স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর সদর থানার জাতীয়তাবাদী যুবদলের ২১ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ কবির হোসেনকে শনিবার দিবাগত রাত ১ টায় সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে। এলাকায় ত্রাসসৃষ্টি করতে কয়েকটি ককটেলর বিস্ফোরণ ঘটায়। এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পরে।
স্হানীয় ও ভুক্তভোগীর পরিবার সুত্রে জানাযায়, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১ টায় একদল সন্ত্রাসী যুবদল নেতা কবির হোসেনের বাড়িতে এসে বিভিন্ন গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বাধ্য করে। পরে তারা কবিরকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে এলোপাতাড়ি ধারালো অস্ত্র ও হকিস্টিক দিয়ে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তারা এলাকায় ত্রাসসৃষ্টির জন্য ৫/৬ টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। সুত্র জানায় যুবদল নেতা কবির হোসেনের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্ষা করতে গেলে তাদের উপরেও চড়াও হয় এবং হকস্টিক দিয়ে কয়েকটি আাঘাত করে।
স্হানীয়রা দ্রুত কবির হোসেনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে বলে তার কন্যা শামসুন্নাহার জানান।কবির হোসেনের কন্যা জানান, সন্ত্রাসীরা তার পিতাকে হত্যার উদ্দেশ্য রড হাতুড়ি হকিস্টিক সহ বিভিন্ন ধরনের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।
সন্ত্রাসীরা তার মাকে পিস্তল ঠেকিয়ে নানা রকম ভয়ভীতি দেখায় এবং তাদের বিরুদ্ধে কথা না বলতে হুমকি প্রদান করে। তারা এ সময় তাদের বাড়ির সামনে পাঁচটা বোমা বিস্ফোরণ করে।
অবস্থায় রাখা হয়েছে। রবিবার রাতে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানোয়ার হোসেন কবির হোসেনের বাড়িতে যান এবং তার পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনার অভিযোগ শোনেন। তিনি তাদেরকে এজাহার দেয়ার আহবান জানান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, এ বাপারে তদন্ত চলছে। অপরাধীদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।










































