মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ।।
বাগেরহাটের রামপালে খাঁনজাহান আলী বিমান বন্দরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ’র (ভূ-সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) উপ-পরিচালক ইশরাত জাহান পান্না। রবিবার দিনভর রামপাল উপজেলার ফয়লা এলাকায় এ বিমান বন্দরের কার্যক্রম পরিদর্শনে আসা কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ইশরাত জাহান পান্নার সাথে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: কবীর হোসেন।

মুলত ১৯৯৬ সালে বাগেরহাটের মোংলা ও রামপাল উপজেলার মাঝখানে ফয়লা এলাকায় খাঁনজাহান আলী বিমান বন্দর নির্মাণ প্রকল্পের কাজ হাতে নেয়া হয়। এরপর ২০১৫ সালে এ বিমান বন্দর প্রকল্প অনুমোদন পায়। প্রথম দফায় ৯৫ একর এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় আরো ৫শ ৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয় এ বিমান বন্দর নির্মাণের জন্য। অধিগ্রহণকৃত জমিতে মাটি ভরাটের পর সেখানে এখন চলমান রয়েছে সীমান প্রাচীর নির্মাণের কাজ। ২০২০ সালে মধ্যে এ বিমান বন্দর নির্মাণের কাজ শুরুর কথা থাকলেও তা নানা জটিলতার কারণে সম্ভব হয়নি। মুল কাজ শুরু না হওয়ায় ২০২২ সালে বিমান চলাচলের যে সময়সীমা ছিল তাও পিছিয়েছে। খাঁনজাহান আলী বিমান বন্দর প্রকল্পটি দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এটি খুলনা শহরের কাছাকাছি অবস্থানে নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণাধীন এ বিমান বন্দরটি খুলনা, বাগেরহাট ও মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে প্রায় ২২/২৩ কিলোমিটার সমান দূরত্বের মাঝখানে অবস্থিত। বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার মোংলা-খুলনা মহাসড়কের ফয়লা এলাকায় খাঁনজাহান আলী বিমান বন্দরের ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপনের পরও দীর্ঘকাল পেরিয়ে গেলেও এর অগ্রগতি আশানুরুপ হয়নি।

রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: কবীর হোসেন বলেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ’র (ভূ-সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) উপ-পরিচালক ইশরাত জাহান পান্নার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি টিম রবিবার সারাদিন খাঁনজাহান আলী বিমান বন্দর এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তারা ফিরে গিয়ে এ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দিবেন।









































