ক্রীড়া ডেস্ক
কোপা দেল রের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বড় ধাক্কা খেল বার্সেলোনা। গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়ার আত্মঘাতী ভুলে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে কাতালানরা। এরপর একের পর এক আক্রমণে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের জয়ে ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল দিয়েগো সিমেওনের দল।
বৃহস্পতিবার রাতে ওয়ান্দা মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল স্বাগতিকরা। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে এরিক গার্সিয়ার ব্যাকপাস ধরতে গিয়ে অবিশ্বাস্য ভুল করেন গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া। সহজ বল নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলে সেটি জালে জড়িয়ে যায়। অপ্রত্যাশিত ওই গোলেই ম্যাচের ছন্দ পেয়ে যায় অ্যাটলেটিকো।
১৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আন্তোনিও গ্রিজমান। নাহুয়েল মোলিনার পাস ধরে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ তৈরি করতে থাকে স্বাগতিকরা। ৩৩তম মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের বাড়ানো বল থেকে দলের তৃতীয় গোলটি করেন আদেমোলা লুকমান।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে চতুর্থ গোল পায় অ্যাটলেটিকো। বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে ব্যবধান আরও বাড়ান আলভারেজ। বিরতিতে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে সিমেওনের দল।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বার্সা। ৫২তম মিনিটে পাউ কুবার্সি বল জালে পাঠালেও দীর্ঘ ভিএআর পরীক্ষার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।
এরপর আক্রমণভাগে ধার হারায় দুই দলই।
ম্যাচের শেষ দিকে আরও বিপদে পড়ে বার্সেলোনা। আলেক্স বায়েনাকে ফাউল করায় এরিক গার্সিয়াকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও ভিএআর দেখে লাল কার্ডে বদলে দেন রেফারি। পরে দানি ওলমোকে ঘিরে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে আরও কয়েকটি হলুদ কার্ড দেখানো হয়।
শেষ দিকে ফেররান তোরেসের একটি হেড পোস্ট ঘেঁষে বাইরে গেলে গোলের দেখা আর পায়নি বার্সা।
গত আসরেও সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। সেবার ফিরতি লেগে জয় পেয়ে ফাইনালে উঠে শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছিল বার্সেলোনা। তবে এবার সমীকরণ কঠিন। আগামী ৩ মার্চ ক্যাম্প ন্যুয়ে ফিরতি লেগে বড় ব্যবধানে জিততে না পারলে বিদায় নিশ্চিত হবে হান্সি ফ্লিকের দলের।










































