Home আঞ্চলিক স্বর্ণের বৈধ আমদানিতে এত দিন বাধা ছিল সিন্ডিকেটের: বাজুস সভাপতি

স্বর্ণের বৈধ আমদানিতে এত দিন বাধা ছিল সিন্ডিকেটের: বাজুস সভাপতি

2


­যশোর প্রতিনিধি।।

‘স্বর্ণ স্মাগলিং পণ্য নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি একটি সিন্ডিকেটের কারণে স্বর্ণের বৈধ আমদানির পথ বাধাগ্রস্ত ছিল।’ বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপতি এনামুল হক খান শুক্রবার দুপুরে যশোরে খুলনা বিভাগীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জুয়েলার্স সমিতির নেতারা অংশ নেন। তিনি বলেন, সরকারের নীতিগত সহায়তায় এখন স্বর্ণ খাতকে শৃঙ্খলার মধ্যে এনে রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিণত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এনামুল হক খান বলেন, ‘যে পণ্য মানুষ নিজে এবং পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করেন, সেটিকে শুধু “স্মাগলিং পণ্য” হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও বিদেশি সিন্ডিকেট বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানির পথকে বাধাগ্রস্ত করেছে।’ তিনি বলেন, সরকার স্বর্ণ খাতকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে এনে রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ভ্যাট, টার্নওভার ট্যাক্স ও উৎস কর হ্রাসসহ বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানির সুযোগ তৈরি হওয়ায় দেশের জুয়েলারি শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

বাজুস সভাপতি আরও বলেন, ‘সরকার স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের যে সুযোগ দিয়েছে, আমরা তা শতভাগ কাজে লাগাতে চাই। শিগগিরই স্বর্ণ আমদানির প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। লাইসেন্সের মাধ্যমে সব ব্যবসায়ী বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি করতে পারবেন।’

তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক জুয়েলারি রপ্তানিকারক দেশগুলোর কাতারে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দেশীয় বাজারকে আরও সমৃদ্ধ করে বাংলাদেশের স্বর্ণশিল্পকে বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন।

যশোর জেলা বাজুসের সভাপতি রকিবুল ইসলাম চৌধুরী সঞ্জয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাজুসের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আজাদ আহমেদ, সাবেক সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সমীর ঘোষ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীনসহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।