মিলি রহমান
শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে দেখা দিতে পারে একাধিক সমস্যা। বিশেষ করে হাঁটু, গোড়ালি বা পায়ের পাতায় ব্যথা ও ফোলাভাব খুব সাধারণ লক্ষণ। সাথে যন্ত্রণাও হতে পারে অসহ্য। ইউরিক এসিড বাড়লে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যায়, ফলে শরীরে টক্সিন ঠিকমতো বের হতে পারে না।
এর ফলে দেখা দেয় ফ্লুইড রিটেনশন অর্থাৎ শরীরের বিভিন্ন অংশে অস্বাভাবিক ফোলাভাব। ইউরিক এসিডের মাত্রা বেশি থাকলে উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, বাত ও কিডনিতে পাথরের মতো অসুখ হতে পারে। তাই সময় থাকতে সতর্ক হওয়াই ভালো।
চলুন, জেনে নিই কিছু ঘরোয়া পানীয় সম্পর্কে যা নিয়মিত পান করলে ইউরিক এসিড কমে যেতে পারে ও ওষুধ ছাড়াই উপশম মিলতে পারে।
জিরা পানি : রাতে এক চামচ জিরা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানি ছেঁকে খালি পেটে খান। এটি হজমে সাহায্য করে, শরীর ডিটক্সিফাই করে এবং ইউরিক এসিড কমাতে সহায়ক।
লেবু পানি : হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে শরীর থেকে অতিরিক্ত ইউরিক এসিড সহজে বের হয়। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি এ ক্ষেত্রে সাহায্য করে।
আদা চা : আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান বদহজম কমায় ও ইউরিক এসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। বাতের ব্যথাও উপশম হয়।
তুলসি চা: তুলসি দিয়ে তৈরি চা কিডনির কাজকে সক্রিয় করে তোলে, ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত ইউরিক এসিড দূর হয়।
হলুদ-দুধ: গরম দুধে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে খেলে শরীরের প্রদাহ কমে ও ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে থাকে। হলুদে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান।
এ ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো সাধারণ পরামর্শস্বরূপ। আপনার সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সূত্র : এবিপি










































