ডুমুরিয়া প্রতিনিধি।।
ডুমুরিয়ায় ভদ্রা নদীর তীরে গড়ে ওঠা দেড় ডজন ইট ভাটার মধ্যে ৫টি ভাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসন। গতকাল শনিবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজস্ট্রেট মোঃ মামুনুর রশীদ এ নির্দেশনা দেন। এসময়ে তিনি দুথটি ইট ভাটায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে নগদ ৩লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন। জানা যায়, হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ইটভাটা উ”েছদ কার্যক্রমে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। প্রথমদিন নদীর জায়গা অবৈধ দখল করায় ৫টি ইটভাটার সকল কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন। আগামী তিনদিন চলবে এই অভিযান। সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজস্ট্রেট মোঃ মামুনুর রশীদ প্রথম দিনে অভিযান চালিয়ে খর্ণিয়া এলাকায় জাহান ব্রীকসে ২লাখ টাকা ও এফএম ব্রীকসে ১লাখ টাকা জরিমানা আদায়সহ সেতু ব্রীকস, এসবি ব্রীকস ও কেবি-২ ব্রীকসে সরকারি জায়গা দখলে থাকা সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।
সুত্র জানায়, বিডাব্লিউডিবি খুলনার তালিকায় ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া এলাকায় ভদ্রা ও হরি নদীর তীরবর্তী জায়গায় মোট ১৮টি ইটভাটার নাম রয়েছে। যার অধিকাংশ ইটভাটা নদীর চর দখল করে ইট প্র¯‘ত করে আসছে। ইটভাটার মাধ্যমে এসব দখলের কারণে ভদ্রার শাখা নদী সালতাসহ সংযুক্ত অন্তত তিনটি খালের স্রোতের প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বছরের শীতকালিন সময় ক্রমন্বয় নদীর জায়গা ভাটার দখলে যা”েছ। যার ফলে এক সময়কার ৫০০ মিটার প্রশস্ত ভদ্রা নদী সংকুচিত হয়ে এখন ২০ থেকে ৩০ মিটার রয়েছে। এসব কারণে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ এর পক্ষে গত বছর ২২ ফেব্রুয়ারী হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। ২৫ ফেব্রুয়ারী ওই রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্যার হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। রিটের বিবাদীরা হ”েছন এলজিআরডি, পানিসম্পদ, পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি, পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক, ডিসি ও এসপি, খুলনা, খুলনা-৫ এর সংসদ সদস্য, ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যানসহ মোট ১৪জন। এছাড়া খুলনার জেলা প্রশাসক ও ডুমুরিয়ার এসিল্যান্ডকে সিএস/আরএস অনুসারে জরিপ করে ভদ্রা ও হরি নদীর সীমানা নির্ধারণ করে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের পর গতবছর ১৪ ডিসেম্বর আদালত ৬০ দিনের মধ্যে ১৪টি ইটভাটা উ”েছদ করতে ¯’ানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টকে নির্দেশ দেন।











































