স্টাফ রিপোর্টার//
খুলনায় মাস্ক না পরায় ৩৩জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ২৫জনকে সাড়ে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খুলনা মহানগরীর চারটি স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
খুলনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলী জানান, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ প্রতিহত করতে গত রবিবার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খুলনা মহানগরীর ডিসি অফিস মোড়, ডাকবাংলো মোড়, শিববাড়ী মোড় ও নিউ মার্কেটের সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় মুখে মাস্ক না পরার কারণে ৫৮জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ২৫জনকে সাড়ে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩৩জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি জানান, উক্ত ঘটনায় ২৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা দেওয়া একজন বলেন, ‘মুখে মাস্ক না পরার কারণে আমি পাঁচশ টাকা জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেয়েছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ রকম অভিযান পরিচালনা করা হলে কেউ মুখে মাস্ক ছাড়া রাস্তায় আর বের হবেন না বলে আমার ধারণা।’
এদিকে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের মধ্যেও গতকাল সোমবার নগরীর প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলো মোড়, পিকচার প্যালেস মোড়, স্যার ইকবাল রোড, কেডিঘোষ রোড, সিমেট্রি রোড, রেল স্টেশনসহ নগরীর বিভিন্ন সড়কে মাস্ক ছাড়াই মানুষকে চলাচল করতে দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে খুলনা মহানগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অনেক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছিল’ তারপরও মানুষের মধ্যে সচেতনতা আসেনি। এ অবস্থায় গত রবিবার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় মাস্ক না পরলে পুনরায় জেল-জরিমানাসহ কঠোর অবস্থানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে খুলনা জেলা প্রশাসন।











































