Home আঞ্চলিক ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দু প্রথম পক্ষের নিজ সন্তান কর্তৃক অপহৃত অভিযোগ...

ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দু প্রথম পক্ষের নিজ সন্তান কর্তৃক অপহৃত অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রী’র

39

স্টাফ রিপোর্টার।।

বড় বাজারের ব্যবসায়ী, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা কালী শংকর সাহা অরবিন্দু তার প্রথম পক্ষের সন্তান কর্তৃক অপহৃত হয়েছেন বলে অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

সোমবার (১১ মে) খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন দ্বিতীয় স্ত্রী অনামিকা দাস (পপি)। এ বিষয়ে খুলনার সিএমএম আদালতে একটি অপহরন মামলাও চলমান রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে অনামিকা দাস (পপি) অভিযোগ করেন, ’কালী শংকর সাহা অরবিন্দুর প্রথম স্ত্রী মারা গেছেন চার বছর। তার এক ছেলে চিকিৎসক হিমেল সাহা দিঘলিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছে। এক মেয়ে বিদেশে থাকে। কিন্তু তার ছেলে তাকে দেখাশোনা করে না। তার খাওয়া দাওয়ার সমস্যা হয়। এমনকি তাকে শারিরীক ভাবে মারধর করে তার ছেলে ডাঃ হিমেল সাহা ও পুত্রবধূ তন্নী দেবনাথ।

এদিকে তার বয়স হয়েছে সে নিজেও সকল কাজ করতে পারেন না। তার পুত্র ও পুত্রবধূ এতটাই বেপড়োয়া যে তার বড় বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়েও তারা তাকে মারধর ও আজে বাজে কথা বলে। এমত অবস্থায় তার স্বামী কালী শংকর সাহা অরবিন্দু তাকে গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী রেজিষ্ট্রি করে বিবাহ করে। এর পরপরই তার প্রথম ঘরের সন্তান ডাঃ হিমেল সাহা ও তার পূত্রবধূ তন্নী দেবনাথ তার উপর অমানুষিক অত্যাচার শুরু করে। আমাকে বাড়ি ঢুকতে দেয় না।

রাস্তাঘাটে ও ফোনে নানাভাবে অপমান ও হুমকি ধামকি দিতে থাকে। এমত অবস্থায় গত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আমার স্বামী কালী শংকর সাহা অরবিন্দু আমাকে ফোন দিয়ে যানায় তার ছেলে ও পুত্রবধূ তার ফোন কেড়ে নিচ্ছে এবং তাকে খুলনা থেকে জোর করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছে। বিদেশে থাকা তার একমাত্র কন্যার নিকট পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এরপর থেকে আমরা তাকে আর ফোনে পাচ্ছি না। তার বাড়িতে গেলেও তার খোঁজ খবর কেউ দিতে পারছে না।

এমত অবস্থায় আমরা খুলনা সদর থানায় অভিযোগ জানালে সদর থানা পুলিশ অজ্ঞাত কারনে আমাদের অভিযোগ গ্রহন করতে অস্বীকার করেন। পরে আমরা বিজ্ঞা আদালতে সরনাপন্ন হয়। আদালত আমাদের মামলা গ্রহন করে সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করে। খুলনা সিএমএম আদালতে গত ২২.০৪.২৬ তারিখে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং সি আর-৯৪১/২৬। ‘

মহামান্য আদালতের নির্দেশে খুলনা সদর থানা পুলিশ তদন্ত শরু করে। কিন্তু খুলনা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্তে এসে দায় সারা তদন্ত করে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। আমরা এই পূনর্ তদন্তের আবেদন জমা দিয়েছি। একজন নিখোঁজ ব্যাক্তিকে খুঁজতে গিয়ে পুলিশ তিনি নিখোঁজ এই প্রতিবেদন দিচ্ছে।

এমত অবস্থায় অমানুষ সন্তান কর্তৃক একজন বয়বৃদ্ধ পিতাকে রক্ষায় সমাজের সকল স্তরের দায়িত্বশীলদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন তিনি। পাশাপাশি কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে খুঁজে বের করার জন্য সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন তিনি।