৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাথে মতবিনিময় সভা
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের কান্ডারী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সংস্কার রাষ্ট্রের চলমান প্রক্রিয়া। সংস্কার কখনও থেমে থাকে না। আগে সংস্কার পরে নির্বাচন-এটা অর্থবহ নয়। আসলে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংস্কার, প্রশাসন সংস্কার, নির্বাচন কমিশন সংস্কারসহ অত্যাবশ্যকীয় অন্যান্য সংস্কার দ্রুত শেষ করতে হবে। কারণ, বিগত সাড়ে পনের বছরের মধ্যে অনুষ্ঠিত তিনটি সাধারণ নির্বাচনে নতুন প্রজন্ম ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। তারা ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। বিএনপি গত ১৭ বছর ধরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে সংগ্রাম করেছে।
বুধবার (৯ জুলাই) রাতে নিজস্ব বাসভবনে ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সার্চ কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গত বছর জুলাই মাসে ‘কোটা বিরোধী’ আন্দোলনে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর রক্তের বিনিময়ে আগস্টে তা স্বৈরাচার মুক্তির আন্দোলনে রূপান্তিত হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা কাপুরুষের মত দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। আগস্টে ছাত্র-জনতার যে আন্দোলন সেটা ছিল স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকরের বিরুদ্ধে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এটি শুধু গণতান্ত্রিক আন্দোলন নয়, অর্থনৈতিক অধিকারের আন্দোলনও। সেই আন্দোলনে দেশের সাধারণ ছাত্রদের সঙ্গে সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ছিল।
বকুল বলেন, বিএনপি আজ যে অবস্থানে এসেছে, তার পেছনে দীর্ঘ ত্যাগ রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতায় নতুন প্রজন্মকে রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে হবে। দলের আদর্শ, উদ্দেশ্য ও নীতিমালার প্রতি আনুগত্য বজায় রেখে তৃণমূলে বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করাই এখন সময়ের দাবি।
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব কাজী শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি আরো বলেন, কোনো ব্যক্তি বিশেষের কারণে যদি দলে হানাহানি বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের নেতা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যে যত বড় ত্যাগী নেতাই হোন, অতীতে ত্যাগ করলেও এখন যদি দলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, তবে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে দলের একটুও দ্বিধা থাকবে না। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনমত গঠনের বিকল্প নেই। দলীয় সাংগঠনিক শক্তিকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও জোরদার করতে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
সভায় খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, স্বৈরাচার চলে গেলেও তার মানসিকতা এখনো সমাজে রয়ে গেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। এই বিজয় ধরে রাখতে প্রয়োজন ধৈর্য ও সহনশীলতা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, বিএনপি নেতা চৌধুরী শফিকুর রহমান হোসেন, খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাসসহ খালিশপুর থানা ও ৯ নং বিএনপির অনেকে।











































