যশোর অফিস।।
জাল সনদে চাকরি নেওয়ার দায়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) আরও এক কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সুমন হোসেন নামে ওই ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সোমবার রিজেন্ট বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে গত ১৩ মে একই অভিযোগে ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বরখাস্ত এবং দু’জনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
রিজেন্ট বোর্ডের সভায় জানানো হয়, সুমনের এসএসসির সনদ জাল প্রমাণ হওয়ায় তদন্ত বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী তাঁকেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সনদ জালিয়াতির অভিযোগে পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের টেকনিক্যাল অফিসার জাহিদ হাসানকে আগেই বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশে শাস্তি রহিত হয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় এই স্থিতাবস্থার বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। ফলে বর্তমানে জাহিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে আইনি বাধা না থাকায় তাঁর আগের শাস্তি বহাল রাখা হয়েছে।
যবিপ্রবি উপাচার্য ও রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি ড. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ আনিছুর রহমান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) আবু ইউসুফ মিয়া, যুগ্ম সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান, সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ, সাভারের পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এস এম আসাদুজ্জামান, যশোরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কাওছার উদ্দিন আহম্মদ, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. গোলাম শাহী আলম, ইউজিসি অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. এম এ রশীদ, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহসান হাবীব, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের অধ্যক্ষ মর্জিনা আক্তার, রিজেন্ট বোর্ডের সচিব ও যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আহসান হাবীব প্রমুখ।










































