Home আঞ্চলিক খুলনা সিটি গার্লস কলেজের প্রদর্শক ওমর ফারুকের জামিন না মঞ্জুর

খুলনা সিটি গার্লস কলেজের প্রদর্শক ওমর ফারুকের জামিন না মঞ্জুর

19

স্টাফ রিপোর্টার

বিএসসি পরীক্ষার জাল নম্বরপত্র জমা দিয়ে সিটি গার্লস কলেজে রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক হিসেবে মো. ওমর ফারুক চাকরিতে যোগদান এবং ১৩ লক্ষ ২২ হাজার ৫৭০ টাকা সরকারি বেতন ভাতা গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় জেলহাজতে থাকা ওমর ফারুকের জামিন না মঞ্জুর করেছে আদালত। 

গতকাল বৃহস্পতিবার ওমর ফারুকের আইনজীবী গাজী রাজু আহমেদ বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে তার জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মো. জিয়া হায়দার জামিন না মঞ্জুর করেছেন। সে নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন ৯/১ গোবরচাকা মেইন রোডের বাসিন্দা ও নড়াইলের নড়াগাতি যোগানিয়ার বাসিন্দা মৃত. রমজেত আলী বিশ্বাসের ছেলে। ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক রাজ কুমার সাহা বাদী হয়ে দন্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। 

দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি অ্যাডভোকেট সেলিম আল আজাদ জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ ওমর ফারুককে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তিনি বর্তমানে নড়াইল কারাগারে রয়েছেন। ভার্চুয়াল আদালতে গতকাল তার জামিন শুনানি হলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করেছেন। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মো. ওমর ফারুক নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন বানরগাতি এলাকাস্থ সিটি গার্লস কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। ২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক টুটুল কুমার নাগ ও সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মো. দাউদ হোসেন সিটি গার্লস কলেজে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করেন। এরপর ২০১৫ সালের ২৫ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উক্ত পরিদর্শন ও নিরীক্ষার প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, খুলনা সিটি গার্লস কলেজে রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক মো. ওমর ফারুক ১৯৯১ সালের তার বিএসসি পরীক্ষায় খুলনা সিটি কলেজ থেকে ভূগোল বিষয় নিয়ে পাশ করেন। অথচ চাকরিতে যোগদানের সময় তিনি রসায়ন বিষয়ের জাল নম্বরপত্র তৈরি করে চাকরিতে যোগদান করেছেন। এ ঘটনায় তাকে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে কলেজ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তবে চাকরিতে জাল নম্বরপত্র ব্যবহার করে যোগদান ও ২০১৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সরকারি বেতন ভাতা হিসেবে তিনি ১৩ লক্ষ ২২ হাজার ৫৭০ টাকা গ্রহণ করায় তার বিরুদ্ধে গত ৩ আগস্ট সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়  যার নং-৬।