ঢাকা অফিস।।
‘করবো কাজ, গড়বো দেশ’ নীতির ভিত্তিতে বিভিন্ন খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি কৌশলের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ’ নীতির ভিত্তিতে বিভিন্ন খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি কৌশলের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। কারণ একটি অর্থনীতি যখন শিল্প ও উৎপাদন খাতের গতিশীলতা হারায়, তখন কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হয় এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়।
বিগত সময়ে দেশের শ্রমবাজারে এই প্রবণতা স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। গত এক দশকে কৃষিখাতে মোট মূল্য সংযোজনের অংশ কমলেও শিল্প ও সেবা খাতের অবদান বৃদ্ধি পেয়েছে; কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, এই সময়ে কৃষিখাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে, বিপরীতে শিল্প ও সেবা খাতে কর্মসংস্থান প্রত্যাশিত হারে বাড়েনি।
তিনি বলেন, সরকার শিল্প, সেবা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং আধুনিক কৃষিভিত্তিক শিল্পে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ, তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহায়তা এবং নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সুযোগ বৃদ্ধি করা হবে।
একইসঙ্গে উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানিমুখী শিল্প সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে মধ্যমেয়াদে কর্মসংস্থানের কাঠামোগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা হবে। এ ছাড়া ক্রিয়েটিভ খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। সরকারের এই সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে একটি উৎপাদনশীল, দক্ষ এবং টেকসই কর্মসংস্থানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে, যা আয় বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করবে










































