Home খেলাধুলা উইলিয়ামসন-সাউদির মাইলফলক টেস্টে অজিদের রোমাঞ্চকর জয়

উইলিয়ামসন-সাউদির মাইলফলক টেস্টে অজিদের রোমাঞ্চকর জয়

41

স্পোর্টস ডেস্ক

ক্রাইস্টচার্চে তৃতীয় দিন শেষে নিউজিল্যান্ডই বেশ এগিয়ে ছিল। যেখানে ২৭৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪ উইকেটে ৭৭ রান নিয়ে শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। জয়ের জন্য আরও ২০২ রান দরকার ছিল। চতুর্থ দিন নিউজিল্যান্ডের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ উইকেট। তবে অ্যালেক্স ক্যারি, মিচেল মার্শ ও প্যাট কামিন্সের ব্যাটে বিপদ কাটিয়ে ৩ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউজিল্যান্ড: ১ম ইনিংসে ১৬২ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৭২

অস্ট্রেলিয়া: ১ম ইনিংসে ২৫৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮১/৭

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচসেরা: অ্যালেক্স ক্যারি (অস্ট্রেলিয়া)

সিরিজসেরা: ম্যাট হেনরি (নিউজিল্যান্ড)।

সিরিজ: অস্ট্রেলিয়া ২–০ ব্যবধানে জয়ী।

ফলে নিউজিল্যান্ডকে দুই টেস্টের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া। অথচ কিউইদের দাপট দেখে মনেই হয়েছিল তারা তাদের সেরা দুই কিংবদন্তিকে পুরস্কার তুলে দেবে। কিন্তু শততম টেস্ট খেলতে নামা কেন উইলিয়ামসন ও টিম সাউদি হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়েন।

আজ সোমবার বৃষ্টির কারণে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হতে প্রায় এক ঘণ্টা দেরি হয়। তবে দিনের খেলা শুরুর পর দ্বিতীয় ওভারেই ট্রাভিস হেডকে (১৮) তুলে নিয়ে অন্য কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক সাউদি। কিন্তু অ্যালেক্স ক্যারিকে সঙ্গে নিয়ে পাল্টা আক্রমণে মধ্যাহ্নবিরতি পর্যন্ত ৯৪ রানের জুটি গড়েন মিচেল মার্শ। বিরতির সময় অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৭৪। জয়ের জন্য দরকার ছিল আর ১০৫ রান।

মার্শ-ক্যারির ষষ্ঠ উইকেটে জুটিতে উঠেছে ১৪০ রান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এই জুটির অবদানই সবচেয়ে বেশি। ১ ছক্কা ও ১০ চারে ১০২ বলে ৮০ রান করা মার্শ ৫৫তম ওভারে দলীয় ২২০ রানে বেন সিয়ার্সের শিকার হন। এলবিডব্লিউ হন মার্শ। পরের বলেই মিচেল স্টার্ককে উইল ইয়াংয়ের ক্যাচে পরিণত করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন সিয়ার্স। জয়ের জন্য তখনো ৫৯ রানের দূরত্বে অস্ট্রেলিয়া। ক্যারি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে সঙ্গে নিয়ে বাকি পথটা পাড়ি দেন।

এই উইকেটকিপার-ব্যাটার ৮ম উইকেটে কামিন্সের সঙ্গে ৬৪ বলে ৬১ রানের জুটিতে অস্ট্রেলিয়ার জয় নিশ্চিত করেন। ১২৩ বলে ৯৮ রানে অপরাজিত ছিলেন ক্যারি। দলীয় ২৭২ রানে ৬৫তম ওভারটা চার মেরে শুরু করেছিলেন ক্যারি। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে প্রান্ত বদল করার পর আর স্ট্রাইকে যেতে পারেননি। ওভারের শেষ বলে চার মেরে জয় এনে দেন কামিন্স। ৪৪ বলে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।

চতুর্থ ইনিংসে ২৭৯ রান কিংবা তার বেশি লক্ষ্য এ নিয়ে ১৪তম বারের মতো তাড়া করে জিতল অস্ট্রেলিয়া, যা ২০০৬ সালের পর এ নিয়ে তৃতীয়বারের।