স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনা মহানগরীর রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র চাঞ্চল্য ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় লোকচক্ষুর অন্তরালে ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গাজী আফসার উদ্দিনের সাথে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের একটি ‘গোপন বৈঠক’ অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দলীয় হাইকমান্ডকে অন্ধকারে রেখে হঠাৎ এই ধরণের গোপন বৈঠকের খবর ফাঁস হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তৃণমূল বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক সূত্র জানায়, সন্ধ্যায় সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা করে লবনচরা থানা এলাকায় এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৩১নং ওয়ার্ড জামায়াতের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও লবনচরা থানা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান জিকো এবং ৩১নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি নূর হোসেন বাবুলসহ স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিংবা কীসের নীল নকশা বা আঁতাত তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে খোদ বিএনপির ভেতরেই নানামুখী প্রশ্ন ও তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
তৃণমূলের একাধিক সিনিয়র নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে দল পুনর্গঠন এবং রাজপথের আন্দোলন নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে, সেখানে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এবং দায়িত্বশীলদের না জানিয়ে জামায়াত নেতাদের নিয়ে এমন ‘রহস্যজনক বৈঠক’ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি দলের স্পষ্ট শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং এর পেছনে কোনো ব্যক্তিস্বার্থ বা গোপন আঁতাত রয়েছে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
এলাকার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচন বা অন্য কোনো বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই গোপন বৈঠকের ছক আঁকা হয়েছে। এ ব্যাপারে আফসার উদ্দিন এর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।









































