Home আঞ্চলিক ৩০ বছরের সেতু থেকে খুলে পড়ছে পাত

৩০ বছরের সেতু থেকে খুলে পড়ছে পাত

8

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি||
ডুমুরিয়ার কাঁঠালতলা-মাগুরখালী সড়কের সুন্দরবুনিয়া নদীর ওপর ৩০ বছর আগের নির্মাণ করা হয়েছিল লোহার সেতুটি। এ সময়ের মধ্যে তেমন কোনো সংস্কার হয়নি। ফলে লোহার পাতগুলো মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। খুলে পড়েছে একাধিক পাত। আতঙ্ক নিয়েই পাঁচ ইউনিয়নের বাসিন্দারা সেতুটি ব্যবহার করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সেতুটি নির্মাণ করে। এরপর থেকে ওই সেতু ব্যবহার করে খুলনা-যশোর, সাতক্ষীরা জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের অফিস, মাগুরখালী ও মাদারতলা পুলিশ ক্যাম্পে যাতায়াত করেছে এলাকাবাসী। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও যাতায়াতের মাধ্যম এটি। তবে এটি জরাজীর্ণ হওয়ায় ভয়ে পার হতে হয় তাদের।
মাগুরখালী, শোভনা, মাগুরাঘোনা, খর্নিয়া ও আটলিয়া ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের উৎপাদিত সবজি ও মাছ বিক্রির জন্য আড়ত বা হাটবাজারে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম লোহার সেতুটি। ২০২০ সালে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে দু’বার সেতুটি সংস্কার হলেও ফের ভেঙে গেছে।
কৃষক সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ও ব্যবসায়ী আ. সালাম শেখ বলেন, ভ্যান বা অন্য কোনো যানবাহন সেতুতে উঠলে কাঁপতে শুরু করে। সেতুতে শব্দ হয়। পাটাগুলোয় মরিচা ধরায় সেগুলো যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম বলেন, সুন্দরবুনিয়া নদীর ওপর পুরোনো সেতুটির দিকে কারও নজর পড়ছে না। যে কোনো সময় দুর্বল সেতুটি ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আটলিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান প্রতাপ কুমার রায় বলেন, এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে অনেক ইটভাটা গড়ে উঠেছে। ইটবোঝাই ট্রাকের অবাধ চলাচলের কারণেই সেতুটির এ অবস্থা। জনস্বার্থে সেতুটি সংস্কারে কর্তৃপক্ষকে বারবার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, সুন্দরবুনিয়া সেতুটি সংস্কারে উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় কয়েকবার কথা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে সেতুটি সংস্কার হবে।