Home আঞ্চলিক মণিরামপুরে স্ত্রী-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, কলেজ শিক্ষক আটক

মণিরামপুরে স্ত্রী-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, কলেজ শিক্ষক আটক

25


মণিরামপুর প্রতিনিধি ।।

যশোরের মনিরামপুরে নিজ ঘর থেকে স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের পর গৃহকর্তা কলেজ শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে উপজেলার কুলটিয়া গ্রাম থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মৃত দুজন হলেন মশিয়াহাটি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক কনার মন্ডলের স্ত্রী পিয়া মন্ডল (২৩) এবং দেড় বছর বয়সী মেয়ে কথা মন্ডল।

প্রভাষক কনার মন্ডল উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের সুজাতপুর গ্রামের ননি মন্ডলের ছেলে।

পিয়া মণ্ডলের দাদু (নানা) কমলেশ মণ্ডলের অভিযোগ, কনার মন্ডলের সঙ্গে পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয় অভয়নগর উপজেলার দত্তগাতী গ্রামের ভগিরত মন্ডলের মেয়ে পিয়া মন্ডলের। বিয়ের পর কনার মন্ডল স্ত্রীকে নিয়ে কুলটিয়া বাজারের পাশে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তাদের একমাত্র সন্তান কথা মন্ডলের বয়স এখন দেড় বছর।

পিয়ার স্বামী কনার মন্ডলের ‘পরকীয়া’ সম্পর্কের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো বলে কমলেশের অভিযোগ।

কমলেশের ধারণা, স্বামীর উপর অভিমান করে অন্তঃসত্ত্বা পিয়া মন্ডল সন্ধ্যায় মেয়ে কথাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মনিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, শনিবার সকালে কনারের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। এরপর থেকে কনার বাড়ি ছিলেন না।

ছবি: মশিয়াহাটি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক কনার মন্ডল-খুলনাঞ্চল

মা-মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি নিজে [ওসি রফিকুল ইসলাম] ও নেহালপুর ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আতিকুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন বলে জানান ওসি।

ওসি বলেন, পিয়ার দাদু কমলেশ মন্ডলসহ তার অভিভাবকরা ঘটনাস্থলে কনার মন্ডলকে লাঞ্ছিত করেন। পরে পুলিশ কনার মন্ডলকে তাদের হাত থেকে উদ্ধারের পর আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

“আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ স্বামী কলেজ শিক্ষক কনার মন্ডলকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।”