Home আঞ্চলিক শরণখোলায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষন

শরণখোলায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষন

15

অপহরণের ১৮ দিন পর উদ্ধার, থানায় মামলা দায়ের


শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি


বাগেরহাটের শরণখোলায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরনের পর ১৮ দিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বুধবার দুপুরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে শরণখোলা থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার শরণখোলা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের অপহৃত ছাত্রীর পিতা জানান, তার মেয়ে উপজেলার একটি দাখিল মাদ্রাসায় ১০ শ্রেনীতে পড়াশুনা করে। পার্শ্ববর্তী মালিয়া-রাজাপুর গ্রামের হানিফ হাওলাদারের ছেলে রাকিব (২৮) ও মোজাম্মেল ভুইয়ার ছেলে মুন্না (২৮) বিভিন্ন সময় তার মেয়েকে উত্যাক্ত করতো।

এ অবস্থায় গত ২২ মে বেলা ১১টায় তার মেয়ে ব্যক্তিগত কাজে বাড়ির সামনের রাস্তায় যায়। এ সময় মোটরসাইকেলসহ বন্ধুদের নিয়ে ওৎ পেতে থাকা রাকিব ও মুন্না তার মেয়েকে জোর পুর্বক অপহরন করে নিয়ে যায়।

সেই থেকে শরণখোলা থানায় মৌখিভাবে জানিয়ে মেয়েকে খুঁজতে থাকেন। গত বুধবার (১০ জুন) অপহরনকারীরা তার মেয়েকে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে খবর পেয়ে পুলিশ উপজেলার পাঁচ রাস্তা এলাকা থেকে উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়ার পর ওই ছাত্রী সাংবাদিকদের জানান, অহরনের পর মুন্নার বাড়ির দোতালায় নিয়ে তাকে আটকে রেখে মুন্নার মা খাদিজা বেগম ও তার ভাই খোকনের সহযোগীতা পালাক্রমে ধর্ষণ করে রাকিব। এ ব্যাপারে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ এস.কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, উদ্ধার করে মেয়েটিকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তার পিতা বাদী হয়ে রাকিব ও মুন্নাসহ পাঁচজনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামী গ্রেফতারে অভিযান চালছে। শনিবার মেয়েটিকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২২ ধারায় জবানবন্ধি গ্রহন ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট পাঠানো হবে।