সোনাডাঙ্গায় অপহরণ করে ২লাখ টাকা মুক্তিপনের মামলার দু’আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ
স্টাফ রিপোর্টার
সোনাডাঙ্গা ট্রাকস্ট্যান্ড রোডস্থ মুসার গলি হতে বেগ রাজুতুল ইসলাম (৩২) নামের এক যুবককে অপহরণ করে শিববাড়ি মোড়ে হোটেল সিটি ইন এর পিছলে রাসেল জিমে আটকে রেখে ২লাখ টাকা মুক্তিপনের মামলার দু’আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
গতকাল বুধবার রিমা- শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম এ আদেশ প্রদান করেছেন। গতকাল সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রহিত কুমার বিশ্বাস দু’আসামিকে আদালতে হাজির করে ৫দিনের রিমা-ের আবেদন করেছিলেন। আসামিরা হলেন নগরীর ২৯৭/২ বড় বয়রা জংশন রোডের আশরাফুজ্জামানের ছেলে মো. সিরাজুম মুনীর খান (৪৩) ও জয়খালি কৈয়া বাজার এলাকার মৃত. ইয়াকুব আলি আকনের ছেলে মো. রাসেল আকন (৩০)। এ মামলার অপর আসামি ইকবাল নগর মসজিদের পাশের বাসিন্দা ডলার (৩৮) পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে সোনাডাঙ্গা ট্রাকস্ট্যান্ড রোডস্থ মুসার গলির ফিরোজ নেভীর বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত. বেগ জমির উদ্দিন নান্নুর ছেলে বেগ রাজুতুল ইসলামকে বাসার সামনে এসে ডাক দেয় আসামিরা। এসময় সে বেরিয়ে আসলে ৩টি মোটরসাইকেলে আসা ৫/৬জন তাকে জোরপুর্বক অপরহণ করে শিববাড়ি মোড়ে হোটেল সিটি ইন এর পিছলে রাসেল জিমে আটকে রাখে। পরে ২লাখ টাকা মুক্তিপনের জন্য বাসায় ফোন দিতে বলে। তাদের কথামত মুক্তিপনের ২লাখ টাকা নিয়ে রাজুতুলের মামা মাহবুবুল হক ও চাচা বেগ ফেরদৌস বিভাগীয় জাদু ঘরের সামনে আসে। এসময় ডলার টাকা নিয়ে এসে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ হোটেল সিটি ইন এর পিছলে রাসেল জিম থেকে অপহৃত রাজুতুলকে উদ্ধারপুর্বক সিরাজুম মুনীর খান ও রাসেল আকনকে গ্রেফতার করে। এঘটনায় বেগ রাজুতুল ইসলাম বাদী হয়ে ৩জনের নাম উল্লেখ ও ৪/৫জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং- ৭।
ডুমুরিয়ায় ভোক্তা অধিকারের বাজার তদারকিতে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
স্টাফ রিপোর্টার
শাহাপুর ও থুকড়ো বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা জেলা কার্যালয়ের পৃথক দুটি বাজার তদারকিতে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ১১হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জরিমানার আদেশ প্রদান করেছেন।
জেলা কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, নিউমার্কেট এলাকায় তদারকি করে মূল্যবিহীন বিদেশী কসমেটিকস রাখায় আমান ট্রেডার্সকে একহাজার টাকা এবং পৃথক আরেকটি অভিযানে ডুমুরিয়া উপজেলার শাহাপুর বাজারে তদারকি করে মূল্য বিহীন বিদেশী কসমেটিকস রাখায় অয়ন কসমেটিকসকে ৫হাজার, মেয়াদ, মূল্য বিহীন বোতলজাত ঘি রাখায় আদি ঘোষ ডেয়ারিকে ২হাজার এবং থুকড়ো বাজারে মূল্যবিহীন বিদেশী কসমেটিকস রাখায় মা এন্টারপ্রাইজকে একহাজার ও মাওয়া কসমেটিকসকে ২হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।
এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানানোসহ সচেতন করা হয়। এই পরিদর্শন মূলক বাজার অভিযানে সার্বিক সহায়তা করেন ৩ এপিবিএন, খুলনা। জনস্বার্থে এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নগরীতে গুরু মা’র মৃত্যু বার্ষিকী পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীর ৬৪, স্যার ইকবাল রোডস্থ বাইতিপাড়ার জটাধারী বেদ আশ্রমের প্রধান কার্যালয়ে গুরু মা’র আরুতী দেবীর ৩৩তম এবং হরিশচন্দ্র দেবনাথের ২৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় সম্পুর্ন ঘরোয়া পরিবেশে দিবসটি মাতুয়া সম্প্রদায়ের ভাবগাম্ভীর্য সহকারে পালিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে পৌরোহিত করেন মতুয়া ডাক্তার সমেন দেবনাথ। তিনি বলেন, “সনাতন ধর্মের যে সম্প্রদায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের মতাদর্শে অনুপ্রেরিত হয়ে হরিনামে প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে মানব সেবা, হরিবন্ধনা, দ্বাদশ আজ্ঞা, মনে প্রানে মানেন, বিশ্বাস করেন বা মানার চেষ্টা করেন তারাই মাতুয়া”। অনুষ্ঠানে মাতাজীর কর্ম সাধনা ও জীবনী সম্পর্কে আলোচনা ও গুরু প্রার্থনা করেন উমা দেবনাথ। হবি লীলামৃত পাঠ করেন মিলন দেবনাথ। অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেন বীনা পানি দেবী, সোমা দেবনাথ, সৌমিত দেবনাথ, শিখা ভদ্র, তমা সাহা, আশুতোষ অধিকারী, পুষ্পমালা দেবী প্রমুখ।
খুলনা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে এসডিজি ফোরামের ভার্চুয়াল গণশুনানী
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সঙ্গে জেলা-উপজেলা এসডিজি ফোরামের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জুম প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়াল গণশুনানী বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানীর শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন এসডিজি ফোরাম খুলনা জেলা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির। রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ’র সঞ্চালনায় গণশুনানীর প্রশ্নোত্তর পর্বে আলোচনায় অংশ নেন ফোরামের জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, রূপসা উপজেলা কমিটির আহবায়ক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আহবায়ক ফারহানা আফরোজ মনা, রূপসা উপজেলা সদস্য সচিব জুলফিকার আলী, প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস ও দাকোপ উপজেলা আহবায়ক সঞ্জয় কুমার রায়। প্রশ্নোত্তর পর্বচলাকালীন সময়ে খুলনার জেলা প্রশাসক জনাব হেলাল হোসেন সকলের কথা শোনেন এবং সকল প্রশ্নের উত্তর দেন। এছাড়াও গণশুনানীতে খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডঃ সেলিনা আক্তার পিয়া, এস,এম মাহাবুবুর রহমান, ইউপি সচিব সিদ্ধার্থ শংকর ব্যানার্জী, জেসিকা সুলতানা, মনিরুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, এ্যাডঃ পপি ব্যানার্জী, মনিরা পারভীন ও রিমন রায়। এ সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব জিয়াউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোছাঃ শাহনাজ পারভীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আহসান উল্লাহ শরীফি, সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, সহকারী কমিশনার মোঃ তকী ফয়সাল তালুকদার।
গণশুনানীকালে রূপান্তর কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়ক এস,এম মঞ্জুরুল ইসলাম, মনিটরিং অফিসার ফারাহ বি তাবাসসুম, প্রজেক্ট অফিসার গোলাম মোস্তফা, বিপুল রায়, ধনঞ্জয় সাহা বাপি, মাসুদ রানা, ফাতেমা-তুজ-জোহরা ও তাসলিমা তাবাসসুম।
গণশুনানীতে উপজেলা তহশিল অফিসে গ্রাহক হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে ব্যবস্থা, ফুলতলার বিল ডাকাতিয়ার উন্নয়ন, রূপসায় খাস জমির সুষ্ঠু ব্যবহারসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। জেলা প্রশাসক বিষয়গুলোর ব্যাপারে তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বক্তারা: বর্তমান সরকার মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা দিতে সম্পুর্ন ব্যর্থ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা বলেছেন, সরকার বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের অতীতের সকল অর্জন ম্লান করছে। বাংলাদেশের কোন মহিলা আজ নিরাপদ নয়। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলির আঘাতে মা ও তার গর্ভস্থ সন্তানও নিহত হচ্ছে। রাস্তাঘাটে মা-বোনেরা আওয়ামী বখাটেদের হাতে প্রতি নিয়ত হেনস্থা হচ্ছে। ঘুমের মাঝেও মহিলাদের নির্মমভাবে কুপিয়ে আহত করা হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে মা-বোনদের এই স্বৈরচার-ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ঘরে-রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে স্বৈরচার পতনের শপথ গ্রহনের জন্য নেতৃবৃন্দ মহিলা দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলে ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর ও জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় স্থানীয় ৬নং কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। মহিলা দল, খুলনা মহানগর শাখা’র সাধারণ সম্পাদক সাবেক ভিপি আজিজা খানম এলিজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি জননেতা সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খান জুলফিকার আলী জুলু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল হাসান বাপ্পী, মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হাসান দুলু, মহানগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু। খুলনা জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সিতারা সুলতানা ও মহানগর মহিলা দলের নেত্রী শামসুন্নাহার লিপির সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা শেখ হাফিজুর রহমান, মল্লিক ইলিয়াস হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি ও খুলনা মহানগর সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক চৌধূরি শফিকুল ইসলাম হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা জেলা সভাপতি শামীম কবির, খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ তৈয়বুর রহমান, খুলনা মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নেহিবুল হাসান নেইম খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান রুনু, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন, খুলনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান, খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন,খুলনা মহানগর ছাএদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রাসেল,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ, মহিলা দল নেত্রী রেহানা ইসলাম, নিঘাত সিমা, নাসরিন হক শ্রাবণী, লিপি আক্তার, হোসনেয়ারা চাঁদনী, শাহনাজ সরোয়ার, লুবনা ইয়াসমিন, সুমা আক্তার, সোনিয়া খান, জাকিয়া সুলতানা, সালেহা, চমন আরা, শোভা, রুমা আক্তার, মদিনা আক্তার, লুসাই, লাকি আজমেরী প্রমুখ। সভায় নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে মহিলা। রাস্ট্র গঠনে মহিলাদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ৪২ বছর পূর্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী মহিলা দল গঠন করেন। শহীদ জিয়াই সর্বপ্রথম বাংলাদেশে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয় গঠন করেণ। শহীদ জিয়ার ধারাবাহিকতায় ৯১ সালে স্বৈরচার পতনের পর বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষিত করার লক্ষ্যে প্রথমে মেয়েদের প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং পর্যায়ক্রমে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত বিনা বেতনে ও পরবর্তীতে ডিগ্রী পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষাগ্রহনের ব্যবস্থা করেণ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া।
সীমান্ত থেকে ৭ রোহিঙ্গা নারী পুরুষ ও শিশুকে আটক করেছে বিজিবি
বেনাপোল প্রতিনিধি
ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত থেকে ৭ নারী , পুরুষ ও শিশুকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। বুধবার সন্ধ্যায় ভারতে পাচারের সময় পুটখালি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩ নারী, ৩ পুরুষ ও ১ শিশুকে আটক করে বিজিবি। এ সময় কোন পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি তারা। ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেঃ কর্নেল মনজুর ই এলাহী জানান,
বেনাপোলের পুটখালি সীমান্ত দিয়ে বেশ কিছু রোহিংগা নারী পুরুষ পাচার হয়ে ভারতে যাচ্ছে এমন ধরনের গোপন সংবাদ পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালিয়ে ৭ রোহিংগা নারী পুরুষ শিশু কে আটক করা হয়। আটকরা রোহিংগারা হলো মোঃ আব্দুল হালিম (৩৫) মোঃ কাওছার আলী (২২) মোসাম্মৎ খুশি বেগম (২১) সৈয়দুল কাউসার (২০) মোসাম্মৎ কোনাইসা বিবি (২০) মোহাম্মদ সালমান (৮) মোসাম্মৎ দিলজান খাতুন (১৬)। প্রত্যেকের বসবাস কক্সবাজার রোহিংগা ক্যাম্পে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
বর্ধিত সভায় তালুকদার আব্দুল খালেক: জাতির পিতার সংগঠন গড়তে হলে তাঁর আদর্শের পরীক্ষিত কর্মীদের দায়িত্ব দিতে হবে
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন,
জাতির পিতার সংগঠন গড়তে হলে তাঁর আদর্শের পরীক্ষিত কর্মীদের দায়িত্ব দিতে হবে। যারা দলকে বিক্রি এবং দলের নেতার সম্মান ক্ষুন্ন করবে না। তারাই হবে এবারের আওয়ামী লীগের নেতা। তিনি বলেন, নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকে দলে অনুপ্রবেশ করবে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। কোন অবস্থাতেই ওই সকল অনুপ্রবেশকারী, অনৈতিক ব্যক্তিদের দলে স্থান দেয়া যাবে না। তিনি থানা, ওয়ার্ডের এবং সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশ্যে বলেন, খসড়া কমিটি করে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে দেখাতে হবে। দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের ব্যত্যয় হলে সে কমিটি’র অনুমোদন দেয়া হবে না। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সকল ওয়ার্ড কমিটি জমা দিতে হবে। এই তারিখের কোন পরিবর্তন হবে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে একটি সমৃদ্ধশালী দেশ ও সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সাদা মনের মানুষদের নিয়ে কমিটি গঠন করে শেখ হাসিনা’র ভিশন বাস্তবায়ন করতে হবে।
বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় দলীয় কার্যালয়ে সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা কাজী এনায়েত হোসেন, মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কালাম আজাদ, মকবুল হোসেন মিন্টু, শ্যামল সিংহ রায়, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, অধ্যাপক আলমগীর কবির, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, নুর মোহাম্মদ, অধ্যাপক রুনু ইকবাল, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, কাউন্সিলর শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন,
কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান, কাউন্সিলর আনিসুর রহমান বিশ্বাষ, আলহাজ্জ হাসান ইমাম চৌধুরী ময়না, জাহাঙ্গীর আলী মন্টু, জান্নাতুল ফেরদাউস পিকুল, রফিকুল ইসলাম পিটু, শরীফ এনামুল হক, টি এম আরিফ, আব্দুর রাজ্জাক, মোস্তাক আহমেদ টুটুল, আব্দুল কুদ্দুস, মোক্তার হোসেন, আকবর আলী, আব্দুল মালেক, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, খবিরুল ইসলাম বাবলু, এজাজ আহমেদ বাপ্পি, তোতা মিয়া ব্যাপারী, নুরজাহান রুমি, মেহজাবিন খান, শেখ আবিদ হোসেন, মোঃ নুর ইসলাম, শেখ জাহিদ হোসেন, জাহিদুল হক, চ. ম. মুজিবর রহমান, মুন্সি আইয়ুব আলী, ফেরদৌস হোসেন লাবু, নাজমুল আহমেদ স্বপন, এ এন এম মঈনুর ইসলাম নাসির, আব্দুল হাই পলাশ, মাহাবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, এ্যাড. শেখ ফারুক হোসেন, এমরানুল হক বাবু, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, ওয়াহিদুল হক পলাশ, শেখ এশারুল হক, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, ইউসুফ আলী খান, মো. জাকির হোসেন, মো. মোতালেব মিয়া, মীর মো. লিটন, শেখ মো. রুহুল আমিন, সরদার আব্দুল হালিম, আজম খান, আলীমুর রেজা লাবু, মঈন উদ্দিন খাজা, নাসরিন আক্তার, রুম্মান আহমেদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিরোমণি ও জাব্দিপুর রেলক্রসিংএ গেট এবং গেটম্যান না থাকায় যে কোন সময় দূূর্ঘটনার আশঙ্কা
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমণি রেলক্রসিং ৩টি, যোগীপোল ২টি ও জাব্দিপুর ১টি রেলক্রসিংএ গেট এবং গেটম্যান অরক্ষিত। শিরোমণি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হাফিজিয়া মাদ্রাসা, আলিম মাদ্রাসা সংলগ্ন রেলক্রসিং এবং যোগীপোল মোড়ল মসজিদ গেট , জাব্দিপুর রোড রেলক্রসিংএ গেট এবং গেটম্যান না থাকায় দুর্ঘটনার আসংখা রয়েছে। দূর্ঘটনা এড়াতে গেট এবং গেটম্যান অতিব জরুরী। ফলে ট্রেন আসলেও ফেলানো হচ্ছেনা গেটের বেরিয়্যাল(গেট)। এই অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে হাজার হাজার পথচারী জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। সম্প্রতি বড় ধরনের দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ায় এ বিষয়টি এলাকাবাসী সহ সচেতন মহলের দৃষ্টিতে আসে। দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া ব্যাক্তিদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখাগেছে খুলনা-যশোর মহাসড়কের শিরোমণি চাল বাজারের মধ্যে দিয়ে শিরোমণি যাওয়ার ব্যাস্ততম সড়কের মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন রেলক্রসিং এ গেটে রয়েছে বেরিয়্যাল(গেট), নির্মিত হয়েছে গার্ড রুম কিন্তু নাই গেটের বেরিয়্যাল(গেট) ফেলার গেটম্যান। ব্যাস্ততম সড়কটির খোলা অরক্ষিত গেট দিয়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এবং পথচারীরা জীবনের ঝুকি নিয়ে রেলক্রসিং পার হচ্ছে। সম্প্রতি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার ফুলতলা প্রতিনিধি গাজী মাকুল উদ্দীন তিনি মটরসাইকেল যোগে নিউজ সংগ্রহ করতে গিয়ে রেল লাইন পার হওয়ার সময় অল্পের জন্য বেঁচে যান। তিনি আরো বলেন, শিরোমনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শিরোমণি হাফিজিয়া মাদ্রসা, শিরোমণি হলি চাইন্ড কিন্ডার গার্ডেন স্কুল সহ অসংখ্য স্কুল ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সহ গ্রামের হাজারও মানুষ জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে, গেটম্যান ও গেট না থাকায় গত বছর রেল লাইনের দূর্ঘটনা ঘটে শিরোমণিতে ৩ জন মারা গেছে । এদিকে ফুলবাড়ীগেট জাব্দিপুর রেলক্রসিং’এ একই অবস্থা বিরাজ করছে। কিছু দিন আগে এই গেটের বেরিয়্যাল বসানো হলেও গেটম্যান দেয়া হয়নি। ফলে ব্যাস্ততম এই সড়কের রেলক্রসিং’এর গেটের বেরিয়্যাল(গেট) না ফেলায় যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে রেলিগেট-আফিলগেট এলাকার দায়িত্বে থাকা মেটম্যান আঃ সাত্তার জানান, দুটি গেটেই গেটম্যান দেওয়ার ইচ্ছা কর্তৃপক্ষের রয়েছে কিন্তু রেল বিভাগের জনবল সংকটের কারনে দেওয়া সম্ভব হয়নি তবে জনবল নিয়োগ হলে দুটি গেটেই গেটম্যান দেওয়ার কথা জানিয়েছেন উর্ধতন কর্মকর্তাগন ।
ওজোপাডিকো গ্রাহকদের কোন সংকট শুনছে না: সামনে আসছে গণ-শুনানী, মোমবাতি মিছিলসহ ঘেরাও কর্মসূচি
স্টাফ রিপোর্টার
ওজোপাডিকো গ্রাহকদের কোন সংকট শুনছে না। দিনে দিনে বাড়ছে নানা অসংগতি। রোধ করতে ওজোপাডিকোর নেই কোন উদ্যোগ। এভাবে চলতে থাকলে কোম্পানির পর আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারে গ্রাহক। বাড়তে পারে নান সংকট। এতে করে বিদ্যুতের উপর সরকারের দেওয়া নানা প্রতিশ্রুতি বিঘিœত হতে পারে। এভাবে বললেন মতবিনিময় সভায় নাগরিক নেতারা।
বুধবার দুপুর ১টায় বিএমএ মিলনায়তনে প্রি পেইড মিটারে বিদ্যমান দুর্নীতি প্রতিরোধে সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে প্রি পেইড মিটারের দুর্নীতি ও নানা অনিয়ম রোধে আমাদের করনীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক ও বিএমএ’র সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম।
তিনি বলেন, ওজোপাডিকোর সাথে আমাদের সংকটের কথা অনেকবার বলা হয়েছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের মধ্যস্থতায় সিদ্ধান্ত হয় ওজোপাডিকোর কর্তৃপক্ষ মিলে যে অসংগতিগুলো রয়েছে তা দুইপক্ষকে বসে নিরসন করতে হবে। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত তোয়াক্কা করলেন না কর্তৃপক্ষ। বরং তাদের অত্যাচারের মাত্রা চালিয়ে যাচ্ছে। আসছে নানা অভিযোগ। কিন্তু নিরসনে নেই কোন উদ্যোগ। তাই এই আন্দোলন চালাতে নিতে হবে কর্মসূচি।
তেল-গ্যাস জাতীয় কমিটির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে বলেন, সিস্টেম লস কমানো এবং আর্থিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেক্টরকে আরো জবাবদিহি এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে ওঠার কথা থাকলেও তা আজ জবাবদিহি এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের চরিত্র হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমান প্রি পেইড মিটারে রয়েছে অনেক অস্বচ্ছতা, যা নাগরিকদের মনে দুর্নীতির সন্দেহ সৃষ্টি করছে। রেগুলেটারি কমিশনের গণ-শুনানি রাজধানীতে না হয়ে খুলনায় হওয়া প্রয়োজন। গ্রাহকদের উপস্থিতির স্বার্থে খুলনায় গণ-শুনানী করার আহবান জানান।
সংগঠনের সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন,যুগ্ম সদস্য সচিব শাহ মামুনুর রহমান তুহিন, নাগরিক সমাজের আহবায়ক এ্যাড: আফম মহসীন, ন্যাপের জেলা সভাপতি মো: ফজলুর রহমান, ওয়ার্কার্স পার্টির মহানগর সভাপতি শেখ মফিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদকএস এম ফারুক-উল ইসলাম, জাসদের মহানগর কমিটির সভাপতি খালিদ হোসেন,সাধারন সম্পাদক মো: আরিফুজ্জামান মন্টু, সিপিবি জেলা কমিটির নেতা মিজানুর রহমান বাবু, বাগেরহাটের এ্যাড: শহিদুল ইসলাম, সাম্যবাদী দলের এফ এম ইকবাল, মাসাসের কৃষ্ণা দাস, সাংস্কৃতিক কর্মী নূরুন নাহার হীরা, সাংবাদিক এ এম রাশীদুল আহসান বাবলু,ওয়াহিদুজ্জামান সোহাগ, জাতীয় স্বোচ্ছাসেবক পার্টির মহানগর আহবায়ক মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, সেফের সমন্বয়কারী মো: আসাদুজ্জামান, সাংবাদিক হেদায়েত মোল্লা,মো: মিজানুর রশীদ, সঞ্জয় কুমার মল্লিক,উন্নয়ন ফোরামের ডা: শেখ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, সম্মিলিত লেখক ফোরামের রেবেকা সুলতানা প্রমুখ। সভায় মেয়রের সাথে মতবিনিময়, দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকদের সাথে মতবিনিময়, ওয়ার্ডগুলোতে মতবিনিময়, গণ- স্বাক্ষর, গণ-শুনানী, মোমবাতি মিছিলসহ ঘেরাও কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে করার সিদ্ধান্ত হয়।
বক্তারা বলেন, সরকার প্রধান যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বারবার ঘোষণার কথা উচ্চারণ করছে ঠিক তখনই ২১ জেলা নিয়ে গঠিত ওজোপাডিকো গ্রাহকদের জোর করে প্রি-পেইড মিটার চাপিয়ে দিয়ে নানা দুর্নীতির মাধ্যমে জনঅসন্তোষ সৃষ্টি করে চলেছে। ওজোপাডিকো এতোটাই বেপরোয়া যে, নাগরিকদের কোনো কথায় তারা কর্ণপাত করছে না।
বক্তারা বরেন, প্রি পেইড মিটার রিচার্জ করার সঙ্গে সঙ্গে রিচার্জের টাকা ও বিভিন্ন খাতে কেটে নেওয়া টাকার মধ্যেও ব্যাপক গড়মিল রয়েছে। ওজোপাডিকোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এতোটাই বেপরোয়া যে, গ্রাহকরা এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা চাইলে তারা উত্তেজিত হন এবং অনিহা প্রকাশ করেন। গ্রাহকরা সন্দেহ প্রকাশ করেন যে, ওজোপাডিকোর ব্যবহৃত সফটওয়্যার এমনভাবে তৈরি যা গ্রাহকের রিচার্জের টাকা সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে ত্রুটিযুক্ত ও দুর্নীতিগ্রস্থ।
অনতিবিলম্বে বন্ধ ঘোষিত ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল খোলার ঘোষণা দিতে হবে: নেতৃবৃন্দ
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, খুলনা জেলা শাখার জরুরী সভা বুধবার বিকেল ৫টায় সংগঠন কার্যালয়ে এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন, বাঙলাদেশ লেখক শিবির এবং কৃষক ও গ্রামীণ মজুর ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর বক্তব্য রাখেনÑআনোয়ার হোসেন, বরকত আলী, সুভাষ সাহা, হংসশুভ্র হালদার, অপু বালা, শোয়েব শেখ প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট করোনাকালীন দুর্যোগে বিনা নোটিশে মাত্র ১০ হাজার কোটি টাকা লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে গত জুন মাসে ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বন্ধের ঘোষণা দিল। অথচ মাত্র ১ হাজার কোটি টাকা দিয়ে মিলগুলো চালু অবস্থায় আধুনিকীকরণ করা যেতো। কিন্তু সরকার দেশের লুটেরা ব্যবসায়ীদের এবং ভারতীয় সা¤্রাজ্যবাদের স্বার্থে যড়যন্ত্রমূলকভাবে পিপিপি নামক প্রহসনের ফর্মুলায় পাটকলগুলো ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তরের পায়তারা করছে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশে যখন লাখ লাখ মানুষ বেকার, প্রায় ৭০ হাজার প্রবাসী কর্মচ্যূত হয়ে দেশে ফিরছে; সে মুহূর্তে সরকার পাটশিল্পে নিয়োজিত ৩ কোটি মানুষকে দুর্বিসহ অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। দেশে গত অর্থ বছরে বেসরকারি অলস বিদ্যুৎ কোম্পানিকে ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয়েছে, গত ৫ বছরে প্রায় ৬২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে বিদ্যুৎ খাতে লুটপাটের সুযোগ দেয়ার জন্য ১১ বার বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। ব্যাংক খেলাপিঋণ ১ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। প্রতি বছর বিদেশে পাচার হচ্ছে ৩০ হাজার কোটি টাকা, প্রতি বছর প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা লুটেরা ব্যবসায়ীরা কর ফাঁকি দিচ্ছে। নেতৃবৃন্দ পাটশিল্প রক্ষায় আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবীর প্রতি একাত্মকতা ঘোষণা করে বলেন, অবিলম্বে বন্ধ পাটকল চালুসহ আধুনিকীকরণ করতে হবে। শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা এককালীন পরিশোধসহ বদলি শ্রমিকদের স্থায়ী করতে হবে। শ্রমিকদের বকেয়া বোনাস, মাসিক মজুরী, ইনক্রিমেন্ট দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। নেতৃবৃন্দ মহসিন জুট মিলের দীর্ঘ ৭ বছরের বকেয়া মজুরী না পেয়ে শ্রমিকরা দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন করছেনÑতাদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে অবিলম্বে শ্রমিকদের দাবী পূরণ করার জন্য মালিকদের প্রতি জোর দাবী করেন।
রাষ্ট্রায়ত্ব সকল পাটকল অবিলম্বে চালুর দাবিতে খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে গণমিছিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
রাষ্ট্রায়ত্ব সকল পাটকল অবিলম্বে চালু, দুর্নীতি-লুটপাট-ভুলনীতি বন্ধ ও আধুনিকায়ন করা এবং অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ শ্রমিকদের সকল পাওনা অবিলম্বে পরিশোধসহ ১৪ দফা দাবিতে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে বুধবার বিকেল ৫টায় খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। প্লাটিনাম জুট মিল গেট হতে শুরু হয়ে ক্রিসেন্ট ও খালিশপুর জুট মিল হয়ে নতুন রাস্তার মোড় পর্যন্ত গণমিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই-খুদা এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব এস এ রশীদ। বক্তব্য রাখেনÑবাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক আহ্বায়ক ও নাগরিক নেতা এড. আ ফ ম মহসিন, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য ও শ্রমিক নেতা মোজাম্মেল হক, বাম জোট ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ খুলনা জেলা সম্পাদকম-লীর সদস্য আনিসুর রহমান মিঠু, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, টিইউসি খুলনা জেলা সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, সিপিবি খুলনা জেলা সদস্য মিজানুর রহমান বাবু, খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, ইউসিএলবি খুলনা জেলা সম্পাদকম-লীর সদস্য মোস্তফা খালিদ খসরু, কাজী দেলোয়ার হোসেন, খুলনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসী’র সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান খোকন, খালিশপুর ব্যবসায়ী মালিক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আফজাল হোসেন রাজু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কণা, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জয়ন্ত মুখার্জী, শ্রমিক নেতা সামশেদ আলম শমশের, নজরুল ইসলাম মল্লিক, জালাল মোল্লা, মেহেদী হাসান বিল্লাল, অলিয়ার রহমান, নূরুল ইসলাম, নাজিম উদ্দিন জয়, আবুল হাসেম, জসিম গাজী, হামজা গাজী, আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, আব্দুল্লাহ ফয়সল, শামস শারফিন, গোবিন্দ বৈদ্য, মোঃ ইসমাইল, নাসিমা আক্তার, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি মোলাম মোস্তফা, খুলনা নগর আহ্বায়ক আল আমিন, সম্পাদক অনীক ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন খুলনা জেলা নেতা সৌরভ সমাদ্দার, কৃষ্ণেন্দু বাছাড়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট খুলনা জেলা সদস্য মাহিলা আক্তার আনিকা প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ব ২৫টি পাটকল বন্ধ করে দিয়ে স্থায়ী, বদলী ও দৈনিক ভিত্তিক প্রায় ৭০ হাজার শ্রমিককে বেকার করে তাদের পরিবারকে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যে দুর্নীতি ও ভুলনীতির কারণে এসব মিলগুলো লোকসান হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তার দায় শ্রমিকদের উপর চাপিয়ে দিয়ে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশীয় লুটপাটকারী ও পাটপণ্যের বাজার ভারতের হাতে তুলে দিতেই সরকার পাটকলগুলো বন্ধ করেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনোভাবেই এসব মিল পিপিপি, লীজ বা ব্যক্তিমালিকানায় দেয়া চলবে না। শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী মাত্র ১২শ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন করতে হবে। একই সাথে অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ সকল শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা এককালীন পরিশোধ করতে হবে। অবিলম্বে দাবি মেনে না নিলে আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ থেকে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় পিপলস গোল চত্বরে সংহতি সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।
মামলা প্রত্যহারে আসামী পক্ষের হুমকি: পরকীয়ায় বাঁধা জীবন গেল শরণখোলার মারুফার
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোহম্মদ আলী খান (৫৫), বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজারের কাঠ পট্রি এলাকার বাসিন্দা। পরিবারের একমাত্র উর্পাজনক্ষম ব্যক্তি তিনি। রায়েন্দা বাজারের ডাক-বাংলার সামনে চা-বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। তাই অভাব অনটনের কারণে ছেলে মেয়েদের খুব বেশি পড়া-লেখা শেখাতে পারেননি। ছোট মেয়ে মারুফা আক্তারের মেধা শক্তি ভালো হওয়ায় স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে বহু কষ্টে এস.এস.সি পাস করান। আর্থিক ধন্যতার কারনে তার পক্ষে মারুফাকে আর উচ্চ শিক্ষা করানো সম্ভব হয়নি। যার ফলে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে শরণখোলা উপজেলার ভাড়ানীপাড় এলাকার বাসিন্দা মৃত. মোঃ খোকন হাওলাদার (ওরফে) খোকন দালালের একমাত্র ছেলে মোঃ হাসিব হাওলাদার (২৪)’র সাথে সামাজিকভাবে লাখ টাকা দেন মোহরে বিয়ে দেন আদরের মারুফাকে। ওই সময় তিনি মেয়ের সুখের জন্য ধার-দেনা করে ২/৩ লাখ টাকা খরচ করে স্বর্নলংকার সহ প্রয়োজনীয় সকল মালামাল দিয়ে দেন জামাই বাড়ীতে। কিন্তু বিয়ের পর ৫/৬ মাস অতিবাহিত না হতেই মারুফাকে যৌতুকের জন্য চাপ দেন তার স্বামী হাসিব ও শাশুড়ী হাফিজা বেগম। পিতার আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় স্বামী ও শাশুড়ীর চাপের মুখে চট্টগ্রামের গামেন্টেসে যেতে বাধ্য হন মারুফা। হাসিবকে সাথে নিয়ে চট্রগ্রাম গিয়ে সেখানে বন্দর থানাধীন হারুন কন্ট্রাকটারের একটি বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী -স্ত্রী উভয় পৃথক দুইটি গার্মেন্টসে চাকুরী করতে শুরু করেন। মারুফা তার স্বামী ও শাশুড়ীর কাছে ভালো থাকার জন্য বছর ধরে গার্মেন্টেসে চাকুরী করলেও তার বেতনের সম্পূর্ন টাকা করে নিয়ে যেত স্বামী হাসিব। তার পরেও বিভিন্ন সময় মারুফাকে মারধর করতো সে। এক পর্যায়ে হাসিব তার মামাতো বোনের সাথে পরকীয় জড়িয়ে পড়ে। চরিত্রহীন হাসিব ও তার প্রেমিকের মাঝখানে দেয়াল হয়ে দাড়ানোর কারণে হাসিবের চক্ষুশূল হয়ে ওঠে মারুফা। যার ফলে চলতি বছরের ২ জুলাই সু-পরিকল্পিত ভাবে মারুফাকে হত্যা করে তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে বাসা থেকে পালিয়ে যায় হাসিব এমন অভিযোগ মারুফার বাবা মোহম্মদ আলীর। বিষয়টি বাড়ীর দাড়োয়ানের নজরে পড়লে তাৎক্ষনিক মারুফাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেড়িকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত. ঘোষনা করেন। মেয়ের মৃত্যুর খবর মোবাইল ফোনে শোনার পর মোহম্মদ আলীর মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। পরে ছোট ভাই মোঃ মাসুম খানকে সাথে নিয়ে চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তিনি। পরবর্তীতে মারুফার লাশের ময়না তদন্ত শেষে তার মৃতদেহ শরণখোলায় নিয়ে আসেন এবং তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করেন। এ ঘটনায় হাসিবকে অভিযুক্ত করে গত ৩জুলাই চট্রগ্রামের বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মোহম্মদ আলী। পরে বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘাতক হাসিবকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। কিন্তু হাসিবের মা সহ তার পক্ষের লোকেরা এখন উক্ত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন অসহায় মোহম্মদ আলী। তিনি প্রসাশনের কাছে হাসিবের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করেন। তবে, হাসিবের মা হাফিজা বেগম বলেন, আমার ছেলে অপরাধ করে থাকলে আইনে তার বিচার হবে। এছাড়া অন্য জায়গায় হাসিবের কোন সম্পর্ক ছিল কি না তা আমি জানি নাই এবং মারুফাও এ বিষয়ে আমাকে কিছু বলেননি। আর স্বামীর সাথে কারো পরকীয়া থাকলেই মরে যাওয়া কোন সমাধান নয়। তবে, অন্যায়ভাবে মারুফার বাবা আমার ছেলের নামে মামলা করেছেন। এছাড়া হুমকি ধামকি দেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা দাবী করেন তিনি ।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য পাইকগাছায় অক্সিজেন কল সেন্টার উদ্বোধন
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের অক্সিজেন সরবরাহের জন্য জরুরী কল সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে পাইকগাছা প্রেসকাব ভবনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপÍ চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে এবং জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আলম মনা’র সার্বিক সহযোগিতায় এর উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আঃ মজিদ। পৌর বিএনপি আহবায়ক এড,গাজী আঃ সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এসএম ইমদাদুল হক, জিএম মিজানুর রহমান, তুষার কান্তি মন্ডল, সেলিম রেজা লাকি, কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, মোঃ আবুল হেসেন, সাইফুল ইসলাম তারিক, শেখ আঃ গফুর, আবু সালেহ মোঃ ইকবাল, শেখ আসাদুজ্জান ময়না, আনারুল কাদির, মাহফুজুল হক টাকু, মোস্তাক গাউছুল হক, এস,এম, টুকু, আবু মুছা সরদার, এম.আর খান লিটন, নাজমুল হুদা মিঠুন, ওবাইদুল্লাহ সরদার, হাবিবুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন, সজীব আক্তার, মোস্তাকিম গাজী, ই¯্রাফিল আহমেদ, শহীদ হোসেন, আনারুল, আব্দুল হান্নান, কুদ্দুস, মামুন, সেলিম, রাশেদুজ্জামান, জুয়েল ও বাপ্পি।
স্বাধীনতার এত বছর পরও গণতন্ত্র সঙ্কটের মুখে : মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯ দফা কর্মসূচির আলোকে দেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনের দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে বিএনপি আজ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান দেশের জনশক্তির অর্ধেক নারী। আজ এ নারী সমাজকে সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে। সমাজে নারী ও শিশুরা লাঞ্চিত ও বঞ্চিত। কিন্তু সেদিকে সরকারের কোন খেয়াল নেই। নারী সমাজ যেন অবহেলিত না হয় সেই জন্য শহীদ জিয়া মহিলা দল গঠন করেছিলেন। বিএনপি যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল তখন নারীদের অধিকার সবসময় দৃঢ় করার কাজ করে গেছেন। দলের এবং দেশের প্রতিটা ক্ষেত্রে নারীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। বর্তমান দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে নারী সমাজ অর্থাৎ মহিলা দলকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশ ও দলের প্রতিটা কাঠামোতে নারীদের অংশগ্রহণ আবশ্যক। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর এদেশে বারবার গণতন্ত্রকে আহত করা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে। সেই গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আর ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা চালু করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। কিন্তু আজকে সেই গণতন্ত্র সঙ্কটের মুখে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর ও জেলা মহিলা দল আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এদিন বেলা ১১ টায় নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে বেলুন, ফেস্টুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
তিনি আরো বলেন, আজকে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনসহ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের মাধ্যমে দূর্বল করে ফেলা হয়েছে। মানুষ চায় মানবিক একটি বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশে মানুষ তার মর্যাদা পাবে। খুন, গুম, নির্যাতন, গায়েবী মামলা, মিথ্যা মামলা বন্ধ হবে এবং গরীব মানুষরা বেঁচে থাকার অবলম্বন পাবে। কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী না, সারাদেশের মানুষ সমৃদ্ধ হবে। সেই স্বপ্ন এখনো পূরণ হয়নি। অতএব আজকের দিনেও আমাদের শপথ স্বাধীনতার যে স্বপ্ন, একটা প্রকৃত গণতন্ত্র, একটি মানবিক এবং সবার জন্য সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চাই আমরা। সরকারি আদেশে চিকিৎসার জন্য দলের চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ করাটা অমানবিক বলে আমরা মনে করি। সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে তিনি যাতে বিদেশে যেতে পারেন সে ব্যাপারে যে বিধি নিষেধ সেটা প্রত্যাহার করাটা মানবিক একটা কর্ম বলে আমরা মনে করি। এটা আমাদের দাবি।
বুধবার, বেলা সাড়ে ১১ টায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, খুলনা জেলা সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আলম মনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান। প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা জেলা মহিলা দলের সভাপতি এ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নগর মহিলা দলের সভাপতি রেহানা ঈসা এবং পরিচালনা করেন শাহনাজ ইসলাম ও কওসারী জাহান মঞ্জু।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আ: রশিদ, মোল্ল্যা খায়রুল ইসলাম, আবু হোসেন বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, শেখ সাদী, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, নিয়াজ আহম্মেদ তুহিন, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, শরিফুল ইসলাম বাবু, জসিম উদ্দীন লাবু, বদরুল আনাম, ইশহাক তালুকদার, সরদার রবিউল ইসলাম, আবু সাইদ শেখ, মাহবুব হোসেন, এনামুল হাসান ডায়মন্ড, শামসুল বারী পান্না, এনামুল হক সজল, গাজী সোয়েবউদ্দীন মিন্টু, মোঃ আলী, ডাঃ ফারুক হোসেন, নুরুল ইসলাম লিটন, হেমায়েত হোসেন, শাহাবুদ্দীন, এম এ হাসান, সেলিম, এ্যাড. কানিজ ফাতেমা আমিন, নাছিমা আক্তার লিপি, কাজী জায়দা, হাসনা হেনা, এ্যাড. রেবেকা, কোহিনূর বেগম, চম্পা বেগম, আনজিরা খাতুন, মিতা পারভীন, মুন্নি জামান, শিরিন দৌলত, রোজিনা পারভীন, আফরোজা সুইটি, সানজিদা, জেসমিন আক্তার, মনিরা হাসান, মুন্নি বেগম, পারভীন বেগম, মাহমুদা বেগম, কোজিনুর বেগম, লায়না আঞ্জুমান, রুমানা ন্যান্সি, এ্যাড. কামরুন্নাহার হেনা, সাবিনা ইয়াসমিন, শেখ সাথী আমিন, শিখা, জলি বেগম, মনি বেগম, শাহানা, নীলা, কল্পনা ও পুতুল প্রমুখ।
মোংলা বন্দরে নৌযান মাষ্টার ও কনজারভেন্সী কর্মকর্তা মান্নানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
যথাযথ নিয়ম না মেনে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মচারী পদ মর্যাদার এক নৌযান মাষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন কনজারভেন্সী পদের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবেও। একই সাথে তিনি নৌযান চালকের (মাষ্টার) দায়িত্বে থেকে প্রতি মাসে অতিরিক্ত ডিউটি করার অজুহাত দেখিয়ে বন্দরের কোষাগার থেকে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন। সেই সাথে কনজারভেন্সী কর্মকর্তার পদ ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের কাছ থেকে নানান সুযোগ-সুবিধা নেয়াসহ বিভিন্ন অজুহাতে বন্দরের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তিনি হলেন আঃ মান্নান মল্লিক। মোংলা বন্দর কর্তৃপেক্ষর এম,ভি মালঞ্চ জাহাজের মাষ্টার (চালক) হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি থেকে বন্দরের হারবার বিভাগের সুপারিশে দায়িত্ব পালন করছেন কনজারভেন্সী কর্মকর্তা হিসেবে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নৌযান এম,ভি মেঘদূত’র সুকানী মো: জামাল উদ্দিন জানান, কনজারভেন্সী কর্মকর্তার সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে আঃ মান্নান মল্লিক প্রতিনিয়ত সরকারী টাকা আত্বসাৎ করছেন। মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি কয়েক ঘন্টা জাহাজ চালিয়ে দুই দফায় ১০৪ ব্যারেল ডিজেল আত্মসাৎ করেছেন। আঃ মান্নান প্রতি মাসে ৪৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত ডিউটি দেখিয়ে উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক আদেশ ছাড়াই শুধুমাত্র দপ্তর প্রধানের সুপারিশে কনজারভেন্সী কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়ে নদীতে স্যালভেজ কার্যক্রমের টাকা আত্মসাৎসহ নানা অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন আঃ মান্নান।
অন্যদিকে বন্দরের নৌযান এম,এল পান্না জাহাজের আরেক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, আঃ মান্নানের অত্যাচারে তারা এখন অতিষ্ঠ। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে মান্নান কনজারভেন্সী কর্মকর্তার পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন। আর তাদের (কর্মকর্তাদের) সাথে মান্নানের সুসম্পর্কের কারণে আমাদের উপর অত্যাচারের বিষয়ে চাকুরী হারানোর ভয়ে মুখ খুলতে পারছিনা।
তবে এতোসব অভিযোগের বিষয়ের আঃ মান্নান বলেন, তিনি যথাযথ নিয়ম মেনে সকল দায়িত্ব পালন করছেন। কোন অনিয়মের সাথে তিনি জড়িত নন।
মোংলা বন্দর কর্র্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য ছিলেন প্রথম শ্রেণীর মাষ্টার আঃ মান্নান। কিন্তু তিনি পদোন্নতি নিতে রাজি হননি। তাই দপ্তর প্রধান হিসেবে আমি (হারবার মাষ্টার) আদেশ দিয়েছি অতিরিক্ত হিসেবে কনজারভেন্সীর দায়িত্ব পালন করার জন্য। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের প্রসাশনিক কোন আদেশ রয়েছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি (হারবার মাষ্টার) বলেন, কনজারভেন্সী দায়িত্ব পালনের কোন সুবিধা আঃ মান্নান পাবেন না, তাই কোন প্রশাসনিক আদেশ দেয়া হয়নি।
যক্ষাকে ভয় নয়, জয় করতে হবে: সিভিল সার্জন খুলনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিভিল সার্জন ডা: সুজাত আহমেদ বলেছেন যক্ষাকে ভয় নয় জয় করতে হবে। আর এক্ষেত্রে সচেতনতার বিকল্প নেই। তিনি গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় নগরীর স্কুল হেলথ কিনিক মিলনায়তনে জাতীয় যক্ষা নিরোধ সমিতি- নাটাব আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন দেশের মানুষ যে ভাবে করোনাকে জয় করেছে সেভাবেই যক্ষাকেও জয় করবে। আর এজন্য সাংবাদিকদের মুখ্য ভুমিকা পালন করতে হবে। নাটাব খুলনার সদস্য হাসান জহির মুকুলের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক ও সংগঠক এস এম নূর হাসান জনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাক্তার আতিয়ার রহমান শেখ, বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক নেয়ামুল হোসেন কচি, টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর মোঃ আবু সাঈদ, হাসান আল মামুন, শাহজালাল মোল্লা মিলন, মোঃ রকিবুল ইসলাম মতি, মোঃ আমির সোহেল, মোঃ আজিজুল ইসলাম, আরিফ বিল্লাহ, শেখ মোহাম্মাদ জুয়েল, মোঃ আবুল বাশার, শেখ রাসেল, আরাফাত হোসেন অনিক, মোঃ মেহেদী হাসান পলাশ, মোঃ রফিক আলী, সোহেল, এস এম মাহাবুবুর রহমান, মোঃ জালাল, বিপ্লব, মোঃ সাকিল, মো: মাহফুজুল আলম সুমন, সার্বিক তত্তাবধায়নে ছিলেন নাটাব খুলনার এফএলএস তরুণ কুমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানের শুরুতে সকলের মাঝে হ্যান্ড গ্লোবস ও মাস্ক বিতরন করা হয়।
১৫ বছর ধরে ভাতা পাইছি, এবার দিইনি
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুরের মাহমুদকাটি গ্রামের বিধবা ফিরোজা বেগম বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছেন। তার ডান হাত-পা অচল প্রায়। স্বামী মকলেছুর রহমানের মৃত্যুর পর বয়স্কভাতা চালু হয়েছে তার। ভাতার টাকায় চলত চিকিৎসা। বিনা ঝামেলায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে তিনি ভাতা তুলেছেন ১৫ বছর। হঠাৎ নতুন নিয়মে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে ভাতা তুলতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়েছেন তিনি। শারীরিকভাবে অক্ষমপ্রায় এই বৃদ্ধা মাস দুয়েক আগে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ভাতা পাননি। সামনের পরে অন্যরা ভাতা নিয়ে ফিরলেও তিনি ফিরেছেন খালি হাতে। তাকে জানানো হয়েছে অনলাইনে ডাটা এন্ট্রিতে তার নামটি নেই।
ফিরোজা বেগমের মত পৌরসভা ডিজিটাল সেন্টার ও সমাজ সেবা অফিসে দুইদিন হেঁটে ভাতার টাকা তুলতে পারেননি গাংড়া গ্রামের নবীজান বিবি। তার নামও নাকি অনলাইনে এন্ট্রি হয়নি।
শুধু বৃদ্ধা ফিরোজা বা নবীজান নন; চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে জুন এই ছয় মাসের ভাতা পাননি উপজেলার সরসকাঠি গ্রামের আব্দুল হামিদ, পট্টি গ্রামের মুজিবুল হক, বাগডোব গ্রামের রোজিনা খাতুন, মরিয়ম বেগম, আকবর আলী ও নোয়াপাড়া গ্রামের ছিরোমতিসহ উপজেলার কয়েকশ’ ভাতাভোগী। কবে তারা আবার ভাতা পাবেন তাও জানেননা তারা।
ফিরোজা বেগমের ছেলে নূর ইসলাম বলেন, ওয়ার্ডের তাইজুল ইসলাম মিলন মেম্বর কয়েকমাস আগে বাড়িতে এসে মার বই নিয়ে গেছে। পরে ভাতা অনতে গিয়ে মা ফিরে এসেছেন। এখন মেম্বররে জিজ্ঞেস করলে আজ না কাল এভাবে বুঝ দিচ্ছে। মার বইটাও আমাদের কাছে নেই।
খেদাপাড়া ইউপির সাত নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বর তাইজুল ইসলাম মিলন বলেন, ওয়ার্ডের সবাই টাকা পাইছে। ফিরোজা বেগমের অনলাইনে একটু সমস্যা ছিল। আজ বা কালকের মধ্যে তিনি টাকা পাবেন।
খেদাপাড়া ইউপিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইউনিয়নের ৩২টি ভাতার বইয়ের টাকায় সমস্যা হওয়ায় সেগুলো উপজেলা সমাজসেবা অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। আর রোহিতা ইউনিয়নের ১৫-২০টা বইতে এই সমস্যা আছে।
ভাতাভোগীদের উপকারে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখা বাদ দিয়ে স্ব স্ব ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে ভাতার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেই অনুযায়ী ছয়মাস আগ থেকে ভাতাভোগীদের নাম ও বইয়ের নম্বর অনলাইন ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরু হয়েছে। বইয়ের সাথে ভোটার কার্ডের নামের অমিল, একই নম্বরে একাধিক বইয়ের ডাটা তৈরি ও সময়মত গ্রাহকদের বই সমাজ সেবা অফিস বা ইউনিয়ন পরিষদে না পৌঁছানোয় অনেক ভাতাভোগী গত ছয় মাসের ভাতা তুলতে পারেননি, বিভিন্ন ইউনিয়নের উদ্যোক্তা বা সমাজ সেবা অফিস সূত্রে এমনটি জানা গেছে।
তবে উপজেলার কতজন ভাতাভোগীর টাকা উত্তোলনে সমস্যা তার সঠিক হিসাব সমাজসেবা অফিস জানাতে পারেননি। এদের তথ্য ঠিক করে অধিদপ্তরে পাঠাতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে।
মণিরামপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রোকনুজ্জামান বলেন, যেসব বইয়ের সমস্যা রয়েছে সেগুলোর তালিকা চলতিমাসে ঢাকায় পাঠানোর চেষ্টা চলছে। আগামী মাসে তারা ভাতা তুলতে পারবেন।
যশোরে বাজারে কৃতিম সংকট সৃস্টি করে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়েছে অসাধূ ব্যবসায়ীরা
বেনাপোল প্রতিনিধি
যশোরে বাজারে কৃতিম সংকট সৃস্টি করে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়েছে অসাধূ ব্যবসায়ীরা। মাত্র ৪ দিনের ব্যবধানে যশোর বড়বাজারে দেশীয় পেঁয়াজে কেজি প্রতি ১৫ টাকা, আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৫ টাকা করে বিক্রী করা হচ্ছে। আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেয়াঁজের দাম বেড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিমত, এই সুযোগে মজুতদাররা দেশি পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। অবশ্য বাণিজ্য সচিব বলেছেন তারা এবার খুব সতর্ক আছেন।
শহরের বড়বাজারে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর ভারতীয় আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা। মাত্র চার দিন আগেও এই বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানিকারক আলম খান জানান, সম্প্রতি ভারতে বন্যার কারণে পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়ায় সেখানে মুল্য বৃদ্ধি পায়। সে কারণে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়তি হওয়ায় দেশের বাজারে এর অশুভ প্রভাব পড়েছে। মজুতদাররা হাট-বাজারে পাইকারি দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে বাধ্য হয়ে বাড়তি দাম দিয়ে খুচরা ব্যবসায়ী এবং ভোক্তারা পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
বড়বাজার এইচএমএম রোডের পাইকারি ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জানান, গকাল তার আড়তে দেশি পেঁয়াজ পাইকারি মানভেদে ৪৬ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। ভারতীয় আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন ৩৫ টাকা। অপর ব্যবসায়ী আলমগীর কবির জানান, হঠাৎ করেই পাইকারি ব্যবসায়ীরা হাটবাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুদ আছে। এক শ্রেণির অসাধু মজুতদাররা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, গতবারের মত এবারও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির সুযোগটা কাজে লাগাতে চাচ্ছে পিয়াজ সিন্ডিকেট। এখনই সরকারের কঠোর হাতে মজুতদারদের দমন করতে হবে। নতুবা দেরি হয়ে গেলে পেঁয়াজের বাজার সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
যশোর কৃষি বিপণন অধিদফতরের জেলা মার্কেটিং অফিসার সুজাত হোসেন জানান, বাজারে ইচ্ছেমত কেউ পেঁয়াজের দাম বাড়াতে পারবে না। আড়তদার ও খুচরা দোকানিদের ক্রয় মূল্যের রশিদ দেখাতে হবে, অনিয়ম পেলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা আজকালের মধ্যে যশোরের বিভিন্ন বাজারে অভিযানে চালাবো।
চৌগাছায় চাল কুমড়ার ভিতর ফেনসিডিল
বেনাপোল প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছা উপজেলায় অভিনব কায়দায় চাল কুমড়ার ভিতর ফেনসিডিল লুকিয়ে রেখে পাচারের সময় সিংহঝুলি এলাকায় একটি ইজিবাইকের ভিতর থেকে তিনটি চালকুমড়াসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল স্ন্ধ্যায় পুলিশ গোপন সুত্রে খবর পেয়ে চৌগাছার সিংহঝুলি এলাকায় একটি ইজিবাইকের ভিতর থেকে তিনটি চালকুমড়ার ভেতর লুকিয়ে রাখা ৭৪ বোতল ফেনসিডিল সহ রহমান নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটক মাদক ব্যবসায়ী চৌগাছা উপজেলার পিতাম্বরপুর গ্রামের মৃত খোদবক্সের ছেলে রহমান (৫০)। চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজীব জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সন্ধ্যায় চৌগাছা-যশোর সড়কের সিংহঝুলি এলাকায় একটি ইজিবাইক (অটোরিকসা) তল্লাশি করে তিনটি কুমড়ার ভিতর বিশেষ কায়দায় লুকানো ৭৪ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। অভিনব কায়দায় ফেনসিডিল চোরাচালানে জড়িত রহমান নামে এক মাদক ব্যভসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। জড়িতর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
’৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য সাহায্যের চেক হস্তান্তর
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৫ জন মেধাবী গরীব শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রদানের জন্য বিশ^বিদ্যালয়ের ’৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের কার্যালয়ে বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন এর নিকট ’৯১ ব্যাচের পক্ষ থেকে চেক হস্তান্তর করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান আলী। এসময় পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. কাজী এবিএম মহীউদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) ড. ইসমাঈল সাইফুল্যাহ উপস্থিত ছিলেন।
শিশুদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সরকার সব কিছুই করছে -সিটি মেয়র
তথ্য বিবরণী:
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে যা যা করণীয় সরকার তার সব কিছুই করছে। পথশিশু, ঝুঁকিপূর্ণকাজে নিয়োজিত শিশু, কর্মজীবী শিশু, বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া ও প্রতিবন্ধী শিশুদের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে।
মেয়র বুধবার সকালে নগরীর উত্তর কাশিপুর ঈদগাহ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগী কর্মজীবী শিশু পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। সিটি মেয়র বলেন, শিশুর অধিকার বাস্তবায়নে পিতামাতা, পরিবার ও সমাজের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। সচেতনতার অভাবে অনেক সময় শিশুরা শারীরিকসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়। নির্যাতন থেকে শিশুদের রক্ষা করতে অভিভাবকসহ সকলের জনসচেতনতা দরকার। করোনাকালে কর্মজীবী শিশুদের পাশে দাড়াঁনোর জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান সিটি মেয়র। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবর্তন খুলনার সভাপতি অজন্তা দাসের সভাপতিত্বে এসময় লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজার আহম্মেদ ফুয়াদ, ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সুলতান মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র কর্মজীবী শিশুদের অধিকার সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের অর্থায়নে ৭, ৮ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের একশত ৭৩ কর্মজীবী শিশু পরিবারের মাঝে আট কেজি করে চাল, এক কেজি ডাল, এক কেজি লবণ, দুই কেজি আলু, এক লিটার তেল, দুইটি সাবান এবং ৫০০ গ্রাম গুড়া দুধ বিতরণ করেন। পরে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ১, ২, ৩, ৪, ১০ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন।
তালায় ফেসবুকে নগ্ন ছবি দেয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা
ইলিয়াস হোসেন, তালাঃ
ফেসবুকে নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেয়ায় ক্ষোভে, লজ্জায় বিউটি মন্ডল (১৬) নামের এক মেধাবী ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বুধবার দুপুরে নিজ ঘরের মধ্যে গলাই ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করে। বিউটি মন্ডল উপজেলার কলাগাছি গ্রামের নিতাই মন্ডলের মেয়ে। সে এবছর সফলতার সাথে মাধ্যমিকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির আবেদন করে।
বিউটি মন্ডলের কাকা দিপঙ্কর মন্ডল জানান, একই গ্রামের জগদীশ রায়’র ছেলে মত্যুঞ্জয় রায় দীর্ঘদিন ধরে তার ভাতিজি বিউটিকে উত্ত্যাক্ত করা সহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাতে মেয়েটি রাজি না হওয়ায় অশ্লিল ছবি তৈরি করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় লম্পট মৃত্যুঞ্জয়।
গত প্রায় ১ সপ্তাহ আগে অন্য মেয়ের নগ্ন ছবি এডিট করে তাতে বিউটির মুখ জুড়ে দিয়ে ছবিগুলো ফেসবুকের একাধিক আইডিতে ছড়িয়ে দেয় মৃত্যুঞ্জয়। এবিষয়ে গত রোববার থানায় প্রাথমিক অভিযোগ দায়ের করে বিউটির পিতা।
দিপঙ্কর মন্ডল বলেন, বুধবার দুপুরে বিউটির বাবা ও মা বিলে ঘাঁস কাটতে যায়। এই সসময় ক্ষোভে, লজ্জায় বিউটি নিজ ঘরের মধ্যে গলাই ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। এঘটনায় থানায় লম্পট মৃত্যুঞ্জয়’র বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনা আইনে মামলা করা হবে বলে দিপঙ্কর মন্ডল জানিয়েছে।
এদিকে, বিউটি মন্ডলের মৃত্যুুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে লম্পট মৃত্যুঞ্জয় সহ তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। তারা আশাশুনি উপজেলা দিয়ে পালিয়ে ভারতে চলে যেতে পারে বলে কলাগাছি গ্রামের অমিত সরকার জানিয়েছেন।
তালা থানার ওসি মো. মেহেদী রাসেল জানান, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। এরইমধ্যে মেয়েটির আত্মহত্যার ঘটনাটি দুঃখজনক। তিনি বলেন, বিউটি মন্ডলের আত্মহত্যার ঘটনায় এজাহার পাওয়ার পর দ্রুত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া মৃত্যুঞ্জয়কে গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু করা হয়েছে বলেও ওসি মেহেদী রাসেল জানান।
খুলনায় করোনায় শিশুসহ দুইজনের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ ঘণ্টায় শিশুসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মুন্সি রেজা সেকান্দার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুর এলাকার বাসিন্দা জয়ন্ত সরকারের তিন বছরের ছেলে বন্ধন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর গত ৫ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এছাড়াও যশোরের অভয়নগর উপজেলার আমজাদ মোল্লার ছেলে মোতাহার গত ৭ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন। মঙ্গলবার ((৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। এ নিয়ে গত ৪৮ ঘণ্টায় খুলনায় করোনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
সাতক্ষীরায় সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির সৌজন্যে সভা
সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরায় সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির সৌজন্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভায় সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির সাতক্ষীরা অফিস এবং কার্যক্রম তরান্বিত করতে সৌজন্যে মুলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায়, বুধবার (০৯ই সে) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির অস্থায়ী কার্যলয় সৌজন্যে সাক্ষাৎ মুলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় আহসানুর রহমানের সভাপতিত্বে সাতক্ষীরায় সোনালী
লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির কার্যক্রমকে তরান্বিত করতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী পরিচালক শেখ মোঃ বদরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় সাংবাদিক সাবিনা ইয়াসমিন পলি’র পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন, আজিজুল ইসলাম আজিজ, ইকরামুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বিশ্বাস, আমিনুল রহমান সহ ৮ থানা থেকে আগত ইন্সুইরেন্স কোম্পানীর কার্যক্রমে সহযোগীতা করতে তারা যোগদান পূর্বক আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। এ সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, খুব দ্রুত সাতক্ষীরায় অফিস নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন অনলাইনের মাধ্যমে ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং, বিকাশ, নগদ দ্বারা গ্রাহক তার ইন্সুরেন্সের টাকা জমা দিতে পারবে এবং তাৎক্ষণিক মোবাইলে জমাকৃত টাকা তার একাউন্টে দেখতে পাবে। বাংলাদেশে এই প্রথম অনলাইনের মাধ্যমে ইন্সুইরেন্স লেন দেন আমরাই গ্রহকের হাতে পৌছে দেছি। সাতক্ষীরার মানুষের দোরগোড়ায় সোনালী লাইফ ইন্সুইরেন্স কোম্পানীর সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন।
পাইকগাছা থানায় গ্রামপুলিশদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছা থানায় গ্রামপুলিশের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে থানা চত্ত্বরে অফিসার ইনচার্জ এজাজ শফী মাদক দ্রব্য, বাল্য বিয়ে, সামাজিক অপরাধ, জুয়া ও নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশরা যদি দক্ষতার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করার নির্দেশ দেন। তাহলে সকল প্রকার অপরাধ প্রবনতা নির্মুল না হলেও অনেকাংশ কমে আসবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ওসি (তদন্ত) মোঃ আশরাফুল আলম ও উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের দফাদার ও গ্রাম পুলিশবৃন্দ।
তালার তেঁতুলিয়ায় বিডিএনপি এর দল গঠন সভা
ইলিয়াস হোসেন, তালাঃ
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টায় তালা উপজেলার ০৫ নং তেতুলিয়া ইউনিয়ন পনিষদ প্রাঙ্গনে দলিত নারীদের নিয়ে একটি দলগঠন সভা অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডিইএফ ও উন্নয়ন সহযোগী মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় দলিত কমিউনিটি প্রতিনিধি মনিমালা সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম আদালত সহকারি শাহিনারা খাতুন।
ডিইএফ এর কর্মীবৃন্দের মধ্যে প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী ফারজানা কবির ,ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর বাহারুল ইসলাম ও কমিউনিটি ক্যাম্পেইনার অর্চনা দাস প্রমুখ বক্তৃতা করেন। সভায়, সর্বসম্মতিক্রমে উর্মিলা সরকারকে কমিটির সভাপতি, চন্দনা দাসকে সম্পাদক, আয়না দাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পূর্ণিমা দাসকে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়। ৩৯ জন সদস্যর উপস্থিতিতে সভায় ৩০ সদস্য বিশিষ্ট ইউনিয়ন পর্যায়ে বাংলাদেশ দলিত নারী পরিষদ-বিডিএনপি (স্থানীয় মহিলা প্লাটফর্ম) এর দল গঠন করা হয়।
আশাশুনিতে আইন শৃংখলা কমিটি ও পিচ কাবের ডায়লগ অনুষ্ঠিত
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সদস্য ও পিচ কাবের সদস্যদের মধ্যে ডায়লগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ ডায়লগ অনুষ্ঠিত হয়। রূপান্তরের সহযোগিতায় অগ্রগতি সংস্থার পিচ কনসোর্টিয়াম প্রকল্পের আয়োজনে ডায়লগের শুভ উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। অনুষ্ঠানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলাম, একাডেমীক সুপার ভাইজার হাসানুজ্জামান, সেনেটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মোস্তফা, আশাশুনি প্রেসকাব সভাপতি জি এম আল-ফারুক, প্রেসকাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, প্রভাষক ফিরোজ আহমেদ এবং পিচ কাবের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ আলোচনা রাখেন। পিচ কনসোর্টিয়াম উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ১১টি কাব গঠন করে সহিংসতা প্রতিরোধে জন সম্পৃক্ততা সৃষ্টিতে কাজ করে আসছে। তাদের বাস্তবায়িত কার্যক্রম ও গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রকল্পের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থাপন করেন।
আশাশুনিতে সরকারি কর্মকর্তাদের মানববন্ধন
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
ঘোড়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্থানে সরকারি কর্মকর্তাদের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন চলাকালে বক্তাগণ ঘোড়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম, গণপূর্ত প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেনসহ ডাক্তার, প্রকৌশলী, শিক্ষক ও সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন। সাথে সাথে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানা, সমাজ সেবা অফিসার রফিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, পিআইও সোহাগ খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে উপজেলায় কর্মরত সকল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশ নেন।
দেবহাটা ইছামতিতে অবৈধ বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এসি ল্যান্ডের অভিযান
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহাটা ইছামতিতে অবৈধ বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এসি ল্যান্ডের অভিযান। বালু উত্তোলন কারীরা বুঝতে পেরে নদীতে বালি ফেলে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মোস্তফা কামাল এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীনের নির্দেশনায় উপজেলার ম্যানগ্রোভ বনের পাশে ইছামতী নদী হতে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট(এসি ল্যান্ড) জহুরুল ইসলাম। জানাযায়, বুধবার ভোর সাড়ে ৫ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসি ল্যান্ড জহুরুল ইসলাম অভিযানে যেয়ে বালি বোঝাই নৌকাগুলি ধাওয়া করে। এসময় মাঝনদীতে বালি ফেলে দিয়ে বাংলাদেশের পতাকা নামিয়ে পাশ্ববর্তী ভারতীয় সীমান্ত ঘেষে এবং এক পর্যায়ে দেবহাটা সীমান্ত পার হয়ে চলে যায় অবৈধ বালি উত্তোলনকারী চক্র। যে কারনে তাদের ধরা সম্ভব হয়নি বলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জহুরুল ইসলাম।
কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের জন্মদিন উদযাপন করেছে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের জন্মদিন উদযাপন করেছে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে কেক কেটে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের জন্মদিন উদযাপন করেন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল, রনবীর বাড়ৈ সজল, এখতিয়ার মোল্লা, এস এম বোরহান উদ্দিন সজীব, দিদারুল আলম, সৌরভ আঁশ, মেহেদী হাসান সুজন, মাহামুদুল হাসান সুজন, সোহান হোসেন শাওন, তায়েজুল ইসলাম তাজ, মাহামুদুর রহমান রাজেশ, আব্দুল কাদির সৈকত, মেহেদী হাসান স্বপন, বায়জিদ সিনা, এস এম রাজু হোসেন, জোয়েব সিদ্দিকী, মশিউর রহমান বাদশা, জিসান আরাফাত, জুয়েল শেখ, শেখ মোঃ ওবায়দুর রহমান, শংকর কুন্ডু, রবিউল ইসলাম প্রিন্স, মোঃ গালিব হোসেন, শাহরিয়ার নেওয়াজ রাব্বি, মহিউদ্দিন হাওলাদার জনি, অভিজিৎ সরকার রাহুল, ওমর কামাল, সোহান সাদী, অরিন্দম চক্রবর্তী, মুক্তাজুল ইসলাম সোহাগ, আলী হোসেন, নিশাত ফেরদৌস অনি, রুমান আহমেদ, আবিদ আল হাসান, হাসান শেখ সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
কপিলমুনিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা লেখকের জন্ম দিন উদ্যাপন
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের জন্ম দিন কপিলমুনিতে কেক কেটে উদ্যাপন করেছেন ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। উপজেলা ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক তানজীম মুস্তাফিজ বাচ্চু’র নেতৃত্বে কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কপিলমুনি কলেজ ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, হরিঢালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাঃ সম্পাদক জি এম কাদের, রাসেল জোয়ার্দার, আসাদ গাজী, হাবিবুর গাজী, আব্দুল্লাহ সরদার, আল আমীন গাজী, আঃ রাজ্জাক, আল আমীন খান প্রমূখ। কেক কাটা অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ লেখক ভট্টাচার্যের দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
মাছের সাথে শত্রুতা
শরণখোলা (বগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ
বাগেরহাটের শরণখোলায় দরিদ্র মৎস্যচাষী সোবাহান ফরাজীর ঘেরে বিষ দিয়ে সমস্ত মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বিষক্রিয়ায় লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের সুন্দরবন সংলগ্ন দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই মৎস্যচাষী।
ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষী সোবাহান ফরাজী জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে মাছ মরতে শুরু করে। বুধবার সকালের মধ্যেই গলদা, বাগদা, রুই, কাতলা, কোরালসহ ঘেরের সমস্ত মাছ মরে ভেসে ওঠে। বাড়ির সামনে অন্যের কাছ থেকে দুই বিঘা জমি লিজ নিয়ে মাছের ঘের করেছেন বলে জানান তিনি।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, অভিযোগ পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ঘের পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কোটচাঁদপুরে আলমসাধু চালকের রহস্যজনক মৃত্যু
মোঃ আশাদুল ভূঁইয়া, কোটচাঁদপুর
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর-জীবননগর মহাসড়কে নাসির উদ্দীন (৬০) নামে এক আলমসাধু চালকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার বারোমাসা নামক স্থানে সড়কে তার মুত্যু হয়। মৃত নাসির উদ্দীন চুয়াডাঙ্গা জেলার দামড়হুদা উপজেলার বদনপুর গ্রামের মৃত আক্কাস পন্ডিতের ছেলে। কোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুল আলম জানান, সকালে আলমসাধু চালক নাসির উদ্দীন কোটচাঁদপুর শহর থেকে মুদি মাল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বারোমাসা নামক স্থানে সড়কের পাশে তাকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নেয়। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক মিঠুন কুমার দে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কোটচাঁদপুর ফায়ার স্টেশন অফিসার আব্দুর রাজ্জাক জানান, স্থানীয়দের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে ঘটনাস্থলে সড়ক দূর্ঘটনার কোন নমুনা পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মাল বোঝায় আলম সাধু অক্ষত অবস্থায় ছিল। পুলিশ জানায় কি কারনে তার মৃত্যু হয়েছে ময়না তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অভয়নগরে রবিন অধিকারী ব্যাচার সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া
অভয়নগর প্রতিনিধি
নওয়াপাড়া পৌর সভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও জাতীয় শ্রমিকলীগ নওয়াপাড়া ও রাজঘাট শিল্পাঞ্চল শাখার সাধারণ সম্পাদক রবিন অধিকারী ব্যাচা ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার আসু রোগ মুক্তির কামনায় বুধবার বিকালে ষ্টেশন বাজার চত্তরে নেতা কর্মীদের উদ্যেগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তালিম হোসেন, যুগ্ম-আহবায়ক অর্জুন সেন, প্রসেনজিৎ দাস সনজিৎ, সদস্য আজিম শেখ, কাজী মামুন, খন্দকার শহিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মোল্ল্যা, পৌর যুবলীগ আহবায়ক হাচান গাজী, যুগ্ম-আহবায়ক শেখ জাকির হোসেন, ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান হাবি, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লা বিশ^াস, রাজু আহম্মেদ, খন্দকার আল-ইমরান, বকুল হোসেন, বাবু মল্লিক, যুবলীগ নেতা মুরাদ হোসেন, রদিয় হোসেন, সবুজ মন্ডল, রিকাবুল ইসলাম দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তবিবুর রহমান সহ প্রমুখ
সাংবাদিক সুবির রায়ের মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক পূর্বাঞ্চলের প্রয়াত সাংবাদিক সুবির রায়ের মা উমা রানী রায়ের আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে পুরাতন বাজার কালিবাড়ি মন্দিরে স্বাস্থ্য এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উজ্জল ব্যানার্জী। ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সুব্রত হালদার তপা ও সুশান্ত ব্যানার্জী। উপস্থিত ছিলেন মন্দিরের সেবায়েত ও পরোহিত শিবচন্দ্র ব্যানার্জী, নগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল হালদার, সাবেক সভাপতি গোপী কিষান মুন্ধাড়া, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুন্ডু, ভোলানাথ ভট্টচার্য, প্রশান্ত ব্যানার্জী, স্বপন সরকার, তপন সাহা, বিকাশ সাহা, তোতন হালদার, শংকর ঘোষ, শরৎ মুন্ধাড়া, বিধান রায়, মনোজ রায়, বিশ্বরুপ সরকার, রাজু সাহা, বাবলু রায়, আকাশ ব্যানার্জী ও জগন্নাথ বিশ্বাস।
উল্লেখ্য, তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ইহলোক ত্যাগ করেন।
ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে বাগেরহাটে ১২০কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে চিংড়ি আড়তে ভ্রাম্যমান আদাতের অভিযান চালিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নাশুখালী বাজারে সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দ্য মন্ডলের নেতৃত্বে সর্গীয় ফোর্স নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে চিংড়িতে ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জের মাধ্যমে একধরনের জেলি পুস করার সময় ১২০ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়।এসময় জেলি পুস কাজে নিয়জিত মামুনকে আটক করে । পরে ভ্রাম্যমান আদালত তার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা আদায় করে ছেড়ে দিয়েছে।এসময় চিংড়ি ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দ্য মন্ডল বলেন, চিংড়ি আড়তে এক ধরনের জেলি পুস করা হচ্ছিল । অসাধু ব্যবসায়ীরা চিংড়ির ওজন বৃদ্ধি করার জন্য এক ধরনের জেলি পুস করে। যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। জব্দ করা ১২০ কেজি চিংড়ি মাটিতে পুতে রেখে ধ্বংস করা হয়। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
খননে প্রাণ ফিরেছে বাগেরহাটের ৩৩ খাল ও দু’টি নদীর
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে খননের ফলে প্রাণ ফিরেছে ৩৩ টি খাল ও ২টি নদীর। ফলে প্রকৃতি ফিরে পেয়েছে তার আপন রূপ। অবৈধ স্থাপনা ও পলি এসে অনেকদিন ধরে বন্ধ থাকার পর খননকৃত নদী ও খালগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ শুরু হয়েছে। এতে প্রাকৃতিকভাবে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। নদী ও খালগুলোর দুই পাশ সবুজে ছেয়ে গেছে। নিয়মিত নৌকা চলাচল করছে খালে। বৃষ্টির পানি দ্রুত নিস্কাশন হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্তি পেয়েছেন বাগেরহাটের পাঁচ উপজেলার কয়েক লক্ষ মানুষ। বেড়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার সবজি, বিভিন্ন ফসল ও মাছের উৎপাদন। নৌ পথে যাতায়াত ও পন্য পরিবহনের ফলে খরচ ও হয়রানি কমেছে কৃষকের। খাল খননের ফলে খুশি এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাট কর্তৃক জেলার ফকিরহাট, কচুয়া, মোল্লাহাট, বাগেরহাট সদর ও চিতলমারী উপজেলায় বর্তমানে ৩৩টি খাল ও দুটি নদীর প্রায় একশ কিলোমিটার খনন করার ফলে স্থানীয়রা এসব সুবিধা পাচ্ছেন। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, ১৯৮০ সালের দিকে বাগেরহাটের বিভিন্ন নদী ও খাল খনন করা হয়েছিল। তখন এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়েত ও পন্য পরিবহনের প্রধান বাহন ছিল নৌকা, ট্রলার ও লঞ্চ। কিন্তু কালের প্রবাহে এই প্রবাহমান নদী খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে মাছ আহরণ, খাল আটকিয়ে মাছ চাষ, নদী ও খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি, নদী-খালের উপর সেতু তৈরির জন্য পানি চলাচল বন্ধ রাখাসহ মনুষ্য সৃষ্ট নানা কারণে জেলার বেশিরভাগ নদী খাল ভরাট হয়ে যায়। যার ফলে ওইসব এলাকায় জলাবদ্ধতা, পানি নিস্কাশন না হওয়াসহ জীবন যাপনে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। স্বাভাবিক জীবন যাপন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে উপকূলীয় এই অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নদী খালগুলোকে অবৈধ দখলমূক্ত ও খননের দাবি জানিয়ে আসছেন। বাগেরহাট পানি উন্নয়ণ বোর্ডের ৩৬/১ পোল্ডারে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের অধীনে জেলার ৫টি উপজেলায় ৫৫টি খাল ও ৫টি নদী খনন শুরু হয়। যার মধ্যে ৩৩টি খাল ও দুটি নদীর ক্ষনন সম্পূর্ণ হয়েছে। শুধু খননই নয়, খনন শেষে নদী ও খালের দুই পাশে বনায়নের জন্য চারা রোপন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এই খননের ফলে এবার বৃষ্টি মৌসুমে কোন জলাবদ্ধতা হয়নি । স্বস্তি ফিরেছে চিংড়ি, সবজি ও ধান চাষীদের মনে। কমেছে পরিবহন খরচ, মাঠ ও ক্ষেত থেকে নৌকা যোগে মাছ, সবজিসহ পন্য সরবরাহ করতে পেরে খুশি চাষী,এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা।
ফকিরহাট উপজেলার ভৈরব নদীর তীরের বাসিন্দা সীমা মজুমদার, মোক্তার শেখ, লাভলু, ও বাসন্তীসহ কয়েকজন বলেন, ভৈরব নদী কাটার আগে প্রতি বছর অতিবৃষ্টিতে আমাদের বাড়ি ও ক্ষেত খামারে পানি জমে থাকতো। এবার আর কোন পানি জমেনি, সব পানি এখন খালে নেমে যায়। আমরা এখন অনেক শান্তিতে আছি । আমাদের ভিটায় এখন অনেক সবজি হয়। আমরা মনেকরি নদী ও খালে যেমন প্রান ফিরেছে,তেমনি আমরা নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি’।
মোল্লাহাট উপজেলার চীত্রানদীর পাড়েরর বাসিন্দা কৃষক নন্দবালা, দেবদাস রায়সহ অনেকে বলেন, আমরা এখন নৌকায় করে ধান, মাছ,সবজি পরিবহন করতে পারছি। এতে আমাদের অনেক খরচ কম হচ্ছে। আগে জল আটকে থাকতো এখন খাল থেকে বের হয়ে যায়। আমাদের দীর্ঘদিনের আশা পুরন হয়েছে। এতে আমরা খুব খুশি হয়েছি।
ফকিরহাট উপজেলার মুলঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. হিটলার গোলদার বলেন, আমাদের উপজেলার বিভিন্ন নদী খাল ভরাট হওয়ার ফলে স্থানীয়দের অসহনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হত। এবার ভৈরব ও চিত্রাসহ বিভিন্ন নদী খাল খননের ফলে সময় মত কৃষকরা পানি পাচ্ছে এখন ফসল ভাল হচ্ছে। এবার কোন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি, অতিবর্ষনে নদী ও খালে পানি বের হওয়ায় ক্ষতি হয়নি চিংড়ি ঘেরের। আরও যেসব খাল ভরাট হয়ে আছে সেগুলো দ্রুত খননের দাবী জানান তিনি।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হোসেন বলেন, অনেক বাধা বিপত্তির মুখেও প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সদইচ্ছা ও আন্তরিক সহযোগিতায় আমরা খাল খনন কাজ সম্পূর্ণ করেছি। খাল খননের সময় অনেক অবৈধ স্থাপনা আমাদের উচ্ছেদ করতে হয়েছে। এসব কাজে স্থানীয় প্রশাসন আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে অন্যান্য খালের কাজও আমরা চলমান রেখেছি। খালের দুই পাশে বনায়ন করার জন্য বিভিন্ন গাছের চারা রোপন করা হয়েছে।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাহিদুজ্জামান খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে ‘বাগেরহাট জেলার ৫টি উপজেলায় ৫৫টি খাল ও ৫টি নদী খনন কাজ শুরু করেছি।ইতোমধ্যে আমাদের ৩৩টি খাল ও দুটি নদী সম্পূর্ণভাবে খনন কাজ শেষ করেছি। বর্ষার মৌসুম শেষ হলে অন্যান্য খাল খনন সম্পূর্ণ করা হবে বলে জানান তিনি।
পাইকগাছায় রূপান্তর আয়োজিত প্লাটফর্ম গঠন সভায় বক্তারা: সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিয়ে কমিয়ে আনা সম্ভব
খবর বিজ্ঞপ্তি
নারীর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে পাইকগাছা প্লাটফর্ম গঠন সভায় বক্তারা বলেছেন, মানুষের সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজ থেকে বাল্যবিয়ে এবং নারী নির্যাতন কমিয়ে আনা সম্ভব। সমাজে দায়িত্বপূর্ণ মানুষেরা স্ব স্ব অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করলে এ কাজে দ্রুত সফলতা পাওয়া যাবে। বুধবার সকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা এ কথা বলেন। ইউএসএইড, ইউকেএইড-এর অর্থায়নে কাউন্টারপার্টের সহযোগিতায় রূপান্তর পরিচালিত নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সংগঠনসমূহকে উদ্বুদ্ধকরণ প্রকল্পের পক্ষ থেকে এ সভার আয়োজন করা হয়।
পাইকগাছা প্রেস কাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান। বক্তৃতা করেন পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, পাইকগাছা পৌরসভার প্যানেল চেয়ারম্যান আসমা আক্তার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান, পাইকগাছা প্রেস কাবের সহ-সভাপতি আঃ আজিজ, নাগরিক নেতা এ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কচি, এস এম আজিজুল হাকিম প্রমূখ।
সভায় পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালীকে আহ্বায়ক, পাইকগাছা পৌরসভার প্যানেল চেয়ারম্যান আসমা আক্তার এবং পাইকগাছা প্রেস কাবের সহ-সভাপতি আঃ আজিজকে যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং এ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কচিকে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট খুলনা মহানগর নারী নির্যাতন ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ প্লাটফর্ম গঠন করা হয়।
ফকিরহাটে ৩শতাধিক পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ৩শতাধিক পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠান বুধবার সকাল ১১টায় লখপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৯-২০অর্থ বছরে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলায় করোনা কালীন সময়ে এই স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন করা হয়। এলজিএসপি-৩ এর ডিষ্টিক ফ্যাসিলিটেটর পার্থ প্রতীম সেন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এ গুলি বিতরন করেন। বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ সেলিম শেখ এর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ আলী আহম্মদ, ইউপি সচিব প্রসুন কুমার দাশ, বাজার কমিটির কোষাধক্ষ মধুসুধন কুমার ঘোষ, ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির, মোতালেব মোড়ল, রেজাউল হক, ফিরোজ খান, বজলুর রহমান মোড়ল, বিল্লাল হোসেন মিলন ও হারুনার রশিদ প্রমুখ। পরে ৩শতাধিক পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী যেমন মাক্স সাবান বিলিচিলিং পাউডার বিতরন করা হয়।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার উপকুলীয় উপজেলা শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত সহায় সম্বলহীন দুঃস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধী দুই হাজার ১৯০টি (২,১৯০টি) পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন ও গবেষনা সংস্থা’র (ডি.আর.আর.এ) আয়োজনে ও দাতা সংস্থা খ্রীষ্টান ব্লাইন্ড মিশন, জার্মানির সহযোগিতায় বুধবার দুপুরে উপজেলার আটুলিয়া ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের প্রতিটি প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে ৫ হাজার ৫’শ টাকা ও অপ্রতিবন্ধী প্রতিটি পরিবারের মাঝে ৪ হাজার ৫’শ টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন ও গবেষনা সংস্থা’র ডেপুটি ম্যানেজার জিএম আনজির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সংস্থাটির এডমিন অফিসার জিএম বাবলুর রহমান, প্রকল্প সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) অসিত দেবনাথ প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত সহায় সম্বলহীন দুঃস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে এক উজ¦ল মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন ও গবেষনা সংস্থা (ডি.আর.আর.এ)।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার উপকুলীয় উপজেলা শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত সহায় সম্বলহীন দুঃস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধী দুই হাজার ১৯০টি (২,১৯০টি) পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন ও গবেষনা সংস্থা’র (ডি.আর.আর.এ) আয়োজনে ও দাতা সংস্থা খ্রীষ্টান ব্লাইন্ড মিশন, জার্মানির সহযোগিতায় বুধবার দুপুরে উপজেলার আটুলিয়া ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের প্রতিটি প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে ৫ হাজার ৫’শ টাকা ও অপ্রতিবন্ধী প্রতিটি পরিবারের মাঝে ৪ হাজার ৫’শ টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন ও গবেষনা সংস্থা’র ডেপুটি ম্যানেজার জিএম আনজির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সংস্থাটির এডমিন অফিসার জিএম বাবলুর রহমান, প্রকল্প সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) অসিত দেবনাথ প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত সহায় সম্বলহীন দুঃস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে এক উজ¦ল মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন ও গবেষনা সংস্থা (ডি.আর.আর.এ)।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদরুদ্দোজা শুভ এর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন শিল্পকলা একাডেমীর সহ-সভাপতি ফয়সাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন জুলিয়াস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম, কোষাধ্যক্ষ পারভেজ ইমাম আজাদ, নির্বাহী সদস্য শাপলা ইসলাম, বাবুল আক্তার লালটু, মীর আব্দুল মান্নান ও তারেক হোসেন পল্লব। এসময় শিল্পকলা একাডেমীর সকল কর্মকান্ড আরও গতিশীল করতে দিক নির্দেশনামূলক আলোচনা করা হয়।
ঝিনাইদহ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রবাসিদের ঋণ না দেওয়ার অভিযোগ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
করোনা মহামারিতে দেশে ফেরত প্রবাসীদের বিদেশে যেতে বা দেশে স্বাবলম্বী হতে স্বল্প সুদে সারা দেশে ঋণ সুবিধা দিচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। কিন্তু ঝিনাইদহে এর ব্যক্তিক্রম। জেলায় ঋণ সুবিধা চালু থাকলেও কর্মকর্তারা প্রবাসীদের বলছেন ঋণ দেওয়া বন্ধ আছে। দিনের পর দিন ব্যাংকের শাখায় ঘুরতে হচ্ছে অসহায় প্রবাসীদের। এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগিরা।
সরেজমিনে ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুরে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক শাখায় গিয়ে ঋণ আবেদন করতে আসা প্রবাসীদের সাথে কথা বলে এ মিথ্যাচারের সত্যতা মিলেছে।
সোমবার ব্যাংকের শাখায় আসা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার মোল্লাডাঙ্গা গ্রাম থেকে আসা মালেশিয়া প্রবাসী রাজু হুসাইন বলেন, আমি মালেশিয়া থেকে দেশে ফিরে এখন আবার যেতে চাচ্ছি। বিমানের টিকিট কেনা টাকা নেই। গত ২ মাস ধরে ব্যাংকে আসছি। ব্যাংকে এলে ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন ঋণ দেওয়া বন্ধ আছে। ঋণ চালু হলে আপনাদের জানানো হবে। সোমবার ব্যাংকে আসার পর একই কথা বললেন।
সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের দুবাই প্রবাসী পলাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, করোনার কারণে দুবাই থেকে দেশে এসেছি। এখন যেতে পারছি না। ভেবেছিলাম প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাড়িতে খামার করব। গত ১ মাস ধরে এখানে ঘুরছি। ঋণ চালু নেই বলে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা। আজ এসেছি ব্যাংকের কর্মকর্তারা বললেন এখন ঋণ দেওয়া চালু হয়নি আপনি আগামী সপ্তাহে আসেন।
শৈলকুপা থেকে আসা এক প্রবাসী বলেন, এর আগে এসেছিলাম তখন তারা বলেছিলেন এ মাস থেকে নাকি লোন দেওয়া চালু হবে। এখন পর্যন্ত আমরা লোন পাইনি। এমনকি আবেদন করতে কি কাগজ লাগবে তা এনারা বলছেন না। আজ না কাল এই বলে ঘোরাচ্ছেন।
সদরের বেতাই গ্রাম থেকে আসা ইউনুস নামের এক প্রবাসী বলেন, মাসের পর মার ঘোরাচ্ছেন। বলছে ঋণ চালু নেই। ওরা শুধু বলে সামনের সপ্তাই। আজ এসে বললে বলছেন, অফিসার নেই, চালু হয়নি। সামনের সপ্তাহে আসেন। ঋণ আবেদন করতে আসা সবাইকে এভাবে ফিরিয়ে দিচ্ছেন।
কালীগঞ্জ উপজেলার মান্দারবাড়িয়া গ্রাম থেকে আসা প্রবাসী ওহিদুল ইসলাম বলেন, দেশের সব জেলায় ঋণ সুবিধা চালু থাকলেও এই শাখায় এলে বলা হচ্ছে ঋণ বন্ধ আছে। সরকার প্রবাসীদের সহযোগিতা করতে চাচ্ছে আর এই্ শাখার কর্মকর্তারা সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করছেন। কোন অদৃশ্য কারণে তারা এ মিথ্যাচার করছেন এর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ঝিনাইদহ শাখার ব্যবস্থাপক শেখ সিফাতি’র সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা তো সরকারের টাকা কোলের মধ্যে রেখে দিব না। আবেদন করলে আমরা তা ঢাকায় পাঠাবো। ঋণ বন্ধ আছে প্রবাসীদের ব্যাংক থেকে বলা হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রবাসীরা ভুল বলছে। ঋণ দেওয়া চালু আছে।











































