স্পোর্টস ডেস্ক।।
সব ধরনের ক্রিকেট থেকে গত বৃহস্পতিবারই অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতীয় জাতীয় দলের সাবেক ব্যাটার ও পশ্চিমবঙ্গের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি। তবে ৫ দিন পরই সিদ্ধান্ত পাল্টেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার ‘আরও একবার (রঞ্জি ট্রফি জেতার) চেষ্টা’র কথা বলে অবসর ভাঙেন তিনি।
রঞ্জি ট্রফিতে দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয় বেঙ্গল। তবে সর্বশেষ ঘটনা ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে। সর্বশেষ ৩ মৌসুমে দুইবার ফাইনালে ওঠে বেঙ্গল। তবে শিরোপা জিততে পারেনি। গত মৌসুমে ফাইনালে হেরে যায় সৌরাষ্ট্রের কাছে।
ইডেন গার্ডেন্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিওয়ারি বলেন, ‘গত মৌসুমে বেঙ্গলকে নেতৃত্ব দেওয়া ছিল আমার জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত। তবে সেটি ছেড়ে দেওয়ার আগে আরও একবার চেষ্টা করতে চাই। আগামী বছর আর কোনো ‘‘ইউ-টার্ন’’ নয়। আমি বেঙ্গল ক্রিকেটকে আরও ১ বছর দিতে চাই।’
অবসরের ঘোষণায় ইনস্টাগ্রামে মনোজ লিখেছিলেন, ‘ক্রিকেট খেলাকে বিদায় জানালাম। এই খেলা আমাকে সব কিছু দিয়েছে। প্রত্যেকটা ছোটখাটো জিনিস যা আমি কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি। জীবনে বার বার অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। ক্রিকেট খেলার প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। ঈশ্বরের প্রতিও, যিনি বরাবর আমার পাশে থেকেছেন।’
তিনি আরও লিখেন, ‘যারা আমার এই ক্রিকেটযাত্রায় পাশে থেকেছেন তাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ক্রিকেট জীবনে যা কিছু অর্জন করেছি তার জন্যে ছোটবেলার কোচ থেকে শুরু করে গত বছরও যার অধীনে খেলেছি, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমার এই যাত্রায় মানবেন্দ্র ঘোষ শুধু কোচই ছিলেন না, আমার বাবার মতোই ছিলেন। উনি না থাকলে আজ ক্রিকেটে এত দূর আসতে পারতাম না। আপনাকে ধন্যবাদ। ইদানীং আপনার শরীর ভালো নেই। তাই দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। ধন্যবাদ বাবা-মাকে। কখনও পড়াশোনার জন্যে অতিরিক্ত চাপ দেননি আমাকে। ক্রিকেট খেলতে উৎসাহ দিয়ে গিয়েছেন। আমার জীবনে আসার পর থেকে সব সময় পাশে দাঁড়ানোর জন্যে স্ত্রী সুস্মিতাকে ধন্যবাদ।’
মনোজ ভারত জাতীয় দলের হয়ে ১২টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। যেখানে ২৮৭ রান করেছেন। একটি সেঞ্চুরি ও একটি ফিফটি রয়েছে তার। টি-টোয়েন্টিতে তিনটি ম্যাচ খেলে ১৫ রান করেছেন। এছাড়া আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স-সহ একাধিক দলে খেলেছেন তিনি। ২০১২ সালে কলকাতা প্রথম আইপিএল জয়ের সময় শেষ ওভারে দু’টি বাউন্ডারি মেরে দলকে জিতিয়েছিলেন মনোজই।








































