের মাস্ক ব্যবহার কমেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, বর্তমানের করোনা সনাক্তের হার শতকরা প্রায় ৪০ ভাগ, বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকি ও বিপদজনক। তিনি বলেন, হাসপাতালে পরীক্ষা করতে এসে যারা কনোর সনাক্ত হচ্ছেন তাদের মধ্যে বেশি অসুস্থ্যদেরকে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া করোনা পজেটিভ কিন্তু শারীরিকভাবে সবল তাদেরকে নিজ বাড়ীতে কোয়ারান্টাইনে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তবে আমাদের কাছে মাঝে মাঝে অভিযোগ আসছে করোনা আক্রান্ত কেউ কেউ কোয়ারান্টাইন মানছেনা। মানা না মানার এ বিষয়টি মুলত নিশ্চিত করার দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের।
করোনার প্রথম দফায় ২০২০ সালে মোংলায় করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ছিল ৯৩ জন। যা ছিল জেলার অন্যান্য জায়গার তুলনায় খুবই কম। প্রথম বছরের পুরো সময় জুড়ে যে পরিমাণ (৯৩) জন আক্রান্ত হয়েছিল দ্বিতীয় বছরে এসে শুধু এক মাসেই সেই আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ জন। এদিকে টিকা কার্যক্রম শুরু পর থেকে এ পর্যন্ত মোংলায় প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৮ হাজার ২শ ৫৯ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৩ হাজার ৭শ ৪৩ জন।
রূপসায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ খবর নিলেন ইউএনও
রূপসা প্রতিনিধিঃ
রূপসার বাগমারা গ্রামে অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম। আজ ২৩ মে বেলা ৩ টায় তিনি এ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আসেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র ৯টি পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন ও পরবর্তীতে খাদ্যসহায়তা সামগ্রী প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় আগুনের তাপে ঝলসানো মিনারা বেগমের চিকিৎসার সার্বিক ব্যবস্থা করার জন্য নিজ গাড়িতে করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা, সহকারী মাধ্যমমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ গোলাম মোস্তফা, প্রকল্প বাস্তকবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফ হোসেন প্রমূখ।
অভয়নগরে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার
অভয়নগর (যশোর ) প্রতিনিধি
রবিবার (২৩) মে যশোরের অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের বাসিন্দা মোল্যা ইব্রাহিম আসাদ (৬০) নামে এক মুদি দোকানের মালিকের নিজ বাড়িতে জানালার গ্রিল থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করেছে অভয়নগর থানা পুলিশ। নওয়াপাড়া বাজারে “ জনতা স্টোর” নামে মুদির দোকান ছিল নিহত ব্যাক্তির।
নিহতের বড় মেয়ে পাপিয়া খাতুন বলেন, রবিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির স্টোর রুম খোলা অবস্থায় দেখতে পেয়ে ভিতরে গিয়ে জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় বাবার দেহ ঝুলে থাকতে দেখেন। অতপর: তিনি থানা পুলিশকে খবর দেন। তবে তিনি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছুই জানতে পারেননি। নিহতের মেয়ের জামাই জানান, তাঁর শ্বশুরের দুই স্ত্রী থাকায় প্রায় সব সময় মানসিক ভাবে চাপে থাকতেন। দোকানের অবস্থাও তেমন ভালো ছিলনা। দুই সংসার চালাতে গিয়ে হয়তো মানসিক চাপে পড়ে গলায় ফাঁস দিয়েছেন। নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী রাবেয়া খাতুন জানান, শনিবার রাতের খাবার খেয়ে তারঁ স্বামী প্রফেসরপাড়ায় প্রথম স্ত্রীর কাছে চলে যান। সেখানে ওনার মৃত্যু ঘটেছে। নিহত ইব্রাহীম আসাদের প্রথম স্ত্রী একজন মানসিক রোগী । অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মোল্যা ইব্রাহিম আসাদ নামে নওয়াপাড়া বাজারের এক ব্যবসায়ীর গলায় ফাঁস দেওয়া মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ যশোর মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে, ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা।
সুন্দরবনে গরু মারলো বাঘ: গ্রামবাসীর পেটে সেই মাংস
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
সুন্দরবনে ঘাস খেতে গিয়ে বাঘের আক্রমনে মারা গেছে একটি গরু। পরে গরুটি উদ্ধার করে এনে জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করে নিয়েছে গ্রামবাসী।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনির সড়কিরখালকুল এলাকার বাসিন্দা শেক্সপিয়ার বালার একটি গরু রবিবার দুপুরের দিকে তার বাড়ী সংলগ্ন সুন্দরবনে ঘাস খেতে যায়। জঙ্গলে যাওয়ার পর বিকেল ৭টার দিকে গরুটিকে বাঘে ধরে। এ সময় গরুটির ডাকাডাকি শুনে লোকজন ছুটে গিয়ে গরুটিকে উদ্ধার করে আনে, তখনও গরুটি জীবিত ছিলো। বাঘ গরুটির গলায় কামড়ে ধরে ছিলো। পরে বন থেকে গরুটি লোকালয়ে এনে জবাই করে ভাগাভাগি করে নেয়। স্থানীয় ইউপি মেম্বর ফজলুর রহমান মল্লিক বলেন, আমরা বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদে মিটিংয়ে ছিলাম সন্ধ্যায় সেখান থেকে এসে শুনেছি বাঘে শেক্সপিয়ারের গরুটি জঙ্গলে গেলে বাঘে ধরে।
তেরখাদার সেই মিমের স্থায়ী বাড়ি ও রূপসায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সালাম মূর্শেদী এমপি
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার পদ্মায় স্পীড বোর্ড দূর্ঘটনায় সব হারানো সেই মিমকে স্থায়ী ভাবে বসবাসের ব্যবস্থা ও ভবিষ্যতের জীবন জীবিকা নির্বাহ ও রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী। তাদের পাশে সবসময় থাকবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, ৩ মে পদ্মা নদীতে স্পীড বোর্ড ও বালুবাহী বাল্কহেডের সংঘর্ষে নিহত হন ২৬ জন। এর মধ্যে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিম হয়ে পড়েন সবহারা। কেননা ওই দূর্ঘটনায় তার পিতা-মাতা ও দুই বোনও নিহত হন। সবহারিয়ে একা বেঁচে থাকা এই মিমের পাশে অনেকেই গেলেও এতোদিনেও দৃশ্যমান হয়নি তার স্থায়ী বসবাসের চিন্তা কিংবা ভবিষ্যতের জীবন-জীবিকা নির্বাহের চিন্তা। এমন অবস্থায় তার দায়িত্ব নিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মূর্শেদী। তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে মিমের বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে নানার বাড়িতে স্থায়ীভাবে পাকাঘর নির্মাণ ও সুপেয় পানির জন্য টিউবওয়েল বসানোর এবং ভবিষ্যতে আর্থিক সমস্যা সমাধানের কাজ শুরু করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
এদিকে রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের আকবর শেখ এর ছেলে কবিরের ভাড়াটিয়া বাড়িতে শনিবার সকাল ১১টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে ১০টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করলেও আটটি ঘরের কোন মালামাল রক্ষা করতে পারেনি। ফলে ওই বাড়িতে বসবাসকারী ৯টি পরিবার একেবারে নিঃস্ব হয়ে যায়।
২ লাখ টাকায় জিপ গাড়ি বানালেন ফরিদ
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
মাত্র দুই লাখ ১০ হাজার টাকা খরচ করে এক মাসের মধ্যে ৬ সিটের একটি জিপ গাড়ি তৈরি করে চমক লাগিয়ে দিয়েছেন টাঙ্গাইলের ফরিদ সিকদার। তিনি মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বাছেদ সিকদারের ছেলে।
জিপ গাড়িটি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করতে চান ফরিদ। এ জন্য সরকারের অনুমতি ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই আলাদা চিন্তা-ভাবনা ছিল ফরিদের। স্বপ্ন ছিল নিজ পায়ে দাঁড়াবেন, অনেক বড় হবেন। অর্থের অভাবে সপ্তম শ্রেণির পর আর লেখাপড়া করেননি। মাত্র ১৪ বছর বয়সে গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাসস্ট্যান্ডে একটি গ্রিলের ওয়ার্কশপে কাজ শিখতে শুরু করেন। কয়েক বছর পর জমানো টাকা ও ধারদেনা করে মির্জাপুরের আজগানা এলাকায় নিজেই একটি অটো-গ্রিল ওয়ার্কশপ দেন। কিছুদিন পর একটি অটোরিকশা কিনে সেটির বডি বিক্রি করে দেন। পরে অটোর মেশিন, চারটি চাকা, ব্যাটারি, প্রাইভেটকারের স্ট্রিয়ারিংসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দিয়ে মডিফাই করে ৬ সিটের একটি অত্যাধুনিক জিপ গাড়ি তৈরি করেন।
ফরিদ সিকদার বলেন, গাড়িটি চার্জ দিয়ে চালাতে হবে। এর ব্যাটারিও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার গতিতে চলার উপযোগী জিপ গাড়িটি তৈরি করতে সময় লেগেছে এক মাস, খরচ হয়েছে মাত্র দুই লাখ ১০ হাজার টাকা।
তিনি আরো বলেন, দেশের জন্য কিছু করতে চাই। কিন্তু টাকা-পয়সা না থাকায় পারি না। সরকারের অনুমতি ও সহযোগিতা পেলে জিপ গাড়িটি আমি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করতে চাই। এতে মধ্যম আয়ের মানুষ অল্প টাকায় গাড়িটি কিনতে পারবেন।
মির্জাপুর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম বলেন, ফরিদ নিঃসন্দেহে মেধাবী। তিনি নিজের প্রচেষ্টায় একটি জীপ গাড়ি তৈরি করেছেন। গাড়িটি দেখতেও চমৎকার। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
ত্রিপুরায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস, সতর্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্বাস্থ্য বিভাগ
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আসা ভারতফেরত যাত্রীদের মধ্যে ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। সম্প্রতি ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক অবস্থা আছে বলে জানিয়েছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ।
রোববার বিকেলে এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতজুড়ে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (কালো ছত্রাক) মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। ভারত থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় যেসব বাংলাদেশি নাগরিক ফিরেছেন, তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত কারো ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়নি। তবে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতফেরত কোয়ারেন্টাইনে থাকাদের মধ্যে ১০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজন নেগেটিভ হয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।’
তিনি আরও বলেন, আক্রান্তরা সবাই আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে যারা আক্রান্ত আছেন, তাদের শরীরে ভারতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আছে কি-না তা পরীক্ষা করতে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ৬৮ বছরের এক নারীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হওয়ায় খবরে সীমান্তবর্তী উপজেলা আখাউড়ায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের বিষয়টি জানিয়েছে ত্রিপুরার স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যম। সেখানে ২৪ ঘণ্টা কারফিউ চলছে বলে জানা যায়।
আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদুর রহমান বলেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ ছড়ালে আমাদের জন্য ঝুঁকি আছে। যেহেতু আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ত্রিপুরা হয়ে লোকজন দেশে প্রবেশ করছে তাই বাংলাদেশেও এর সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস : সাতক্ষীরায় প্রস্তুত ১৬৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
বাংলাদেশ উপকূলে আগামী মঙ্গলবারের (২৫ মে) পর ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আঘাত হানতে পারে। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে বাঁচাতে ১৪৫টি সাইক্লোন শেল্টার সেন্টারসহ মোট ১ হাজার ৬৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রস্তুত রয়েছে স্বেচ্ছাসেবক ও শতাধিক মেডিকেল টিম। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য পর্যাপ্ত নৌযান, যানবাহন ও উদ্ধার সামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বাবলু রেজা বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবিলায় শনিবার পর্যন্ত ১ হাজার ৬৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। গত বছর একই সংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছিল। এছাড়া করোনা সংক্রমণ রোধে আশ্রয়কেন্দ্রের সক্ষমতার অর্ধেক মানুষকে একটি কেন্দ্রে রাখা হবে। একইসঙ্গে সাত উপজেলার প্রতি উপজেলায় পাঁচটি ও ৭৮টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ১১৩টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খাবার, অর্থ, চাল-ডাল প্রস্তুত রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
এদিকে জেলার সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধের অধিকাংশ জায়গা এখনো সম্পূর্ণভাবে সংস্কার হয়নি। ফলে নতুন করে ঘূর্ণিঝড় এলে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয় প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা উপকূলবাসীর।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, জেলার শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের লেবুবুনিয়া, দূর্গাবাটি; আশাশুনি উপজেলা সদরের দয়াঘাট, প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নের একাধিক পয়েন্টে প্রায় ৫০ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ রয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার বলছেন, আম্পানে ভেঙে যাওয়া অধিকাংশ বাঁধের সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। কিছু এলাকায় কাজ চলমান আছে।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের বলেন, বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। ঝড়ের সময় জোয়ারের পানি অতিরিক্ত বৃদ্ধি না পেলে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে অতিরিক্ত পানির চাপ থাকলে কিছু পয়েন্ট ভেঙে প্লাবিত হতে পারে। আমারা সেই পয়েন্টগুলো জরুরিভাবে মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছি। পর্যাপ্ত জনবল প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী কোনো স্থানে বাঁধ ভেঙে গেলে তাৎক্ষণিক সেটা মেরামত করা যায়।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্য বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টিতে যেন কোনো প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে সে লক্ষ্যে সব ধরনের চেষ্টা ও প্রস্তুতি থাকবে।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সেঞ্চুরি একাডেমির বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি পানি বিতরণ উদ্বোধন
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে পথচারীদের জন্য সেঞ্চুরি একাডেমীর পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার ২৩মে ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব চত্বরে পথচারীদের জন্য সেঞ্চুরি একাডেমীর উদ্যোগে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ উদ্বোধন করছেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সিনিয়র সাংবাদিক ও প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, সাংবাদিক এম রফিক, আব্দুল আলিম, সেঞ্চুরি একাডেমির বাবু মোল্লা, সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।
সেঞ্চুরি একাডেমি প্রচন্ড গরমে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে খাবার পানির জার স্থাপন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রেসক্লাবেও সূপেয় খাবার পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জাতীয়করণের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে স্মারক লিপি প্রদান
বাগেরহাট প্রতিনিধি
সকল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণসহ সাত দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি দিয়েছে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ঈবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি। রবিবার (২৩ মে) বিকেলে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মাদ রিজাউল করিমের কাছে এই স্মারকলিপি প্রধান করেন বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ঈবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি, বাগেরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকব মাও. শামসুল হক আনছারী। এসময়, বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ঈবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি, বাগেরহাট জেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দাবিগুলো হচ্ছেঃ রেজিষ্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় সকল ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে মুজিববর্ষে জাতীয়করণের ঘোষণা। কোড বিহীন মাদ্রাসা গুলোকে বোর্ড কর্তৃক কোড ন্মবর দেওয়া, একজন আলিম শিক্ষকের পরিবর্তে, একজন এইচএসসি পাশ শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত করা, মাদ্রাসায় অফিস সহায়ক নিয়োগ, শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা, আসবাবপত্রসহ ভবন নির্মান, মাদ্রাসার স্থায়ী রেজিষ্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা।
মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধের দাবিতে জরুরি সভা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন মহাসড়কে চলাচলকারী অবৈধ মাহেন্দ্র, ইজিবাইক, নছিমন,করিমন, থ্রি-হুইলার বন্ধের দাবিতে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে বাগেরহাট আন্ত: জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির প্রধান কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাগেরহাট আন্ত: জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুলবাকী তালুকদার এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, মিনিবাস মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান রিপন, লাইন সম্পাদক মোঃ নকীব মাসুদুর রহমান রূপসা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ বাবু কমলেশ দাস মোঃ হেমায়েত উদ্দিন রেজাউল মোল্লা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিগত কয়েক মাস যাবত লগ-ডাউনের পর থেকে মহাসচকে থ্রি হুইলারের অবাধ বিচরণ। এখন স্বাস্থবিধি মেনে বাস চলাচল শুরু হয়েছে কিন্তু থ্রি হুইলারের কারনে বাস চালকদের যত্রতত্র বিপাকে পড়তে হচ্ছে এবং একারণে বড় দুর্ঘটনার আশংকা বেড়ে যাচ্ছে।তাই মহাসচকে থ্রি হুইলার বন্ধের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তারা।
দেবহাটার পারুলিয়া মদিনা মসজিদে কমিটি গঠন
কে এম রেজাউল করিম
দেবহাটার পারুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পারুলিয়া মদিনা মসজিদের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার বাদ এশা স্থানীয় মুসল্লীদের উপস্থিতে এ কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি পদে শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক পদে আলহাজ্ব ফজলুল হক আমিনী, কোষাধ্যক্ষ পদে আশরাফ আলী,
সহ-সভাপতি মো: আলম হোসেন ও মো: মনিরুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক জহির মোড়ল
সহ ক্যাশিয়ার মোঃ আব্দুল হালিম ও আজিজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদ গাজি ও মিয়ারাজ হোসেন, প্রচার সম্পাদক ইন্তাজ মাহমুদ, উপদেষ্টামন্ডলী কাসেদ আলী গাজী, মোসলেম আলী মোড়ল, আবুল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, নুর ইসলাম মিস্ত্রি, আব্দুস সোবহান, সদস্য মোঃ কোবির হোসেন মিস্ত্রী, জামাল হোসেন, হযরত আলী, গোলাম হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, শাহিন আলমকে মনোনিত করে কমিটির তালিকা তৈরী করা হয়। উক্ত কমিটি আগামী দুই বছর মেয়াদি তৈরি করা হয়।
উল্লেখ্য যে, দক্ষিণ পারুলিয়া পূর্ব পাড়ায় কোন মসজিদ ছিল না। মসজিদের বর্তমান ঈমাম ফজলুল হক আমিনী ও স্থানীয়রা বিষয়টি উপলুব্ধ করেন। পরে তিনি মদিনা মসজিদটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহন করেন। ধীরে ধীরে মসজিদটি বাস্তবে রূপ লাভ করে।
মণিরামপুরে মুজিব কেল্লার উদ্বোধন
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মণিরামপুরের পারখাজুরা কাঁঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে মুজিব কেল্লার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৩মে) বেলা সাড়ে দশটার দিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশের সাথে একযোগে মণিরামপুরের এই কেল্লার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যশোর অঞ্চলের উপ পরিচালক হুসাইন মোহাম্মদ শওকত।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী জলি আক্তার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ বায়েজিত, মশ্মিমনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেনসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মণিরামপুর উপজেলা বাস্তবায়ন অফিসের তত্ত্বাবধানে এক কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে একতলা বিশিষ্ট এই মুজিব কেল্লা। আগামী ডিসেম্বর মাসে কেল্লাটির নির্মাণ কাজের সমাপ্তি হবে বলে জানান পিআইও।
মণিরামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ বায়েজিত বলেন,মূলত বিভিন্ন দুর্যোগে মানুষ ও গবাদিপশুর জন্য আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে এই মুজিব কেল্লা। অন্যসময় পারখাজুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় তাদের প্রয়োজনে ভবনটি ব্যবহার করতে পারবেন।
এসিল্যান্ড পলাশ দেবনাথের বদলি
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মণিরামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ দেবনাথকে ঢাকা বিভাগে বদলি করা হয়েছে। রোববার (২৩মে) সিনিয়র সহকারী সচিব শাকিলা রহমান স্বাক্ষরিত একটি আদেশে তাকে বদলি করা হয়। দ্রুত তাকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সমপদে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। জনস্বার্থে পলাশ দেবনাথকে বদলি করা হয়েছে বলেও আদেশে বলা হয়েছে।
পলাশ দেবনাথের অনুরোধে তাকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ (রোববার) সন্ধ্যায় এসিল্যান্ড নিজেই বদলির বিষয়টি ‘দৈনিক খুলনাঞ্চল’কে নিশ্চিত করেছেন।
পলাশ দেবনাথ গত ১০ ডিসেম্বর এসিল্যান্ড হিসেবে মণিরামপুরে যোগ দেন। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, করোনাকালীন সচেতনতা বৃদ্ধি ও দুস্থদের মাঝে সরকারি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে আলোচনায় আসেন তিনি।
দেবহাটায় সড়কে ঝুকি দু’পাশে মরা রেইনট্রি
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা (সাতক্ষীরা)
সাতক্ষীরার দেবহাটায় সড়কের দু’পাশে মরা অবস্থায় রোদ-বৃষ্টিতে দাড়িয়ে থাকা রেইনট্রি। এসব গাছের ডালপালা শুকিয়ে প্রতিনিয়ত সামান্য বাতাসেই ভেঙে পড়ছে সড়কে। গাছ থেকে আচমকা রাস্তার ওপর ডালপালা ভেঙে পড়ায় আহত হচ্ছেন পথচারীরা, ঘটছে ছোট-বড় দূর্ঘটনা। জায়ান্ট মিলিবাগসহ বিভিন্ন প্রজাতির পোকামাকড় ও ছত্রাকের আক্রমন, চলন্ত গাড়ির সাথে গাছ ও ডালপালার ধাক্কা এবং রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বে থাকা সড়ক ও জনপথ বিভাগের অযতœ-অবহেলায় দেবহাটার কুলিয়া, সেকেন্দ্রা, পারুলিয়া, সখিপুর মোড়, গাজীরহাট এলাকায় সড়কের দুপাশে মরে কঙ্কাল রূপে দাড়িয়ে আছে শতাধিক রেইন ট্রি। এদিকে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুষ্পষ্ট লঘুচাপটি আরোও ঘণীভূত হয়ে ইতোমধ্যেই নিন্মচাপে পরিনত হয়েছে। সেটি শীঘ্রই আরোও শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্নিঝড় ‘ইয়াস’ এ পরিনত হয়ে আগামী ২৫ মে মধ্যরাত থেকে ২৬ মে সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা ও খুলনা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যার উপর দিয়ে প্রবল বেগে আঘাত হানতে পারে বেেল আশঙ্কা করছে আবহাওয়াবিদরা।
ফলে বিগত বছরের আম্পানের চেয়ে ইয়াস এর তান্ডবে বেশি ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও ধারনা সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া অধিদপ্তরের। এবারের ঘূর্নিঝড়ে সাতক্ষীরার দেবহাটাসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি ও দূর্ভোগের অন্যতম কারন হয়ে উঠতে পারে সাতক্ষীরা-কালীগঞ্জ সড়কের দুপাশে কঙ্কাল রূপে দাড়িয়ে থাকা অসংখ্য মরা রেইন ট্রি সহ অন্যান্য জাতের গাছ।
ঘূর্নিঝড় ইয়াস সাতক্ষীরা উপকূলে আঘাত হানলে এসব মরা রেইন ট্রি গাছ ভেঙে পড়ে সাতক্ষীরা-কালীগঞ্জ সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে বলে ধারনা সর্বসাধারনের। একইসাথে ওইসব মরা গাছের আশপাশে থাকা বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
দেবহাটা উপজেলা কৃষি অফিসার শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর বলেন, জায়ান্ট মিলিবাগ পোকারা ছিদ্রাকার ও শোষক প্রকৃতির। মুখোপাঙ্গ থাকায় এরা গাছ থেকে রস শোষণ করে। পোকামাকড় ছাড়াও বিভিন্ন ছত্রাকের আক্রমন সহ নানা করনে সড়কের দুপাশের রেইন ট্রি গাছগুলো সম্ভবত মারা যেতে পারে। ঘূর্নিঝড়ে এসব মরা গাছগুলো জণজীবনে আরোও বেশি ক্ষয়ক্ষতির কারন হতে পারে। বর্ষা মৌসুমের আগেই এসব মরা গাছগুলো অপসারণ করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিৎ ছিল বলেও মনে করেন তিনি।
দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাছলিমা আক্তার বলেন, সড়কের দুপাশে মরা গাছগুলো অপসারনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টেন্ডার প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ। সেজন্য বিলম্বিত টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগেই গাছগুলো অপসারণ করে সংরক্ষনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।
এদিকে এখনও সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় এবং ঘূর্নিঝড় ইয়াস এর মতো বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগ অচিরেই আঘাত হানার সম্ভাবনা থাকায় জানমালের নিরাপত্তা ও ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ঝুঁকিপূর্ণ মরা রেইন ট্রি গুলো কেটে অপসারনের উদ্যোগ নিতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।
কেশবপুরে প্রধানমন্ত্রীর ভিডও কনফারেন্সিং এ বন্যা আশ্রায় কেন্দ্রের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন
আলমগীর হোসেন, কেশবপুর প্রতিনিধি,
মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সারাদেশের ন্যায় যশোরের কেশবপুর উপজেলার গোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে রোববার দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে গোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের নবনির্মিত ভবনে ভিডিও কনফারেন্সিং সভা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান।
ভিডিও কনফারেন্সিং এ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল, সহকারী পুলিশ সুপার (কেশবপুর অঞ্চল) শোয়ের আহমেদ খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্তসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। সভায় শতাধিক লোকের আগমন ঘটে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা রিজিবুল ইসলাম বলেন, ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত গোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের নিচতলায় গবাদী পশু রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৩ তলায় ৩‘শ পরিবার আশ্রয় নিতে পারবেন। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসের ঘোষণা মোতাবেক আগামী ২৬ মে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
ফকিরহাটে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারী আটক
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ৩৭পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই মাদক কারবারীকে আটক করেছেন র্যাব-৬ এর একটি দল। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি মটর সাইকেল জব্দ করা হয়েছে। ফকিরহাট থানায় পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ১১টার দিকে খুলনা র্যাব-৬ এর একটি দল উপজেলার কাঠালতলা গোডাউন মোড় এলাকায় বিশেষ এক অভিযানে তাদেরকে ইয়াবা সহ আটক করে। আটককৃতরা হল গোপালগঞ্জ জেলা সদরের মৌলভীপাড়ার মামুন মোল্লার ছেলে মো: শাহিন আলম ও একইএলাকার হাফিজ সরদারের ছেলে সঞ্জু সরদার।আটককৃতদের ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের নিকট সোর্পদ করেছে র্যাব। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে।
ফকিরহাটে দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুতিমূলক সভা
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাট ইউএনও কার্যালয়ে রবিবার সকাল ১০টায় ঘুর্ণিঝড় ইয়াশ মোকাবেলায় প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা বেগম। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, দুর্যোগ মোকাবেলায় শুভদিয়া সাইক্লেন সেন্টার সহ ফকিরহাটে মোট ৯২টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত খোলা থাকবে। প্রস্তুত থাকবে মেডিকেল টিম, খাদ্য সামগ্রী, সুপেয় পানীর ব্যবস্থা। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহিদ সুজা, এসিল্যান্ড রহিমা সুলতানা বুশরা, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ মো: খায়রুল আনাম,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: অসিম কুমার সমাদ্দার, ইউপি চেয়ারম্যান খান শামিম জামান পলাশ, এ্যাড: হিটলার গোলদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: নাছরুল মিল্লাত, প্রকল্প বাস্তাবায়ন অফিসার সাঈদা দিলরুবা সুলতানা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ কুমার নন্দী প্রমূখ।
ফকিরহাটে উদ্ধার যুবককে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধার হওয়া যুবকের পরিচয় মিলেছে। রবিবার সকালে ওই যুবককে তার মাতা রহিমা আক্তারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ফকিরহাট মডেল থানার এসআই এম এম রায়হান জানান, উদ্ধার হওয়া যুবক খুলনার নতুন বাজার এলাকার মো: ফজলুল হক মনির ছেলে হৃদয় হোসেন বাবু (২০)। এ ব্যাপারে তার মাতা রহিমা আক্তারের সাথে কথা বলে জানা গেছে সে, গত এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ ছিল। সে বর্তমানে কিছুটা মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন। কেন এমন অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন,তার পুত্র হৃদয় গত ৩/৪বছর পূর্বে যখন এইচএসসি পরীক্ষার্থী তখন তার সামনে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় একজন মারা যান। যা তার সামনে ঘটে। এরপর সেথে সে মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে। দরিদ্র মাতা ওই যুবকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
ফকিরহাট প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ বিবৃতি
ফকিরহাট প্রতিনিধি
ফকিরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. কাজী ইয়াছিনের নামে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকম মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। মিথ্যা তথ্য প্রকাশকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফকিরহাট প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শেখ আসাদুজ্জামান, আমিরুল ইসলাম, শেখ ওবায়েদ হাসান রনি, সাধারন সম্পাদক খান মোঃ আল-আওয়াল মনি, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক রামিম চৌধুরী, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শেখ সৈয়দ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আকাশ বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম, ধর্ম ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বাবু, ক্রীড়া সম্পাদক খান গোলাম মুরশিদ, প্রচার সম্পাদক শেখ শাহিন উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য বখতিয়ার মোড়ল, প্রভাকর বিশ্বাস, সহযোগী সদস্য সজল আহম্মেদ, বিজন কুমার দেওয়ান, মিজানুর রহমান লিটন, আরিফুল ইসলাম, শুকুর আলী, রনি চৌধুরী, মেহেদি হাসান কাজল।
বাগেরহাটে অবৈধভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধের প্রতিবাদে সভা অনুষ্ঠিত
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে অবৈধভাবে চলাচলরত মাহেদ্র,ইজিবাইক,নছিমন,করিমন,অটোভ্যান বন্ধের প্রতিবাদে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৩ মে) দুপুরে বাগেরহাট আন্তঃ জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, বাগেরহাট আন্তঃ জেলা বাস-মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল বাকী,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান রিপন, লাইন সম্পাদক মোঃ নকীব মাসুদুর রহমান,রুপসা বাগেরহাট আন্তঃ জেলা বাস-মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ বাবু কমলেশ দাস,মোঃ হেমায়েত উদ্দিন,মোঃ রেজাইল মোল্লা,মোঃ বাবু,মোঃ মেহেদী শেখ,মোঃ মফিজ সেখ,মোঃ আজিজুল শেখ,মোঃ সোহেল আকন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, করোনায় লগ-ডাউনের পর থেকে মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচলেন অবাধ বিচরন বেড়ে গেছে। এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চলাচল শুরু হয়েছে । মহাসড়কে যদি এসকল অবৈধ যান চলাচল করে তাহলে সাধারন মানুষের ভোগান্তি ও বড় দুর্ঘটনার আশংকা বেড়ে যাবে। এজন্য দ্রুত মহাসড়ক থেকে এ সকল অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের জোর দাবি জানান এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা ।
মহেশপুরে মেম্বার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অতিদরিদ্রদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
শামীম খান,মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিধাব ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, ভিজিএফ সহ অতিদরিদ্রদের জন্য দেওয়া সরকারের বিভিন্ন বরাদ্দ বিতরণে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভারতীয় সীমান্তঘেষা এ উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল মোমিন ও তার তিন সহযোগী আক্তার হোসেন, রেজাউল ইসলাম বুদো এবং সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এরমধ্যে আক্তার হোসেন নিজেকে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি বলে দাবি করেন। স্বরুপপুর ইউনিয়নের চাপাতলা ও হানিফপুর গ্রাম নিয়ে ৬নং ওয়ার্ড।
তাদের অভিযোগ সরকারের দেওয়া বিভিন্ন বরাদ্দের কার্ড করে দেওয়ার নাম করে ৫০০ থেকে দশ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন। কার্ড করে দিতে না পারায় চাপের মুখে অনেকের টাকা ফেরতও দিয়েছেন। তবে অভিযুক্তরা এসব অস্বিকার করেছেন।
চাপাতলা গ্রামের জহির হোসেন জানান, প্রায় ৫ মাস আগে ১০ টাকা মূল্যের কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে সাইফুল ইসলাম ৭০০ টাকা নেয় কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন কার্ড করে দিতে পারেনি।
একই গ্রামের বসির হোসেন নামের এক যুবক জানান, আমার স্ত্রী আখি তারা প্রথম সন্তানের মা হয়েছে। ৬ থেকে ৭ মাস আগে আমার স্ত্রীর মাতৃকালীন ভাতা করে দেবেন বলে আক্তার হোসেন আমার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা নেন। কিন্তু কার্ড করে দিতে পারেননি। পরে স্থানীয়দের কাছে বলে অনেক চাপাচাপি করার পর টাকা ফেরত দিয়েছে। এখন আমাকে মারার জন্য হুমকি দিচ্ছে।
চাপাতলা গ্রামের আখের আলীর কাছ থেকে টিন দেওয়ার নাম করে ৫০০ টাকা নিয়েছিল কিন্তু আজও টিন পায়নি এই বৃদ্ধ। একই গ্রামের বৃদ্ধা রাহিমা বেগম ও হাসু বুড়ির কাছ থেকে টিন দেওয়ার নাম করে ৪০০ টাকা নেয় কিন্তু ৬ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো টিন পায়নি তারা।
অভিযুক্ত আক্তার হোসেন জানান, আমি দির্ঘদিন ঢাকায় ছিলাম। এখন বাড়িতে এসে সীমান্তের গুড়দাহ বাজারে ব্যবসা করি। আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। তবে কথা শেষ হওয়ার আগে নিউজটি না করার জন্য এ প্রতিবেদককে অনুরোধ করেন অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা আক্তার।
হানিফপুর গ্রামের মশিউর রহমান জানান, চার থেকে পাঁচ মাস আগে আমার একটি ঘর করে দেওয়ার জন্য মেম্বার আব্দুল মোমিন ২০ হাজার টাকা নেয় কিন্তু ঘর করে দিতে না পারায় এক সপ্তাহ আগে সে টাকা ফেরত দিয়েছে। একই গ্রামের আসমা নামে এক গৃহবধূও কাছ থেকে ঘর করে দেওয়ার কথা বলে ১০ হাজার টাকা নিয়ে ঘর করে দিতে পারেনি। এখন টাকা চাইলে টাকাও দিচ্ছে না।
ইউপি মেম্বার আব্দুল মোমিন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বিকার করে জানান, আমার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ কুৎসা রটাচ্ছে। মেম্বার মোমিন আরো জানান, হানিফপুর ও চাপাতলা নিয়ে ৬নং ওয়ার্ড। আমার বাড়ি হানিফপুর। আক্তার ও সাইফুলের বাড়িচাপাতলা। যে কারনে ওই গ্রামের সরকারের বিভিন্ন ভাতাভোগিদের কার্ড তাদের কাছে দিলে তারা বিতরণ করেন। এখন কার্ড বিতরণের সময় তারা কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকলে সেটা তাদের ব্যপার।
স্বরুপপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, সরকারের দেওয়া অতিদরিদ্রদের দেওয়া ভাতা বা চাউলের কার্ড বিতরণের জন কেউ টাকা নিয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তবে কেউ যদি টাকা নিয়ে থাকে অভিযোগ পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাড়ী ফেরার পথে মহেশপুরে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পর কুপিয়ে আহত করা হয়েছে
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
রাতে বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মটর সাইকেল যোগে বাড়ী ফেরার সময় মহেশপুর শহরের কপোতাক্ষ মোড় নামক স্থানে তার মটর সাইকেলের গতিরোধ করে ৭৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে মাসুদ রানাকে (৪৫) কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। পরে পথচারীরা আহত মাসুদ রানাকে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহত মাসুদ রানা মহেশপুর পৌর এলাকার নওদাগ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মহেশপুর শহরের কপোতাক্ষ মোড় নামক স্থানে।
আহত মাসুদ রানা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমি আমার বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ী যাওয়ার পথে কপোতাক্ষ মোড় নামক স্থানে পৌছালে জলিলপুর মাঠ পাড়ার আমজাদ হোসেন ও সুমনসহ ৬/৭ জন আমার মটর সাইকেল গতিরোধ করে টাকা দাবি করে। এ সময় তারা আমার পকেটে থাকা ৭৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে আমাকে কুপিয়ে আহত করে ফেলে রেখে যায়।
এ ঘটনায় গতকাল রোববার সকালে আহত মাসুদ রানা বাদি হয়ে আমজাদ হোসেন ও সুমনসহ অজ্ঞাত নামা কয়েক জনকে আসামী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।











































