Home আঞ্চলিক সিপাহী-জনতা জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশে সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতাকে সুসংহত করেছিলেন

সিপাহী-জনতা জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশে সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতাকে সুসংহত করেছিলেন

5

৭ নভেম্বরের আলোচনা সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ

খবর বিজ্ঞপ্তি।

খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে ৭ নভেম্বর থেকেই একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করার সেই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল এবং এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান। সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানেই বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেছেন নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে ৭ নভেম্বর সিপাহী ও বিপ্লব দিবসের আলোচনায় বক্তারা আরো বলেন, যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কারণে ৩ নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা হয়েছিল, সেই চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দিয়ে এদেশের দেশপ্রেমিক সিপাহী এবং জনগণ ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশে সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতাকে সুসংহত করেন। একই সঙ্গে গণতন্ত্রের যে পথ সেই পথের নতুন সূচনা করেন। আজকের এই দিনটি বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজকে দেশ একই ভাবে ১৯৭৫ এর পূর্বে যে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, জনগণের অধিকারকে হরণ করা হয়েছিল, আজকে আবার ঠিক একই কায়দায় বাংলাদেশের জনগণের অধিকারকে হরণ করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়ে আওয়ামী লীগ জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। আজকে দিনের শপথ হোক, আমরা গণতন্ত্রকে উদ্ধার করবো, মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব এবং এই গণতন্ত্রের সংগ্রামকে অবশ্যই জয়ী করবো ইনশাআল্লাহ।

খুলনা মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা শাহারুজ্জামান মোর্তজার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন মহানগর বিএনপি নেতা সাবেক ছাত্রনেতা শফিকুল আলম তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হাসান দুলু।

সাবেক ছাত্রদল সভাপতি বিএনপি নেতা মাসুদ পারভেজ বাবুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কে এম হুমায়ুন কবীর, জামাল হোসেন তালুকদার, মাহাবুব হাসান পিয়ারু, তৈয়েবুর রহমান, শফিকুল ইসলাম হোসেন, আল জামাল ভূঁইয়া, একরামুল হক হেলাল, এহতেশামুল হক শাওন, আজিজা খানম এলিজা, নিঘাত সীমা, আব্দুল আজীজ সুমন, তরিকুল ইসলাম, হেলাল আহম্মেদ সুমন, আতাউর রহমান রুনু, মেহেদী মাসুদ সেন্টু, শরিফুল ইসলাম টিপু, আনোয়ার হোসেন আনো, নাদিমুজ্জামান জনি, মিরাজুল রহমান, মাহমুদ হাসান বিপ্লব, আসাদুজ্জামান আসাদ, মনিরুজ্জামান মনি, জুয়েল, শামসুন্নাহার লিপি, মইদুল হক টুকু, সোহরাব হোসেন, নাসরিন শ্রাবণী, মিজানুর রহমান বাবু প্রমুখ।