খবর বিজ্ঞপ্তি:
গত দুই সপ্তাহে খুলনায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কোন বাস্তব পদক্ষেপগ্রহণ না করায় বিভাগীয় ও বাস্তব পদক্ষেপ এবং প্রস্তুতির দাবি জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ খুলনায় স্বাস্থ্য বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসনকে জনমনে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের জন্য প্রকৃত তথ্য সরবরাহ ও সমস্ত প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য নিম্নলিখিত পরামর্শ প্রদান করেছেন। ক) দ্রুত করোনা ভাইরাস টেস্টের জন্য ভুলনা বিভাগের জনগনের জন্য খুলনায় দ্রুত ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা।
খ) যেহেতু খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২টি জেলা মহানগরীর রূগীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান এবং গত ১ সপ্তাহ খুলনায় সকল কিনিক ও প্রাইভেট প্রাকটিস চিকিৎসকরা বন্ধ রেখেছেন তাদের নিরাপত্তার জন্য সে কারণে জনগনের সকল চিকিৎসা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে উন্মুক্ত রেখে মিরের ডাঙ্গা সংক্রমণ ব্যাধী হাসপাতালে অথবা একাধিক বড় কিনিকে ভাইরাসের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
গ) করোনা চিকিৎসার জন্য চিকিৎসাকদের নিরাপত্তা পিপিই এর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা, চিকিৎসা সেবার হসপিটালকে বায়ূ নিরোধের ব্যবস্থাগ্রহণ করা। ঘ০ খুলনা শহর ও শহরতলী দূষণমুক্ত করা, ড্রেন নর্দমা পরিস্কার, বিচিং পাইডার মেশানো পানি সকল সড়ক ও অলিগলিতে ¯েপ্র করা ও মশক নিধনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা এক্ষেত্রে কাউন্সিলরদের মাঠে নামিয়ে তদারকির ব্যবস্থা করা।
ঙ) নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য দ্রুত খাবারের ব্যবস্থা করা ও স্বল্পমূল্যে চাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করা।
উলেখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে খুলনায় করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণ করলে জনগনের আস্থার সৃষ্টি করার দাবিসহ খুলনার বিত্তবানদের এই দূ:সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে জনগনের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছে নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।











































