খুলনাঞ্চল ডেস্ক।।
বানিগালার বাসভবনে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবির জীবন ঝুঁকিতে। এমন দাবি জানিয়েছেন তার বোন মরিয়াম রিয়াজ ওয়াত্তো। দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর তাকে এই বাড়িতে গৃহবন্দি রাখা হয়েছে। মরিয়াম রিয়াজ দাবি করেছেন, সেখানে জেল কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে বাজে আচরণ করছে। তিনি অসুস্থ হলেও কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেয়া হচ্ছে না। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জিও নিউজ। দুর্নীতির মামলায় ইমরান খানের সঙ্গে অভিযুক্ত হয়েছেন বুশরা বিবি। এই মামলায় তাদেরকে ১৪ বছর করে জেল দেয়া হয়েছে। ইমরান খান আদিয়ালা জেলে বন্দি আছেন। অন্যদিকে তার ইসলামাবাদের বাসভবন বানিগালায় গৃহবন্দি রাখা হয়েছে বুশরা বিবিকে।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রাষ্ট্রীয় উপহার তারা কম দাম দেখিয়ে কিনে নিয়েছেন এবং তার মধ্য দিয়ে লাভবান হয়েছেন। মরিয়াম রিয়াজ বলেন, বুশরার সঙ্গে জেল কর্তৃপক্ষের আচরণ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। তিনি আরও বলেন, বুশরার নিরাপত্তার দায়িত্ব আদিয়ালা জেলের সুপারিনটেন্ডেন্টের। কিন্তু তথ্যপ্রমাণ দেখাচ্ছে যে, কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে।
উল্লেখ্য বুশরা বিবির ছোটবোন মরিয়াম রিয়াজ ওয়াত্তো। তিনি শিক্ষা বিষয়ক একজন পেশাদার। বসবাস করেন দুবাইয়ে। বলেছেন, কমপক্ষে ১০ দিন পরে তার বোনের মেয়েকে বুশরার সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়েছে। ৬ দিন আগে বুশরাকে কিছু উদ্ভট, খুব বাজে স্বাদযুক্ত খাবার দেয়া হয়েছিল। এতে তার গলা জ্বলে গেছে। পাকস্থলীতে প্রদাহ দেখা দিয়েছে। এর ফলে গত ৬ দিন ধরে তিনি কিছু খেতে পারছেন না। এতে দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। যে নারী পুলিশ তাকে ওই খাবার দিয়েছিল, এরপরই তাকে বদলি করা হয়েছে। কিন্তু বুশরা বিবির কি হয়েছে তা পরীক্ষা করার জন্য কোনো ডাক্তার ডাকা হয়নি। এতে বিলম্ব করার অর্থ হলো তার বোনকে যে খাবার দেয়া হয়েছে তা যেন শরীরে ভালভাবে মিশে যায়।
এক্সে দেয়া এক পোস্টে মরিয়াম রিয়াজ ওয়াত্তো এসব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, পরামর্শের জন্য কোনো ডাক্তার ডাকা হয়নি। তাকে গ্রেপ্তারের সময় বুশরা বিবি খুবই সুস্থ ছিলেন। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা অন্য কোনো রোগ ছিল না তার। তার আশঙ্কা, তাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়া হবে। তারপর ঘোষণা দেয়া হবে যে, তিনি অসুস্থতা এবং বিষণ্নতা থেকে মারা গেছেন। তার আত্মবিশ্বাসের বিষয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন। তিনি মনে করেন এসবের ইতি ঘটবে। দেশ প্রকৃত অর্থে স্বাধীন হবে। মরিয়াম রিয়াজ আরও লিখেছেন, তার পরিবার জরুরি ভিত্তিতে পরিবারের নিয়োগ দেয়া একজন চিকিৎসক দিয়ে বুশরা বিবির স্বাস্থ্য পরীক্ষার অনুমতি চায়। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর পছন্দনীয় হাসপাতালে নিতে দেয়া উচিত। সঙ্গে থাকতে পারে সরকার নিয়োজিত চিকিৎসকও।
তার বোনের সঙ্গে কি ঘটছে তা আমলে নিতে পাকিস্তানের বিচার বিভাগের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন মরিয়াম রিয়াজ।











































