চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে-২০২৪ উপলক্ষে “স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালি ও জেলা আইনজীবী সমিতি কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ জিয়া হায়দার।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. কিসিঞ্জার চাকমা, পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, পিপিএম-সেবা, জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মুসরাত জেরীন, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ লুৎফর রহমান শিশির, পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ বেলাল হোসেন, জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি মোহঃ শামসুজ্জোহা, সহকারী কৌশলী( জিপি) মোঃ আশরাফুল ইসলাম খোকন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তালিম হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিচার পাওয়া মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। বাদী ও বিবাদীদের আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকায় সুবিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ কারণে আর্থিক অসচ্ছল ও অন্যান্য কারণে যারা ন্যায় বিচার প্রাপ্তিতে বঞ্চিত হচ্ছেন, তাদের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সালে যুগান্তকারী ও জনবান্ধব আইন সহায়তা কমিটি সংক্রান্ত আইনটি প্রণয়ন করে। সরকারের সুদৃষ্টি ও লিগ্যাল এইড কমিটির মাধ্যমে প্রতিনিয়ত সমাজের সুবিধা বঞ্চিত বিচার প্রত্যাশীরা আইনের সহায়তা পাচ্ছে। বিচারিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকল সম্মানিত স্টেকহোল্ডারগণের তৎপরতায় বিচার প্রত্যাশীদের দ্রুততম সময়ে আইনগত সহায়তা প্রদান করে সুবিচার পাইতে সহায়তা করলেই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সফল বাস্তবায়ন হবে।
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪২.৬ ডিগ্রি, আরও বাড়তে পারে
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় দুই সপ্তাহ ধরে অব্যাহত রয়েছে তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপমাত্রা। প্রতিদিনই হাসপাতালে গরমজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এই গরমে স্কুল-কলেজ না খুলে জুমে ক্লাস নেওয়া হোক।
শনিবার বিকাল ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্র ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪১ শতাংশ।
চলতি মৌসুমের শুরু থেকে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হয়ে আসছে এ জেলায়। একটানা রবিবার ১৬ দিন তীব্র থেকে অতি তীব্র দাবদাহে হাসপাতালে বেড়েই চলেছে জ্বর, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে। শনিবার বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। জেলায় হিট অ্যালার্ট জারি আছে। তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।
ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের পুরাতন চুকনগর সেতুটি বেহাল হয়ে পড়েছে। হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু পার হচ্ছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত যানবাহন চলাচল করে এই সেতু দিয়ে। যেকোনো মুহূর্তে সেতুটি ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
সেতুটির রেলিং ভেঙে গেছে। পাশাপাশি ফাটলও ধরেছে। ভেঙে পড়ছে ছাদের উপর-নিচ ও পিলারের ঢালাইয়ের কংক্রিট। ভেতরের রডগুলো বের হয়ে মরিচাও ধরেছে। সম্প্রতি ছাদে বড় দুটি অংশ ভেঙে পড়লে লোহার পাত বসিয়ে সাময়িক চলাচলের উপযোগী রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, ৮০ এর দশকে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা ও যশোরের কেশবপুর উপজেলার সীমান্তে চুকনগর ভদ্রা নদীতে সেতু নির্মিত হয়। সেতুটি নির্মাণে খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করে। সে সময়ে খুলনা-সাতক্ষীরা রুটে যাওয়া-আসায় এটিই ছিল একমাত্র সড়ক ও সেতু। এখনো তিন জেলাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত প্রতিদিন ২০ হাজার ছোট-বড় যানবাহন ও মালবাহী গাড়ি পরাপার হয়। এছাড়া সাধারণ পথচারীরাও পারাপারে সেতুটি ব্যবহার করে। বেশিরভাগ সময় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের মালবাহী পরিবহন রুটটিতে চলাচল করে।
স্থানীয় চুকনগর গ্রামের বাসিন্দা মেহেদী হাসান বাবলু বলেন, চুকনগরের সেতুর অবস্থা ভালো না। মাঝখান থেকে ভাঙা। লোহার একটা পাত দিয়ে গাড়ি চলে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে। এ পাড় থেকে গাড়ি যাওয়ার সময় ওপারের গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ওপার থেকে গাড়ি আসলে এপারের গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। সবসময় জ্যাম লেগে থাকে। নতুন একটি সেতু প্রস্তাবনা দিয়েছে শুনেছি, তা ওদিক থেকে ঘুরে যাবে। তাতে জ্যাম লেগেই থাকবে। সেতুটি সোজা হলে বাজারে জ্যাম থাকবে না মানুষের ভোগান্তিও থাকবে না।
এলাকাবাসী জানান, ৪৪ থেকে ৪৫ বছর আগে এই ব্রিজটি নির্মিত হয়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ এ অঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত সেতুটি ব্যবহার করে। প্রতিদিন ছোট-বড় যানবাহন, ব্যবসায়ীদের পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করে। কিন্তু সেতুটির নাজুক দশায় মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সারা জায়গায় ফাটল ধরেছে। ভারী গাড়ি উঠলে সেতু নড়ে। ছাদের নিচে ও উপড়ে বড় বড় অংশজুড়ে ভেঙে পড়ছে। রডগুলো দেখা যাচ্ছে। এছাড়া ছাদের একপাশের বড় ভাঙা জায়গা এড়াতে গাড়িগুলো অন্য পাশ দিয়ে চলাচল করছে। এতে গাড়ির সারি সারি দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়, যা দুভোর্গে বাড়াচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর জানায়, সেতুটি পুনরায় নির্মাণে উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। সাপোর্টিং রুলাল ব্রিজ প্রকল্পের আওতায় মিকশিমিল আর অ্যান্ড এইচ-শোলগাতিয়া চুকনগর জিসি সড়কে চেইনেজ ২৩৭৭ মিটারে ৬০ দশমিক ৬ মিটার দৈর্ঘের ব্রিজটি নির্মাণে ৫ কোটি ৯১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৪৬ দশমিক ৪২৯ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ হয়। টেন্ডারে কাজটি পায় খুলনার দক্ষিণ টুটপাড়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসএ জেডটি (জেভি)।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০২২ সালের ৫ জুলাই কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। কার্যাদেশ অনুযাযী ঠিকাদারের প্রকল্প সমাপ্তে মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট। তবে প্রকল্পের মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কাজ আরম্ভ করেনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম আনিসুজ্জামান বলেন, নতুন সেতু নির্মাণে জায়গা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা তৈরি হয়, যা নিষ্পত্তি হয়নি। নিজের জমির মালিকানা দাবি করে একজন নাগারিক মামলা করে। সে কারণেই কিছুটা সরে গিয়ে করতে বলা হয়। কিন্তু এই প্রকল্পে অন্যত্র সরে গিয়ে করা সুযোগ নেই। সে কারণে সেতু নির্মাণের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়। ফলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করতে পারেনি। এ প্রকল্পের টাকা ফেরত গেছে।
আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দীন বলেন, চুকনগরের সেতুটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ছয় মাসও সেতুটি টিকবে না। তখন নতুন ভোগান্তি তৈরি হবে। নতুন সেতু নির্মিত হলে সাতক্ষীরা, ডুমুরিয়া ও শাহাপুর আঞ্চলের মানুষের কালনা সেতুতে যেতে ৪০ কিলোমিটার পথ কমে যেত। তাই দ্রুত নতুন সেতুটি নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি খান মহিদুল ইসলাম বলেন, চুকনগর সেতু দিয়ে হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যস্ততম সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপারের ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুঁসছেন। অবিলম্বে পরিকল্পিতভাবে নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
ঝিনাইদহে নলকূপে উঠছে না পানি, মাঠ ফেটে চৌচির
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
সারাদেশের ন্যায় ঝিনাইদহে প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে। দেখা দিয়েছে পানির সংকট। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমেছে ৩৫-৪০ ফুট নিচে। ফলে পানি উঠছে না জেলার হাজার হাজার নলকূপে। পানির জন্য গ্রামে গ্রামে হাহাকার শুরু হয়েছে। মানুষ যেখানে পানি পাচ্ছেন, সেখানে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইরি ধানের মাঠে সেচকাজে মাত্রাতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করায় পানির স্তর নেমে গেছে। তাদের দাবি, ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে কোনো নিয়ম না মানায় এমনটি হয়েছে।
এদিকে, গ্রীষ্মের শুরুতেই জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১০ নদী ও দুটি নদের প্রায় ৮০ শতাংশ শুকিয়ে গেছে। এসব নদ-নদীতে কৃষকদের ধানচাষ করতে দেখা গেছে।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, কারো হাতে কলস, কারো হাতে বালতি কিংবা মগ। পার্শ্ববর্তী মসজিদের নলকূপ থেকে তারা পানি সংগ্রহ করছেন। বাড়ির নলকূপে বেশ কিছুদিন ধরে পানি না ওঠায় তারা এখান-ওখান থেকে পানি নিচ্ছেন।
এমনই অবস্থা জেলার ছয়টি উপজেলার বেশিরভাগ এলাকায়। বিশেষ করে শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর, যুগনী, আইশিয়াসহ অন্যান্য গ্রামে পানির সংকট অনেক বেশি।
জেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবমতে, তাদের নির্ধারিত ডিজাইন মেনে ঝিনাইদহে প্রায় ৩১ হাজার নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এসব নলকূপে পানির কোনো ঘাটতি নেই। জেলার কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন বলছে, তাদের অনুমতি নিয়ে জেলায় প্রায় ২০০ গভীর এবং সাত হাজার ৯২১টি অগভীর নলকূপ রয়েছে। তবে তাদের অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তি উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েক হাজার গভীর ও অগভীর নলকূপ রয়েছে। এসব নলকূপ থেকে নিয়ম না মেনে যত্রতত্র পানি উত্তোলন করায় পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। সবমিলিয়ে জেলার প্রায় তিন লাখ নলকূপ রয়েছে। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এসব নলকূপ থেকে এখন পানি উঠছে না।
শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর গ্রামের আলাপি খাতুন বলেন, ‘আমাদের টিউবওয়েলে আগে প্রচুর পরিমাণে পানি উঠতো। কিন্তু এখন আর পানি উঠছে না। এক কিলোমিটার দূরের মসজিদ থেকে পানি নিয়ে এসে কাজকাম করছি।’
একই গ্রামের মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তার ওপর টিউবওয়েলে পানি উঠছে না। সবমিলিয়ে আমরা কষ্টে আছি।’
কৃষক তারিকুল ইসলাম বলেন, বাড়ির পাশাপাশি ফসলের ক্ষেতেও পানির সংকট তৈরি হয়েছে। ঠিকমতো সেচযন্ত্রে উঠছে না পানি। সামান্য পানি উঠলেও সেচ দিতে সময় লাগছে কয়েকগুণ।
জেলার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি মাসুদ আহম্মদ সঞ্জু বলেন, দেশের মধ্যে চরম খরাপ্রবণ এলাকা ঝিনাইদহসহ আশপাশের এলাকা। গবেষণা বলছে, মরু এলাকার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা।
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, দেশের অন্য এলাকার তুলনায় ঝিনাইদহে জলাশয় কম। নিয়ম আছে এক কিলোমিটারের মধ্যে গভীর নলকূপ স্থাপন করা যাবে না। অথচ এটা কেউ মানছেন না। পানিপ্রবাহের উৎস নদ-নদী ভরাট করে দখল হয়ে যাচ্ছে। এসব কারণে গ্রীষ্ম মৌসুমে পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। পানির স্তর স্বাভাবিক রাখতে নদী খনন করতে হবে।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে সরকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে শৈলকুপায় ৩০০ ও মহেশপুরে ৩০০ বাড়িতে সারাবছর পানি পাওয়া যাবে।
চুয়াডাঙ্গায় তাপপ্রবাহে চলেছে শিক্ষার্থীদের ক্লাস, তবে টিনের ঝুপড়িতে গজিয়ে ওঠা দর্শনার কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পড়েছে বিপকে
মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)
চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপপ্রবাহে চলেছে কলেজ,মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ দান।তবে জেলার বেশীর ভাগ কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসায় দেখা গেছে ভিন্নরুপ।
গতকাল রবিবার থেকে স্কুল-কলেজ খুলেছে।এ জেলায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহে স্কুল-কলেজগুলোতে পুরোদমে ক্লাস শুরু হয়েছে।তবে ক্লাশ শুরু হলেও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল কম। যারা ছিল তারা বেশীর ভাগ মা বাবার বাধ্যবাধকতায় এসেছে। দর্শনার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থারা বলেন, ক্লাসরুমে ভ্যাপসা গরম।তার পরেও ক্লাস করতে হচ্ছে। তাছাড়া রোদ্রে আসা-যাওয়ায় অসুবিধা হচ্ছে। রাস্তায় বের হলেই রোদের ঝাঝালো তেজ।
এদিকে জেলায় আনাচে কানাচে গজিয়ে ওঠা বেশীরভাগ কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসা গুলো ঝুপরির মধ্যে।ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা কষ্টের মধ্যে ক্লাস করেছে।জেলার দর্শনায় বেশীর ভাগ কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসা টিনের ঝাপরির।নেই তেমন ফ্যানের ব্যবস্থা। ফলে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কষ্টের মধ্যে কিছুক্ষণ পর পর পানি খেয়ে সময় পার করতে দেখা গেছে।এদিকে
অভিভাবকরা বলছেন, এই তাপদাহের মধ্যে স্কুল খুলেছে। বাচ্চাদের ছাতা-পানির বোতল দিয়ে স্কুলে পাঠিয়েছি। তবে মে মাস পড়লেই তাপপ্রবাহ কেটে যাবে শুনেছি। এ জেলায় অতিতাপমাত্রার কারণে আর কয়েকটা দিন স্কুল বন্ধ থাকলে ভালো হতো।
শিক্ষকরা বলছেন, সরকারের নির্দেশনা মেনেই ক্লাস করানো হচ্ছে। রোজার ছুটি এরপর তাপপ্রবাহের ছুটি। সিলেবাস সম্পন্ন করা মুশকিল তাই একটু কষ্ট হলেও ক্লাস করানো হবে।চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. তবিবুর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত স্কুল চালানো হবে। চুয়াডাঙ্গায় রোববার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৬১ শতাংশ। দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২৩ শতাংশ।দুপুর ৩ টায় ছিল ৪১.৮ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বোরোর বাম্পার ফলনে খুলনায় কৃষকের মুখে হাসি
কয়রা প্রতিনিধি
দেশের দুর্যোগপ্রবণ এলাকা বলে পরিচিত খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎসব আর আনন্দের মধ্য দিয়ে চলছে ধান কেটে ঘরে তোল। এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ফলন ভালো হওয়ায় বেশ খুশি কয়রার কৃষকরা।
কয়রা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে কয়রার ৭টি ইউনিয়নে ৫৭২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। এরইমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে।
তবে কৃষকরা বলছেন, অনেকের কাছ থেকে ধারদেনা করে বোরা ধান চাষ করি। এ বছর বেশি দামে সার-ডিজেল কেনা ও সেচসহ ধান চাষে এবার অতিরিক্ত টাকা খরচ হয়েছে তাদের। তারপরেও ধান চাষ করে লাভবান হবে চাষিরা এমনই মন্তব্য কৃষকদের।
সরেজমিনে ৭টি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি ধানে দুলছে ফসলের মাঠ। অনেকে ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু করেছে। আবার অনেকেই ধান কাটা শেষে মাড়াই করছে। যাদের জমির ধান এখনো কাটেনি তাদের প্রতিটি গাছের থোকায় থোকায় ঝুলছে ধান। আশানুরূপ ফলন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন। তবে অনেক এলাকায় পানির জোগান না দিতে পারায় অনেকের রোপা বোরা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা আগামীতে পানির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট।
মহারাজপুর ইউনিয়নে এবার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরা ধানের চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড রুপালি-৭, ব্রিধান-৬৭ ও বিনা-১০ চাষ করে কৃষকরা ভালো ফলন পেয়েছে।
মহারাজপুর গ্রামের কিষানি নাসরীন খাতুন বলেন, এবার বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে সারের দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য ডিজেলসহ অন্য সামগ্রীর দাম বেশি ছিল। এমনকি ধান রোপণ থেকে কাটা পর্যন্ত শ্রমিকদের মজুরি বেশি। ধান কাটতে একজন শ্রমিককে ৬০০-৭০০ টাকা মজুরি দিতে হয় কিন্তু প্রচণ্ড গরমে বেশি টাকা দিয়েও মুজরি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ধান চাষ করতে যে টাকা খরচ হয়, তা ওঠানো খুব দুরূহ ব্যাপার। তার প্রতি বিঘা জমিতে রুপালি চাষ করে ৩০ মণ পর্যন্ত ধান উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। সে জন্য তিনি ধান চাষ করে লাভবান হবেন।
কৃষক আনিছুর রহমান বলেন, ‘চলতি মৌসুমে বৃষ্টি কম হওয়ায় সেচ যন্ত্রের মাধ্যমে জমিতে পানি দিতে হয়েছে। চারা রোপণে খরচ বেশি হয়েছে। শ্রমিকদের বেশি মজুরি দিতে হয়েছে। সেইসঙ্গে সারও কিনতে হয়েছে বেশি দামে। তারপরেও এ বছর ১ বিঘা জমিতে ২৫ মণ ধান উৎপাদন করতে পেরেছে। উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. ফারুক হোসেন বলেন, বোরা ধান চাষাবাদে কৃষি অফিসের পক্ষ হতে কৃষকদের পাশে গিয়ে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ বছর কয়রার ধান ভালো হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বছর কয়রার ৭টি ইউনিয়নে ৫৭২৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। অধিকাংশ কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষক খুশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে চাষ বেড়ে যাওয়ায় ফলন বেশি হয়েছে। আশা করি, আবহাওয়া ও বাজারদর অনুকূলে থাকলে কৃষকরা এবার লাভবান হবেন।
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সান্দিয়ারা লাহিনীপাড়া সড়কের চাপড়া ইউনিয়নের চাপড়া ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত একজনের নাম মো. সবুজ (২১)। তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মিলপাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে। আরেক জনের নাম বিপ্লব হোসেন (৪২)। তিনিও একই উপজেলার বাড়াদী উত্তর পাড়া এলাকার মোক্তার হোসেনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুইটি মোটরসাইকেলেই অতিরিক্ত গতি ছিল। সে জন্য নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তাদের ভাষ্য, সবুজ পালসার মোটরসাইকেল নিয়ে লাহিনীপাড়া থেকে সান্দিয়ারার দিকে যাচ্ছিলেন। আর বিপ্লব লিভো মোটরসাইকেল নিয়ে বিপরীত দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে চাঁপড়া ইউনিয়নের চাপড়া ব্রিজ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুইটি মোটরসাইকেল দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ সময় রাস্তায় ছিটকে পড়ে তাঁরা গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বিপ্লবকে মৃত ঘোষণা করেন এবং সবুজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পথিমধ্যে বিকেল ৩টার দিকে সবুজ মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শী সাজেদুল ইসলাম বলেন, দুইটি মোটরসাইকেলেই অতিরিক্ত গতি ছিল। কীভাবে যেন মুহূর্তেই তাঁদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
চাঁপড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক মঞ্জু বলেন, দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্য চিকিৎসক বিপ্লব নামে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং সবুজকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু সবুজ হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের সদস্য সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কুমারখালী থানার ওসি মো. আকিবুল ইসলাম বলেন, ‘দুইটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে কতজন নিহত হয়েছে তা জানা যায়নি।
ডুমুরিয়ায় ১৬১ ভূমিহীন পরিবারের মাঝে পাকা ঘরসহ জমি দলিল সম্পাদন
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রকল্পে ১৬১ ভূমিহীন পরিবারের মাঝে প্রতি পরিবারে ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যে পাকা ঘরসহ ২ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রি দলিল সম্পাদন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ও বিকালে উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রী কার্যালয়ে সাব-রেজিষ্ট্রার অঞ্জু দাস এ দলিল সম্পাদন করেন। উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতায় ডুমুরিয়া সদর, শোভনা,খর্ণিয়া,আটলিয়া, মাগুরাঘোনা,রুদাঘরা ও ধামালিয়া ইউনিয়নে ১৬১টি ‘ক’ শ্রেণীর ভূমিহীন পরিবার এ সুবিধা পা”েছন। পাকা ঘরসহ ২ শতাংশ জমি পাওয়ায় আটলিয়া এলাকার ভূমিহীন নাজমুল গাজী,নির্মল রাহা,উষা রানীসহ একাধিক ব্যক্তি একই সুরে সুর মিলিয়ে বলেন, আমরা এর আগে বিভিন্ন জায়গায় ভাড়াটে হিসেবে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছি। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর ও জমি পেয়ে আমরা অত্যন্ত খুশি। এখন আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে। এ সময় উপ¯ি’ত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম আশিস মোমতাজ, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা এসএম মনিরুজ্জামান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,মুকুন্দ কুমার সরকার, কানুনগো জাকির হোসেন সহ ভূমি অফিসের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি দল দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা করেছে।
রবিবার দুপুর ৩ টায় জেলার জীবননগরে বাসস্ট্যান্ডে খাবারের হোটেল ও ফার্মেসীসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানে তদারকি করে।এসময়
উপজেলা শহরের হাসাদহ সড়কে ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের পাশে মেসার্স মায়ের দোয়া হোটেলে তদারকিতে খোলা নর্দমার পাশে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি, খাবারে নিষিদ্ধ ক্ষতিকর ইন্ডস্ট্রিয়াল লবন ও অন্যান্য দ্রব্যের ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধের কারনে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মিনারুল হককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ও ৪২ এবং ৪৩ ধারায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে বাসস্ট্যান্ড মোড়ে মেসার্স শাওন ফার্মেসীতে তদারকি চালিয়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষুধ ও বিক্রি নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পুল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়। এ অপরাধে এ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক আব্দুর রাজ্জাককে ৪৫ ও ৫১ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ কাজে সহযোগীতায় ছিলেন জীবননগর থানার এসআই সৈকতের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য।
তীব্র তাপপ্রবাহ দাম কমেছে ব্রয়লারে, মাথায় হাত উঠেছে খামারিদের
আহাদ আলী, স্টাফ রিপোর্টারঃ
তাপদাহে পুড়ছে দেশ। সারা দেশে টানা চতুর্থবারের মতো জারি করা হয়েছে হিট অ্যালার্ট। তীব্র গরমে জন-জীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা। প্রয়োজন ছাড়া কেউই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। এর প্রভাব পড়েছে বাজার গুলোতে । নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় অন্যান্য সময়ে চেয়ে লোকজনের উপস্থিতি অনেক কম।
ঈদুল ফিতরের আগে ব্রয়লার মুরগির দাম ২৬০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। গত সপ্তাহে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে হয়েছিল ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। সেই ব্রয়লার মুরগি এখন আরো কমে ২১০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সোনালি ও দেশি মুরগি। কেজিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
বাজারের বেশির ভাগ সবজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের চেয়ে টমেটো, ঢেঁড়স ও শসার দাম কিছুটা কম দেখা গেছে। দৌলতপুর বাজারে ঢেঁড়স, টমেটো ও পটল ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। চিচিঙ্গা, করলা ও সাদা বেগুন ৫০ টাকা, কালো বেগুন ও বরবটি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সজনের কেজি এখনো ১০০ থেকে ১১০ টাকা। তবে অন্যান্য বাজারে এর চেয়ে কিছুটা কম দামে পাওয়া যায়। এইদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, চড়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে মুরগি কেনায় আগ্রহ কমে গেছে। ফলে দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছেন পাইকাররা। এতে কিছুটা দাম কমেছে ব্রয়লার মুরগির।
ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ী সুমন হাওলাদার বলেন, চলমান তাপপ্রবাহের ফলে হিটস্ট্রোক করে মুরগি মারা যাচ্ছে। প্রতিদিন আমার দোকানে ২/৩ টি মুরগি মারা যাচ্ছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে আগামী দিনে ব্রয়লার মুরগি ও ডিম সংকটে পড়তে পারে।
তিনি আরো বলেন, ঈদের পরে থেকে ১০/১২ দিন খামার গুলোতে ব্রয়লার, লেয়ার ও সোনালী মুরগি অনেক মারা গেছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই ছিল ব্রয়লার মুরগি। এতে ক্ষতির পরিমাণ অনেক। এই অবস্থা চলতে থাকলে খামারগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। ডিম ও মুরগির উৎপাদন কমে যাবে।
আরেক মুরগি ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, ব্রয়লার মুরগির বাজারের অবস্থা খুবই খারাপ। আমি দীর্ঘ দিন থেকে ব্যবসা করি। এমন খারাপ পরিস্থিতি আগে কখনো দেখিনি। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। কিন্তু এ অবস্থা কত দিন থাকবে তা বলা যাচ্ছে না। গ্রাম-গঞ্জের খামারের ব্রয়লার মুরগি গরমে মারা যাচ্ছে। অচিরেই এর প্রভাব বাজারে পড়বে বলে মনে হচ্ছে।
সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে কালিগঞ্জে ইয়ুথ পিস অ্যাম্বসেডর গ্রুপ গঠিত
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জ পিএফজি গ্রুপ এর আয়োজনে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় রবিবার (২৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় সুশিলনের আঞ্চলিক কার্যালয়ে পিএফজি কালিগঞ্জের সমন্বয়ক ও কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাস বাচ্চু’র সঞ্চালনায় ও পিচ অ্যাম্বাসেডর উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ডাঃ শেখ শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সভায় সহিংসতামুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে কালিগঞ্জে ইয়ুথ পিস অ্যাম্বসেডর গ্রুপ গঠিত হয় । সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ২ (দুই) বছরের জন্য সমন্বয়কারি শেখ পারভেজ ইসলাম, যুগ্ম সমন্বয়কারী আফরিন নেহা ও আকাশ কুমার দাশ নির্বাচিত হন। তারা দেশের রজনৈতিক, ধর্মীয় এবং নৃ-তাত্ত্বিক সহিংসতা নিরোধ, নিরসন প্রশমনে কালিগঞ্জ পিচ ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) এর সাথে থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাবে। সভায় ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপ এর গঠনতন্ত্র উপস্থাপন করেন দিহাঙ্গার প্রজেক্ট এর ইয়ুথ এন্ড জেন্ডার বিশেষঞ্জ এবং চৌকস ট্রেনার অনিন্দিতা বিশ্বাস। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন পিএফজি গ্রুপের এম্বাসেডর, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুজন এর উপজেলা সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সুজন উপজেলা শাখার সহ সভাপতি ও সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, দেশ টেলিভিশনের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি শরিফুল্লা কায়ছার সুমন, পিএফজির সদস্য, সাবেক এম্বাসেডর এম হাফিজুর রহমান শিমুল, সাংবাদিক শেখ আব্দুল করিম মামুন হাসান প্রমুখ।সভার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের পিএফজি গ্রুপের ফিল্ড কোঅরডিনেটর মোঃ আবু তাহের।
কালিগঞ্জে মাছ চুরির প্রতিবাদ করায় ঘের মালিক হাসপাতালেঃ থানায় মামলা
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জে মৎস্যঘেরে মাছ চুরির প্রতিবাদ করায় ঘের মালিককে কুপিয়ে যখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় চুরির মামলা দায়ের হয়েছে, মামলা নং ১৮/৭৮।
থানায় মামলা ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানাগেছে, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানা এলাকার তারালী গ্রামস্থ
দক্ষিণ বিল নামক বিলে পশ্চিম তারালী গ্রামের আনোয়ার হোসেন সরদারের মৎস্য ঘেরে প্রায়শ মাছ চুরির ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ এপ্রিল-২৪ রাতে রাত আনুঃ ১০ টা ১৫ মিনিটে ঘেরের আটোল থেকে মাছ ধরার শব্দ পায় ঘের মালিক আনোয়ার হোসেন। চুপিসারে তিনি আটোলের পাশে লাইটের আলোয় দেখতে পান দুইজনের একজন পানিতে ও অপরজন রামদা ও লোহার রড হাতে মাছের থলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এসময়ে ঘের মালিক চিৎকার করলে অবস্থার বেগতিক দেখে তারালী গ্রামের আবুল হোসেন সরদারের ছেলে সুজন (২৪) ও মঙ্গলপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাসেল (২৫) আনোয়ার হোসেনকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তজমাট যখম করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। ততোক্ষণে স্থানীয় ঘের মালিকরা এসে রক্তাক্ত অবস্থায় আনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে, তার অবস্থা গুরুতর। এঘটনায় ঘের মালিকের ছেলে আবির হোসেন (২০) বাদী উল্লেখিত চোরদ্বয়ের আসামী করে ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৫০৬ ও ১১৪ ধারায় কালিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন, মামলা নং ১৮/৭৮। হাসপাতালে চিকিৎসারত ঘের মালিক আনোয়ার হোসেন এ প্রতিনিধিকে বলেন ঐ দুই চিহৃিত চোর প্রায়ই ঘের থেকে মাছ চুরি করে আসছে। তাদের প্রতিবাদ করলেই তেড়ে আসে মারপিট করতে। আমাকে কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। আমি খুবই অসহায়, তাদের গ্রেপ্তার পুর্বক আইনের মাধ্যমে শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
খুলেছে স্কুল, শঙ্কিত অভিভাবকেরা
আহাদ আলী, স্টাফ রিপোর্টারঃ
দীর্ঘ ছুটির পর খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রোববার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসছে। তবে তীব্র তাপপ্রবাহে স্কুলে পাঠিয়ে অনেকটা শঙ্কিত অভিভাবক। অভিভাবকরা বলছেন, বেশির ভাগ স্কুলেই খাবার বিশুদ্ধ পানি নেই। আবার অনেক শিক্ষার্থী পানি নিয়ে স্কুলে যায় না। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে এর দায় কে নেবে।
দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাসরীন জাহান আম্মু বলেন, শিশুরা অস্থির হয়ে যাচ্ছে, কখন তারা বাসায় যাবে। বারবার পানি খেতে চাচ্ছে। ক্লাস রুম থেকে বারবার বাইরে বেরিয়ে এসে পানি খেতে চাচ্ছে।
চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরবি খাতুন আব্বু বলেন, আমার মেয়েকে স্কুলে দিয়ে আমি দোকানে যাই, ৪৫ মিনিট পরে স্কুল ম্যাডাম ফোন দিয়ে বলে আরবি বমি করতিছে, আমি স্কুলে থেকে মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তার দেখে বলছে, অতিরিক্ত গরমের কারণে বমি করছে।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে,
তাপপ্রবাহে ক্লাসের বাইরে বের না হতে, মাঠে খেলাধুলা না করতে এমনকি বন্ধুদের সঙ্গে দৌড়াদৌড়ি না করার জন্যও সতর্ক করা হচ্ছে।
নতুন সূচি অনুযায়ী এক শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলবে সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত। আর দুই শিফটের বিদ্যালয়ে প্রথম শিফট ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং দ্বিতীয় শিফট পৌনে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত। তা ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চললেও বন্ধ থাকবে অ্যাসেম্বলি। পাশাপাশি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় আপাতত বন্ধই থাকছে।
এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর গতকাল (২৭এপ্রিল) শনিবার সারা দেশে নতুন করে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা বা ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করেছে। তাপপ্রবাহ আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পাইকগাছায় খুন জখমের হুমকি: থানায় সাধারণ ডায়েরী
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি:
পাইকগাছায় পূর্বশত্রুতার জেরে এক ব্যক্তিকে জীবন নাসের হুমকি। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে ওই ব্যক্তি। সাধারণ ডায়েরী সুত্রে জানাযায়, উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের বিরেন্দ্র নাথ গোলদারের ছেলে সুশান্ত সরকারের সাথে একই এলাকার হরিপদ টিকাদারের ছেলে ব্রজেন টিকাদার(৫৫) এর সাথে নামযজ্ঞের টাকা পয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধে চলে আসছে। গত ৭ এপ্রিল রাত আটটার দূর্গপুর গ্রামের আকবরের খেয়াঘাটস্থ চায়ের দোকানে সামনে আমাকে দেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি প্রতিবাদ করলে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারপিট করতে উদ্যত হয়। তখন আমার ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে ব্রজেন টিকাদার সহ কয়েকজন জীবন নাসের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় সুশান্ত গোলদার বাদী হয়ে ৯ এপ্রিল ব্রজেন টিকাদারের নামে থানায় সাধারণ ডায়েরী করে। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান জানান, সাধারণ ডায়েরীর তদন্ত চলছে সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মাগুরার মহম্মাদপুরে পারিবারিক নির্যাতনে গৃহবধুর আত্মহত্যার অভিযোগ।
নওয়াব আলী মাগুরাঃ
মাগুরার মহম্মাদপুরে পারিবারিক নির্যাতনে গৃহবধুর বিষ পানে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।বিনোদপুরের কালুকান্দি গ্রামের বাচ্চু সরদারের স্ত্রী নাসিমা বেগম কে তার
স্বামী,শশুর লুৎফর রহমান,শ্বাশুড়ি জামিলা বেগম, ভাসুর ইলিয়াস সরদার ও যা নাসিমা তাকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছে।এ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শনিবার রাতে বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে মোহাম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।এ ব্যাপারে রবিবার মোহাম্মদপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন।
এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাবি শিল্পী খাতুন জানান আমার ননদকে তার স্বামী, শাশুড়ি,শ্বশুর,ভাসুর ও যা নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে।সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে আমরা এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির আহবায়কের স্ত্রীর সুস্থতা কামনা
খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি সোনাডাঙ্গা থানার আহবায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান মনি’র স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ভারতে চিকিৎসাধীন আছেন তার সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
রবিবার (২৮এপ্রিল) মিডিয়া সেল প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বিএনপি নেতার স্ত্রীর আশু রোগমুক্তি কামনা করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন প্রমূখ। বিবৃতিদাতারা অপর এক বিবৃতিতে ১৯নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী মিজানুর রহমানের পিতা কাজী নুরুল ইসলামের সুস্থতা কামনা করেছেন।
বিএনপি নেতা হেলাল’র বোন ও এজাজের মায়ের ইন্তেকালে শোক
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল এর মেঝবোন মোমেনা বেগম মিনু (৮৫) ও খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খানের আম্মা ফাতেমা খাতুন (৭৯) এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা সদর থানা বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মরহুমাদ্বয়ের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, সদর থানা বিএনপির আহবায়ক কে এম হুমায়ুন কবীর (ভিপি হুমায়ুন), সদস্য সচিব মোল্লা ফরিদ আহমেদ সহ সদর থানার অর্ন্তগত সকল ওয়ার্ড বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
শেখ জামালের জন্মবার্ষিকীতে নগর যুবলীগের দোয়া
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের দ্বিতীয় পুত্র শেখ জামালের ৭১ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়ার আয়োজন করেছে খুলনা মহানগর যুবলীগ। রবিবার বাদ মাগরিব নগরীর শঙ্খ মার্কেটস্থ আজমেরী জামে মসজিদে এই দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নগর যুবলীগের সভাপতি সফিকুর রহমান পলাশ। আরো উপস্থিত ছিলেন, নগর যুবলীগ নেতা মোস্তফা শিকদার, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা রিপন ইসলাম, কাঞ্চন শিকদার, লাবু আহম্মেদ, জামিল আহমেদ সোহাগ, সাবেক ছাত্রনেতা সবুজ হাজরা, সবুজ হাজরা, শামীম হায়দার, হাবীবুর রহমান সুমন, মীর শওকত রাসেল, ইমতিয়াজ আহম্মেদ শুভ, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ নেতা জব্বার আলী হীরা, জহির আব্বাস, রফিকুল ইসলাম রফিক, জনি বসু, য্বুলীগ কর্মী জিহাদ হোসেন, একরাম হোসেন, তাজুল হোসেম রোমেল, বাবু, সুমন হোসেন, জুয়েল, বাবু সাহা, চৌধুরী রুমেল, মোঃ বাবু প্রমুখ। এছাড়াও আজমেরী জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার এতিম শিশুরাও দোয়ায় অংশগ্রহন করে।
এ সময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ইতিহাসের সবথেকে নিকৃষ্টতম হত্যাকান্ডে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর ভাই শহীদ শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর পুত্র শেখ জামাল, শেখ কামাল ও শেখ রাসেলসহ নিহত সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মহান আল্লাহের নিকট প্রার্থনা করা হয়।
যুবলীগ নেতা কবীর পাঠানের মায়ের ইন্তেকালে নগর যুবলীগের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর যুবলীগের সাবেক সদস্য কবীর পাঠান এর মাতা সুফিয়া বেগম (৮০) ইন্তেকাল করেছেন। শনিবার রাত আটটায় নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরন করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জটিল নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন । মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহি রিখেগেছেন। রবিবার বাদ যোহর শেখপাড়া আস্তানা মসজিদে মরহুমার নামাযের যানাজা অনুষ্ঠিত হয়। যানাজা শেষে বসুপাড়া কবর স্থানে মরহুমার দাফন সম্পন্ন হয়। যানাজায় অংশগ্রহন করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজান, আবুল কালাম আজাদ কামাল, ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি চ ম মুজিবুরসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ ও গণমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
অপরদিকে সুফিয়া বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর যুবলীগের সভাপতি সফিকুর রহমান পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন পাশাপাশি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানান গভীর সমবেদনা।
কয়রায় এমপি রশীদুজ্জামানকে সংবর্ধনা
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
কয়রা উপজেলায় বশিরহাট আল্লামা রুহুল (রঃ) এর পূর্ণ্য স্মৃতি বিজড়িত কালনা আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কামিল (এম এ) পর্যায়ে উন্নীত হওয়ায় কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (২৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় মাদ্রাসার হলরুমে মাদ্রসা কর্তৃপক্ষ এই সংবর্ধা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান। শিক্ষক মোঃ হুমায়ুন কবিরের পরিচালনায় এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আলী। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম, মহেশ্বরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক শাহনেওয়াজ শিকারী, কুশাডাঙ্গা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মহিবুল্যাহ আল মামুন, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সদর উদ্দিন আহমেদ, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি সুলতান গিয়াস উদ্দিন, মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক মাওলানা আয়ুব আলী, কালনা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শাহাবাজ হোসেন প্রমুখ। আলোচনা শেষে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা আঃ গনি। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মাদ্রাসার শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবক সদস্য, শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় রাজমিস্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ঝুলন্ত অবস্থায় মো. ইয়াছিন শেখ (২০) নামের এক রাজমিস্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন মডেল থানা পুলিশ। রোববার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বেতাগা ইউনিয়নের চাকুলী এলাকা থেকে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলাই ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মো. ইয়াছিন শেখ উপজেলার চাকুল মো. শাহাদাত শেখের ছেলে। পরিবারের দাবী স্ত্রীর উপর অভিমান করে সে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ জানায়, রোববার সকালের কোন এক সময় ইয়াছিন শেখ ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলাই ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতদেহের প্রাথমিক সুরোতহাল পতিবেদন তৈরী করেন। পরে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। গত ২৬ এপ্রিল ইয়াছিন শেখের স্ত্রী পারিবারিক কলহের জের ধরে তার পিত্রালয়ে চলে যান। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় চাকুলী এলাকায় অন্য একটি ছেলেকে নিয়ে তার স্ত্রী ওয়াজ মহফিলে আসেন। এটি দেখতে পান স্বামী ইয়াছিন শেখ। সেই দু:খে ও ক্ষোভে সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছেন। ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. আশরাফুল আলম জানান, মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। ##
ফকিরহাট জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় র্যালি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া সিদ্দিকা সেতু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহিদ সুজা, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আজিজুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোমা রায়, সমবায় কর্মকর্তা মিলন কুমার দাস, সমাজসেবা কর্মকর্তা অতিশ কুমার সরদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন, পল্লী বিদ্যুতের ফকিরহাট জোনের ডিজিএম মুহাম্মদ ফাখরুল ইসলাম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রবীর কুমার শীলসহ অন্যান্যরা।
দাকোপে চালনা পৌরসভায় উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত
দাকোপ প্রতিনিধি
শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যদিয়ে খুলনার দাকোপ উপজেলা সদর চালনা পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে মোট ৩১৬৪ জন ভোটারের বিপরীতে ৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে পৃথক তিনটি কেন্দ্রে ইভিএমে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে তমালিকা ফেরদৌসী (চশমা) প্রতীকে ৭১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী স্মীতা বিশ^াস (আনারস) প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮৮। অপর প্রার্থী মরিয়াম খাতুন (জবাফুল) প্রতীকে পেয়েছেন ১৬৩ ভোট। উল্লেখ্য সংরক্ষিত ২নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিনা বেগম গত ১৩ ফেব্রুয়ারী মৃত্যুবরণ করায় পদটি শুণ্য হয় বলে নির্বাচন ও সহকারী রিটানিং অফিসার আরিফুল ইসলাম জানান।
দাকোপে ভ্রাম্যমান আদালত ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন
দাকোপ প্রতিনিধি
দাকোপে ভ্রাম্যমান আদালত খেয়াঘাটে তরমুজবাহী গাড়ী থেকে নিয়ম বহিঃভূত ভাবে টোল আদায়ের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিস সুত্রে জানাগেছে, রবিবার দুপরে উপজেলা পোদ্দাগঞ্জ খেয়াঘাটে নদী পারা-পারে ঘাট মালিকের টোল আদায়কারী গাজী মুহায়মিন ইসলাম তরমুজের ট্রাক থেকে নিয়ম বহিঃভূত ভাবে টোল আদায় করছে। এমন সংবাদের ভিক্তিতে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী পোদ্দারগঞ্জ ঘাটে উপস্থিত হয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে গাজী মুহায়মিন ইসলামকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় থানা পুলিশ সদস্য, নির্বাহী অফিসের সিও ও স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মি উপস্থিত ছিলেন।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ : মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, সরকার দরিদ্র মানুষকে আইনগত সহায়তা প্রদান করার লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করায় অসহায় ও দরিদ জনগোষ্ঠী উপকৃত হচ্ছে। এ উদ্যোগকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংস্থাটি ইতোমধ্যে দরিদ্র বিচার প্রার্থীদের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আইনের শাসন বাস্তবায়নের মাধ্যমে অসহায় বিচার প্রার্থীদের ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছেন। সংস্থাটি সঠিকভাবে কাজ করলে অর্থাভাবে কেউ বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না। তিনি কমিটির সকলকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান।
সিটি মেয়র রবিবার সকালে জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন উপলক্ষে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা-খুলনা জেলা কমিটি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয় ‘‘স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট দেশ-বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’’। অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র মাদকমুক্ত খুলনা গড়তে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংবিধানিক সংস্থা। দরিদ্র বাংলাদেশীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য সংস্থাটি দায়বদ্ধ। বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি করে লিগ্যাল এইড অফিস রয়েছে। এসব অফিসে দরিদ্র জনগোষ্ঠী বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা চাইতে পারে। এছাড়া প্রত্যেক উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও লিগ্যাল এইড কমিটি রয়েছে।
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা-খুলনা জেলা কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদা খাতুন-এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক, অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব চৌধুরী, মহানগর দায়রা জজ মোঃ শরীফ হোসেন হায়দার, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুন নেসা, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দ বাগচী, পুলিশ সুপার মোঃ সাঈদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর আলীফ রেজা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মোঃ সাইফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তৃতা করেন লিগ্যাল এইড অফিসার শরিফুর রহমান এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ ইয়াসমিন নাহার। অন্যান্যের মধ্যে বেসরকারি সংস্থা রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, সংস্থা থেকে উপকারভোগী অঞ্জলী বেগম প্রমুখ বক্তৃতা করেন। আইন সহায়তায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখায় অনুষ্ঠানে সংস্থার জেলা কমিটির সদস্য এ্যাড. তৃপ্তি রানী দাস-কে পুরস্কৃত করা হয়। বিচারক, আইনজীবী, বিচার বিভাগের কর্মকর্তা, সংস্থার কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিবসটি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নগরীর শহীদ হাদিস পার্ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়। সিটি মেয়রের নেতৃত্বে র্যালীটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আদালত প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনসহ সর্বস্তরের কর্মকর্তাগণ র্যালীতে অংশগ্রহণ করেন।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে পানি ও স্যালাইন নিয়ে শ্রমিক ও পথচারীদের পাশে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
তীব্র গরমে কষ্টে থাকা খুলনা মহানগরীর গরিব ও শ্রমিক মানুষসহ সাধারণ মানুষের হাতে সুপেয় খাবার পানির বোতল ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল খুলনা মহানগর শাখার নেতাকর্মীরা।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে চলমান তীব্র তাপ প্রবাহে অতিষ্ঠ নগরীর মানুষের মধ্যে বিশুদ্ধ ঠান্ডা খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ করা হয়। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসুচিতে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফি, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিলটন, সদস্য সচিব রকিবুল ইসলাম মতি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি আহসান হাবিব বাবু, মুনতাসির আল মামুন, হেলাল ফরাজী, নাসির উদ্দিন , মহিদুল ইসলাম, শওকত আলী বিশ্বাস লাবু, ইসলাম খলিফা, তারিফ বিশ্বাস বাবু, মাজেদুর রহমান তুহিন, রুহেল হাওলাদার, আকরাম শেখ, সাইদুর রহমান তপুসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরমে মানুষের কষ্ট বেড়েছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ ও শ্রমিকদের কষ্ট সীমাহীন। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এ অবস্থায় বসে থাকতে পারে না। রাজনীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো মানবসেবা করা। তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে স্বেচ্ছাসেবক দল।









































