আজ (২৪ জুন, ২০২৬) ‘দৈনিক খুলনাঞ্চল’ পত্রিকায় প্রকাশিত “মোংলায় পুলিশ পরিচয়ে নারীকে কুপিয়ে জখম, মামলা না নেওয়ার অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন উক্ত মামলার অন্যতম বিবাদী মো: তারেক ব্যাপারী।
।। প্রতিবাদ লিপি।।
এক লিখিত প্রতিবাদ লিপিতে তারেক ব্যাপারী দাবি করেন, প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃত ঘটনা হলো- নাজমা রায়হানের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। ঘটনার দিন রাতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এলাকাবাসী ২০-২২ জন মিলে তাদের মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করতে নাজমা রায়হানের বাসায় যান। এ সময় ঘরের বাতি বন্ধ করে দেওয়া হলে এলাকাবাসী দরজা খোলার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে দরজা খোলা হলে নাজমা রায়হানের ছেলে শাহিন আহমেদ সানিকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিরা এসে বিষয়টি মীমাংসা করেন এবং সানির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাকে পুলিশে না দিয়ে স্থানীয়ভাবে মিটমাট করে দেওয়া হয়।
প্রতিবাদ লিপিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পরদিন সকালে ওই নারী নিজেই পুরো এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে চরম গালিগালাজ শুরু করেন। তাঁর দাবি ছিল- তাঁর ছেলে যা খুশি তাই করবে, সেখানে এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই। তারেক ব্যাপারী আরও অভিযোগ করেন, উক্ত নারী বিগত দিনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছেন। মূলত নিজেদের মাদক ব্যবসা ও অপকর্ম আড়াল করতেই এলাকাবাসীর নামে এই মিথ্যা ও সাজানো মারধরের অভিযোগ তোলা হয়েছে।
।। খুলনাঞ্চল-এর বক্তব্য।।
উক্ত সংবাদটি ভুক্তভোগী নাজমা রায়হানের মোংলা থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগের (জিডি/অভিযোগ সূত্র) ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছিল। সংবাদে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইন্সপেক্টর আতিকুলের বক্তব্যও হুবহু তুলে ধরা হয়েছে। ‘দৈনিক খুলনাঞ্চল’ কোনো পক্ষ বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সংবাদ প্রকাশ করে না। যেহেতু বিষয়টি এখন মোংলা থানা পুলিশ এবং বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তদন্ত করে দেখছে, তাই তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে। আমরা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী বিধায় তারেক ব্যাপারীর পাঠানো প্রতিবাদ লিপিটি পাঠকদের স্বার্থে হুবহু প্রকাশ করা হলো।











































