দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার দাকোপে জয়নগর এলাকায় ফের পাউবোর জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে জোর পূর্বক দখলকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এঘটনায় দখলকারী গংদের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভোগদখলকার মালিক পক্ষরা।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিনে জানা গেছে উপজেলার জয়নগর এলাকায় দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ ওই এলাকার রহমত শেখ গংরা একই এলাকার ইয়াদুল ইসলাম গংদের ভোগদখলীয় সম্পত্তির সম্মুখে পাউবোর ওয়াপদা বেড়িবাঁধের পাশে দখল করে পাকাঁ স্থাপনা বানিয়ে দোকানের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।

জয়নগর এলাকার ইয়াদুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, বিশ^ বাংকের অর্থায়নে পাউবোর ৩২নং পোল্ডারের ন্যায় জয়নগর এলাকায় নতুন ওয়াপদা বেড়িবাঁধ নির্মান কাজ চলছে। কয়েক মাস আগে অবৈধ দখলকারী রহমত গংদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেড়িবাঁধের নীচে পড়ায় আর কখনো ওই জায়গা দখল করবে না মর্মে অঙ্গিকার নামা দিয়ে ক্ষতিপূরন বাবদ তারা জেলা প্রশাসকের জমি অধিগ্রহন শাখা থেকে প্রায় ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা করে উত্তোলন করেন। কিন্তু বর্তমানে ওই স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মান হওয়ার পর পূনরায় আবার রহমত গংরা ওই জায়গায় জোর করে দোকানঘর তৈরী করতে যান। এসময়ে তারা বাঁধা দিতে গেলে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মারপিট করতে উদ্ব্যত হয়। এঘটনার প্রতিকার চেয়ে তারা ওই দখলকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
রহমত শেখ বলেন তিনি জয়নগর বাজারে রাস্তার পাশে ঘর নির্মান করে অনেক দিন যাবৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালিয়ে আসছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের দেয়া ক্ষতিপূরনের টাকাও পেয়েছেন। তাপরও বাজারের দিন কাচা মাল বিক্রির জন্যে বাশ দিয়ে ঘর বাধছিলেন বলে জানান।
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী (তহশীলদার) ইলিয়াজ হোসেন জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড স্যারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যেয়ে দেখি পাউবোর জায়গা দখলে নিয়ে রহমত গংরা বাশ দিয়ে ঘর নির্মান করছেন। তিনি সাথে সাথে কাজ বন্দো করে দিয়েছেন বলে জানান।
বিশ্ব ব্যাংকের ইনঞ্জিয়ার সামসুর রহমান বলেন, পাউবোর প্রকৌশলীকে সাথে নিয়ে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলিশ ফোর্স দিলে গোটা পোল্ডারে অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
এবিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী সিইআইপি-১ আশরাফুল আলম জানান, বেড়িবাঁধ নির্মানধিন সব এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক করা হবে। পরে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বলেন স্থানীয় তহশীলদার (নায়েবকে) ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল এবং তিনি তা নিয়েছেনও। বর্তমানে সেখানে ঘর বানোর কাজ বন্দো করে দিয়েছেন বলে জানান। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল ওয়াদুদ জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমিকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।











































