অর্জুন বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।।
গোপালগঞ্জে পূর্ব শত্রুতা জেরে রানা মোল্লা (২৮) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
রোববার রাত পৌনে ৮ টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর-তেলিগাতী সড়কের রঘুনাথপুরে ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ও জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. জাহিদুর রহমান মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
নিহতরানা মোল্লা গোপালগঞ্জ সদরের উপজেলার কাঠি ইউনিয়নের কাঠি মধ্যপাড়া গ্রামের বাদল মোল্লার ছেলে।
রানা মোল্লা ঢাকা মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ করতেন। ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসে। নিহত রানা মোল্লা দেড় বছরের একটি মেয়ে আছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রুবেল মোল্লা ও রতন মোল্লা বলেন, রোববার বিকেল সাড়ে চারটার চার বন্ধু মিলে দুটি মোটরসাইকেলে করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সিলনা বাজারে মিষ্টি খাওয়ার উদ্দেশ্যে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাঠি দক্ষিণপাড়া গ্রামের জীবন সরদারের ছেলে বদরুল সরদারের নেতৃত ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।
নিহত রান রানা মোল্লা প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে মোটরসাইকেল থেকে নেমে রাস্তার পাশে খালে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পানির মধ্যে তাকে প্রতিপক্ষের লোকজন এলোপাতাড়ি ভাবে
কুপিয়ে দাঙ্গায় টেনে তুলে। এরপরে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুনরায় কোপাতে থাকে। এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন তার মৃত্যু হয়েছে ভেবে ওই স্থান ত্যাগ করে।
পরে তার বন্ধুরা স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করে।
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ও জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মো. জাহিদুর রহমান বলেন, আজ সন্ধার পর রানা নামের এক যুবককে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে আনা হয়। তার শরীরের হাত,পা সহ বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রে কাপের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আপানার পূর্বে তার মৃত্যু ঘটে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাসির আহমেদ বলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠি ইউনিয়নে এক যুবককে পূর্ব শত্রুতার জেরে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ময়না তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ হাসপাতালে মর্গে মরদেহ রাখা হয়েছে। এঘটনায় এলাকায় যাতে শান্তি শৃংখলা অবনতি হয় সেজন্য আমরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি।
প্রসঙ্গত দুই বছর আগে নিহত রানা মোল্লার পক্ষের সাথে প্রতিপক্ষ বদু সরদারের পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েকজন গুরুতর আহত হয়।











































