খুলনাঞ্চল ডেস্ক।।
বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের কথা বলার স্থান বন্ধ (ক্লোজড) হয়ে গেছে। বুধবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকারবিষয়ক সংগঠন সিভিকাস মনিটর প্রকাশিত নতুন প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে এ কথা বলেছে।
পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাতে বিশ্বনেতাদের বলা হয়েছে।
জোহানেসবার্গভিত্তিক নাগরিক অধিকার গোষ্ঠীটি তাদের ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে যেসব দেশে এ মুহূর্তে নাগরিক অধিকার সবচেয়ে সংকুচিত, বাংলাদেশকে সেরকম ২৮টি দেশের কাতারে রেখেছে।
এশিয়ায় এ ধরনের দেশের সংখ্যা আগে ছিল সাতটি-আফগানিস্তান, চীন, হংকং, লাওস, মিয়ানমার, উত্তর কোরিয়া ও ভিয়েতনাম। নতুন করে এদের কাতারে যোগ হয়েছে বাংলাদেশ।
ক্রম অবনতিশীল অধিকার পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই বাংলাদেশকে সিভিকাস বিশেষ দৃষ্টিবদ্ধ দেশগুলোর তালিকায়, অর্থাৎ ওয়াচ লিস্টে রাখে। আর ডিসেম্বরের চূড়ান্ত বার্ষিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে তারা সবচেয়ে নিচের ধাপ অর্থাৎ ক্লোজড ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দিয়েছে।
এ অবনমনের কারণ হিসাবে তারা মূলত ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বিরোধী রাজনীতিবিদ এবং স্বাধীন সমালোচকদের ওপর সরকারের ব্যাপক দমন-পীড়ন উল্লেখ করেছে।
বাংলাদেশ বিষয়ে বলা হয়েছে, জানুয়ারির ভোটকে সামনে রেখে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন করতে সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে ক্ষমতাসীন দল। কর্তৃপক্ষ মানবাধিকার রক্ষাকারীদের টার্গেট করেছে, সাংবাদিক, বিক্ষোভকারী এবং অন্য সমালোচকদের নানা উপায়ে ভীতি প্রদর্শন করছে। বানোয়াট অভিযোগে বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে আটক করেছে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা।
সিভিকাসের এশিয়া প্যাসিফিকবিষয়ক গবেষক জোসেফ বেনেডিক্ট বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।
সিভিকাসের প্রতিবেদনে দেশগুলোয় ৪টি ক্যাটাগরিতে ফেলা হয়। তা হলো ওপেন (মুক্ত), ন্যারোড (সংকীর্ণ), অবস্ট্রাকটেড (বাধার সম্মুখীন) ও রিপ্রেসড অর ক্লোজড (নিষ্পেষণমূলক, বন্ধ হয়ে যাওয়া)। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বোঝানো হয় ক্লোজড ক্যাটাগরি দিয়ে।










































