বিনোদন ডেস্ক।।
দেশের বিনোদনজগতের জনপ্রিয় মডেল, নৃত্যশিল্পী ও অভিনয়শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ১৯৮৯ সালে প্রথম মডেলিংয়ে পা রাখেন মৌ। একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনের জন্য সে সময় তার সঙ্গে রেকর্ড ১ লাখ টাকা পারিশ্রমিকের চুক্তি করা হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনিই বাংলাদেশের সর্বাধিক পারিশ্রমিক পাওয়া নারী মডেল।
১৯৭৬ সালের ২১ জুন জন্মগ্রহণ করা এই তারকার বর্তমানে ৪৯ বছর ১১ মাস চলছে বয়স। তবু নিজেকে তিনি ধরে রেখেছেন ফিট, সুস্থ, প্রাণোচ্ছ্বাসে ভরপুর আকর্ষণীয় এক নারী হিসেবে। তার এই ফিট থাকার আসল রহস্য কী? সেই তথ্য ফাঁস করলেন নিজেই।
সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, ‘আমার ছেলে হওয়ার পরে প্রচন্ড মোটা হয়ে গেছিলাম। তারপর আমি একজন নিউট্রিশনিস্টের তত্ত্বাবধানে ছিলাম। তার পরামর্শ মেনে নিজেকে সুস্থ রেখেছি, ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। তিনি ডক্টর শম্পা। উনার আন্ডারে আমি নয় মাস একটা ডায়েট করেছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ অনেক কথা বলে যে আমি ওষুধ খেয়েছি। পেট কেটেছি, এই সেই। আসলে এসব কিছুই করিনি। একটা নিউট্রিশনিস্টের আন্ডারে আমি ডায়েট করেছি নয় মাস। এবং ওই নয় মাসে আরেকটা জিনিস আমার কমন ছিল। সেটা হলো ৪০ মিনিট থেকে এক ঘন্টা হাঁটা। হাঁটার উপরে কোন এক্সারসাইজ নাই। হ্যাঁ, হাঁটলে মনটাও ভালো থাকবে দেখবেন। এক ঘন্টা হেঁটে বাড়ি ফিরে দেখবেন আপনার মনটা আসলে অন্যরকম হয়ে যাবে। অনেক ভালো লাগবে।’
এখন আর সেভাবে মডেলিং করেন না মৌ। তবে নৃত্যে এখনো সরব তিনি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্টেজে নৃত্য পরিবেশন করেন মৌ। তিনি কাজ করেন নাটকেও। তার অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘চিত্রাঙ্গদা’, ‘শ্যামা’, ‘মায়ার খেলা’, ‘চণ্ডালিকা’ ও ‘নকশীকাঁথার মাঠ’ ইত্যাদি। এছাড়াও তিনি অভিনয় করেছেন ‘অল দ্য বেস্ট’, ‘বদনাম’, ‘মনে পড়ে রুবি রায়’, ‘নীল আকাশ প্রেম বিষ’ ইত্যাদি টিভি নাটকে।
পেশাগতভাবে বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফা)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ব্যক্তি জীবনে নন্দিত অভিনেতা জাহিদ হাসানের স্ত্রী মৌ। পুষ্পিতা ও পূর্ণ নামে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।








































