Home আন্তর্জাতিক পশ্চিমবঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি চলছেই

পশ্চিমবঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি চলছেই

25


খুলনাঞ্চল ডেস্ক।।

সুপ্রিম কোর্টের আবেদনের পর ভারতের দিল্লিসহ অধিকাংশ রাজ্যেই কাজে ফিরেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তারা কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন। কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ভারতজুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ।

কলকাতায় জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট জানিয়েছে, তারা এখন কর্মবিরতির আন্দোলন প্রত্যাহার করছেন না। কারণ, সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতি তাদের কাছে এখনও স্পষ্ট হয়নি। নতুন করে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আর জি করের সাবেক অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়েও স্পষ্টতা নেই। তাই তাদের আন্দোলন চলতে থাকবে বলে জানান।

আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার পর জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি শুরু করেন। তারা কলকাতার বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন। এক দিন আগেই তারা স্বাস্থ্য ভবনে গিয়ে তাদের দাবি জানিয়ে এসেছেন। তাদের দাবি মেনে আর জি কর থেকে চারজনকে বদলি করা হয়েছে। সন্দীপ ঘোষকেও ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে আর নিয়োগ করা হচ্ছে না। তাঁকে স্বাস্থ্য দপ্তরে অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ আন্দোলনরত ডাক্তারদের কাজে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। তারা বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ আদালত পদক্ষেপ নিয়েছেন। কোনো চিকিৎসককে আন্দোলনের জন্য শাস্তি দেওয়া যাবে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বন্ধও করা যাবে না। কিন্তু রোগী ও চিকিৎসা ব্যবস্থার স্বার্থে তাদের কাজে ফেরার অনুরোধ করেছিলেন বিচারপতিরা।

ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় দ্বিতীয় দিনের শুনানিকালে ওই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কলকাতা পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। তবে আন্দোলনকারীদের সর্বোচ্চ সংস্থা জিবি বা জেনারেল বডির সদস্যরা এক সভায় মিলিত হয়ে ঘোষণা দিয়েছেন, ধর্ষণ ও হত্যায় যুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। তারা দাবি করেন, এত বড় এক ঘটনায় মূল হোতাদের শনাক্ত করতে পারছে না সিবিআই। তারা এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তাই তাদের দাবি, আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হোক। এর পরই কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।