ক্রীড়া প্রতিবেদক।।
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির বৃত্তি নিয়ে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন শুটার কামরুন নাহার কলি। অথচ শুটিং কর্তা জিএম হায়দার সাজ্জাদের যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাকে শোকজ ও বহিষ্কার করেছিল শুটিং ফেডারেশন। এবার এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছেন কর্তারা। বিষয়টি নিয়ে চরম হতাশায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। এখনও জানে না জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তবে জানতে পারলে ব্যবস্থা নেবে তারা।
সাজ্জাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আগেই ছিল। তবুও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া যুগ্ম সম্পাদক পদে সেই সাজ্জাদকে রেখেই শুটিং ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করেন। এতেই ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন শুটাররা। প্রতিবাদে মুখর হয় ওঠেন কামরুন নাহার কলিসহ অনেকেই। বিশৃঙ্খলার অভিযোগ এনে মাসখানেক আগে কলিকে সাময়িক বহিষ্কার ও কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছিল ফেডারেশন। কলি নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেও ফেডারেশনের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হয়নি। উল্টো ফেডারেশন কোড অব কন্ডাক্ট ভঙ্গের জন্য তাকে এক বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিল। বিজ্ঞপ্তিতে ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ ভাঙার অভিযোগ আনা হয়। ফেডারেশনের এমন সিদ্ধান্তে হতাশ বিওএ।
মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান বলেন, ‘কলির বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করছিলাম। ১৭ ফেব্রুয়ারি ফেডারেশনের সঙ্গে সভা হওয়ার দিনক্ষণ নির্ধারিত ছিল। এর মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত অনভিপ্রেত। যেহেতু সে আইওসি স্কলারশিপ হোল্ডার, তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ফেডারেশনের উচিত ছিল বিওএর সঙ্গে আলোচনা করা। তবে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে যৌক্তিক অবস্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।’ তিনি যোগ করেন, ‘সামনেই কমনওয়েলথ ও এশিয়ান গেমস। তার আগে এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসানের কথা, ‘আমরা এখনও জানি না। তবে জানতে পারলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে যে, সভার আগেই কেন কলিকে নিষিদ্ধ করা হলো।’











































